আমার প্রিয় পোস্ট
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন স্কোয়াড - টেকনলজী
- মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর ও ফোর্স অধিনায়ক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে গৃহীত সরকার/ সিইনসি ওসমানীর তিনটি পদক্ষেপ ও আমার জিজ্ঞাসা - নুরুজ্জামান মানিক
- যে কারনে পিলখানা হত্যাকান্ড এবং সাম্প্রতিক ছাত্রলীগ কর্মী হত্যাকান্ড ভয়ঙ্করভাবে একই রকম - রাজিয়েল
- "তাহারা এবং তদ্ সংক্রান্ত সুপ্রবচন": ইহা একটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ছড়া, পঠন কালে নর্তন বাঞ্ছনীয় - মতিউর রহমান সাগর
- ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব ৩ - ত্রিশোনকু
- বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন যারা!!! - তাহের
- আবারো স্বদেশপ্রেমের পরিচয় দিল শিবির। - সানুনয়
- পল গোয়েবল বিগ লাই থিওরী,৩৫ বছর ধরে লালন করা কয়েকটি মিথ্যা । ইতিহাসের কাঠগড়ায় যখন সত্য । - আশমএরশাদ
- একজন হিন্দুর হিন্দু হয়ে ওঠা-১ - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- একটি বিজয় দিবসের গল্প। (প্রথম পর্ব) - হাসান শহীদ ফেরদৌস
- বাংলাদেশে দূতাবাসে ভারতীয় কম্যান্ডো? - দিগন্ত
- জামাত দিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার সংবর্ধনা : আসুন আলোচনা হোক - শিপন আবদুর রাজ্জাক
- দরদী হইও মাগো দরদী হইও, সময়ে সময়ে মাগো পাষানী হইও। - অধ্যায়
- কাঁকন বিবিঃ খাসিয়া মুক্তি বেটি - ইফতেখার.আমিন
- একসাথে একাধিক ইয়াহু মেসেন্জারে লগ ইন করুন!!

- ইসানুর
- দৈনিক রাজাকার - সবাক
- আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল! (আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি)
- নাফিস ইফতেখার
- অত:পর কোথায় পালাবে তুমি? - তাজা কলম
- লুকালরে আমি ভালা পাই যে কারণে - স্ট্যানলি কুবরিক
- কিভাবে সেপ থাকবেন , তাঁর লেটেস্ট গাইড - স্ট্যানলি কুবরিক
- সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখি - স্ট্যানলি কুবরিক
- চাঁদ, পাহাড় ও ফরাসী স্বপ্ন - লাল দরজা
- নিউজউইকে সেক্টর কমান্ডার নাজমুল হকের দুষ্প্রাপ্য সেই সাক্ষাৎকার - ফিউশন ফাইভ
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- তেল গ্যাস নিয়ে ব্লগার মেঘনাদ এর অপমানজনক উত্তরের জবাবে আমার মত - সায়েমুজজ্জামান
- সামহোয়্যারে যা ঘটলো, যা ঘটবে তার 'পেছনের কারণ' - Arild, you MUST read this - ধুসর গোধূলি
- ব্লগে বিরাজমান অস্থিরতা বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ !! - নোটিশবোর্ড
- বদরের যুদ্ধের প্রেক্ষাপট: ডাকাতি-লুট না অত্যাচারিতের অধিকার আদায়? - জ্বিনের বাদশা
- কবিতারা…….. - শওকত হোসেন মাসুম
- মহামান্য ঈশ্বরের ডিম সংকট [একটি নিরাপদ পোস্ট] - খেজুর কাঁটা
- অগভীর ভাবনা - বামান্দোলনের ব্যর্থতা - রাসেল ( ........)
- হুমায়ুন আজাদের কিছু নির্বাচিত প্রবচন - জানজাবিদ
- আমিই স্বাধীনতার ঘোষক
**একটি ঐতিহাসিক পোস্ট** - নাফিস ইফতেখার
- ভার্চুয়াল রা(ড়া)জাকার নিধন , বাস্তব প্রেক্ষিত ও আমার ব্যাক্তিগত মিশন - |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|
- আমার প্রেমিকারা - হুমায়রা পর্ব
- ~স্বপ্নজয়~
- ব্লগ বাসী আপনারা কেমন আছেন?- মাতলামি দেখতেছি, হাসতেছি - জমির মাতব্বর
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- সে দিন অপরাজেয় বাংলার দিকেও তাক করে রাখা ছিল একটা ট্যাংন্ক... - লাল দরজা
- আমায় ক্ষমা করে দিও, বঙ্গবন্ধু। - রন্টি চৌধুরী
- আমার স্মৃতিতে হুমায়ুন আজাদ: যেভাবে তাকে হাসপাতলে নিয়েছিলাম এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো... - হাসান শরিফ
- বাংলার তাজ- তাজউদ্দীন আহমদ - ইফতেখার.আমিন
- একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা(পুরো সামহোয়্যর ইন ব্লগের দৃষ্টি আকর্ষন করছি) - েমেহদী হাসান
- বিভিন্ন প্রকারের ব্লগার (একটি জেরী-আউলা-তানজু প্রযোজনা) - আউলা
- জেনারেল অরোরার কাছে পাকিদের আত্মসমর্পণ এবং সে অনুষ্ঠানে ওসমানীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গ - নুরুজ্জামান মানিক
- ঘূর্ণাবর্তনের রাজনীতি। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- ফরহাদ মজহারঃ নাস্তিক মোল্লা - মোস্তাফিজ রিপন
- আমি যে কারণে ল্যাম্পপোষ্টের আচরণ সমর্থন করছি না। - রাসেল ( ........)
- কার কার মনে আছে নাজিয়া হাসানকে? - ইমন জুবায়ের
- বানান ও লেখ্যরীতি : প্রথম আলোর একটি আদি স্টাইল শিট - ফিউশন ফাইভ
- জামাতে ইসলামকে ভুটাইলে যে ফায়দাগুলা পাইতাম - মাতাল মাহবুব
- দুঃখিত, আমি এই জাতীয় কীটদের আমাদের মাঝখানে দেখতে চাই না - হাসিব
- গল্পঃ বসন্ত শেষে - আকাশ_পাগলা
- টিপাইমুখ, টেকনিক্যাল দিকটা চিন্তা করুন, কার ক্ষতি কে করছে? - হমপগ্র
- রাজকন্যার কাছে বাবার কৈফিয়ত... - অমি রহমান পিয়াল
- একটি জিনিস বানাতে দীর্ঘ সময় নিলেন ঈশ্বর। কি সেই জিনিস!!....? - মাহবুবুল ইসলাম (সুমন)
- এখনই সময় পা ধরে মাফ চাওয়ার। - মাথামোটা
- নীতিতে অটল এবং প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, তাই হার মানব না। - মাথামোটা
- ত্রিভুজের কিছু প্রশ্নের উত্তর আমি যেমন জানি - জমির মাতব্বর
- অতপর ভুল স্বীকার করিলে তাহাকে হত্যা করা হইলো - ঝরা পাতা
- ছবি এডিটিং এর কিছু প্রয়োজনীয় সাইট - বোকা ছেলে
- মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী - লাইটহাউজ
- বিয়া ব্লগীং, থুক্কু বিবাহের ছবি - অন্যমনস্ক শরৎ
- সাপ্তাহিক ব্লগ সমাচার এই যে # ৯ই মে, ২০০৯
- নাফিস ইফতেখার
- একটা গোপন অথচ দরকারী পরামর্শ - লেখাজোকা শামীম
- কবি - শিমুল সালাহ্উদ্দিন
- ছাত্রশিবির কি রাজাকার? - নুসরাত জাহান যুথি
- Anatomy of জামাতে ইসলামী ও কিছু সোজা-সাপটা কথা - পাললিক মন
- টেকনো আর ইলেকট্রনিকা :: খারাপ না, চলে - শূন্য আরণ্যক
- ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যার সময় যেই যুদ্ধাপরাধীরা জেলে ছিলেন তাদের বিচার করা হোক আগে - লেখাজোকা শামীম
- ইতিমধ্যে দন্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের এখনও বিচারের আওতায় আনা সম্ভব - রেজওয়ান
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ - রেজওয়ান
- একাত্তরের গণহত্যার ভিডিও - রেজওয়ান
- ৩০ খান ছুপার হিট হা হা পো গে ফটুক: ১১-২০ - ফয়সাল আকরাম
- আত্মবিশ্লেষণ, বনাম-সাধারণ/অসাধারণ এবং একটি ঘৃণাস্তম্ভের প্রস্তাবনা - মেঘ
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে হবেন পেশাদার ব্লগীয় গুলবাজ/গুজবকারী/রটনাকারী (ওপেনসোর্স পোস্ট) + ২০০তম
- নাফিস ইফতেখার
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- অথ: সেরা পোস্ট এ্যান্ড/অর নির্বাচিত পোস্ট সমাচার - হাসিব
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- ডক্টর জাফর ইকবালের লেখা, মিরাজভাই, এ-টীম এবং নরাধমের কিছু কথা। - নরাধম
- জামাতে ইছলাম গ্রুপে যৌন হয়রানির ফাঁদ!!! - লোকালটক
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে নিজেকে মডুদের হাত থেকে রক্ষা করবেন
- নাফিস ইফতেখার
- গোলাম আজমের ভাষা সৈনিকগিরি আর তেলাপোকার জীবন বৃত্তান্ত - এস্কিমো
- স্মারক: রাষ্ট্রপতির সচিবালয়, গণভবন, ঢাকা, পত্র সংখ্যা-৩০/১২/৭৫-সাধারণ-৭২৯/৯(৪০০) তারিখ ১২ মার্চ ১৯৭৫। - মোহাম্মদ আরজু
- আজ মডুর বিয়ে - নাফিস ইফতেখার
- সাবাশ কম্বোডিয়া!! বাংলাদেশেও শুরু হোক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার - জ্বিনের বাদশা
- বাবার ডায়েরীতে ১৯৭১ (৫ম পর্ব) - লীনা দিলরূবা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই-১: একটা কমিশন গঠনের কাহিনী - শওকত হোসেন মাসুম
- একজন নতুন ভোটারের মনের কিছু কথা........ - নাফিস ইফতেখার
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- চেতনার সম্ভ্রম বনাম স্ববিরোধীতার আয়নায় মুখোশের আড়ালে মুখ ! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- আসেন আমরা সবাই মিল্যা নামাজ পইড়া যুদ্ধাপোরাধীগো বিচার চাই - সামী মিয়াদাদ
- সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুয়ায়ী রাজাকার, মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা জামায়াতে ইসলামীর নেতা থাকতে পারে কি?? - একরামুল হক শামীম
- আবে, কোন মামদির পো সামনে খাড়া? যা কিনার - লাল দরজা
- পাগলের রাজণৈতিক প্রলাপ : ( বিশেষ পর্ব) [স্বঘোষিত রাজাকারদের অপপ্রচারের প্রতিবাদ] - এ. এস. এম. রাহাত খান
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- সহীহ মুসলিম মতে গোলাম আজম, নিজামি, মুজাহিদ, সাইদী এবং অন্যান্য জামাতিদের ইমানের স্তর। - হ্যারি সেলডন
- সামহোয়ার ক্লাসিক : কার্টুন কেলেঙ্কারি ও ছাগুদের ম্যাতকার (ইতিহাসের পাতা থেকে) - স্ট্যানলি কুবরিক
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- ৮ই ফাল্গুন কি হারিয়ে যাবে? আসুন বাঁচানোর একটা চেষ্টা করি। - যীশূ
- ইতিহাস খুড়ে দেখা : মুজিবনগর সরকার, স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রের মুল দলিল এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক - মিরাজ
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন দৈনিক সংগ্রামে জাতীয় সংগীত সংক্রান্ত ফতোয়া - এস্কিমো
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( প্রথম পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( ২য় পর্ব ) ( যেকোন রাজাকার এবং রাজাকার সমর্থনকারীদের প্রতি ওপেন চ্যালেঞ্জ, পারলে যুক্তিগুলো খন্ডন করুন) - একরামুল হক শামীম
- আদর্শের জন্য নয়, জামাত পাকিস্তানপন্থী হয়েছিল টাকার জন্য। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে নিয়মিত অর্থ পেতো জামায়াত। - শওকত হোসেন মাসুম
- বাবা কেন যুদ্ধে গেল? - কালপুরুষ
- একটি জাতির জন্ম: জিয়াউর রহমানের নিজের লেখা পড়ুন (১) - আমি সাগর
- পাকিস্তানের জন্য গোলাম আযমের আক্ষেপ ফুরাবে না! - শওকত হোসেন মাসুম
- এ ছবি আপনাকে দেখতেই হবে! আপনি এদেশের মানুষ নন? - তীরন্দাজ
- ছবি ব্লগ : গর্বের এবং বীরত্বের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- ও আমার দেশের মাটি : একটা অসাধারণ ভিডিও । এটাই মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের চেতনা - মিরাজ
- ফাঁসি দেয়ার সঠিক পদ্ধতি
- ইকরাম
- অনেক অজানা অতীত : নতুন প্রজন্মের জন্য। স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ২ (ইংরেজী টেক্সট সহ) - মিরাজ
- ছহি রাজাকারনামা - জেনারেল
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জামাত-শিবির কেন সন্ত্রাসী সংগঠন - অমি রহমান পিয়াল
- ওয়ার্ডপ্রেস ডেটাবেজ ব্যাকআপ রাখুন - গুগুল
- লিংক: রাজাকারের তালিকা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার- সময়ের দাবি - অঃরঃপিঃ
- গোলামের আরো কথা - অঃরঃপিঃ
- থাকলে এমনেই থাকতে হইব, নাইলে ফুট্ - অঃরঃপিঃ
- রাজাকার নিয়া আরেকটু কথা (আড্ডাবাজরে) - অঃরঃপিঃ
- আমাদের গান / সুমন : কোনও এক চিন্ময়ীকে - অঃরঃপিঃ
- স্বীকারোক্তি : আমি একটি অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছি... - অঃরঃপিঃ
- বইয়ের বিজ্ঞাপন : বইমেলায় আমাদেরও বই... - অঃরঃপিঃ
- নতুন সংকলণ : তেকোণালজি - অঃরঃপিঃ
- তেকোণালজি এখন হার্ডকাভারেও - অঃরঃপিঃ
- টুকে লেখা, পড়ে লেখা, জেনে লেখা... (আলী, হাবিব মহাজন। ফাডাররাও পড়তে পারেন) - অঃরঃপিঃ
চরমপত্র : ইথারে এক অন্য মুক্তিযুদ্ধ
১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:১১
[প্রাক কথন : হুমায়ুন আহমেদের আগুনের পরশমণি ছবিতে একটি দৃশ্য আছে। কানের কাছে রেডিও নিয়ে সপরিবারে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র শুনছেন আবুল হায়াত। শুনছেন চরমপত্র। উত্তেজনায় মুঠি পাকাচ্ছেন। শোনা যাচ্ছে বিচ্চু, মছুয়া, গাবুইরা মাইর জাতীয় কিছু শব্দ। এটাই ছিল মুক্তিযুদ্ধের সময়কার এক নিয়মিত ছবি। অবরুদ্ধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা কামী বাঙালীর কাছে চরমপত্র ছিল এক সঞ্জীবনী সুধা। মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব ও পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর নাস্তানাবুদ হওয়ার সরস বয়ানে তারা হেসে গড়াতেন। কখনোবা মুঠো পাকাতেন যুদ্ধ যোগদানের অক্ষমতা ঢাকতে, যা আসলে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি তাদের প্রাণভরা ভালোবাসারই আরেকটি অভিব্যক্তি। আর ট্রেঞ্চে ট্রেঞ্চে মুক্তিযোদ্ধারাও শুনতেন সতীর্থদের বীরত্ব গাঁথা। তারা উদ্বেল হতেন। সেইসঙ্গে সোৎসাহে বুক বাঁধতেন ওপার বাংলায় শরণার্থী আরো এক কোটি বাঙালী। এত কিছু করে ফেলতেন রেডিওতে ঢাকাইয়া উচ্চারণের এক মুক্তিযোদ্ধা। এম আর আখতার মুকুল।
১৯৭১ সালের ২৫ মে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু হওয়ার দিন থেকে ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের দিন পর্যন্ত মুকুল পড়ে গেছেন তার স্বরচিত এই অমর কীর্তি। তার ভাষায়- ‘চরমপত্র ছিলো একেবারে ব্যাঙ্গাত্মক ও শ্লেষাত্মক মন্তব্যে ভরপুর একটা একক অনুষ্ঠান। একটা মানসম্মত রেকর্ডিং স্টুডিওর অভাবে প্রতিদিন ছোট্ট একটা ঘরে টেপ রেকর্ডারে চরমপত্র রেকর্ডিং করতে হয়েছে। এবং ৮ থেকে ১০ মিনিটের এই টেপ নিয়মিতভাবে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে আমি প্রতিদিন গল্পের ছলে দূরূহ রাজনীতি ও রণনীতির ব্যাখ্যা ছাড়াও রণাঙ্গনের সর্বশেষ খবরাখবর অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে উপস্থাপন করেছি।’
শুরুতে শুদ্ধভাষাতেই চরমপত্র পড়েছেন মুকুল। পরে তার ভাষায় আঞ্চলিকতা এসেছে। এবং সেটা সচেতনভাবেই। এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘রণাঙ্গন পরিদর্শনের অভিজ্ঞতায় যখন দেখতে পেলাম মুক্তিযোদ্ধাদের শতকরা ৯৫ জনই হলেন গ্রামবাংলার সন্তান, তখন ভাষার ব্যবহারে চমক আনলাম।...মোটামুটিভাবে ঢাকাইয়া তথা বাঙাল ভাষা ব্যবহার করলেও মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে একাত্মতা সৃষ্টির লক্ষ্যে আমি যথেচ্ছভাবে বিভিন্ন জেলার আঞ্চলিকভাষা ব্যবহার করেছি। এমনকি বক্তব্য জোরালো করার জন্য আমি বিদ্রোহ কবি নজরুল ইসলামের পদাংক অনুসরণ করে উর্দু ও ফার্সি পর্যন্ত ব্যবহার করেছি।’
দুটো প্রাসঙ্গিক তথ্য। চরমপত্র নামটি দিয়েছিলেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের একনিষ্ঠ কর্মী আশফাকুর রহমান খান। আর চরমপত্রের অনন্য চরিত্রটি মুকুল ছক্কু মিয়াকে সৃষ্টি করেছিলেন তার পরিচিত এক ঢাকাইয়া আহসানউল্লাহর আদলে। বকশিবাজারের এই আহসানউল্লাহ মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীতে নাম লিখিয়েছিল, তাকে হত্যা করে মুক্তিযোদ্ধারা।]
স্বাধীন বাংলা বেতার থেকে প্রচারিত চরমপত্রের একটি অডিও ক্লিপ
৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের একটি কথিকা :
দম্ মাওলা, কাদের মাওলা!
ডরাইয়েন না, ডরাইয়েন না। এম্তেই একটা আওয়াজ করলাম, আর কি!
এত কইরা কইছিলাম- চেতাইস না, চেতাইস না। বঙ্গবন্ধুর বাঙালীগো চেতাইস না। বাংলাদেশের কেঁদো আর প্যাঁকের মইদ্দে হাঁটু হান্দাইস না। নাহ। আমার কাথা হুলনো না। তহন কী চিরকীত? ৭২ ঘণ্টার মাইদ্দে সব ঠান্ডা কইরা দিমু। কি হইলো, ঠ্যাটা মালেক্যা, পিঁয়াজি-ইয়াহিয়া সাব? অহন হেইসব চোটপাট গ্যালো কই? ৭২ ঘণ্টার জায়গায় ২১০ দিন পার হইছে- গেনজাম তো শেষ হইলো না। আইজ কাইলতো কারবার উল্টা কিসিমের দেখতাছি। হানাদার মছুয়াগো অবস্থা দিনকে দিন তুরহান্দ খরতনাক হইয়া উঠতাছে। সাতক্ষীরা-খুলনা, যশোর-কুষ্টিয়া, রাজশাহী-চাপাইনবাবগঞ্জ, রংপুর-দিনাজপুর, সিলেট-ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল-মধুপুর, কুমিল্লা-চিটাগাং, মাদারীপুর-পালং আর ঢাকা-মুন্সিগঞ্জ- হগ্গল জায়গাথনে ওয়ার্ল্ডের বেস্ট পাইটিং ফোর্সরা খালি ঝাইড়া দৌড়াইতাছে।
জেনারেল পিঁয়াজি অক্করে থঃ।
এইডা কি? এইডা কি?
মেজর শের মোহাম্মদ। তোমারে না সাতক্ষীরায় ডিউটি দিছিলাম? তুমি ঢাকার সেকন্ড ক্যাপিটালে আইলা ক্যামতে? তোমার মুখে এতবড় দাড়ি গজাইলো ক্যামতে? তোমার সোলজারগো খবর কি? তোমার পরণে তপহন দেখতাছি কির লাইগ্যা?
ছ্যার কইতাছি, কইতাছি। পয়লা একটুক দম লইতে দেন। সাতক্ষীরা যাওনের আগে বিগ্রেডিয়ার ফকির মোহাম্মদনে বোলা থা- পহেলা আপ, দুসরা বাপ, উসকো বাদ দুনিয়া। সাতক্ষীরায় যাইয়া দেখি পাকিস্তান আর্মির বহুত খতরনাক অবস্থা।
ঈদের নামাজের পর থাইক্যাই বাঙালী বিচ্চুগুলা অক্করে পাগলা হইয়া উঠছে। হাজার হাজার বিচ্চু তিনদিক থাইক্যা আইস্যা আরে বাড়ি রে বাড়ি। সাতক্ষীরায় আমাগো মর্টার, মেশিনগান, গ্রেনেড, বাংকার, ট্রেঞ্চ কিছুই কুলাইলোনা। আমাগো সোলজারগো লাশ অক্করে পাহাড়। বেগতিক দেইখ্যা একটা মরা রাজাকারের লুঙ্গি পিন্দা হেই কাম করলাম। দিলাম দৌড়। যে রাস্তা দিয়া ভাগছি, দেখি খালি মেজিক কারবার। হগ্গল জায়গায় বিচ্চুরা ওত পাইতা রইছে। এক ঝাপট মাইরা হেরা কালীগঞ্জ থানা দখল কইরা লইলো। হেরপর আরামসে নদী পার হইয়া বিচ্চুরা অহন খুলনা টাউনের দিকে যাইতাছে।
মুক্তিবাহিনীর আরো দুইটা দল যশোর থিকা ৭ মাইল দূরে চৌগাছায় আস্তানা গাড়ছে। হেই জায়গায় আমগো পাকিস্তানী সোলজাররা যেমতে কইরা গরুর গোসের কাবাব খাইছিল, এইবার বিচ্চুরা কয়েক ঘণ্টার মাইদ্দে আমগো হেইসব সোলজারগো কাবাব বানাইল। গেরামের বাঙালীরা মহাখুশী। হেরা গামছা উড়াইয়া বিচ্চুগো খোস আমদেদ জানাইতাছে।
ছ্যার, সত্যি কথা কইতে কি, রাজাকারগো কাছে অহন দুইটা মাত্র রাস্তা খোলা রইছে। হয়, একটা রাইফেল আর ৩০ রাউন্ড গুলি লইয়া সারেন্ডার করা। আর না হয় ‘মউত তেরা পুকার তা।’ দুই কিছিমের কারবারই চলতাছে। পাকিস্তানী সোলজারগো আঃ বাঃ ফ্রি। মানে কিনা আহার ও বাসস্থান ফ্রি হইয়া গেছে। হগ্গল সোলজারই আজরাইল ফেরেশতার খাতায় নাম লিখাইতাছে। এই রিপোর্ট পাইয়া লেঃ জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী কি রাগ? আতকা ঘাড় তেড়া কইরা দ্যাখে কি, সিলেট সেক্টরের লেঃ কর্ণেল জান মোহাম্মদ, মেহেরপুরের মেজর বসির খান, রংপুরের কর্ণেল অম্বর খান আর মাদারিপুর-বরিশালের মেজর মাহবুব মোহাম্মদ মাথা নিচু কইরা খাড়াইয়া রইছে। হগ্গল জায়গার রিপোর্ট খুব খতরনাক। পিপ-পিপ। পিপ-পিপ। জেনারেল পিঁয়াজী সা’বে রেডিওগ্রামে মছুয়া সম্রাট প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের কাছে রিপোর্ট পাঠাইলো। ‘আমগো অহন কুফা টাইম শুরু হইছে। আরো সোলজার পাঠান বঙ্গাল মুল্লুকে।’
ব্যাস। খুনী ইয়াহিয়া খান হুইস্কির গ্লাস হাতে শিয়ালকোট থাইক্যা জলদি ইসলামাবাদে ওয়াপস আইলো। এডভাইজারগো লগে গুফতাগু করার করনের পর, প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া নয়া কিছিমের ট্রিকস করার লাইগ্যা দোস্তগো কাছে খবর পাঠাইলো। ফরেন সেক্রেটারি সোলতাইন্যা নিউইয়র্ক-প্যারিস-বন থাইক্যা ধাওয়া খাইয়া ফেরত আইলো আর বঙাল মুল্লুকের গবর্ণর ঠ্যাটা মালেইক্যা ঢাকার থনে পিন্ডি যাইয়া হাজির হইলো। বুড্ডা বিল্লী নুরুল আমীন আগের থনেই পাকিস্তানে রইছে। ইসলামের যম, গোলাম আযম আর খুলনার খবরের কাগজের হকার এজেন্ট-মন্ত্রী মওলানা ইউসুইপ্যা ইসলামাবাদে যাইয়া ‘ইয়েচ ছ্যার’ কইলো। আর লারকানার পোংটা পোলা জুলফিকার আলী ভুট্টো মদের গিলাস হাতে তু মেরি মানকি মোতি হ্যায় গান গাইতে গাইতে চাকলালা বিমানবন্দরে উপস্থিত হইলো। টেলিগ্রাম পাইয়া নতুন মামু, পুরানা চাচা, পরানের দোস্ত- হগ্গলে আইস্যা হাজির হইলো।
এদিকে ঢাকার কারবার হুনছেননি? হেই দিন আতকা কই থনে আমাগো কাল্লু মিয়া, যারে মহল্লার মাইনষে আদর কইরা কাল্লু কইয়া ডাকে- হেই কাল্লু আইস্যা হাজির। বেডায় চিতকার করতাছিল। ভাইসাবরা কারবার হুনছেননি? পিআইএ প্লেন সার্ভিস নাইক্যা। দুই চাইর খান যে টেরেন চলতাছিল, হেইগুলার চাক্কা বন্দো। বাস সার্ভিস তো আগেই ইস্তফা। ঢাকা থাইক্যা বাইরাইনের হগ্গল রাস্তা বন্দ্।
চিল্লানী থামাইয়া কাল্লু আমাগো কাছে আগগুইয়া আইলো। আস্তে কইরা জিগাইলো, আচ্ছা ভাইসাব, বিচ্চু কারে কয়? হেরা দেখতে ক্যামন? হেগো ডেরেশ কি রকমের?
আতকা আমাগো বকশিবাজারের ছক্কু মিয়া একটা বাইশ হাজার টাকা দামের হাসি দিয়া গলাটার মাইদ্দে জোর খাকরানি মাইরা কইলো, আমাগো কাউলা একটা আহাম্মক। যুদ্ধের শুরু হওয়ার সাড়ে আটমাস বাদে হালায় জিগাইতাছে বিচ্চুগো ডেরেশ কি রকমের! তয় হোন। এরা হইতাছে দিনকা মোহিনী, রাতকা বাঘিনী, পলক পলকে মছুয়া ঘষে।’ হেইদিন যারা বনানীতে প্রাক্তন গবর্নর মোনেম খাঁরে মার্ডার কইরা হের লাস গায়েব কইরা ফালাইলো- হেগো বিচ্চু কয়। এগো কোনো ডেরেশ নাই।
হ-অ-অ-অ। হেই দিক্কার কারবার হুনছেননি? লেংড়া, কানা খোড়া, বোচা যেইসব বুড়াবুড়ি পাঞ্জাবি মছুয়া আর্মি থনে চাকরিতে রিটায়ার করনের পর স্মাগলিং আর বিলেক মার্কেটের বিজিনেস করতেছিল, জঙ্গি প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান হগ্গলেরেই লড়াই করনের লাইগ্যা কল করছে। রিপোর্ট না করলে ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড। এইগুলারেই কয় কামানের খোরাক। এই খবর শুইন্যা বিচ্চুগো মুখ দিয়া অক্করে লালা পড়তে শুরু করছে। মছুয়া কোবায়ে কি আরাম ভাই, মছুয়া কোবায়ে কি আরাম!
যেই রকম খবর পাইতাছি, তাতে মনে হয় রোজার ঈদের পর থাইক্যাই বাঙালি গেরিলারা পাগলা হয়ে উঠছে। হাতের কাছে দালাল, রাজাকার আর মছুয়া সোলজার পাইলেই বাড়ি, আরে বাড়ি রে বাড়ি! পাকিস্তান বাহিনীর অবস্থা অক্করে ছেরাবেরা।
এইদিকে জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল উ থান্ট প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ারে সাপোর্ট দেওনের লাইগ্যা যে ট্রিকস করছিল, হেইটা ভি গরবর হইয়া গেল। উথান্ট সাবে ঢাকায় জাতিসংঘের ৩৫ জন সাদা চামড়ার অফিসার পোস্টিংয়ের পর হেগো হাত দিয়া দিব্বি পাকিস্তান আর্মিরে মালপানি আর রসদ জোগাইতেছিল। হেরাই অহন মুক্তিবাহিনীর মাইরের চোটে ঝাইড়া ব্যাংকারে দৌড়াইতাছে। ব্যাংকারে বইস্যা বিদেশী সাংবাদিকগো কইছে যে ঢাকার অবস্থা খুব খারাপ। সমস্ত ফরেনাররা ভাগনের লাইগ্যা সুটকেস গুছাইতাছে। যে কোনো টাইম আসল কারবার হয়ে যেতে পারে। আসলেই বাঙালি গেরিলারা ডেইঞ্জারাস!
এ্যাঃ এ্যাঃ। চাইরো মুড়া পানি পাইয়া মুন্সিগঞ্জের বিচ্চুরা একটা জব্বর কাম কইরা বইছে। তাগো কাথাবার্তার ধরনটাই আলাদা।
কই না তো! আমাগো মুন্সিগঞ্জে কোনো টাইমেই মছুয়া আছিলো না তো! আমরা কোনোদিনই পাকিস্তানী কোনো সোলজার দেখি নাইক্যা!
কয় কি! হাড্ডির হিসাব পর্যন্ত নাই, সব লাশ গায়েব। আজরাইল ফেরেশতা পর্যন্ত মাথা খুজতাছে। কেইসটা কি! জান কবজ করলাম ঠিকই। কিন্তু লাস নাইক্যা! অক্করে ভানুমতির খেইল!
এইদিকে সিলেট টাউন আন্দার, রংপুরে কোদালিয়া মাইর, মেহেরপুরে ঘেরাও, ঈশ্বরদি এয়ারপোর্ট ডাবিশ, কুষ্টিয়ায় মছুয়ারা মউত কা সামান লে চলে; কিশোরগঞ্জে সাইলেন্ট বায়স্কোপ, চাঁদপুর, বরিশাল মাদারিপুরে দরিয়ার মইদ্দে চুবানি। যশোরে গেঞ্জাম আর বগুড়ায় ইডা কেংকা কইরে হলো রে!
ঢাকা এয়ারপোর্টের কন্ট্রোল টাওয়ার গুড়া, রানওয়েতে অনেকগুলা পুকুর, কংক্রিটের বাংকারে শয়ে শয়ে পাকিস্তানী সোলজারগো লাশ। আজরাইল ফেরেশতা ওভারটাইম কইরাও হিসাব মিলাইতে পারতাছে না। খালি নোট করতাছে, শের মোহাম্মদ খান, লাহোর এবং গয়রহ। এই গয়রহের মধ্যে কিন্তু শ তিনেক মছুয়া সোলজারের নাম রইছে।
এইদিকে একদল মুক্তিবাহিনী আবার মেহেরপুরে হাজির হইয়া আরে ধাওয়ানী রে ধাওয়ানী। একই সঙ্গে মর্টার আর মেশিনগানের গুলি।
কইছিলাম না, আমাগো টাইম আইব? এক মাঘে শীত যাইব না। ভোমা ভোমা সাইজের পাকিস্তানী সোলজাররা একদিনের যুদ্ধে গোটা কয়েক ট্যাংক ফালাইয়া চোঁ দৌড়। খানিক দূর যাইতেই দেহে কি? আরেকদল বিচ্চু খালি ডাকতাছে, আ টি টি টি। গেরামের গৃহস্তের বউরা যেমন কইরা মুরগিরে আধার খাওনের লাইগ্যা ডাক দেয়। ঠিক হেমতে কইরা বাঙালী গেন্দা পোলাগুলা কী সোন্দর ডাক দিতাছে আ টি টি টি।
হেরপর বুঝতেই পারতেছেন। ঘ্যাটাঘ্যাট, ঘ্যাটাঘ্যাট, ঘ্যাটাঘ্যাট, ঘ্যাটাঘ্যাট। কয়েক শ মছুয়া হালাক হইল। এই খবর না পাইয়া, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট সেনাপতি ইয়াহিয়া খান অক্করে ঘং ঘং কইর্যা কাইন্দা ভরাইছে। হালাকু খান, তৈমুর লং, নাদির শাহ, হিটলার, মুসোলিনি তোজো আর আব্বাজান আইয়ুব খানের নামে কসম খাইয়া খালি সমানে বিদেশি রাষ্ট্রগুলারে টেলিগ্রাম করতাছে। হেল্প, হেল্প।
কিন্তুক মউলুবি সাবে বহুত লেট কইরা ফেলাইছেন। অখন বাংলাদেশের লড়াইয়ের ময়দানে খুন কা বদলা খুনের কারবার চলতাছে। মুক্তিবাহিনীর বিচ্চুরা হইতাছে, দিনকা মোহিনী, রাতকা বাঘিনী, পলক পলকে মছুয়া ঘষে।
হেইর লাইগ্যা শুরুতে কইছিলাম, দম মাওলা, কাদের মাওলা।
পাদটিকা : চরমপত্রের যুদ্ধকালীন কথিকাগুলোর মধ্যে উপরেরটি ক্লাসিক পর্যায়ে পড়ে। এক্ষেত্রে সময় ও একটা বড় ভূমিকা রেখেছে। মুক্তি বাহিনী বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলই মুক্ত করে ফেলেছে। ভারতকে আক্রমণ করেছে পাকিস্তান আগের দিন ৩ ডিসেম্বর। ওই বিমান হামলা আর ব্ল্যাক আউটের মধ্যেই এমআর আখতার মুকুল এটি রচনা করেন যা অসাধারণ বললে কম বলা হয়।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নিধিরাম সর্দার বলেছেন:
মুকুল মিয়া একটা জিনিষ আচিল।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
কোরামিন।
আলী বলেছেন:
জয়বাংলা
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
৫
এস্কিমো বলেছেন:
জয় বাংলা
জেনারেল বলেছেন:
৫
লাল দরজা বলেছেন:
@ অমি রহমান পিয়াল, চরম কর্ম করছেন ঐতিহাসিক কন্ঠটা আবার কানের কাছে বাজাইয়া। বাজুক এ বাজনা জোরে জোরে বাজুক, ইতিহাস নেড়ে নেড়ে বাজুক।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ পিয়াল ভাই .... ৫
ধ্রুব বলেছেন:
ভাই, ৫+ , অনেক খুজছি, চরম-পত্র কি পাওয়া যায় সিডি বা অন্য কোনো ভাবে?
রাশেদ বলেছেন:
ধন্যবাদ পিয়াল ভাই।
মিরাজ বলেছেন:
৫
জেনারেল বলেছেন:
জটিল
লাল সালু বলেছেন:
এইবার নব্য রাজাকারগো চরমপত্র দেওন লাগব।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
ধ্রুব, ঝড়ো। নাহ, সিডি পাওয়া যায় না। তবে ট্রান্সক্রিপশনের টেপ সবই আছে এমআর আখতার মুকুলের পরিবারের কাছে। সেগুলি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে হস্তান্তর করার কথা। তারা বের করতে পারে
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
ধন্যবাদ সবাইকে
নগর বাউল বলেছেন:
৫
দ্বিধা বলেছেন:
৫
বিপ্লব রহমান বলেছেন:
সেল্যুট!
মদনবাবু বলেছেন:
*****
লেখক বলেছেন: হু, জানি সেটা।
১৬ বা ১৭ ডিসেম্বরেরটা, যার অডিও লিঙ্ক দিলেন আপনি, তার স্ক্রিপ্টটাও দিতে পারেন একসময় যদি থাকে আপনার কাছে। আমি অডিও ফাইল খুঁজে পাইনি বাজারে।
দূর্ভাষী বলেছেন:
প্রিয়তে নিয়ে নিলাম, এটা আমার চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল এজন্য দু:খিত
লেখক বলেছেন: আরে না, দু:খিত হওয়ার কি আছে? মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলীর শেষ নাই, যতো পুনরাবৃত্তি তত ভালো, লেখক বদলাক, কিন্তু ঘটনা সামনে আসুক, চলুক কমরেড আরো আসুক এমন লেখা
সালমান সিদ্দিকী বলেছেন:
জয় বাংলা
সালমান সিদ্দিকী বলেছেন:
মূকুল চাচা ছাগু খেদানো আন্দোলনের অন্যতম গুরু বলা যায়
লেখক বলেছেন: হাহাহা, ভালোই কইছেন
নিজেরে হারায়ে খুজি বলেছেন:
ধন্যবাদ, ধন্যবাদ, ধন্যবাদ। চরমপত্র পড়া/শোনার ইচ্ছা ছিল অনেকদিন। একটু পূরণ করলেন। আপনার কাছে কি আর কোন দিনের টি রয়েছে। চরমপত্রের কোন সংকলন (বই/সিডি) আছে কি? জানালে অনেক খুঁশি হব।
সচেতনভাবে প্রথম কয়েক লাইন পড়েছিলাম 'একাত্তরের দিনগুলি' বইতে। অনেকক্ষণ
"..... চাইর মাস ধইরা পাইন করনের পর হানাদার সোলজাররা তাগো কমান্ডাররে জিগাইতাছে মুক্তিবাহিনীর বিচ্ছুগুলা দেখতে কি রকম? এই বিচ্ছুগুলান কি রকমের কাপড় পেন্দে? এইসব না জানলে কাগো লগে পাইট করমু? আর দুশমনগো খালি চোখে দ্যাখতে পাই না ক্যান....."
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















