আমার প্রিয় পোস্ট
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন স্কোয়াড - টেকনলজী
- মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর ও ফোর্স অধিনায়ক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে গৃহীত সরকার/ সিইনসি ওসমানীর তিনটি পদক্ষেপ ও আমার জিজ্ঞাসা - নুরুজ্জামান মানিক
- যে কারনে পিলখানা হত্যাকান্ড এবং সাম্প্রতিক ছাত্রলীগ কর্মী হত্যাকান্ড ভয়ঙ্করভাবে একই রকম - রাজিয়েল
- "তাহারা এবং তদ্ সংক্রান্ত সুপ্রবচন": ইহা একটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ছড়া, পঠন কালে নর্তন বাঞ্ছনীয় - মতিউর রহমান সাগর
- ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব ৩ - ত্রিশোনকু
- বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন যারা!!! - তাহের
- আবারো স্বদেশপ্রেমের পরিচয় দিল শিবির। - সানুনয়
- পল গোয়েবল বিগ লাই থিওরী,৩৫ বছর ধরে লালন করা কয়েকটি মিথ্যা । ইতিহাসের কাঠগড়ায় যখন সত্য । - আশমএরশাদ
- একজন হিন্দুর হিন্দু হয়ে ওঠা-১ - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- একটি বিজয় দিবসের গল্প। (প্রথম পর্ব) - হাসান শহীদ ফেরদৌস
- বাংলাদেশে দূতাবাসে ভারতীয় কম্যান্ডো? - দিগন্ত
- জামাত দিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার সংবর্ধনা : আসুন আলোচনা হোক - শিপন আবদুর রাজ্জাক
- দরদী হইও মাগো দরদী হইও, সময়ে সময়ে মাগো পাষানী হইও। - অধ্যায়
- কাঁকন বিবিঃ খাসিয়া মুক্তি বেটি - ইফতেখার.আমিন
- একসাথে একাধিক ইয়াহু মেসেন্জারে লগ ইন করুন!!

- ইসানুর
- দৈনিক রাজাকার - সবাক
- আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল! (আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি)
- নাফিস ইফতেখার
- অত:পর কোথায় পালাবে তুমি? - তাজা কলম
- লুকালরে আমি ভালা পাই যে কারণে - স্ট্যানলি কুবরিক
- কিভাবে সেপ থাকবেন , তাঁর লেটেস্ট গাইড - স্ট্যানলি কুবরিক
- সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখি - স্ট্যানলি কুবরিক
- চাঁদ, পাহাড় ও ফরাসী স্বপ্ন - লাল দরজা
- নিউজউইকে সেক্টর কমান্ডার নাজমুল হকের দুষ্প্রাপ্য সেই সাক্ষাৎকার - ফিউশন ফাইভ
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- তেল গ্যাস নিয়ে ব্লগার মেঘনাদ এর অপমানজনক উত্তরের জবাবে আমার মত - সায়েমুজজ্জামান
- সামহোয়্যারে যা ঘটলো, যা ঘটবে তার 'পেছনের কারণ' - Arild, you MUST read this - ধুসর গোধূলি
- ব্লগে বিরাজমান অস্থিরতা বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ !! - নোটিশবোর্ড
- বদরের যুদ্ধের প্রেক্ষাপট: ডাকাতি-লুট না অত্যাচারিতের অধিকার আদায়? - জ্বিনের বাদশা
- কবিতারা…….. - শওকত হোসেন মাসুম
- মহামান্য ঈশ্বরের ডিম সংকট [একটি নিরাপদ পোস্ট] - খেজুর কাঁটা
- অগভীর ভাবনা - বামান্দোলনের ব্যর্থতা - রাসেল ( ........)
- হুমায়ুন আজাদের কিছু নির্বাচিত প্রবচন - জানজাবিদ
- আমিই স্বাধীনতার ঘোষক
**একটি ঐতিহাসিক পোস্ট** - নাফিস ইফতেখার
- ভার্চুয়াল রা(ড়া)জাকার নিধন , বাস্তব প্রেক্ষিত ও আমার ব্যাক্তিগত মিশন - |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|
- আমার প্রেমিকারা - হুমায়রা পর্ব
- ~স্বপ্নজয়~
- ব্লগ বাসী আপনারা কেমন আছেন?- মাতলামি দেখতেছি, হাসতেছি - জমির মাতব্বর
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- সে দিন অপরাজেয় বাংলার দিকেও তাক করে রাখা ছিল একটা ট্যাংন্ক... - লাল দরজা
- আমায় ক্ষমা করে দিও, বঙ্গবন্ধু। - রন্টি চৌধুরী
- আমার স্মৃতিতে হুমায়ুন আজাদ: যেভাবে তাকে হাসপাতলে নিয়েছিলাম এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো... - হাসান শরিফ
- বাংলার তাজ- তাজউদ্দীন আহমদ - ইফতেখার.আমিন
- একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা(পুরো সামহোয়্যর ইন ব্লগের দৃষ্টি আকর্ষন করছি) - েমেহদী হাসান
- বিভিন্ন প্রকারের ব্লগার (একটি জেরী-আউলা-তানজু প্রযোজনা) - আউলা
- জেনারেল অরোরার কাছে পাকিদের আত্মসমর্পণ এবং সে অনুষ্ঠানে ওসমানীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গ - নুরুজ্জামান মানিক
- ঘূর্ণাবর্তনের রাজনীতি। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- ফরহাদ মজহারঃ নাস্তিক মোল্লা - মোস্তাফিজ রিপন
- আমি যে কারণে ল্যাম্পপোষ্টের আচরণ সমর্থন করছি না। - রাসেল ( ........)
- কার কার মনে আছে নাজিয়া হাসানকে? - ইমন জুবায়ের
- বানান ও লেখ্যরীতি : প্রথম আলোর একটি আদি স্টাইল শিট - ফিউশন ফাইভ
- জামাতে ইসলামকে ভুটাইলে যে ফায়দাগুলা পাইতাম - মাতাল মাহবুব
- দুঃখিত, আমি এই জাতীয় কীটদের আমাদের মাঝখানে দেখতে চাই না - হাসিব
- গল্পঃ বসন্ত শেষে - আকাশ_পাগলা
- টিপাইমুখ, টেকনিক্যাল দিকটা চিন্তা করুন, কার ক্ষতি কে করছে? - হমপগ্র
- রাজকন্যার কাছে বাবার কৈফিয়ত... - অমি রহমান পিয়াল
- একটি জিনিস বানাতে দীর্ঘ সময় নিলেন ঈশ্বর। কি সেই জিনিস!!....? - মাহবুবুল ইসলাম (সুমন)
- এখনই সময় পা ধরে মাফ চাওয়ার। - মাথামোটা
- নীতিতে অটল এবং প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, তাই হার মানব না। - মাথামোটা
- ত্রিভুজের কিছু প্রশ্নের উত্তর আমি যেমন জানি - জমির মাতব্বর
- অতপর ভুল স্বীকার করিলে তাহাকে হত্যা করা হইলো - ঝরা পাতা
- ছবি এডিটিং এর কিছু প্রয়োজনীয় সাইট - বোকা ছেলে
- মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী - লাইটহাউজ
- বিয়া ব্লগীং, থুক্কু বিবাহের ছবি - অন্যমনস্ক শরৎ
- সাপ্তাহিক ব্লগ সমাচার এই যে # ৯ই মে, ২০০৯
- নাফিস ইফতেখার
- একটা গোপন অথচ দরকারী পরামর্শ - লেখাজোকা শামীম
- কবি - শিমুল সালাহ্উদ্দিন
- ছাত্রশিবির কি রাজাকার? - নুসরাত জাহান যুথি
- Anatomy of জামাতে ইসলামী ও কিছু সোজা-সাপটা কথা - পাললিক মন
- টেকনো আর ইলেকট্রনিকা :: খারাপ না, চলে - শূন্য আরণ্যক
- ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যার সময় যেই যুদ্ধাপরাধীরা জেলে ছিলেন তাদের বিচার করা হোক আগে - লেখাজোকা শামীম
- ইতিমধ্যে দন্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের এখনও বিচারের আওতায় আনা সম্ভব - রেজওয়ান
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ - রেজওয়ান
- একাত্তরের গণহত্যার ভিডিও - রেজওয়ান
- ৩০ খান ছুপার হিট হা হা পো গে ফটুক: ১১-২০ - ফয়সাল আকরাম
- আত্মবিশ্লেষণ, বনাম-সাধারণ/অসাধারণ এবং একটি ঘৃণাস্তম্ভের প্রস্তাবনা - মেঘ
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে হবেন পেশাদার ব্লগীয় গুলবাজ/গুজবকারী/রটনাকারী (ওপেনসোর্স পোস্ট) + ২০০তম
- নাফিস ইফতেখার
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- অথ: সেরা পোস্ট এ্যান্ড/অর নির্বাচিত পোস্ট সমাচার - হাসিব
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- ডক্টর জাফর ইকবালের লেখা, মিরাজভাই, এ-টীম এবং নরাধমের কিছু কথা। - নরাধম
- জামাতে ইছলাম গ্রুপে যৌন হয়রানির ফাঁদ!!! - লোকালটক
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে নিজেকে মডুদের হাত থেকে রক্ষা করবেন
- নাফিস ইফতেখার
- গোলাম আজমের ভাষা সৈনিকগিরি আর তেলাপোকার জীবন বৃত্তান্ত - এস্কিমো
- স্মারক: রাষ্ট্রপতির সচিবালয়, গণভবন, ঢাকা, পত্র সংখ্যা-৩০/১২/৭৫-সাধারণ-৭২৯/৯(৪০০) তারিখ ১২ মার্চ ১৯৭৫। - মোহাম্মদ আরজু
- আজ মডুর বিয়ে - নাফিস ইফতেখার
- সাবাশ কম্বোডিয়া!! বাংলাদেশেও শুরু হোক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার - জ্বিনের বাদশা
- বাবার ডায়েরীতে ১৯৭১ (৫ম পর্ব) - লীনা দিলরূবা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই-১: একটা কমিশন গঠনের কাহিনী - শওকত হোসেন মাসুম
- একজন নতুন ভোটারের মনের কিছু কথা........ - নাফিস ইফতেখার
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- চেতনার সম্ভ্রম বনাম স্ববিরোধীতার আয়নায় মুখোশের আড়ালে মুখ ! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- আসেন আমরা সবাই মিল্যা নামাজ পইড়া যুদ্ধাপোরাধীগো বিচার চাই - সামী মিয়াদাদ
- সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুয়ায়ী রাজাকার, মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা জামায়াতে ইসলামীর নেতা থাকতে পারে কি?? - একরামুল হক শামীম
- আবে, কোন মামদির পো সামনে খাড়া? যা কিনার - লাল দরজা
- পাগলের রাজণৈতিক প্রলাপ : ( বিশেষ পর্ব) [স্বঘোষিত রাজাকারদের অপপ্রচারের প্রতিবাদ] - এ. এস. এম. রাহাত খান
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- সহীহ মুসলিম মতে গোলাম আজম, নিজামি, মুজাহিদ, সাইদী এবং অন্যান্য জামাতিদের ইমানের স্তর। - হ্যারি সেলডন
- সামহোয়ার ক্লাসিক : কার্টুন কেলেঙ্কারি ও ছাগুদের ম্যাতকার (ইতিহাসের পাতা থেকে) - স্ট্যানলি কুবরিক
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- ৮ই ফাল্গুন কি হারিয়ে যাবে? আসুন বাঁচানোর একটা চেষ্টা করি। - যীশূ
- ইতিহাস খুড়ে দেখা : মুজিবনগর সরকার, স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রের মুল দলিল এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক - মিরাজ
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন দৈনিক সংগ্রামে জাতীয় সংগীত সংক্রান্ত ফতোয়া - এস্কিমো
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( প্রথম পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( ২য় পর্ব ) ( যেকোন রাজাকার এবং রাজাকার সমর্থনকারীদের প্রতি ওপেন চ্যালেঞ্জ, পারলে যুক্তিগুলো খন্ডন করুন) - একরামুল হক শামীম
- আদর্শের জন্য নয়, জামাত পাকিস্তানপন্থী হয়েছিল টাকার জন্য। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে নিয়মিত অর্থ পেতো জামায়াত। - শওকত হোসেন মাসুম
- বাবা কেন যুদ্ধে গেল? - কালপুরুষ
- একটি জাতির জন্ম: জিয়াউর রহমানের নিজের লেখা পড়ুন (১) - আমি সাগর
- পাকিস্তানের জন্য গোলাম আযমের আক্ষেপ ফুরাবে না! - শওকত হোসেন মাসুম
- এ ছবি আপনাকে দেখতেই হবে! আপনি এদেশের মানুষ নন? - তীরন্দাজ
- ছবি ব্লগ : গর্বের এবং বীরত্বের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- ও আমার দেশের মাটি : একটা অসাধারণ ভিডিও । এটাই মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের চেতনা - মিরাজ
- ফাঁসি দেয়ার সঠিক পদ্ধতি
- ইকরাম
- অনেক অজানা অতীত : নতুন প্রজন্মের জন্য। স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ২ (ইংরেজী টেক্সট সহ) - মিরাজ
- ছহি রাজাকারনামা - জেনারেল
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জামাত-শিবির কেন সন্ত্রাসী সংগঠন - অমি রহমান পিয়াল
- ওয়ার্ডপ্রেস ডেটাবেজ ব্যাকআপ রাখুন - গুগুল
- লিংক: রাজাকারের তালিকা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার- সময়ের দাবি - অঃরঃপিঃ
- গোলামের আরো কথা - অঃরঃপিঃ
- থাকলে এমনেই থাকতে হইব, নাইলে ফুট্ - অঃরঃপিঃ
- রাজাকার নিয়া আরেকটু কথা (আড্ডাবাজরে) - অঃরঃপিঃ
- আমাদের গান / সুমন : কোনও এক চিন্ময়ীকে - অঃরঃপিঃ
- স্বীকারোক্তি : আমি একটি অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছি... - অঃরঃপিঃ
- বইয়ের বিজ্ঞাপন : বইমেলায় আমাদেরও বই... - অঃরঃপিঃ
- নতুন সংকলণ : তেকোণালজি - অঃরঃপিঃ
- তেকোণালজি এখন হার্ডকাভারেও - অঃরঃপিঃ
- টুকে লেখা, পড়ে লেখা, জেনে লেখা... (আলী, হাবিব মহাজন। ফাডাররাও পড়তে পারেন) - অঃরঃপিঃ
মুক্তিযুদ্ধে অন্তর্ঘাত পর্ব : খন্দকার মোশতাক আহমদ-২
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:০৭
আগের পর্ব
পরের পর্ব
৩.
ভরা মজলিশে মোশতাকের ডায়লগটি ছিলো বেশ নাটকীয় : আমাকে তুমরা সবাই মক্কায় পাঠায়া দাও। আমি সেখানেই মরতে চাই। আমি মারা গেলে আমার লাশ তোমরা বাংলাদেশে পাঠায়া দিও। দাউদকান্দির পীর হযরত খন্দকার কবিরউদ্দিন আহমেদের পূত্রের মুখে এই কথা শুনে সবাই বিভ্রান্ত হয়ে যান। আর তা কাটিয়ে দেন মুশতাকের অনুচররাই। তাদের মারফত জানা যায় নেতৃত্বের সিনিয়রিটি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী না হতে পেরে তিনি ক্ষুব্ধ। শেষ পর্যন্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় হাতে পাওয়ার নিশ্চয়তা পেয়ে মক্কায় হিজরতের সিদ্ধান্ত বাতিল করেন মোশতাক। পাশাপাশি পান আইন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বও।
চার বছর পর একই লোক তার অতিপ্রিয় কালো টুপি মাথায় কালো আচকান গায়ে চাপিয়ে শাহবাগের রেডিও বাংলাদেশ থেকে ঘোষনা দেন : প্রিয় দেশবাসী ভাই ও বোনেরা, এক ঐতিহাসিক প্রয়োজনে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের সত্যিকার ও সঠিক আকাঙ্খাকে বাস্তবে রূপদানের পুত দায়িত্ব সামগ্রিক ও সমষ্ঠিগতভাবে সম্পাদনের জন্য পরম করুণাময় আল্লাহতায়ালা ও বাংলাদেশের গণমানুষের দোয়ার উপর ভরসা করে রাষ্ট্রপতি হিসেবে সরকারের দায়িত্ব আমার উপর অর্পিত হয়েছে। ... খুনী সেনা কর্মকর্তা ফারুক-রশীদ-ডালিমদের সূর্য্যসন্তান আখ্যা দিয়ে মোশতাকের বক্তব্য শেষ হয় বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলে। জয় বাংলার সঙ্গে যার নাম জপে এর আগের দিন পর্যন্ত মুখে ফেনা তুলেছেন, সেই বঙ্গবন্ধূর বুলেটবেঁধা লাশ তখনও পড়ে আছে ধানমন্ডী ৩২ নাম্বারের সিড়িতে।
দায়িত্ব পেয়েই বর্নচোরা তাবেদারদের নিয়ে গড়া মন্ত্রীসভায় আরো চমকপ্রদ এক আবদার আসে তার তরফে। মাথার টুপিটি খুলে টেবিলে রেখে বলেন : আমাদের জাতীয় পোষাক আছে তবে সেটা অসম্পূর্ণ। আমাদের মাথায় কোনো টুপি নাই। আপনারা যদি অনুমোদন দেন তাহলে এই টুপিটা আমাদের জাতীয় পোষাকের অন্তর্ভুক্ত করতে চাই...। প্রস্তাবটি পাশ হয়েছিলো। কার্যকর হয়নি সম্ভবত। তাহলে সবার মাথায় কালো টুপির মাধ্যমে মোশতাক অমর হয়ে থাকতেন। আর ৮১ দিনের দায়িত্বকাল পুরো হওয়ার শেষ দিকে তাজউদ্দিনের সঙ্গেও হিসেবটা চুকিয়ে নেন। রিসালদার মোসলেমউদ্দিনের নেতৃত্বে ৩রা নভেম্বর যখন জেলগেটে হম্বিতম্বি করছে, আতঙ্কিত জেলার ফোন করেন মুশতাককে- স্যার উনার তো কয়েদিদের খুন করতে চাচ্ছে। রাষ্ট্রপতির আদেশ আসে- ওরা যা করতে চায় করতে দিন। এক সারিতে দাড় করিয়ে চার জাতীয় নেতার মধ্যে তাজউদ্দিনই টানা ব্রাশফায়ারে মরেননি। রক্তের বন্যায় হেঁচকি তুলে একটু পানি চেয়েছিলেন। তার তেষ্টা মেটানো হয়েছিলো হৃদপিন্ডে বেয়নেটের গভীর মোচরে। সে হৃদয়ে বাংলাদেশ ছিলো।
৪.
সে যাত্রায় মোশতাককে বুঝিয়ে শান্ত করা হলো। ১৭ এপ্রিল এক গাড়িতেই নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মুজিব নগর গেলেন। হাসিমুখে ছবি তুললেন। ফিরলেনও। এরপর শুরু হলো তার সত্যিকার রাজনীতি- নোংরামী ও কূটচালে ভরপুর। আগরতলা, জলপাইগুড়ি, ত্রিপুরায় অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের তাজউদ্দিনের বিরুদ্ধে খেপিয়ে তোলার জন্য পুরোশক্তি নিয়োগ করলেন তিনি। সেইসঙ্গে প্রচারণা চলতে থাকলো যে ভারত সরকারের কাছ থেকে সত্যিকার কোনো সাহায্য পাওয়ার আশা বৃথা। আমেরিকাই এই বিশ্বে মা-বাপ, তাদের অনুগ্রহ নিয়ে একটা সমঝোতায় আসাই ভালো। রক্তপাত যা হওয়ার হয়েছে, এখন শেখকে প্রধানমন্ত্রী করে একটা কনফেডারেশন গঠন করাই সবচেয়ে ভালো উপায়। তবে এই ক্ষেত্রে মোশতাক একাই নন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রীসভার বাকিসদস্যরাও (কামরুজ্জামান, মনসুর আলী) নিজেদের দাবি তুলে ধরতে লাগলেন। আর শেখ মনিতো ছিলেনই তার সবটুকু ঘৃণা নিয়ে।
![]()
ইতিমধ্যে তাজউদ্দিন তিনটি বড় কাজ করে ফেলেছেন- ভারতের মাটিতে প্রবাসী সরকারের রাজনৈতিক তৎপরতা চালানো, মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং ও অস্ত্র এবং একটি রেডিও স্টেশনের (স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র) মাধ্যমে সম্প্রচারের অনুমতি আদায়। কিন্তু পাশাপাশি খারাপ খবরও কম নেই। নিক্সন প্রশাসন ইন্দিরাকে চাপে রেখেছে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তার ব্যাপারে। শেখ মুজিবের বিচারের তোড়জোড় চলছে। পাশপাশি পূর্ব পাকিস্তানে পছন্দের জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পরিকল্পনাও এগোচ্ছে। এরকম পরিস্থিতিতেই জুলাইয়ের শুরুতে (৫ ও ৬ তারিখ) আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশন ডাকা হলো শিলিগুড়িতে।
এ বিষয়ে মঈদুল হাসান লিখেছেন : দেশের অভ্যন্তরে সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করার উদ্দেশ্যে গৃহীত ব্যবস্হাদির ফললাভের আগেই নানা কারণে সন্দিহান, বিভক্ত ও বিক্ষুব্ধ প্রতিনিধিদের সম্মুখীন হওয়া তাজউদ্দিন তথা মন্ত্রিসভার জন্য খুব সহজ ছিল না। তার প্রমাণও পাওয়া গেল শিলিগুড়িতে নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং দলীয় নেতৃবৃন্দ সমবেত হওয়ার পর। পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচিত প্রায় তিন শত প্রতিনিধির এই সমাবেশে (অবশিষ্ট ১৫০ জনের মত নির্বাচিত প্রতিনিধি ছিল পাকিস্তানিদের হেফাজতেই) অভিযোগ ও অপপ্রচারের স্রোতই ছিল অধিক প্রবল। প্রবাসী সরকারের সম্পদ ও সামর্থ্যের সীমাবদ্ধতাই এদের অনেক অভিযোগের উৎস। আবার সরকারী ব্যবস্হাপনার কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতিও নিঃসন্দেহে ছিল সমালোচনার যোগ্য। কিন্তু এইসব অভাব-অভিযোগ ও ত্রুটি-বিচ্যুতিকে অবলম্বন করে কয়েকটি গ্রুপ উপদলীয় স্বার্থ উদ্ধারের জন্য মন্ত্রিসভার ব্যর্থতা, বিশেষত প্রধানমন্ত্রীর অপসারণের দাবীতে ছিল নিরতিশয় ব্যস্ত।
আওয়ামী লীগের ভিতরে একটি গ্রুপের পক্ষ থেকে তাজউদ্দিনের যোগ্যতা এবং তার ক্ষমতা গ্রহণের বৈধতা নিয়ে নানা বিরুদ্ধ প্রচারণা চলতে থাকে। কর্নেল ওসমানীর বিরুদ্ধেও এই মর্মে প্রচারণা চলতে থাকে যে, মুক্তিযুদ্ধ ব্যবস্হাপনায় তাঁর অক্ষমতার জন্যই মুক্তিসংগ্রাম দিনের পর দিন স্তিমিত হয়ে পড়েছে। ভারত সরকারের বিরুদ্ধে প্রচারণা ছিল, মুক্তিযুদ্ধকে সাহায্য করার ব্যাপারে তাদের মৌলিক অনীহার কারণেই খুব নগণ্য পরিমাণ অস্ত্র তাদের কাছ থেকে পাওয়া যাচ্ছে, কূটনৈতিক স্বীকৃতির প্রশ্ন তারা নানা অজুহাতে এড়িয়ে চলেছেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম শেষ পর্যন্ত তাদের সমর্থন লাভ করবে কিনা, তাও সন্দেহজনক। এই সব প্রচার অভিযানে ভারতের উদ্দেশ্য ও তাজউদ্দিনের যোগ্যতা সম্পর্কে সন্দেহ সৃষ্টির ব্যাপারে তৎপর ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খোন্দকার মোশতাক আহমদ। মন্ত্রিসভার বাইরে মিজান চৌধুরীও প্রকাশ্য অধিবেশনে প্রদত্ত বক্তৃতায় একই সন্দেহ প্রকাশ করে দলীয় সম্পাদকের পদ থেকে তাজউদ্দিনের ইস্তফা দাবী করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের এক নৈরাশ্যজনক চিত্র উপস্হিত করে বলেন এর চাইতে বরং দেশে ফিরে গিয়ে যুদ্ধ অথবা আপোস করা ভালো। কিন্তু এর কোন একটি চিন্তা বাস্তবে কার্যকর করার কোন উপায় তাঁর জানা আছে কিনা এমন কোন আভাস তাঁর বক্তৃতায় ছিল না।
কিন্তু সেখানে অসাধারণ এক বক্তৃতায় পাশার দান উল্টে দেন তাজউদ্দিন। বঙ্গবন্ধু কিংবা স্বাধীনতা কোনটিকে প্রাধান্য দেওয়া হবে এই বিভ্রান্তিকে এক লহমায় উড়িয়ে দিয়ে বলেন : “আমরা স্বাধীনতা চাই। স্বাধীনতা পেলেই বঙ্গবন্ধুকে আমাদের মাঝে পাব। বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য যদি খোদা না করুন, বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু হয় পাকিস্তানি হানাদারদের হাতে, তাইলে বঙ্গবন্ধু শহীদ হয়েও স্বাধীন বাঙ্গালী জাতির ইতিহাসে অমর ও চিরঞ্জীব হয়ে থাকবেন। তিনি একটি নতুন জাতির জনক হিসেবে ইতিহাসে স্বীকৃত হবেন। ব্যক্তি মুজিব, ব্যক্তি নজরুল, তাজউদ্দীন, কামরুজ্জামান কেউ হয়ত বেঁচে থাকবেন না। একদিন না একদিন আমাদের সকলকেই মরতে হবে। বঙ্গবন্ধুকেও মরতে হবে। আমরা চিরদিন কেও বেঁচে থাকব না।
আল্লাহর পিয়ারা দোস্ত, আমাদের নবী(সঃ) ও চিরদিন বেঁচে থাকেন নি। কিন্তু তিনি তাঁর প্রচারিত ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সারা দুনিয়ায় আজ পরম শ্রদ্ধার আসনে অধিষ্ঠিত রয়েছেন। তেমনি, আমরা যদি বাঙ্গালী কে একটি জাতি হিসেবে বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠা করতে পারি, আমরা যদি বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক আরেকটি রাষ্ট্রের মানচিত্র স্থাপন করতে পারি, তাইলে সেই স্বাধীন জাতি এবং নতুন রাষ্ট্রের মানচিত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রভাত সূর্যের মত উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন।
আমরা যখন বাংলাদেশ ছেড়ে যার যার পথে ভারত চলে আসি, তখন কিন্তু জানতম না বঙ্গবন্ধু জীবিত আছেন, না শহীদ হয়েছেন। ভারতে এসে দেখা না হওয়া পর্যন্ত আমিও জানতাম না সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মনসুর আলী কিংবা হেনা সাহেব(কামরুজ্জামান) জীবিত আছেন কিনা। আমি নিজেও বাঁচতে পারব এ কথাটি একবারও ভাবতে পারি নি। এখানে আসার পর যতক্ষন পর্যন্ত পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ঘোষনা না করেছে যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তাদের কাছে বন্দী আছেন, ততক্ষন পর্যন্ত আমি মনে করতে পারি নি তিনি জীবিত আছেন। পাকিস্তানি জল্লাদ বাহিনীর কামান, বন্দুক,ট্যাঙ্ক, মেশিনগানের গোলাগুলির মধ্যে বঙ্গবন্ধু আর বেঁচে নেই একথা ভেবে এবং সম্ভবত মেনে নিয়েই তো আমরা নিজ নিজ প্রাণ নিয়ে চলে এসেছি।
বঙ্গবন্ধু মুজিবের ছায়া হয়ে তার পাশে আজীবন রাজনীতি করেছি, জেলে থেকেছি। তিনি আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন দেশের জন্য জীবন দিতে। তিনি নিজেও বারবার বাংলার পথে প্রান্তরে বলেছেন, বাংলার মানুষের মুক্তির জন্য জীবন দিতে তিনি কুন্ঠিত নন। আজ যদি বঙ্গবন্ধু মুজিবের জীবনের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পাই, তাহলে সেই স্বাধীন বাংলাদেশের মধ্যেই আমরা পাব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কে। আমি নিশ্চিত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কিছুতেই পাকিস্তানিদের কাছে তার নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে আপোষ করবেন না, আত্মসমর্পন করবেন না এবং করতে পারেন না। এটাই আমার প্রথম ও শেষ বিশ্বাস।
বাংলাদেশ যদি আজ এত রক্তের বিনিময়েও স্বাধীন না হয়, তাহলে বাংলাদেশ চিরদিনের জন্য পাকিস্তানি দখলদারদের দাস ও গোলাম হয়ে থাকবে। পূর্ব পাকিস্তানীর মর্যাদাও বাঙ্গালী কোনদিন আর পাকিস্তানীদের কাছে পাবে না। প্রভুভক্ত প্রাণীর মত আমরা যতই আনুগত্যের লেজ নাড়ি না কেন, পাকিস্তানীরা পূর্ব পাকিস্তানীদের আর বিশ্বাস করবে না, বিশ্বাস করার কোন প্রশ্নই উঠে না। আর এই অধিকৃত পূর্ব পাকিস্তানে যদি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পাকিস্তানের প্রেসেডিন্ট হয়েও আসেন, তবু তিনি হবেন পাকিস্তানের গোলামীর জিঞ্জির পরান এক গোলাম মুজিব।
বাংলাদেশের জনগন কোনদিন সেই গোলাম শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলে গ্রহন করবে না, মেনে নিবে না। আমার স্থির বিশ্বাস বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর পাকিস্তানীদের কাছে নতি স্বীকার করবেন না। বাঙ্গালী জাতির গলায় গোলামীর জিঞ্জির পরিয়ে দেবার পরিবর্তে তিনি নিজে বরং ফাঁসীর রজ্জু গলায় তুলে নেবেব হাসিমুখে। এটাই আমার বিশ্বাস। বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে এটাই আমার ঈমান। এ মূহর্তে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ছাড়া, আমাদের অস্তিত টিকিয়ে রাখার আর কোন বিকল্প নেই। বাঙ্গালীকে বাঁচিয়ে রাখার জন্যই, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কে বাঁচিয়ে রাখার জন্য স্বাধীনতা চাই। স্বাধীনতা ছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর কোন অস্তিত্ব নেই, আর পরিচয় নেই। স্বাধীন বাংলাদেশ মানেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। পরাধীন বাংলায় বঙ্গবন্ধু ফিরে আসবেন না। গোলামের পরিচয় নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অধিকৃত পূর্ব পাকিস্তানে ফিরে আসবেন না কোন দিন। জীবনের বিনিময়ে হলেও আমরা বাংলাদেশকে স্বাধীন করব। পরাধীন দেশের মাটিতে আমার লাশও যাতে ফিরে না যায় সে জন্য জীবিতদের কাছে আর্জি রেখে যাই। আমার শেষকথা, যে কোন কিছুর বিনিময়ে আমরা বাংলার মাটিকে দখলদার মুক্ত করব। বাংলার মুক্ত মাটিতে মুক্ত মানুষ হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে আমরা ফিরিয়ে আনব। মুজিব স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশেতে ফিরে আসবেন এবং তাকে আমরা জীবিত অবস্থায় ফিরিয়ে আনব ইনশাল্লাহ। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রাণ রক্ষার জন্য বিশ্ব মানবতার কাছে আমরা আকুল আবেদন জানাচ্ছি”।
তাজউদ্দীন আহমেদের এই আবেগময়ী ভাষণের পর জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগানে শিলিগুড়ি কনফারেন্স গর্জে উঠেছিল। নিষ্পত্তি হয় একটি বিভ্রান্তিমূলক ও আত্মঘাতী ষড়যন্ত্রের। তবে সেটা ক্ষনিকের জন্য। (চলবে)
সূত্র :
একাত্তরের রণাঙ্গন কিছু অকথিত কথা (নজরুল ইসলাম)
মূলধারা '৭১ (মঈদুল হাসান)
বাম রাজনীতির ৬২ বছর (ফাইজুস সালেহীন)
ক্রাচের কর্ণেল (শাহাদুজ্জামান)
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
পুতুল বলেছেন:
খুব ভাল একটা কাজের জন্য অভিনন্দ বস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা
ধূসর মানচিত্র বলেছেন:
আপনার এই লেখা পড়লে যা আমরা সাধারণরা জানিনা তা জানতে পারি, অপেক্ষায় রইলাম পরের পর্বের জন্য।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা
লেখক বলেছেন: বুঝছি আপনে ক্যান কইতেছেন। আসলে ওই পাড়ায় লোক আর্গুমেন্টিভ, ভুল জানলে জিগাইয়া ক্লিয়ার হয়
জানজাবিদ বলেছেন:
অনেক কিছুই নতুন আমার কাছে। ভাল একটা কাজ করছেন সেজন্য অভিনন্দন। জাস্ট একটা কথা বলতে চাই সবার চিন্তার খোরাকের জন্য। যে বঙ্গবন্ধু তাজউদ্দীনের মত বিশ্বস্ত সাথীকে দূরে সরিয়ে দিয়ে মোশতাকের মত পরীক্ষিত বেঈমানকে কাছে টেনে নেন তাঁর কপালে মরণ তো আসবেই। '৭৫ এ না আসলে '৭৬ এ আসতো, একদিন না একদিন আসতোই।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা, এইটার পেছনের গল্পটাও আপনাকে একদিন শোনাবো। যতোটা সিমপ্লিফাই করলেন, অতোটা সরল ছিলো না ব্যাপারটা
জানজাবিদ বলেছেন:
ধন্যবাদ এগেইন!অপেক্ষায় থাকলাম। ইদানিং আমার ব্লগে বেশী বেশী পোস্টাইতাছেন। এই দিকে আমরা যারা আছি তাগোরে আবার ভুইলা যাইয়েন না।
লেখক বলেছেন: এইটা এমন বড় কিছু না আসলে। প্রথাগত ধন্যবাদ ও ভালো হইছে মন্তব্যের বাইরে মাঝেমাঝে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করতে মন চায়। আমার ব্লগে সেই পরিবেশটা আছে
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আচ্ছা, এইটার পেছনের গল্পটাও আপনাকে একদিন শোনাবো। যতোটা সিমপ্লিফাই করলেন, অতোটা সরল ছিলো না ব্যাপারটএই গল্পটা শুনতে অনেক বেশি আগ্রহী।
পোস্টটা থেকে অনেক কিছু জানলাম। কাহিনীর ভিতরে আসলে কত যে কাহিনী থাকে।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা শোনাবো নিশ্চয়ই। তাজউদ্দিনকে নিয়েও একটা সিরিজ লেখার ইচ্ছে আসে। সেখানে নিশ্চয়ই আসবে এসব কথা
গাই অব গিসবর্ন বলেছেন:
ষ্টার্টিং খুবই মনপুত: হয়েছে...ত্যানার মস্তবড় ছবিটাও একখানি উপজীব্য! লেখা চলুক...পুস্তকাকারে ছাড়েন ভাই।
লেখক বলেছেন: ইচ্ছা আছে, ধন্যবাদ
হাসান বায়েজীদ বলেছেন:
গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়ছি। মহিশুরের মীস সাদিক, পলাশীর মীরজাফর আর খন্দকার মোশতাককে এক রেখায় দাড় করিয়েছে ইতিহাস। এই জারজটার মুখে কেবলই থুথু...
লেখক বলেছেন: কেবলই থুথু... সহমত
রোহান বলেছেন:
মোশতাকের বাসায় থুতু নিক্ষেপ উৎসব করছে এলাকাবাসী, দেখছিলেন নাকি টিভি রিপোর্ট টা আফসোস জীবিত মোস্তাকের মুখে থুথু ফেলা গেলো না... আশা করি ডালিম, রশীদ এদের মুখে থুথু ফেলার সুযোগ হারিয়ে যাবে না...
চমৎকার লেখা পিয়াল ভাই, পরের পর্বের অপেক্ষায়...
লেখক বলেছেন: নারে ভাই দেখা হয় নাই। হয়ে থাকলে দারুণ ঘটনা। শেয়ার করেন প্লিজ।
ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা কষ্ট করে পড়ার জন্য
ফারুক চৌধু্রী বলেছেন:
সিরিজটা পড়লাম বস । বাকি পর্বের অপেক্ষায়
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আসছে
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
ঐপাড়ায় পর্ছি আগে .. চলুক পিয়াল ভাই
লেখক বলেছেন: আশ্চর্য্যের ব্যাপার হইলো এই পাড়ায় হিট বেশী, ওই পাড়ায় আলোচনা। দুইটাই উপভোগ্য যদিও, কিন্তু আমার কাছে আলোচনাই বেশী প্রাধান্য পায়
হাসান বায়েজীদ বলেছেন:
হজ্ব করতে গেলে আবু জাহেলের বাড়িতে (নির্ধারিত) নাকি পিশাব করে মাইনষে(একটা অলিখিত রীতি), ১৫ আগষ্টে মোশতাকের বাড়িতে পিশাবের ব্যবস্থা করলে কেমুনয়? ডিসক্লেইমার
লেখক বলেছেন: হাহাহাহা, আইডিয়া জটিল, তয় ওইখানে তো অন্য মানুষ থাকে
ধূসর মানচিত্র বলেছেন:
আমি মোস্তাকের গ্রামের বাড়ির পাশের রাস্তা দিয়ে ১৯৯৬ সালের দিকে যাচ্ছিলাম । তখন রিক্সাওয়ালা আঙ্গুল দিয়ে আমাকে দেখিয়ে বললঃ ঐখান মোস্তাকের বাড়ি। আমি বললামঃ আসেন ছেপ(কুমিল্লার আঞ্চিলক ভাষা-থুথুর) মারি। তারপর রিক্সা থামাই দুই জন সজোরে ছেপ ছাড়লাম।বায়েজিদ ভাইয়ের কমেন্ট পড়ে আমার নিজের ঘটনা মনে পড়ল।
লেখক বলেছেন: আপনারে স্যালুট, টুপি খুইল্যা
সুবিদ্ বলেছেন:
@ধূসর মানচিত্র.....আমিও স্যালুটা করি আপনাকে......
রোহান বলেছেন:
পিয়াল ভাই এই ১৫ই আগষ্ট মোশতাকের বাড়ি যেখানে সেই এলাকাবাসী গন হারে থুতু উৎসব করেছে। ঐ বাড়িতে নাকি মোশতাকে ছেলে থাকে তবে তারা কারও সাথে মেশে না, একঘরে টাইপ অবস্থা। এটিএন বাংলায় এই নিয়ে একটা রিপোর্ট করেছিলো, ১৫ আগষ্টের নিউজে, ভিডিও খুঁজে পেলাম না তবে হ্যাক থু করে এতো মানুষ যখন বাড়ির নেমপ্লেটে মোশতাক নামের উপরে থুত দিচ্ছিলো তখন বেপক আনন্দ বোধ করেছিলাম
লেখক বলেছেন: আহারে, এই জিনিসের ফুটেজ নাই! ![]()
বস্, ভালো থাকবেন।
ছেলেপেলেদের এগুলো জানা অনেক দরকার।
আপনি অনেক বড় একটা কাজ করে চলেছেন। আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনারেও
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন:
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু......................................... অনেক ধন্যবাদ... তাজের এই বক্তব্যটি পড়া ছিল না... গায়ের লোম দাঁড়িয়ে গেছে...
লেখক বলেছেন: চরম একটা বক্তৃতা। ধন্যবাদ পড়ার জন্য
আমি স্যাম বলেছেন:
বলা হয় বাঙালী জাতির অস্তিত্ব হাজার বছরের। সেই হাজার বছরে করা সব পূণ্যের প্রতিদান ছিলেন তাজউদ্দীন। সত্যি যদি স্বর্গ বলে কিছু থাকে তিঁনি যেন তাই পান।তাজের এই বক্তব্যটি পড়া ছিল না... গায়ের লোম দাঁড়িয়ে গেছে...
আমারও..............
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















পড়ছি ।