আমার প্রিয় পোস্ট

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

এটি একটি দুঃস্মৃতি কথা ...

১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৮:৪৯

শেয়ারঃ
0 0 0

একটু ভূমিকা দিই। বছর দুয়েক আগে বন্ধু রোহন কুদ্দুসের সৃষ্টিতে বেরিয়েছিলো লেখাটা। মেইলবক্স খুড়ে বের করলাম সহ-ব্লগার হাসান মাহবুবের ফরমায়েশে। মূলত একটা গিটার নিয়ে গল্প হলেও এর চরিত্রগুলো খুব চেনা। বাংলা ব্যান্ড সঙ্গীতের বড় দুই প্রতিভা। গল্পটা গাজাখুরিও লাগতে পারে কারো কাছে, কারণ স্বাক্ষী দেয়ার জন্য বেচে নেই গল্পের কেউ। এমনকি যেই গিটারটা নিয়ে লেখাটা- সেটাও কোথায় হারিয়ে গেছে। কিংবা ভেঙ্গে চুরে হয়তো পড়ে রয়েছে কোনো খানে। খোজা হয় না।

......................................................................................................


এই গিটার দিয়েছে আমায় এনে, ভালোবাসার সেই মানুষ, খুলে দিয়েছে তার চোখ দুটো আমারই জন্য- হয়তো লুকিয়ে কষ্ট নিজের, যেন এক বন্ধু আমার

সুমন- এই গিটার, অ্যালবাম- মেঘের দেশে; জন ডেনভারের দিস ওল্ড গিটার অবলম্বনে


আমার থাকার ঘরটা খুব অগোছালো। দেখলেই বোঝা যায় শোয়া ছাড়া এর বাসিন্দার আর কোনো দায় নেই। এখানে সেখানে পোড়া সিগারেটের টুকরো- ছাই, ফোন কার্ডের সেলোফেন- ইত্যাদি ইত্যাদি। বলে ফুরোবে না। পুরো ঘরটায় একদম বেমানান জিনিসটা কিন্তু বড্ড ঝকঝকে। এক কোণে শোপিসের মতোই এলানো- একটা গিভসন। ঝা চকচক করছে ওপরের চামড়ার ঢাকনি। তারগুলোও বেশ টানটান, নিয়মিতই ওগুলো বাদকের হাতের পরশ পায়।

কিন্তু ওর আগের জন! তার ঠাঁই হয়েছে আমার বিছানার তলটায়। ফ্রেড বোর্ড একটু বাঁকা, সাউন্ড বোর্ডও ফেটে গেছে জায়গায় জায়গায়। তারগুলোয় মরচে ধরেছে। আমার পুরনো গিটার। আমার প্রথম গিটার। কত্ত স্মৃতির, কত্ত সুখ-দুখের সঙ্গী আমার। অযত্নে রেখেছি বটে, কিন্তু ফেলতে পারিনি। ফেলিনি। কারণটা বল্লামই তো।

'৮৩তে ঢাকা কলেজে পড়ার সময়ই হেভি মেটালের সঙ্গে খুব ভাব হয়ে গেল। সেই সূত্রে কবির ভাইয়ের সঙ্গে। ভদ্রলোকের এলপি কালেকশন লোভনীয়, আর রনি জেমস ডিওর আরো ক'জন ভক্ত পেয়ে তার ‘রেইনবো’র দরজা আমাদের জন্য অলটাইম খোলা। আমি, তারেক, মন্টি, রুহুল, সোহেল- আইডিয়াল স্কুল থেকে পাশ করা পুরো দলটাই তার নিয়মিত খদ্দের। বনিএম-অ্যাবা-বিজিস থেকে রাতারাতি এসিডিসি-ডিপ পার্পল আর মটর হেডের ভক্ত হওয়াটা স্রেফ হুজুগেই। লিরিকস নয়, ওই হেভি চেচামেচিতেই আমরা খুজতাম সুর। ওদের না হয় নাই টানলাম, নিজেরটাই বলি- প্রেমে পড়লাম গিটার বাদনের। রিচি ব্ল্যাকমোর শোনার পড়তো আমি পাগলপারা! কবির ভাই তখন চেনালেন আরো কিছু বাজিয়েকে, আমি ভক্ত হলাম পিঙ্ক ফ্লয়েডের ডেভিড গিলমোর, লেড জেপলিনের ডাবল ফ্রেড গিটারিস্ট জিমি পেজ, বাঁহাতি পাগলাটে জিমি হেনড্রিক্স, লাতিনো লিজেন্ড সানতানা, ঈগলসের গ্লেন ফ্রেসহ অনেকের। সময়ের সাথে শুধু গিটার শুনতেই রুচি বদলে চলে গেলাম ব্লুজে- এরিক ক্ল্যাপটন, মার্ক নফলারদের স্লার তখন রক্তে দোলা জাগায়। কিন্তু তখনো আমার গিটার হয়নি।

ইন্টারমিডিয়েটের পর আমার হলো চিটাগাং মেডিকেল। সোহেল ঢাকা, বাকিরা ভার্সিটিতে। তখন আড্ডা বসত আমার প্রথম স্কুল মনোয়ারা শিশুবাগের উল্টোদিকে এজি অফিসের গ্যারেজে। আইডিয়ালেরই রুবেল সলিমুল্লাহ মেডিকেলে চান্স পেয়েছে। গানের গলা ওর বরাবরই ভালো। সেই প্রথম গিটার নিয়ে এল একটা। ওই প্রথম খুব কাছ থেকে আমার গিটার ছুঁয়ে দেখা। যদিও সেই সময়টায় বেশ কনসার্ট হতো ঢাকায়। সোলস, মাইলস, সুইডেনের প্রবাসিদের ব্যান্ড ওয়েভস এর প্রতিটি শো তে আছি আমরা। ওয়েভসের মিনু তো আমাদের স্বপ্নরাণী! তার সঙেগ ‘গুরু’ আযম খানের কনসার্ট মানেই বিনা টিকেটে দেখতে হবে। এবং দরকারে মারামারি করেও।

পাবলিক লাইব্রেরির সামনে গাড়ি পুড়িয়েছি আমরা সোলসের অনুষ্ঠানে ঢুকতে না পেরে। রুবেল মাথায় ঢোকালো নিজে বাজিয়েও গান গাওয়া যায়, চেষ্টা করলে আমিও হতে পারি একজন মার্ক নফলার! কিন্তু ততদিনে রক্তে আরেকটা জিনিস ঢুকে গেছে- ব্রাউন সুগার। গাঁজা-চরস বা হ্যাস অয়েলের চেয়েও চটকদার মৌতাত। কিন্তু নিয়মিত না নিলে শরীর বেহাল হয়ে পড়ে।

চিটাগাংয়ে গিয়েই একদম সোনার খনিতে পড়লাম। আমার বেয়াই মাসুদের সূত্রে আড্ডা দিতাম ফরেস্ট হিলে। ওখানেই সোলসের কিবোর্ডিস্ট সুহাসের সঙ্গে পরিচয়। পার্থ বড়–য়া আমাদের মালবিকাদির ভাই, সে তখন বাজায় ম্যাসেজে। জেমস ফিলিংস নামাচ্ছে- এরা সবাই বয়সে আমার বড় হলেও বেয়াই সূত্রে ইয়ার। আমার ব্রাউনসুগারটা ওদের পছন্দ হয়নি, বিকল্প শেখালো ফেন্সিডিল।

এর মাঝে ঢাকায় এলাম ছুটিতে। ছন্দার সঙ্গে ধুমধারাক্কা প্রেম বলে তখন সপ্তাহে ৫ দিনই আমার ছুটি। কিন্তু সুগারের সঙ্গে গোপন প্রেমটাও চলছে চুটিয়ে। কাটাবনে গেলাম মাল কিনতে, দেখি হ্যাপি আখন্দ হাতে একটা শাড়ি! বোঝাই যায় তুলে এনেছে, 'আড্ডা'র (ওখানেই কেনাবেচা ও সেবন) খালাকে সাধছে ’মিনিমাম দাম ৫০০ টাকা, দুইটা মাল তো দিবেন’। আর আমার মাথায় তখন ঘুরছে, ‘হ্যাপি আখন্দ’- যার ’আবার এলো যে সন্ধ্যা’ আর ‘এই নীল মনিহার’ বাংলা ব্যান্ড গানের ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে! আমার পকেট তখন গনগনে গরম। সালাম দিলাম হ্যাপি ভাইকে। পাত্তাই দিলেন না! ভাবলেন আর্ট কলেজের জুনিয়র কেউ। বেশ বিনয়ের সঙ্গে পেশ করলাম আর্জিটা, 'আমি আপনার মহাভক্ত, কত মাল খাইবেন খাওয়ামু। খালি একটু গান শোনান।' তখনো শাড়ি ছাড়েননি হাত থেকে। ভাবছেন প্রস্তাবটা বোঝা গেল। এরপর বললেন, গান শুনলে বাসায় আইস, নাইলে ক্যামপাসে। এখন ব্যাড়ায় আছি। হাল ছাড়লাম না। ইনিয়েবিনিয়ে বললাম- চিটাগাং থাকি। এইখানে এতদুর আসছি, আপনাকে পাইছি আমার জীবন ধন্য। গান শোনান, মাল কত খাইবেন!

তখন সন্ধ্যা প্রায় হয় হয়। বললেন- কিনো মাল। নিলাম একসঙ্গে ৫ গ্রাম! এই বার একটু আগ্রহী হলেন মনে হলো। বললেন কই যাবা? বললাম -আমার বাসাতেই চলেন। ছাদ আছে বড়, চিলেকোঠায় মাল খামু তারপর পিনিকে গান শুনমু। জানতে চাইলেন গিটার আছে কিনা, বললাম- না। উনি সম্ভবত আজিমপুর থাকতেন। কিন্তু আমাকে ওখানে নেওয়ার কোনো ইচ্ছে তার নেই। এতো জুনিয়র পোলার লগে দেখলে সমস্যা! শুধু বললেন দেখি ম্যানেজ করা যায় কিনা!

রিকশা ঘুরিয়ে নিলেন এলিফেন্ট রোডের দিকে। সঠিক জায়গাটা স্মরণ নেই, সম্ভবত ‘গীতাঞ্জলী’র সামনে। রিকশা দাঁড় করিয়ে নেমে পড়লেন। ফিরলেন ক্যাপ পরা একজনকে নিয়ে। হ্যাপি ভাইর বন্ধু। আমাকে পরিচয় করিয়ে দিলেন ছোটভাই বলে। নিলয় দাসকে ওই প্রথম দেখি আমি।

পরের অংশটা সারমর্ম এরকম। হ্যাপি ভাই বললেন এই মুহূর্তে নিলয় ছাড়া কেউ গিটার ম্যানেজ করতে পারবে না, আর তাকেও সঙ্গে নিতে হবে। নিলয় দা যে কত বড় মাপের বাজিয়ে তা তখনও জানি না আমি। তবে আপত্তি করার প্রশ্নই ওঠে না। বাসায় গেলাম আমি রিকশার সিটের ওপরের দিকে, দুপাশে নিলয় দা আর হ্যাপি ভাই। গিটারটা তেমন আহামরি কিছু ছিল না। মানে ব্র্যান্ড আইটেম না। তবে সুর ভালো। মাল খাচ্ছি, নিলয় দা তার পালার টান দিয়ে বাজাচ্ছেন। আমি সুপারিশ করছি আর দেখছি হুবহু তুলে দিচ্ছেন। সানতানা তো সানতানা, বাদ পড়ল না বড় বাজিয়েদেও কেউ।

এরপর হ্যাপি ভাইয়ের গান। মাল পুরোটা শেষ হয়নি। ন’টার দিকে নিলয় দা কি কাজ আছে বলে উঠে পড়লেন। আমরা আছি। হ্যাপি ভাইয়ের গলায় তখন বাজছে, নীল নীল শাড়ি পড়ে, আবার এল যে সন্ধ্যা, কে বাশি বাজায় রে। আমার তখন ঈদ। পুরো ঝুম ধরল যখন তখন বেলা প্রায় ১২টা বাজে, ছন্দা এর মাঝে দুবার উকি দিয়ে গেছে। মানুষ আছে দেখে কিছু বলেনি। অবশ্য আমাদের কে মাল খেতে দেখেনি ও।
চোখ ঢুলুঢুলু হ্যাপি ভাইকে রিক্সায় তুলে দিয়ে যখন চিলেকোঠা সাফ করছি তখন দেখি গিটারটা রয়ে গেছে!

দুদিন পর চিটাগাং ফিরলাম যখন তখন আমার সঙ্গী ওটা। কিন্তু বাজাতে তো পারি না। উকিল ধরলাম মেডিকেলেই আমার পাড়াতো বড় ভাই জেমি কে, উনি ওনার মতো বাজালেন কিন্তু শিখলাম না কিছুই। মিজান আরিফ ভাই, তুহীন ভাইরা বললেন কর্ড শেখো আগে। আমার কাছে ওটা হিব্র“ ভাষা! উদ্ধার করলেন আমাদেও মিতুর প্রেমিক সোহাগ ভাই। তার ছোটজন চন্দন উইনিংয়ের ভোকাল কাম গিটারিস্ট। তার কাছেই হাতে খড়ি। একদম চার্ট দিয়ে দিলেন।

আমার ইচে।ছ ছিল ফরেস্ট হিলের আড্ডায় একটু চমক দেব- দেখ আমিও পারি! কিন্তু ব্যাপারটা যে সহজ নয় সেটা টের পেলাম বাজাতে গিয়ে। বা হাতের আঙ্গুলে আর ডান হাতের বুড়োটায় রীতিমতো ফোস্কা! এর মধ্যে আমাকে ভালোমতো পেয়ে বসেছে হেরোইন। পার্টির বড় ভাইরা একদিন ডেকে খুব শাসালেন, মদ খা, গাঞ্জা খা, তোরে মানা করছে কেউ। ওই বালটা খাছ কেন? ওই অপমানেই ভাবলাম ঠিক আছে এবার ছাড়তে হবে। তাই শরীরে ব্যাড়া নিয়েই আমি দিন রাত গিটার সাধনায় রত।

এভাবেই একদিন হঠাৎ করেই দেখি আমার মুখ থেকে বেরিয়ে আসছে, আবার এলো যে সনধ্যা, কিন্তু সমান তালে হাতে চলছে! গিটারের দিকে তাকাতে হচেছ না! কর্ডে ভুল ভাল হচ্ছে না। এরপর বেশ কিছু গান তুলে ফেললাম। ফরেস্ট হিল তখন মাথা থেকে বাদ। আমার উলু বনে শিয়াল রাজা হওয়াই ভালো মনে হলো। ব্যাস অডিটরিয়ামের সামনে বিশাল গাজার আড্ডা, মটর সাইকেল-গাড়ির ঘেরে বসে মিশু আজম খান আর আমি রকেট। সমানে চলছে- আসি আসি বলে তুমি আর এলে না, অভিমানী, ও চাঁদ সুন্দর রূপ তোমার। একই গান প্রতিদিন।

এর মধ্যে সাহিত্য-সংস্কৃতিক সপ্তাহে গান গেয়ে দুটো করে সেকেন্ড প্রাইজও জুটিয়ে নিলাম আমি আর মিশু। তবে সত্যিটা হচ্ছে, একটায় প্রতিযোগী ছিল তিন জোড়া, আরেকটায় আমরাই দ্বিতীয়! তবে গান চলেছে। ততদিনে হ্যাপি ভাই মারা গেছেন। সম্ভবত ’৮৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর। ওনার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে আমরা বেশ বড় একটা প্রোগ্রাম করেছিলাম। নিলয়দার সঙ্গে এরপর দেখা হয়েছে একবার চিনতে পারেননি। তার ছাত্র আর্ট কলেজের শিল্পী একসময় আমার মালের পার্টনার হয়েছে। জুনিয়রও বেশ কয়েকজন শূনেছি ওনার কাছে শিখেছেন।
গত ১১ জানুয়ারি খবর পেলাম নিলয় দাও নেই।

কীভাবে, সেটা আর জানার ইচ্ছে হয়নি। জিনিয়াসদের মৃত্যুটা তাদের জন্ম ও কর্মের মতোই অস্বাভাবিক হয়। আমি নেশা ছেড়েছি বেশিদিন হয়নি, প্রায় বছর তিনেক হলো। গিটার ধরেছি আবার সাত বছর বাদে। নিজের মনে বাজাই। অর্থহীন-এর সুমন আর অর্নবের ফ্যান এখন। কিন্তু নতুন গিটারে। পুরনো গিটারটা আমার স্মৃতির সঙেগই এখন মরচে ধরা। ওটার অ্যান্টিক ভ্যালু! পুরো ব্যাপারটা নতুন করে ভাবতে হবে।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:০০
দুঃখবিলাস বলেছেন: আপনি ছাড়া অন্য কেউ হলে গাণ্জা পোস্ট ভেবে উড়ি্যে দিতাম। ভালো লাগলো।
২. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:০৪
হাসান মাহবুব বলেছেন: থ্যাংকস পিয়াল ভাই।গানের পাগল ছিলাম আমি।নেশাটা ব্রাউন সুগারের চেয়ে কোন অংশে কম ছিলোনা।আজকাল ক্যাসেটের যুগের কাউকে পাইনা পুরাতন ভালো লাগা শেয়ার করার জন্যে।আপনার লেখাটা পড়তে পড়তে অনেকদিন পর খুব আবেগাক্রান্ত হলাম।হলুদ তারকা।
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:০৭

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস। এইটা পোস্ট হিসেবে বাইর করার কৃতিত্বটা আপনারই।

৩. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:২৭
মেঘলা মানুষ বলেছেন: এইরকম গল্পই পড়তে ভাল লাগে। গতানুগতিকতার বাইরে গিয়েছে লেখাটা।

আমাদের এটা পড়ার সুযোগ দেবার জন্য ধন্যবাদ।
৪. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৩৫
জইন বলেছেন: আমাকে যে কোনো টাইমে ব্যান করবে ... !!!
আফসোস কত উল্টা পাল্টা পোস্ট আসে............................

আমি মডারেটরদের কাছে অনুরোধ করছি আমাকে ২৬ মার্চের পর ব্যান করেন,,,,,প্লিজ, eরাজাকারদের লিস্টা ফাইনাল করব

আমার কোনো নিউজ যেহেতু প্রথম পাতায় আসে না তাই ..... এখানেই বলতে হচ্ছে .....

মডারেটর ভাইরা একটু সময় দিয়েন কিন্তু।
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪

লেখক বলেছেন: তুমার সমস্যা কি? রাজাকারের লিস্ট অলরেডি সামুতে আছে। লাগলে কও লিংক দিই।

৫. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৪১
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: শিল্পীদের কেন নেশা করতে হয় আমি বুঝি না। আর বুঝি না বলেই হয় তো আমি শিল্পী নই। অথবা নেশা করি না বলেই হয় তো শিল্পী নই। অথবা শিল্পী নই বলেই নেশা করি না। অথবা আমার আগে থেকেই নেশা আছে বলে নতুন করে নেশা করার দরকার হয় না।
তবে দুঃখজনক নেশার কারণে একজন সম্ভাবনাময় শিল্পী অকাল হারিয়ে যাওয়া। অকাল হারিয়ে না গেলে কত শৈল্পিক সম্ভাবনা ফুল হয়ে ফুটত।
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:০৭

লেখক বলেছেন: ভাই আমরা একটা অদ্ভুত প্রজন্মে মানুষ। সিনথেটিক ড্রাগের প্রচার ও প্রসারের প্রথম গিনিপিগ হইছিলাম আমরা। এইখানে শিল্পী অশিল্পীর কোনো ব্যাপার নাই। কখনও যদি এর কোনো বিশ্লেষণ হয়, কোনো সমাজ বিজ্ঞানী এইটা নিয়া গবেষণা করে তাইলে বের হবে হাও উই ওয়ার মেড ভিকটিমস (যদিও কেউ নান্না মুন্না আছিলাম না, কেউ মুখে ধইরা খাওয়াইয়াও দেয় নাই)

৬. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০৭
আকাশ_পাগলা বলেছেন: আরে দারুন তো।
এত আগেও আপনারা রিচি ব্লাকমুর, ডিপ পার্পল, লিংকিন পি এসব শুনতেন ভেবে অবাক হলাম।
আমি ভাবতাম, এগুলা বুঝি শুধু আমরাই শুনি।
ভালো, ভালো। আমার এলাকার বেকুব মার্কা সিনিয়ার গুলি অই সময় নাকি কুমার শানু ছাড়া আর কাউকে চিন্তো না।


লেখাটা পড়ে অনেক আরাম পেলাম। সেই সময়ে আপনাদের চিন্তা ভাবনা জেনে বোধহয় নতুন কিছু শিখলাম।

আমি যেন তেন পাগলা না, আমি হলাম গান পাগলা। সারা দিন গান শুনি। আপনাদের মত লোকজন এতো আগেই যদি ছিল, তাহলে বাংলায় হেভি মেটাল আসতে এত টাইম নিল কেন???সবাই বাজাতে পারে না, কিন্তু, অনেকেই যিদি চায়, কেউ না কেউ তো পারতই।

ওপার বাংলার কি অবস্থা জানাতে পারেন?? অখানে কি হেভি মেটাল আছে??
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: ওপার বাংলায়ও আমাগো বয়সী পোলাপাইন আমাগো মতোই হেভিমেটাল শুনছে। সাজেদের দেওয়া লিংকে যান। ওইখানে শমিত আছে। ওর মন্তব্য পড়েন

১৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৩২

লেখক বলেছেন: লিংকিন পার্কের একটা গান শুনছিলাম কার্টুন নেটওয়ার্কে। ভাল্লাগেনাই, তাই শোনা হয় নাই আর

৭. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:১৫
নুশেরা বলেছেন: চমৎকার স্মৃতিচারণ।
আপনার এই চিটাগাং মেডিকেল কলেজ অধ্যায়ের গল্পগুলো আপনার তখনকার ক্লাসমেইট এক ভাইয়ার (ভগ্নিপতির) কাছে শুনেছি। ফেন্সিডিলের আকালের সময় আপনার হোমমেইড সাপ্লাইয়ের চাহিদার গল্প এখনো সেখানে চালু আছে। আপনার সেই গুরু সোহাগভাইয়ের গান শুনেছি। উনি তবলাও বাজান চমৎকার।
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩

লেখক বলেছেন: আমারে নিয়া প্রচুর গল্পই চালু আছে যার কোনো ভিত্তি নাই। আপনার ভগ্নিপতি আমার বন্ধু কি বলছে আমার ঠিক জানা নাই, তবে হোমমেইড সাপ্লাইয়ের কোনো ব্যাপারের সঙ্গে আমি জড়িত ছিলাম বইলা তো মনে পড়তেছে না। কাছাকাছি একটা ব্যাপার ছিলো ইমপ্রোভাইজেশানের, সেইটাও আরেকজনের ক্রেডিট কেনো আমারে দেওয়া হইতেছে- তাও দুর্বোধ্য। আমি ভাই পিনিক নিয়া গান শুনতাম, গান গাইতাম আর বই পড়তাম. মাতলামী না। সোহাগ ভাইয়ের কথা ঠিকই বলছেন। উনি অন্য পার্টির বইলা বেশী ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুযোগ ছিলো না। তারপরও আই লাইকড হিম আ লট। এখন উনি আমাদের এক বান্ধবীর স্বামী (তার প্রেমিকারই)।

৯. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:৪১
মুক্ত বয়ান বলেছেন: আপনার স্মৃতিচারণ মুগ্ধ হবার মতন। একটানেই পড়ে ফেললাম।
১০. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:১১
সাজেদ বলেছেন: মনে পড়ে গেল, অনেক অনেক দিন আগেঃ
Click This Link

১৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:১০

লেখক বলেছেন: ইয়েস, তারপর থামলেন কেন?

১১. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২০
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: রোম খাড়া হইয়া গেলো পড়তে পড়তে ..

আমি অবশ্য মাল খাইনাই কোনদিন ..

মাঝে বিকালে "শুকনা" ..
কিন্তু আপনের লগে উড়াল দিয়া গেলাম সেইদিনে ..

আহারে সময় !~~
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২২

লেখক বলেছেন: ধুর মিয়া, ওইটা সেই সময়ের জন্য ঠিক না বেঠিক আছিলো সেইটা নিয়া কিছু কমুনা। বাট দ্যাট ওয়াজ এ লং টাইম এগো। এই লেখাটা লেখছিলাম কবে! ২০০৫-০৬ মনে হয়।

১৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: বরং ড্রাগ এওয়ারনেস নিয়া আমি অনেকগুলা পোস্ট লিখছিলাম। দুয়েকটা আছে মনোয় এখনও

১২. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: প্রিয়তে পিয়াল ভাই ..

সবার মাঝেই নিজেকে ধবংস করার একটা প্রবনতা থাকে

শিল্পীদের ঐটা আরো বেশী প্রখর হয় ...

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

কিন্তু আড্ডার যেই সময় এটা আসলে অন্য কিছুর সাথে তুলনা নাই

শিল্পী আর ভক্তের সময় -- অসাধারন ~

ধন্যবাদ .. শেয়ার করার জন্য ..

আর আপনের সাহস দেইখা আমি বরাবরই মুগ্ধ ..
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: দ্যাট ওয়াজ ইন দ্য ব্যাচেলর লাইফ। বিয়ার পরে আমার গিভসনটার অবস্থা হইছে পুরানটার মতো। ওইটা এখন খাটের নিচে থাকে। যদিও এখনও ইনট্যাক্ট আছে। বেইচা দিমু ভাবতেছি

১৩. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১:০৫
শামায়েল বলেছেন: দারুন লাগলো পড়ে। প্রথমে সুমন দেখে ভাবাছিলাম হয়ত বাস্‌বাবা সুমনেরই কোন ঘটনা। আমারও অর্থহিন, অর্নব খুবই প্রিয়।
১৪. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:১৮
শিরোনাম বলেছেন: পিয়ালু------------গোলালু-------হুলালু ;) :) ;)

ঝগড়া করতে মন চাইতেছে ;)
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: হাত তুইলা এড়াইয়া গেলাম

১৫. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০২
নাজিম উদদীন বলেছেন: স্মৃতিচারণ সেইরকম লাগল, লাফ দিয়ে যেন ২০ বছর পেছনে চলে গেলাম।

একদিন আপনার গীটার শোনাতে হবে।
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:২৯

লেখক বলেছেন: আমি এমন কিছু বাজাই না। পারলে ডটু রাসেলের গিটার শুইনেন। সেরম বাজায়

১৬. ১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০৫
নকীবুল বারী বলেছেন: আমি ও ৬০,৭০,৮০-এর রক গানের খুব ফ্যান।রেইনবো, ডিপ পার্পেল শুনি অনেক আগে থাইকা। লেড জেপলিন আমার তেমুন ভালো লাগে না। আয়রন মেইডেডেন একটা ধাক্কা আইছিলো। তবে আমার ভালো লাগে নাই। ডোরস শুনি। ডোরস-এর লিরিক গুলা অসাধারন লাগে। ডায়ার স্ট্রেইট-টাও শুনি বেশি। লিরিকস-এর জন্যই।

আমার সময়ে আছিলো জেমস আর বাচ্চুদা........ওয়ারফেজ........আর্মি স্টেটেডিয়াম-এর কনসার্ট গুলার মতো কনসার্ট এখন আর পাই না। জেমসও আর আগের মত নাই। কিরাম জানি হইছে।

এখনকার কনসার্টে মিলা টাইপ নাচ আর অর্নবের ঘুম পারানি গান বিরক্ত লাগে।
১৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: অনেক কিছুই মিলে। একদম শেষটা ছাড়া। অর্ণবের লিরিকস ভাল্লাগে

১৭. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২১
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন:
=============================================
অমি রহমান পিয়াল,
ছবি দেখে রোহন কুদ্দুসকে তো আমি অনেক জুনিয়র মনে করছিলাম।আপনার লেখা পড়ে খুব জেলাস!!!
আমার রুমেও তার ছেঁড়া একটা ভাঙ্গা একস্টিক জঞ্জালের মত পড়ে আছে।প্রথম কেনা গীটার...তাই মায়া পড়ে গেছে খুব।ইলেক্ট্রিক গীটার কেনার পরেও ফেলে দিতে পারি নি।

----শুকনো পাতায় আর মন ভরে না পিয়াল ভাই।আপনি কোথায় আছেন এখন?

১৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:৩৯

লেখক বলেছেন: নাহ রোহন কুদ্দুস জুনিয়র না। তবে খুব সিনিয়রও না। বছর তিনেক আগেও সে সম্ভবত পড়াশোনাই করতো। লেখালেখি সূত্রে একটা ভালো বন্ধুতা গড়ে উঠেছে ওর সঙ্গে। লেখাটাকি আসলেই জেলাস হওয়ার মতো! একটা পর্যায় থাকে যখন তখনও অসাধারণ না হয়ে ওঠা সাধারণদের সঙ্গে মেলামেশাটা খুবই ক্যাজুয়াল হয়। তবে আমি লাকি ইন আ সেন্স যে এ কারণেই হয়তো আমার মধ্যে স্টারস্ট্রাকনেসটা কখনোই কাজ করে না। শুকনা পাতার নুপুর তো ভাই আট বছরের উপর হয়ে গেলো চোখে দেখি না, মাঝেমাঝে রাস্তায় পার্কে লেকের পাশে ঘ্রাণ শুনি। মাঝে বেশ বিয়ার ভক্ত ছিলাম, সেটাও বন্ধ অনেকদিন। রিকোভারি হওয়ার পর এখন সোবারও।

১৮. ১৯ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ১:১৮
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: এইটা কি লিখলেন পিয়াল ভাই !!!!!!
১৯ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮

লেখক বলেছেন: গল্প লিখছি

১৯. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৭
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
এইটা কি গল্প না না-গল্প না বর্ণময় বা বর্ণহীন জীবনের আখ্যান?
গান নিয়া আমার কোনো প্যাশন ও নাই পাগলামি ও নাই, কিন্তু মুগ্ধ হইয়া পড়লাম।

হয়তবা এই রৃপ আমার জন্য খুবই অচেনা বলেই। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
২০. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৭
কিষান বলেছেন: ভাই ব্যাপক লিখচেন। যাযাদিতে আপনার লেখা পড়ে রক মিউজিকের ফ্যান হইসিলাম
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২১

লেখক বলেছেন: দুঃখের কতা মনে করাইলেন মিয়া। রক অ্যান্ড রোল যুগে যুগে নামের ওই সিরিজটা শেষ করতে পারি নাই। হেভিমেটালে মাত্র আসছিলাম, নাইনটিজ নিয়া আর লেখা হয় নাই :(

২১. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৬
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন: নিলয়দাকে পেয়েচিলাম বেশ কয়েকবার,তার অসাধারণ গিটার আজো কানে বাজে-কি অসাধারণ বাদনশৈলি!অদ্ভুত!তার সাথে আমার শেষ দেখা হয়েছিল আমিনবাজার স্পটে-খুব বিষর্ম ছিলেন.....যাই হোক- :(

নিলয়দা অস্কার লোপেজের ক্লাসিক্যাল সৌল-টি প্রায়ই বাজাতেন।

সেটি সম্প্রতি কভার করেছি-


কভার করার পর কি যে খুশি হয়েছিলাম- :)

রাংতা পিরিয়ডের কথা মনে করায় দিলেন।কিন্চিত উইথড্রলে ভুগতেচি এখন।

সুন্দর এবং লাইভ একটি লেখার জন্য ধন্যবাদ
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: ভিডিওটা দেখছি আগেই। ধন্যবাদ আপনারেও

২২. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯
কাঙাল মামা বলেছেন: চমতকার!! যে লোক এই গল্পটা লিখছে, সে কে? এখন কি করে?
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: গল্পটা তো আমি লিখছি, আর যে গল্পের নায়ক তারে চিনি

২৩. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০১
কাঙাল মামা বলেছেন: যাযাদিতে আপনে লেখতেন নাকি? রক এন রোলের লিংকু চাই
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: হ লিখতাম, টিন পাতায় সিরিজটা আছিলো, লিংক নাই :(

২৫. ২৩ শে মে, ২০১০ দুপুর ১:০৭
সুবিদ্ বলেছেন: ইস!! এতদিনে চোখে পড়লো এমন একটা লেখা........কত যে স্মৃতি মনে পরে গেল.......

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০৯৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বন্ধুত্বে উদার, শত্রুতায় নির্মম : কিছু করার নাই, রাশির দোষ
........................
জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :

শেষ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ