আমার প্রিয় পোস্ট

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

মুক্তিযুদ্ধে অন্তর্ঘাত পর্ব : খন্দকার মোশতাক আহমদ-১

০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:২৫

শেয়ারঃ
0 0 0

১.
জুলাইর মাঝামাঝি কোনো এক সন্ধ্যা। ১৯৭১। কলকাতার সিআইটি রোডের একটি বহুতল ভবনের সাততলা। এখানেই থাকেন মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমদ। মন্ত্রীসভার বাকিরা দিল্লীতে। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর জরুরী তলবে গেছেন। মোশতাক যাননি। দাওয়াত পাননি নাকি রাজধানী রক্ষার ভার তার হাতে- স্পষ্ট নয়। কলকাতাজুড়ে নানা গুজব ভাসছে। এর ভয়ঙ্করতমটি হচ্ছে পাকিস্তানীদের হাতে বন্দী শেখ মুজিবকে ফাঁসি দেওয়ার সব বন্দোবস্ত পাকা। ভারতের সাধ্য নাই সেটা ঠেকানো। এখন একটাই উপায় আপোষে যাওয়া। বঙ্গবন্ধুর মুক্তির বিনিময়ে স্বাধীনতার দাবি ছাড়তে হবে। যদিও এইনিয়ে ইতিমধ্যেই শিলিগুড়িতে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে যা বলার বলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ। কিন্তু অনিশ্চিত সেই সময়কালে গুজবটা আরো ছানাপোনা জন্ম দিচ্ছে। এই গুজবের জনক হিসেবে যাকে সন্দেহ করা হয়, তার সঙ্গেই দেখা করতে গেছেন আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল ইসলাম এবং জেনারেল ওসমানীর পিআরও নজরুল ইসলাম।

তার ঘরে সোফায় বসতেই খন্দকার মোশতাক কিছু না বলে হু হু কান্না জুড়ে দিলেন। অতিথিরা বিব্রত। মোশতাক ডুকরে কেঁদেই চলেছেন। খানিকপর নুরুল ইসলাম জিজ্ঞেস করলেন- মোশতাক ভাই কি হয়েছে? এতে কান্নার দমক আরো বাড়লো। প্রশ্নটা আবারও করা হলো। এবার কান্নার স্কেল চড়িয়ে মোশতাক বললেন- আমি বেচে থাকবো আর আমার নেতা শেখ মুজিব বেচে থাকবেন না-এটা আমি মেনে নিতে পারি না। এটা আমি ভাবতে পারি না নুরু। আমরা বেচে থাকবো দুনিয়ায় আর মুজিব আমাদের চোখের সামনে থেকে সরে যাবেন দুনিয়া ছেড়ে। না না। এরপর পুরো বাংলা সিনেমার স্টাইলে চিৎকার করে বললেন- না, না। এটা কিছুতেই হতে দিতে পারি না আমরা।

এরপর যা বললেন, তার সার সংক্ষেপ হচ্ছে ইন্দিরা গান্ধী যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন। তাকে প্রেসিডেন্ট নিক্সন সরাসরি বলে দিয়েছেন পাকিস্তান ভেঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুজিবের প্রাণরক্ষা দুটো এক সঙ্গে সম্ভব নয়। যদি মুজিবের অনুসারীরা তাদের নেতার প্রাণরক্ষা করতে চান, তাহলে পাকিস্তান রাষ্ট্রকাঠামোর মধ্যে থেকেই আপোষরফার চেষ্টা করতে হবে। ইন্দিরা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার মুজিবনগর সরকারের নেতৃবৃন্দের হাতেই ছেড়ে দিয়েছেন। এবং মোশতাকের অভিমত একমাত্র যুক্তরাষ্ট্রেরই ক্ষমতা আছে বঙ্গবন্ধুকে সহিসালামতে ফিরিয়ে নিয়ে আসার। সেক্ষেত্রে তাদের শর্তে রাজী হওয়াই উচিত। কারণ বঙ্গবন্ধুই যদি না থাকে, তাহলে কিসের স্বাধীনতা!

মোশতাক যা বলেছেন, অর্থাৎ ইন্দিরা-নিক্সনের কথাবার্তা এবং ইন্দিরা-মুজিবনগরের নেতৃবৃন্দের আলাপ, তার সত্যতা কতটুকু এ নিয়ে পরে বিস্তারিত আলাপ হবে। তবে ঘটনাটার উল্লেখ এ জন্যই যে এর কিছুদিনের মধ্যেই দিল্লীতে তার পররাষ্ট্র সচিব মাহবুব আলম চাষী যুক্তরাষ্ট্রের দুতাবাসে যোগাযোগ করেন। সেখানে মূলত মোশতাকের যুক্তরাষ্ট্র সফরের ইচ্ছা এবং তার ভিসার ব্যাপারেই আলোচনা হয়। এবং মাসের শেষ দিকে কুমিল্লারই আরেক সাংসদ জহিরুল কাইয়ুম কলকাতা দুতাবাসে যোগাযোগ করেন মোশতাকের প্রতিনিধি হিসেবে। এবং আলোচনায় ইঙ্গিত দেওয়া হয় মুজিবের মুক্তির বিনিময়ে প্রয়োজনে স্বাধীনতার প্রশ্নে আপোষ করতে রাজী মুজিবনগর সরকার। সাদাচোখে দেখলে এখানে তীব্র মুজিবপ্রেম বেয়ে বেয়ে পড়ছে মনে হলেও বাস্তবে তা ছিলো না মোটেও। এর আড়ালে ঘনাচ্ছিলো ভয়াবহ এক চক্রান্ত এবং মোশতাক তার কর্মকাণ্ড ও তৎপরতাকে জাস্টিফায়েড করার জন্য এসব অজুহাত ব্যবহার করছিলেন মাত্র।

২.
আওয়ামী লীগের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের আগে থেকেই দলীয় কোন্দল ছিলো সীমাহীন। একমাত্র শেখ মুজিবের ব্যক্তিত্বের কারণেই যা খুব নোংরামী রূপ ধারণ করতে পারেনি। যুদ্ধকালে তার অনুপস্থিতিতে সেটাই প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছিলো। একদিকে ছিলো চরমপন্থী তরুণ তুর্কীরা। শেখ ফজলুল হক মনির নেতৃত্বে এরা দাবী করছিলেন মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব তাদের হাতেই দিয়ে গেছেন বঙ্গবন্ধু। তাজউদ্দিন স্রেফ উড়ে এসে জুড়ে বসা লোক। ৮ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি যখন বেতার ভাষণ দিলেন এবং সেটা যখন বারবার আকাশবাণীতে প্রচার করা হচ্ছিলো, তখন ক্ষুব্ধ মনি দিল্লীতে বার্তা পাঠিয়ে তা বন্ধ করার অনুরোধ জানান।

মূলত, তাজউদ্দিনের মতো লিবারেল ঘরানার নেতৃত্বই কিন্তু মুক্তিযুদ্ধকে সঠিকভাবে সংগঠিত ও পরিচালনা করতে পেরেছেন। এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দলীয় নীতিমালা প্রণয়নের ব্যাপারে তার উপর যথেষ্টই আস্থা রাখতেন মুজিব। মোশতাক ও তার মতো চরম ডানপন্থীরা স্বভাবতই মেনে নিতে পারেননি তাজউদ্দিনের নেতৃত্ব। মুক্তিযুদধের গোটা সময়টাই তাই তার কেটেছে তাজউদ্দিনকে উৎখাত করতে। এজন্য শেখ মনিকে নানাভাবে উস্কানীও দিয়েছেন তিনি। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আপোষ যখন ভেস্তে গেলো তখনও হাল ছাড়েননি মোশতাক। আবদুর রব সেরনিয়াবাতের নেতৃত্বে ৪০জন এমপির সাক্ষর করা আবেদন পত্র দাখিল করিয়েছেন তাজউদ্দিনকে অযোগ্য ঘোষণা করে।

মোশতাকের ইগোতে লাগার যথেষ্ট কারণ ছিলো বৈকি। আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন তিনি। শেখ মুজিব অন্তরীণ থাকার সময় যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দলের সঙ্গে মতভেদ ঘটেছে একবারই। ১৯৫৫ সালের ২১-২৩ অক্টোবর সদরঘাটের রূপমহল সিনেমা হলে আনুষ্ঠানিক সম্মেলনে ভাসানী-মুজিব যখন দলকে ধর্মনিরপেক্ষ করার দাবি তুলে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়ার দাবি তুললেন, মোশতাক বিরোধিতা করেছেন। এজন্য এডভোকেট আলী আমজাদ খান, আবদুস সালাম ও হাশিমউদ্দিনকে নিয়ে পাল্টা সংগঠন গড়লেন। যদিও কিছুদিন পর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত পাল্টে ফের চলে এলেন মূল দলে। পাঁড় কম্যুনিস্ট বিরোধী মোশতাক ১০ এপ্রিল কলকাতায় পৌছেই শুনলেন তাকে স্রেফ হাইকমান্ডের একজন হিসেবে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে বামঘেষা তাজউদ্দিন কিনা প্রধানমন্ত্রী! অথচ দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে এই দায়িত্ব তারই পাওনা। অভিমানে মোশতাক জানালেন উনি পদত্যাগ করলেন। তার ইচ্ছা মক্কা চলে যাবেন। এবং বাকি জীবনটা সেখানেই কাটাবেন। পাকিস্তানে আর ফিরবেন না। (চলবে)

সূত্র :
একাত্তরের রণাঙ্গন কিছু অকথিত কথা (নজরুল ইসলাম)
মূলধারা '৭১ (মঈদুল হাসান)
বাম রাজনীতির ৬২ বছর (ফাইজুস সালেহীন)


 

প্রকাশ করা হয়েছে: যাদের রক্তে মুক্ত এদেশরাজাকার  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:২৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: প্লাস । মার্কিন সরকারের সাথে মোশতাকের গোপন বৈঠকের সময় তার সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ দু’জন সহকারী ছিলেন -মাহবুবুল আলম চাষী এবং তাহেরউদ্দিন ঠাকুর । কলকাতায় এরা ‘ মোশতাক ত্রয়ী’ হিসেবে পরিচিত পায় । চার বছর পর (১৫ আগস্ট ‘৭৫ ) ঠিক এই তিনজনই – মোশতাক,চাষী ,ঠাকুর বেতারে উপস্থিত হয়ে শেখ মুজিবের মৃত্যুর ঘোষণা দেয় ।
০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৪১

লেখক বলেছেন: জহিরুল কাইয়ুমের ভূমিকাকে কিভাবে দেখছেন?

০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বস, আপনারে পাঠক হিসেবে পাইয়া বরাবরের মতোই ভাল্লাগলো

৩. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৪১
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আবারও অজানা একটি অধ্যায় জানতে যাচ্ছি। মোশতাক ও মুজিবের শত্রুতা ও দ্বন্দ্বের বিষয়টা সামান্য জানতাম, এই লেখায় বিস্তারিত এসেছে এবং আশা করি, পরবর্তী পর্বগুলোতে আরও বিস্তারিত আসবে। আপনাকে তো বুকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করছে, এত চমৎকার একটি বিষয় নিয়ে লেখার জন্য। অনেক অনেক ধন্যবাদ। পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।
০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, একটু হালকা চালে আলোচনা শুরু হলেও বিস্তারিত এবং তথ্য-প্রমাণ আসবে সামনে। সঙ্গে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ

৪. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৮
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: জহিরুল কাইয়ুমের যে তথ্য দিয়েছেন তা' ঠিক আছে । আপনার লেখায় চাষীর কথা থাকলেও ঠাকুরের নাম ছিল না তাই উপরের মন্তব্য করেছি । এই গ্রুপে মওদুদ আহমদ আর সিএসপি আসাফউদ্দোলাও ছিল বলে শুনেছি /পড়েছিলাম কোথাও ।
০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: ঠাকুরের কাজ ছিলো অন্যখানে। তখন যুব শিবিরের দায়িত্ব নিয়ে ব্যস্ত। মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিংয়ে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দলের সদস্যরা যাতে ঢুকতে না পারে সে জন্য একটা নীতিমালা প্রস্তুত করেছিলো চাষী আর ঠাকুর। তখন মার্কিন যোগাযোগে নয়, ঠাকুর ব্যস্ত ছিলো তাজউদ্দিনের বিরোধিতায় মোশতাকের অবস্থান সংহত করার প্রচারণায়। এ ব্যাপারে সামনে বিস্তারিত আসবে

৫. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩
গাই অব গিসবর্ন বলেছেন: এন্টি মুশতাক প্রপাগান্ডা! মাইনাশ...;)
০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা, হ, ঠিকোই ;)

৬. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৫
পড়ুয়া_পড়ুয়া বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ লেখা । চলুক...
০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

৭. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:১৩
ইরফান আহেমদ বলেছেন:
হা হা হা, নিজের কাজে লাগান এই মহান পকেট ইতিহাসকে।
০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৫

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে

০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:১৭

লেখক বলেছেন: আরেকটা চান্স আছে অবশ্য। ধরেন বাংলার ইতিহাসে মীর জাফরের পরের জায়গাটা যদি গোলামের আজমরে টপকাইয়া খন্দকার মোশতাক দখল করে আপনি খুশী হইবেন না? নাকি আপনি চান এক নম্বর জায়গাটা গোলাম আজম পাক

০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৯. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:১৭
সুবিদ্ বলেছেন: @গাই অব গিসবর্ন: আপনি কোন দেশের গরু (গাই)???
০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৭

লেখক বলেছেন: সম্ভবত রবিনহুডে একটা চরিত্র ছিলো এমন

১০. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৩
জইন বলেছেন: অসাধারণ ..... অমি ভাই, প্লাস দিতে পারলাম না, তৃতীয়বারের মত ব্যান থেকে ওয়াচে, মন্তব্য করতে পারছি এতেই খুশি।


@ইরফান আহেমদ ........ ভাল হয়ে যারে..... জিন্নাহ্ র বাচ্চা।
০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০১

লেখক বলেছেন: আবার ওয়াচে গেলেন ক্যামনে! অসুবিধা নাই, আমিও কয়দিন আগে তাই ছিলাম। আবার ঠিক হয়া যাবে

১১. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৫
জইন বলেছেন: অমি ভাই .....ইরফান আহেমদ মনে হয় আপনার ব্লগের প্রথমে কি লিখছেন দেখে নাই.... হারামি কিন্তু ছাগু।
০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০২

লেখক বলেছেন: ছাগু দেখলে ভাল্লাগে, হারানো যৌবন ফিরা আসে :)

১২. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: নতুন সিরিজ।
পড়া শুরু করলাম।
০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনারে

১৩. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৪
রিমঝিম বৃষ্টি বলেছেন: অজানা এই ইতিহাস তুলে ধরবার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জানাই। পরের পর্বগুলো পড়বার জন্য আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় রইলাম।
০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৯

লেখক বলেছেন: আপনার আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা

১৪. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৫
মাছিমারা কেরানি বলেছেন: চালিয়ে যান। অনেকেরই এই ইতিহাস টা জানার দরকার আছে। +
০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৫. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৫১
জাতি জানতে চায় বলেছেন: পরেরটার জন্য অপেক্ষায়..............
০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, নিশ্চয়ই পাবেন

১৬. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৬
মোঃমোজাম হক বলেছেন: সন্দেহ আছে কতোটুকু সত্তকথা এগুলো।কারন আগেও একজন শেখ কামালকে নিয়ে(আমাদের সময়) আজগুবি তথ্য দিয়েছে! তবে সব কথাই অসত্য বলছিনা।
০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:০৪

লেখক বলেছেন: হ, আসলে পুরাটাই মিথ্যা কথা। এইটা আপনে ছাড়া কেউ ধরতে পারেন নাই, এইজন্য অভিনন্দন

১৭. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪
ধূসর মানচিত্র বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম পরের পর্বের জন্য
০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: আগামীকাল

১৮. ১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৫৩
সাজিদ আল ইসলাম রোবা বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম পরবর্তী পর্বের জন্য।
ইতিহাসের সঠিক তথ্য জানার আগ্রহ অনেকেরই আছে।
১০ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, সে চেষ্টাই থাকবে

১৯. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৫
লীনা দিলরূবা বলেছেন: পিয়াল ভাই আপনার নিষ্ঠারে স্যালুট জানাই। +++

একটা কথা, এরশাদ চোরারে নিয়ে কিছু লিখলে বাধিত হতাম।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: স্বাধীনতা যুদ্ধে তার ভূমিকা নিয়া একটা লিখবো সামনে

২০. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩
লীনা দিলরূবা বলেছেন: পিয়াল ভাই আরেকটা কমেন্ট করি, ক্রাচের কর্ণেলে খন্দকার মোসতাকের ষড়যন্ত্র নিয়ে অনেক তথ্য পেয়েছি, সেখানে লেখা অনেক কাহিনী এখানে জুড়ে দেওয়া যায়, কিছু অবশ্য পেয়েছি (মক্কায় চলে যাবার ব্য্যাপারটা)।

উপদেশ নয় (সেই যোগ্যতাও নেই), অনুরোধ।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: বইটা আমি পড়িনি আপু। তবে সিরিজ চলুক, মন্তব্যে সংযুক্ত করলে কৃতজ্ঞ থাকবো

২১. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫০
লীনা দিলরূবা বলেছেন: আপনাকে আমি বইটি উপহার দিতে চাই। কিভাবে পাঠাবো? জানালে আনন্দিত হব।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:১৭

লেখক বলেছেন: আপনার ছোটোভাই কিশোরকে দিলেই পেয়ে যাব

২২. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৩৭
লীনা দিলরূবা বলেছেন: টাসকি খেয়েছি! কিশোর আপনার পরিচিত!! ওকে ফোন দিয়ে নিশ্চিতও হলাম। অবাক ব্যাপার আর কাকে বলে।

যোগাযোগ করে নেব।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। হ্যা ও আমার খুব প্রিয় ছোট ভাইদের একজন

১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপু বইটি হাতে পেয়েছি, পড়ছি এখন

২৩. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:২৬
মেঘ বলেছেন: বস্‌, এসব লিখা চলুক। + তো অবশ্যই। পরের পর্ব পড়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১২

লেখক বলেছেন: ওইটাই লেখতেছি। পড়ার জন্য ধন্যবাদ

২৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:০৫
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: ধন্যবাদ পোস্টের জন্য।এই পর্যন্ত ইতিহাস জানা ছিল।।কিন্তু অনেক কিছুই জানার বাকী,সেগুলি সামনে পাব সেই আশাতে পরের পর্বের অপেক্ষায় +
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৪৯

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ

 

মোট সময় লেগেছে ২.৯৯৭৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বন্ধুত্বে উদার, শত্রুতায় নির্মম : কিছু করার নাই, রাশির দোষ
........................
জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :

শেষ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ