আমার প্রিয় পোস্ট
- সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুয়ায়ী রাজাকার, মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা জামায়াতে ইসলামীর নেতা থাকতে পারে কি?? - একরামুল হক শামীম
- "আবে, কোন মামদির পো সামনে খাড়া? যা কিনার" - লাল দরজা
- পাগলের রাজণৈতিক প্রলাপ : ( বিশেষ পর্ব) [স্বঘোষিত রাজাকারদের অপপ্রচারের প্রতিবাদ] - এ. এস. এম. রাহাত খান
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- সহীহ মুসলিম মতে গোলাম আজম, নিজামি, মুজাহিদ, সাইদী এবং অন্যান্য জামাতিদের ইমানের স্তর। - হ্যারি সেলডন
- সামহোয়ার ক্লাসিক : কার্টুন কেলেঙ্কারি ও ছাগুদের ম্যাতকার (ইতিহাসের পাতা থেকে) - স্ট্যানলি কুবরিক
- নেতা দর্শন (হোসেইনের কবিতাঞ্জাল) - হোসেইন-দ্য এ টিম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও নানাবিধ যুক্তি : শিশুর সাথে আরেকটি আলাপচারিতা - আরিফ জেবতিক
- When silence is crime-2 - ফারজানা মাহবুবা
- ব্রাত্যজন কথা - সন্গদোষে বন্গ নষ্ট সুশীলদের হইল কষ্ট - বোঘদাদি হেকিম
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- বেগমগঞ্জ কালো পুলের বধ্যভূমি - মুকুল
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- ডিটেকটিভ গল্প: সেলিব্রিটি প্রবলেমস কন্টিনিউড (শেষ অংশ) - জ্বিনের বাদশা
- ৮ই ফাল্গুন কি হারিয়ে যাবে? আসুন বাঁচানোর একটা চেষ্টা করি। - যীশূ
- একটা ছাগু ম্যাজিক !!!!!!!!!!!!! ( Animation ) - শান্তির দেবদূত
- মহাপুরুষ তোর গুষ্টি মারি, শালার শালা রাজাকার (পুনঃ ব্লগ পোষ্ট) - লাল দরজা
- একুশের পূর্বসূরী : আল এসলাম - অচেনা বাঙালি
- ইতিহাস খুড়ে দেখা : মুজিবনগর সরকার, স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রের মুল দলিল এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক - মিরাজ
- ঝেঁপে আসা চোখের জল তবুও গাল ভরিয়ে ঝরে পড়ে - মৃন্ময় আহমেদ
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন দৈনিক সংগ্রামে জাতীয় সংগীত সংক্রান্ত ফতোয়া - এস্কিমো
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ও ত্রিভুজ গোত্রীয়দের বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেস্টা - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - একটি অহেতুক বিতর্কের জবাব - সু-শান্ত
- বল্গারগন বাঁচতে চাও? - সিন-লাম-মীম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( প্রথম পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( ২য় পর্ব ) ( যেকোন রাজাকার এবং রাজাকার সমর্থনকারীদের প্রতি ওপেন চ্যালেঞ্জ, পারলে যুক্তিগুলো খন্ডন করুন) - একরামুল হক শামীম
- আদর্শের জন্য নয়, জামাত পাকিস্তানপন্থী হয়েছিল টাকার জন্য। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে নিয়মিত অর্থ পেতো জামায়াত। - শওকত হোসেন মাসুম
- নাইট সিলটি বাবুল : বাস্তবের এ-টিম মেম্বার (উৎসর্গ - হোসেইন) - অচেনা বাঙালি
- ছবি ব্লগ : কষ্টার্জিত স্বাধীনতা - গন্ডমূর্খ
- বাবা কেন যুদ্ধে গেল? - কালপুরুষ
- একটি জাতির জন্ম: জিয়াউর রহমানের নিজের লেখা পড়ুন (১) - আমি সাগর
- সংখ্যা ব্লগ : আমাদের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- স্বাধিনতা আর স্বাধিকার আন্দোলনে এ বাঙালির শ্লোগান(সংকলিত) - রাহা
- প্রিয় কবিতা : সুখটান - সুভাষ মুখোপাধ্যায় - অচেনা বাঙালি
- পাকিস্তানের জন্য গোলাম আযমের আক্ষেপ ফুরাবে না! - শওকত হোসেন মাসুম
- এ ছবি আপনাকে দেখতেই হবে! আপনি এদেশের মানুষ নন? - তীরন্দাজ
- ছবি ব্লগ : গর্বের এবং বীরত্বের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- ও আমার দেশের মাটি : একটা অসাধারণ ভিডিও । এটাই মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের চেতনা - মিরাজ
- ফাঁসি দেয়ার সঠিক পদ্ধতি
- ইকরাম
- ১৯৭১ এর নভেম্বর ডিসেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ - ২ : স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ৮ - মিরাজ
- ১৯৭১ এর নভেম্বর ডিসেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ - ১ : স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ৭ - মিরাজ
- অনেক অজানা অতীত : নতুন প্রজন্মের জন্য। স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ১ (ইংরেজী টেক্সটসহ রিপোষ্ট) - মিরাজ
- অনেক অজানা অতীত : নতুন প্রজন্মের জন্য। স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ২ (ইংরেজী টেক্সট সহ) - মিরাজ
- অনেক অজানা অতীত : নতুন প্রজন্মের জন্য। স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ৩: ৭ই মার্চের প্রাক্কালে পাকিস্তান সংক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রের সিনিয়র রিভিউ গ্রুপ এর মিটিং এবং কিসিন্জারের ভূমিকা - ১ম পর্ব - মিরাজ
- ছহি রাজাকারনামা - জেনারেল
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জামাত-শিবির কেন সন্ত্রাসী সংগঠন - অমি রহমান পিয়াল
- '৭১ এ ঢাকা বিশ্ববদ্যালয়ের গনহ্ত্যার দূর্লভ ভিডিও চিত্র। - লারেলাপ্পা
- ওয়ার্ডপ্রেস ডেটাবেজ ব্যাকআপ রাখুন - গুগুল
- একজন মুক্তিযোদ্ধার ব্লগ পড়ুন - অঃরঃপিঃ
- আস্তমেয়েরে জবাব ১ - অঃরঃপিঃ
- লিংক: রাজাকারের তালিকা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার- সময়ের দাবি - অঃরঃপিঃ
- গোলামের আরো কথা - অঃরঃপিঃ
- থাকলে এমনেই থাকতে হইব, নাইলে ফুট্ - অঃরঃপিঃ
- রাজাকার নিয়া আরেকটু কথা (আড্ডাবাজরে) - অঃরঃপিঃ
- আমাদের গান / সুমন : কোনও এক চিন্ময়ীকে - অঃরঃপিঃ
- স্বীকারোক্তি : আমি একটি অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছি... - অঃরঃপিঃ
- বইয়ের বিজ্ঞাপন : বইমেলায় আমাদেরও বই... - অঃরঃপিঃ
- নতুন সংকলণ : তেকোণালজি - অঃরঃপিঃ
- তেকোণালজি এখন হার্ডকাভারেও - অঃরঃপিঃ
- টুকে লেখা, পড়ে লেখা, জেনে লেখা... (আলী, হাবিব মহাজন। ফাডাররাও পড়তে পারেন) - অঃরঃপিঃ
'৭১ এর ঘাতক-দালাল : বাহিনী পরিচিতি ১- রাজাকার
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৪:৩৩
রাজাকার বাহিনী ও রাজাকারদের সংগঠন করেছিল তৎকালীন পাকিস্তান সরকার। জেনারেল টিক্কা খান ১৯৭১ সালের জুন মাসে রাজাকার অধ্যাদেশ জারি করেছিলেন। পূর্বতন আনসার, মুজাহিদদের নিয়ে প্রাথমিকভাবে এ দল গঠিত হয়। কিন্তু পরে বিভিন্ন শ্রেণীর পাকিস্তানপন্থীরা এই বাহিনীতে যোগ দেয়। এরা ছিল সশস্ত্র। হানাদার বাহিনীর দোসর হিসেবেই তারা মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে লড়েছে। জেনারেল নিয়াজী এক সাক্ষাৎকারে আমাকে বলেছিলেন যে, রাজাকার বাহিনীর তিনিই স্রষ্টা। তারা যথেষ্ট খেদমত করেছে পাকিস্তানী বাহিনীকে, যে কারণে তার বইটি তিনি তাদের উদ্দেশ্যেই উৎসর্গ করেছেন।
রাজাকারের শুদ্ধ উচ্চারণ 'রেজাকার'- ফারসি শব্দ। 'রেজা' হল স্বেচ্ছাসেবী, 'কার' অর্থ কর্মী। এক কথায় স্বেচ্ছাসেবী। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের সময় হায়দরাবাদের নিজাম অনিচ্ছুক ছিলেন ভারতের সঙ্গে মিলনে। আত্মরক্ষার জন্য তিনি গঠন করেছিলেন একটি স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী যার নাম দেওয়া হয়েছিল রেজাকার বাহিনী।
মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াত নেতা এ.কে.এম ইউসুফ শব্দটি ধার করেন এবং খুলনায় রেজাকার বাহিনীর সূত্রপাত করেন। 'একাত্তরের ঘাতক ও দালালরা কে কোথায়' গ্রন্থের তথ্যানুযায়ী, ৯৬ জন জামায়াত কর্মী নিয়ে এই বাহিনীর সূত্রপাত যা পরে পুরো বাংলাদেশে ছড়িয়ে পরে। পুর্বোক্ত গ্রন্থ অনুযায়ী- 'প্রশাসনিকভাবে এই বাহিনীতে সমাজের বিভিন্ন শ্রেনীর লোক অন্তর্ভুক্ত হলেও তাদেরকে তিনভাগে ভাগ করা যেতে পারে। প্রথমত, যারা 'পাকিস্তান' ও ইসলামকে রক্ষার জন্য বাঙালীর হত্যা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে যুদ্ধ করাকে কর্তব্য মনে করেছিল; দ্বিতীয়ত, যারা লুটপাট, প্রতিশোধ গ্রহণ, নারী নির্যাতন করার একটি সুযোগ গ্রহণ করতে চেয়েছিল এবং তৃতীয়ত, গ্রামের দরিদ্র অশিক্ষিত জনগণ যারা সীমান্তের ওপারে চলে যেতে ব্যর্থ হয়- এ ধরণের লোককে প্রলুব্ধকরণ, বল প্রয়োগ বা ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে রাজাকার বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।'
রাজাকার বাহিনী যাদের নিয়েই গঠিত করা হোক না কেন, এই বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করত জামায়াতে ইসলামী। আবু সাইয়িদ তার 'সাধারণ ঘোষণার প্রেক্ষিত ও গোলাম আজম' গ্রন্থে জনৈক রাজাকারের পরিচয় পত্র তুলে দিয়েছেন যেখানে তার প্রমাণ পাওয়া যাবে-
" this is to certify that Mr. Haroon-ur-Rashid Khan, S/o Abdul Azim Khan, 36 Purana Paltan Lane, Dacca-2 is our active worker. He is true pakistani and dependable. He is trained Razaker. He has been issued a Rifle No-776... with ten round ammunition for self-protection.
Sd/-illegible
IN CHARGE
RAZAKAR AND MUZAHID
JAMAT-E-ISLAM
91/92 Siddique Bazar, Dacca"
রাজাকারদের বিভিন্ন স্থাপনা পাহারা দেওয়া, মুক্তিবাহিনীর খোঁজ করা প্রভৃতি কাজে ব্যবহার করা হতো। বাংলাদেশের গ্রামে গঞ্জে এরাই ছড়িয়ে পড়েছিল। সে কারণে, বাঙালীদের কাছে রাজাকার শব্দটি বেশি পরিচিত হয়ে ওঠে।
বর্তমানে বাংলাদেশে মোটাদাগে স্বাধীনতাবিরোধীদেরই রাজাকার নামে অভিহীত করা হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যারা ছিলেন তারা রাজকার ও তাদের কার্যকলাপের সঙ্গে সবাই পরিচিত। জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে 'ঘাতক দালাল নির্মূল' আন্দোলন শুরু হলে রাজাকার নামটি আরো পরিচিত হয়ে সাধারণ ভাষ্যে চলে আসে। হুমায়ুন আহমেদের একটি নাটকের সংলাপ ছিল 'তুই রাজাকার'। এসব কারণে স্বাধীনতাবিরোধী ব্যক্তি, সে আলবদরই হোক বা দালালই হোক, পরিচিত হয়ে ওঠে রাজাকার হিসেবে। জামায়াত ইসলাম, বাংলাদেশের প্রাক্তন আমীর গোলাম আযম বলেছেন, তারা 'রাজাকার' ছিলেন না, ছিলেন 'রেজাকার'। হতে পারে রেজাকার শুদ্ধ, কিন্তু মানুষের কাছে অশুদ্ধ রাজাকারই পরিচিত।
সূত্র : ডঃ মুনতাসীর মামুন (মুক্তিযুদ্ধ কোষ চতুর্থ খণ্ড)
!@@!383012 !@@!383013
এ.এস.এম সামছুল আরেফিন সম্পাদিত মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্যক্তির অবস্থান বই থেকে যোগ করছি :
১৯৭১ সালের মে মাসে মওলানা এ.কে.এম ইউসুফের নেতৃত্বে ৯৬ জন জামাত কর্মী নিয়ে খুলনায় আনসার ক্যাম্পে প্রথম এই বাহিনী গঠিত হয়। মওলানা একেএম ইউসুফ এই বাহিনীর নামকরণ করেন রাজাকার। জুন মাসের সরকারী অধ্যাদেশে এই নাম রাষ্ট্রীয়ভাবে গ্রহণ করা হয়। ইসলামী ছাত্র সংঘের প্রধান মোঃ ইউসুফকে রাজাকার বাহিনীর সর্বাধিনায়ক করা হয়। প্রাথমিক অবস্থায় ১০টি জেলায় ইসলামী ছাত্র সংঘের নেতাদের রাজাকার বাহিনীর নেতৃত্বে দেওয়া হয়। অ্যাডজুটেন্ট বা কোম্পানি কমান্ডার থেকে নিচের স্তরের সকলেই রাজাকার কমান্ডারদের নেতৃত্বে পরিচালিত হত। কিন্তু ওপরের স্তরের সকলেই ছিল ইসলামী ছাত্র সংঘের সদস্য। শান্তি কমিটির মাধ্যমে রাজাকারদের রিক্রুট করা হত। এই বাহিনীর বেশিরভাগ সদস্যই ছিল মাদ্রাসার মোহাদ্দেস ও মোদাচ্ছের। দক্ষিণপন্থী রাজনৈতিক দলের সদস্য ছাড়াও বহু গ্রামের যুবককেও এই বাহিনীতে ভর্তি করা হয়।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে রাজাকার বাহিনীর প্রশিক্ষণ পরিচালিত হত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের মাঠ ও ফিজিক্যাল কলেজের মাঠে মূলত রাজাকারদের প্রশিক্ষণ দেয়া হত। এই বাহিনীর প্রশিক্ষণের মেয়াদ ছিল দেড় সপ্তাহ থেকে দুই সপ্তাহ। প্রশিক্ষণ শেষে রাজাকারদের হাতে ৩০৩ রাইফেল তুলে দেওয়া হত। শুধু উচ্চ স্তরের কমান্ডারদের জন্য বরাদ্দ ছিল স্টেনগান।
ছবি পরিচিতি : রাজাকারদের ট্রেনিং, রাজাকারদের শপথ নামা, রাজাকার কমাণ্ডারদের তালিকা ১, ২, ৩
প্রকাশ করা হয়েছে: রাজাকার বিভাগে ।
অতিথি বলেছেন:
পিয়াল ভাই, অনেক ধন্যবাদ। দরকারি পোস্ট। জানতাম- রাজাকার মানে স্বেচ্ছাসেবী। কিন্তু রাজাকারের মূল যে রেজাকার তা জানতাম না। এখন থেকে ওদের রেজাকার বলবো। শব্দটা আধুনিক আধুনিক লাগে। এই যেমন জরিনা হয়ে যায় জেরিন। (যাদের মূল নাম জেরিন তাদের কাছে মাফ চাই) ।
ইমটি বলেছেন:
স্ক্যানার কেনা সার্থক।
আলভী বলেছেন:
শ্রদ্ধা বাড়ছে।
অতিথি বলেছেন:
ঠিকাছে । এট্টু ভ্যাজাল আছে হালকায়ে । হায়দ্রাবাদের নিজামের রাজাকার বাহিনির আসল কাজ ছিল তেলেঙ্গানার বিপ্লবীদের ঠেকানো । ভারতের সাথে বিরোধটা কৃত্রিম ।
অতিথি বলেছেন:
তবে তাতে আপনের লেখার কোন সমস্যা হয় নাই । বরাবরের মতোই ড্যাবস হইছে । আমি কইতে চাইছিলাম যে ইতিহাসের দুইটা রাজাকার বাহিনিই রাজাকার আছিল । এই আর কি !
অঃরঃপিঃ বলেছেন:
ধন্যবাদ বদ্দা
অতিথি বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট, ঋষিবাবা। ধন্যবাদ।
অতিথি বলেছেন:
মেজাজ খিঁচড়াইতাছে
অতিথি বলেছেন:
আমাদের এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের সময় আল-বদর আর পাকিস্তানীরা মিলে আমার বাবার মুক্তিযোদ্ধা বন্ধুর পিতা এবং তার ২ ভাইকে জীবন্ত মাটিচাপা দেয়। ওই আল-বদর বাহিনীতে ৩ ভাই ছিলো। যুদ্ধের পর মুক্তিবাহিনী শহরে এসে ওই ৩ আল-বদর ভাইয়ের দুইজনকে ধরতে পারে। তাদের দুইজনকে জীবন্ত মাটিচাপা দেয়া হয়। ৩ নম্বর ভাইটা পালিয়ে যাওয়ায় তাকে ধরা যায়নি।এই ঘটনাটা প্রথম শোনার পর আমার মনে হয়েছিল আল-বদর দুইজনকে মাটিচাপা দেয়া ঠিক হয় নাই, তাদের সরকারীভাবে বিচার করা উচিত ছিল। কিন্তু বড় হওয়ার পর শুনলাম সরকারীভাবে রাজাকার-আলবদরদের কোন বিচারই হয় নাই। যারা জেল হাজতে ছিল তারা সবাই মুক্তি পায় বঙ্গবন্ধুর হঠকারিতার জন্য(আমার ব্যক্তিগত মত)। রাজাকারদের বিচার বিচ্ছিন্নভাবে যা হইছে সব মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে। রাজনৈতিকভাবে রাজাকারদের কোন বিচার হয় নাই এবং হবে বলে মনে হয় না। আফটার অল আমরা তো বাঙ্গালী, ইহুদি না। ভাইয়ের রক্তের দাম আমাদের কাছে খুব একটা বেশী না।ইহুদীরা বেঈমান বলে যতই গালাগালি দেয়া হোক ,ভাতৃ হত্যার প্রতিশোধ তারা ঠিকই নিয়েছে।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
এই [link|http://www.somewhereinblog.net/omipialblog/post/17757|
অমনিবাস বলেছেন:
হ, পিসি ঠিক করতে দিছি। তারপর সব ঠিক হইয়া যাবে
চোর বলেছেন:
জানি না, অতিথি হিসেবে এই পোস্ট আগে দেখেছি কিনা। আবারো ৫।
শমশেরআলম বলেছেন:
রেটাইছি আমিও
তাসনিম নুসরাত বলেছেন:
প্রিয় পোস্টে যোগ করলাম
সত্য সুন্দর বলেছেন:
আবার জিগায় এতে কি প্রমান হয় , ছিঃ ছিঃ ..। ওই তুই এই দেশে কি চাস @ অশ্রু.. আল বদর , ছাত্র সংঘ ও অন্যান্য সংগঠন সম্পর্কে পোষ্ট চাই।
সত্য সুন্দর বলেছেন:
পোষ্ট টা সামনে আনেন প্লিজ

















@ ধুসর


কল দিবো?