আমার প্রিয় পোস্ট
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন স্কোয়াড - টেকনলজী
- মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর ও ফোর্স অধিনায়ক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে গৃহীত সরকার/ সিইনসি ওসমানীর তিনটি পদক্ষেপ ও আমার জিজ্ঞাসা - নুরুজ্জামান মানিক
- যে কারনে পিলখানা হত্যাকান্ড এবং সাম্প্রতিক ছাত্রলীগ কর্মী হত্যাকান্ড ভয়ঙ্করভাবে একই রকম - রাজিয়েল
- "তাহারা এবং তদ্ সংক্রান্ত সুপ্রবচন": ইহা একটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ছড়া, পঠন কালে নর্তন বাঞ্ছনীয় - মতিউর রহমান সাগর
- ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব ৩ - ত্রিশোনকু
- বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন যারা!!! - তাহের
- আবারো স্বদেশপ্রেমের পরিচয় দিল শিবির। - সানুনয়
- পল গোয়েবল বিগ লাই থিওরী,৩৫ বছর ধরে লালন করা কয়েকটি মিথ্যা । ইতিহাসের কাঠগড়ায় যখন সত্য । - আশমএরশাদ
- একজন হিন্দুর হিন্দু হয়ে ওঠা-১ - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- একটি বিজয় দিবসের গল্প। (প্রথম পর্ব) - হাসান শহীদ ফেরদৌস
- বাংলাদেশে দূতাবাসে ভারতীয় কম্যান্ডো? - দিগন্ত
- জামাত দিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার সংবর্ধনা : আসুন আলোচনা হোক - শিপন আবদুর রাজ্জাক
- দরদী হইও মাগো দরদী হইও, সময়ে সময়ে মাগো পাষানী হইও। - অধ্যায়
- কাঁকন বিবিঃ খাসিয়া মুক্তি বেটি - ইফতেখার.আমিন
- একসাথে একাধিক ইয়াহু মেসেন্জারে লগ ইন করুন!!

- ইসানুর
- দৈনিক রাজাকার - সবাক
- আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল! (আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি)
- নাফিস ইফতেখার
- অত:পর কোথায় পালাবে তুমি? - তাজা কলম
- লুকালরে আমি ভালা পাই যে কারণে - স্ট্যানলি কুবরিক
- কিভাবে সেপ থাকবেন , তাঁর লেটেস্ট গাইড - স্ট্যানলি কুবরিক
- সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখি - স্ট্যানলি কুবরিক
- চাঁদ, পাহাড় ও ফরাসী স্বপ্ন - লাল দরজা
- নিউজউইকে সেক্টর কমান্ডার নাজমুল হকের দুষ্প্রাপ্য সেই সাক্ষাৎকার - ফিউশন ফাইভ
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- তেল গ্যাস নিয়ে ব্লগার মেঘনাদ এর অপমানজনক উত্তরের জবাবে আমার মত - সায়েমুজজ্জামান
- সামহোয়্যারে যা ঘটলো, যা ঘটবে তার 'পেছনের কারণ' - Arild, you MUST read this - ধুসর গোধূলি
- ব্লগে বিরাজমান অস্থিরতা বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ !! - নোটিশবোর্ড
- বদরের যুদ্ধের প্রেক্ষাপট: ডাকাতি-লুট না অত্যাচারিতের অধিকার আদায়? - জ্বিনের বাদশা
- কবিতারা…….. - শওকত হোসেন মাসুম
- মহামান্য ঈশ্বরের ডিম সংকট [একটি নিরাপদ পোস্ট] - খেজুর কাঁটা
- অগভীর ভাবনা - বামান্দোলনের ব্যর্থতা - রাসেল ( ........)
- হুমায়ুন আজাদের কিছু নির্বাচিত প্রবচন - জানজাবিদ
- আমিই স্বাধীনতার ঘোষক
**একটি ঐতিহাসিক পোস্ট** - নাফিস ইফতেখার
- ভার্চুয়াল রা(ড়া)জাকার নিধন , বাস্তব প্রেক্ষিত ও আমার ব্যাক্তিগত মিশন - |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|
- আমার প্রেমিকারা - হুমায়রা পর্ব
- ~স্বপ্নজয়~
- ব্লগ বাসী আপনারা কেমন আছেন?- মাতলামি দেখতেছি, হাসতেছি - জমির মাতব্বর
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- সে দিন অপরাজেয় বাংলার দিকেও তাক করে রাখা ছিল একটা ট্যাংন্ক... - লাল দরজা
- আমায় ক্ষমা করে দিও, বঙ্গবন্ধু। - রন্টি চৌধুরী
- আমার স্মৃতিতে হুমায়ুন আজাদ: যেভাবে তাকে হাসপাতলে নিয়েছিলাম এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো... - হাসান শরিফ
- বাংলার তাজ- তাজউদ্দীন আহমদ - ইফতেখার.আমিন
- একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা(পুরো সামহোয়্যর ইন ব্লগের দৃষ্টি আকর্ষন করছি) - েমেহদী হাসান
- বিভিন্ন প্রকারের ব্লগার (একটি জেরী-আউলা-তানজু প্রযোজনা) - আউলা
- জেনারেল অরোরার কাছে পাকিদের আত্মসমর্পণ এবং সে অনুষ্ঠানে ওসমানীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গ - নুরুজ্জামান মানিক
- ঘূর্ণাবর্তনের রাজনীতি। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- ফরহাদ মজহারঃ নাস্তিক মোল্লা - মোস্তাফিজ রিপন
- আমি যে কারণে ল্যাম্পপোষ্টের আচরণ সমর্থন করছি না। - রাসেল ( ........)
- কার কার মনে আছে নাজিয়া হাসানকে? - ইমন জুবায়ের
- বানান ও লেখ্যরীতি : প্রথম আলোর একটি আদি স্টাইল শিট - ফিউশন ফাইভ
- জামাতে ইসলামকে ভুটাইলে যে ফায়দাগুলা পাইতাম - মাতাল মাহবুব
- দুঃখিত, আমি এই জাতীয় কীটদের আমাদের মাঝখানে দেখতে চাই না - হাসিব
- গল্পঃ বসন্ত শেষে - আকাশ_পাগলা
- টিপাইমুখ, টেকনিক্যাল দিকটা চিন্তা করুন, কার ক্ষতি কে করছে? - হমপগ্র
- রাজকন্যার কাছে বাবার কৈফিয়ত... - অমি রহমান পিয়াল
- একটি জিনিস বানাতে দীর্ঘ সময় নিলেন ঈশ্বর। কি সেই জিনিস!!....? - মাহবুবুল ইসলাম (সুমন)
- এখনই সময় পা ধরে মাফ চাওয়ার। - মাথামোটা
- নীতিতে অটল এবং প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, তাই হার মানব না। - মাথামোটা
- ত্রিভুজের কিছু প্রশ্নের উত্তর আমি যেমন জানি - জমির মাতব্বর
- অতপর ভুল স্বীকার করিলে তাহাকে হত্যা করা হইলো - ঝরা পাতা
- ছবি এডিটিং এর কিছু প্রয়োজনীয় সাইট - বোকা ছেলে
- মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী - লাইটহাউজ
- বিয়া ব্লগীং, থুক্কু বিবাহের ছবি - অন্যমনস্ক শরৎ
- সাপ্তাহিক ব্লগ সমাচার এই যে # ৯ই মে, ২০০৯
- নাফিস ইফতেখার
- একটা গোপন অথচ দরকারী পরামর্শ - লেখাজোকা শামীম
- কবি - শিমুল সালাহ্উদ্দিন
- ছাত্রশিবির কি রাজাকার? - নুসরাত জাহান যুথি
- Anatomy of জামাতে ইসলামী ও কিছু সোজা-সাপটা কথা - পাললিক মন
- টেকনো আর ইলেকট্রনিকা :: খারাপ না, চলে - শূন্য আরণ্যক
- ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যার সময় যেই যুদ্ধাপরাধীরা জেলে ছিলেন তাদের বিচার করা হোক আগে - লেখাজোকা শামীম
- ইতিমধ্যে দন্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের এখনও বিচারের আওতায় আনা সম্ভব - রেজওয়ান
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ - রেজওয়ান
- একাত্তরের গণহত্যার ভিডিও - রেজওয়ান
- ৩০ খান ছুপার হিট হা হা পো গে ফটুক: ১১-২০ - ফয়সাল আকরাম
- আত্মবিশ্লেষণ, বনাম-সাধারণ/অসাধারণ এবং একটি ঘৃণাস্তম্ভের প্রস্তাবনা - মেঘ
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে হবেন পেশাদার ব্লগীয় গুলবাজ/গুজবকারী/রটনাকারী (ওপেনসোর্স পোস্ট) + ২০০তম
- নাফিস ইফতেখার
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- অথ: সেরা পোস্ট এ্যান্ড/অর নির্বাচিত পোস্ট সমাচার - হাসিব
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- ডক্টর জাফর ইকবালের লেখা, মিরাজভাই, এ-টীম এবং নরাধমের কিছু কথা। - নরাধম
- জামাতে ইছলাম গ্রুপে যৌন হয়রানির ফাঁদ!!! - লোকালটক
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে নিজেকে মডুদের হাত থেকে রক্ষা করবেন
- নাফিস ইফতেখার
- গোলাম আজমের ভাষা সৈনিকগিরি আর তেলাপোকার জীবন বৃত্তান্ত - এস্কিমো
- স্মারক: রাষ্ট্রপতির সচিবালয়, গণভবন, ঢাকা, পত্র সংখ্যা-৩০/১২/৭৫-সাধারণ-৭২৯/৯(৪০০) তারিখ ১২ মার্চ ১৯৭৫। - মোহাম্মদ আরজু
- আজ মডুর বিয়ে - নাফিস ইফতেখার
- সাবাশ কম্বোডিয়া!! বাংলাদেশেও শুরু হোক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার - জ্বিনের বাদশা
- বাবার ডায়েরীতে ১৯৭১ (৫ম পর্ব) - লীনা দিলরূবা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই-১: একটা কমিশন গঠনের কাহিনী - শওকত হোসেন মাসুম
- একজন নতুন ভোটারের মনের কিছু কথা........ - নাফিস ইফতেখার
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- চেতনার সম্ভ্রম বনাম স্ববিরোধীতার আয়নায় মুখোশের আড়ালে মুখ ! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- আসেন আমরা সবাই মিল্যা নামাজ পইড়া যুদ্ধাপোরাধীগো বিচার চাই - সামী মিয়াদাদ
- সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুয়ায়ী রাজাকার, মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা জামায়াতে ইসলামীর নেতা থাকতে পারে কি?? - একরামুল হক শামীম
- আবে, কোন মামদির পো সামনে খাড়া? যা কিনার - লাল দরজা
- পাগলের রাজণৈতিক প্রলাপ : ( বিশেষ পর্ব) [স্বঘোষিত রাজাকারদের অপপ্রচারের প্রতিবাদ] - এ. এস. এম. রাহাত খান
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- সহীহ মুসলিম মতে গোলাম আজম, নিজামি, মুজাহিদ, সাইদী এবং অন্যান্য জামাতিদের ইমানের স্তর। - হ্যারি সেলডন
- সামহোয়ার ক্লাসিক : কার্টুন কেলেঙ্কারি ও ছাগুদের ম্যাতকার (ইতিহাসের পাতা থেকে) - স্ট্যানলি কুবরিক
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- ৮ই ফাল্গুন কি হারিয়ে যাবে? আসুন বাঁচানোর একটা চেষ্টা করি। - যীশূ
- ইতিহাস খুড়ে দেখা : মুজিবনগর সরকার, স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রের মুল দলিল এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক - মিরাজ
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন দৈনিক সংগ্রামে জাতীয় সংগীত সংক্রান্ত ফতোয়া - এস্কিমো
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( প্রথম পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( ২য় পর্ব ) ( যেকোন রাজাকার এবং রাজাকার সমর্থনকারীদের প্রতি ওপেন চ্যালেঞ্জ, পারলে যুক্তিগুলো খন্ডন করুন) - একরামুল হক শামীম
- আদর্শের জন্য নয়, জামাত পাকিস্তানপন্থী হয়েছিল টাকার জন্য। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে নিয়মিত অর্থ পেতো জামায়াত। - শওকত হোসেন মাসুম
- বাবা কেন যুদ্ধে গেল? - কালপুরুষ
- একটি জাতির জন্ম: জিয়াউর রহমানের নিজের লেখা পড়ুন (১) - আমি সাগর
- পাকিস্তানের জন্য গোলাম আযমের আক্ষেপ ফুরাবে না! - শওকত হোসেন মাসুম
- এ ছবি আপনাকে দেখতেই হবে! আপনি এদেশের মানুষ নন? - তীরন্দাজ
- ছবি ব্লগ : গর্বের এবং বীরত্বের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- ও আমার দেশের মাটি : একটা অসাধারণ ভিডিও । এটাই মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের চেতনা - মিরাজ
- ফাঁসি দেয়ার সঠিক পদ্ধতি
- ইকরাম
- অনেক অজানা অতীত : নতুন প্রজন্মের জন্য। স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ২ (ইংরেজী টেক্সট সহ) - মিরাজ
- ছহি রাজাকারনামা - জেনারেল
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জামাত-শিবির কেন সন্ত্রাসী সংগঠন - অমি রহমান পিয়াল
- ওয়ার্ডপ্রেস ডেটাবেজ ব্যাকআপ রাখুন - গুগুল
- লিংক: রাজাকারের তালিকা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার- সময়ের দাবি - অঃরঃপিঃ
- গোলামের আরো কথা - অঃরঃপিঃ
- থাকলে এমনেই থাকতে হইব, নাইলে ফুট্ - অঃরঃপিঃ
- রাজাকার নিয়া আরেকটু কথা (আড্ডাবাজরে) - অঃরঃপিঃ
- আমাদের গান / সুমন : কোনও এক চিন্ময়ীকে - অঃরঃপিঃ
- স্বীকারোক্তি : আমি একটি অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছি... - অঃরঃপিঃ
- বইয়ের বিজ্ঞাপন : বইমেলায় আমাদেরও বই... - অঃরঃপিঃ
- নতুন সংকলণ : তেকোণালজি - অঃরঃপিঃ
- তেকোণালজি এখন হার্ডকাভারেও - অঃরঃপিঃ
- টুকে লেখা, পড়ে লেখা, জেনে লেখা... (আলী, হাবিব মহাজন। ফাডাররাও পড়তে পারেন) - অঃরঃপিঃ
অন্ধ হলে কি প্রলয় বন্ধ থাকে? / শহীদ জননী জাহানারা ইমাম
০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩
আরো পড়তে পারেন : এইদিনে বিচার হয়েছিলো গোলাম আযমের
স্পেশাল ট্রাইবুনালে গোলাম আযমের বিচারের দাবিতে ও জামায়াতে ইসলামীর ফ্যাসিস্ট সাম্প্রদায়িক রাজনীতি বন্ধ করার দাবিতে সারা দেশব্যাপী যে আন্দোলন গড়ে উঠেছে, সেটাকে বানচাল করার জন্য প্রতিপক্ষ প্রথম থেকেই নানাভাবে চেষ্টা করে আসছে। প্রথম দিকে ছিল ঘাতক দালাল নির্মূল আন্দোলনের গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশ-মিছিলে শিবির ও জাতীয় যুবকমান্ড দ্বারা হামলা, মারপিট, বোমাবাজি ইত্যাদি করানো, পুলিশ দিয়ে নির্যাতন, আন্দোলনের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দেয়া ও গ্রেফতার করানো। এতেও যখন কাজ হলো না, যখন দেখা গেলো দেড় বছরের মধ্যে দেশের সর্বস্তরের মানুষ ক্রমাগতই গোলাম আযমসহ সকল যুদ্ধাপরাধীর বিচারের দাবিতে আরো সোচ্চার এবং আরো ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে, তখন জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী বর্তমান সরকার দেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য ভিন্ন রাস্তা ধরলো। গোলাম আযমকে সাড়ম্বরে জেল থেকে মুক্তি দিয়ে দিলো! এনিয়ে এখন সারা দেশে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের ঝড় উঠেছে,তখন সরকার পক্ষের লোকেরা একের পর এক মিথ্যা, বানোয়াট ও হাস্যকর রকম খোঁড়া যুক্তির অবতারণা করে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা যেসব কথা বলে সাফাই গাওয়ার চেষ্টা করছে, সেগুলো একে একে বিশ্লেষণ করে দেখা যাক।
বর্তমান সরকারের তথ্যমন্ত্রী বলেন, (আজকের কাগজ, ২০-৭-৯৩) 'গোলাম আযমের বিচার আমাদের কাছে কোনো মূখ্য ইস্যু না। বিরোধীদল এটিকে রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে তৈরি করে এনিয়ে অপ্রাসঙ্গিক বিতর্কের অবতারণা করছে।' তার সদয় অবগতির জন্য বলছি একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি অবশ্যই এদেশে এখন মুখ্য ইস্যু। গোলাম আযমকেই সর্বপ্রথম গণআদালতের প্রতীকী বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছিলো যে কারণে, তা হলো তিনি একাত্তরে জামায়াতে ইসলামীর আমীর হিসেবে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে সহায়তা দানের যাবতীয় নীল নক্সা প্রণয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে তার সঙ্গে আরো অনেকে যারা ছিলেন তাদের মধ্যে গোলাম আযমের ভূমিকা এক নম্বরে থাকার কারণে তাকেই সর্বপ্রথম আসামী করাটা স্বাভাবিক। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী ভূমিকার কারণে তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছিলো, তিনি দেশ থেকে পলাতক ছিলেন, তিনি বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরও সাড়ে সাত বছর ধরে 'পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি' করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী কাজ করেছেন। এক্ষেত্রে তিনি রাষ্ট্রদ্রোহী।
যুদ্ধাপরাধী এবং রাষ্ট্রদ্রোহী হওয়া স্বত্ত্বেও তিনি জিয়া সরকারের আমলে পাকিস্তানী পাসপোর্টে তিন মাসের বাংলাদেশী ভিসা নিয়ে এদেশে প্রবেশ করেন এবং তারপর থেকে এই এত বছর ধরে এদেশেই রয়ে গেছেন। তার বিরুদ্ধে এদেশের মানুষের ক্ষোভ ছিলোই। এদেশে আসার পর দুবার দু উপলক্ষ্যে তিনি প্রকাশ্যে বের হয়েছিলেন এবং দুবারই তিনি প্রতিবাদ ও অপমানের সম্মুখীন হয়েছিলেন। ফজলুল হক হলের ২৫ বছর পূর্তি উৎসবে তার উপস্থিতির প্রতিবাদ করে এক শহীদের সন্তান (ফজলুল হক হলের তৎকালীন ছাত্র সংসদের এজিএস)। তার পরে বায়তুল মুকাররমে এক জানাজার অনুষ্ঠানে গোলাম আযম শরীক হতে গেলে উপস্থিত জনতা তাকে জুতাপেটা করে তাড়ায়। ১৯৭২ সালে নিষিদ্ধ হওয়া ফ্যাসিবাদী সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী আবার যখন রাজনীতি করার ছাড়পত্র পেলো ১৯৭৮ সালে, তখনও এদেশের মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে গোলাম আযম ও জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে। কিন্তু বিভিন্ন সময়ে সামরিক শাসন ও স্বৈরাচারী শাসনের জগদ্দল পাথরের তলায় চাপা থেকে আন্দোলনকে সাফল্যে নিয়ে যেতে পারেনি। বাংলার জনমানুষের এই ক্ষোভ, ক্রোধ, ঘৃণা মনের ভেতরে ধিকি ধিকি জ্বলছিলই। ১৯৯১ সালের ২৯ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামী যখন সংবিধানের ৩৮ ধারা লংঘন করে গোলাম আযমকে দলের প্রকাশ্য আমীর ঘোষণা করলো, তখন জনগণ আর সহ্য করতে পারলো না। পুঞ্জীভূত ক্রোধ, ক্ষোভ, ঘৃণা ফেটে পড়লো গোলাম আযমের উপর। কিন্তু জনগণতো শুধু গোলাম আযমকে নিয়ে বসে নেই। পালের গোদা গোলাম আযমের পরে আব্বাস আলী খান, মতিউর রহমান নিজামী, মাওলানা মান্নানসহ আরো ৮জন যুদ্ধাপরাধীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের দ্বারা সংঘটিত একাত্তরের যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধসমূহের তথ্য, স্বাক্ষ্য প্রমাণাদি সংগ্রহের কাজ চলছে। এগুলো রিপোর্ট আকারে গ্রন্থিত করে জনসমক্ষে প্রকাশিত হবে এ বছরের (১৯৯৩) ১৬ ডিসেম্বর।
বর্তমান সরকারের তথ্যমন্ত্রী যে বলেন, 'গোলাম আযমের বিচারের বিরোধিতা আমরা করছি না। আমাদের মধ্যেও গোলাম আযমের বিচার দাবির সমর্থক আছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির কর্মকাণ্ড সমাপ্ত না করে এ ব্যাপারে কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত আমরা দিতে পারছি না।' যোগাযোগ মন্ত্রীও (আজকের কাগজ, ২৩-৭-৯৩) একই ধরণের কথা বলেছেন- গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার এই পর্যায়ে, স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া জঞ্জাল জটিলতা কাটাতে হচ্ছে। এই মুহূর্তে সরকারের পক্ষে গোলাম আযমের বিচারের জন্য ট্রাইবুনাল গঠন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাদের অবগতির জন্য জানাই দেশের গুরুত্বপূর্ণ আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির কর্মকাণ্ড সমাপ্ত করার সময় কিংবা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেবার স্বৈরাচারের জঞ্জাল সরাবার জটিলতা কাটাবার সময় তারা মোটেও পাবেন না। তার আগেই জামায়াতে ইসলামী তাদের ছেঁটে ফেলে দেবে। এই আলামত কি বর্তমান সরকার টের পাচ্ছে না? জামায়াতের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় বসে বেগম খালেদা জিয়া ও তার সরকার যে জামায়াতের জিম্মি হয়ে রয়েছেন, এটুকু বোঝার মতো দূরদৃষ্টিও কি তাদের নেই?
নইলে আব্বাস আলী খান কোন সাহসে ১৯৯২ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের এত পত্রিকায় (নবাবগঞ্জ বার্তা, ২৭/৫/৯২) ইন্টারভিউ দিয়ে বলেন, 'মহিলা নেতৃত্ব নাজায়েজ, তবে ইসলামে বিধান রয়েছে দুটি মন্দ জিনিসের মধ্যে কম মন্দটিকে গ্রহণ করা যায়। আমরা কৌশলগত কারণে মহিলা নেতৃত্ব মেনে নিয়েছি।' টেপরেকর্ডারে বলা এই স্পর্ধিত বক্তব্যের পরও আব্বাস আলী খানকে বেগম জিয়া কেনো গ্রেফতার করতে পারেনি? জনগণই এই ধাঁধার রহস্য খুঁজে বের করুন। তথ্যমন্ত্রী আরো বলেছেন- বিএনপি আইনের শাসনে বিশ্বাস করে, আইন মোতাবেক গোলাম আযমকে গ্রেফতার করা হয়েছিলো, কিন্তু হাইকোর্টের রায়ে ছাড়া পেয়ে গেছেন। এ কথা জ্বালানী মন্ত্রীও বলেছেন। (আজকের কাগজ, ২১/৭/৯২) তিনি আরো এক কাঠি বাড়িয়ে বলেছেন বর্তমান সরকার আইনের শাসনের প্রতি পূর্ণমাত্রায় আস্থাশীল। গণতন্ত্র ও আইনের শাসনে বিশ্বাসী সকলের উচিত আদালতের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন। এই বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করবো না। জনগণের কাছে আমার অনুরোধ তারাই ভেবে চিন্তে বের করুন কেনো গোলাম আযমের আটকাদেশ দিয়ে, দেড় বছরে পাঁচবার সেটার মেয়াদ বাড়িয়ে, আইনের দাবি মোতাবেক নির্দিষ্ট সময়ে গোলাম আযমকে আটকাদেশের কারণ জানাননি। সরকারের তো না জানার কথা নয় যে আটকাদেশ দিয়ে একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আসামীকে কারণ জানাতে হবে। তাহলে? শেষবারেই দুই মাসের আটকাদেশ বাড়াবার মাত্র চারদিন পরেই কেন গোলাম আযমের আটকাদেশ অবৈধ বলে তাকে খালাস দেয়া হলো? এই ধাধার রহস্যও জনগণই বের করুন।
আসলে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবির আন্দোলনে যে সারা দেশব্যাপী ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, আন্দোলন ক্রমশই জোরদার হচ্ছে, তৃণমূল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে- এতেই সরকার বিচলিত হয়ে নানা উল্টোপাল্টা কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
জ্বালানী মন্ত্রী আরো বলেছেন, বিশেষ ট্রাইবুনালে বিচারের জন্য একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা, অভিযোগ ও গ্রেফতারী পরোয়ানা দরকার। বিরোধীদল সেটা করছে না। তাহলে সরকার কিসের ভিত্তিতে গোলাম আযমের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করবে? এটি একটি ছেলেভুলানো যুক্তি। গোলাম আযমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করার ক্ষমতা তো কেবল সরকারেরই। বিরোধী দল কোন ক্ষমতাবলে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করবে? এ ধরণের এলেবেলে কথার ফাঁকিতে ভুলবার মতো বোকা যে আমাদের দেশের জনগণ নয়, সেটুকু উপলব্ধি করার ক্ষমতাও কি জ্বালানী মন্ত্রীর নেই? যারা ঘাতক দালালদের বিচার চায়, তাদের উচিত আদালতে মামলা দায়ের করা- জ্বালানী মন্ত্রীর এই বক্তব্যও সঠিক নয়। সাধারণ অপরাধীর বিরুদ্ধে সাধারণ আদালতে মামলা করা যায়- যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য স্পেশাল ট্রাইবুনাল গঠনের প্রয়োজন হয় এবং বাদী হতে হয় সরকারকে।
দেশবাসীর প্রতি আমার আবেদন- আপনারা এইসব ধোঁকার যুক্তির ফাঁদে আটকা পড়বেন না। নিজেদের বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করুন।
বিএনপির একজন সাংসদ গোলাম আযমের প্রতি অসীম বিতৃষ্ণাবশত মন্তব্য করেছেন- ওই নামই আমি আমার মুখে উচ্চারণ করতে চাই না। সে আমার জীবনের কিংবা সমাজের কোথাও নেই। (আজকের কাগজ ২২/৭/৯৩)। কি অদ্ভুত যুক্তি! নাম উচ্চারণ করবেন না অথচ তাকে বাড়তে দেবেন, গোলাম আযম গংরা যে তার জীবন ও সমাজ ধ্বংস করতে উদ্যত, তাতে বাধা দেবেন না! শুনেছি মরুভূমিতে ঝড় উঠলে উটপাখী তার ছোট্ট মাথাটা বালিতে গুজে দেয় আত্মরক্ষার তাগিদে, যদিও তার গোটা দেহটাই অরক্ষিত থেকে যায় এবং একসময় সে প্রবল ঝড়ে উল্টিয়ে ছিটকে যায়। তাই বলি নির্লিপ্ত বসে থাকার দিন আমাদের সামনে আর নেই। গত ১৬/১৭ বছর অনেক নির্লিপ্ত হয়ে থেকেছি আমরা। এখন সারা দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে গোলাম আযম ও জামায়াতে ইসলামীর মতো ফ্রাংকেস্টাইন দানবদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারলে আমাদের অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন করে দেবে ওরা। সেটা বাংলাদেশের বীর জনগণ কখনোই হতে দেবে না। তাই তো শত বাধা-বিপত্তি, হুমকি, নির্যাতন, জেল-জুলুম, বোমা গুলিবাজি করেও বীর বাঙালীকে দমাতে পারছে না কেউ। একাত্তরে একবার জেগেছিলো সারা দেশের মানুষ। আবার জেগেছে বীর বাঙালী। জয় আমাদের হবেই।
মৃত্যুর আগে শহীদ জননীর শেষ নির্দেশ :
(শহীদ জননী জাহানারা ইমামের পক্ষ থেকে)
বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমার আবেদন এবং নির্দেশ
প্রিয় সহযোদ্ধারা,
গত তিন বছর ধরে গোলাম আযম এবং তার সাঙ্গপাঙ্গ ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে আপনারা লড়ছেন। বাঙালী জাতি হিসেবে আপনাদের একতা ও সাহস তুলনাহীন। এই সংগ্রামের শুরুতে আমিও আপনাদের একজন ছিলাম। আমরা শপথ করেছিলাম বিজয়ী না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার।
মরণব্যধী ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে আমি আমার শেষদিনগুলো গুনছি। তবে আমি আমার প্রতিজ্ঞা রেখেছি। আমি লড়াই থেকে পিছু হটিনি। কিন্তু অবশ্যম্ভাবী এই মৃত্যু ঠেকানোরও কোনো পথ নেই। তাই আমি আবারও লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্তু যুদ্ধ চালিয়ে যেতে আমাদের নেওয়া সেই শপথটার কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। আপনাদের সেই প্রতিজ্ঞা পূরণ করতেই হবে। আপনাদের ঐক্যবদ্ধ থেকে শেষ পর্যন্ত লড়ে যেতে হবে। যদিও আমি আপনাদের মাঝে থাকবো না। কিন্তু আমি ঠিকই জানবো যে আপনারা- আমার লাখো বাঙালী সন্তানেরা ছেলে-মেয়ে নিয়ে স্বাধীন সোনার বাংলায় বসবাস করছেন।
আমাদের সামনে এখনও দীর্ঘ এবং দুরূহ পথ। এই লড়াইয়ে সকল শ্রেনীর মানুষ যোগ দিয়েছেন। ভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট থেকে এসেছেন তারা, আর তাদের সঙ্গে লড়াইয়ে সামিল হয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা, নারী, ছাত্র-যুবারা। আর আমি ভালো করেই জানি জনগনের চেয়ে চেতনায় একরোখা আর কেউ নেই। জনগণই শক্তি। তাই আমি আপনাদের কাছে, বাংলাদেশের জনগনের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বয়ে নেয়ার এবং গোলাম আযম ও ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করানোর দায়িত্বটা সঁপে দিলাম।
ইনশাল্লাহ জয় আমাদের হবেই।
জাহানারা ইমাম
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
স্যালুট
মীতু বলেছেন:
ইনশাল্লাহ আমাদের জয় হবেই । নতুন সরকার যদি এদের বিচার করতে না পরে তবে বিক্ষুব্ধ জনতার হাত ছেড়ে দিক এদের ।
আমরাই এর বিচার করি ।
সোহানের রোজনামচা বলেছেন:
জাহানারা ইমাম, শহীদ জননী, আমার মা, আপনাকে শ্রদ্ধা জানাই। বিচারের দাবী করি এখন ঐসব শয়তানের বিচারের। একাত্তরের দিনগুলি পড়ছিলাম কাল রাতে।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
শহীদ জননীর স্বপ্ন সত্যি হোক...রাজাকারদের বিচার হোক!!নো মার্সি ফর ওয়ার ক্রিমিনাল! নতুন বছরে এই হোক দৃপ্ত অঙ্গীকার।
পিয়াল ভাইকে অশেষ ধন্যবাদ।
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন:
চমৎকার পিয়াল ভাই। দিন দিন আমি আপনার ভক্তে রূপান্তরিত হচ্ছি।
মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অন্তরে যে চতনা জাগ্রত করে তোলে সে চেতনা আপনি ছড়িয়ে দিতে বদ্ধ পরিকর।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার লেখনী দিয়ে সর্বদা যে আন্দোলন আপনি চালিয়ে যাচ্ছেন সে আন্দোলনকে আমি শ্রদ্ধা জানাই।
এবং বাংলার এই অযোগ্য সন্তান যদি আপনার পাশে থেকে কোনো উপকার করতে পারে তবে শান্তনা পেতাম।
যে কোনো কাজে দরকার মনে করলে শুধু বলবেন।
ভালো থাকবেন।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
এইগুলো আমাদের ছড়িয়ে দিতে হবে, লিফ্লেট-প্রকাশনা-পোস্টার আকারে, শুধু ঢাকায় নয়,পাবনা, ফটিকছড়ি, সাতকানিয়া, কক্সবাজারে...যুদ্ধ চল্বেই , নানান রুপে...
নীতিশ বৈরাগী বলেছেন:
সেই দিনের কথা মনে পড়ে
রাশেদ বলেছেন:
থ্যাঙ্কস শেয়ারের জন্য।
কঁাকন বলেছেন:
সরকারকে চাপে রাখতে হবে যেন নির্বাচনিওয়াদা যুদ্ধপরাধীদের বিচার থেকে পিছলেযেতে না পারে
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
ধন্যবাদ সবাইকে আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের জন্য
অনন্ত রেয়হান বলেছেন:
ধন্যবাদ, লেখাটা শেয়ার করার জন্য।
নীতিশ বৈরাগী বলেছেন:
মুক্তিযোদ্ধা ছাত্র কমান্ডের সেই শ্লোগানটা আবারও দেই, লাখো শহীদ ডাক পাঠালো সব সাথীদের খবর দে
সারা বাংলা ঘেরাও করে রাজাকারদের কবর দে
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















