১) অপরাজিতা


অপরাজিতাকে নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই।
২) আশোক

এ গাছগুলো আমাদের দেশের প্রায় সব জায়গায় জন্মে। হিন্দুদের রামায়ণেও এ গাছের কথা উল্লেখ আছে। এ গাছগুলো মাঝারি আকারের। এ গাছের বৈশিষ্ট্য হল এর বাকলগুলো অমসৃণ তবে এ গাছের অনেক ভেষজগুণ আছে।
৩)শাপলা ফুল

আমাদের জাতীয় ফুলকে নিয়ে কি আর বলব।
৪)গন্ধরাজ
এর নাম থেকেই বুঝা যায় কি এর বিশেষ গুণ।
৫)জবা ফুল( সাদা, লাল, হলুদ এবং পঞ্চমুখী)




জবা ফুল চিনে না এরকম মানুষ কি বাংলাদেশে আছে।
৬)অঞ্জন ফুল

এটি একটি খর্বাকৃতির বৃক্ষ। এটি ৮-১৪মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। এটিতে বছরে একবার বা দুবার চমৎকার নীল রং এর ফুল ফোটে। এর পাতা গনোরিয়ার চিকৎসায় ব্যবহৃত হতো। অন্যান্য আয়ুর্বেদীয় চিকিৎসায় এর ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়।
৬)কলস ফুল


এটি একটি পতঙ্গভুক গাছ। কোন পোকামাকড় কলস গাছের কলসে ঢুকলে সে তার মুখ বন্ধ করে দেয় আর পাতা থেকে এক ধরণের রসের সাহায্যে শিকারকে হজম করে ফেলে। একটা পোকা হজম হলে কলসের মাথা আনার খুলে যায় নতুন শিকারের আশায়।
৭) ঢেঁড়স এর ফুল

ঢেঁড়স দেখতে যেরকমই হোক এর ফুলটি কিন্তু দেখতে দারুণ।
৮)তেঁতুল এর ফুল


তেতুঁল টক হলেও এর ফুল কিন্তু খুব সুন্দর।
৯)শিমুল ফুল

শীতে গাছের পাতা ঝরে ন্যাড়া হয়ে যায় এবং বসন্তে শূন্য ডাল ভরে অসংখ্য ফুল ফোটে। কাক, শালিক, ফিঙে ইত্যাদি পাখিরা তখন সেখানে ভীড় করে, তাদের মারামারি ও চ্যাচামেচিতে আশেপাশের পরিবেশ মুখরিত হয়ে ওঠে।
১০)কুঞ্জলতা

অনেকে এটাকে সূর্যকান্তি ফুল নামেও ডাকে।
এই ফুল গুলি সকালে ফোটে বলে একে সূর্যকান্তি বলে। পাঁচ কোনা বিশিষ্ট তারকাকৃতি ফুল হয় বলে একে তারালতা নামেও ডাকা হয়। ৩ থেকে ৪ ইঞ্চি লম্বা পালকের মতো পাতা হয়। সাধারনত বীজ থেকে এর বংশ বিস্তার হয়।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


