কমার্স কলেজের সেই অত্যাচার আজ আর নেই, আজ আর নেই;
কোথায় হারিয়ে গেল ভয়াবহ দিনগুলো সেই , আজ আর নেই।
চুন্নুটা পাবনায়, খুসরুটা রমনায়; নেই কোন তার আজ কোন খবরে;
ব্যান্ডের গিটারিস্ট আবদুল কাইয়ুম মার খেয়ে পড়ে আছে পি.জিতে।
কাকে যেন ভালোবেসে আগাত পেয়ে শেষে, পাগলাগারতে আছে সাইদুল।
মসিউল ধুকছে দুরন্ত প্রেমরোগে, তৃষ্না করেনি ক্ষমা হায়।
কমার্স কলেজের সেই অত্যাচার আজ আর নেই, আজ আর নেই;
কোথায় হারিয়ে গেল ভয়াবয় দিনগুলো সেই , আজ আর নেই।
প্রেমিক প্রেমিক চেহারা, হাইট নিয়ে হতাসা মুছে যাবে হিমেলের নামটা।
একটা প্রেমিকা তার হলো না কোথাও পাওয়া,
পেলনা সে ভালোবাসার দামটা।
ট্রাকের ড্রাইভার মিজানুর রহমান ডিজেল নিয়ে ভিজি থাকত।
আর ইংলিস চেয়ারম্যান সাদেক সেলিম এসাইনম্যান দিয়ে শুধু মারত।
সাইমা আজ শুধু সব চেয়ে সুখি আছে, শুনেছি লাক্ষ লাক্ষ স্বামি তার,
হিরে আর জহরতে আগা গোড়া মোরা সে,
ছেলে মেয়ে সব গুলো বড় তার।
শারিরিক শিক্ষক ফয়েজ আহমেদ কলেজ গেটে দাঁড়িয়ে থাকত ,
আর বুক ভরা ব্যাথা নিয়ে,
চুল কেটে ছোট করে ছাত্ররা কলেজেতে ঢুকত।
কমার্স কলেজের সেই অত্যাচার আজ আর নেই, আজ আর নেই;
কোথায় হারিয়ে গেল ভয়াবহ দিনগুলো সেই , আজ আর নেই।
একটা কলেজে সেই চার-পাঁচ ঘন্টা একটানা ক্লাসগুলো চলত,
কখনবা পাচঁটা, কখনবা ছয়টা এভাবেই ক্লাসগুলো চলত।
রোদ- ঝর-বৃষ্টি যেখানেই যেই থাকুক,
ঘুম থেকে উঠে দোঁড় মারতাম।
আটতে শুরু করে ঝিমিয়ে ক্লাসটা করে,
সোয়া একটা বাড়ি ফিরতাম।
নেই আমরা নেই, আজ কলেজটা তবু আছে ক্লাসরুমগুলো আজও খালি নেই।
এই সেই কলেজেতে আজ এসেছে নতুন কুড়ি,
শুধু নেই সেই দিনের ফারুকি।
কত প্রেমের শুরু এই কমার্স কলেজের, কত প্রেম গোড়াতেই ভেঙ্গে যায়।
কত যনই এলো গেলো, কত যনই আসবে কমার্স কলেজ ভরে রয়।
কমার্স কলেজের সেই অত্যাচার আজ আর নেই, আজ আর নেই;
কোথায় হারিয়ে গেল ভয়াবহ দিনগুলো সেই , আজ আর নেই।
কমার্স কলেজের সেই অত্যাচার আজ আর নেই, আজ আর নেই;
কোথায় হারিয়ে গেল ভয়াবহ দিনগুলো সেই , আজ আর নেই।
কমার্স কলেজ নিয়ে ফানি গান

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

