আমার প্রিয় পোস্ট

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জামাত-শিবির কেন সন্ত্রাসী সংগঠন

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ২:৩৯

শেয়ার করুন:                   Facebook

সন্ত্রাস বা ভায়োলেন্সের আভিধানিক অর্থটা অভিধান ছাড়া বলতে পারছি না। তবে ছোট্ট জ্ঞানে যেটুকু বুঝি কাউকে সন্ত্রস্ত করার সঙ্গে এর যোগসাজস আছে। সন্ত্রস্ত করা মানে ভয় দেখানো। এটা নানা ভাবে করে দেখানো যায়। এক সরাসরি হুমকি দিয়ে- ভালো হয়ে যাও অথবা অফ যাও। পথের কাঁটা হয়ো না। আরেকটি হচ্ছে সরাসরি সরিয়ে দেওয়া। অর্থাত মেরে ফেলা। এটা অনেক সময় ঝিকে মেরে বউকে শেখানোর মত। প্রতিপক্ষ দলের একটা দুটো মাথা ফেলে দিলে বাকিরা সন্ত্রস্ত হবে, ভয় পাবে। আর এই সন্ত্রস্ত করার কাজটা জামাত-শিবির শুরু থেকেই করে আসছে। শেকড় শক্ত করতে এবং ডালপালা মেলতে।

বিভাজনে যাই। জামাত ও শিবিরের সম্পর্ক কি? জামাতের ছাত্র উইঙ হচ্ছে ইসলামী ছাত্র শিবির। ১৯৭৭ সালের আগ পর্যন্ত তা ইসলামী ছাত্র সংঘ নামেই পরিচিত ছিল। জামাতে ইসলামী নাম বদলায়নি, ছাত্র সংঘ নাম বদলেছে। কারণ জামাত মেইন স্ট্রিম রাজনীতিতে জড়িত, যেখানে টাকার খেলায় অনেক আপোষ নামাই সম্ভব। ছাত্র সংঘ নাম বদলেছে। কারণ ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে তাদের বুদ্ধিজীবি হত্যার নৃশংস নির্মমতা এখনো স্মৃতি থেকে বিলীন হয়নি সাধারণ বাঙালীর।

এই একাত্তরেই জামাতে ইসলামী স্বাধীনতাকামী বাঙালীদের জন্য ভয়াবহ এক আতঙ্ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। ২৫ মার্চের গণহত্যা শুরুর সঙ্গে সঙ্গে জামাতে ইসলামী পূর্ব পাকিস্তানে নিজেদের প্রতিষ্টার জন্যই ভয়াবহ এক পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামে। আওয়ামী লীগের পর জনসমর্থন বিচারে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিগুলোর মধ্যে মুসলিম লিগ ও নেজামী ইসলামী ছিল জামাতের চেয়ে অনেক এগিয়ে। একই ভাবে প্রতিক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে এনএসএফ (ন্যাশনাল স্টুডেন্ট ফ্রন্ট, মুসলিম লিগের) ধারে কাছেও ছিল না ছাত্র সংঘ।

তার মানে পশ্চিম পাকিস্তানে মওদুদী কাদিয়ানী দাঙার পর যেভাবে মিলিটেন্ট একটা দল হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন জেহাদী আফিম খাইয়ে, পূর্ব পাকিস্তানে সে মৌতাত পায়নি জামাত। আওয়ামী লীগের শুন্য স্থানে নিজেদের বসাতে তাই সেই মিলিটেন্সিরই শরণ নেয় তারা। পশ্চিম পাকিস্তানী প্রভু এবং এদেশে তাদের সামরিক প্রতিনিধিদের কাছে নিজেদের অধিকতর সাচ্চা মুসলমান ও পাকিস্তানপ্রেমী হিসেবে দেখিয়ে তাদের ল্যাপটপ হবার জন্য এর বিকল্প ছিল না কোনো। তাই নেজামী ইসলামী ও মুসলিম লীগের নেতারা যখন শান্তি কমিটি নিয়ে ব্যস্ত, তখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে মুক্তি নিধনে অধিকতর সহযোগিতার হাত বাড়াতেই জামাত সশস্ত্র পন্থায় গঠন করে রাজাকার। সেনাবাহিনীর কাজ কমাতেই তারা মাঠে নামে। স্বাধীনতার পক্ষশক্তি কিংবা তাদের সমর্থক নির্মূল থেকে শুরু করে মুক্তি বাহিনীর খোজে চৌকির তলা চষে ফেলা এই রাজাকাররা করেনি হেন কাজ নেই। তার পুল-কালভার্ট-সড়ক পাহারা দিয়েছে। সীমান্ত পার করে দেবে বলে পয়সা নিয়ে গুলি করে মেরেছে পলায়নপর বাস্তুহারাদের। হামলা করে লুটে নিয়েছে সহায়সম্পদ। দখল করেছে হিন্দুদের বসতভিটা। পুরোটাই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সংজ্ঞাভুক্ত। মেয়েদের তুলে নেয়া, পাকপ্রভু সেনা অফিসারদের ভেট দেয়া কিংবা মালি গণিমত হিসেবে তাদের এটো চাটায় ও পিছপা ছিল না তারা। এই ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডের প্রতিদান তারা পেয়েছে স্বাধীনতার পর তাতক্ষণিক। এ কাজে তারা ধর্মের দোহাই দিয়ে এসেছে বরাবরের মতো। পাকিস্তানকে ভাঙার ভারতের চক্রান্ত ও তাদের চর শেখ মুজিবের নীলনক্সার বয়ান দিয়ে রিক্রুট করেছে আলাভোলা মানুষদের। এরা কেউ জামাত করত না। শেখ মুজিব ক্ষমা করেছিলেন এই শেষোক্তদের। কিন্তু রাজাকার প্রধান ও হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্তরা সাধারণ ক্ষমার আওতায় পড়েনি। প্রসঙ্গত রাজাকার প্রধান ছিলেন প্রতিটি জেলার ইসলামী ছাত্র সংঘের সভাপতিরা।

যুদ্ধে যখন পরাজয় নিশ্চিত, তখন এই ছাত্র সংঘই মহানবী (দঃ) বিখ্যাত বিজয় আলবদর দিবসে গঠন করে স্বাধীনতা যুদ্ধের নৃশংসতম খুনী স্কোয়াড- আল বদর। দেশের সেরা বুদ্ধিজীবিদের তুলে নিয়ে নির্মমতম উপায়ে খুন করেছে তারা। জামাত তখন কি করছিল? রাজাকারি তত্ত্বাবধান তো আছেই, তারাই যে সেরা পাকিস্তানপ্রেমী এই প্রমাণ দিয়ে ইয়াহিয়ার সঙ্গে দরকষাকষি করছিল ক্ষমতার পিঠার সেরা ভাগটি পাওয়ার জন্য। মুসলিম লিগ ও নেজামী ইসলামী তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের নিরব দর্শক থেকে গেছে, কিংবা যোগ দিয়েছে সঙ্গে। কিন্তু সেখানেও ভিন্ন পলিটিক্স। পাকিস্তানের দালালীর নেতৃত্বটা নিজেদের হাতেই রেখে দিয়েছে জামাত।

স্বাধীনতার পর অন্য ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর চেয়ে তাই জামাত সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ। কারণ রাজাকার বলতে কেউ মুসলিম লীগ বোঝে না। জামাতকেই বোঝে। তাই গোলাম আযমের নামের আগে রাজাকার, নিজামী-মুজাহিদ-কামারুজ্জামানদের নামের আগে আলবদর বিশেষন জুটে যায়। এবং এটা ততদিন থাকবে যতদিন বাঙালীর শেষ রক্ত বিন্দুতে স্বাধীনতার চেতনা থাকবে। স্বাধীনতার পর তাই তারা পুরো দলটিই ছিল সাধারণ মানুষের চক্ষুশূল। শান্তি কমিটির অনেক নেতাই ছাড় পেয়েছে, রাজাকার নেতারা পায়নি। যারা পালিয়ে বেচেছে তারা ছাড়া।

স্বাধীনতা ঠেকানো যাচ্ছে না কিংবা রুখা যাচ্ছে না পাকিস্তানের ভাঙ্গন। এটা নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পর গো.আ.সহ জামাতের শীর্ষ নেতারা সবাই পালিয়েছে দেশ ছেড়ে। ছাত্রসংঘেরও একই অবস্থা। এলাকা বদলে, ভোল পাল্টে, মুক্তিযোদ্ধা সেজে কিছুদিন কাটানোর পর পগাড় পার হয়েছে তারাও। অনেকে ভিড়ে গেছে বিহারীদের সঙ্গে, সাময়িক আশ্রয় নিতে। তারপর পাকিস্তান হয়ে লন্ডন ও সৌদি আরবে সংগঠিত হয়েছে সবাই।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যার পর দেশে ফেরার সুযোগ পেয়ে যায় এসব ঘাতক-দালালেরা। যারা মুজিবের বিকল্প হতে পারতেন জেল হত্যায় বিনাশ করা হলো তাদেরও। খুনীদের বোড়ে মুশতাক প্রথম কাজ যেটি করলেন সেটা হলো দালাল আইন প্রত্যাহার। জিয়াউর রহমান প্রেসিডেন্ট হবার পর সব দলগুলো রাজনীতির সুযোগ পেল। ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানে ধর্মভিত্তিক দল নিষিদ্ধ ছিল। জিয়ার সংশোধনীতে ইসলামিক ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের ছায়াতলে ফিরে এলো জামাত। পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নিয়েও ফিরল ঘাতক শিরোমনি গোলাম আযম। জামাতের আমির হয়ে গেলেন এসেই। কি অদ্ভুত একটা ব্যাপার! ভীনদেশের পাসপোর্ট নিয়ে এদেশে একটি রাজনৈতিক দলের কর্ণধার হয়ে যাওয়াটা আমাদের রাজনৈতিক দুর্বত্ততার দারুণ একটা উদাহরণ হয়ে থাকবে আজীবন।

এখন নিজেদের পায়ের নিচে মাটি শক্ত করার পালা। সে কাজে জামাত কাজে লাগাল তাদের ছাত্র ফ্রন্টকে। ইসলামী ছাত্রসংঘ ভোল পাল্টে হয়ে গেল ছাত্র শিবির। সভাপতি করা হলো একাত্তরের আলবদর কমান্ডার মীর কাশেম আলীকে। ধর্মভীরু বাঙালীদের মধ্যে ভারত বিরোধী প্রচারণা, একাত্তরে তাদের অবস্থান সঠিক ছিল নানা প্রপোগান্ডায় তা বোঝানো এবং মধ্যপ্রাচ্যের অনুদান দিয়ে গরীব জনগোষ্টীকে কিনে ফেলে জামাত তাদের ভিত গড়ছিল। আর বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে শেকড় প্রতিষ্ঠার কঠিন কাজটি দেয়া হলো শিবিরকে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীনতার প্রশ্নে অন্যরকম এক চেতনা ধারণ করে। এখানে মতিউর রহমান নিজামী জুতাপেটা হয়, এখানে শিবির পেলে অপরাজেয় বাংলার সামনে কানে ধরে উঠবস করতে বাধ্য করা হয়। কাটাবন মসজিদ দখল ও আশেপাশের মার্কেটের প্রায় প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্টান কব্জা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে স্রেফ ঘেরের মধ্যে রাখতে পেরেছে শিবির। কিছুদিন আগে ছাত্রদলের সহায়তায় একটা মিছিলও নাকি করেছিল। ফাকা ক্যাম্পাসে সফল হলেও সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের চোখে পড়ার পর যথারীতি ধাওয়া।

ছাত্র শিবিরের গুরুত্বপূণ পদগুলোতে তখন সব বদর কমান্ডাররা। তারা জানে কিভাবে আঙুল বাকা করে ঘি ওঠাতে হয়। তারা এবার টার্গেট এরিয়া ঠিক করল অধিকতর ইসলাম ভীরু চট্টগ্রাম ও রাজশাহীকে। ভর্তি হওয়ার পর তাদের সদস্যরা নিয়মিত নামাজ কালাম ও আদাব সহবত দেখিয়ে নিতান্ত ভদ্র ইমেজ নিল। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পাশ্ববর্তী এলাকাগুলোয় বিয়ে করে আত্মীয়তার সম্পর্ক তৈরি করল। এরপর বের হলো গর্ত থেকে। মিছিল করলেই যখন আঘাত আসে তখন তাদের প্রতিশোধমূলক প্রতিঘাত। শুরুতেই টার্গেট করে ছাত্রনেতাদের পঙ্গু কিংবা খুন করে ফেলা হলো। চট্টগ্রাম কলেজে শাহাদত হত্যার মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দিল শিবির। জাতীয় পার্টির কব্জায় থাকা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসমাজের নেতা হামিদের হাত কব্জি কেটে দিয়ে সন্ত্রাসের ধরণে বিপ্লব ঘটিয়ে দিল তারা। প্রতিপক্ষ অসংখ্য ছাত্রনেতার হাত ও পায়ের রগ কাটা হলো। চট্টগ্রামের প্রতিটি জেলায় ছাত্রলীগের অসংখ্য নেতা স্রেফ গুম হয়ে গেলেন। ঠিক একইভাবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ও দখল করল তারা। পরিকল্পনাটা পূর্ণতা পায়নি স্রেফ জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও সর্বশেষ একশনে ছাত্রলীগ-ছাত্রদলের মিলিত প্রতিরোধে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে তারা।

এতকিছুর পরও জামাত তাদের অতীত মুছে ফেলতে পারেনি। অতীত মানে স্বাধীনতা যুদ্ধে তাদের অমর পৈশাচিক কীর্তি। সে কারণেই গোলাম আযম বায়তুল মোকাররমে নামাজ পড়তে গিয়ে জুতাপেটা হয় সাধারণ মুসল্লীদের হাতে। কিন্তু এরপর তাদের পরিকল্পনা অনেকখানি সফল। প্রচুর পেট্রোডলার ছড়িয়ে এখনো তারা কিনে যাচ্ছে গরীবগুর্বাদের ভোট ও সন্তানদের। সেইসঙ্গে ইসলামের ভয়াবহ অপব্যবহার। কোরআন শরীফ নিয়ে নির্বাচনের আগে মহিলা জামাত কর্মীরা বাসায় বাসায় গিয়ে শপথ করিয়েছে দাড়িপাল্লায় ভোট দিতে। কোরান শরীফ ছুইয়ে শিবিরের রিক্রুটদের শপথ করানো হয় জেহাদের। এই জেহাদে রগকাটা ফরজ, ভারতের দালালদের খুন করা ফরজ। এই জেহাদ একাত্তরেও করেছিল তারা। প্রচুর ব্যবসা প্রতিষ্টান কিনে ফেলে বাঙলাদেশের সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে জামাত, মধ্যপ্রাচ্যের অনুদানের জন্য তাদের সুপারিশ লাগবেই। এবং যেহেতু ভোটব্যাংক বিশালায়তনে রূপ নিয়েছে, গদিতে বসতেও তাদের সমর্থন খুব জরুরী। সেই সমর্থনের বিনিময়ে নিজেদের শেকড়ের পাশে এখন রীতিমতো শানবাধানো ঘের দিয়ে দিয়েছে জামাত। আওয়ামী শাসনে নিজেদের নিরঙ্কুশ প্রাধান্য অক্ষুন্ন রেখেছে চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে। কিছু হলে উপর মহল থেকে নির্দেশ ওদের কিছু বলো না, আমাদের মিত্র ওরা। বিএনপি শাসনেও তাই। সব শাসনেই তারাই উইনার। কারণ ওই যে ধর্মের আফিম। মাদ্রাসা ও মসজিদগুলো দখল করে ধর্মপ্রাণদের ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইলিং করে জনসমর্থন আদায় করা তাদের বিভিন্ন ইস্যুতে। এবং তারপর সরকারী পর্যায়ে চাপপ্রয়োগ। পাকিস্তানী উর্দি থেকে বাংলাদেশী উর্দি সবাই তাদের ভক্তি করে। কারণ তাদের চটালে মুসলমানরা চটবে। মুসলমানদের চটাতে হয় কিভাবে উস্কাতে হয় কিভাবে তারা সেটা সবচেয়ে ভালো জানে। এক্ষেত্রে লেবাস একটি বড় বিষয়। নুরানী দাড়িওয়ালা, টুপি পাঞ্জাবী পড়া একজন মানুষ চরম খারাপ হতে পারে না। ছাগুলে দাড়ি, নিয়মিত নামাজ পড়া একজন ছাত্রের পক্ষে খুনী রগকাটা হওয়া একেবারেই অসম্ভব। উপরে পানি ঢেলে গোড়া কাটার চরম উদাহরণ এই জামাত এবং শিবির। পানি ঢালা মানে নিজেদের ভণ্ডাবরণে সত ভাবমূর্তি। গোড়া কাটা মানে সন্ত্রাস। জামাত-শিবিরের ইতিহাস। আগাগোড়া সন্ত্রাসী ইতিহাস। অবশ্যই তারা সন্ত্রাসী দল।

(এটি একটি পোস্টের জবাবী পোস্ট)

 

 

  • ৫৪ টি মন্তব্য
  • ৯৫৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩৮ জনের ভাল লেগেছে, ৩৬ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ২:৪৪
comment by: 'ভিমরু' বলেছেন: স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত আওয়ামীলীগের ইতিহাসও খুব একটা ভাল নয়। ধর্ষনে সেঞ্চুরী করা ছাড়াও তাদের বহু কৃত্তিকলাপ রয়েছে। আপনি তাহলে কেন আওয়ামীলীগ করতেন? (এখনও করেন কিনা জানি না।)
২. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ২:৪৫
comment by: এ এক অন্য আই বলেছেন: মিঃ/মিস 'বাংলা আমার', আপনি কি নেই? এটা আপনার জন্ন্য একটি ভাল লেখা।
এ লেখাকে ৫ না দিয়ে পড়া যাবে?
৩. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ২:৪৯
comment by: কালা জাহাঙ্গীর বলেছেন: পিয়াল ভাই একটা পরিসংখ্যান দেন প্লীজ
১৯৭১ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত
ছাত্রদল, ছাত্রলীগ, ছাত্রমৈত্রী এমন সব ছাত্র সংগঠন গুলার কত জন করে মেম্বার মারা গেছে।
তাহলে বুঝা যাবে শিবির আশলে কততা ভয়ঙ্কর।
শিবিরের টাও দিয়েন নাহলে একচোখা হয়ে যাবে।
৪. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ২:৫০
comment by: সংস্থাপক বলেছেন: রাজাকারেরা এ পোষ্টে ১ দিতে থাকুন।
৫. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ২:৫০
comment by: মাহমুদ মামূন বলেছেন: অমি রহমান পিয়াল,
বিশ্লেষনধর্মী এবং জামায়াতের অতীত ইতিহাস তুলে ধরার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমিও আপনার লেখার সাথে সম্পূর্ন একমত। জামায়াত আগাগোড়াই একটি সন্ত্রাসী সংগঠন। এদের বিচার একদিন বাংলার মাটিতে হবেই।
ভালো লেখার জন্য ৫।
৬. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ২:৫২
comment by: তীরন্দাজ বলেছেন: সন্দেহাতীতভাবে ৫!
৭. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ২:৫৭
comment by: রাহা বলেছেন: ৫
৮. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৩:০৫
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সেই একটা উদাহরণই দিয়ে যাবেন বরাবর। ধর্ষনের সেঞ্চুরিয়ান মানিক। তো ভাইজান, সেসময় জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ তো দুইটা ছিল। মানিক ছিল একটার নেতৃত্বে, বাকিরা তারে খেদাইছে। এখন বিপদে পড়লাম কোন ছাত্রলীগটার পক্ষ নেব। আপনার অবগতির জন্য আরো জানাই, আমি মুজিববাদী ছাত্রলীগ করছি, তবে আওয়ামী লিগ করি না তাদের সুবিধাবাদী রাজনীতির কারণে। আমার রাজনীতিতে স্বাধীনতার চেতনাই আসল, সেটা প্রকারান্তরে জামাত ও একাত্তরের ঘাতক দালালদের বিরোধিতা। এখন মুক্তিযুদ্ধ আসলেই আওয়ামী লিগ আসবে কারণ সে সময় তারাই ছিল স্বাধীনতার নেতৃত্বে। কিন্তু বর্তমান ভাবমূর্তির আবরণে আপনেরা ঢালাও ভাবে স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তিকে আওয়ামী পোষাক পড়াইতে চান, এইটার নিন্দা জানাই। আমাদের মধ্যে যেটুকু আওয়ামী লীগ, সেটা ওই একাত্তরের আওয়ামী লীগ। আর জামাতরে যে রাজাকার কই, সেইটাও একাত্তরের হিসেবে। ওই হিসাব চুকেবুকে নাই এখনো। নেতায় কিছু মাফ করছে, বাকিরা ধান্দাবাজি কইরা মাফ নেওয়াইছে। আমরা মাফ দিই নাই, দিমু না।
৯. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৩:১০
comment by: পুতুল বলেছেন: লেখার জন্য ৫ উইথ কিন্তু। কারণ আমাদের দুর্বলতা গুলি এখানে আসেনি।
এর বাইরে, জামাত কেন বর্জনীয়, বা নিসিদ্ধ হাওয়া উচিৎ এ নিয়ে একটা পোষ্ট দেব। জামাতের সফলতায় আমাদের দায়ীতা্ব একেবারে কম নয়।
তবুও আপনার লেখা খুব অনুসন্ধাণী।
১০. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৩:৩৮
comment by: সুপান্থ রহমান বলেছেন: সাপ এবং জামাত উভয় থেকে সাবধান...
১১. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৩:৫৬
comment by: অশ্রু বলেছেন: ১ দিলাম।
১২. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৪:১৮
comment by: জেনারেল বলেছেন: ৫
১৩. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৪:৩৫
comment by: কালাসনিকভ বলেছেন: ৫ দিলাম
কালা জাহাঙ্গীর বলেছেন :
২০০৭-১০-০৭ ০২:৪৯:৫১
পিয়াল ভাই একটা পরিসংখ্যান দেন প্লীজ
১৯৭১ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত
ছাত্রদল, ছাত্রলীগ, ছাত্রমৈত্রী এমন সব ছাত্র সংগঠন গুলার কত জন করে মেম্বার মারা গেছে।
তাহলে বুঝা যাবে শিবির আশলে কততা ভয়ঙ্কর।
শিবিরের টাও দিয়েন নাহলে একচোখা হয়ে যাবে।
শিবিরের কেও মরছে নাকি? শিবির ই তো সবাইরে মারছে, রগ কাটছে।
১৪. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৪:৩৬
comment by: কালাসনিকভ বলেছেন: শিবিরের কেও মরছে নাকি? শিবির ই তো সবাইরে মারছে, রগ কাটছে এইটা সবাই জানে
১৫. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৪:৩৮
comment by: ফখরুদ্দীন বলেছেন: @অমি রহমান পিয়াল, জামাত/শিবিরের স্বরূপ উন্মোচনের জন্য। ৫।

আপনি বলেছেন -- "ধর্ষনের সেঞ্চুরিয়ান মানিক। তো ভাইজান, সেসময় জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ তো দুইটা ছিল। মানিক ছিল একটার নেতৃত্বে, বাকিরা তারে খেদাইছে" --- আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে জাবির ছাত্রলীগের ভিন্ন গ্রুপের অবদানের কারণে মানিকের বিচার হয়েছে, যা সঠিকে নয়। মানিক-এর বিচার এর জন্য সাধারণ ছাত্রছাত্রী ও অন্যান্য ছাত্রসংগঠনের অবদান মূখ্য ছিল। একথা আপনি কি অস্বীকার করতে চান?
১৬. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৪:৪৪
comment by: মুহাম্মদ আলমগীর বলেছেন: বাস্তবিক সত্য এবং ১০০% খাঠি কথা। সূন্দর একটা লেখার জন্য ৫ দিলাম।
জামাত আসলে মহা সয়তান...।এদের থেকে সবাই সাবধান।
ধন্যবাদ পিয়াল সাহেব......।
১৭. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৪:৫৪
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: নাহ ফখরুদ্দিন অস্বীকার করি না।
১৮. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:২১
comment by: হট্টগোল বলেছেন: জাহাঙ্গীরনগরে শিবির তাড়ানো আন্দোলনে জাবির ছাত্রীদের বিশেষ ভূমিকা আছে যা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই। এজন্যে সেইসব ছাত্রীবোনদের লাল সালাম।
১৯. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:২৬
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: স্বাধিন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জামাত-শিবির কেন সন্ত্রাসী সংগঠন?

... এটা জানতে আপনার পোস্ট পড়ার দরকার নাই। সবাই জানে..... এরা রগ কাটে, গলা কাটে, এরা মগজ ধোলাই করে, এরা নারী ধর্ষণে সিদ্ধহস্ত, লেখাপড়া না করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পিতামাতার টাকা তসরুপ করে, প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই এরা মাতব্বরি করে বেড়ায়.... প্রতিদিনই তাদের কুকর্মের খবর দেশের সনামধন্য জাতীয় দৈনিকে ফলাও করে প্রচার করা হয়। বিশাল বিশাল আর্মস বাহিনীর সাথে এদের বিরাট বড় বড় নেটওয়ার্ক, এতই বড় এবং এতই ধুর্ত যে, এদেশের প্রথিতযশা সাংবাদিকরা এখনও তা উদ্ধার করতে পারেন নি... তবে তাদের ধারণা অচিরেই এসব ধরা পড়বে।
২০. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:২৮
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: ঘুম থেকে উঠে ব্লগে এদের বিরাট বিরাট কুকর্মের খবর পাই, ঘুমাতে যাওয়ার সময়ও......... বিরাট সন্ত্রাসী এরা।

ব্লগেও নাকি কিছু শিবির কর্মী আছে। খুব আতংকে আছি, কবে না এরা কম্পিউটারের স্ক্রীন ফুটা করে আমার রগ কেটে না দেয়......... ভাই এদের দিয়ে বিশ্বাস নাই।
২১. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৩১
comment by: হট্টগোল বলেছেন: ইস মাহমুদ আইসা পোস্টটারে দুর্গন্ধময় কইরা দিল। ওয়াক থু।
২২. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৩১
comment by: এস্কিমো বলেছেন: মনে করিয়ে দিলেন শাহাদাতের কথা - শাহাদাত ঘুমিয়েছিলো নিজের রুমে। ওর রুমমেট - শিবিরের কর্মী ঘুমন্ত শাহাদাতের বুকে ছুরি বিধিয়ে দেয়। কি নির্মম এদের কর্মকান্ড।

কাটা হাত নিয়ে হামিদ কোন সহায়তা পায়নি এরাশাদের কাছ থেকেও - পেট্টোডলারের চাপে।

জানুক বাংলাদেশের মানুষ - ধর্মের লেবাসে কি একটা হয়েনা ঘুরে বেড়াচ্ছে প্রকাশ্যে। এদের ধংশ হবেই।
২৩. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৩৫
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: দেশের মানুষ এমনিউ জানে এস্কিমো ভাইয়া..... প্রত্যেকটা আনাচে কানাচে এরা আছে। দেশের প্রতিটা মানুষই কোন কোন পর্যায়ে শিবিরের লোকদের দেখেছে বা তাদের চরিত্র সম্পর্কে জানে......... আপনার টেনশনের কোন কারণ নাই।
২৪. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৩৬
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: কোন কোন পর্যায়ে=> কোন না কোন পর্যায়ে
২৫. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৩৮
comment by: এস্কিমো বলেছেন: মাহমুদ রহমান - আমি টেনশান করছি কে বললো। টেনশানতো আপনার হচ্ছে। ব্যারিষ্টার রাজ্জাক কি পাড়বে এই সব প্রশ্নের জবাব দিতে?
২৬. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৫:৫১
comment by: মাহমুদ রহমান বলেছেন: আমি কিভাবে বলব? আমি তো ভবিষ্যৎ জানি না। পিয়াল ভাইকে বলেন.... উনাকে প্রশ্ন করে দেখুন।
২৭. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:০০
comment by: বীর বলেছেন: বুঝলাম জামাত শিবির সন্ত্রাসী সংগঠন।
কিন্তু আমাদের দেশে কি একমাত্র জামাত শিবিরই সন্ত্রাসী সংগঠন?
আওয়ামী লীগ বি.এন.পি কেন সান্ত্রাসী সংগঠন নয়?
কি কি কাজ করলে সন্ত্রাসী সংগঠন বলা যায়?
২৮. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:১৯
comment by: বিবণ বলেছেন: সন্ত্রাস বা ভায়োলেন্সের আভিধানিক অর্থটা অভিধান ছাড়া বলতে পারছি না। তবে ছোট্ট জ্ঞানে যেটুকু বুঝি কাউকে সন্ত্রস্ত করার সঙ্গে এর যোগসাজস আছে। সন্ত্রস্ত করা মানে ভয় দেখানো। এটা নানা ভাবে করে দেখানো যায়। এক সরাসরি হুমকি দিয়ে- ভালো হয়ে যাও অথবা অফ যাও। পথের কাঁটা হয়ো না। আরেকটি হচ্ছে সরাসরি সরিয়ে দেওয়া। অর্থাত মেরে ফেলা। এটা অনেক সময় ঝিকে মেরে বউকে শেখানোর মত। প্রতিপক্ষ দলের একটা দুটো মাথা ফেলে দিলে বাকিরা সন্ত্রস্ত হবে, ভয় পাবে। আর এই সন্ত্রস্ত করার কাজটা জামাত-শিবির শুরু থেকেই করে আসছে। শেকড় শক্ত করতে এবং ডালপালা মেলতে
(দারুন লিখেছেন, ধন্যবাদ সাথে ৫। কিন্তু দাদা ওপরের ওই কথা বা কাজের সাথে জড়িত না এমন দল কি বাংলাদেশে অাছে?)
২৯. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:৫১
comment by: ফখরুদ্দীন বলেছেন: কিন্তু ওপরের ওই কথা বা কাজের সাথে জড়িত না এমন দল কি বাংলাদেশে অাছে?
৩০. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৭
comment by: রাশেদ বলেছেন: ৫
৩১. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৯
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: ৫... উপরে থাকুক সবার।
৩২. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:৪৫
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আমি তো অন্যদলের ব্যবচ্ছেদ করি নাই, জামাত-শিবিরের করছি। ভুলটা কোথায়, কোন পয়েন্টে ধরায়া দেন, বিতর্ক করি। ডাইভার্সন বাদ দেন
৩৩. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:১২
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: জামাত-শিবির নিপাত যাক
৩৪. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:১২
comment by: সূর্য বলেছেন: 'ভিমরু'=ত্রিভুজ
৩৫. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫০
comment by: ডক্টর মানসিক বলেছেন: মাহমুদ রহমান এর কথা বড় সুন্দর
৩৬. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১:০১
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ঘুইরা ফিরা একই ম্যাতকার। কি আর কমু
৩৭. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১:৪৯
comment by: বিপ্লব রহমান বলেছেন: কিচ্ছু বলার নেই; কারণ তা হবে বাহুল্য।
৩৮. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:০০
comment by: মনিটর বলেছেন: জামাত শিবির এবং তাদের অনলাইন চাকর-বাকরদের জন্য আকন্ঠ ঘৃণার বমি।
৩৯. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১২:৫১
comment by: তারিফএজাজ বলেছেন: ৫
৪০. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:২০
comment by: নাভদ বলেছেন: ৫
৪১. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৭
comment by: মনিটর বলেছেন: এই রকম পোস্ট পাইলে জামাতের চাকর-বাকরগুলা চুপ হয়ে যায়,আবার কয়দিন পর গর্ত থেকে বাইর হয়।
৪২. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩২
comment by: তীরন্দাজ বলেছেন: পুর্নাঙ্গ সহমত! ৫!
৪৩. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ ভোর ৬:২১
comment by: ডাক্তাড়' বলেছেন: পুরা গুল্লি
৪৪. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৮:৫৭
comment by: জেনারেল বলেছেন: ৫
৪৫. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ২:২৮
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: বর্ষসেরা পোষ্ট!
৪৬. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫৯
comment by: িবএম জিসম বলেছেন: পিয়াল ভাই আপনাকে ধন্যবাদ সন্ত্রাসিদের এরকম পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য । তবে একটু ভেবে দেখুন স্বাধীনতার পর অস্ত্রসহ অনেক সন্ত্রাসি গ্রেফতার হয়েছে এবং সন্ত্রাসি ধরার জন্য অনেকগুলো অভিযান হয়েছে সেখানে কেন এত ভয়ংকর সন্ত্রাসি সংগঠনের কর্মীরা গ্রেফতার হচ্ছে না কেন । এর কারন হিসেবে আমরা দুটো দিক ভাবতে পারি হয় যারা আইন শূংখলা বাহীনিতে আছে তারা সবাই জামাত শিবির করে অথবা আসলে তারা ভাল আমরা মিথ্যে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছি ।
৪৭. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:০৪
comment by: িবএম জিসম বলেছেন: পিয়াল ভাই আজ পর্যন্ত অস্ত্র ,চাঁদাবাজি ,খুন ,ধর্ষনও টেন্ডার বাজিসহ যত ধরনের অন্যায় কাজ হয়েছে তার মাঝে শিবিরের অবস্থান কত নাম্বারে ।
আপনি অনেক অভিঞ আশাকরি এর জবাব আমাকে জানাবেন ।
৪৮. ২৪ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:১৪
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: শিবিরের অবস্থান এক নম্বরে
৪৯. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২০
comment by: মামুন খান বলেছেন: ভালো পোস্ট,বাট রেফারেন্স ছাড়া লেখার মান কমে গেছে,অনেকটা কোনো ব্যক্তি/সংগঠনের উপর গায়ের ঝাল মেটানোর মত লাগলো।
আশা করি পরবর্তি লেখা অনেক তথ্যসমৃদ্ধ ও গবেষনাধর্মী হবে।
৫০. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২