আকাশটা আজ সকাল থেকে কেমন যেন ধুসর ছিলো। তক্বে ছিলাম। টিপটিপ শুরু হতেই নেমে গেলাম। রাজকন্যাকে নিয়ে। চুলের গোড়ায় ঘামাচি, পিঠ ভরা ঘামাচি নিয়ে আমরা দুজন ব্যাঙাচিদের মতো আকুল হয়ে বৃষ্টি ভিজি। কী যে খুশী পানি পেয়ে। মেয়েটা আসলেই আমার মতো হয়েছে।
ঝেপে নামেনি। তারপরও বাতাসে আমাদের ঝাপাঝাপি। আশপাশের বারান্দা থেকে এক উদ্বিগ্ন মহিলা বলেন- ভাই বাচ্চাটাকে ভেজাচ্ছেন! ওর ঠাণ্ডা লাগবে না! জ্বর হবো তো। সম্ভাবনা তো আছেই। সেটা না ভিজলেও। সো কিউ সেরা সেরা। যদিটাকে এই ক'দিনের ঘামের নদীতে ভাসিয়ে আমরা বাবা মেয়ে ভিজতেই থাকি, আমাদের দুই প্রজন্মের একমাত্র প্রতিনিধি হয়ে।
কিপটে আকাশটা আমাদের এই সুখগোসলে গোস্বা করে নাকি! একটু পরেই রোদ। খেকশিযালের বিয়ে দিতে রোদ উঠে যায়। রংধনুর একটু আভাস দিগন্তের এক কোনে। বাবা হিসেবে আমি কতোটা পাষণ্ড তা নতুন করে শোনার জন্য ঘরমুখী হই। একটু খিচুড়ি হলে মন্দ হতো না!
(ছবিটা বৃষ্টি ভেজার নয়, কিন্তু রাজকন্যার এই অভিব্যক্তিটা হুবহু বলেই প্রাসঙ্গিক মনে হলো)
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুন, ২০০৯ বিকাল ৩:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


