আমার প্রিয় পোস্ট

https://sites.google.com/site/masumjujulynuvan/

পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশে কতটা জরুরী?

২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:০৫

শেয়ারঃ
0 2 0

প্রযুক্তিকে সঠিক সময় গ্রহন না করে পিছিয়ে পড়াটা বর্তমানে আত্মহত্যার-ই সামিল। তুরস্কের এত বৃহৎ অটোম্যান সম্রাজ্য ভেঙ্গে খান-খান হওয়ার পেছনের অন্যতম কারন ছিল তৎকালীন নব্য প্রযুক্তি গ্রহনের উন্ন্যাসিকতা। যা হোক,বিদ্যুৎ শক্তির অভাব বর্তমানে প্রকট আকার ধারন করেছে। আমাদের বিদ্যুৎ শক্তির প্রধান উৎস প্রাকৃতিক গ্যাস, যার অধিকাংশই নব্য সম্রাজ্যবাদী কিছু কম্পানীর কাছে দায়বদ্ধ (কারন বাপেক্সকে সুপরিকল্পিত ভাবে পঙ্গু করে রাখা হয়েছে)। গ্যাসের হিটিং ভ্যালু কম হওয়ায় এটা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা গ্যাসের সবচেয়ে ইনএফিসিয়েন্ট কাজগুলির মধ্যে অন্যতম। আর গ্যাস বিভিন্ন সার প্রস্তুতির কাঁচামাল, গ্যাস শেষ হয়ে যাওয়া মানেই সারের দাম তথা চাউল সহ শস্যের দাম আরও কি পরিমান বাড়বে, সেটা কল্পনা করতেও ভয় হচ্ছে। তাই আমাদের বিদ্যুত উৎপাদনের জন্য বিকল্প ব্যাবস্থা নেয়া উচিত। বায়োডিজেল সম্পুর্ণ সমাধান নয়, কারন এতে বর্ধনশীল ফসল বা ডিজেলের কাঁচামাল উৎপাদনের জন্য জেনেটিক্যালি মডিফায়েড বীজ বা জেনম ব্যবহৃত করা হয় যা উক্ত জমিকে সম্পুর্ণরূপে উর্বরতাশুণ্য করে দেবে যা হবে এই ধরিত্রী ও মানব সভ্যতার বিরুদ্ধে সবচেয়ে জিঘাংসামূলক কাজের মধ্যে একটি, যার কাজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে ব্রাজিলে শুরু করে দিয়েছে। সৌরবিদ্যুৎ খুবই ব্যয়বহুল ও আমাদের মতন বর্ধিষ্ণু কিন্তু দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য অপর্যাপ্ত। তাই এখন সবদিক বিবেচনা করে একটি এফিসিয়েন্ট পথ খোলা আছে আর তা হল পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন। প্রশ্ন উঠতে পারে এটাতো অনেক ব্যয়বহুল, একদম ঠিক; কিন্তু বাজারে গিয়ে একটু বেশী খরচ করেও কেন ভালো জিনিসটা কিনি? কেন সস্তায় সেলেরন না কিনে একটু বেশী খরচ করে হলেও ইন্টেলের প্রসেসর কিনি? উত্তরটা আমরা সবাই জানি, তাই না। সরকার বায়ুসেনা গণের জন্য শত হাজার কোটি টাকা খরচ করে জাতীয় দিবসের প্যারেড গ্রাউন্ডের ওপর দিয়ে বিমানের ডগ-ফাইট দেখার জন্য যদি মিগ-২৯ বিমান কিনতে পারেন তবে একটি প্রয়োজনীয় সেক্টরে টাকা বিনিয়োগে সমস্যা কোথায়? তাই এই বৃহৎ জনগোষ্ঠির কাছে তৃণমূল পর্যায়ে বিদ্যুৎ পৌছে দেয়ার জন্য পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প দ্রুত গ্রহন করা অতি জরুরী, কারন ডিসিশান নেবার পর থেকে প্ল্যান্টের ফিজিবিলিটি টেস্ট, প্রসেস লাইসেন্সিং, ভ্যান্ডরদের মেশিনারীজ সাপ্লাই ও কমিশনিং-স্টার্টআপ করতেই ৩-৪ বছর লেগে যায়। এছাড়া দেশের ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশানের জন্য কোন ভোল্টেজ ফ্ল্যাকচুয়েশান ছাড়া আনইন্টারাপ্টেড বিদ্যুতের সরবরাহ করার জন্য পারমানবিক শক্তি অপরিহার্য। এপ্রসঙ্গে বলা যেতে পারে উন্নত বিশ্বের কিছু দেশ যাদের জনসংখ্যা খুবই কম, তাদের বৈভব আমাদের দেশের মতন নয়। তাদের দেশে জনসংখ্যার তুলনায় প্রচুর পরিমানে প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে যা বাংলাদেশে অনুপস্থিত। তাই আমাদের এই সম্পদকে অপ্টিমাইজ ওয়েতে কাজে লাগাতে হবে। তাই তাদের পারমানবিক প্রযুক্তি গ্রহন করে বিদ্যুৎ উৎপাদন অত্যাবশ্যকীয় নয়, যতটা না আমাদের।
দ্বিতীয় প্রশ্ন, আমরা কি এত বৃহৎ ও রিস্কি প্ল্যান্ট চালাতে পারব? আমি স্বরণ করিয়ে দিতে চাই আমাদের ছেলেরাই বিদেশে গিয়ে রিসার্চ ও ইঞ্জিনিয়ারিং-এ যে সাফল্য দেখায় তা কি আমরা জানিনা? জাতি হিসেবে নিজেদের প্রতি এতটাই অনাস্থাপূর্ণ আমরা? ইন্টেলের বাংলাদেশী প্রকৌশলীদের দ্বারা প্রস্তুতকৃত প্রসেসর নিজের পিসিতে ব্যবহার করেও আমরা নিজেদের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলি? দুঃখজনক। আমাদের দেশে প্রচুর ভালো ভালো প্রকৌশলী আছে আমাদের দৃষ্টির আবডালে (যেমনঃ জামিলুর রেজা স্যার -যমুনা সেতুর ডিজাইনে ওনার অবদানের কথা প্রায় সবাই জানি)। কেউ যদি দেশের কোন সার কারখানা ভ্রমন করেন তাহলে আমাদের প্রকৌশলীদের দক্ষতা সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকবেনা, কিন্তু সরকারের উচিত হবে তাদের দেশের জন্য কাজ করার উপযুক্ত ক্ষেত্র তৈরী করে দেয়া যাতে তারা বিদেশমুখী না হয়।
তৃতীয় প্রশ্ন, পারমানবিক বর্জ্যের কি হবে? সেটার জন্য কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থা রয়েছে যারা পারমানবিক বর্জ্য ট্রিটমেন্ট করে। আবার এটাও আশঙ্কা করা স্বাভাবিক, চেরনবিলের মতন দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা কতটুকু? আসলে, প্রযুক্তি এই গত দু'দশকে অনেক এগিয়েছে, এখন ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়ামের ফুয়েল রডের স্থলে পিবল বেড রিয়াক্টর ব্যবহার করা হয় যা একশত ভাগ নিরাপদ। আমরা তো আর নিউক্লিয় জ্বালানী পরিশোধন বা উৎপাদনের কোন কৌশল হস্তগত করতে চাচ্ছিনা, আর বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য যে জ্বালানী ব্যবহৃত হয় তা দিয়ে কোন ভাবেই উইপনস গ্রেডের জ্বালানী প্রস্তুত সম্ভব নয়, তাই এদিক থেকে আমরা সম্পুর্ণ নিরাপদ।
তর্ক-বিতর্ক থাকবেই, কিন্তু এর মধ্যে থেকেই এগিয়ে যেতে হবে, কারন সামনেই আছে সোনালী ভবিষ্যত। কিন্তু রূপপুরের পরমাণু প্রকল্পের মতন কোন অদৃশ্য হাতের কারসাজিতে যেন এ উদ্যোগ -ও যেন ব্যর্থ হয়ে না যায় সেদিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রপারমাণবিক বিদ্যুৎবিদ্যুৎজ্বালানীপারমাণবিক শক্তিইউরেনিয়ামবিকল্প শক্তিবিকল্প জ্বালানীশক্তিজ্বালানীআনবিক শক্তি ;
প্রকাশ করা হয়েছে:   বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:১০
মদনবাবু বলেছেন: পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র তো স্থাপনের উদ্দোগ এখোন সময়ের দাবী।
৩০ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ কিন্তু বহু দশক ধরেই শুধু আলোচনা হয়ে আসছে, কিন্তু কাজ হচ্ছে না।

২. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:০৬
যুদ্ধবাজ বলেছেন: অবশ্যই বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে।
১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: শুক্রিয়া।

৩. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:০৮
যুদ্ধবাজ বলেছেন: যুক্তিগুলো সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
৪. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৭
ত্রিভুজ বলেছেন: অনেক কিছু জানা হলো। এ উদ্যোগ -ও যেন ব্যর্থ হয়ে না যায় সেদিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত।... ধন্যবাদ নুভান।
০৯ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ শামীম ভাই।

৫. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৩১
সাদাচোখ বলেছেন: সমসাময়িক বিষয়ে জানানোর জন্য ধন্যবাদ
০৯ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:৩৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

৬. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৪
রাজর্ষী বলেছেন: এখনি শুরু করা উচিৎ।
০৯ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:৪১

লেখক বলেছেন: গনতান্ত্রিক দেশে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ছাড়াই কি আর কাজ শুরু করা যায়?

৭. ০৬ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: পারলে আজ থেকে শুরু করা উচিত। যথেষ্ঠ সময় নষ্ট হয়েছে, আর নয়।
০৯ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:৪২

লেখক বলেছেন: আমাদের ভাই অবস্থা হবে সাবমেরিন কেবলের মতন। সময় থাকতে সুযোগের সদব্যবহার করবনা, সবাই এগিয়ে যাবার পরে ধুঁকে ধঁকে এগুবো :(

০৯ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৯. ০৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:০০
অকৃতকার্য বলেছেন: আসল প্রশ্নটা হল পারমানবিক জ্বালানী আসবে কোথা থেকে?????
০৯ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: সেটে খুব একটা কঠিন বিষয়না। আই.এ.ই.এ-র কাছ থেকে জ্বালানী শর্ত সাপাক্ষে নেয়া যাবে, এমনকি পারমানবিক বর্জ্য ডাম্পিং করার কাজ-ও। আমরাতো আর পারমানবিক অস্ত্র বানাচ্ছিনা, শুধু বিদ্যুৎ উৎপন্ন করবো, আমাদের আর কি ভয়?

১০. ০১ লা এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১০:২৯
রাজন সান বলেছেন: আপনার চমৎকার ও সময়োপযোগী (যদিও অনেক আগেই লিখেছেন) একটি লেখার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ব্যাপারটি নিয়ে আমি গত ৭-৮ বছর যাবৎ চিন্তা করছি। কিন্তু কোন লাভ নেই। যারা রাষ্ট্রের কর্ণধার, তাদেরই এব্যাপারে অগ্রণী ও আগ্রাসী ভূমিকা নেওয়া প্রয়োজন। তাদের দূরদর্শীতা না থাকার জন্যে গোটা জাতি Suffer করছে এবং করবে।
২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ ভোর ৬:৫৯

লেখক বলেছেন: ঠিক-ই বলেছেন ভাই, রাষ্ট্রের কর্ণধাররা তো চুরি নি্যেই বযস্ত, আমাদের কথা ভাবার সম্য় কোথা্য?

১১. ২২ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:১৬
খারেজি বলেছেন:
শিউর না...
বর্জ্য ফেলমু কই... সোমালিয়ায়?
২৫ শে এপ্রিল, ২০০৯ দুপুর ১২:১২

লেখক বলেছেন: বর্জ পরিশোধনের অনেক প্রতিষ্ঠান আছে, তাদের সাথে চুক্তি করলেই হবে, তারা সোমালিয়া নাকি অস্ট্রেলিয়ায় বর্জ ফেলবে সেটা তাদের ব্যাপার। আমাদের দরকার বিদ্যুৎ।

১২. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৩
দিনমজুর বলেছেন:
দ্বিমত সহ মাইনাস।

বিস্তারিত পরে বলার আগ্রহ রাখি, আপাতত কয়েকটি বিষয়ে আলোকপাত করা যাক:
১। অন্য দেশসমূহের অভিজ্ঞতা কি? নিউক্লিয়ার এ্যাকসিডেন্ট কি কমেছে? উন্নত বিশ্বেই যেখানে দুর্ঘটনা মুক্ত নয়- সেখানে আমরা কতখানি নিশ্চিন্ত থাকতে পারি? পরিবেশের উপর প্রভাব বিবেচনায়- জার্মানী কিন্তু এরই মধ্যেই নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কমানো শুরু করেছে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রও এখন নিউক্লিয়ার প্ল্যান্ট না বাড়িয়ে অন্য সেক্টরগুলোর মাধ্যমে পাওয়ারের চাহিদা মেটানোয় আগ্রহী।
২। হাই কস্টিং সামাল দিব কি করে? এই নিউক্লিয়ার প্রযুক্তি রপ্তানী বাণিজ্যের পাশাপাশি চলা ঋণ বাণিজ্যটাও চলে হরদম। ব্রাজিল সহ আরো কয়েকটি দেশের উদাহরণ এখানে দেখা যেতে পারে- ভবিষ্যতে লেখার ইচ্ছা থাকলো।
৩। বর্জ্য আসলেই একটা বিশাল সমস্যা- আমরা এটা কোথায় পাঠাবো? কি করবো? বর্জ্য পরিশোধনের প্রতিষ্ঠান গুলোর ব্যাপারে আপনার কাছে আরো কিছু শুনতে পারলে ভালো হতো- তারা কি করে- কিভাবে পরিশোধন করে- কোথায় ফেলে- চার্জ কেমন.. ইত্যাদি। ভবিষ্যতে কিছু বলার আগ্রহ থাকলো।
৪। আমাদের মত জনবহুল দেশে নিউক্লিয়ার প্ল্যান্ট বসানোর মত লোকেশন আদৌ আছে কি? এর সামান্য একটা একসিডেন্টের ফলাফল কি হতে পারে?
৫। প্ল্যান্টের অর্থায়ন, প্ল্যান্ট বসানো ও মেইনটেইনেন্সের টেকনিক্যল এক্সপার্টিজ এবং জ্বালানি- তিনটার কোনটারই আমাদের হাতে নেই- মানে আমরা পুরোটাই বাইরের প্রভু রাষ্ট্রের উপর নির্ভরশীল। ফলাফল কি?
৬। এমন হাইলি টেকনিক্যল ও সফিসটিকেটেড প্রযুক্তি আনার মত টেকনিক্যল এক্সপার্টিজ আমাদের আছে? আনলে এক্সপার্টিজ গ্রো করবে? বাংলাদেশে নর্মাল গ্যাসচালিত পাওয়ার প্ল্যান্ট বিস্ফোরণ হলে সেটার রিপেয়ার করার জন্য প্ল্যান্ট বসানো কোম্পানির সহায়তা চাওয়া হলে তারা আসতে চায় ৬ মাস পরে। জাপানের মত দেশে নিউক্লিয়ার প্ল্যান্টে দুর্ঘটনা ঘটলে তারা মার্কিন কোম্পানীকে তলব করলে- সেই কোম্পানী তিনমাসের মধ্যে হাজির হতে অপরাগতা জানায়।
বাংলাদেশে নিউক্লিয়ার প্ল্যান্টের এমন কিছু ঘটলে তা সামাল দিতে পারবো?
............


পরে আরো লেখা যাবে খন...
৩১ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: Click This Link

১৩. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৬
নাজিম উদদীন বলেছেন: অবশ্যই জরুরী, অন্যকোন কোন বিকল্প নাই।
৩১ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৩১

লেখক বলেছেন: অন্যকোন কোন বিকল্প নাই।

১৪. ৩১ শে মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৪৯
জাতিষ্মর বলেছেন: একমত হইতে পারলাম নাহ। অনেক গুলা পয়েন্ট সমাধান করতে হবে, 'কাচামাল','এক্সপার্টিজ','দুর্ঘটনা','লোকেশন','বর্জ্য','অর্থায়ন'--- অনেক।
৩১ শে মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:১৯

লেখক বলেছেন: এই ব্লগটাতে একটু চোখ বুলান ভাইঃ
পারমানবিক বিদ্যুৎ শক্তি নিয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৭৮৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি তোমায় এত বেশি স্বপ্ন দেখেছি যে- তুমি তোমার বাস্তবতা হারিয়ে ফেলেছো...
আমি তোমায় এত বেশি স্বপ্ন দেখেছি যে-হয়তো আমার পক্ষে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই