আমার প্রিয় পোস্ট
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন স্কোয়াড - টেকনলজী
- মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর ও ফোর্স অধিনায়ক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে গৃহীত সরকার/ সিইনসি ওসমানীর তিনটি পদক্ষেপ ও আমার জিজ্ঞাসা - নুরুজ্জামান মানিক
- যে কারনে পিলখানা হত্যাকান্ড এবং সাম্প্রতিক ছাত্রলীগ কর্মী হত্যাকান্ড ভয়ঙ্করভাবে একই রকম - রাজিয়েল
- "তাহারা এবং তদ্ সংক্রান্ত সুপ্রবচন": ইহা একটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ছড়া, পঠন কালে নর্তন বাঞ্ছনীয় - মতিউর রহমান সাগর
- ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব ৩ - ত্রিশোনকু
- বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন যারা!!! - তাহের
- আবারো স্বদেশপ্রেমের পরিচয় দিল শিবির। - সানুনয়
- পল গোয়েবল বিগ লাই থিওরী,৩৫ বছর ধরে লালন করা কয়েকটি মিথ্যা । ইতিহাসের কাঠগড়ায় যখন সত্য । - আশমএরশাদ
- একজন হিন্দুর হিন্দু হয়ে ওঠা-১ - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- একটি বিজয় দিবসের গল্প। (প্রথম পর্ব) - হাসান শহীদ ফেরদৌস
- বাংলাদেশে দূতাবাসে ভারতীয় কম্যান্ডো? - দিগন্ত
- জামাত দিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার সংবর্ধনা : আসুন আলোচনা হোক - শিপন আবদুর রাজ্জাক
- দরদী হইও মাগো দরদী হইও, সময়ে সময়ে মাগো পাষানী হইও। - অধ্যায়
- কাঁকন বিবিঃ খাসিয়া মুক্তি বেটি - ইফতেখার.আমিন
- একসাথে একাধিক ইয়াহু মেসেন্জারে লগ ইন করুন!!

- ইসানুর
- দৈনিক রাজাকার - সবাক
- আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল! (আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি)
- নাফিস ইফতেখার
- অত:পর কোথায় পালাবে তুমি? - তাজা কলম
- লুকালরে আমি ভালা পাই যে কারণে - স্ট্যানলি কুবরিক
- কিভাবে সেপ থাকবেন , তাঁর লেটেস্ট গাইড - স্ট্যানলি কুবরিক
- সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখি - স্ট্যানলি কুবরিক
- চাঁদ, পাহাড় ও ফরাসী স্বপ্ন - লাল দরজা
- নিউজউইকে সেক্টর কমান্ডার নাজমুল হকের দুষ্প্রাপ্য সেই সাক্ষাৎকার - ফিউশন ফাইভ
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- তেল গ্যাস নিয়ে ব্লগার মেঘনাদ এর অপমানজনক উত্তরের জবাবে আমার মত - সায়েমুজজ্জামান
- সামহোয়্যারে যা ঘটলো, যা ঘটবে তার 'পেছনের কারণ' - Arild, you MUST read this - ধুসর গোধূলি
- ব্লগে বিরাজমান অস্থিরতা বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ !! - নোটিশবোর্ড
- বদরের যুদ্ধের প্রেক্ষাপট: ডাকাতি-লুট না অত্যাচারিতের অধিকার আদায়? - জ্বিনের বাদশা
- কবিতারা…….. - শওকত হোসেন মাসুম
- মহামান্য ঈশ্বরের ডিম সংকট [একটি নিরাপদ পোস্ট] - খেজুর কাঁটা
- অগভীর ভাবনা - বামান্দোলনের ব্যর্থতা - রাসেল ( ........)
- হুমায়ুন আজাদের কিছু নির্বাচিত প্রবচন - জানজাবিদ
- আমিই স্বাধীনতার ঘোষক
**একটি ঐতিহাসিক পোস্ট** - নাফিস ইফতেখার
- ভার্চুয়াল রা(ড়া)জাকার নিধন , বাস্তব প্রেক্ষিত ও আমার ব্যাক্তিগত মিশন - |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|
- আমার প্রেমিকারা - হুমায়রা পর্ব
- ~স্বপ্নজয়~
- ব্লগ বাসী আপনারা কেমন আছেন?- মাতলামি দেখতেছি, হাসতেছি - জমির মাতব্বর
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- সে দিন অপরাজেয় বাংলার দিকেও তাক করে রাখা ছিল একটা ট্যাংন্ক... - লাল দরজা
- আমায় ক্ষমা করে দিও, বঙ্গবন্ধু। - রন্টি চৌধুরী
- আমার স্মৃতিতে হুমায়ুন আজাদ: যেভাবে তাকে হাসপাতলে নিয়েছিলাম এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো... - হাসান শরিফ
- বাংলার তাজ- তাজউদ্দীন আহমদ - ইফতেখার.আমিন
- একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা(পুরো সামহোয়্যর ইন ব্লগের দৃষ্টি আকর্ষন করছি) - েমেহদী হাসান
- বিভিন্ন প্রকারের ব্লগার (একটি জেরী-আউলা-তানজু প্রযোজনা) - আউলা
- জেনারেল অরোরার কাছে পাকিদের আত্মসমর্পণ এবং সে অনুষ্ঠানে ওসমানীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গ - নুরুজ্জামান মানিক
- ঘূর্ণাবর্তনের রাজনীতি। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- ফরহাদ মজহারঃ নাস্তিক মোল্লা - মোস্তাফিজ রিপন
- আমি যে কারণে ল্যাম্পপোষ্টের আচরণ সমর্থন করছি না। - রাসেল ( ........)
- কার কার মনে আছে নাজিয়া হাসানকে? - ইমন জুবায়ের
- বানান ও লেখ্যরীতি : প্রথম আলোর একটি আদি স্টাইল শিট - ফিউশন ফাইভ
- জামাতে ইসলামকে ভুটাইলে যে ফায়দাগুলা পাইতাম - মাতাল মাহবুব
- দুঃখিত, আমি এই জাতীয় কীটদের আমাদের মাঝখানে দেখতে চাই না - হাসিব
- গল্পঃ বসন্ত শেষে - আকাশ_পাগলা
- টিপাইমুখ, টেকনিক্যাল দিকটা চিন্তা করুন, কার ক্ষতি কে করছে? - হমপগ্র
- রাজকন্যার কাছে বাবার কৈফিয়ত... - অমি রহমান পিয়াল
- একটি জিনিস বানাতে দীর্ঘ সময় নিলেন ঈশ্বর। কি সেই জিনিস!!....? - মাহবুবুল ইসলাম (সুমন)
- এখনই সময় পা ধরে মাফ চাওয়ার। - মাথামোটা
- নীতিতে অটল এবং প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, তাই হার মানব না। - মাথামোটা
- ত্রিভুজের কিছু প্রশ্নের উত্তর আমি যেমন জানি - জমির মাতব্বর
- অতপর ভুল স্বীকার করিলে তাহাকে হত্যা করা হইলো - ঝরা পাতা
- ছবি এডিটিং এর কিছু প্রয়োজনীয় সাইট - বোকা ছেলে
- মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী - লাইটহাউজ
- বিয়া ব্লগীং, থুক্কু বিবাহের ছবি - অন্যমনস্ক শরৎ
- সাপ্তাহিক ব্লগ সমাচার এই যে # ৯ই মে, ২০০৯
- নাফিস ইফতেখার
- একটা গোপন অথচ দরকারী পরামর্শ - লেখাজোকা শামীম
- কবি - শিমুল সালাহ্উদ্দিন
- ছাত্রশিবির কি রাজাকার? - নুসরাত জাহান যুথি
- Anatomy of জামাতে ইসলামী ও কিছু সোজা-সাপটা কথা - পাললিক মন
- টেকনো আর ইলেকট্রনিকা :: খারাপ না, চলে - শূন্য আরণ্যক
- ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যার সময় যেই যুদ্ধাপরাধীরা জেলে ছিলেন তাদের বিচার করা হোক আগে - লেখাজোকা শামীম
- ইতিমধ্যে দন্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের এখনও বিচারের আওতায় আনা সম্ভব - রেজওয়ান
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ - রেজওয়ান
- একাত্তরের গণহত্যার ভিডিও - রেজওয়ান
- ৩০ খান ছুপার হিট হা হা পো গে ফটুক: ১১-২০ - ফয়সাল আকরাম
- আত্মবিশ্লেষণ, বনাম-সাধারণ/অসাধারণ এবং একটি ঘৃণাস্তম্ভের প্রস্তাবনা - মেঘ
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে হবেন পেশাদার ব্লগীয় গুলবাজ/গুজবকারী/রটনাকারী (ওপেনসোর্স পোস্ট) + ২০০তম
- নাফিস ইফতেখার
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- অথ: সেরা পোস্ট এ্যান্ড/অর নির্বাচিত পোস্ট সমাচার - হাসিব
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- ডক্টর জাফর ইকবালের লেখা, মিরাজভাই, এ-টীম এবং নরাধমের কিছু কথা। - নরাধম
- জামাতে ইছলাম গ্রুপে যৌন হয়রানির ফাঁদ!!! - লোকালটক
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে নিজেকে মডুদের হাত থেকে রক্ষা করবেন
- নাফিস ইফতেখার
- গোলাম আজমের ভাষা সৈনিকগিরি আর তেলাপোকার জীবন বৃত্তান্ত - এস্কিমো
- স্মারক: রাষ্ট্রপতির সচিবালয়, গণভবন, ঢাকা, পত্র সংখ্যা-৩০/১২/৭৫-সাধারণ-৭২৯/৯(৪০০) তারিখ ১২ মার্চ ১৯৭৫। - মোহাম্মদ আরজু
- আজ মডুর বিয়ে - নাফিস ইফতেখার
- সাবাশ কম্বোডিয়া!! বাংলাদেশেও শুরু হোক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার - জ্বিনের বাদশা
- বাবার ডায়েরীতে ১৯৭১ (৫ম পর্ব) - লীনা দিলরূবা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই-১: একটা কমিশন গঠনের কাহিনী - শওকত হোসেন মাসুম
- একজন নতুন ভোটারের মনের কিছু কথা........ - নাফিস ইফতেখার
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- চেতনার সম্ভ্রম বনাম স্ববিরোধীতার আয়নায় মুখোশের আড়ালে মুখ ! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- আসেন আমরা সবাই মিল্যা নামাজ পইড়া যুদ্ধাপোরাধীগো বিচার চাই - সামী মিয়াদাদ
- সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুয়ায়ী রাজাকার, মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা জামায়াতে ইসলামীর নেতা থাকতে পারে কি?? - একরামুল হক শামীম
- আবে, কোন মামদির পো সামনে খাড়া? যা কিনার - লাল দরজা
- পাগলের রাজণৈতিক প্রলাপ : ( বিশেষ পর্ব) [স্বঘোষিত রাজাকারদের অপপ্রচারের প্রতিবাদ] - এ. এস. এম. রাহাত খান
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- সহীহ মুসলিম মতে গোলাম আজম, নিজামি, মুজাহিদ, সাইদী এবং অন্যান্য জামাতিদের ইমানের স্তর। - হ্যারি সেলডন
- সামহোয়ার ক্লাসিক : কার্টুন কেলেঙ্কারি ও ছাগুদের ম্যাতকার (ইতিহাসের পাতা থেকে) - স্ট্যানলি কুবরিক
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- ৮ই ফাল্গুন কি হারিয়ে যাবে? আসুন বাঁচানোর একটা চেষ্টা করি। - যীশূ
- ইতিহাস খুড়ে দেখা : মুজিবনগর সরকার, স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রের মুল দলিল এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক - মিরাজ
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন দৈনিক সংগ্রামে জাতীয় সংগীত সংক্রান্ত ফতোয়া - এস্কিমো
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( প্রথম পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( ২য় পর্ব ) ( যেকোন রাজাকার এবং রাজাকার সমর্থনকারীদের প্রতি ওপেন চ্যালেঞ্জ, পারলে যুক্তিগুলো খন্ডন করুন) - একরামুল হক শামীম
- আদর্শের জন্য নয়, জামাত পাকিস্তানপন্থী হয়েছিল টাকার জন্য। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে নিয়মিত অর্থ পেতো জামায়াত। - শওকত হোসেন মাসুম
- বাবা কেন যুদ্ধে গেল? - কালপুরুষ
- একটি জাতির জন্ম: জিয়াউর রহমানের নিজের লেখা পড়ুন (১) - আমি সাগর
- পাকিস্তানের জন্য গোলাম আযমের আক্ষেপ ফুরাবে না! - শওকত হোসেন মাসুম
- এ ছবি আপনাকে দেখতেই হবে! আপনি এদেশের মানুষ নন? - তীরন্দাজ
- ছবি ব্লগ : গর্বের এবং বীরত্বের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- ও আমার দেশের মাটি : একটা অসাধারণ ভিডিও । এটাই মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের চেতনা - মিরাজ
- ফাঁসি দেয়ার সঠিক পদ্ধতি
- ইকরাম
- অনেক অজানা অতীত : নতুন প্রজন্মের জন্য। স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ২ (ইংরেজী টেক্সট সহ) - মিরাজ
- ছহি রাজাকারনামা - জেনারেল
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জামাত-শিবির কেন সন্ত্রাসী সংগঠন - অমি রহমান পিয়াল
- ওয়ার্ডপ্রেস ডেটাবেজ ব্যাকআপ রাখুন - গুগুল
- লিংক: রাজাকারের তালিকা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার- সময়ের দাবি - অঃরঃপিঃ
- গোলামের আরো কথা - অঃরঃপিঃ
- থাকলে এমনেই থাকতে হইব, নাইলে ফুট্ - অঃরঃপিঃ
- রাজাকার নিয়া আরেকটু কথা (আড্ডাবাজরে) - অঃরঃপিঃ
- আমাদের গান / সুমন : কোনও এক চিন্ময়ীকে - অঃরঃপিঃ
- স্বীকারোক্তি : আমি একটি অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছি... - অঃরঃপিঃ
- বইয়ের বিজ্ঞাপন : বইমেলায় আমাদেরও বই... - অঃরঃপিঃ
- নতুন সংকলণ : তেকোণালজি - অঃরঃপিঃ
- তেকোণালজি এখন হার্ডকাভারেও - অঃরঃপিঃ
- টুকে লেখা, পড়ে লেখা, জেনে লেখা... (আলী, হাবিব মহাজন। ফাডাররাও পড়তে পারেন) - অঃরঃপিঃ
মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীকে নিয়ে কিছু কথা
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৩১
মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এমএজি ওসমানিকে নিয়ে সম্প্রতি কিছু লেখা চোখে এসেছে। যে যার অবস্থান থেকে লিখে যাচ্ছেন। কিন্তু কিছু তথ্যগত বিভ্রান্তি এবং অনাকাঙ্খিত বিতর্ক তৈরি হয়েছে বলে ইচ্ছা না থাকলেও নাক গলাচ্ছি।
মুক্তিযুদ্ধের আগে ওসমানী :
১৯৩৯ সালে ব্রিটিশ ভারতের সেনাবাহিনীতে ক্যাডেট হিসেবে যোগদান করেছিলেন ওসমানি। ১৯৪০ সালের ৫ অক্টোবর দেরাদুনে ইন্ডিয়ান মিলিটারি একাডেমি থেকে সামরিক শিক্ষা শেষ করে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মির ‘আর্মি সার্ভিস কোর’ বিভাগে কমিশন লাভ করেন। দ্রুত পদোন্নতি দিয়ে ১৯৪১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্যাপ্টেন এবং পরের বছর ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সর্বকনিষ্ঠ মেজর হন। ভারত বিভাগের পর ১৯৪৭ সালের অক্টোবরে পাকিস্তান আসেন, ঐদিনই তাকে লে. কর্ণেল পদে উন্নীত করা হয়। ১৯৫১ থেকে ৫৫ পর্যন্ত খুলনা, যশোর, ঢাকা ও চট্টগ্রামের স্টেশন কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৪ সালের তখনকার ইপিআর-এর অতিরিক্ত কমান্ড্যান্ট (বর্তমানে ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল) হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৫৭ সালে তাকে কর্ণেল পদে উন্নীত করা হয়। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের সময় কর্ণেল ওসমানী ডেপুটি ডিরেক্টর অব মিলিটারি অপারেশনস সহ বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৬৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কর্ণেল পদমর্যাদায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেন। ১৯৭০ সালের জুলাই মাসে তিনি আওয়ামী লিগে যোগ দিয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে পা রাখেন। সে বছর ডিসেম্বরে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লিগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সিলেটের ৪টি থানা (বালাগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও বিশ্বনাথ) সমন্বয়ে গঠিত পাকিস্তানের বৃহত্তম নির্বাচনী এলাকা থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় ওসমানী:
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতেই পাকিস্তানী একটি কমান্ডো বাহিনী বনানীতে ওসমানীর বাড়িতে হামলা চালায়। কিন্তু ওসমানী সৌভাগ্যক্রমে পালাতে পারেন। এরপর ছদ্মবেশে দীর্ঘপথ অতিক্রম কুমিল্লার সালদা নদীর অববাহিকায় পৌছে বিক্ষিপ্তভাবে যুদ্ধরত বাঙালী যোদ্ধাদের সংগঠিত করেন। ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা দিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে ওসমানী এক্টিভ লিস্টে আহূত হন। ১২ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকারের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার নাম ঘোষণা করা হয়। এতে রাষ্ট্রপ্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বলে ঘোষনা করা হয়। এবং বাংলাদেশ সরকার এক ঘোষনায় ওসমানীকে মেজর জেনারেল পদে উন্নীত করে ১২ এপ্রিল থেকে মন্ত্রীর মর্যাদাসহ বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করে। ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই মুজিবনগরে উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে সশস্ত্র বাহিনীর সদর দপ্তর গঠন করা হয়। সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে ওসমানিকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে নিযুক্তি দেওয়া হয়। তার পেশাগত ক্রমিক নম্বর ৮২১। একই বৈঠকে কর্ণেল আব্দুর রব সেনা প্রধান এবং গ্রুপ ক্যাপ্টেন একে খন্দকার উপ-সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ পান। ওসমানীর এ.ডি.সি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় লেফটেনেন্ট শেখ কামালকে (শেখ মুজিবের বড় ছেলে, পেশাভিত্তিক ক্রমিক নং-৮৬৫)। ব্যক্তিগত সহকারী ছিলেন অফিসার ক্যাডেট (৯৯৪) দেওয়ান গাউস আলী। ২১ নভেম্বর ‘৭১ বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ সিদ্ধান্তে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর সমন্বয়ে মিত্রবাহিনীর যৌথ কমান্ড গঠিত হয়। আর এই কমান্ডের অধিনায়ক ছিলেন লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা। ওসমানী ছিলেন তার অধীনস্থ। ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় পর্যন্ত এই কমান্ড কার্যকর ছিলো। পাকিস্তান সেনাবাহিনী অরোরার কাছেই আত্মসমর্পণ করে। প্রাসঙ্গিক তথ্য ১৫ ডিসেম্বর ঢাকার উপকণ্ঠে এসে ঘাটি গাড়া মিত্রবাহিনীর জেনারেল মানেক শ’র কাছে পূর্ব পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রধান লে. জেনারেল নিয়াজী এক টেলিগ্রাম পাঠিয়ে আত্মসমর্পণ করতে স্বীকৃতি জানান। মানেক শ আত্মসমর্পনের সময় নির্ধারণ করে দেন।
মুক্তিযুদ্ধে পর ওসমানী :
স্বাধীনতার পর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জাতির প্রতি চরম ত্যাগ ও মহান সেবার স্বীকৃতি হিসেবে ওসমানীকে জেনারেল পদে উন্নীত করেন যা কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ৭১ থেকে। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকারের জাহাজ চলাচল, আভ্যন্তরীন নৌ ও বিমান চলাচল মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহন করেন ওসমানী। ১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আগের দায়িত্বসহ ডাক, তার, টেলিফোন ও যোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব পান তিনি। ১৯৭৫ সালে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে একদলীয় (বাকশাল) রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির সরকার চালু হলে এই প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করে আওয়ামী লিগ ও সংসদ সদস্য থেকে পদত্যাগ করেন। ২৯ আগস্ট ১৯৭৫ সালে দেশে সামরিক শাসন চলাকালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমদের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রপতির প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব নেন এবং ৩ নভেম্বর পদত্যাগ করেন। ১৯৭৬ সালে জাতীয় জনতা পার্টি নামে একটি দল গঠন করেন। ১৯৭৮ ও ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং হেরে যান। ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ক্যান্সারে আক্রান্ত ওসমানী লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।
তথ্যসূত্র : মুজিব নগর সরকারের দলিল পত্র, বাংলাদেশ ডকুমেন্টস, মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্যক্তির অবস্থান/ এএসএম সামছুল আরেফীন, মুক্তিযুদ্ধ কোষ/মুনতাসীর মামুন সম্পাদিত, জন্মযুদ্ধ
লেখকের কথা : তথ্যপ্রমাণেই বোঝা যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক পদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জায়গায় প্রধান সেনাপতি ওসমানীর আসার প্রশ্নই ওঠে না। মুক্তিযুদ্ধের পর ওসমানী অবমূল্যায়িত হয়েছেন এটাও সত্যি নয়। সামহোয়ারে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ব্লগাররা ওসমানী নিয়ে লেখেননি কথাটিও মিথ্যা। ওসমানীর জন্মদিন ও মৃত্যুদিন উপলক্ষ্যে সামহোয়ারে পোস্ট দিয়েছি আমিসহ অনেকেই। বাবার পাণ্ডুলিপি যাদের রক্তে মুক্ত এদেশ ধারাবাহিকে একটি অধ্যায় ছিল ওসমানীকে নিয়ে। কেনো ওসমানীকে ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি এ নিয়ে বিতর্ক উঠেছে। মার্কিন অধিদপ্তরের প্রকাশিত দলিলপত্রে দেখা যায় যে ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণ প্রসঙ্গে যে দাবিগুলো তুলেছিল তাতে ১ নম্বরে ছিল শেখ মুজিবের নিঃশর্ত মুক্তি। ৩ নম্বরে বলা হয়েছে পাকিস্তানে অবস্থানরত সব বাঙালী সৈনিকের দেশে ফিরে আসার সুযোগ এবং ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ডের কাছে পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ নিশ্চিত করা। আগেই বলা হয়েছে যৌথ কমান্ডের নেতৃত্ব ছিলো অরোরার হাতে। বাংলাদেশের পক্ষে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপসেনাধ্যক্ষ একে খন্দকার। এখন কেন ছিলেন না ওসমানী- এর কোনো ব্যাখ্যা নেই। তিনি থাকতে না পারার জন্য কখনও মন খারাপ করে কোনো বিবৃতি দেননি, লেখেনওনি কোথাও যা দলিলাকারে পাওয়া যাবে। একমাত্র উপায় ওসমানীর বিদেহী আত্মার সঙ্গে প্ল্যানচেটে যোগাযোগ স্থাপন। তাতেও ইতিহাসের কোনো হরফ বদলাবে না বলেই আমার ধারণা।
একটি ভিডিও ফুটেজ যাতে মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে প্রধান সেনাপতি ওসমানীকে দেখা যাচ্ছে
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:০৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মিরাজ বলেছেন:
পোষ্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ । বেশ কিছু দরকারী তথ্য আছে এতে । প্রিয় পোষ্টে যোগ করে নিলাম ।
লেখক বলেছেন: আপনি লড়ুন, আমরাতো আছিই
দিপু বলেছেন:
ওসমানী মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বলেই তো জানতাম। রাজনৈতিক নেতৃত্ব বঙ্গবন্ধু দিয়েছিলেন এবং যুদ্ধের ময়দানে মুক্তিবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন ওসমানী। ইতিহাস বিকৃতি করছেন কেন আপনি বুঝতে পারলাম না।
লেখক বলেছেন: দলিলের উল্লেখ আছে। প্রয়োজনে মূল কপি দেখানো যাবে
লেখক বলেছেন: সম্ভবত মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়কের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক গুলাইয়া ফেলছেন। ওসমানীর পোস্ট কমান্ডার ইন চিফ- সেটা মুক্তিবাহিনীর।
নিহন বলেছেন:
+
মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন:
আপনাকে সালাম জানাতে চেয়েছিলাম ভয়ে করিনি এখন না বলে পারছিনা, ভাই সালাম জানবেন।
লেখক বলেছেন: আপনার ওপরও শান্তি বর্ষিত হোক
লাল মিয়া বলেছেন:
কোন হালায় - দিছে?
লেখক বলেছেন: আর কেডা, আপনের বউর ভাইতো একজনই এইখানে
নরাধম বলেছেন:
পিয়ালভাই, আমরাও স্কুলে বইয়ে পড়েছি ওসমানী সর্বাধিনায়ক। তাহলে কি আমরা ভুল পড়েছি এতদিন?
লেখক বলেছেন: মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক, মুক্তিযুদ্ধের না
শাব্বির আহমদ বলেছেন:
বস, মেজর জলিল রাজাকার এটা অনেকে বলে। আসলে ঘটনা কি?
লেখক বলেছেন: মেজর জলিল ৯ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। ওসমানীর সঙ্গে তার যুদ্ধকৌশল নিয়ে বিরোধ ছিল। পরে মেজর মঞ্জুর (জিয়ার হত্যাকারী ও ৮ নম্বর সেক্টর প্রধান) তাকে স্বাধীনতার পর ঢাকা যাওয়ার পথে গ্রেপ্তার করে। উনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজাকার নন। তবে স্বাধীনতার পর জাসদে যোগ দেন এবং পরে ইসলামী সমাজতান্ত্রিক দল খুলেন। শেষ দিকে তার অবস্থান মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের পক্ষে গেছে। ব্লগেও দেখবেন জামাত-শিবিরের কাছে তিনি তুমুল জনপ্রিয়। অনেকে তার ছবি ব্যবহার করে ব্লগ প্রোফাইল হিসেবে
লোকালটক বলেছেন:
ওসমানী মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বলেই তো জানতাম। রাজনৈতিক নেতৃত্ব বঙ্গবন্ধু দিয়েছিলেন এবং যুদ্ধের ময়দানে মুক্তিবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন ওসমানী।দীপু @ জানলা কই থিকা? সোর্সটা কও। খিয়াল কৈরা...
রাহা বলেছেন:
এই পোস্টে "-(মাইনাস)"... যা বাবা । এখন সেই ব্লগার (যে নিরবে এসে - দাগিয়েছে) কে গালি দিলেই লোকে খারাপ বলবে , তবে তাকে কি বলব?? শুকরছানা... না মানুষের বাচ্চা ??
নরাধম বলেছেন:
ওকে, পিয়ালভাই, বুঝলাম।
নাবিক বলেছেন:
"যৌথ কমান্ডের নেতৃত্ব ছিলো অরোরার হাতে। বাংলাদেশের পক্ষে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপসেনাধ্যক্ষ একে খন্দকার। এখন কেন ছিলেন না ওসমানী- এর কোনো ব্যাখ্যা নেই।"বুঝলাম, উনি অনেক বড় মনের মানুষ ছিলেন তাই "তিনি থাকতে না পারার জন্য কখনও মন খারাপ করে কোনো বিবৃতি দেননি, লেখেনওনি কোথাও যা দলিলাকারে পাওয়া যাবে।" কিন্তু আওয়ামীলীগ নেতারা এ বিষয়ে জানার কথা। এ প্রশ্নতো স্বাধীনতার পরপরই উঠেছিল। জাতীয় চার নেতা তখন বেঁচে। এখনো অনেকে আছেন, উনি কেন ছিলেন ব্যাখ্যাটা দিয়ে দিলেই তো সমালোচনাকারীদের মুখ বন্ধ হয়ে যায়। "এর কোনো ব্যাখ্যা নেই।" বলে তো বিতর্ক জিইয়েই রাখা হলো। কি লাভ এ সব বিতর্ক করে, জিইয়ে রেখে। আমরা কি পারিনা সঠিক ব্যাখ্যা খুঁজে বের করতে।
পিয়াল মেজর জলিলকে নিয়ে এমন আরেকটা জাককাস লেখা চাই, তবে ব্যাখ্যা সহকারে।
লেখক বলেছেন: এ প্রশ্নতো স্বাধীনতার পরপরই উঠেছিল। জাতীয় চার নেতা তখন বেঁচে।
তখন উত্তর কি ছিলো?
জলিল নিয়া পোস্ট ছিলো একটা তার নিজের লেখা। আর তার গ্রেপ্তার নিয়া লেখার ইচ্ছা আছে। হাসপাতাল থেকে এসেই পোস্টটা দিলাম। দোয়া করেন, আপনাদের ভাতিজী আসতেছে
শাব্বির আহমদ বলেছেন:
অমি ভাই, আমার প্রশ্নের জবাব পাই নাই।
শাব্বির আহমদ বলেছেন:
স্যরি খেয়াল করি নাই। জবাবে জন্য ধন্যবাদ।
নরাধম বলেছেন:
ভাতিজির জন্য দয়া রইল। ভাবী এবং বাচ্চার জন্য আগাম শুভ কামনা।পিয়ালভাই, আমার লেটেস্ট পোস্টটা একটু দেখবেন? আপনার মতামত পেলে ভাল লাগত।
নাবিক বলেছেন:
প্রসংগ মেজর জলিল: "পরে ইসলামী সমাজতান্ত্রিক দল খুলেন। শেষ দিকে তার অবস্থান মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের পক্ষে গেছে।"আপনার লেখাতে মেজর জলিল মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের পক্ষে তিনি কি কি লিখেছেন, একজন সেক্টর কমান্ডার হয়েও, ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর তাকে জেলে যেতে হয়েছিল কেন ? তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী পক্ষ নিলেন কেন? কেনইবা আওয়ামী লীগ নেত আব্দুর রাজজাক জাতীয় প্রেসক্লাবের সংবাদ সম্মেলনে মেজর জলিলকে রাজাকার বলেছিল এগুলোর শক্ত জবাব চাই। মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের মুখগুলো বন্ধ করতে হবে।
আমার বিশ্বাস আপনিই পারবেন তা।
লেখক বলেছেন: ![]()
নাবিক বলেছেন:
ভাতিজী আসতেছে!!!! উহ, শুভ কামনা রইল।
সমালোচনাকারী বলেছেন:
মেজর জলিল ৯ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। ওসমানীর সঙ্গে তার যুদ্ধকৌশল নিয়ে বিরোধ ছিল। পরে মেজর মঞ্জুর (জিয়ার হত্যাকারী ও ৮ নম্বর সেক্টর প্রধান) তাকে স্বাধীনতার পর ঢাকা যাওয়ার পথে গ্রেপ্তার করে। উনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজাকার নন। তবে স্বাধীনতার পর জাসদে যোগ দেন এবং পরে ইসলামী সমাজতান্ত্রিক দল খুলেন। শেষ দিকে তার অবস্থান মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের পক্ষে গেছে। ব্লগেও দেখবেন জামাত-শিবিরের কাছে তিনি তুমুল জনপ্রিয়। অনেকে তার ছবি ব্যবহার করে ব্লগ প্রোফাইল হিসেবে
......................
............
শেষ দিকে তার অবস্থান চেন্জ হৈলো কেনো? এমন কি ঘটলো?@অমি
লেখক বলেছেন: কি জানি? আমার গবেষনা ৭১ নিয়া। এর পরের কাহিনীতে আমি কুমা আছি
মিরাজ বলেছেন:
একটা মন্তব্য করেছিলাম, গেলো কৈ? সামহোয়্যারের বাগের অত্যাচারতো দিন দিন বাড়ছে !!আবার লিখছি -
----
ওসমানী মুক্তিযুদ্ধের সামরিক প্রধান ছিলেন, প্রধান সেনাপতি ছিলেন এবং মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন । মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক নেতৃত্বে সব সময়েই বংগবন্ধুই ছিলেন ।
আপনি যে ডকুমেন্টের সূত্র দিলেন মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য সেটি অত্যন্ত মুল্যবান । সময় পেলে দলিলটি একবার পোষ্ট করবেন । সংগ্রহে রাখবো ।
আর অগ্রীম অভিনন্দন । যদি প্রথমবারের মত পিতা হতে যাচ্ছেন তাহলে দেখবেন জীবনে অনেক পরিবর্তন আসবে । অনেক কিছু করার জন্য নতুন প্রেরণা পাবেন ।
সুখবরের প্রতীক্ষায় থাকলাম ।
ছক্কা হাজী বলেছেন:
ওসমানী সর্বধিনায়ক ছিলেন না । তিনি আছিলেন প্রধান সেনাপতি।শেখ মুজিব পদাধিকার বলেই সর্বাধিনায়ক। এডাই ঐতিহাসিক সত্য।
থ্যানকু , পিয়াল মিয়া।
ভক্কডা বলেছেন:
জনাব, আপনে এক্কান মহান ব্যক্তিত্ব। মাথানত করলাম। ভালো থাইক্কেন, সময় পাইলেই লেইক্কেন। আগের মত আপনের লেখা এখন আর তেমন নজরে পরে না তো, এইজইন্যে কইলাম।
ভক্কডা বলেছেন:
জনাব, আপনে এক্কান মহান ব্যক্তিত্ব। মাথানত করলাম। ভালো থাইক্কেন, সময় পাইলেই লেইক্কেন। আগের মত আপনের লেখা এখন আর তেমন নজরে পরে না তো, এইজইন্যে কইলাম।
সুশীল সমাজ বলেছেন:
এরকম লেখা মাঝে মাঝে দিতে হবে।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
প্রথম পাতায় স্বাগত পিয়াল ভাই ।আপনার কাছ থেকে স্বেচ্ছা নির্বাসন নয় বরং এরকম প্রয়োজনীয় দাতভাঙ্গা জবাব-ই চাই রাজাকার ছানাদের জন্য ।
শোকেসের শোভা বর্ধন করা হইলো ।
বিনীত ধন্যবাদ ।
নীতিশ বৈরাগী বলেছেন:
+
শামীম রিয়াজ বলেছেন:
আপনি যে ডকুমেন্টের সূত্র দিলেন মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য সেটি অত্যন্ত মুল্যবান । সময় পেলে দলিলটি একবার পোষ্ট করবেন ।অনেক ধন্যবাদ সুন্দর লেখার জন্য আর অগ্রীম শুভকামনা রইল।
দোলাহাসান বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ তথ্য সমৃদ্ধ লেখার জন্য।আগাম শুভেচ্ছা ভাতিজীর জন্য।নিজের ভাতিজীকেও দেখা হয়নি।দুজনকেই দেখে আসব বছরের শেষে।ভাল থাকুন এবং অনুরোধ লেখা বন্ধ করবেন না।+++++
রাশেদ বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ পিয়াল ভাই।
রোবোট বলেছেন:
সর্বাধিনায়ক প্রশ্নে পিয়ালের সাথে একমত। আমার জানাও তাই। আজ বাংলাদেশ যুদ্ধে গেলে ইয়াজুদ্দিন হবেন সর্বাধিনায়ক , মইন আহমেদ না। ভালো পোসট। ডেখলেন গালির চেয়ে যুক্তির পোসট কত ভালো লাগে। গালি দিলে কোনদিন মনতব্য করতাম না।
হযবরল বলেছেন:
ভাল লাগলো লিখাটা। অনেকদিনপর ব্লগে ঢুঁ দিয়েই আপনার একটা লেখা পেলাম। সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।
ফেলুদা বলেছেন:
সত্যভাষণ। কিন্তু এই কথাটারে মিরাজ আর ত্রিভুজ দুইজনই প্যাচাইতেছে।
মাহমুদউল্লাহ বলেছেন:
ধন্যবাদ অমি রহমান পিয়াল, ভাল লাগল লেখাটা।
শয়তান বলেছেন:
সত্য সবসময়ই সত্য । +
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
এই সাধারন তথ্যগুলো বার বার লিখতে হয় , এর চেয়ে হাস্যকর আর বেদনার কী হতে পারে !ওসমানী ১৬ ডিসেম্বর কোথায় ছিলেন , এ বিষয়ে কিছু দলিলপত্র আমার সিলেটের বাসায় আছে । নিয়ে এসে আপনাকে কপি দেয়া হবে ।
েজবীন বলেছেন:
সর্বাধিনায়ক - ব্যাপারটা সবার কাছে পরিষ্কার করা হয়না কেনো, কেনো বইপত্রে আমরা ছোটবেলা থেকে এই ভুল তথ্যটা জানি?ধন্যবাদ পিয়াল ভাই ... প্লীজ আরো লিখুন
আগাম শুভেচ্ছা একটা সুস্হ ভাতিজীর জন্য। ভালো থাকুন।
তানজিলা হক বলেছেন:
+++++
অফটপিক: আপনার আর্কাইভ ফেরত চাই। অনেক গুরুত্বপূর্ণ লেখা ও রেফারেন্স ছিল। এভাবে গায়েব হওয়ায় অনেক কিছুতেই আটকে যাই। পেরেশানিতে আছি।
মুক্তাদীর আহমদ বলেছেন:
ধন্যবাদ পিয়াল ভাই, ইতিহাসের অতিমূল্যায়ন আর অবমূল্যায়ন এর উপযুক্ত দালিলীক প্রমাণের জন্য
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
ঠিকাছে। আপনাদের অনুরোধে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পোস্টগুলো ফিরিয়ে আনা হবে, তবে সেগুলো জন্মযুদ্ধ গ্রুপে থাকবে
নাভদ বলেছেন:
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ঠিকাছে। আপনাদের অনুরোধে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পোস্টগুলো ফিরিয়ে আনা হবে, তবে সেগুলো জন্মযুদ্ধ গ্রুপে থাকবে-----------------------------------------------------------------------
অনেক ধন্যবাদ...,
পোস্টে +.
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
পোস্ট প্রিয়তে রাখলাম।
রাহাত আহমেদ বলেছেন:
প্লাস ....
রাঙা মীয়া বলেছেন:
অসাধারন।
েজবীন বলেছেন:
পিয়ালভাই, মুক্তিযুদ্ধের সময় জেনারেল ওসামানী'র ডেপুটি এসিস্ট্যান্ট ছিলেন নাম লে: কর্ণেল আজিজুর রাজা চৌধুরী, খাদিমপুরের উনার সম্পর্কে কিছু জানলে জানায়েন....
আমিরনী বলেছেন:
"কাশ্মীর যুদ্ধে ওসমানীকে একটা ট্রুপসের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিলো। তাঁরসেনা ক্যাম্প যেখানে ছিলো,সেখানে একটা ট্রাইব ছিলো। এরা ছিলো অত্যন্ত যুদ্ধপ্রিয় জাতি। এই উপজাতি ওসমানীর সেনা অবস্হানের উপর আক্রমণ পরিচালনা করতে উদ্যত হয়। এটা শোনার পরপরই ওসমানী সাহেব তাঁর অবস্হান ছেড়ে পালিয়ে যান। পাকিস্তান সরকার এই বিষয়টির উপর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্তে দেখা গেলো যে,সেখানে একজন সুবেদার মেজর তার বাহিনী নিয়ে স্হির ছিলেন। কিন্তু ওসমানী পালিয়ে যান। ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় ওসমানীকে পরে কমান্ড থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। এরপর তাঁকে স্টাফ বিভাগে বদলী করে দেয়া হয়। সামরিক বাহিনীতে চাকরি জীবনে তিনি আর কখনো কমান্ড পাননি। মূলত: তিনি ছিলেন স্টাফ অফিসার। পরবর্তী সময়ে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি হন পেপার জেনারেল। শুধু অফিসে বসে অর্ডার দেয়া ছাড়া তাঁর আর কোনো কাজ ছিলো না।" ----- উইং কমান্ডার (অব.) এস. আর. মীর্জাClick This Link
এই টা একটু পরিস্কার করতে পারেন????
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















পোস্ট প্রিয়তে রাখলাম।