আমার প্রিয় পোস্ট
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন স্কোয়াড - টেকনলজী
- মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর ও ফোর্স অধিনায়ক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে গৃহীত সরকার/ সিইনসি ওসমানীর তিনটি পদক্ষেপ ও আমার জিজ্ঞাসা - নুরুজ্জামান মানিক
- যে কারনে পিলখানা হত্যাকান্ড এবং সাম্প্রতিক ছাত্রলীগ কর্মী হত্যাকান্ড ভয়ঙ্করভাবে একই রকম - রাজিয়েল
- "তাহারা এবং তদ্ সংক্রান্ত সুপ্রবচন": ইহা একটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ছড়া, পঠন কালে নর্তন বাঞ্ছনীয় - মতিউর রহমান সাগর
- ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব ৩ - ত্রিশোনকু
- বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন যারা!!! - তাহের
- আবারো স্বদেশপ্রেমের পরিচয় দিল শিবির। - সানুনয়
- পল গোয়েবল বিগ লাই থিওরী,৩৫ বছর ধরে লালন করা কয়েকটি মিথ্যা । ইতিহাসের কাঠগড়ায় যখন সত্য । - আশমএরশাদ
- একজন হিন্দুর হিন্দু হয়ে ওঠা-১ - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- একটি বিজয় দিবসের গল্প। (প্রথম পর্ব) - হাসান শহীদ ফেরদৌস
- বাংলাদেশে দূতাবাসে ভারতীয় কম্যান্ডো? - দিগন্ত
- জামাত দিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার সংবর্ধনা : আসুন আলোচনা হোক - শিপন আবদুর রাজ্জাক
- দরদী হইও মাগো দরদী হইও, সময়ে সময়ে মাগো পাষানী হইও। - অধ্যায়
- কাঁকন বিবিঃ খাসিয়া মুক্তি বেটি - ইফতেখার.আমিন
- একসাথে একাধিক ইয়াহু মেসেন্জারে লগ ইন করুন!!

- ইসানুর
- দৈনিক রাজাকার - সবাক
- আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল! (আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি)
- নাফিস ইফতেখার
- অত:পর কোথায় পালাবে তুমি? - তাজা কলম
- লুকালরে আমি ভালা পাই যে কারণে - স্ট্যানলি কুবরিক
- কিভাবে সেপ থাকবেন , তাঁর লেটেস্ট গাইড - স্ট্যানলি কুবরিক
- সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখি - স্ট্যানলি কুবরিক
- চাঁদ, পাহাড় ও ফরাসী স্বপ্ন - লাল দরজা
- নিউজউইকে সেক্টর কমান্ডার নাজমুল হকের দুষ্প্রাপ্য সেই সাক্ষাৎকার - ফিউশন ফাইভ
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- তেল গ্যাস নিয়ে ব্লগার মেঘনাদ এর অপমানজনক উত্তরের জবাবে আমার মত - সায়েমুজজ্জামান
- সামহোয়্যারে যা ঘটলো, যা ঘটবে তার 'পেছনের কারণ' - Arild, you MUST read this - ধুসর গোধূলি
- ব্লগে বিরাজমান অস্থিরতা বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ !! - নোটিশবোর্ড
- বদরের যুদ্ধের প্রেক্ষাপট: ডাকাতি-লুট না অত্যাচারিতের অধিকার আদায়? - জ্বিনের বাদশা
- কবিতারা…….. - শওকত হোসেন মাসুম
- মহামান্য ঈশ্বরের ডিম সংকট [একটি নিরাপদ পোস্ট] - খেজুর কাঁটা
- অগভীর ভাবনা - বামান্দোলনের ব্যর্থতা - রাসেল ( ........)
- হুমায়ুন আজাদের কিছু নির্বাচিত প্রবচন - জানজাবিদ
- আমিই স্বাধীনতার ঘোষক
**একটি ঐতিহাসিক পোস্ট** - নাফিস ইফতেখার
- ভার্চুয়াল রা(ড়া)জাকার নিধন , বাস্তব প্রেক্ষিত ও আমার ব্যাক্তিগত মিশন - |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|
- আমার প্রেমিকারা - হুমায়রা পর্ব
- ~স্বপ্নজয়~
- ব্লগ বাসী আপনারা কেমন আছেন?- মাতলামি দেখতেছি, হাসতেছি - জমির মাতব্বর
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- সে দিন অপরাজেয় বাংলার দিকেও তাক করে রাখা ছিল একটা ট্যাংন্ক... - লাল দরজা
- আমায় ক্ষমা করে দিও, বঙ্গবন্ধু। - রন্টি চৌধুরী
- আমার স্মৃতিতে হুমায়ুন আজাদ: যেভাবে তাকে হাসপাতলে নিয়েছিলাম এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো... - হাসান শরিফ
- বাংলার তাজ- তাজউদ্দীন আহমদ - ইফতেখার.আমিন
- একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা(পুরো সামহোয়্যর ইন ব্লগের দৃষ্টি আকর্ষন করছি) - েমেহদী হাসান
- বিভিন্ন প্রকারের ব্লগার (একটি জেরী-আউলা-তানজু প্রযোজনা) - আউলা
- জেনারেল অরোরার কাছে পাকিদের আত্মসমর্পণ এবং সে অনুষ্ঠানে ওসমানীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গ - নুরুজ্জামান মানিক
- ঘূর্ণাবর্তনের রাজনীতি। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- ফরহাদ মজহারঃ নাস্তিক মোল্লা - মোস্তাফিজ রিপন
- আমি যে কারণে ল্যাম্পপোষ্টের আচরণ সমর্থন করছি না। - রাসেল ( ........)
- কার কার মনে আছে নাজিয়া হাসানকে? - ইমন জুবায়ের
- বানান ও লেখ্যরীতি : প্রথম আলোর একটি আদি স্টাইল শিট - ফিউশন ফাইভ
- জামাতে ইসলামকে ভুটাইলে যে ফায়দাগুলা পাইতাম - মাতাল মাহবুব
- দুঃখিত, আমি এই জাতীয় কীটদের আমাদের মাঝখানে দেখতে চাই না - হাসিব
- গল্পঃ বসন্ত শেষে - আকাশ_পাগলা
- টিপাইমুখ, টেকনিক্যাল দিকটা চিন্তা করুন, কার ক্ষতি কে করছে? - হমপগ্র
- রাজকন্যার কাছে বাবার কৈফিয়ত... - অমি রহমান পিয়াল
- একটি জিনিস বানাতে দীর্ঘ সময় নিলেন ঈশ্বর। কি সেই জিনিস!!....? - মাহবুবুল ইসলাম (সুমন)
- এখনই সময় পা ধরে মাফ চাওয়ার। - মাথামোটা
- নীতিতে অটল এবং প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, তাই হার মানব না। - মাথামোটা
- ত্রিভুজের কিছু প্রশ্নের উত্তর আমি যেমন জানি - জমির মাতব্বর
- অতপর ভুল স্বীকার করিলে তাহাকে হত্যা করা হইলো - ঝরা পাতা
- ছবি এডিটিং এর কিছু প্রয়োজনীয় সাইট - বোকা ছেলে
- মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী - লাইটহাউজ
- বিয়া ব্লগীং, থুক্কু বিবাহের ছবি - অন্যমনস্ক শরৎ
- সাপ্তাহিক ব্লগ সমাচার এই যে # ৯ই মে, ২০০৯
- নাফিস ইফতেখার
- একটা গোপন অথচ দরকারী পরামর্শ - লেখাজোকা শামীম
- কবি - শিমুল সালাহ্উদ্দিন
- ছাত্রশিবির কি রাজাকার? - নুসরাত জাহান যুথি
- Anatomy of জামাতে ইসলামী ও কিছু সোজা-সাপটা কথা - পাললিক মন
- টেকনো আর ইলেকট্রনিকা :: খারাপ না, চলে - শূন্য আরণ্যক
- ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যার সময় যেই যুদ্ধাপরাধীরা জেলে ছিলেন তাদের বিচার করা হোক আগে - লেখাজোকা শামীম
- ইতিমধ্যে দন্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের এখনও বিচারের আওতায় আনা সম্ভব - রেজওয়ান
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ - রেজওয়ান
- একাত্তরের গণহত্যার ভিডিও - রেজওয়ান
- ৩০ খান ছুপার হিট হা হা পো গে ফটুক: ১১-২০ - ফয়সাল আকরাম
- আত্মবিশ্লেষণ, বনাম-সাধারণ/অসাধারণ এবং একটি ঘৃণাস্তম্ভের প্রস্তাবনা - মেঘ
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে হবেন পেশাদার ব্লগীয় গুলবাজ/গুজবকারী/রটনাকারী (ওপেনসোর্স পোস্ট) + ২০০তম
- নাফিস ইফতেখার
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- অথ: সেরা পোস্ট এ্যান্ড/অর নির্বাচিত পোস্ট সমাচার - হাসিব
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- ডক্টর জাফর ইকবালের লেখা, মিরাজভাই, এ-টীম এবং নরাধমের কিছু কথা। - নরাধম
- জামাতে ইছলাম গ্রুপে যৌন হয়রানির ফাঁদ!!! - লোকালটক
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে নিজেকে মডুদের হাত থেকে রক্ষা করবেন
- নাফিস ইফতেখার
- গোলাম আজমের ভাষা সৈনিকগিরি আর তেলাপোকার জীবন বৃত্তান্ত - এস্কিমো
- স্মারক: রাষ্ট্রপতির সচিবালয়, গণভবন, ঢাকা, পত্র সংখ্যা-৩০/১২/৭৫-সাধারণ-৭২৯/৯(৪০০) তারিখ ১২ মার্চ ১৯৭৫। - মোহাম্মদ আরজু
- আজ মডুর বিয়ে - নাফিস ইফতেখার
- সাবাশ কম্বোডিয়া!! বাংলাদেশেও শুরু হোক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার - জ্বিনের বাদশা
- বাবার ডায়েরীতে ১৯৭১ (৫ম পর্ব) - লীনা দিলরূবা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই-১: একটা কমিশন গঠনের কাহিনী - শওকত হোসেন মাসুম
- একজন নতুন ভোটারের মনের কিছু কথা........ - নাফিস ইফতেখার
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- চেতনার সম্ভ্রম বনাম স্ববিরোধীতার আয়নায় মুখোশের আড়ালে মুখ ! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- আসেন আমরা সবাই মিল্যা নামাজ পইড়া যুদ্ধাপোরাধীগো বিচার চাই - সামী মিয়াদাদ
- সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুয়ায়ী রাজাকার, মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা জামায়াতে ইসলামীর নেতা থাকতে পারে কি?? - একরামুল হক শামীম
- আবে, কোন মামদির পো সামনে খাড়া? যা কিনার - লাল দরজা
- পাগলের রাজণৈতিক প্রলাপ : ( বিশেষ পর্ব) [স্বঘোষিত রাজাকারদের অপপ্রচারের প্রতিবাদ] - এ. এস. এম. রাহাত খান
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- সহীহ মুসলিম মতে গোলাম আজম, নিজামি, মুজাহিদ, সাইদী এবং অন্যান্য জামাতিদের ইমানের স্তর। - হ্যারি সেলডন
- সামহোয়ার ক্লাসিক : কার্টুন কেলেঙ্কারি ও ছাগুদের ম্যাতকার (ইতিহাসের পাতা থেকে) - স্ট্যানলি কুবরিক
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- ৮ই ফাল্গুন কি হারিয়ে যাবে? আসুন বাঁচানোর একটা চেষ্টা করি। - যীশূ
- ইতিহাস খুড়ে দেখা : মুজিবনগর সরকার, স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রের মুল দলিল এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক - মিরাজ
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন দৈনিক সংগ্রামে জাতীয় সংগীত সংক্রান্ত ফতোয়া - এস্কিমো
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( প্রথম পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( ২য় পর্ব ) ( যেকোন রাজাকার এবং রাজাকার সমর্থনকারীদের প্রতি ওপেন চ্যালেঞ্জ, পারলে যুক্তিগুলো খন্ডন করুন) - একরামুল হক শামীম
- আদর্শের জন্য নয়, জামাত পাকিস্তানপন্থী হয়েছিল টাকার জন্য। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে নিয়মিত অর্থ পেতো জামায়াত। - শওকত হোসেন মাসুম
- বাবা কেন যুদ্ধে গেল? - কালপুরুষ
- একটি জাতির জন্ম: জিয়াউর রহমানের নিজের লেখা পড়ুন (১) - আমি সাগর
- পাকিস্তানের জন্য গোলাম আযমের আক্ষেপ ফুরাবে না! - শওকত হোসেন মাসুম
- এ ছবি আপনাকে দেখতেই হবে! আপনি এদেশের মানুষ নন? - তীরন্দাজ
- ছবি ব্লগ : গর্বের এবং বীরত্বের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- ও আমার দেশের মাটি : একটা অসাধারণ ভিডিও । এটাই মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের চেতনা - মিরাজ
- ফাঁসি দেয়ার সঠিক পদ্ধতি
- ইকরাম
- অনেক অজানা অতীত : নতুন প্রজন্মের জন্য। স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ২ (ইংরেজী টেক্সট সহ) - মিরাজ
- ছহি রাজাকারনামা - জেনারেল
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জামাত-শিবির কেন সন্ত্রাসী সংগঠন - অমি রহমান পিয়াল
- ওয়ার্ডপ্রেস ডেটাবেজ ব্যাকআপ রাখুন - গুগুল
- লিংক: রাজাকারের তালিকা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার- সময়ের দাবি - অঃরঃপিঃ
- গোলামের আরো কথা - অঃরঃপিঃ
- থাকলে এমনেই থাকতে হইব, নাইলে ফুট্ - অঃরঃপিঃ
- রাজাকার নিয়া আরেকটু কথা (আড্ডাবাজরে) - অঃরঃপিঃ
- আমাদের গান / সুমন : কোনও এক চিন্ময়ীকে - অঃরঃপিঃ
- স্বীকারোক্তি : আমি একটি অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছি... - অঃরঃপিঃ
- বইয়ের বিজ্ঞাপন : বইমেলায় আমাদেরও বই... - অঃরঃপিঃ
- নতুন সংকলণ : তেকোণালজি - অঃরঃপিঃ
- তেকোণালজি এখন হার্ডকাভারেও - অঃরঃপিঃ
- টুকে লেখা, পড়ে লেখা, জেনে লেখা... (আলী, হাবিব মহাজন। ফাডাররাও পড়তে পারেন) - অঃরঃপিঃ
মাননীয় নেত্রী শেখ হাসিনা, ১৬ বছর পরও কি আপনার এই বক্তব্য অনুদিত হবে না?
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৬:৫৯
আপা, সংসদ নির্বাচনে জনগণের একতরফা রায় নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন আপনি ও আপনার দল। অভিনন্দন সেজন্য। গণতন্ত্রের রাজপথে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির বিজয় অবশ্যই আনন্দের। কিন্তু আমি আপা বিজয়ের আনন্দ করতে আসি নাই। বিচারের দাবি নিয়ে আসছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি। আর সেইজন্য আপনার সামনে তুলে ধরছি ১৬ বছর আগে জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেত্রী হিসেবে আপনারই ভাষণের উল্লেখযোগ্য অংশ। ১৯৯৬ সালের ব্যর্থতা নিশ্চয়ই ২০০৯ সালেও দেখতে হবে না আমাদের। স্বাধীনতার পক্ষের আপামর জনগণের বিশ্বাস, এবার আপনি নিশ্চয়ই সেটা করে দেখাবেন। আমরা আশায় বুক বাধলাম।
(১৬-৪-১৯৯২ সংসদে বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার ভাষণের উল্লেখযোগ্য অংশ)
'অবাক পৃথিবী, অবাক করলে তুমি'
মাননীয় স্পিকার, গত কয়েকদিন ধরে আমরা যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছি, এটা আমাদের দূর্ভাগ্যই বলতে হবে, আজ একজন যুদ্ধাপরাধী, স্বীকৃতি যুদ্ধাপরাধী হিসেবে যার বিচার হয়েছে- সে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব হারিয়েছে, রাজনীতি করার অধিকার হারিয়েছে, ভোটার তালিকায় যার নাম নেই; ভোট দেবার, ভোটে অংশ গ্রহণ করবার সব অধিকার হারিয়েছে। রাজনীতি করার সে অধিকার হারিয়েছিলো, আজ স্বাধীনতার এত বছর পর তাকে নিয়ে আলোচনা করতে হচ্ছে এবং সে যুদ্ধাপরাধী কিনা, তার পক্ষে কেউ কেউ কিতাবের পর কিতাব তুলে নিয়ে এমনভাবে ওকালতিতে নেমেছেন এর প্রতিবাদ বা নিন্দা করার ভাষা আমার জানা নেই। শুধু সুকান্তের ভাষায় বলতে হয়, 'অবাক পৃথিবী, অবাক করলে তুমি!' আমরা বিস্মিত, অবাক, মর্মাহত এবং ব্যথিত হয়েছি। শুধু মনে হয়, আমরা কি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে বাস করছি, নাকি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের পরও বন্ধনীতে কোনো নাম অলিখিতভাবে লিখিত হয়েছে, আমরা সেই দেশে বাস করছি? সে প্রশ্নটাও আজ বারবার মনে জাগছে।
মাননীয় স্পিকার, আজ অনেক কথা বলার আছে। কিন্তু ওকালতির বহর দেখে আজকে সেসব কথা বলতেও যেন নিজেকে ছোটো মনে হচ্ছে। কারণ ন্যাক্কারজনকভাবে ওকালতিপনায় একজন যুদ্ধাপরাধীকে রক্ষা করার আপ্রাণ প্রচেষ্টা আমরা দেখতে পাচ্ছি। একটা কথা আছে যে, 'অল্প শোকে কাতর, অধিক শোকে পাথর'-অনেকটা সেই অবস্থায়ই চলে গিয়েছে। কারণ আজকে এই সংসদে দাঁড়িয়ে ঠিক এইভাবে জামাতের মতো একটি দল, যে দল স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলো, আর তারই নেতা গোলাম আযম একজন যুদ্ধাপরাধী। তারপক্ষে একটি দল ওকালতি করছে, যে দলের নেতাও মুক্তিযুদ্ধ করেছিলেন। সে দলের দিকে যদি আমি তাকাই তাহলে আজ বহু চেহারা আমার নজরে পড়ে, যারা কেউ স্বামী হারিয়েছেন, ভাই হারিয়েছেন- বাবা হারিয়েছেন। সেই দলের মধ্যে থেকে যখন কথাগুলো আসে, তখন সত্যি কাতর না হয়ে পাথর হওয়া ছাড়া আর কোনো গত্যান্তর থাকে না, মাননীয় স্পিকার।
রাজাকাররা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অংশ
মাননীয় স্পিকার, আপনি জানতে চেয়েছেন, আল-বদর, রাজাকার পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর অক্সিলারি ফোর্স (সহযোগী বাহিনী) কিনা? এই প্রশ্ন গতকাল এসেছে। আর আমাদের কোনো কোনো ব্যারিস্টার সাহেবের বক্তব্য শুনে মাঝে মাঝে ভুলে যাচ্ছিলাম, আমরা কি কোর্টে দাঁড়িয়েছি নাকি সংসদে বসে আছি।
রাজাকার বাহিনী অক্সিলারী ফোর্স ছিলো কিনা, আমি একজন তার স্বাক্ষী। তার কারণ হচ্ছে, ১৯৭১ সনে আমার মা, আমার বোন, আমার ভাইয়েরা, আমার স্বামী, আমার চাচা-চাচী, আমরা সবাই পাকিস্তান আর্মির হাতে দীর্ঘদিন বন্দী ছিলাম। এই বন্দী অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে আমার সন্তান হয়। ধানমন্ডীর ১৮ নম্বর সড়কের একটি বাড়িতে আমরা যখন বন্দী ছিলাম, তখন পাকিস্তানী আর্মির সঙ্গে তাদের মিলিশিয়া বাহিনী আমাদের ওই বাড়িটি পাহারা দিতো। ছাদের উপর কয়েকটি মেশিনগান পাতা ছিলো, বাঙ্কার করা ছিলো এবং যুদ্ধ যখন চলছিলো,তার একটি পর্যায়ে দেখা গেলো পাকিস্তানের সেই মিলিশিয়া বাহিনী, যারা বেলুচ রেজিমেন্টে ছিলো, তাদেরকে সরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের কিছু রাজাকারকে অস্ত্র হাতে নিয়ে পাকিস্তানি মিলিটারির সঙ্গে সেই বাড়ি পাহারা দেবার কাজে নিয়োজিত রেখেছে। রেশনে যে খাবার আসতো, তা রাজাকারদের জন্যই আসতো। পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর একটি অংশ হিসেবে তারাও বাড়ি পাহারা দিতো। আমার মনে হয়, এর থেকে জ্বলন্ত প্রমাণ আর কিছু হতে পারে না....
(রাজাকারদের বিষয়ে গেজেট নোটিফিকেশন উত্থাপন করেন তিনি)
গোলাম আযম নরঘাতক
মাননীয় স্পিকার, এটা অত্যন্ত দূর্ভাগ্যজনক বিষয় যে এতদিন পর আমাদের প্রমাণ করতে হচ্ছে যে গোলাম আযম রাজাকার প্রধান ছিলেন কিনা? গোলাম আযম যে একজন হত্যাকারী ছিলেন, তার একটি প্রমাণ আমি এখানে দিচ্ছি। হোমনা থানার প্রতিনিধি নিশ্চয়ই এখানে আছেন। কুমিল্লার হোমনা থানার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক জনাব সিরু মিয়া দারোগা ও তার কিশোর পুত্র আনোয়ার কামালকে গোলাম আযমের লিখিত পত্রের নির্দেশে হত্যা করা হয়। সিরু মিয়া দারোগা মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিন থেকে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন এবং কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ট্রেনিং ও অপারেশন চালাতেন। '৭১এর ২৭ অক্টোবর সিরু মিয়া দারোগা এবং তার কিশোর পুত্র আনোয়ার কামাল মুক্তিযুদ্ধে ট্রেনিং ক্যাম্পে যাওয়ার সময় অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে রাজাকারদের হাতে ধরা পড়ে। সিরু মিয়া মুক্তিযুদ্ধে অনেক দুঃসাহসিক কাজ করেছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় কাজ করেছিলেন যে তিনি আমাদের প্রবাসী বিপ্লবী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের স্ত্রী বেগম তাজউদ্দিনকে সপরিবারে কুমিল্লা সীমান্ত পার করে পৌছে দিয়েছিলেন। সেই সিরু মিয়াকেও গোলাম আযমের নির্দেশে হত্যা করা হয়েছিলো। তার নজির ও প্রমাণ (একখানা কাগজ দেখিয়ে) এই কাগজে রয়েছে। আপনি চাইলে এই কাগজও আপনার কাছে দিতে পারি।
মাননীয় স্পিকার, আজকে আমরা আইন হাতড়ে বেড়াচ্ছি যে কোন আইনে তাকে বিচার করা যায়। এখানে বিএনপির ব্যারিস্টার সাহেবরা অনেক কথাই বলেছেন। আজকে আমার দলের পক্ষ থেকে আমরা Act XIX of 1973 (আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আইন) উল্লেখ করেছি। এই এক্টের ধারা অনুযায়ী ট্রাইবুনাল গঠন করে বিচার করা যেতে পারে বলে আমাদের সদস্যরা যে প্রস্তাব রেখেছেন, সরকার পক্ষ থেকে এর বিরুদ্ধে নানা রকম অজুহাত দেখাচ্ছেন। গোলাম আযম একজন নরঘাতক। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে যারা বিশ্বাস করে তাদের মনে এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ থাকতে পারে, এ কথা বিশ্বাসযোগ্য নয়। আমরা জানি, অন্তত এই বিষয়ে কারো মনে কোনো সন্দেহ নেই।
প্রকৃত অপরাধীদের ক্ষমা করা হয়নি
আজকে এই সরকার একটি কথা বলছেন যে, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমা করেছিলো। হ্যাঁ মাননীয় স্পিকার, ক্ষমা করেছিলো। কিন্তু কেনো ক্ষমা করা হয়েছিলো? মাননীয় স্পিকার আপনি জানেন যে বঙ্গবন্ধু কোন অবস্থার প্রেক্ষিতে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রায় ৩৭ হাজার দালাল বন্দী হয়। এবং এই সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পর প্রায় ২৬ হাজার দালাল মুক্তি পায়। তারপরও ১১ হাজার দালাল তখনও বন্দী ছিলো এবং তাদের বিচার কাজ চলছিলো। এর মধ্যে অনেক বন্দী সাজাপ্রাপ্ত ছিলো। পরবর্তীকালে আমরা দেখেছি এইসব সাজাপ্রাপ্ত বন্দীরা এই স্বাধীন বাংলাদেশের মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর পদও অলংকৃত করেছে।
মাননীয় স্পিকার, আজকে বলা হয় আওয়ামী লীগ এইসব দালালদের সাজা দেওয়ার জন্য কিছূই করেনি। আওয়ামী লীগ ত্রিপক্ষীয় চুক্তি করে যে ক্লেমেন্সি (সাধারণ ক্ষমা) দিয়েছিলো, সে কথাও বলা হয়েছে। কিন্তু সেটা কেন করতে হয়েছিলো? সেইসব বন্দীদের মুক্তির বিনিময়ে কাদেরকে ফেরত আনা হয়েছিলো?
মাননীয় স্পিকার, আপনি জানেন, দেশবাসী নিশ্চয়ই তা জানে। সেইসময় প্রায় চারলক্ষ বাঙালী পাকিস্তানে বন্দী অবস্থায় ছিলো। তাদের পরিবার ও আত্মীয়স্বজন বাঙালীদের ফিরিয়ে আনার জন্য রাস্তায় নেমেছিল, বঙ্গবন্ধুর কাছে গিয়েছিলো। আমাদের কাছে এসেও অনেকে কান্নাকাটি করেছেন। এইরকম একটা অবস্থায় সেইসব বাঙালীদের ফিরিয়ে আনার জন্যই এই ক্লেমেন্সি (সাধারণ ক্ষমা) দেয়া হয়েছিলো। এদেশে ফেরত আসতে পেরেছিলেন আজকে যিনি আমাদের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল নুরুদ্দিন, আজকে যিনি বিডিআর প্রধান জেনারেল লতিফ এবং জেনারেল মাহমুদুল হাসান, জেনারেল সালামসহ অনেকেই। আজকে এখানে মন্ত্রীদের সারিতে বসে আছেন মজিদ-উল হক সাহেব, মোস্তাফিজুর রহমান সাহেব। সেদিন এই ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়েছিলো বলেই তারা দেশে ফেরত আসতে পেরেছিলেন। এবং আমি মনে করি, তারা সকলেই বঙ্গবন্ধুর সেই প্রচেষ্টার কথা আজ কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবেন এবং বলবেন ক্লেমেন্সি দিয়ে বঙ্গবন্ধু কোনো ভুল করেননি। কিন্তু ক্লেমেন্সি দিলেই যে বিচার করা যাবে না এমন তো কোনো কথা নেই। এদের বিচার করার জন্য তো বঙ্গবন্ধু অ্যাক্ট করে রেখেছিলেন, সেটা হলো Act XIX of 1973 (আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আইন) এবং সংবিধানের ৪৭(৩) অনুচ্ছেদে স্পষ্ট বিধান রয়েছে যে এদের বিচার করা যাবে।
সাধারণ ক্ষমা করার ব্যাপারে আরো কিছু কারণ ছিলো। মাননীয় স্পিকার আপনি সেসব কথা জানেন, কারণ আপনি নিজেও একজন মুক্তিযোদ্ধা। এই দেশে যে মুক্তিযুদ্ধ হয় সেটা গেরিলা যুদ্ধ ছিলো। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে যে, বাড়ির কোনো একজনকে কোনো একটা পদে রেখে সেই বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা তাদের যুদ্ধ পরিচালনা করেছে এবং এই ধরণের যে সমস্ত কেস ছিলো, যারা প্রকৃতপক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা করেছে, তাদেরকেই বঙ্গবন্ধু সাধারণ ক্ষমা করেছিলেন। কিন্তু যারা সত্যিকার যুদ্ধাপরাধী, বিশেষ করে যারা গণহত্যা চালিয়েছে, যারা লুটতরাজ করেছে, যারা নারী ধর্ষণ করেছে, যারা অগ্নিসংযোগ করেছে তাদেরকে কিন্তু ক্ষমা করা হয়নি....
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধকে রক্ষা করবো
মাননীয় স্পিকার, আজকেও যারা গণ আদালতকে অস্বীকার করতে চায়, আমি তাদের একটি কথাই বলতে চাই, আমরা আন্দোলন সংগ্রামের সময় বারবার অঙ্গীকার করেছি, এমনকি তিনজোটের যে রূপরেখা, সেই রূপরেখায়ও আমরা উল্লেখ করেছি যে আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখব, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মূল্যবোধকে আমরা রক্ষা করবো। আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করেছি জনগনের রায় নিয়ে। জনগনকে সামনে নিয়ে। জনগনের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটিয়ে এবং সেই রায়ের ফলে আজকের এই সংসদ। এই সংসদে আজকে যদি প্রশ্ন ওঠে গণআদালত বৈধ না অবৈধ, তাহলে জনগণকেই অস্বীকার করা হয়। কিন্তু ক্ষমতার মোহে পড়ে জনগনকে অস্বীকার করলে এর যে ভয়াবহ পরিণতি হবে তার দায়দায়িত্ব আজকে যারা ক্ষমতায় আছে তাদেরকেই নিতে হবে।
মাননীয় স্পিকার.... নানা জটিল সমস্যা আমাদের রয়েছে। সেই সমস্যার সাথে সাথে আজকে যাদের ওকালতি সরকার করছেন, তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপে আজ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নাজুক অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও সারা বাংলাদেশে এদের সন্ত্রাসী আঘাতের ফলে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মীরা মৃত্যুবরণ করছে, আঘাত প্রাপ্ত হচ্ছে এবং তারা আরও বেশী সন্ত্রাসী তৎপরতা সৃষ্টি করবে যখন দেখবে সরকারী দল তাদেরই পক্ষ হয়ে ওকালতি করে যাচ্ছে। আজকে আমার ভাই মেজর হাফিজ সাহেব অত্যন্ত চমৎকারভাবে বলেছেন যে, যখন আমাদের ব্যারিস্টার সাহেবরা ওকালতি করছিলেন তখন জামাতে ইসলামীর কিছু কিছু এমপি সাহেব অত্যন্ত উৎফুল্ল ছিলো ফলে তাদের আর কিছু বলার নাই তাদের (জামাত) হয়ে ওকালতি তো তারা (বিএনপি করেই যাচ্ছেন)।
গোলাম আযম ও সহযোগীদের বিচার করতে হবে
এই মহান সংসদের সে অধিকার রয়েছে। জাতি সেই অধিকার দিয়েছে। এই সংসদ সার্বভৌম সংসদ। সেই লক্ষ্যে- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধাচারণ, যুদ্ধ ও গণহত্যাসহ মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সাধন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পরও পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধারের সাথে জড়িত থেকে বাংলাদেশের বিরোধিতা, বিদেশী নাগরিক হওয়া স্বত্বেও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের উদ্দেশ্যে বেআইনী রাজনৈতিক তৎপরতায় লিপ্ত পাকিস্তানী নাগরিক গোলাম আযমের বিরুদ্ধে ১৯৯২ সালের ২৬ মার্চ জনগণের যে মতামত প্রতিফলিত হয়েছে তাকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ আন্তর্জাতিক ক্রাইম অ্যাক্ট ১৯৭৩ (Act XIX of 1973) অনুসারে ট্রাইবুনাল গঠন করে, তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহ বিচারের জন্য আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আমি আপনার মাধ্যমে এই সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি। সেই লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়কে গোলাম আযম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে মামলা দায়ের ও বিচারের ব্যবস্থা করার প্রস্তাব রাখছি। একইসঙ্গে বাংলাদেশে জাতীয় সংসদে জনগনের এই মতামত প্রতিফলনকারী গণআদালতের উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে জারীকৃত অসম্মাণজনক মামলা দায়ের করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ওই মামলা প্রত্যাহারের জন্য আমি আপনার মাধ্যমে সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি।
..... আমি আশা করি, আর কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্বে না থেকে শত শহীদের আত্মার প্রতি সম্মাণ জানিয়ে শত লাঞ্ছিত মা বোনের ইজ্জতের প্রতি সম্মাণ জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও লক্ষ্যকে প্রতিষ্ঠিত রেখে একটা নরঘাতক গোলাম আযমের বিচারের প্রশ্নে আর কোনো দ্বিমত কেউ রাখবেন না। এই আশা পোষন করে আপনাকে ধন্যবাদ দিয়ে আমার বক্তব্য শেষ করছি।
ধন্যবাদ।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।
১৬-৪-১৯৯২ ইং।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কেমিকেল আলী বলেছেন:
সময়মত সেইরম পোষ্ট
শামীম রিয়াজ বলেছেন:
ধন্যবাদ পিয়াল ভাই, এই লেখাটার দরকার ছিল।
মানুষ বলেছেন:
এখনও কি বিচার হবে না? এখনই না হলে আর কখনই হবে না।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
সামহোয়ারকে একান্ত অনুরোধ, এই পোস্টটা কে স্টিকি করেন
রাজর্ষী বলেছেন:
চমৎকার পরিষ্কার বক্তব্য, ধন্যবাদ আপনাকে। যারা সাধারন ক্ষমা নিয়ে পানি ঘোল করে তাদের জন্য ভাল জবাব। তবে আমাদের আরো জানা দর্কার কোন বাস্তবতার কারনে আওয়ামীলীগ ৯৬ এ ক্ষমতায় গিয়েও বিচার কর্তে পারে নাই। এই নিয়ে আপনার তথ্যবহুল পোস্ট আশা করছি।
লেখক বলেছেন: এই বিষয়টা আমার ভালোমতো জানা নাই, জেনে লেখার চেষ্টা করবো। তবে এই মুহূর্তে আমি সামনে আগাইতে চাই। এই দাবি নিয়া রাজপথে নামবো
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
বিচার এখনই না হলে আর কখনই হবে না।
অক্ষর বলেছেন:
বিচার এবার হবেই
আবুল বাহার বলেছেন:
নতুন সরকারের কাছে আমার প্রথম দাবী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
উনার দাবি যদি সত্যি হয়, তাহলে গোলাম আযমের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগের প্রমাণ তার কাছেই আছে। সুতরাং দেরী কিসের?
আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন:
জনগন সমর্থন দিয়েছে, এবার প্রতিশ্রুতি পূরণের পালা। প্রথমেই বিচারের কাঠগড়ায় দেখতে চাই যুদ্ধাপরাধীদের।
সুনাগরিক বলেছেন:
আওয়ামী লীগ তার রাজনৈতিক 'তহবিলে' হাত দেবে কী না দেখা যাক।
ক-খ-গ বলেছেন:
দেশ আজ দাতাল শুয়োর মুক্ত!! বিচার এবার হতেই হবে....
রাশেদ বলেছেন:
দেখা যাক! বিচারটা করে নাকি!
হাসান মাহবুব বলেছেন:
বিচার চাই।কিন্ত হবে বলে মনে হয়না।৯৬ এ আ.লীগ কি করসে ৫ টা বছর?
লেখক বলেছেন: সেইবার কাহিনী অন্য ছিলো, সত্যি বলতে সেইবার আসলে জামাতের লগে গোপন এলায়েন্সে ক্ষমতায় আসছিলো আওয়ামী লীগ
রাজর্ষী বলেছেন:
নামেন আমরা আছি সাথে। এইবার এই ব্যাপারটার একটা দফা রফা কর্তেই হবে।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
আওয়ামী লীগ যদি ৯৬ এ বিচার করতে যেত তবে এটাকে রাজনৈতিক হয়রানি আখ্যায়িত করে জামায়াত দেশে গৃহযুদ্ধের পরিস্হিতি সৃষ্টি করত বলে মনে হয়। তবে এখন দেশে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে তাতে আওয়ামী লীগ বিচারের পদক্ষেপ নিলে সমস্যা হবে না মনে হয়।
'লেনিন' বলেছেন:
কথার ফুলঝুড়ি আর স্তূতি ভুলে যান। ৩৭ বছর পার হয়েছে কোনো পরিবারতন্ত্র চায়না বোধহয় আর জনগণ। সুতরাং কথা কম কাজ বেশি। দেশের জনগণ রাজতন্ত্রের জন্য ভোট দেয়নি। আর রাজা-রাণীকে স্তূতিও করতে চায়না। কথাগুলো কাঠখোট্টা শোনাতে পারে, কিছু করার নেই। কথাগুলো নিরেট বাস্তব।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
অচেনা সৈকত বলেছেন: আওয়ামী লীগ যদি ৯৬ এ বিচার করতে যেত তবে এটাকে রাজনৈতিক হয়রানি আখ্যায়িত করে জামায়াত দেশে গৃহযুদ্ধের পরিস্হিতি সৃষ্টি করত বলে মনে হয়। তবে এখন দেশে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে তাতে আওয়ামী লীগ বিচারের পদক্ষেপ নিলে সমস্যা হবে না মনে হয়।অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা
রাশেদ বলেছেন:
@ অমি ভাই... তাইলে জাহানারা ইমামের সেই গণজাগরনটা তেমন আলো ফেলে নাই কইতেছেন?
লেখক বলেছেন: এই বিষয়ে এখন লেখতে ইচ্ছা করতেছে না। দেখি আগে কি হয়। 'আম্মা'র স্বপ্ন এইবার যদি বাস্তবায়ন না হয়। নাগরিকত্ব ত্যাগ করুম
ফকির ইলিয়াস বলেছেন:
হাঁ , সম্মানিত জননেত্রী - আপনি সেই কাজটিতে হাত দিন ।বাংলার মানুষ সেই রায় দিয়েছে এই ভোটের মাধ্যমে।
@ রাশেদ ভাই - শহীদ জননী র কাজ কে অস্বীকার কেউ করতে পারবে না।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
জাহানার ইমামের গণজাগরনটাকে আমরা ধরে রাখতে পারি নাই। উনি মারা যাবার পর এই আন্দোলনকে চালিয়ে নিয়ে যাবার মত কাউকে দেখি নাই। উপরন্তু এই আন্দোলনের ব্যাপারে লীগের তৎকালীন নীতি আন্দোলনকে বেগবান করতে পারে নাই। যতই বলেন, বিএনপি দেশের শক্তিশালী দল। জামায়াতের বিচার করতে গেলে তাদের সমর্থনটাও দরকার। সেটা পাওয়া যাবে বলে বিশ্বাস করি না। এখন যদি লীগ বিচার করতেই চায় তার সম্বল শুধু সাধারণ মানুষের সমর্থন। সত্যিই যখন জামায়াত তার অস্ত্র প্রদর্শন শুরু করবে তখন তাদের পাল্টা জবাব দিতে হলে আপনাকে সেনাবাহিনীও নামাতে হতে পারে। যারা জামায়াতের রাজনীতির খোঁজ রাখেন তারা ভাল বুঝবেন এটা। কাজেই সেনাবাহিনী ও জনগণের সমর্থন নিয়েই এই কাজে হাত দিতে হবে।
অচেনা সৈকত বলেছেন:
উপরের কমেন্টে 'জাহানারা ইমাম' পড়তে হবে।
সিমু নাসের বলেছেন:
এইবার এটাই হোক আমাদের আন্দোলন। পোস্টটিকে স্টিকি করা হোক।
শামীম রিয়াজ বলেছেন:
পোস্ট স্টিকি করার আবেদন জানাই!
রাগ ইমন বলেছেন:
পোস্টটিকে স্টিকি করা হোক । এইটার কন্টেন্ট দিয়ে প্রথম আলো ব্লগে দিতে চাচ্ছি , ব্লগ নিয়ে আপত্তি থাকতে পারে কিন্তু সবার চোখে পড়ার স্বার্থে দিতে চাই । কোন আপত্তি ?
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই, আপত্তি থাকবে কেনো! গো এহেড। আমার কোনো কন্টেন্টই কপিরাইট করা না।
আমি দিতে পারবো না, কারন রাজাকারকে রাজাকার বলায় প্রথম আলো ব্লগে আমাকে ব্যান করা হইছে। নীতিমালার দোহাই। আপনি দিলে আপনাকে যেনো ব্যান না করে এই প্রার্থনা করি। তাদের নীতিমালায় এইটা উস্কানিমূলক পোস্ট হইতে পারে
রাগ ইমন বলেছেন:
অথবা , নিজে দিলে আরো ভালো হয়
নাহিদ বলেছেন:
কোন প্রত্রিকা যাদ প্রতিদিনের কিছু ব্লগ পোষ্ট প্রকাশ করতো তাহলে অনেক ভালো হইতো..... তাহলে এই পোস্টও লিড নিউজ হিসাবে স্থান পাইতো...
রূপক বলেছেন:
"বিজয়ের আনন্দ করতে আসি নাই। বিচারের দাবি নিয়ে আসছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি।"যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
কৌশিক বলেছেন:
এইবার আর থামোন নাই...
ধন্যবাদ পিয়াল।
জয় হাসান বলেছেন:
+
ধন্যবাদ পিয়াল।
ইরতেজা বলেছেন:
প্লাস। প্রিয় পোষ্ট
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
এই সময়ের সাথে একটা অসাধারন পোস্ট!
জয়িতা বলেছেন:
এইবার বিচার না হলে কবে হবে???????
ইসানুর বলেছেন:
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: উনার দাবি যদি সত্যি হয়, তাহলে গোলাম আযমের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগের প্রমাণ তার কাছেই আছে। সুতরাং দেরী কিসে??দ্রুত বিচার শুরু করা হোক
পাপী বলেছেন:
জোশিলা!! আশায় বুক বাঁধলাম। থামাথামি নাই!!
স্বপ্নশিকারী বলেছেন:
আশায় আছি।
নাহিদ বলেছেন:
হাসিনার কাছে এইটাকে পৌছানো যায় না কোনভাবে?
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
শেখ হাসিনা কি জানেন, জনগন কেন তাকে পূর্ণাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়েছে? এবার আমরা বিচার চাই। সময়মত সুন্দর একটি পোষ্ট দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
স্বজন বলেছেন:
নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্টতা দেয়ার পরও এইবার যদি বিচার না হয় তাহলে জনগন আওয়ামীলীগকে কখনোই ক্ষমা করবেনা। কখনোই না।
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
এখানেও ৩টা মাইনাস! রাজাকারগুলার এখনও শিক্ষা হয় নাই!!!!!
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
আশায় বাঁধি বুক...
তারিফএজাজ বলেছেন:
ধন্যবাদ, অমিপিয়াল ভাইয়াকে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এই সরকারকেই করতে হবে।
এখনও গল্প লিখি বলেছেন:
এমন একটা লেখা বড় বেশি প্রয়োজন ছিল। অনেক ধন্যবাদ ভাই। এটাকে লিফলেট করা হলে ভাল হত
বাবুয়া বলেছেন:
আমার এলাকার জয়ী প্রার্থী জানেন-খুব সামান্য হলেও তাঁর জেতার পিছনে আমার মত অনেক সাধারন মানুষের অনেক অবদান আছে। আমরা চাই-নির্বাচনের পুর্বে দেয়া নেত্রীর প্রতিটি ওয়াদা যেনো পুরন করা হয়। আগের বার কিন্তু শুধু স্বপ্ন স্বপ্ন করেই ৫ টি বছর পার করেছিলেন!
এখনও গল্প লিখি বলেছেন:
জনগনের রায় প্রমাণ করে দিয়েছে তারাও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়সুতরাং আর দেরী কেন?
আমরা বিজয়ের আনন্দের সাথে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী চালিয়ে যাব
চাণক্য বলেছেন:
অপেক্ষায় রহিলাম সেইদিনের যেইদিন গোলাম আজম, নিজামী, মুজাহিদ ফাঁসি কাস্টে ঝুলিবে ৭১ এর অপরাধের দায়ে।
ভোরের কুয়াশা...ফয়সাল বলেছেন:
মাইনাস দিল কোন শালায়
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: সময়োপযোগী লেখা। এই লেখাটা শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছানো যায় না?
বর্তমানবাংলা বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
ওসমানজি২ বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই ।
রাহুল বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
সাদাসিধা বলেছেন:
জনগণ বিচারের জন্য আর অপেক্ষা করে নাই, তারা নিজেরাই করে দিয়েছে। এখন শুধু আনুষ্ঠানিকতা বাকী।এই কাজটুকু আমরা আশা করতেই পারি।
নাফিস ইফতেখার বলেছেন:
It's now or never.......হলে এখনই আর না হলে কখনোই নয়........
বলাক০৪ বলেছেন:
বাবুয়ার কথার সূত্র ধরে বলতে চাই, আসলে, এই লেখকেই অনুরোধ করতে চাই যে আওয়ামী লীগের গতবারের প্রতিশ্রুতি গুলি আর একবার তুলে ধরুন না। তাতে আওয়ামী লীগ এবং অন্যান্যদের ভালো বই মন্দ হবে না। স্বপ্ন দেখার পাশাপাশি তারা এবার হাত গুটিয়ে কাজে নেমে পড়ুক। তা না হলে হয়ত আবার আরো পনের বছর অপেক্ষা করতে হবে ক্ষমতায় আসার জন্য। পিয়াল, আপনাকে অনেক রিসোর্সফুল মনে হচ্ছে, তাই আপনার কাছ থেকে এরকম আরো তথ্য পাওয়ার আশা রইল।
গিফার বলেছেন:
দেখা যাক! বিচারটা করে নাকি!
সাইবেরিয়ান কোকিল বলেছেন:
এখন যেহেতু আওয়ামিলীগ সংবিধান পরিবতর্ন করতে পারবে তাই আইন করা দরকার- মুক্তিযু্দ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবে না।
শেরজা তপন বলেছেন:
কি হয়েছে আর কি হয়নি তানা ভেবে আমি নতুন করে আবার আশাবাদী বাংলার মাটিতে অবশ্যই তাদের বিচার হবে।
লেখক বলেছেন: মনের কথাটা বললেন
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
নতুন করে আশায় বুক বাধলাম। রাজাকারদের বিচার যেন এ মাটিতেই হয় এবং তা শীঘ্রই......ধন্যবাদ পিয়াল ভাই।
পার্থসারিথ বলেছেন:
সময়োচিত সঠিক লেখা এবং আশা করি আপামর জনগণের একান্ত আশা পূরণ হবে...এবার শুধু সময়ের দাবী...এবার ভুল করলে মহাজোট মহাকালের গর্ভে হারিয়ে যেতে পারে। ধন্যবাদ পিয়াল ভাই অতি উত্তম বিষয়টি তুলে ধরার জন্য।
লাল দরজা বলেছেন:
অমি, কমরেড আপনাকে সালাম। সময়োপযোগী পোস্ট, কতৃপক্ষকে ধন্যবাদ। অচেনা সৈকতের বিশ্লেষন যথাযথ। বাংলাদেশের মানুষ রায় দিয়ে দিয়েছে, এবার ওদের কাঠগড়ায় দাড়াতেই হবে।
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
রাজাকার মুক্ত সংসদ চেয়েছিলাম। সারারাত জেগে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছিলাম। ঈশ্বর শুনেছিলেন। তবে খুব বেশি মনোযোগ দিতে পারেন নি। সেজন্যই চট্টগ্রাম-১০ এবং কক্সবাজার-২ আসনে ২ রাজাকার জিতলো। যারা এদের ভোট দিয়েছে তারাই বড় রাজাকার। রাজাকার সাকাচৌ ও পাশ করেছে... আফসুস !!!রাজাকার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবার হবে, হতেই হবে। এবারের আন্দোলন হবে এই একটি মাত্র ইস্যুতে...বিচার এবার হবেই...নাহলে আমাদের শেষ ভরসা, রাজপথতো আছেই...স্যালুট কমরেড !!!!
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
রাজাকার মুক্ত সংসদ চেয়েছিলাম। সারারাত জেগে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছিলাম। ঈশ্বর শুনেছিলেন। তবে খুব বেশি মনোযোগ দিতে পারেন নি। সেজন্যই চট্টগ্রাম-১০ এবং কক্সবাজার-২ আসনে ২ রাজাকার জিতলো। যারা এদের ভোট দিয়েছে তারাই বড় রাজাকার। রাজাকার সাকাচৌ ও পাশ করেছে... আফসুস !!!রাজাকার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবার হবে, হতেই হবে। এবারের আন্দোলন হবে এই একটি মাত্র ইস্যুতে...বিচার এবার হবেই...নাহলে আমাদের শেষ ভরসা, রাজপথতো আছেই...স্যালুট কমরেড !!!!
রাতুল২০০৮ বলেছেন:
এইবার যদি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা না হয় , তাইলে আওয়ামীলীগ কে দেশের মানুষ মাফ করবে না
মাহবুব সুমন বলেছেন:
আওয়ামী লিগ যদি এইবার যুদ্ধাপোরাধীদের বিচার না করে তবে কোনো দিনই হবে না, এটাই এখন সময়ের দাবী ও চাহিদা। দেখি কি করে এরা। যদি না করে ভুজুং ভাজুং করে তবে সময়মতো এদেরও ছুড়ে ফেলা হবে।
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
পিয়াল ভাই ... কয়েকটি কাজ একসাথে শুরু করা দরকার ....যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে যে গনজাগরণ এখন তৈরী হয়ে আছে সেটিকে কোন ভাবেই স্তিমিত হতে দেয়া যাবে না ... শহীদ জননী আমৃত্যু যে সংগ্রাম করে গিয়েছেন তার চুড়ান্ত ফলাফল আমরা দেখতে চাই ... এবং অতি শীঘ্র দেখতে চাই...
ভোটের মাধ্যমে এবার যাদেরকে সরকার গঠনের এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তাদেরকে বছরের শুরু থেকেই বার বার মনে করিয়ে দিতে হবে ... দ্রুত এ বিচারের কাজ সম্পন্ন করতে হবে ...
সংসদে যে সব রাজাকার / রাজাকার সমর্থিত রাজনীতিবিদ স্হান পেয়েছে ওদের প্রতিটি কুকর্মের বিবরন জনগনকে , বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে ...
মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাসকে ঘরে ঘরে পৌছে দিতে হবে ... এর মাধ্যমেই যুদ্ধাপরাধীদের তৈরী করা কুচক্রের জালকে জনসাধারনের দ্বারাই টেনে - ছিড়ে ফেলতে হবে ...
প্রান্তজাকির বলেছেন:
প্রিয়তে রেখে দিলাম।
অনন্ত রেয়হান বলেছেন:
লেখাটি যথার্থ এবং সময়োপযোগী... আমরাও একসাথে কন্ঠ মিলিয়ে বলছি। আমরা বিচারের আশায় থাকবো।
হেমায়েতপুরী বলেছেন:
আশা করি সামনের দিন গুলো-তে তারা আমাদের ভাল কিছু দেবেন।
রোবোট বলেছেন:
গুল্লি পোস্ট। পত্রিকায় ছাপা হলে ভালো হয়।
জানা বলেছেন:
জনগণের সুস্থ চাওয়া, প্রাণের দাবি- আর কোন বাহানা নয়;
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।
এবার হবেই, হতেই হবে।
জনগণের আস্থা আর ভালবাসার জয় অব্যাহত থাকুক। সর্বসাধরণের সচেতনতা আরও বৃদ্ধি পাক। সেইসাথে আসন্ন সরকারও তাদের প্রতিশ্রুতি আর দায়িত্বে অটল থাকুক। অশুভ শক্তির বিলুপ্তি হোক চিরতরে।
দারুণ এই লেখাটির জন্যে আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ অমি রহমান পিয়াল।
জয় হোক, মঙ্গল হোক।
অিনেকত বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।
দারুণ এই লেখাটির জন্যে আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ অমি রহমান পিয়াল
জটিল বলেছেন:
চমৎকার লেখা
মাইনাস এইটিন_পন্ডিত বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।
সাজা প্রাপ্ত বন্দী রা বের হলো কি করে? কে তাদের মুক্ত করেছিলো? তাহলে কি যারা এখন মুক্ত তাদের কে ও ক্ষমা করে দেয়া হয়েছিলো?
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: মাথা খাটাইলেই উত্তরটা পাইবেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর দালাল আইন রদ করে মুশতাক সরকার, জিয়া আইসা সেইটা বাতিলই কইরা দেন। আইনই নাই, বিচার কিসের- বাইর হইয়া যায় জেলখানায় থাকা দালালরা। দেশে ফিরে গোলাম আযম। আবার রাজনীতির লাইসেন্স পায় জামাত। বুদ্ধিজীবি হত্যার সঙ্গে জড়িত আল-বদর নেতারা ছাত্রসংঘের নাম বদলাইয়া খুলে ইসলামী ছাত্র শিবির। শান্তিকমিটির নেতা আব্দুর রহমান বিশ্বাস হয় প্রেসিডেন্ট, কুখ্যাত দালাল শাহ আজিজুর রহমান হয় প্রধানমন্ত্রী। আরো কইতে হইবো?
আসুন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীটিকে যে যার অবস্থানে থেকে আরো বেগবান করে তুলি। এখনই সময় !!!
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
ভাই অসংখ্য ধন্যবাদ এই পোস্টের জন্য।হাসিনা ৯৬ এর পর অনেক অজুহাত দেখাতে পেরেছে,কারন সেই সরকারের সাংবিধানিক অনেক সীমাবদ্ধতা ছিল।কিন্তু জনগন এবার দিন বদলের ইশ্তেহারের পক্ষে আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে যে গন রায় দিয়েছে তা হাসিনাকে অসীম ক্ষমতার প্রধানমন্ত্রীকরেছে।তাই এবার আর কোন যুক্তিই থাকবেনা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করার পিছনে।সেই অপেক্ষাতেই প্রতিদিন হাসিনার কাছে বিচার চেয়ে যাবে কোটি বাঙ্গালী
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
সবার আগে , সবকিছুর আগে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই ।দরকার হলে সংবিধান সংশোধন করেন
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
এবার যদি হাসিনা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করে, তাহলে জনতাই বিচারের দায়িত্বটা নেবে। জনতা ভোট দিয়ে তাদের প্রত্যাখান করতে পারলে, বিচারও করতে পারবে। সামনে আমি সুদিন দেখতে পাচ্ছি। সেনাপতি; আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
ভাই রাজপথের আন্দোলনে সাথে পাবেন...আমাদের আন্দোলনের গতি এখন আরো বাড়াতে হবে...্তবে তার আগে বর্ডার গুলি সীল করা দরকার,যেন এরা পালাতে না পারে।
সেক বলেছেন:
Thanks to giving us the nice clear sharp report. in fact the clips make the things more clear...we the new generation should know this kindda of thing.....THANKSSSSS..
(অ)গাণিতিক বলেছেন:
সাথে আছি সব সময়।
নামহীনা বলেছেন:
আমি খুবই আগ্রহের সাথে তাকিয়ে আছি জননেত্রীর দিকে, উনার বক্তব্য অথবা কর্মকান্ডের আশায়।[ফরিদপুর থেকে নির্বাচিত সাংসদ উনার বেয়াই ও নাকি যুদ্ধাপরাধীদের একজন, কেউ কি কিছু জানেন এ ব্যাপারে?]
লেখক বলেছেন: ফরিদপুর থেকে এইবার সংসদ নির্বাচনে একজনই যুদ্ধাপরাধী প্রার্থী দাড়াইছিলো, তার নাম আলী আহসান মুজাহিদ, আর সে শেখ হাসিনার বেয়াই না। এই নাকি মার্কা ছাগুরামীয় লাদি খাইয়া অনেকেরই দেখি সর্বনাশ হইছে
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
জনমানুষের প্রাণের দাবী,-যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা নিয়ে শেখ হাসিনা কবে আসছেন, সেই শুভ দিন দেখার অধীর অপেক্ষায়....
হাসান শরিফ বলেছেন:
পোস্ট স্টিকি করার আবেদন জানাই। পিয়াল ভাই এইবার আমাদের একটিই দাবি হোক, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। প্রয়োজনে আন্দোল, গন আন্দোলন হবে। বিচার হতেই হবে। আসুন সবাই মিলে এক হই। এবার ক্ষমা করা যাবে না রাজাকারদের। এমন একটি লেখার জন্য ধন্যবাদ।
জাতিশ্বর বলেছেন:
অখন আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী-টাবি না, কৈতে হইব - বিচার কর্তে হইব।
মামুনহ্যাপী বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার . এবার হবেইআর পালানোর রাস্তা নাই । নতুন সরকার ও যুদ্ধাপরাধীদের . এতো সমর্থন পেয়েও বিচার না করলে জাতি নতুন সরকারকে ক্ষমা করবা না।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবার করতেই হবে।
জনগণ পক্ষে রায় দিয়েছে। জনগণের রায় বাস্তবায়ন চাই দ্রুত।
দেবার্নব রায় বলেছেন:
ভাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অনেকে করতে চাইলেও, তা সম্ভব হয়না......।এর পিছনে আন্তর্জাতিক রাজনীতি জড়িত। সাথে জড়িত প্রবাসী বাঙ্গালীরাও। জামায়াতের খানকীর পোলাদের সাথে সম্পর্ক আছে সৌদি আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি রাষ্ট্রের। আর সৌদিয়ারবে প্রায় বিশ লক্ষ বাঙ্গালি কর্মরত। যে কারনে এবারো যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিজামী ও মুজাহিদ শুয়োরের বাচ্চাকে গ্রেফতার করে, তখন প্রবল গণদাবি, এবং সরকারের আন্তরিক ইচ্ছা থাকলেও তাদের বেশিক্ষণ আটকে রাখা সম্ভব হয়নি, বাংলাদেশের অন্যতম ঐ দাতাদেশটির প্রবল চাপের জন্য। নিজামীকে কিভাবে সব প্রথা ভেঙ্গে জামিনের পর অতি দ্রুত মুক্তি দেয়া হয়, এবং মুজাহিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকার পরও সরকারের বৈঠকে কিভাবে সে হাজির হয়.........আপ্নারা নিশ্চয় ভুলে যাননি। গরীব হওয়ার অনেক জ্বালা ভাই।
অন্তরাল বলেছেন:
ধন্যবাদ
হট্টগোল বলেছেন:
হাসিনার এই সংসদ ভাষণ পোস্টার আকারে ছাপিয়ে ঢাকা শহরে লেপ্টে দেয়া হোক।২৫০০০ হাজার পোস্টারের পয়সা আমি দিব।
লিপিকার বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতেই হবে.....
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
somoy upojogi post.
নিবিড় অভ্র বলেছেন:
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: সবার আগে , সবকিছুর আগে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই ।দরকার হলে সংবিধান সংশোধন করেন
মুকুল বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবার করতেই হবে।
জনগণ পক্ষে রায় দিয়েছে। জনগণের রায় বাস্তবায়ন চাই দ্রুত।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
২৩০ আসন পাইয়াও যদি আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করতে পারে, তাইলে তাগোরে আসসালামু আলাইকুম। সবার আগে চাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার।
কাপালিক বলেছেন:
এইবার সমস্ত লাভ-লোখসানের হিসাব ভুলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করুন। তা না হলে যুদ্ধাপরাধীদের এই দেশ থেকে নির্মুল করার আন্দোলনের সাথে এবার থেকে যোগ হবে আওয়ামীলীগকে এই দেশ থেকে নির্মূলের আন্দোলন।অতীতের ভুলের পুনরাবৃত্তি করবেন না।
অভিমানী মেঘ বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
কিন্তু অনেকে দেখি এইটারেই প্রথম দাবী কইরা ফেলছেন....আগে দূর্নীতিমুক্ত...শক্ত অর্থনীতির...নিয়ন্ত্রিত দ্রব্যমূল্য সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হবে সামনের দিকে....এসবের ফাকে ফাকেই যুদ্ধাপোরাধীদের বিচার চালিয়ে নিতে হবে.....পেটে ভাত না থাকলে শুধু বিচারে কাম হইবোনারে ভাই
প্রিয় পোষ্ট হয়ে গেল....পিয়াল ভাইরে ধন্যবাদ
অকাটমুর্খ বলেছেন:
হগল দেশপ্রেমীর সাথে সহমত
চোরকাঁটা বলেছেন:
"যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই"এর কোন বিকল্প নাই।
এখন অপেক্ষা করছি আনুষ্ঠানিক ঘোযণার।
এ অপেক্ষা যেন প্রহসনে না দাড়ায়!
বাস্তুহারা বলেছেন:
আগামী ৫ বছরে সরকারের কাজ তো একটাই মনে হইতাছে "যুদ্ধাপরাধীদের বিচার"আর কোন পাওয়া কি নাই আমাদের?
রাশেদ বলেছেন:
ছাগুরামীয় লাদি না, ব্লগে আসার অনেক আগে থেকেই জানি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ রাজাকার।
রাশেদ বলেছেন:
অবশ্য প্রমাণ দেখাতে পারবো না।
লেখক বলেছেন: তাইলে প্রমাণ ছাড়া কথা বলো ক্যান? আমি তো আমার সব অভিযোগের পিছনে তথ্যপ্রমাণ দিই।
রাজীব আহমেদ বলেছেন:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় অবিলম্বে কার্যকর হোক।আপনার চিন্তার ভক্ত হয়া গেলাম।
বুখে আয় বাবুল....
রাশেদ বলেছেন:
হ! কথা সেটাই!
লেখক বলেছেন: সেটাই সেটাই ![]()
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন:
ASSHHCCHHOORRJJOO...... CCOOMMMMEENNTT KKOORRTTEE PPAARRCCHHIINNAA!!!!ONE LETTER COMES TWICEE!!!!!!
ইন্ডিয়ানা জোন্স বলেছেন:
অমি ভাই শুধু আপনার ব্লগে কমেন্ট করতে গেলেই প্রব্লেম টা হচ্ছে... সাইটে মনে কি একটা প্রবলেম হয়েছে... বিষয়বস্তু অনুসন্ধানের বাক্সেও একই প্রব্লেমযেভাবে জামাত লাট্টু খাইছে তাতে আ.লীগের এই মেসেজটা পায়া যাওয়ার কথা যে যুদ্বাপরাধীদের বিচার কড়াই লাগব।
কিন্তু আমি ব্যাক্তিগতভাবে সন্দেহে ভূগছি... কারণ এদের বিচার কইরা ফেললে ভোটের মাঠের একটা বড় টপিক হারায়া যাইব... এত বড় লস কেউ স্বীকার করতে চাইব না... জিইয়ে রাখলে বেশী লাভ
আদনান সৈয়দ বলেছেন:
খুব সুন্দর পোষ্ট। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতেই হবে। এটা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। এখন যদি না হয়, আর কবে হবে?
রাহী বলেছেন:
ভাস্কর্য ভাঙ্গার পর যেমন একটা আন্দোলন গড়ে উঠেছিল, সেরকম একটা কিছু করা যায় না? তাতে যদি তাদের টনক নড়ে...আর একটা কথা হচ্ছে, জামাত-শিবির যেভাবে ছড়িয়ে আছে, মূলসহ না তুললে কতটুকু লাভ হবে? তবে, হোতাগুলোর বিচার আগে হওয়া দরকার, অবিলম্বে।
আশফানুর আরেফিন বলেছেন:
উনি পারবেন না। এই আমি বলে দিলাম।
রায়হান(তন্ময়) বলেছেন:
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: ২৩০ আসন পাইয়াও যদি আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করতে পারে, তাইলে তাগোরে আসসালামু আলাইকুম। সবার আগে চাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারসহমত
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
"বিজয়ের আনন্দ করতে আসি নাই। বিচারের দাবি নিয়ে আসছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি।"যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
রাফা বলেছেন:
এক কথায় অসাধারণ !ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বালু কণার সমন্ময়ে সৃষ্টি হয় বিশাল পর্বত শৃংগের।আর বিন্দু বিন্দু শিশির কণায় জন্ম নেয় সাগর ,মহাসাগরের।আমাদের যার যতটুকু সামর্থ্য আছে তাই নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে এই আন্দোলনে।আমরা যদি মনে করি স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তিকে ক্ষমতায় বসিয়েই আমাদের দ্বায়ীত্ব শেষ ; তাহলে তা হবে চরম ভুল।বিচারের বিপক্ষে যদি ১০ জন দাড়ায় আমাদের ১০ হাজারকে দাড়াতে হবে পক্ষে।কারন ভূলে গেলে চলবে না বিনপি এই পথ চলায় আমাদের সহযাত্রী না হয়ে বরং পথকে আরো কন্টকাকির্ন করতে পারে।আঃ লীগ যাতে জনমতের দাবীকে উপেক্ষা করতে না পারে সেই পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে লক্ষ - কোটি সাধারণ জনগণকেই।
২০০৮ -এর নির্বাচনই প্রমাণ করে জনগণের চাইতে শক্তিমান কেউ না।
ধন্যবাদ
অপহন্তা বলেছেন:
সেইরকম.....
অন্তু বলেছেন:
সময় মত দারুন পোষ্ট। দেখা যাচ্ছে শেখ হাসিনা যুদ্ধাপরাধীর ব্যাপারে একজন স্বাক্ষী এবং এ ব্যাপারে উপার যথেষ্ঠ জানা আছে। এখন ব্যাপারটি মিমাংসা করলেই হয়।
মীতু বলেছেন:
অসাধারন এই পোস্টের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে ।
শামীম দ্যা রক্ বলেছেন:
জোস!!!!
উন্মোচক বলেছেন:
নির্বাচনের ফলাফলে সন্দেহের উদ্রেক ঘটায় যেসব ব্যাপার২৯ ডিসেম্বরের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের অগণতান্ত্রিক শাসন থেকে গণতন্ত্র হত্যাকারীদের শাসনে পদার্পণ করেছে। এ নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে নানারকম হিসেব নিকেশ চলছে, চলবে। বিগত নির্বাচনগুলোর ভোটের হিসাবের সাথে এবারের নির্বাচনের ফলাফল সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ হওয়াতেই এসব জল্পনা-কল্পনা। অন্যদিকে মাঠপর্যায়ের জরিপগুলোর সাথেও তেমন কোনো মিল নেই এ ফলাফলের। যদিও আপাত দৃষ্টিতে নির্বাচন সুষ্ঠূ হয়েছে এবং বিভিন্ন নির্বাচন পর্যবেকদল তার সার্টিফিকেটও দিয়েছেন, তা সত্ত্বেও এবারের নির্বাচনে এমন কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়েছে যা এধরনের একপেশে ফলাফলকে সন্দেহবিদ্ধ করার জন্যে যথেষ্ট।
১/১১ এর পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সুশীল-সামরিক জোট সরকারের মতা গ্রহণের পরপরই সেই সরকারের আওয়ামী প্রীতি জনগণের দৃষ্টিগোচর হতে থাকে। দুর্নীতির নামে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢালাও গ্রেফতারের মাধ্যমে এই পপাতিত্বের সূত্রপাত। আওয়ামী আমলে দুর্নীতির হার কয়েকগুণ বেশি হওয়া সত্ত্বেও আশ্চর্যজনকভাবে আওয়ামী নেতাকর্মীদের ধরপাকড় তুলনামূলক কম করা হয়। ৭ নভেম্বরের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ছুটিকে বাতিল করা এবং ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করায় সরকারের একতরফা আচরণের প্রকাশ ঘটে। এছাড়াও বিএনপির সংস্কারপন্থী বিদ্রোহী নেতাদের প্রতি সরকার তথা সিইসির পপাতমূলক আচরণ বিএনপি ভাঙনে সরকারের দুরভিসন্ধির বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছু ছিল না। নানা অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। দেশের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করতে কখনো মাইনাস টু ফর্মুলা কখনো চাপানো সংস্কার আবার কখনোবা জাতীয় ঐক্যমতের সরকার গঠনের আইডিয়া প্রকাশ হতে থাকে। এর সবই জনগণ একে একে প্রত্যাখ্যান করতে থাকলে অবশেষে সরকার নিরুপায় হয়ে টালবাহানাসুলভ আচরণ ত্যাগ করে নির্বাচনের ব্যাপারে জনগণকে আশ্বস্ত করে। এরই মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে চরম ধস নামে। অগণতান্ত্রিক সরকারের কারণে দেশ ২০ বছর পিছিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে যে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার বাহানায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার মতা গ্রহণ করেছিল তার সামান্যই বাস্তবায়িত হয় এ আমলে। টিআইবির রিপোর্টে ধরা পড়ে যে, বড় দুর্নীতিগুলোর েেত্র একটা ধাক্কা এলেও ছোট দুর্নীতিগুলো বহুগুণে বেড়ে যায় এ সময়।
সব মিলিয়ে কিছু সাফল্য সত্ত্বেও অসাংবিধানিক সরকারের ব্যর্থতার খতিয়ানটিই নিঃসন্দেহে বড় হয়ে পড়েছিল। সুতরাং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্যে পরবর্তী সরকার এমনটি হওয়া আবশ্যক হয়ে পড়ে যারা তাদের সব কাজের বৈধতা দান করে তাদের রেহাই দেবেন। সেই সময় শেখ হাসিনাই এগিয়ে আসেন তাদের উদ্ধারে। ঘোষণা দেন নির্বাচিত হলে তাদের সব কাজের বৈধতা দেবেন। ফলে আ’লীগ স্বাভাবিকভাবেই পরিণত হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রিয়ভাজনে।
এমতাবস্থায় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে থাকে সরকার। এ ল্েয নির্বাচন কমিশনের সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপে সিইসির পপাতিত্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আওয়ামী লীগের সাথে সংলাপে সিইসি শেখ মুজিবুর রহমানের ভূয়সী প্রশংসা এবং মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগের অবদানকে অকুণ্ঠচিত্তে স্মরণ করলেও বিএনপির সাথে সংলাপে এধরনের সৌজন্য দেখান নি। নির্বাচনের পূর্বে সিইসি এবারের নির্বাচনকে ৭০’র নির্বাচনের মতো করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। যার প্রতিফলন আমরা বাস্তবেই পেয়েছি এবারের নির্বাচনে।
নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতেই আওয়ামী লীগের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী মনোভাব ধরা পড়ে। এর আগে শেখ হাসিনার দীর্ঘ বিদেশে অবস্থান এ আত্মবিশ্বাসের গোপন নিয়ামক শক্তি হতে পারে। সাথে সাথে এতদিনের পপাতমূলক অবস্থান থেকে সরে এসে সিইসিও নিরপে আচরণ শুরু করেন। অপর দিকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঝে নির্বাচন প্রস্তুতিকালীন এমন আত্মবিশ্বাস দেখা যায়, যা সচেতন মহলের মনে সংশয় সৃষ্টি করে। বিশেষত আওয়ামী লীগের ভিশন-২০২১ এবং শেখ হাসিনার রাষ্ট্রপ্রধানসূলভ ভাব নিয়ে দেশের রাঘববোয়ালদের সাথে একাধিক মতবিনিময় সংশয়কে আরো বৃদ্ধি করে। তাদের আত্মবিশ্বাস এবং চরিত্রের অবিশ্বাস্য ইতিবাচক পরিবর্তন দেখে এক গল্পের কথা মনে পড়ছিল। যেখানে গ্রামের এক গবেট ছাত্র পরীার আগে কোনো এক ফকিরের তাবিজ পেয়ে পড়াশোনা ছাড়াই পরীায় খুব ভালো করার ব্যাপারে চরম আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে এবং সহপাঠীদের সাথে পড়াশোনার প্রসঙ্গ উঠলে পড়াশোনাকে খুব সহজ ব্যাপার হিসেবে চালিয়ে দেয় এবং গর্বভরে বলে, “এতদিন পড়াশুনা করি নি বলে কিছু পারতাম না, এখন বই-পুস্তক ধরে দেখছি এতদিন অযথাই ভয় করেছি ওসব। পড়লে সবকিছুই খুব সহজ!”
তবে গল্পের এই গবেট ছাত্রটির সাথে আ’লীগের নেতাকর্মীদের আত্মবিশ্বাসের পার্থক্যটা হলো, ফকিরের তাবিজ সেই ছাত্রটিকে সাফল্য দিতে পারে নি কিন্তু আ’লীগকে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সেই অদৃশ্য শক্তিটি বিজয়ী করতে সম হয়েছে।
নির্বাচনে গণমাধ্যম ও বিভিন্ন জরিপ প্রতিষ্ঠানের জরিপে আ’লীগের এমন বিজয়ের আভাস তো ছিলই না বরং চারদলের বিজয়ের সম্ভাবনাই ছিল উজ্জ্বল। অন্ততপে একটি ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতার আশা করা হয়েছিল নির্বাচনে। উপরন্তু মাঠে-ময়দানে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিরন্তর প্রচেষ্টার তুলনায় শেখ হাসিনার প্রচেষ্টা কম দৃষ্টিগোচর হওয়া সত্ত্বেও এই নির্বাচনে বিএনপিসহ চারদলীয় জোটের নজিরবিহীন পরাজয় স্বাভাবিকভাবেই অনেক প্রশ্নের জন্ম দেয়।
নির্বাচনে আপাত দৃষ্টিতে কারচুপির কোনো ঘটনা ধরা না পড়লেও জনগণকে যে বড় কোনো সূক্ষ্ম প্রতারণা করা হয়েছে তা নির্বাচনের ফলাফলে ধরা পড়ে। এ ধরনের ফলাফলের জন্যে ময়দানে জয়ী দলটির পে গণজোয়ার সৃষ্টি হতে হয়। এবারের নির্বাচনে সেই ধরনের একচেটিয়া গণজোয়ার দেখা যায় নি। বরঞ্চ একাধিক আসনে ব্যক্তিগত পর্যবেণে যা দেখেছি তাতে চারদলের পে গণজোয়ার থাকা সত্ত্বেও সেখানে তাদের পরাজিত হতে হয়েছে।
এ পরাজয়ের পেছনে কোন কোন ব্যাপার কাজ করেছে সে ব্যাপারে বিভিন্নজন যা বলছেন, সেসব কেবলই বলার জন্যে বলা। প্রকৃতপে এর পেছনে এমন কোনো সূক্ষ্ম প্রতারণা কাজ করেছে যা এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট করে না বলা গেলেও ভবিষ্যতে কখনো না কখনো তা উদঘাটিত হবে। তবে যে বিষয়গুলো ভেবে দেখবার মতো তার ক’টি আমি উল্লেখ করছি।
প্রথমত, নির্বাচনের অনেক আগেই সিইসি বলেছিলেন, এবারের নির্বাচন হবে ৭০’র নির্বাচনের মতো। কার্যতই ফলাফলে তেমনটিই দেখা গেল। এধরনের ভবিষ্যদ্বাণী কিভাবে করলেন তিনি? সিইসি কি তাহলে গণনা জানেন?
দ্বিতীয়ত, আওয়ামী লীগকে কখনোই নির্বাচনের সময় এতটা নমনীয় দেখা যায় নি যতটা নমনীয় তারা এবার ছিল। রাতারাতি আওয়ামী চরিত্র যদি তারা বদলে ফেলে তবে ভালো কথা, তবে ২০০ আসনের বেশি সিট পাবার ব্যাপারে তাদের এবং ৩০ সিট পাবার ব্যাপারে নির্বাচনের আগ মুহূর্তে এরশাদের দৃঢ় আশাবাদ সেই সময় অনেকটা হাস্যকর শোনা গেলেও পরবর্তীতে সেটিই সত্য হয়েছিল। এভাবে মিলে যাওয়াটা কি অবিশ্বাস্য নয়?
তৃতীয়ত, নির্বাচনের দিন ভোর থেকেই আওয়ামী ঘরানার ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো চারদলীয় ঐক্যজোটের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলতে থাকে যে, বিভিন্ন স্থানে চারদলের প্রার্থীরা টাকা বিতরণ করতে গিয়ে আটক হয়েছেন (সন্ধ্যায় বিজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে পরে তারা আর এই অভিযোগ করে নি) অথচ মহাজোটের প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করে টাকা বিতরণের সময় (নীলফামারী-৩ আসনে মহাজোটের প্রার্থী কাজী ফারুক কাদের) হাতেনাতে ধরা পড়ার খবর কিংবা দেশের নানা জায়গায় চারদলের নেতাকর্মীদের হয়রানির খবর সুস্পষ্ট প্রমাণসহ পাওয়া গেলেও তারা তা প্রচারিত না করে নির্বাচনকে প্রভাবিত করেছে।
চতুর্থত, আমার ব্যক্তিগত পর্যালোচনায় মনে হয়েছে এবারের নির্বাচনে সুকৌশলে একটি সাজানো নাটক মঞ্চস্থ হয়েছে। আওয়ামী লীগ এবার মহাজোটে জাতীয় পার্টিকে রেখেছে নিজেদের পূর্ণ স্বার্থ সংরতি রেখে। নির্বাচনের আগে জাতীয় পার্টি তাদের আসনগুলোতে আ’লীগ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দাবিতে মহাজোট ত্যাগ করে। পরবর্তীতে তাদের সে দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দিয়ে তাদের মহাজোটে নিয়ে আসা হলেও কার্যত আ’লীগের নেতারা জাতীয় পার্টির আসনগুলোতে তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেনি। বরং নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে এবং আশ্চর্যজনকভাবে যে আসনগুলোতে নৌকা ও লাঙ্গল উভয় প্রতীকই ছিল সেখানে নৌকার প্রার্থীরাই জয়ী হয়েছে। এতে বোঝা গেল আ’লীগ তাদের প্রার্থীদের ঠিকই জয়ী করে এনেছে। আর এরশাদকে কলা দেখিয়ে তারা তাকে মহাজোটে রেখেছে ‘মহাজোট’ নামটির স্বার্থকতা অর্জনের উদ্দেশ্যে মাত্র। অথবা জনগণকে এ কথা বোঝাবার জন্যে যে, চারদলীয় জোটের বিরুদ্ধে সব রাজনৈতিক দল আ’লীগের নেতৃত্বে একতাবদ্ধ, আর এজন্যেই তাদের এই পরাজয়।
পঞ্চমত, বিভিন্ন আসনে মহাজোটের প্রার্থীর পে গণজোয়ার থাকাতো দূরের কথা, জনতা ছিল তাদের বিরুদ্ধে প্তি। তাসত্ত্বেও এসব আসনে তারা জয়ী হয়েছে এবং নির্বাচনের আগে তারা তাদের জয়ের ব্যাপারে ঘোষণা দিয়েছে এই বলে যে, তিনটি ভোট পেলেও জয়ী হবেন তারাই। গাইবান্ধা-১ আসনে মহাজোটের প্রার্থী এমনটি বলেছেন।
ষষ্ঠত, আ’লীগের প থেকে বড় গলায় বলা হচ্ছে, দুর্নীতি ও যুদ্ধাপরাধের বিরুদ্ধে এটি গণরায়। যদি তাই হয়ে থাকে, তবে বিএনপির এমন অনেক ভিআইপি প্রথম সারির প্রার্থী যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি কিংবা যুদ্ধাপরাধের প্রশ্ন নেই তারা কী করে পরাজিত হলেন? মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার হামিদুল্লাহ খান কেন পরাজিত হলেন? অন্যদিকে শহীদ জিয়ার হত্যাকারী কিংবা এরশাদের মতো সর্বজনস্বীকৃত স্বৈরাচার ও দুর্নীতিবাজ নির্বাচিত হলেন কী করে?
সপ্তমত, আ’লীগের সব সিনিয়র নেতাই এবারের নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন কিন্তু বিএনপির সিনিয়র নেতাদের তিনজন ছাড়া সকলেই পরাজিত হয়েছেন। পরাজিত এসব বিএনপি নেতাদের কারো কারো বিরুদ্ধে যেমন দুর্নীতির মামলা রয়েছে তেমনি মামলা রয়েছে আ’লীগের জয়ী সেসব প্রার্থীদের অনেকের বিরুদ্ধেও। সত্যি যদি জনগণ এবারের নির্বাচনে বিবেচনা প্রয়োগ করে থাকে তবে তারা কি আ’লীগের ব্যাপারে বিবেচনা খাটায় নি?
অষ্টমত, যেসব আসনে চারদলের প্রার্থীদের বিজয় ছিল সুনিশ্চিত সেসব আসনের অধিকাংশ কেন্দ্রগুলোতে প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল আ’লীগ সমর্থন করেন এমন লোকদের। এ ব্যাপারে যথেষ্ট প্রমাণও দেয়া যেতে পারে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রগুলোতে নির্দিষ্টসংখ্যক বুথের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যালট বক্স এবং নির্দিষ্ট ভোটারের পরিমাণের চেয়ে অনেক বেশি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সের দোহাই দিয়ে নির্বাচনকে যত স্বচ্ছই বলুক নির্বাচন কমিশন, অতিরিক্ত এই ব্যালট বক্স এবং ব্যালট পাঠানোর উদ্দেশ্য যে অস্বচ্ছ ছিল তা অচিরেই প্রমাণিত হবে ইনশাআল্লাহ।
নবমত, নির্বাচনের আগের দিন আ’লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’র কো-চেয়ারম্যান এইচ টি ইমাম হঠাৎ করেই দৈনিক আমার দেশ পাবলিকেশন্সের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে এক আজব অভিযোগ উত্থাপন করেন। সরকারি বিজি প্রেসের এক কর্মকর্তার সাথে যোগসাজস করে তিনি নাকি প্রচুর পরিমাণ ব্যালট ছাপিয়ে নিয়েছেন এবং এই ব্যালট কিভাবে বাক্সবন্দী করতে হয় তার প্রশিণও দিয়েছেন বাছাইকৃত কর্মীদের। মাহমুদুর রহমান এই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে এইচ টি ইমামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে এইচ টি ইমাম এই অভিযোগ আর উত্থাপন করেন নি। এখন প্রশ্ন হলো এরকম একটি গুরুতর অভিযোগ মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে করার পূর্বে তিনি কি সত্যি নিশ্চিত হয়েছিলেন নাকি নিছক সন্দেহের বশেই এমনটি বলেছেন? কোনো নিশ্চিত প্রমাণের ভিত্তিতে যে অভিযোগটি ছিল না তা স্পষ্ট হয়েছে পরবর্তীতে এ সম্পর্কে আ’লীগের প থেকে উচ্চবাচ্য না করা থেকে। কিন্তু সন্দেহের বশে এত বড় কথা তখনই কেউ বলতে পারে যখন এধরনের আইডিয়া তার নিজের মাথায় থাকে। নির্বাচনের ফলাফলে অকল্পনীয় ওলট-পালটগুলো সচেতন মহলের কাছে এই সন্দেহের উদ্রেক করেছে যে, এইচ টি ইমাম যে অভিযোগটি উত্থাপন করেছেন, সে অপরাধে তারা নিজেরাই আবার জড়িয়ে পড়েন নি তো?
নির্বাচনের আগে ২৭ অক্টোবর দৈনিক নয়াদিগন্তে প্রকাশিত ফরহাদ মজহারের কলাম পড়েই এবারের নির্বাচনে যে একটি কারিশমা দেখে যেতে পারে তা আঁচ করা গিয়েছিল। সেখানে তিনি বাংলাদেশে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আগ্রাসনের ব্যাপারে লিখতে গিয়ে দেখিয়েছিলেন যে, এবারের নির্বাচনে পরাশক্তি স্বাভাবিকভাবেই জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী শক্তির উত্থান আশা করে না। কেননা, জাতীয়তাবাদী-ইসলামীশক্তি এদেশে তাদের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। পান্তরে আ’লীগকে এেেত্র তারা তাদের বিশ্বস্ত সহযোগী ভাবতে পারে। এবারের নির্বাচনে ফরহাদ মজহারের সেই অনুমান সঠিক ছিল বলে আমার বিশ্বাস। বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনে অকল্পনীয়ভাবে জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী শক্তির চরম পরাজয় এবং ধর্মনিরপেতাবাদীদের নিরঙ্কুশ বিজয়ে তাদেরও পরো মদদ ছিল নিশ্চয়ই। অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ঘাড়ে সওয়ার হয়েই তারা এই দুরভিসন্ধির বাস্তবায়ন ঘটিয়েছে হয়তো। একাজে প্রশাসনকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে সাজানো হয়েছে এবং এনজিওগুলোকে সুকৌশলে ব্যবহার করা হয়েছে। ল্য একটাই, বাংলাদেশকে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে পূর্ণ শাসনাধীন রাখা এবং এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের সংবিধানসহ সকল েেত্র ইচ্ছেমতো সংস্কার সাধন করা।
এবারের নির্বাচনের ফলাফল যদি সত্যিই গণরায় হয়ে থাকে তবে তাতে কোনো অসুবিধে থাকার কথা নয়। সরকারের কর্মকাণ্ডের সুফল-কুফল জনগণই ভোগ করবে। কিন্তু জনগণকে যদি ধোঁকা দেয়া হয়ে থাকে তবে ধোঁকার সেই তত্ত্ব নিশ্চয়ই আ’লীগ পরের নির্বাচনেও প্রয়োগ করবে। ২০২১ সাল পর্যন্ত আ’লীগের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দীর্ঘমেয়াদে তাদের মতায় থাকার ইঙ্গিত বহন করে।
যেসব অসঙ্গতিপূর্ণ ব্যাপার ধরা পড়েছে এই নির্বাচনে তাতে কোনোদিন যদি বেরিয়ে পড়ে যে, নীতির মুখোশ পরে জনগণকে চরম প্রতারণা করা হয়েছে, তবে জনগণ নিশ্চয়ই তা মেনে নেবে না। আমার বিশ্বাস, তাদের সেই প্রতারণা অতি সূক্ষ্ম হলেও প্রকৃত সত্য একদিন নিশ্চয়ই বেরিয়ে আসবে। আর প্রতারণার ফলাফলকে গণরায় হিসেবে চালিয়ে দেয়ার ফলও একদিন পেতে হবে সংশ্লিষ্টদের, কোনো সন্দেহ নেই।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
নয়া দিগন্ত আর ফরহাদ মজহারের কলাম-এই দুইটা শব্দ পইড়া উৎসাহ হারাইয়া ফেলছি। আপনি ছাগুচীপের ব্লগে গিয়া এইগুলি লেখেন।
গিয়াস আহমেদ বলেছেন:
@ উন্মোচক, এই সব প্যাচাল অনেক পাড়ছেন। আর লাভ নাই! কীভাবে নির্বাচন হয়েছে দেশবাসী জানে। তাই বলি, পথে আসেন। সঠিক পথে।@ পিয়াল, তুমি এবং তোমরা অনেক দিন ধরে যে যার অবস্থান ও সাধ্য থেকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবি করে লিখে এসছে, বলে এসেছ। তার ফল পাওয়া গেছে আপাতত। আওয়ামী লীগয়ি মহাজোটের জয় নয়, আমাদের এই বিজয়ে অভিনন্দন। তবে '৯৬-এ ক্ষমতায় থেকে আওয়ামী লীগ রাজাকার-দালাল কুত্তাদের বিচার করে নাই। এবার করবে? আমার অবিশ্বাস আছে...।
যদি না করে, যদি টালবাহানা করে তখন আমাদের করণীয় কী হবে! আমরা কেউ লিখব? কেই আঙুল চুষব?
না, আমরা আমাদের দাবি ও করণীয় থেকে সরব না। একহাট্টা থাকতে হবে বুঝলা। ভরসা পাই কোথায় জানো, নির্বাচনের পরে প্রচুর যুবক-তরুণ (অধিকাংশই যারা ফার্স্ট ভোটার) এসএমএস পাঠিয়েছে জয় বাংলা লেখে। মুক্তিযুদ্ধের সময় ওদের তো জন্মই হয় নাই। এই স্লোগান ওরা পাইল কই। আসলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এরা ধারণ করেছে। ওদের বুকে আজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। এটাই বড় ভরসা, বুঝলা পিয়াল।
তপন চৌধুরি বলেছেন:
স্বাধীনতার পরে এইরকম অবাধ ও নিরপক্ষ নির্বাচন আর হয় নাই৷ আগের সকল নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি হয়েছিল৷ তাই আগের নির্বাচনের সাথে এই নির্বাচনের তুলনা করা ভুল হবে৷ এই নির্বাচনে ১টাও জাল ভোট পরে নাই৷ আগের নির্বাচনে প্রতি কেন্দ্রে অর্ধেকের বেশী জাল ভোট ছিল৷ আগের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে সন্ত্রাশ, গুন্ডামির কথা নাই বা তুললাম৷
বিবিধ বলেছেন:
উন্মোচকের সাথে পুরোপুরি একমত।
দেবার্নব রায় বলেছেন:
ছাগু এবং মগশাবোকেরা মনে হয় ব্লগে আসা ধরছে............@উন্মোচক বিবিধ
কঁাকন বলেছেন:
++++
লেখক বলেছেন: হবে ম্যান, মাফ নাই
মেজো ছেলে বলেছেন:
ঠেলা
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















.jpg)








