আমার প্রিয় পোস্ট

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

দালাল আইন / রাজাকারদের ক্ষমা : বঙ্গবন্ধুর কস্টলি ভুল 1

২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ রাত ১২:৪২

শেয়ার করুন:                   Facebook


মুক্তিযুদ্ধের 35 বছর পর আজ ফের রাজাকার ও তাদের সুযোগ্য উত্তরসূরীদের প্রতাপে কাঁপছে বাংলা। এতটাই যে ঘরের এক কোণে ঘাপটি মেরে থাকা চারাটা নিজের মতো করে বড় হয়ে আজ ডালপালা ছড়িয়ে দিয়েছে। সেই ডালের আঘাতে বাড়ির দরজা-জানালা চূর্ন, শেকড় ঢুকে পড়েছে ভিটেয়- ফাটল আজ দেয়ালে। বাঙালীর মুখ থেকেই তারা বলিয়ে নিতে চায় একাত্তরে তাদের ভুল হয়নি।
ভুলটা কার? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের। ফিদেল কাস্ত্রোকে অভিভূত করেছেন। কিউবার বিপ্লবী নেতা আলজিয়ার্সে তাকে জড়িয়ে বলেছিলেন, 'আপনাকে দেখি আর মুগ্ধ হই। আপনি জেলখানায় বন্দী, আর আপনার নামে স্বাধীন হয়ে গেল একটা গোটা দেশ!' একাত্তরে ঠিক তাই হয়েছে। 16 ডিসেম্বরের সামরিক বিজয়ের পর পূর্ণাঙ্গ বিজয় হিসেবে বাঙালী মেনেছে 10 জানুয়ারি 1972 কে। সেদিনই পাকিস্তানের কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন। যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। তারই বাস্তবায়নের প্রত্যয় শোনা গেল তার মুখে।
যুদ্ধোত্তর এবং লাশের স্তুপে ও গন্ধে বিদীর্ন এ বাংলায় তখন কোনো বিদেশী সাহায্য আসেনি ভারত ও রাশিয়া ছাড়া। এক ধরণের নিষেধাজ্ঞার ঘেরাটোপেই বন্দী থাকা। হাজার হোক মার্কিনিদের চটানো যাবে না, চীনকেও না। আরব দেশগুলো আছেই। বাংলাদেশ তাদের কাছে স্বীকৃত নয়। কেন রাজাকারদের ক্ষমা করা হয়েছিল জানতে চাইলে অনেক ধরণের বিবৃতি পাওয়া গেছে তখনকার নেতাদের কাছ থেকে। কেউ বঙ্গবন্ধুর মহানুভবতাকে তুলে ধরেছেন। তিনি আর হত্যা চাননি। ভেবেছেন, এরা দেশেরই সন্তান- ক্ষমা পেলে ঠিক শুধরে যাবে। কুটনৈতিক বিশ্লেষণে গেছেন কেউবা। তখনও পশ্চিম পাকিস্তানে বন্দী আমাদের লাখো বাঙালী। সেনা অফিসার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ ও তাদের পরিজন। এদের ফিরিয়ে আনতে এই পদক্ষেপ। পাল্টা যুক্তি ছিল 96 হাজার বন্দী পাকিস্তানী আর্মির সঙ্গে এই বিনিময় কেন হলো না? এইখানে ভারতের কূটনীতির কাছে মাথা নোয়াতে হয়েছে বঙ্গবন্ধুকে। কারণ বন্দী পাকিদের তারা নিজেদের বন্দী বলেই মেনেছে, দর কষাকষিটাকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছে। সেটার বিনিময়ে মুজিব যা করতে পেরেছেন তা হলো মার্চের মধ্যেই বাংলাদেশ থেকে সর্বশেষ ভারতীয় সেনাটির প্রত্যাহার। গোটা বিশ্বকে অবাক করেই।
এই কৃতিত্ব এবং শত সীমাবদ্ধতাতেও তার ভুলটি ছিল ক্ষমার অযোগ্য ভুল। যার মূল্য এখন প্রতিদিন চুকোতে হচেছ আমাদের। হাসান আজিজুল হক ও জাফর ইকবালের মতো সর্বজন শ্রদ্ধেয় বাঙালীকে আঙুল তুলে হুমকি দেয়া হয় কেটে ভাসিয়ে দেওয়ার! সব কিছুর মুলেই ওই যে সাধারণ ক্ষমা।
16 ডিসেম্বর '71। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে যায় ঘাতক-দালালদের বাচানোর খেলা। রাজনীতি ব্যাপারটা কত জঘন্য হতে পারে এবং শ্রেণী স্বার্থ, ব্যক্তিগত মোক্ষ ও লোভ কীভাবে আদর্শচু্যত করে মানুষকে- এর প্রমাণ দিয়েছিলেন তখনকার প্রভাবশালী বেশ কিছু আওয়ামী লিগ নেতাই। মুজিবকে ঘিরে ছিলেন এরাই, এদের ধান্দাবাজি না বুঝে তোষামুদিতেই তুষ্ট মুজিব ঠিকাছে ঠিকাছে বলে সায় দিয়ে গেছেন। মুক্তিযুদ্ধের দ্বিতীয় পর্যায় ও ব্যাপক যুদ্ধে বাঙালীর হার শুরু তখন থেকেই।
রেসকোর্সে পাকবাহিনী যখন আত্মসমর্পন করছে, দেশে ফেরা আওয়ামী নেতাদের সঙ্গে তখন শীর্ষ দালালদের জব্বর বৈঠক ও দরকষাকষি। পরিস্থিতির কারণেই একমাত্র সমাধান ছিল গ্রেপ্তার ও কারাগার। ছবিটা অনেকটা এরকম। একজন ছিনতাইকারী অথবা খুনী প্রকাশ্যে হত্যার পর জনগণের হাতে ধরা পড়ল। সে ধোলাই খেল। পুলিশ তাকে উদ্ধার করল ও থানায় নিয়ে গেল। সেখান থেকে সে আরামে শিস দিতে দিতে বেরিয়ে গেল। একাত্তরেও তাই ঘটেছিল। দালালরা তাৎক্ষণিক আশ্রয় হিসেবে মানল কারাগারকেই। আওয়ামী প্রশাসনে প্রায় 11 হাজার দরখাস্ত পড়েছিল সে সময়, যাতে আবেদনকারী দালালরা আকুতি জানিয়েছিল তাদের গ্রেপ্তার ও জেলে পুরতে। আর বিচারে শুরু হয় কালক্ষেপন।
1 জানুয়ারি 1972 সালেই অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম তার মন্ত্রী পরিষদ নিয়ে এক বৈঠকে গনহত্যা তদন্ত কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নেন। হাইকোর্টের কর্মরত কিংবা অবসরপ্রাপ্ত কোনো বিচারপতি বা সমপর্যায়ের কোনো মনোনীত ব্যক্তির নেতৃত্বে কমিশন পাকবাহিনী ও তাদের দালালদের হাতে ক্ষতিগ্রস্থদের মৌখিক ও লিখিত সাক্ষাৎকার নিয়ে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করবেন বলে ঘোষণা দেওয়া হয়।
10 জানুয়ারি দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধু রমনায় কেদেকেটে বললেন, 'বিশ্বকে মানব ইতিহাসের এই জঘন্যতম হত্যাকান্ডের তদন্ত অবশ্যই করতে হবে। একটি নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক দল এই বর্বরতার তদন্ত করুক তাই আমার কামনা।' (দৈনিক বাংলা 11 জানুয়ারি '72)। এরপর মিডিয়া এবং যে কোনো বক্তব্যেই যে কোনো সাক্ষাৎকারেই আপোষহীন স্বরে জানিয়েছেন বাংলার মাটিতে দালালদের বিচার অনুষ্ঠানের প্রত্যয়ের কথা। সেদিনের জনসভার ভাষণেই ছিল, 'যারা দালালী করেছে, আমার শত শত দেশবাসীকে হত্যা করেছে, মা-বোনকে বেইজ্জত করেছে, তাদের কী করে ক্ষমা করা যায়? তাদের কোনো অবস্থাতেই ক্ষমা করা হবে না। বিচার করে তাদের অবশ্যই শাস্তি দেওয়া হবে।' এই দায়িত্ব তার সরকারের হাতে ছেড়ে দিতে আবেদন জানান মুজিব, 'আমরা দেখিয়ে দিতে চাই শান্তিপ্রিয় বাঙালীরা স্বাধীনতার জন্য রক্ত দিতে জানে, তেমনি শান্তিও বজায় রাখতে জানে।'
দুদিন পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর শপথ নেওয়ার পর একটু একটু করে বদলাতে শুরু করে মুজিবের ভাষার শব্দ চয়ন। দালালদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক তৎপরতার বিরোধিতা শোনা যায় তার মুখে, 'লোমহর্ষক হত্যাকান্ডের কথা আমি শুনেছি, তবু বাংলার মানুষ এত নিচে নামবে না। বরং যা মানবিক তাই করবে, তবে অপরাধীদের আইনঅনুযায়ী বিচার অবশ্যই হবে।' (দৈনিক বাংলা 13 জানুয়ারি '72)। পরদিন আওয়ামী লিগ অফিসে দলের নেতাকর্মীদের প্রতিশোধ নেওয়ার পথ থেকে সরে আসার জন্য বিশেষভাবে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, 'দালালদের অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।'
এবং এ সময় তার প্রতিটি ভাষণ বিবৃতিতে ঘুরে ফিরে এসেছে কথাগুলো। এই বলছেন ক্ষমা করব না, এই বলছেন ওদের আইনি বিচার হবে। 6 ফেব্রুয়ারি কলকাতা প্যারেড গ্রাউন্ডে বললেন, 'যারা গনহত্যা করেছে, তারা সমগ্র মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে, এদের ক্ষমা করলে ইতিহাস আমাকে ক্ষমা করবে না।' (দৈনিক বাংলা 7 ফেব্রুয়ারি '72)। 21 ফেব্রুয়ারি বললেন, 'বাংলার মাটিতেই খুনীদের বিচার হবে।' 30 মার্চ চট্টগ্রামে ঘাতকদের নমরুদ বিশেষণ দিয়ে জনতার কাছে জানতে চাইলেন দালালদের ক্ষমা করা হবে কীনা। সবাই হাত তুলে বলল 'না, না'। (পূর্বদেশ 31 মার্চ, '72)। (চলবে)
তথ্যসূত্র : একাত্তরের ঘাতক দালালরা কে কোথায়,

 

প্রকাশ করা হয়েছে: রাজাকার  বিভাগে ।

 

  • ২১ টি মন্তব্য
  • ৫১৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৭:২৭
comment by: অতিথি বলেছেন: মূল্যবান বিশ্লেষণ।

চলুক...
২. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৭:৪৬
comment by: অতিথি বলেছেন: পরের অংশ পড়ে মন্তব্য করবো

চলুক........
৩. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৭:৪৭
comment by: আরাফাত রহমান বলেছেন: হুম..... তারপর ?
৪. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৭:৫০
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: তারপর রাতে বাকিটা
৫. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৭:৫৩
comment by: অতিথি বলেছেন: ঠিকই আছে সব বন্ধু। বলে যাও।
৬. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৭:৫৩
comment by: অতিথি বলেছেন: ইনফরমেটিভ। এইপোস্টগুলো বেশী বেশী পাঠক আকর্ষণের জন্য উপযোগী করতে হবে। যাদের রাজাকারদের প্রতি সিমপ্যাথি রয়েছে সেই সব হারামীদের বেশী বেশী করে পড়তে দিতে হবে।

আর বিশেষত অনুর্ধ 20 যেসব ব্লগার এখানে আছে, তাদের পড়ার জন্য অনুরোধ করছি। রাজাকার ইতিহাস জানুন, দেশপ্রেম জাগ্রত করুন।
৭. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৮:১০
comment by: মামু বলেছেন: বঙ্গবন্ধুর কস্টলি ভূল দালাল আইন রাজাকার
সেই ভূলে সাজা কার
৮. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৮:১১
comment by: অতিথি বলেছেন: বোধ হয় কিছু ঘটনা বাদ চলে গেলো,
18ই ডিসেম্বর যুদ্ধাপরাধিদের শাস্তির দাবিতে প্রথম সম্পাদকিয় লেখা হয়,
2রা জানুয়ারি আরও বলিষ্ঠ সম্পাদকিয় লেখা হয়,
ফেব্রুরায়ির 17 তারিক কিংবা এর কাছাকাছি সময়ে একটা তদন্ত কমিশন গঠিত হয়, 21শে ফেব্রুয়ারি জানানো হয় সেই কমিশন রিপোর্ট দিবে আগামি 2 সপ্তাহের ভিতরে, এর পর সেই কমিটির রিপোর্ট আসে নি।
আর মুসলিম লীগ ঘেঁষা আওয়ামী লীগের প্রবীন নেতা এবং দলত্যাগী মুসলীম লীগারদের লবিংএর বিষয়টা আরও স্পষ্ট হওয়া উচিৎ।
সামনে আসা উচিত আপোষকামী সেইসব মুক্তিযোদ্ধা সর্টিফিকেটধারী লোকজন যারা ঢাকায় এসে সরকারী সুযোগ নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ করার নামে, এবং সেইসব শ্রদ্ধেয় মুক্তিযোদ্ধা যারা সময়ের দাবিতে যুদ্ধ করেছিলো এবং যুদ্ধ শেষে ঘরে ফিরেছিলো তাদের চোখের সামনে গড়ে উঠা রাজাকার নব্য রাজাকার মানুষগুলোর মুখোস খোলা দরকার, কোন কোন নেতা তখন রাজনৈতিক সুবিধা নিয়েছে, কয়েকজন বিচারপতির রাজনৈতিক আদর্শ মুসলিম লীগ ঘেঁষা ছিলো তাদের প্রহসনমূলক বিচারে কথা আসা দরকার। আসা দরকার দালাল আইন প্রবর্তনের সবকটা পর্যায়।
৯. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৮:১৪
comment by: অরুণিমা বলেছেন: তখন কেউ কেউ মত প্রকাশ করেছিল-
"দালালদের ক্ষমা করে বঙ্গবন্ধু 30 লাখ শহীদ আর 2 লাখ মা বোনদের ইজ্জতের সাথে বেঈমানী করেছে।
জাতির জনক ও বঙ্গবন্ধু খেতাব ছিনিয়ে নেয়া দেশপ্রেমীদের দায়িত্ব।"

তারাওতো মুক্তিযোদ্ধা ছিল। তাদের এই দাবীর যৌক্তিকতা কতটুকু ?
১০. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৮:২২
comment by: অতিথি বলেছেন: অরুনিমা, আপনি দারুণ এক প্রশ্ন তুলেছেন
১১. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৮:২৫
comment by: অতিথি বলেছেন: অরুনিমা
দালাল আইনটা কষ্ট করে পড়ে মন্তব্য করলে ভালো হতো, দালাল আইনের সংক্ষিপ্ত আছে শুভ র পোষ্টে সেখানে যেইসব গুনাবলী বিবেচ্য বলা হয়েছে এগুলোর বাইরে যারা দালাল তাদের সাধারন ক্ষমা ঘোষনা করা হয়েছিলো।
অবশ্য ইতিহাস যদি কাঁটাবন মসজিদ ঘুরে আসে তাহলে অনেক বিবর্তন হয়ে যায়। মসজিদের সুবাতাস গায়ে লাগলে যা হয় আর কি।
১২. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৯:২৫
comment by: অতিথি বলেছেন: পরের পর্বের অপেক্ষায়।
১৩. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ৯:৫৩
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: অরুনিমা, একটু পরিষ্কার করে বলবেন কী, কথাগুলো ঠিক কারা বলেছিল? কখন? কী প্রসঙ্গে। এখানে ঐতিহাসিক কিছু তথ্যউপাত্তের পরিবেশনা হচ্ছে। শোনা কথা নয়।
রাসেল, আপনার সঙ্গে একমত। কিছু ব্যাপার ওভারলুক করা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোকে এস্টাবলিশ করতে। আশা করি পুরোটা পরার পর এ ব্যাপারে আপনার সুচিন্তিত সমালোচনা পাব। তখন না হয় ঘাটতিগুলো নিয়ে আলোচনা করা যাবে। হয়তো আমার রেফারেনস আপনার মতো ওতোটা সমৃদ্ধ নয়। তারপরও যেটুকু এখানে এসেছে, তার বিপরীতে কেউ কোনো প্রমাণ দিতে পারবে বলে মনে হচ্ছে না। আপনার তথ্যগুলো এই প্রবন্ধে এডিশনাল ফুটনোট হিসেবেই মেনে নিচ্ছি। বেটার হয় রেফারেনস দিলে। আমি একটা সময়কাল তুলে ধরছি, কিছু কর্মকাণ্ড ও তার প্রেক্ষাপট। বিষয়টা হচ্ছে এমন একটা বড় ভুল নিয়ে যার জের এখন আমাদের বইতে হচ্ছে। সো যাই বলবেন, আমার সেটা উপকারে আসবে। এটুকু আবদার তো করতেই পারি।
১৪. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ১০:৩৭
comment by: অতিথি বলেছেন: সে সময়ে কারা বলেছিল তা বাদ দেন। অরুণিমা যা বলেছে তা যদি আমিই এখন বলি, তাহলে ? আমার কথার যৌক্তিকতা কতটুকু ?
১৫. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ১১:১৫
comment by: অঃরঃপিঃ বলেছেন: সেইটা হবে গায়ের জোরের কথা। সেইটা আপনে যা ইচ্ছা তাই যারে ইচ্ছা তাই কইতে পারেন। আপনার খুশি। কেউ ঠেকাইব না। কিন্তু যেইটা বুঝাইতে চাইতাছেন সেইটা বুঝছি। তবে ভন্ডামি কইরা মুক্তিযুদ্ধ নিয়া প্রহসনটা না করলে কী হয় না ভাইজান। আপনে আস্ত রাজাকার, রাজাকারি নিয়াই থাকেন। সেই সম্মাণ আপনারে দেওয়া হবে। সিংহের খোলস নিয়া গাধার ডাক দিলে তো মানুষ হাসবই
১৬. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সকাল ১১:৫৭
comment by: অতিথি বলেছেন: আসলে 1945-এর পরে একজোট হয়ে মিত্রপক্ষ যে ভাবে নুরেমবার্গ ট্রাইবুনাল করে নাজীদের বিচার করেছিল, সেরকম পরিস্থিতি বাংলাদেশের ছিল না। 72-এ দেশটা তখন ছিল প্রায় নিঃসঙ্গ। ভারত বা রাশিয়ার তখন এ ব্যাপারে কোন উৎসাহ ছিল না। যা হোক পিয়াল ভাই পরবতর্ী পর্বের জন্য আগ্রহ ভরে অপেক্ষা করছি।
১৭. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১:৪৩
comment by: অতিথি বলেছেন: হাসুম না কানদুম বুঝবার পারতাছি না। মুজিবুর রহমান তার পরিচয় দিতো একজন গণতন্ত্রী আর সমাজতন্ত্রী হিসাবে। তার মাঝে যদি গণতন্ত্রের ছিটে ফোটা জ্ঞান থাকতো তবে দেশ স্বাধীন হইবার পরে একনায়কতন্ত্র ফলাতো না। অন্তত একটা হঁ্যা না ভোটের ব্যবস্থা করতো। আমরা পাকিস্তান আমলে নির্বাচনে জিতিয়া ছিলাম ঠিকই কিন্তু বাংলার মানুষ কি আমারে ক্ষমতায় দেখবার চায়। আর তার যদি সমাজতন্ত্রের উপর ননূ্যতম ধারণা থাকতো তবে সে হেলিকপ্টারে করে তার ব্যাক্তিগত সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি দেখাতে সাংবাদিক ভাড়া করতো না। সেই সম্পত্তির হিসাব নিকাশ করতো না। ফিদেল মিয়া এই মুজিবুর রহমানকে দেখে অভিভূত হয়েছিলো?! তাকে দেখে জড়ায়ে ধরেছিলো?! নাকি মনে করায় দিতে চেয়েছিলো তোমার ভন্ডামীতে আমি অভিভূত?! তুমি আসলেও প-ল-টি-শেয়ানা। আর চাঁপা পেটাতে পেটাতে হিরো হয়ে গেল এইটা বোঝাতে চাইছিলো মনে হয় ফিদেল মামু।

হেরে কেসিয়াস ক্লে বলা যায়! না হের সাথে কেসিয়াস ক্লে এর অনেক সাদৃশ্য থাকলেও বলাডা ঠিক হইবেনা হেরে বলা যাইতে পারে মুসোলিনী। খালি একখান পার্থক্য আছে মুসো আর মুজির। আর হেইডা হইলো একজন নিজে স্বীকার করে হেয় ফ্যাসিষ্ট আরেকজন মুক্তি, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র আর সমাজতন্ত্রের মুখোশের অন্তরালে হেইডা পলায়ণ করিয়া রাখে।

আসলে মজিবুর সাহেব সন্তুষ্ট ছিলেন নগরীর প্রাচীরে তার পোষ্টার সাইজের ছবির একাকার দেখে। আর অমিদের বঙ্গবন্ধু খেতাবের স্বপ্ন দেখতে দেখতে। হের মগজে এর চেয়ে বেশী কিছু ঢুকতো না।

অমি বাংলাদেশের কৃষকরা কিয়ের লাইগা যুদ্ধ করছিলো হেইডা তুমি জানোতো? না জানলে তোমার রাসেল ভাইয়েক ask কইরো!

আর দালাল শব্দটা খারাপ কিছু না। দালারী একটা আদর্শগত ব্যাপার কাজেই এইটা করতে হবে আর না করলে বিশ্বাষঘাতক হইতে হইবে। তুমি যেমন কইরা বিশ্বাসঘাতক হইবার চাওনা! মাইনসের কিসের লাইগা বিশ্বাসঘাতক বানাইবার চায়? যেই কাজ নিজে পারোনা সেইটা অন্যেরে করতে বলো ক্যান?
১৮. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১:৪৩
comment by: অতিথি বলেছেন: হাসুম না কানদুম বুঝবার পারতাছি না। মুজিবুর রহমান তার পরিচয় দিতো একজন গণতন্ত্রী আর সমাজতন্ত্রী হিসাবে। তার মাঝে যদি গণতন্ত্রের ছিটে ফোটা জ্ঞান থাকতো তবে দেশ স্বাধীন হইবার পরে একনায়কতন্ত্র ফলাতো না। অন্তত একটা হঁ্যা না ভোটের ব্যবস্থা করতো। আমরা পাকিস্তান আমলে নির্বাচনে জিতিয়া ছিলাম ঠিকই কিন্তু বাংলার মানুষ কি আমারে ক্ষমতায় দেখবার চায়। আর তার যদি সমাজতন্ত্রের উপর ননূ্যতম ধারণা থাকতো তবে সে হেলিকপ্টারে করে তার ব্যাক্তিগত সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি দেখাতে সাংবাদিক ভাড়া করতো না। সেই সম্পত্তির হিসাব নিকাশ করতো না। ফিদেল মিয়া এই মুজিবুর রহমানকে দেখে অভিভূত হয়েছিলো?! তাকে দেখে জড়ায়ে ধরেছিলো?! নাকি মনে করায় দিতে চেয়েছিলো তোমার ভন্ডামীতে আমি অভিভূত?! তুমি আসলেও প-ল-টি-শেয়ানা। আর চাঁপা পেটাতে পেটাতে হিরো হয়ে গেল এইটা বোঝাতে চাইছিলো মনে হয় ফিদেল মামু।

হেরে কেসিয়াস ক্লে বলা যায়! না হের সাথে কেসিয়াস ক্লে এর অনেক সাদৃশ্য থাকলেও বলাডা ঠিক হইবেনা হেরে বলা যাইতে পারে মুসোলিনী। খালি একখান পার্থক্য আছে মুসো আর মুজির। আর হেইডা হইলো একজন নিজে স্বীকার করে হেয় ফ্যাসিষ্ট আরেকজন মুক্তি, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র আর সমাজতন্ত্রের মুখোশের অন্তরালে হেইডা পলায়ণ করিয়া রাখে।

আসলে মজিবুর সাহেব সন্তুষ্ট ছিলেন নগরীর প্রাচীরে তার পোষ্টার সাইজের ছবির একাকার দেখে। আর অমিদের বঙ্গবন্ধু খেতাবের স্বপ্ন দেখতে দেখতে। হের মগজে এর চেয়ে বেশী কিছু ঢুকতো না।

অমি বাংলাদেশের কৃষকরা কিয়ের লাইগা যুদ্ধ করছিলো হেইডা তুমি জানোতো? না জানলে তোমার রাসেল ভাইয়েক ask কইরো!

আর দালাল শব্দটা খারাপ কিছু না। দালারী একটা আদর্শগত ব্যাপার কাজেই এইটা করতে হবে আর না করলে বিশ্বাষঘাতক হইতে হইবে। তুমি যেমন কইরা বিশ্বাসঘাতক হইবার চাওনা! মাইনসের কিসের লাইগা বিশ্বাসঘাতক বানাইবার চায়? যেই কাজ নিজে পারোনা সেইটা অন্যেরে করতে বলো ক্যান?
১৯. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ১:৪৭
comment by: অতিথি বলেছেন: দালারী= দালালী
বানাইবার চায়= বানাইবার চাও
২০. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৩৬
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ধন্যবাদ ব্রাত্য তোমার বিনা চিন্তিত মতামতের জন্য। ইউ আর আ জিনিয়াস
২১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৫:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: বেড়ে বলেছো সাচ্চা...।

 



 


বন্ধুত্বে উদার, শত্রুতায় নির্মম : কিছু করার নাই, রাশির দোষ
........................
জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :

শেষ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৭০৪৮০