আমার প্রিয় পোস্ট

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীকে নিয়ে কিছু কথা

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৩১

শেয়ার করুন:                   Facebook



মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এমএজি ওসমানিকে নিয়ে সম্প্রতি কিছু লেখা চোখে এসেছে। যে যার অবস্থান থেকে লিখে যাচ্ছেন। কিন্তু কিছু তথ্যগত বিভ্রান্তি এবং অনাকাঙ্খিত বিতর্ক তৈরি হয়েছে বলে ইচ্ছা না থাকলেও নাক গলাচ্ছি।


মুক্তিযুদ্ধের আগে ওসমানী :

১৯৩৯ সালে ব্রিটিশ ভারতের সেনাবাহিনীতে ক্যাডেট হিসেবে যোগদান করেছিলেন ওসমানি। ১৯৪০ সালের ৫ অক্টোবর দেরাদুনে ইন্ডিয়ান মিলিটারি একাডেমি থেকে সামরিক শিক্ষা শেষ করে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান আর্মির ‘আর্মি সার্ভিস কোর’ বিভাগে কমিশন লাভ করেন। দ্রুত পদোন্নতি দিয়ে ১৯৪১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্যাপ্টেন এবং পরের বছর ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সর্বকনিষ্ঠ মেজর হন। ভারত বিভাগের পর ১৯৪৭ সালের অক্টোবরে পাকিস্তান আসেন, ঐদিনই তাকে লে. কর্ণেল পদে উন্নীত করা হয়। ১৯৫১ থেকে ৫৫ পর্যন্ত খুলনা, যশোর, ঢাকা ও চট্টগ্রামের স্টেশন কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৪ সালের তখনকার ইপিআর-এর অতিরিক্ত কমান্ড্যান্ট (বর্তমানে ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল) হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৫৭ সালে তাকে কর্ণেল পদে উন্নীত করা হয়। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের সময় কর্ণেল ওসমানী ডেপুটি ডিরেক্টর অব মিলিটারি অপারেশনস সহ বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৬৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কর্ণেল পদমর্যাদায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেন। ১৯৭০ সালের জুলাই মাসে তিনি আওয়ামী লিগে যোগ দিয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে পা রাখেন। সে বছর ডিসেম্বরে পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লিগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সিলেটের ৪টি থানা (বালাগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও বিশ্বনাথ) সমন্বয়ে গঠিত পাকিস্তানের বৃহত্তম নির্বাচনী এলাকা থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ওসমানী:
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতেই পাকিস্তানী একটি কমান্ডো বাহিনী বনানীতে ওসমানীর বাড়িতে হামলা চালায়। কিন্তু ওসমানী সৌভাগ্যক্রমে পালাতে পারেন। এরপর ছদ্মবেশে দীর্ঘপথ অতিক্রম কুমিল্লার সালদা নদীর অববাহিকায় পৌছে বিক্ষিপ্তভাবে যুদ্ধরত বাঙালী যোদ্ধাদের সংগঠিত করেন। ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা দিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে ওসমানী এক্টিভ লিস্টে আহূত হন। ১২ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকারের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার নাম ঘোষণা করা হয়। এতে রাষ্ট্রপ্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বলে ঘোষনা করা হয়। এবং বাংলাদেশ সরকার এক ঘোষনায় ওসমানীকে মেজর জেনারেল পদে উন্নীত করে ১২ এপ্রিল থেকে মন্ত্রীর মর্যাদাসহ বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করে। ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই মুজিবনগরে উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে সশস্ত্র বাহিনীর সদর দপ্তর গঠন করা হয়। সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে ওসমানিকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে নিযুক্তি দেওয়া হয়। তার পেশাগত ক্রমিক নম্বর ৮২১। একই বৈঠকে কর্ণেল আব্দুর রব সেনা প্রধান এবং গ্রুপ ক্যাপ্টেন একে খন্দকার উপ-সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ পান। ওসমানীর এ.ডি.সি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় লেফটেনেন্ট শেখ কামালকে (শেখ মুজিবের বড় ছেলে, পেশাভিত্তিক ক্রমিক নং-৮৬৫)। ব্যক্তিগত সহকারী ছিলেন অফিসার ক্যাডেট (৯৯৪) দেওয়ান গাউস আলী। ২১ নভেম্বর ‘৭১ বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ সিদ্ধান্তে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর সমন্বয়ে মিত্রবাহিনীর যৌথ কমান্ড গঠিত হয়। আর এই কমান্ডের অধিনায়ক ছিলেন লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা। ওসমানী ছিলেন তার অধীনস্থ। ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় পর্যন্ত এই কমান্ড কার্যকর ছিলো। পাকিস্তান সেনাবাহিনী অরোরার কাছেই আত্মসমর্পণ করে। প্রাসঙ্গিক তথ্য ১৫ ডিসেম্বর ঢাকার উপকণ্ঠে এসে ঘাটি গাড়া মিত্রবাহিনীর জেনারেল মানেক শ’র কাছে পূর্ব পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রধান লে. জেনারেল নিয়াজী এক টেলিগ্রাম পাঠিয়ে আত্মসমর্পণ করতে স্বীকৃতি জানান। মানেক শ আত্মসমর্পনের সময় নির্ধারণ করে দেন।

মুক্তিযুদ্ধে পর ওসমানী :
স্বাধীনতার পর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জাতির প্রতি চরম ত্যাগ ও মহান সেবার স্বীকৃতি হিসেবে ওসমানীকে জেনারেল পদে উন্নীত করেন যা কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ৭১ থেকে। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকারের জাহাজ চলাচল, আভ্যন্তরীন নৌ ও বিমান চলাচল মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহন করেন ওসমানী। ১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আগের দায়িত্বসহ ডাক, তার, টেলিফোন ও যোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব পান তিনি। ১৯৭৫ সালে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে একদলীয় (বাকশাল) রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির সরকার চালু হলে এই প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করে আওয়ামী লিগ ও সংসদ সদস্য থেকে পদত্যাগ করেন। ২৯ আগস্ট ১৯৭৫ সালে দেশে সামরিক শাসন চলাকালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমদের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রপতির প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব নেন এবং ৩ নভেম্বর পদত্যাগ করেন। ১৯৭৬ সালে জাতীয় জনতা পার্টি নামে একটি দল গঠন করেন। ১৯৭৮ ও ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং হেরে যান। ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ক্যান্সারে আক্রান্ত ওসমানী লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র : মুজিব নগর সরকারের দলিল পত্র, বাংলাদেশ ডকুমেন্টস, মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্যক্তির অবস্থান/ এএসএম সামছুল আরেফীন, মুক্তিযুদ্ধ কোষ/মুনতাসীর মামুন সম্পাদিত, জন্মযুদ্ধ


লেখকের কথা : তথ্যপ্রমাণেই বোঝা যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক পদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জায়গায় প্রধান সেনাপতি ওসমানীর আসার প্রশ্নই ওঠে না। মুক্তিযুদ্ধের পর ওসমানী অবমূল্যায়িত হয়েছেন এটাও সত্যি নয়। সামহোয়ারে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ব্লগাররা ওসমানী নিয়ে লেখেননি কথাটিও মিথ্যা। ওসমানীর জন্মদিন ও মৃত্যুদিন উপলক্ষ্যে সামহোয়ারে পোস্ট দিয়েছি আমিসহ অনেকেই। বাবার পাণ্ডুলিপি যাদের রক্তে মুক্ত এদেশ ধারাবাহিকে একটি অধ্যায় ছিল ওসমানীকে নিয়ে। কেনো ওসমানীকে ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি এ নিয়ে বিতর্ক উঠেছে। মার্কিন অধিদপ্তরের প্রকাশিত দলিলপত্রে দেখা যায় যে ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণ প্রসঙ্গে যে দাবিগুলো তুলেছিল তাতে ১ নম্বরে ছিল শেখ মুজিবের নিঃশর্ত মুক্তি। ৩ নম্বরে বলা হয়েছে পাকিস্তানে অবস্থানরত সব বাঙালী সৈনিকের দেশে ফিরে আসার সুযোগ এবং ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ডের কাছে পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ নিশ্চিত করা। আগেই বলা হয়েছে যৌথ কমান্ডের নেতৃত্ব ছিলো অরোরার হাতে। বাংলাদেশের পক্ষে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপসেনাধ্যক্ষ একে খন্দকার। এখন কেন ছিলেন না ওসমানী- এর কোনো ব্যাখ্যা নেই। তিনি থাকতে না পারার জন্য কখনও মন খারাপ করে কোনো বিবৃতি দেননি, লেখেনওনি কোথাও যা দলিলাকারে পাওয়া যাবে। একমাত্র উপায় ওসমানীর বিদেহী আত্মার সঙ্গে প্ল্যানচেটে যোগাযোগ স্থাপন। তাতেও ইতিহাসের কোনো হরফ বদলাবে না বলেই আমার ধারণা।

একটি ভিডিও ফুটেজ যাতে মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে প্রধান সেনাপতি ওসমানীকে দেখা যাচ্ছে


 

 

  • ৬৭ টি মন্তব্য
  • ৯৮৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪০ জনের ভাল লেগেছে, ৪ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৩৪
comment by: নরাধম বলেছেন: পিয়ালভাই, অনেক অনেক ধন্যবাদ। প্লিজ এবার আর লেখা থামাবেননা। আপনি আমাদের অনুপ্রেরণা।


পোস্ট প্রিয়তে রাখলাম।
২. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৩৬
comment by: মিরাজ বলেছেন: পোষ্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ । বেশ কিছু দরকারী তথ্য আছে এতে । প্রিয় পোষ্টে যোগ করে নিলাম ।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪২

লেখক বলেছেন: আপনি লড়ুন, আমরাতো আছিই

৩. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪৩
comment by: দিপু বলেছেন: ওসমানী মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বলেই তো জানতাম। রাজনৈতিক নেতৃত্ব বঙ্গবন্ধু দিয়েছিলেন এবং যুদ্ধের ময়দানে মুক্তিবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন ওসমানী।


ইতিহাস বিকৃতি করছেন কেন আপনি বুঝতে পারলাম না।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪৭

লেখক বলেছেন: দলিলের উল্লেখ আছে। প্রয়োজনে মূল কপি দেখানো যাবে

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪৯

লেখক বলেছেন: সম্ভবত মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়কের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক গুলাইয়া ফেলছেন। ওসমানীর পোস্ট কমান্ডার ইন চিফ- সেটা মুক্তিবাহিনীর।

৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪৪
comment by: নিহন বলেছেন: +
৫. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪৭
comment by: মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: আপনাকে সালাম জানাতে চেয়েছিলাম ভয়ে করিনি এখন না বলে পারছিনা, ভাই সালাম জানবেন।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৭

লেখক বলেছেন: আপনার ওপরও শান্তি বর্ষিত হোক

৬. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪৮
comment by: লাল মিয়া বলেছেন: কোন হালায় - দিছে?
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০২

লেখক বলেছেন: আর কেডা, আপনের বউর ভাইতো একজনই এইখানে

৭. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪৮
comment by: নরাধম বলেছেন: পিয়ালভাই, আমরাও স্কুলে বইয়ে পড়েছি ওসমানী সর্বাধিনায়ক। তাহলে কি আমরা ভুল পড়েছি এতদিন?
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক, মুক্তিযুদ্ধের না

৮. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪৮
comment by: শাব্বির আহমদ বলেছেন: বস, মেজর জলিল রাজাকার এটা অনেকে বলে। আসলে ঘটনা কি?
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৬

লেখক বলেছেন: মেজর জলিল ৯ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। ওসমানীর সঙ্গে তার যুদ্ধকৌশল নিয়ে বিরোধ ছিল। পরে মেজর মঞ্জুর (জিয়ার হত্যাকারী ও ৮ নম্বর সেক্টর প্রধান) তাকে স্বাধীনতার পর ঢাকা যাওয়ার পথে গ্রেপ্তার করে। উনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজাকার নন। তবে স্বাধীনতার পর জাসদে যোগ দেন এবং পরে ইসলামী সমাজতান্ত্রিক দল খুলেন। শেষ দিকে তার অবস্থান মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের পক্ষে গেছে। ব্লগেও দেখবেন জামাত-শিবিরের কাছে তিনি তুমুল জনপ্রিয়। অনেকে তার ছবি ব্যবহার করে ব্লগ প্রোফাইল হিসেবে

৯. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪৮
comment by: পরশ পাথর বলেছেন: প্রিয় পোষ্ট।+
১০. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪৯
comment by: লোকালটক বলেছেন: ওসমানী মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বলেই তো জানতাম। রাজনৈতিক নেতৃত্ব বঙ্গবন্ধু দিয়েছিলেন এবং যুদ্ধের ময়দানে মুক্তিবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন ওসমানী।

দীপু @ জানলা কই থিকা? সোর্সটা কও। খিয়াল কৈরা...
১১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৩
comment by: রাহা বলেছেন: এই পোস্টে "-(মাইনাস)"... যা বাবা ।
এখন সেই ব্লগার (যে নিরবে এসে - দাগিয়েছে) কে গালি দিলেই লোকে খারাপ বলবে , তবে তাকে কি বলব?? শুকরছানা... না মানুষের বাচ্চা ??
১২. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৫
comment by: নরাধম বলেছেন: ওকে, পিয়ালভাই, বুঝলাম।
১৩. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৬
comment by: নাবিক বলেছেন: "যৌথ কমান্ডের নেতৃত্ব ছিলো অরোরার হাতে। বাংলাদেশের পক্ষে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপসেনাধ্যক্ষ একে খন্দকার। এখন কেন ছিলেন না ওসমানী- এর কোনো ব্যাখ্যা নেই।"

বুঝলাম, উনি অনেক বড় মনের মানুষ ছিলেন তাই "তিনি থাকতে না পারার জন্য কখনও মন খারাপ করে কোনো বিবৃতি দেননি, লেখেনওনি কোথাও যা দলিলাকারে পাওয়া যাবে।" কিন্তু আওয়ামীলীগ নেতারা এ বিষয়ে জানার কথা। এ প্রশ্নতো স্বাধীনতার পরপরই উঠেছিল। জাতীয় চার নেতা তখন বেঁচে। এখনো অনেকে আছেন, উনি কেন ছিলেন ব্যাখ্যাটা দিয়ে দিলেই তো সমালোচনাকারীদের মুখ বন্ধ হয়ে যায়। "এর কোনো ব্যাখ্যা নেই।" বলে তো বিতর্ক জিইয়েই রাখা হলো। কি লাভ এ সব বিতর্ক করে, জিইয়ে রেখে। আমরা কি পারিনা সঠিক ব্যাখ্যা খুঁজে বের করতে।

পিয়াল মেজর জলিলকে নিয়ে এমন আরেকটা জাককাস লেখা চাই, তবে ব্যাখ্যা সহকারে।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০১

লেখক বলেছেন: এ প্রশ্নতো স্বাধীনতার পরপরই উঠেছিল। জাতীয় চার নেতা তখন বেঁচে।
তখন উত্তর কি ছিলো?
জলিল নিয়া পোস্ট ছিলো একটা তার নিজের লেখা। আর তার গ্রেপ্তার নিয়া লেখার ইচ্ছা আছে। হাসপাতাল থেকে এসেই পোস্টটা দিলাম। দোয়া করেন, আপনাদের ভাতিজী আসতেছে

১৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৫৮
comment by: শাব্বির আহমদ বলেছেন: অমি ভাই, আমার প‌্রশ্নের জবাব পাই নাই।
১৫. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০০
comment by: শাব্বির আহমদ বলেছেন: স্যরি খেয়াল করি নাই। জবাবে জন্য ধন্যবাদ।
১৬. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০৪
comment by: নরাধম বলেছেন: ভাতিজির জন্য দয়া রইল। ভাবী এবং বাচ্চার জন্য আগাম শুভ কামনা।
পিয়ালভাই, আমার লেটেস্ট পোস্টটা একটু দেখবেন? আপনার মতামত পেলে ভাল লাগত।
১৭. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০৫
comment by: নাবিক বলেছেন: প্রসংগ মেজর জলিল: "পরে ইসলামী সমাজতান্ত্রিক দল খুলেন। শেষ দিকে তার অবস্থান মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের পক্ষে গেছে।"

আপনার লেখাতে মেজর জলিল মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের পক্ষে তিনি কি কি লিখেছেন, একজন সেক্টর কমান্ডার হয়েও, ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর তাকে জেলে যেতে হয়েছিল কেন ? তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী পক্ষ নিলেন কেন? কেনইবা আওয়ামী লীগ নেত আব্দুর রাজজাক জাতীয় প্রেসক্লাবের সংবাদ সম্মেলনে মেজর জলিলকে রাজাকার বলেছিল এগুলোর শক্ত জবাব চাই। মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের মুখগুলো বন্ধ করতে হবে।
আমার বিশ্বাস আপনিই পারবেন তা।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০৮

লেখক বলেছেন: :)

১৮. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০৭
comment by: নাবিক বলেছেন: ভাতিজী আসতেছে!!!! উহ, শুভ কামনা রইল।
১৯. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:০৭
comment by: সমালোচনাকারী বলেছেন:
মেজর জলিল ৯ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। ওসমানীর সঙ্গে তার যুদ্ধকৌশল নিয়ে বিরোধ ছিল। পরে মেজর মঞ্জুর (জিয়ার হত্যাকারী ও ৮ নম্বর সেক্টর প্রধান) তাকে স্বাধীনতার পর ঢাকা যাওয়ার পথে গ্রেপ্তার করে। উনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজাকার নন। তবে স্বাধীনতার পর জাসদে যোগ দেন এবং পরে ইসলামী সমাজতান্ত্রিক দল খুলেন। শেষ দিকে তার অবস্থান মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের পক্ষে গেছে। ব্লগেও দেখবেন জামাত-শিবিরের কাছে তিনি তুমুল জনপ্রিয়। অনেকে তার ছবি ব্যবহার করে ব্লগ প্রোফাইল হিসেবে
......................
............


শেষ দিকে তার অবস্থান চেন্জ হৈলো কেনো? এমন কি ঘটলো?@অমি
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: কি জানি? আমার গবেষনা ৭১ নিয়া। এর পরের কাহিনীতে আমি কুমা আছি

২০. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:১৯
comment by: মিরাজ বলেছেন: একটা মন্তব্য করেছিলাম, গেলো কৈ? সামহোয়্যারের বাগের অত্যাচারতো দিন দিন বাড়ছে !!

আবার লিখছি -
----

ওসমানী মুক্তিযুদ্ধের সামরিক প্রধান ছিলেন, প্রধান সেনাপতি ছিলেন এবং মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন । মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক নেতৃত্বে সব সময়েই বংগবন্ধুই ছিলেন ।

আপনি যে ডকুমেন্টের সূত্র দিলেন মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য সেটি অত্যন্ত মুল্যবান । সময় পেলে দলিলটি একবার পোষ্ট করবেন । সংগ্রহে রাখবো ।

আর অগ্রীম অভিনন্দন । যদি প্রথমবারের মত পিতা হতে যাচ্ছেন তাহলে দেখবেন জীবনে অনেক পরিবর্তন আসবে । অনেক কিছু করার জন্য নতুন প্রেরণা পাবেন ।

সুখবরের প্রতীক্ষায় থাকলাম ।
২১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:১৯
comment by: ছক্কা হাজী বলেছেন: ওসমানী সর্বধিনায়ক ছিলেন না । তিনি আছিলেন প্রধান সেনাপতি।
শেখ মুজিব পদাধিকার বলেই সর্বাধিনায়ক। এডাই ঐতিহাসিক সত্য।
থ্যানকু , পিয়াল মিয়া।
২২. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৫৪
comment by: তারার হাসি বলেছেন:
অনেক অজানা তথ্য ! ধন্যবাদ আপনাকে ।
অগ্রিম শুভেচ্ছা ...।
২৩. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৫৬
comment by: এস্কিমো বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:০৬
comment by: ভক্কডা বলেছেন: জনাব, আপনে এক্কান মহান ব্যক্তিত্ব। মাথানত করলাম। ভালো থাইক্কেন, সময় পাইলেই লেইক্কেন। আগের মত আপনের লেখা এখন আর তেমন নজরে পরে না তো, এইজইন্যে কইলাম।
২৫. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:০৬
comment by: ভক্কডা বলেছেন: জনাব, আপনে এক্কান মহান ব্যক্তিত্ব। মাথানত করলাম। ভালো থাইক্কেন, সময় পাইলেই লেইক্কেন। আগের মত আপনের লেখা এখন আর তেমন নজরে পরে না তো, এইজইন্যে কইলাম।
২৬. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:১২
comment by: সুশীল সমাজ বলেছেন: এরকম লেখা মাঝে মাঝে দিতে হবে।
২৭. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:২৭
comment by: না বলা কথা বলেছেন:
আফনারে সালাম,
আর আফনারে যে জননী জনম দিয়েছেন ,উনারেও সালাম
২৮. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:০৮
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: প্রথম পাতায় স্বাগত পিয়াল ভাই ।

আপনার কাছ থেকে স্বেচ্ছা নির্বাসন নয় বরং এরকম প্রয়োজনীয় দাতভাঙ্গা জবাব-ই চাই রাজাকার ছানাদের জন্য ।

শোকেসের শোভা বর্ধন করা হইলো ।
বিনীত ধন্যবাদ ।

২৯. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:২৩
comment by: নীতিশ বৈরাগী বলেছেন: +
৩০. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:২৬
comment by: সু-শান্ত বলেছেন: সুন্দর লেখার জন্য ভালোবাসা সহ প্লাস।
৩১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:৪১
comment by: শামীম রিয়াজ বলেছেন: আপনি যে ডকুমেন্টের সূত্র দিলেন মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য সেটি অত্যন্ত মুল্যবান । সময় পেলে দলিলটি একবার পোষ্ট করবেন ।
অনেক ধন্যবাদ সুন্দর লেখার জন্য আর অগ্রীম শুভকামনা রইল।
৩২. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:০৮
comment by: সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন: ধন্যবাদ পিয়াল ভাই ।
তিন কোনারা তবু যদি বোঝে ।

প্রিয়তে যোগ করে রাখি ।
৩৩. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৩৪
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পিয়াল ভাই
+ প্রিয় পোস্ট
৩৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৫৪
comment by: দোলাহাসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ তথ্য সমৃদ্ধ লেখার জন্য।আগাম শুভেচ্ছা ভাতিজীর জন্য।নিজের ভাতিজীকেও দেখা হয়নি।দুজনকেই দেখে আসব বছরের শেষে।ভাল থাকুন এবং অনুরোধ লেখা বন্ধ করবেন না।+++++
৩৫. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:০৫
comment by: রাশেদ বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ পিয়াল ভাই।
৩৬. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:২৪
comment by: রোবোট বলেছেন: সর্বাধিনায়ক প্রশ্নে পিয়ালের সাথে একমত। আমার জানাও তাই। আজ বাংলাদেশ যুদ্ধে গেলে ইয়াজুদ্দিন হবেন সর্বাধিনায়ক , মইন আহমেদ না। ভালো পোসট। ডেখলেন গালির চেয়ে যুক্তির পোসট কত ভালো লাগে। গালি দিলে কোনদিন মনতব্য করতাম না।
৩৭. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:২৫
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: এই না হইলে পিয়াল ভাই! ... আপনার আগের লেখাগুলো আবার যোগ করেন ... এখানে না হলেও অন্য কোথাও ... লেখাগুলো সবসময়েই ম্যাৎকার থামাইতে রিফারেন্স হিসাবে লাগবে ... ++++++++++++
৩৮. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৩০
comment by: হযবরল বলেছেন: ভাল লাগলো লিখাটা। অনেকদিনপর ব্লগে ঢুঁ দিয়েই আপনার একটা লেখা পেলাম।
সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।
৩৯. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১০:৫৫
comment by: ফেলুদা বলেছেন: সত্যভাষণ। কিন্তু এই কথাটারে মিরাজ আর ত্রিভুজ দুইজনই প্যাচাইতেছে।
৪০. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৪৬
comment by: মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: ধন্যবাদ অমি রহমান পিয়াল, ভাল লাগল লেখাটা।
৪১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৩
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনি লড়ুন, আমরাতো আছিই

৪২. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:২৭
comment by: শয়তান বলেছেন: সত্য সবসময়ই সত্য । +
৪৩. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৫১
comment by: সামী মিয়াদাদ বলেছেন: + এবং যথারীতি প্রিয়তে


লিখতে থাকেন....আপনাকে ছাড়া ব্লগ মরুভূমি লাগে
৪৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০১
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: এই সাধারন তথ্যগুলো বার বার লিখতে হয় , এর চেয়ে হাস্যকর আর বেদনার কী হতে পারে !

ওসমানী ১৬ ডিসেম্বর কোথায় ছিলেন , এ বিষয়ে কিছু দলিলপত্র আমার সিলেটের বাসায় আছে । নিয়ে এসে আপনাকে কপি দেয়া হবে ।
৪৫. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:১০
comment by: েজবীন বলেছেন: সর্বাধিনায়ক - ব্যাপারটা সবার কাছে পরিষ্কার করা হয়না কেনো, কেনো বইপত্রে আমরা ছোটবেলা থেকে এই ভুল তথ্যটা জানি?

ধন্যবাদ পিয়াল ভাই ... প্লীজ আরো লিখুন


আগাম শুভেচ্ছা একটা সুস্হ ভাতিজীর জন্য। ভালো থাকুন।
৪৬. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:১৮
comment by: তানজিলা হক বলেছেন: +++++
৪৭. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:২৮
comment by: স্বাপ্নিক বলেছেন: + এবং প্রিয়তে থাকল। অনেক ধন্যবাদ।

অফটপিক: আপনার আর্কাইভ ফেরত চাই। অনেক গুরুত্বপূর্ণ লেখা ও রেফারেন্স ছিল। এভাবে গায়েব হওয়ায় অনেক কিছুতেই আটকে যাই। পেরেশানিতে আছি।
৪৮. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৩
comment by: মুক্তাদীর আহমদ বলেছেন: ধন্যবাদ পিয়াল ভাই, ইতিহাসের অতিমূল্যায়ন আর অবমূল্যায়ন এর উপযুক্ত দালিলীক প্রমাণের জন্য
৪৯. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৩
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ঠিকাছে। আপনাদের অনুরোধে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পোস্টগুলো ফিরিয়ে আনা হবে, তবে সেগুলো জন্মযুদ্ধ গ্রুপে থাকবে
৫০. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৪
comment by: নাভদ বলেছেন: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: ঠিকাছে। আপনাদের অনুরোধে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পোস্টগুলো ফিরিয়ে আনা হবে, তবে সেগুলো জন্মযুদ্ধ গ্রুপে থাকবে
-----------------------------------------------------------------------

অনেক ধন্যবাদ...,

পোস্টে +.
৫১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৭
comment by: মনসুর হিল