নতুন ব্লগারদের জন্য এটি একটি অবশ্য পাঠ্য পোস্ট। এটি ব্লগে ছাগু চেনার সহজ উপায় যা পড়লে জানতে পারবেন ছাগু কাদের বলে , কি তার বৈশিস্ট্য?
১. তারা ইসলামের একনিষ্ঠ সেবক। শান্তির ধর্ম ইসলাম নিয়ে কেউ কোন বাজে কথা বললে এরা প্রয়োজনে কল্লা নমিয়ে ফেলবে। ব্লগে অশ্লীলতার ফুল ঝুরি ছোটাবে,বাপ মা তুলে গালি দেবে। তবু ইসলামের পবিত্রতা রক্ষায় এরা আপোষহীন,প্রয়োজনে জীবন দেবে।
২. এদের কাম রিপু সবসময় খুব উত্তেজিত থাকে। নারীর পোশাক নিয়ে এদের উত্তেজনার শেষ থাকেনা। নারী টি শার্ট পরলে এরা উত্তেজিত হয়, কামিজ পরলেও উত্তেজিত হয় বলে কামিজ এত খাটো কেন? শাড়ী পরলে উত্তেজিত হয় বলে এত আটসাঁট কেন? বোরকা পড়লেও উত্তেজিত হয় বলে মুখ খোলা কেন বা বোরকার কাটিং ঠিক নাই শরীরের ভাজ দেখা যায়। মোট কথা নারী যেরকম পোশাকই পড়ুক না কেন এরা উত্তেজিত হবেই। উত্তেজনাই এদের অনিবার্য নিয়তি। কোন কোন ব্লগার একারনে ছাগুদের এই সব উত্তেজেনাকে বৃহত্তর স্বার্থে কাজে লাগাতে পরামর্শ দিয়েছেন।এমনকি এই উত্তেজনা বিদ্যুত উৎপাদনে কাজে লাগানো যায় কিনা সেটা নিয়েও কেউ কেউ ভাবছেন।
৩. এরা অতীত নিয়ে মাতামাতি একদম পছন্দ করে না। ‘ভবিষ্যতের ভাবনা ভাবাই জ্ঞানীর কাজ’ এই কথাটা এরা খুব মানে। একাত্তরে কি হয়েছিল সেটা তাদের কাছে ধর্তব্য নয়।
৪. মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এরা মাতামাতি একদম পছন্দ করেনা। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কিছু বললেই এরা বিরক্ত হয়। তবে কোন মুক্তিযোদ্ধা দুস্থ হলে এরা খুব তৎপর হয়ে ওঠে। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য তখন তাদের “হৃদয়ের একূল ওকূল দুকূল ভেসে যায়”। এরকম পরিস্থিতিতে“দেশ স্বাধীন করে মুক্তিযোদ্ধা অমুক কি পেল” বা “এর জন্যই কি যুদ্ধ করেছিল অমুক” শিরোনমে লেখা আসতে থাকে অবিরাম।
৫. বিশেষ কিছু লেখক বা বুদ্ধিজীবি এদের চক্ষুশূল। যেমন মুহম্মদ জাফর ইকবাল । জাফর ইকবাল কিছু লিখলেই এরা হামলে পড়ে “কেন লেখলেন” বলে। আবার না লিখলে “উনি এখন চুপ কেন” টাইপের লেখা আসতে থাকে অবিরাম ধারায়।
৬. সুশীলতা এদের খুব অপছন্দ। বিভিন্ন পোস্টে সুশীলদের জুতাইতে মঞ্চায় বা সুশীলরে পুন্দাইতে চাই টাইপের শ্লোগান দিয়ে এরা ঈমানী জোশ অনুভব করে। (চলবে)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

