আমার প্রিয় পোস্ট

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিতি নিয়ে জেনারেল এমএজি ওসমানীর বক্তব্য

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:০২

শেয়ারঃ
0 25 0

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে আনুষ্ঠানিক জন্ম নেয় বাংলাদেশ। এদিন পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলের সেনাধিনায়ক জেনারেল নিয়াজী মিত্রবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে আত্মসমর্পণ করেন সদলে। বাংলাদেশের পক্ষে এই অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন (এয়ার ভাইস মার্শাল) একে খন্দকার। এই আত্মসমর্পণে মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ও মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল এমএজি ওসমানী কেনো ছিলেন না- এনিয়ে ব্লগ গরম হয়েছে একসময়। টুকরো যে সূত্র মিলেছিলো তাতে জানা গেছে ওসমানী সিলেট যাওয়ার পথে তার হেলিকপ্টারে গুলি করা হয়। আহত হওয়ায় তিনি অনুষ্ঠানে আসতে পারেননি। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সফর করে যাওয়া মিত্রবাহিনীর অন্যতম জেনারেল জেকবের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বেশ বিস্মিত হয়েই বলেছিলেন- আমরাও জানতাম না উনি কোথায় চলে গিয়েছিলেন!

এ নিয়ে সেসময় কোলকাতায় বাংলাদেশ প্রবাসী সরকার ও বাঙালীদের মধ্যেও ব্যাপক জল্পনার জন্ম নিয়েছিলো। নানা ধরণের কাল্পনিক ও পরস্পরবিরোধী প্রচারণার মধ্যে আলোচিত ছিলো কয়েকটি কাহিনী :
১. প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে দেখা করে ওসমানী জানিয়ে দিয়েছেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে ঢাকায় মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়কের কাছে আত্মসমর্পন করতে হবে। ওসমানী নিজে ঢাকায় গিয়ে তাদের আত্মসমর্পণে রাজী করাবেন। কিন্তু ভারতীয় বাহিনী এতে নারাজ। তাদের দাবি তাদের কাছেই আত্মসমর্পণ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে নাখোশ করতে চান না, আবার ওসমানীকেও না বলতে পারছেন না। এই দড়িটানাটানিতে রাগ করে ওসমানী কোথায় চলে গেছেন।

২. প্রধানমন্ত্রী ওসমানীকে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে থাকতে বললে তিনি রাজী হননি কারণ ভারতীয় বাহিনীর প্রতিনিধিত্ব কে করবেন সেটা তখনও ঠিক হয়নি। ভারতীয় সেনা প্রধান স্যাম মানেকশ যদি আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে যান, তাহলে কর্ণেল ব্যাজধারী ওসমানী তার সঙ্গে যেতে অস্বস্তি বোধ করবেন। প্রধানমন্ত্রী এরপর অরোরা নাম প্রস্তাব করলে ওসমানী আবারও অস্বীকৃতি জানান। কারণ মর্যাদার দিক থেকে তিনি ভারতীয় সেনাপ্রধানের সমপর্যায়ের- একটি দেশের সশস্ত্রবাহিনীর সর্বাধিনায়ক। অন্যদিকে অরোরা একটি আঞ্চলিক কমান্ডের অধিনায়ক মাত্র। ওসমানী তাই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না। উনি পরে কোলকাতায় ফিরবেন।

এর বাইরে আরেকটি হাস্যকর গল্প ছিলো যে ভারতীয় বাহিনীর জেনারেলদের সমাদর করার মতো অবস্থা ঢাকায় ওসমানীর ছিলো না। তাই লজ্জায় তিনি গা ঢাকা দিয়েছেন। এ বিষয়ে অবশেষে কিছু তথ্য জানা গেছে যার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ কম। যুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের অধীনে মুক্তিবাহিনীর সদর দপ্তরে জনসংযোগ কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন নজরুল ইসলাম। একাত্তরের রণাঙ্গন অকথিত কিছু কথা নামে এক স্মৃতিচারণে তিনি তুলে ধরেছেন এর বিষদ বিবরণ।

ঘটনা হচ্ছে ১২ ডিসেম্বর ওসমানী কলকাতা থেকে আগরতলা হয়ে মুক্তাঞ্চল সিলেটে যান। এটা নিশ্চিত করেন মুক্তিবাহিনী হেডকোয়ার্টারের অফিসার ইন চার্জ জেনারেল ওসমানীর বিশ্বস্ত বন্ধু মেজর এমআর চৌধুরী। তার ভাষায়- তানী এখন সিলেট গেছুন।

১৮ ডিসেম্বর সদর দপ্তরে ফিরে তাকে নিয়ে এসব গুজব শুনে ভীষণ ক্ষুব্ধ হন ওসমানী। নজরুল ইসলামের মুখে পুরোটা শুনে যে জবাব দিয়েছেন কোট করছি:

দেখুন আমরা স্বাধীনতা অর্জন করতে যাচ্ছি। কিন্তু দুঃখ হলো স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের মধ্যে আত্মমর্যাদাবোধ সম্পর্কে কোনো চেতনা এখনও জন্ম হয়নি। আমাকে নিয়ে রিউমার ছড়ানোর সুযোগটা কোথায়? কোনো সুযোগ নেই। তার অনেক কারণ রয়েছে। নাম্বার ওয়ান- পাকিস্তানী সেনাবাহিনী কবে আত্মসমর্পণ করবে আমি জানতাম না। আমি কলকাতা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তাদের আত্মসমর্পণের প্রস্তাব এসেছে।


নাম্বার টু- ঢাকায় আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে আমার যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। কারণ এই সশস্ত্র যুদ্ধ ভারত-বাংলাদেশের যৌথ কমান্ডের অধীনে হলেও যুদ্ধের অপারেটিং পার্টের পুরো কমান্ডে ছিলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান লেফট্যানেন্ট জেনারেল স্যাম মানেকশ। সত্যি কথা হচ্ছে আমি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো নিয়মিত সেনাবাহিনীর সেনাপ্রধানও নই। আন্তর্জাতিক রীতিনীতি অনুযায়ী পাকিস্তান সেনাবাহিনী আমার কাছে আত্মসমর্পণ করতে পারে না। কারণ বাংলাদেশ জেনেভা কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী কোনো দেশ নয়।


আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে জেনারেল মানেকশকে রিপ্রেজেন্ট করবেন লে.জে অরোরা। জেনারেল মানেকশ গেলে তার সঙ্গে যাওয়ার প্রশ্ন উঠতো। সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমার অবস্থান জেনারেল মানেকশর সমান। সেখানে তার অধীনস্থ আঞ্চলিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল অরোরার সফরসঙ্গী আমি হতে পারি না। এটা দেমাগের কথা নয়। এটা প্রটোকলের ব্যাপার। আমি দুঃখিত, আমাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। আমাদের মধ্যে আত্মমর্যাদাবোধের বড় অভাব।

ঢাকায় ভারতীয় বাহিনী আমার কমান্ডে নয়। জেনারেল মানেকশর পক্ষে জেনারেল অরোরার কমান্ডের অধীন। পাকিস্তানী সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করবে যৌথ কমান্ডের ভারতীয় বাহিনীর কাছে। আমি সেখানে (ঢাকায়) যাবো কি জেনারেল অরোরার পাশে দাড়িয়ে তামাশা দেখার জন্য? হাও ক্যান আই!

আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করবেন জেনারেল মানেকশর পক্ষে জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা আর পাকিস্তানী বাহিনীর পক্ষে জেনারেল নিয়াজী। এখানে আমার ভূমিকা কি? খামোখা আমাকে নিয়ে টানা হ্যাচড়া করা হচ্ছে।

পাশাপাশি কেনো মুক্তিবাহিনীর কাছে পাকিস্তানীরা আত্মসমর্পণ করেনি এটার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ওসমানী সংক্ষেপে ব্যাপারটা এমন যে যুদ্ধবন্দীদের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক নীতিমালা আছে যার অন্যনাম জেনেভা কনভেনশন। বাংলাদেশ এই কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী দেশ নয় বলেই সেই নীতিমালা মানতে মুক্তিবাহিনী বাধ্য ছিলো না। তাই তাদের হত্যা করলে বা তাদের উপর অত্যাচার করলে বলার থাকতো না কিছু। পাকিস্তানীরা জেনেশুনে সে ঝুকি নেয়নি। তাছাড়া ৯০ হাজার যুদ্ধবন্দীকে খাওয়ানো পড়ানো তদারক করার ক্ষমতাও যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের ছিলো না। তখনও নিজের খাওয়াটাই যে জোটে না!

একই বইয়েই জানা গেছে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জন্য ওসমানী একটি ভাষণ লিখেছিলেন ইংরেজীতে যার অনুবাদে কমান্ডার ইন চীফের বাংলা মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি করা হয়েছে দেখে খেপে যান তিনি। নির্দেশ দেন সর্বাধিনায়ক লিখতে। বিব্রত নজরুল তথ্য মন্ত্রনালয়ে গেলে ভারপ্রাপ্ত সদস্য আব্দুল মান্নান প্রধান সেনাপতি লিখতে বলেন। ক্ষুব্ধ ওসমানী এরপর স্বাধীন বাংলা বেতারে কোনো ভাষণ দেননি গোটা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে। প্রসঙ্গত মুজিব নগরে বাংলাদেশ সরকারের স্বাধীনতা ঘোষণায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়কের পদ দেওয়া হয়। ওসমানী ছিলেন মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক।

ছবি কৃতজ্ঞতা : বাংলাপিডিয়
তথ্যসূত্র : একাত্তরের রণাঙ্গন অকথিত কিছু কথা
লেখক: নজরুল ইসলাম, অনুপম প্রকাশনী ১৯৯৯

 

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:০৭
আখসানুল বলেছেন: চমৎকার লাগল। অনেক কিছু জানলাম।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১১
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: হুমম। কিছু জানলাম। ধন্যবাদ।
৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৩
রাজামশাই বলেছেন: সত্যি কথা হচ্ছে আমি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো নিয়মিত সেনাবাহিনীর সেনাপ্রধানও নই। আন্তর্জাতিক রীতিনীতি অনুযায়ী পাকিস্তান সেনাবাহিনী আমার কাছে আত্মসমর্পণ করতে পারে না। কারণ বাংলাদেশ জেনেভা কনভেনশনে স্বাক্ষরকারী কোনো দেশ নয়।


এইটাই আসল কথা।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: সেটাই

৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২৬
পজিটিভ২৯ বলেছেন: না জানা কত কিছুই না আছে।

সঠিক ইতিহাস যে আসলে কোনটা!!!!!
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৫

লেখক বলেছেন: কারো বিভ্রান্তি কখনোই কাটে না। কারণ সত্যমিথ্যা যাচাই করার ক্ষমতা তার কখনোই থাকে না। এখানে মগজ ধোলাইয়ের সম্ভাবনা প্রবল

৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩০
কৌশিক বলেছেন: সঠিক ইতিহাস পাবেন বিএনপি-রাজাকার জোটের কাছে।
৬. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩০
'লেনিন' বলেছেন: যতো কথাই আসল হোক না কেনো? ওসমানীকে উপস্থিত রাখা কর্তব্য ছিল।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩

লেখক বলেছেন: কার কর্তব্য? সে নিজের আত্মমর্যাদা সচেতন। ওইটাতো পাকিস্তান সেনাপ্রধানের সারেন্ডার না। ভারতীয় সেনাপ্রধানও যায় নাই। বাংলাদেশের সেনা প্রধান কেনো যাবে?

৭. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৪
নাঈম বলেছেন: অনেক অজানা তথ্য জানলাম, অনেক ধন্যবাদ পিয়াল ভাই।
৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৯
বেয়াকুফ বলেছেন: আগে ত্রিভুজ ভাইয়ের প্রশ্নের উত্তর দ্যান। কন আত্মসমর্পন অনুষ্ঠানে ওসমানীরে আসতে দ্যায় নাই ক্যা ভারতীয়রা? নিয়াজি ওসমানীর কাছে না কইরা অরোরার কাছে আত্মসমর্পন করলো ক্যা?
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮

লেখক বলেছেন: বাংলা দেখা বা পড়া না গেলে কোনো সমস্যায় ক্লিক করুন।

বাংলা পড়ার পর বোঝা না গেলে কাঠাল পাতা সেবন বন্ধ করুন।

ছাগুচীপের প্রশ্নের জবাব দিতে গেলে আমারে লাদি ছাড়া শিখতে হবে, রুচি নাই

৯. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪১
হরিপদ দে বলেছেন: তথ্য সুত্র জানালে খুব খুশী হব।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১০

লেখক বলেছেন: একাত্তরের রণাঙ্গন অকথিত কিছু কথা : নজরুল ইসলাম
অনুপম প্রকাশনী, ১৯৯৯

১০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৩
সোনা১ বলেছেন: জাতি আপনার কাছে সত্যিই কৃতজ্ঞ, কারণ যেভাবেই সংগ্রহ করুণ না কেন, আমাদের অনেক অন্ধকার কেটে গেছে, আপনাকে আমার তরফ থেকে অনেক ধন্যবাদ

সত্যিই আপনার লেখা অনেক তথ্যবহুল , বলার অপেক্ষা রাখেনা, তবু বলছি আপনাকেই, ভয় ভেঙ্গে জেগে উঠা নব জাগরণে আপনাকে ভিষন দরকার আমাদের আজ এ অন্ধ গোড়া অশিক্ষিত হতাশাগ্রস্থ জাতির
১১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৬
সোনা১ বলেছেন: ত্রিভুজের তিনটি বহু (হাত) হয় তাইলে মাথা কয়ডা, এই জন্যই এত কিডনি
১২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮
Enam বলেছেন: একটি বইষে।...... বইটার নাম কি?
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১২

লেখক বলেছেন: বাংলা দেখা না গেলে বা পড়া না গেলে কোনো সমস্যায় ক্লিক করেন। তাতেও কাজ না হইলে চশমার পাওয়ার বদলান

১৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯
শামস শামীম বলেছেন: ওসমানী বিষয়ক মজাদার মিথ তোলে ধরার জন্য ধন্যবাদ পিয়াল ভাই। নতুন প্রজন্মের এই আমরা ওসমানীকে চিনি একজন মেরুদন্ড প্রধান মানুষ হিসেবে। তাকে জানি আপসহীন লৌহ পুরুষ হিসেবে। স্বাধীন বাংলার অন্যতম প্রধান স্থপতি এই মহানায়ককে রাষ্ট্র ও সরকার তার প্রাপ্য অনেক কিছু থেকেই বঞ্চিত করেছে।
বাঙ্গালি জাতি নিয়ে তার মন্তব্যটিই সঠিক। ''দেখুন আমরা স্বাধীনতা অর্জন করতে যাচ্ছি। কিন্তু দুঃখ হলো স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের মধ্যে আত্নমর্যাদাবোধ সম্পর্কে কোনো চেতনা এখনো জন্ম হয়নি।
একজন ওসমানীকে লাল সালাম।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

১৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৭
বেয়াকুফ বলেছেন: সিরিয়াসনেস বাড়তেসে ভালো। তবে সেন্স অব হিউমার আর সিরিয়াসনেস - দুইটা জিনিস মনে হয় বিপরীতসম্পর্কযুক্ত। একটা বাড়লে আরেকটা কমে এই আর কি। এনিওয়ে, পোস্টে ++
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: কারে কইলেন? আমারে?

১৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৭
রােশদ সুলতান তপু বলেছেন: পিয়াল ভাই- আমার মনে মধ্যেও এই প্রশ্নটা ছিল যে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে ওসমানী অনুপস্থিত ছিলেন। আজকে তার মোটামুটি যুক্তিগ্রাহ্য একটা ব্যাখ্যা পেলাম- আর তার জন্যে আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনি যে ব্ইয়ের লিংক দিয়েছেন- সেটা পড়লে আরো কিছু অজানা তথ্য পাওয়া যাবে বলে মনে হচ্ছে। আমি আশা করবো- কিছু ধোঁয়াটে বিষয়-এর মূল কাহিনী আপনি এইরকমভাবে আমাদের সামনে তুলে ধরবেন। আপনার সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করছি।

বিঃ দ্রঃ উপরের একটি মন্তব্যে আপনি কাঁঠাল পাতা সেবন করার পরামর্শ দিয়েছেন এবং মন্তব্যকারীকে বিপদে ফেলে দিয়েছেন। দয়া করে তাকে কাঁঠাল পাতা চর্বন করার পরামর্শ দেন। ধন্যবাদ।
১৬. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০
অচেনা সৈকত বলেছেন: ভাল পোস্টে প্লাস।
১৭. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩০
বেয়াকুফ বলেছেন: জি সুলতান ভাইয়া আমাকে বললেন? ছাগোল সমাজের প্রতিনিধি হিসাবে কি আপনি ত্রিভুজ ভাইয়ের নব নিযুক্ত? অফটপিকঃ আপনার নামের মাঝে ফুটা কেনো?
২০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৯
মরুবিজয় বলেছেন: জামাতিরা চোখ কান বন্ধ কইরা রাখছে - ছাগুশিশুরা অন্ধকারে ভেগ ধইরা রইছে - এখন এমন পোস্ট'এ আর খুইজ্জা পাওয়া যাইবো না - ক্যাওয়াজ বাজাইন্যা নেওয়াজ শরীফের ভাইস্তা - এহিয়াখাঁর ভাইগ্ন্যা - গো আ'র পোয়া - ছা কা'র হাক্কা'রা - ভালাই জবাব পাইছে
২১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০৫
হরিপদ দে বলেছেন: তথ্য সুত্র জানালে খুব খুশী হব।
২২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭
হরিপদ দে বলেছেন: ধন্যবাদ।
++++++++++++
আশাকরি বইটি পড়ে আরও অনেককিছু জানতে পারব।
২৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২৭
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

জানার আছে অনেক কিছু । ছিদ্রান্বেষণকারীরা হয়তো এতেও সন্তুষ্ট হবেনা । প্রশ্ন তুলবে, এই কথাগুলো যে এমএজি ওসমানী-ই বলেছেন তার প্রমাণ কি ? অর্থাৎ নজরুল ইসলামের বই নিয়েও তারা প্রশ্ন তুলবেন, তাতে অবশ্য আমাদের ক্ষতিবৃদ্ধির সম্ভাবনা কম ।

তথ্যবহুল পোস্টের জন্য ধন্যবাদ ।
২৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮
রাকিব খান বলেছেন: কোথায় এই তথ্য পেলেন ?
২৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৩
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: রাকিব খানকি চৌক্ষে কম দেহেন?
২৬. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫১
ইয়ামিন বলেছেন: ওসমানী সাহেবের উপস্হিতিতেই আর্তসমর্পন উচিত ছিলো। কেননা তিনি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক। আমরা মুজিব জিয়া নিয়ে কথা বলি, কিন্তু ওসমানী সম্পর্কে কেউ কোন শব্দও করে না। ওসমানীর কথাই সত্যি ''দেখুন আমরা স্বাধীনতা অর্জন করতে যাচ্ছি। কিন্তু দুঃখ হলো স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের মধ্যে আত্নমর্যাদাবোধ সম্পর্কে কোনো চেতনা এখনো জন্ম হয়নি।"
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন:

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১০

লেখক বলেছেন: বুঝলাম না, একটা লেখার পড়ার পর আত্মস্থ করতে সমস্যা কি? তাইলে তো বেকুবের মতো সিদ্ধান্ত দেয়ার সম্ভাবনা কমে। নাকি হেডিং পইড়াই মন্তব্য দিয়া দেন

২৭. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৫
সমুদ্রের তীরে বলেছেন: জেনারেল ওসমানী বেচে থাকাকালীন উনার একটা সাক্ষাতকার পড়েছিলাম, তাতে উনি বলেছিলেন যে-সেদিন উনি কেন উপস্থিত হতে পারেননি তার কারন এবং মুক্তিযুদ্ধের অনেক ঘটনা(ইতিহাস) উনার ডাইরীতে লিখে রেখেছেন।যা উনার মৃত্যুর পর ছাপা হবে।কিন্তু উনার মৃত্যুর পর ঐ ডায়রী আর পাওয়া যায়নি(সরিয়ে ফেলা হয়)।
আমাদের র্দূভাগ্য আমরা সঠিক ইতিহাস জানতে পারলাম না।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৪

লেখক বলেছেন: আমার ধারণা এইটা কামারুজ্জামান সম্পাদিত সোনার বাংলায় ছাপা হইছিলো ঠিক না?
সেখানে নিশ্চয়ই আরো পড়ছেন শেখ মুজিবের নির্দেশে জহির রায়হানকে গুম করে র' কারণ তিনি কলকাতায় আম্লীগের নেতাগো ফুর্তির ছবি দিয়া স্টপ জেনোসাইড নামে একটা সিনেমা বানাইছিলেন।

তারপর ভারতীয় লুটপাটের প্রতিবাদ করায় মেজর জলিলরে গ্রেপ্তার করা হইছিলো।

শেখ মুজিব বাঙলাদেশের স্বাধীনতা চান নাই, তিনি আত্মসমর্পণ করছিলেন দেশের সঙ্গে বেইমানী কইরা

আল মাহমুদ বন্দুক হাতে মুক্তিযুদ্ধ করছে আর শামসুর রাহমান দৈনিক পাকিস্তানের হইয়া রাজাকারি করছে

২৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০২
স্বজন বলেছেন: অনেকেই দেখছি তথ্যসুত্র পাইতেছে না। পোষ্টের নিচে যদি এভাবে তথ্যসুত্র উল্লেখ করা হয়, তাহলে কেমন হয় একটু ভেবে দেখবেন।

একাত্তরের রণাঙ্গন অকথিত কিছু কথা
নজরুল ইসলাম
অনুপম প্রকাশনী, ১৯৯৯
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। করে দিলাম। আগেই করা উচিত ছিলো

২৯. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: পাবলিকের উচিৎ একই সাথে মূলধারা-৭১ বইটা মুখস্ত করা। কিছু না পইড়া খালি লাফায়। খুব ভাল কাজ হইছে পিয়াল।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। বইমেলায় শুদ্ধস্বর প্রকাশনী থেকে বের করার ইচ্ছে আছে মুক্তিযুদ্ধের কাজগুলা। এইটা সেগুলার একটা, যদিও এখানে ডিটেল দি নাই

৩০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১০
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:


চমৎকার । ++++


এটা আগে এভাবে জানতাম না। ধন্যবাদ পিয়াল ভাই:)
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। একসময় হন্যে হইয়া এই ব্যাপারে তথ্য খুজছি। অথচ বইটা ছিলো আমার বুকশেলফেই

৩১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৩৯
রাকিব খান বলেছেন: শেখ মুজিবের নির্দেশে জহির রায়হানকে গুম করে র' কারণ তিনি কলকাতায় আম্লীগের নেতাগো ফুর্তির ছবি দিয়া স্টপ জেনোসাইড নামে একটা সিনেমা বানাইছিলেন।

তারপর ভারতীয় লুটপাটের প্রতিবাদ করায় মেজর জলিলরে গ্রেপ্তার করা হইছিলো।

শেখ মুজিব বাঙলাদেশের স্বাধীনতা চান নাই, তিনি আত্মসমর্পণ করছিলেন দেশের সঙ্গে বেইমানী কইরা

আল মাহমুদ বন্দুক হাতে মুক্তিযুদ্ধ করছে আর শামসুর রাহমান দৈনিক পাকিস্তানের হইয়া রাজাকারি করছে
৩২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫৪
সেলটিক সাগর বলেছেন:
@রাকিব খান বলেছেন:, কি মিয়া জামাত শিবিরের ম্যনুয়ালে তো আরো প্রশ্ন ছিল, সেগুলো কই?

নাকি খালি এই কয়টা জিগানোর টাকা পাওয়া গেছে আজকে?
৩৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৭
সেলটিক সাগর বলেছেন:
@রাকিব খান, কি মিয়া জামাত শিবিরের ম্যনুয়ালে তো আরো প্রশ্ন ছিল, সেগুলো কই?

নাকি খালি এই কয়টা জিগানোর টাকা পাওয়া গেছে আজকে?

আর শহীদ জহির রায়হান কে নিয়ে যদি সত্যই কারো জানার ইচ্ছা থাকে তারা নিচের লিংকদুটো দেখতে পারেন.......

Click This Link

Click This Link


৩৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১২
সেলটিক সাগর বলেছেন:
আল মাহমুদ মুক্তিযুদ্ধের সময় কি করেছে তার জন্য (আর যাই করুকবন্দুক হাতে মুক্তিযুদ্ধ করেন নাই)-

http://www.sachalayatan.com/arifjebtik/17812
৩৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৭
লীনা দিলরূবা বলেছেন: ইতিহাসকে গল্পের মত করে বলার একধরণের কারিশমা আছে আপনার।
গুড পোস্ট।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫০

লেখক বলেছেন: খুশী হলাম, খানিকটা বিব্রতও। ধন্যবাদ

৩৬. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:০৮
কঁাকন বলেছেন: ধন্যবাদ

জানলাম অনেক কিছু
৩৭. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:১৮
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পিয়াল ভাই। +++++
৩৮. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫৩
মাহবুব সুমন বলেছেন: হেলিকপ্টার হবে, বিমান না।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস বস। ঠিক করে দিছি। কাইয়ুমরে পাইলেন?

৩৯. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০৮
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন: @রাকিব খান,আল মাহমুদ বন্দুক যুদ্ধ করছিল নাকি?


কলকাতায় আইয়া সেই শহরটা (সঙ্গে আর নানান জিনিস) দেখতেই সময় দিয়েছিলেন। তার নিজের আত্মজীবনী মার্কা লেখাটা পড়েন, আমি সেখান থেইক্যাই কইতাছি।
তার কথায় খালি তার ভয় করত, ভয়ে ভয়ে যুদ্ধ??? হা হা হা।
তার সোনালীকাবিন পইড়া যেমন মুগ্ধ হইছিলাম, তার চেয়ে বেশি বীতশ্রদ্ধ হইছি তার আবালীয় জামাতি ঘেষাঘেষিতে। তাইন কী একটা কাগজে লেখেন না এখন?

রহমান আর তাইনের পার্থক্য বিচার করা "শেখ মুজিবের নির্দেশে জহির রায়হানকে গুম করে র' কারণ তিনি কলকাতায় আম্লীগের নেতাগো ফুর্তির ছবি দিয়া স্টপ জেনোসাইড নামে একটা সিনেমা বানাইছিলেন"---এই স্ট্যান্ড থেইক্যা হইত না
৪০. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪২
গোলন্দাজ বলেছেন: দারুন একটা পোস্ট ...।। অনেক ধন্নবাদ অমি ভাই...।++++++
৪১. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৯
সুবিদ্ বলেছেন: জে. ওসমানী মারা যান ১৯৮৪তে, উনি অবশ্যই পারতেন সবকিছুর উত্তর দিয়ে যেতে......এটা দুঃখজনক যে আজও আমরা এরকম অনেক বিষয়ে প্রায়ান্ধকারে হাতড়ে বেড়াচ্ছি.....

উনি যে খুব অবমূল্যায়িত হয়েছেন, তা কিন্তু ঠিক নয়....৭৩-এ এম.পি. ছিলেন, নৌ-মণ্ত্রীত্ব থেকে পদত্যাগ করেছিলেন ৭৫-এ বাকশাল করার প্রতিবাদে....এরপর আবার মোশতাকের ডিফেন্স সেক্রেটারী-গিরি করেছিলেন....জে. জিয়ার সাথে প্রেসিডেন্ট ইলেকশন করে হেরে পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছিলেন....

তো, উনার জন্ম/মৃত্যুদিবস শুধু রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হয়না.....
৪৩. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২০
জলপাই দেশি বলেছেন: জেনারেল ওসমানীকে নিয়ে আপনার লেখাটি চমৎকার লাগলো। ধন্যবাদ।
৪৪. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪১
বাপ্পাদিত্য বলেছেন: চমৎকার লিখা পিয়াল ভাই।
জেনারেল ওসমানী কেন ছিলেন না এ নিয়ে উল্টোপাল্টা অনেক মন্তব্য/লিখা দেখেছি... আজ কিছুটা ব্যাখ্যা পেলাম- ধন্যবাদ আপনাকে।
৪৫. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৯
সারিয়া তাসনিম বলেছেন:
শুভেচ্ছা রাজকন্যাকে , একটি বছর পৃথিবীতে দাপিয়ে বেড়ানোর জন্য । এমনটাই চলুক আরো বহু বছর ।

শুভ জন্মদিন রাজকন্যা !
৪৬. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৯
আবদুল্লাহ মামুন বলেছেন: ভালো লাগলো তথ্য গুলো।
আমাদের আত্মসম্মানবোধ কি এখনও জেগেছে? যদি জেগেই থাকে তাহলে আমাদের সার্বভৌমের উপর ভারত যে আগ্রাসী অভিযান চালাচ্ছে তারপরও আমাদের সরকার তাদের তৈল দিচ্ছে কেনো? কেউ কি অস্বীকার করতে পারবেন বি এস এফ আমাদের সীমান্তে বাংলাদেশীদের মারছে না, নৌসীমানায় তারা অবস্থান করছে না, তারপরও আমরা ট্রানজিট দিচ্ছি পারলে তাদের এনে জামাই আদর করছি।
হায়রে আমার দেশ!!!!!!
৪৭. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০০
এরশাদ বাদশা বলেছেন: তথ্যবহুল পোস্ট আরো একবার। আপনার পরিশ্রমকে স্যালুট কমরেড!!
৪৮. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১৬
ল্যাটিচুড বলেছেন: "আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে জেনারেল মানেকশকে রিপ্রেজেন্ট করবেন লে.জে অরোরা। জেনারেল মানেকশ গেলে তার সঙ্গে যাওয়ার প্রশ্ন উঠতো।

সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমার অবস্থান জেনারেল মানেকশর সমান। সেখানে তার অধীনস্থ আঞ্চলিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল অরোরার সফরসঙ্গী আমি হতে পারি না। এটা দেমাগের কথা নয়। এটা প্রটোকলের ব্যাপার।"

জেনারেল ওসমানীর এই বিষয়টি আমাকে অভিভূত করেছে।
৪৯. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:২৪
পাগল@মন বলেছেন: হুম। জানলাম অনেক কিছু। তাহলে যেসব দেশে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়েছে, সেসব দেশের বিজয়ী দল আগে জেনেভা কনভেনশনে স্বাক্ষর করে তারপর যুদ্ধ করেছিল ধরে নিতে হবে।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৯

লেখক বলেছেন: সানন্দে ধরে নিতে পারেন। ইডিওটিক লজিক কথাটা নাইলে আসলো কোত্থেকে

৫০. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২২
প্রগতিশীল বলেছেন: রাকিব খান বলেছেন: শেখ মুজিবের নির্দেশে জহির রায়হানকে গুম করে র' কারণ তিনি কলকাতায় আম্লীগের নেতাগো ফুর্তির ছবি দিয়া স্টপ জেনোসাইড নামে একটা সিনেমা বানাইছিলেন।

তারপর ভারতীয় লুটপাটের প্রতিবাদ করায় মেজর জলিলরে গ্রেপ্তার করা হইছিলো।

শেখ মুজিব বাঙলাদেশের স্বাধীনতা চান নাই, তিনি আত্মসমর্পণ করছিলেন দেশের সঙ্গে বেইমানী কইরা

আল মাহমুদ বন্দুক হাতে মুক্তিযুদ্ধ করছে আর শামসুর রাহমান দৈনিক পাকিস্তানের হইয়া রাজাকারি করছে
৫১. ০৮ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১১
বাঙ্গাল বলেছেন: ডাইরেক্ট প্রিয়তে। মেলা মেলা মেলা...ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
---------------------
ব্যানানা বাংলাদেশ-১ Click This Link
৫৩. ০৬ ই জুন, ২০১১ রাত ৩:২২
েসতু আশরাফুল হক বলেছেন:
কিন্তু দুঃখ হলো স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের মধ্যে আত্নমর্যাদাবোধ সম্পর্কে কোনো চেতনা এখনো জন্ম হয়নি।




মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জে. ওসমানীকে স্যলুট।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৯৩৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বন্ধুত্বে উদার, শত্রুতায় নির্মম : কিছু করার নাই, রাশির দোষ
........................
জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :

শেষ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ