টিআইবি প্রায়শই দুর্নীতি নিয়ে ছবক দেয়,তালিকা প্রদান করে।কিন্তু এ দুর্নীতির ছবকের পেছনে রয়েছে বৈশ্বিক রাজনীতি ও পরাশক্তির মতের প্রতিফলন।একটু লক্ষ্য করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।এ আলোচনায় টিআইবির অর্থদাতা নিয়েও কথা বলা হবে।
টিআইবি জার্মানভিত্তিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা।১৯৯৩ সালে এটি কাজ শুরু করে।বাংলাদেশে এটি চালু হয় ১৯৯৮ সালে।
মার্কিন টিআইবির অর্থদাতা
মার্কিন টিআইবির অর্থদাতাদের মধ্যে রয়েছে বোয়িং,লকহিড ,বেকটেল,শেভরন ,জেনারেল ইলেক্ট্রিক যাদের বিরুদ্ধে রয়েছে দুর্নীতির নানা অভিযোগ।যেমন-
বোয়িং এর সাবেক প্রধান নির্বাহী দুর্নীতির দায়ে ৯ মাস কারাদন্ড ভোগ করেন।২০০৫ সালে কোম্পানিটি ৬১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার জরিমানা দেয়।
অনিয়মের দায়ে জেনারেল ইলেকট্রিক ২০০৯ সালে ৫০মিলিয়ন ডলার জরিমানা দেয়।
বেকটেল ২০০৩ সালে ইরাকে ৬৮০ মিলিয়ন পুর্নগঠণ কাজ অনিয়ম করে হাতিয়ে নেয়।
উইকিপিডিয়ায় এ কোম্পানিগুলো নিয়ে এ কথাই বলা আছে।
পশ্চিমাদের নিয়ে টিআইবির নিরবতা
টিআইবির তালিকায় দুর্নীতির শীর্ষে সবসময়ই তৃতীয় বিশ্ব স্থান পায়।এখানে থাকেনা পশ্চিমা দেশগুলো।বিশ্বের তাবত কালো টাকার গন্তব্য সুইস ব্যাংকগুলো।কিন্তু ২০০৯ সালের তালিকা অনুযায়ী সুইটজারল্যান্ডের অবস্থান সর্বনিম্ন দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে ৪ র্থ।
জার্মান কোম্পানি সিমেন্সের বিশ্বব্যাপী ঘুষ কেলেংকারির কথা আমরা সবাই
জানি।আরাফাত রহমা্ন কোকোর বিরুদ্ধেও এ নিয়ে ঘুষ গ্রহণের একটি মামলা আছে।কিন্তু ২০০৯ সালের তালিকা অনুযায়ী জার্মানির অবস্থান সর্বনিম্ন দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে ১৪ তম।
অর্থাত টিআইবি বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর দুর্নীতি নিয়ে অনেক বেশি সোচ্চার হলেও তাকে কখনোই আমরা পশ্চিমা দেশগুলোর কর্পোরেট দুর্নীতি নিয়ে কথা বলতে শুনিনি।তার লক্ষ্যই যেন তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো।(চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ৮:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



