বুদ্ধি হওয়ার পর থেকে পাকিস্তানীদের ঘৃণা করে এসেছি।এদের সব কিছুতেই আমার প্রবল ঘৃণা। এমন কি পাকিস্তানী মুরগী খেতেও অরুচি লাগে। ফি বছর বাণিজ্য মেলায় পাকিস্তানীদের স্টল থাকে ,অনেকেই বলে সেখানে অনেক সুন্দর সুন্দর জিনিস ওঠে। কিন্তু আমি বা আমার স্ত্রী আমরা কোনদিনই ওখানে মাথা ঢোকাই না, পা ও নয়। ঘৃণা কোন মহৎ গুণ নয়,বরং ভালোবাসা একটি মহৎ গুণ। কিন্তু পাকি দের ঘৃণা করতেই আমি একধরণের তৃপ্তি অনুভব করি। কারণ এই ঘৃণার উল্টোপিঠে একধরনের ভালোবাসা আছে। সেই ভালোবাসাটা আমাকে আনন্দ দেয়।
আজ ভারত পাকিস্তান খেলা ছিল। সত্যি কথা বলতে কি, আমি এই দুটো দেশের একটাকেও পছন্দ করি না। তাই এই খেলায় আমি কোন বাড়তি উত্তেজনা অনুভব করিনা। শত্রুতা কোন উপভোগ্য বিষয় হতে পারেনা।অনেকেই বলবেন এটা স্রেফ খেলা। কিন্তু ভারত পাকিস্তানের এই ক্রিকেটীয় উত্তেজনার উৎস যে তাদের রাজনৈতিক বৈরীতায় ....এটা নেহাত নির্বোধ না হলে যে কারোরই বোঝার কথা। শুধু একটু কষ্ট করে ভাবতে হবে।এখানে আমি উন্মাদনা দেখি, বিনোদন দেখিনা।
আমার কাছে দুটো দেশ একই রকম অসভ্য । এদের চরিত্র ও আমার কাছে একই রকম মনে হয়।পার্থক্য থাকলেও কিছু থাকতে পারে ,ডাকাত আর ছিনতাইকারীর মধ্যে যতটুকু পার্থক্য... । দেশ দুটোর জন্মেই সমস্যা। “আচ্ছা জিন্না তুম লে যাও পাকিস্তান”.... ব্যাস হয়ে গেল....! বানরের রুটি ভাগ করার মত ভাগ করা হলো দেশটা। কেউ ভাবলো না কত কান্না, কত বেদনার গল্প তারা লিখে দিয়ে গেল।.... কত মানুষের জীবনের প্রিয় সম্পদ.... তাদের ঠিকানা.... তাদের আত্ম পরিচয় হারিয়ে গেল। নিজের দেশে হয়ে গেল ‘রিফুজি’......কেউ বাঙ্গাল....... কেউ ঘটি। ধর্ম যে মানুষকে কতটা নিষ্ঠুর, বোধ শূণ্য করে তুলতে পারে তার প্রমাণ এই দুটি দেশ। ।ঈশ্বর এদের থেকে চিরদিনই একশ হাত দুরে থাকেন বলেই আমার ধারণা। কারণ কে চায় ‘ভক্তির নামে বিক্রি হতে’....? । আল্লা-ভগবানের নাম করে পরগণা ভাগ করে নেওয়া......আর হাজারো মানুষের বুক ভাঙ্গার নাম ভারত-পাকিস্তান।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



