আমার প্রিয় পোস্ট

https://sites.google.com/site/masumjujulynuvan/

সেক্যুলারিজম (বাংলার ইতিহাসে সাম্প্রদায়িকতার অবস্থান - ৪)

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৩৭

শেয়ারঃ
0 0 0



ব্যক্তিগত ভাবে আমি তথাকথিত সেক্যুলারিজমে বিশ্বাসী নই। সেক্যুলারিজমের শাব্দিক অর্থ প্রদান করা হয়েছে ‘Exclusion of Religion from Public Affair’ এবং ‘Rejection of Religion’ (Microsoft Encarta Dictionary). কিন্তু আমরা প্রাচীন বাংলার ইতিহাস থেকে শুরু করে আধুনিক ইতিহাস যদি পর্যালোচনা করি তাহলে দেখতে পাব বাংলায় কখনোই কোন রাজ্যে ধর্মচ্যুতির ব্যাপার ঘটেনি এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ধর্ম ছিল একটি অপরিহার্য অঙ্গ। গুপ্ত সম্রাজ্যে শৈব ও বৈষ্ণব ধর্ম হিন্দু ধর্মের কাছাকাছি এসে পড়ে আর বৌদ্ধ ধর্ম তার আধ্মাতিক নাস্তিক্যবাদ পরিহার করে ভক্তি আন্দোলনের এতটা কাছে চলে আসে যে বুদ্ধদেব বিষ্ণুর একজন অবতার হিসেবে স্বীকৃতি পান। ক্লাসিক্যাল যুগের শেষ ধাপে খৃষ্টান ইউরোপের ভীতি ছিল এথিস্ট আতিলা-দ্যা-হানকে নিয়ে, মধ্যযুগে মুর ও অটোম্যানদের নিয়ে। কিন্তু বাংলায় রাজায় রাজায় যুদ্ধ হত, ধর্মের প্রভাব ছিল খুব সামান্যই। পাশ্চাত্য পন্ডিতদের ‘ধর্মই সকল সংঘাতের মূলে’ ধারনাকে ভূল ও অসার প্রমানিত করে যে শক্তির মাধ্যমে বাংলার সকল ধর্মের অধিবাসী মিলে-মিশে থাকত তাই হল বাঙ্গালী জাতির ধর্মীয় সহনশীলতা বা রিলিজিয়াস টলারেন্স যা পূর্বতন ব্লগে আলোচিত হয়েছে। এই রিলিজিয়াস টলারেন্স বাঙ্গালী জাতির নিজস্ব ডগমা, এটা কোন পাশ্চাত্য অনুকরন নয়। বস্তুত কম্যুনিজম,ক্যাপিটালিজম,এথিজম, সেক্যুলারিজম এমনকি ফান্ডামেন্টালিজম ও রিলিজিয়াস এক্সট্রিমিজমের জন্মস্থান ঐ পাশ্চাত্যে যারা নিজেদের মধ্যেকার শত বছরের দাঙ্গা-হাঙ্গামা প্রশমিত করার উদ্দেশ্যে এসব মতবাদ রচিত করেছে। আজকালের বেশ কিছু বাঙ্গালী বুদ্ধিজীবিরাও নিজেদের শক্তির উৎস ভূলে গিয়ে কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিজ স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে ধর্মীয় সহিষ্ণুতাকে ইগনোর করে পাশ্চাত্য সেক্যুলারিজম মতবাদ এই দেশে টেনে নিয়ে আসে। সেক্যুলারিজমের শাব্দিক অর্থ যাই হোক না কেন বাংলায় সেক্যুলারিস্ট ও এথিস্টদের নিয়ে একটা বিতর্ক আছে এবং বাংলাদেশে এই সেক্যুলারিস্ট ও এথিস্টদের পার্থক্য নিরুপন করাটা এতটা সহজ নয়। প্রাচীন বাংলায়-ও হয়ত সবাই ধার্মিক ছিলনা, কিন্তু তারা ঈশ্বরে অবিশ্বাস অথবা সমাজ ও দৈনন্দিন জীবন থেকে ধর্মের প্রভাব কখনোই করেননি বা করতে চাননি। হাজার বছরের সে ধারা আজো অবধি অব্যাহত আছে। আর একারনেই কিছু বাংলায় নব্য এথিস্টের মৃত্যুর পরেও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালিত হয়, আর এটা ছিল জীবিত বা মৃত অবস্থায় তাদের পাশ্চাত্য মেকি বিশ্বাসের ওপর প্রচণ্ড আঘাত। যারা সেক্যুলারিজমে বিশ্বাস করে তারা প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলার মতন ধর্মীয় সহিষ্ণু রাষ্ট্র চায় নাকি ধর্মহীন রাষ্ট্র চায় এ নিয়ে তাদের নিজেদের মধ্যেই দন্দ রয়েছে। থাকবেইতো, কাকের কর্কশ ধ্বনি কি আর কোকিলের কণ্ঠে শোভা পায়? আমাদের নিজেদের মূলেই যখন টলারেন্স নামের এত বড় একটি উপাদান রয়েছে, তখন কি দরকার এই বিদেশী ইজমকে টেনে আনার?

আরেক ধরনের নিকৃষ্ট প্রজাতির গোষ্ঠি ধর্মীয় উগ্রতা বা এক্সট্রিমিজমে বিশ্বাসী। এসব অন্ধ মৌলবাদী গোষ্ঠি পাশ্চাত্য মদদে ও সাহায্যে পুষ্ট হয়ে বাঙ্গালী জাতির শেকড়ে গিয়ে আঘাত করে। এদের লক্ষ্য হল বর্তমানের মধ্যপ্রাচ্য ও মধ্যযুগীয় ইউরোপের মতন এক ধর্মান্ধ ও অসহিষ্ণু রাষ্ট্র কায়েম করা। এরা ওহাবি আরবে সফলকাম হলেও বাংলায় নয়, কারন বাঙ্গালী অন্য ধাতুতে গড়া।

বাঙ্গালী জাতি তাদের নিজ নিজ ধর্মকে সম্পুর্ণ নিজেদের মত করে সাজিয়ে ফেলেছিল। আর এর ফলে ধর্মীয় সম্প্রীতির শান্তিপূর্ণ মিলন ঘটা সম্ভব হয়েছিল। যেমন, বাংলায় মুসলমানদের কাছে যিনি সত্যপীর বলে পরিচিত তিনিই হিন্দুদের কাছে সত্যনারায়ন এবং মুসলমানদের বদরপীরের ভক্তিবাদ হিন্দুদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় ছিল। পারস্পরিক সহাবস্থান এতটা কাছাকাছি চলে এসেছিল যে হিন্দু ধর্মের সাধু ও মুসলমান ধর্মের দরবেশদের একই মানুষের ভিন্ন ভিন্ন রূপ বলে বিবেচিত হত। এসকল বিশ্বাস এখন বেশ স্থিমিত হয়ে আসলেও যখন পাকিস্তানিরা তাদের মডিফায়েড ধর্ম আমাদের ওপর চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল তখনি গর্জে উঠেছিল বাঙ্গালী, হাজার বছর আগে বাঙ্গালীর যে রূপ দেখেছিল আর্যরা, দেখেছিল সম্রাট আলেকজান্ডারের সেনাবাহিনী, দেখেছিল ব্রিটিশরা সিপাহী বিপ্লবের সময়, এবার দেখল পাকিস্তানিরা ১৯৭১-এ।

হাজার বছরের ইতিহাসে বাংলায় যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রয়েছে তা এতটা ঠুনকো নয় যে কোন এক অবাঙ্গালীর ‘দ্বি জাতী তত্ত্বের’ ভিত্তিতে ভেঙ্গে যাবে। শাসন ক্ষমতার জন্য বা শাসক গোষ্ঠীর চক্রান্তে অনেক সময়ই বাংলাকে একাধিক ভাগ করা হয়েছে, কিন্তু তা কখনোই স্থায়ী হয় নাই। বাংলা এখনো তিন খন্ডে বিভক্ত, এটা আমাদেরই দায়িত্ব এক ইউনিফায়েড বাংলা সৃষ্টি করা, যা হবে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জাতিগোষ্ঠীর বৃহৎ এক শক্তি।
-------------------------

 

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:২২
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: কোন ব্যাচে ছিলেন আপনি?
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২০

লেখক বলেছেন: আমি ০২ ব্যাচের ছিলাম।

২. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:৩৩
টুশকি বলেছেন: কি সব কঠিন কঠিন লেখা লেখে নুভান ভাই
কিছু বুঝিনা মনেহয়
কোরিয়ান খাবার খাব
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২৬

লেখক বলেছেন: ওকে টুশকি আপি, এর পরেরটা সহজ লিখব ;)

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪২

লেখক বলেছেন: কোরিয়ান খাবার খেতে খেতে আর ভাল্লাগেনারে আপু, এরা মশলা বলতে শুধু চেনে মরিচ ঃ(

৩. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:০১
বহ্নিশিখা বলেছেন: ছায়েন্টিস হইতে চান তো বুয়েটে পড়ছেন ক্যা? ঐখান হইতে তো ছায়েন্টিস উৎপন্ন হয় বইলা জানা নাই। আর পড়ছেন ভালো , তো হেইডা পরফাইলে লিখছেন ক্যা? এইডা কি বিরাট কিছু নি?
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২৫

লেখক বলেছেন: ছায়েন্টস অয় নাই বুয়েট থন কেঊ? তাইলে কুখান থুন অইছে, জগন্নাথ থুন নাকি নোয়াখালী প্রকৌশল বিশ্বঃ থুন? আফনে আমার আন্ডার খবর রাখেন বড় ভাই!
ছায়েন্টিস অইবার পারলে তো আর লিখতাম না, অইতে পারিনাই বইল্লাই লিখছি, নিজের দুর্ব্বল্লত্তা শিকার কুরা দুষের কিচু না।

৪. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৯
মনির হাসান বলেছেন: ... প্রিয়তে নিলাম ... ভাল্লাগছে ।
৫. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৭
নুভান বলেছেন: ধন্যবাদ মনির হাসান ভাই।
৬. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৮
নিকোলাই টেসলা বলেছেন: "দেখেছিল সম্রাট আলেকজান্ডারের সেনাবাহিনী"---

এই লাইনটা বুঝলাম না। সেত পাকিস্তান থেকেই নিজের সৈন্যদের চাপে দেশে ফেরৎ গেসে। এখানে ভারতবর্ষের অন্যপ্রান্তে থাকা বাঙ্গালি কি করল আবার!!!!

নিজের জাতকে বড় করা খারাপ না তবে কেন মিথ্যা বানোয়াট গল্প ফেদে ছোট করেন?? আপনার রেফারেন্স কি বলেন, তাহলে আমিও গর্বে পাছা ফুলাতে পারব আপনার মতন ;)
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০

লেখক বলেছেন: পাকিস্তানের ওই অঞ্চল বলা বোধয় ঠিকনা, কারন ব্যক্ট্রিয়া বলে যা জানি, তা আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের কিছু অংশমিলে।
আমি এই লাইনটা পেয়েছিলাম মুক্তমনা সাইট থেকে লিঙ্কঃ Click This Link

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫১

লেখক বলেছেন: Click This Link

৭. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০০
নুভান বলেছেন: '' ভারতের সমুদয় জাতির মধ্যে গঙ্গারিডি-ই শ্রেষ্ঠ, এই গঙ্গারিডির বিশাল হস্তীবাহিনীর কথা জানিতে পারিয়া তাহার বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হইলেননা"- ডায়াডোরাস

"ধননন্দ গঙ্গারিডি জাতির রাজা ছিলেন" - কুইন্টাস কার্টিয়াস

"গঙ্গারিডি রাজ্যের ভিতর দিয়া গঙ্গা নদীর শেষ অংশ প্রবাহিত হয়েছে" - প্লিনি

"গঙ্গানদীর মোহনায় সমুদয় এলাকা জুড়িয়া গঙ্গারিডি রাজ্য" - টলেমি।
৮. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০০
নিকোলাই টেসলা বলেছেন: ভাই সেকুলারিজম পছন্দ করেন না আবার মুক্তমনাদের ওয়েবসাইটকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যভার করেন!! আলেকজান্ডারের কোন ইতিহাস পড়তে অলিগলি খোজা লাগে না। ঘটনা সত্যি হইলে সব বিখ্যাত এনসাইক্লোতে সেটা থাকত। ঐ অখ্যাত লেখকের উপ্রে বিশ্বাস করতে ভরসা পাইতেসি না।
৯. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০২
নিকোলাই টেসলা বলেছেন: গঙ্গা যে কোথা হইতে আসিয়াছে আর কত বড় লাম্বা তাহা কি আপনি জানেন??
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০৬

লেখক বলেছেন: না ভাই, সর্ব রাজ্যের যাবতিয় জ্ঞানতো আপনার মাথায় রক্ষিত আছে, আপনিই বলুন গঙ্গার ইতিহাস, আমি মুখ্যু-সুখ্যু মানুষ, আর আপনি এত বড় বিজ্ঞানী - টেসলা বলে কথা! আপনিই বলুন, আমি শুনি।

১০. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১০
নুভান বলেছেন: সরাসরি উইকি থেকে তুলে দিলাম, এবার দেখুনঃ
"East of Porus' kingdom, near the Ganges River (original Indian name Ganga), was the powerful Nanda Empire of Magadha and Gangaridai Empire of Bengal. Fearing the prospects of facing other powerful Indian armies and exhausted by years of campaigning, his army mutinied at the Hyphasis River (the modern Beas River) refusing to march further east. This river thus marks the easternmost extent of Alexander's conquests:"
As for the Macedonians, however, their struggle with Porus blunted their courage and stayed their further advance into India. For having had all they could do to repulse an enemy who mustered only twenty thousand infantry and two thousand horse, they violently opposed Alexander when he insisted on crossing the river Ganges also, the width of which, as they learned, was thirty-two furlongs, its depth a hundred fathoms, while its banks on the further side were covered with multitudes of men-at-arms and horsemen and elephants. For they were told that the kings of the Ganderites and Praesii were awaiting them with eighty thousand horsemen, two hundred thousand footmen, eight thousand chariots, and six thousand fighting elephants.
—Plutarch , Vita Alexandri,
১১. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১১
নুভান বলেছেন: গঙ্গারিডি রাজ্যই যে বঙ্গ তা উইকিতে স্পষ্ট করেই দেয়া আছে http://en.wikipedia.org/wiki/Gangaridai
১২. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬
নিকোলাই টেসলা বলেছেন: আপাতত মটরশুটির দানার মত একটু ফুলছে ভাই। আপনার ঠিকানা দেন ফুটুক দিবানে।
১৩. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৭
ঘোর-কলিযুগ বলেছেন: ''পাশ্চাত্য পন্ডিতদের ‘ধর্মই সকল সংঘাতের মূলে’''--- এইটা যদি আরো একটু বিশদ ও নির্দিষ্ট করে আলোচনা করেন তাইলে বুঝতে সুবিধা হয়।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: ভাই এটা দিয়ে মার্কসবাদীয় দর্শন বুঝাতে চেয়েছি।

১৪. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩
বহ্নিশিখা বলেছেন: বুটিয়ানদের অহংকারই ওদের খাইল। ধরা হইল সরা, নুভান হইল ভেড়া।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: বুটিয়ান কেডা মামু?

১৫. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩০
খারেজি বলেছেন: র-কলিযুগ বলেছেন: ''পাশ্চাত্য পন্ডিতদের ‘ধর্মই সকল সংঘাতের মূলে’''--- এইটা যদি আরো একটু বিশদ ও নির্দিষ্ট করে আলোচনা করেন তাইলে বুঝতে সুবিধা হয়।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: ভাই এটা দিয়ে মার্কসবাদীয় দর্শন বুঝাতে চেয়েছি।



বুঝাতে চেয়েছেন, কিন্তু বুঝলাম না। কোথায় পেলেন মার্কসের এই বয়ান?


২৬ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ২:১৪

লেখক বলেছেন: Religion is the opium of the people
-Karl Marx

১৬. ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৭
ত্রিভুজ বলেছেন: তিন বাংলা এক করার একটা উদ্যোগ কেউ নিয়ে ফেলতে পারে... এই বিষয়ে কোন তথ্য জানা থাকলে জানিয়ো তো..

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৩৭৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি তোমায় এত বেশি স্বপ্ন দেখেছি যে- তুমি তোমার বাস্তবতা হারিয়ে ফেলেছো...
আমি তোমায় এত বেশি স্বপ্ন দেখেছি যে-হয়তো আমার পক্ষে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই