সম্পতি আমি এক ডাক্তারের কাছে যাই। হাইপ্রোফাইল ডাক্তার আমার রোগের চেয়ে আমার উর্পাজন আর পেশা সম্পর্কে জানতে বেশি আগ্রহি ছিল। ৮০০ টা ভিজিট দিলাম। কিন্তু ওনি কোন ওষুধ না দিয়ে ৫০০০টাকার টেষ্ট হাতে ধরিয়ে দিলেন।
আমি শেষ পযন্ত পরিক্ষা করাইনি। ব্যাকপেনের যে ওষুধ খেতাম তাও বাদ দিয়ে শক্ত বিছানায় ঘুমুচ্ছি। নিয়ম করে হাটাহাটি করছি। আল্লাহর রহমতে ভাল আছি।
কিন্তু মনে হচ্ছে নীতিহিন ডাক্তারদের
এই পরিক্ষা নিরিক্ষা বা টেষ্ট ব্যবসা এখন সয়াবিন তেল বা ডাল চিনি সিন্ডিকেডের মতই নাগরিক জীবনে একটি নতুন সম্যসা হয়ে দাড়িয়েছে।
একটা সময় ছিল যখন ডাক্তারদের সমাজে অনেক সম্মান করা হতো। তখন ডাক্তাররা সেবার এক মহান ব্রত্য নিয়ে কাজ করত। রোগীর প্রতি তাদের অনেক বেশি সিরিয়াসনেস ছিল। কিন্তু এখন সময় অনেক বদলে গেছে ।পাড়ায় মহল্লায় অলিতে গলিতে গড়ে উঠেছে ক্লিনিক-প্যাথলজী সেন্টার। সেবা এখন হয়ে গেছে ব্যবসা, সাবান তেলের পাশাপাশি ক্লিনিক গুলোর ও বিজ্ঞাপন পত্রিকা-টিভি চ্যানেলে প্রচার হয়। ঝকঝকে তকতকে মার্বেল পাথরে সজ্জিত এসব ক্লিনিকে গেলে রোগী সুস্থ হোক বা নাহোক তার পরিবার কে অর্থনৈতীক ভাবে অসুস্থ্য করে দেওয়া হয়।
প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি টেষ্ট করিয়ে রোগীর জমানো অর্থ কেড়ে নেওয়া হয়। ডাক্তার গন একটি নিদ্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান এ টেষ্ট করানোর জন্য সাজেষন দিয়ে থাকেন। রোগীর টেষ্ট ঐ প্রতিষ্ঠান থেকে করানোর পর তার সর্বোচ্চ্য ৫০% পযন্ত কমিশন হিসাবে ডাক্তারগণ পেয়ে থাকেন।
উচ্চ শিক্ষিত এই সব মানুষদের কাছে সমাজ যা কখনোই প্রত্যাশা করে না।
কিছুদিন পূর্বে আমার মাকে নিয়ে আমি ঢাকার একটি নামি দামি হাসপাতালে গিয়েছিলাম। ডিউডিরত ডাক্তার কাগজের টুকরোতে কয়েটি টেষ্ট লিখে দিলেন । পরিক্ষা করতে ১০,০০০ টাকা নিল ল্যাবএইড।
অন্য ডাক্তার সেই টেষ্ট রেজাল্ট দেখে বললো. খামোখা কেন এই পরিক্ষা করালেন?
তিনি মাকে ফিজিও থেরাপি দিতে বললেন।
একবার ভাবুন তাহলে ডাক্তাররা এখন কি মানুষ না কষাই?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


