আমার প্রিয় পোস্ট

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

রেসকোর্স, ৭ মার্চ ও একটি ইসলামী জলসার গল্প

২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:২৮

শেয়ারঃ
9 0

এডিট করার সময় এক রহস্যজনক কারণে পোস্টটি গায়েব হয়ে যাওয়ায় আরো তথ্যসংযুক্তিসহ আবারও পোস্টানো হলো

সাদামাটা খবরটা এরকম : ১৯৭৬ সালের ৭ মার্চ রমনা রেসকোর্স ময়দানে একটি বিশাল ইসলামী জলসার আয়োজন করা হয়। দেশে সামরিক শাসন বলবৎ থাকলেও ইসলামী জলসা মোটেও রাজনৈতিক কোনো অনুষ্ঠান বলে বিবেচিত হয়নি। যদিও আয়োজকদের রাজনৈতিক পরিচিতি কয়েকবছর পর স্পষ্ট হয়ে গেছে। তারা সবাই বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী জামাতে ইসলামীর সদস্য।

আগের বছর ১৫ আগস্ট রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের আগ পর্যন্ত দলটি নিষিদ্ধ ছিলো। মুক্তিযুদ্ধের ক্রান্তিলগ্নে (ডিসেম্বর ১৯৭১) এক বিবৃতিতে মুসলিম লীগ, নেজাম ই ইসলামী ও জামাতে ইসলামীসহ সব ধরণের ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা হয় যা সেদিন পর্যন্ত বলবত থাকে। খন্দকার মোশতাক আহমেদ ক্ষমতা দখল করার পর এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন। আর তার উত্তরসূরী সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান তাদের অবাধ রাজনীতির সুযোগ দেন।


খবরের বিশেষ খবর : সীরাত মাহফিল নামের ওই ওয়াজ মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তৃতা করেছেন উপ-সামরিক আইন প্রশাসক এয়ার ভাইস মার্শাল এম জি (মোহাম্মদ গোলাম) তোয়াব। তার সংক্ষিপ্ত পরিচিত তুলে ধরা যাক। পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে এখনও কিংবদন্তীর মর্যাদা পেয়ে থাকেন তিনি। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে বীরের মতো লড়েছেন, খেতাব পেয়েছেন। তার অনেক ছাত্র গুরুর মর্যাদা রেখেছে ১৯৭১ সালের যুদ্ধে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যোগদানের আবেদন করা হলেও তোয়াব তা প্রত্যাখ্যান করেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর গ্রুপ ক্যাপ্টেন হিসেবে অবসর নিয়ে জার্মানি (তখনকার পশ্চিম জার্মানি) চলে যান তিনি, ইনস্ট্রাকটরের চাকুরি নেন ন্যাটোর এয়ারফোর্স স্কুলে। এর আগে অনেকগুলো কোর্সের সুবাদে এলাকাটা তার পরিচিত। বিয়ে করেন স্থানীয় মেয়ে হেনরিয়েটাকে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর তাকে দেশে উড়িয়ে আনা হয়। এ.কে খন্দকারকে সরিয়ে তাকে বিমান বাহিনী প্রধান করা হয় সরাসরি এয়ার ভাইস মার্শাল পদবী দিয়ে। ১৯৭৫ সালের অক্টোবরে তিনি উপ-সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেন। উল্লেখ করা যেতে পারে ৩ নভেম্বর অভ্যুত্থানের সময় তোয়াব খালেদ মোশাররফের পক্ষে ছিলেন। তাকে ব্যাজ পড়িয়েছেন মেজর জেনারেলের যার ছবি পত্রিকায় এসেছে।



খবরের সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর খবর : যুদ্ধাপরাধী দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এই জলসায় অতিথি হিসেবে ছিলেন পাকিস্তান ও লিবিয়ার রাষ্ট্রদূতেরা। সভায় অভিযোগ করা হয় যে, গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে ইসলাম ও রসুল সম্পর্কে কোনো আলোচনা করা সম্ভবপর ছিল না। ধর্মনিরপেক্ষতার বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করে এয়ার ভাইস মার্শাল তোয়াব ঘোষণা করেন যে, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ‘দায়িত্বভার’ আমাদের’। তার বক্তৃতার সময় শ্লোগান ওঠে- তোয়াব ভাই, তোয়াব ভাই, চাঁন-তারা পতাকা চাই। জলসার আয়োজকরা ৬ দফা দাবী পেশ করেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলো দেশের নাম ইসলামী প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ঘোষণা, জাতীয় পতাকা পরিবর্তন, জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন, ইসলামী বিরোধী ও বেদাতি শহীদ মিনার ধ্বংস করা(ইত্তেফাক, ৮ মার্চ, ১৯৭৬)

এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে ১৫ আগস্ট হত্যাকান্ডের পর রেডিওতে মেজর ডালিম বঙ্গবন্ধুর নিহত হওয়ার খবর জানানোর পাশাপাশি বাংলাদেশকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র বলে ঘোষণা দেন। খবরটি লুফে নেয় পাকিস্তান। আর জেদ্দায় আশ্রয় নেওয়া গোলাম আযম মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর কাছে আবেদন জানায় ইসলামী বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে। ১৬ আগস্ট সৌদি আরব সাবেক লেকচারার গোলামের অনুরোধ রাখে।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ, এই রেসকোর্সেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের দিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। তার মৃত্যুর পরের বছরই সেই একই দিনে ভয়ানক স্পর্ধায় লাখো রাজাকার-আলবদরের শো ডাউন ঘটায় জামাত। ১৯৮০ সালের ৭ ডিসেম্বর যদিও স্বাধীন বাংলাদেশের বুকে প্রথম সংবাদ সম্মেলনটি করে তারা। সেখানেও তারা দাবি তোলে একটি ইসলামী সংবিধান প্রণয়নের। এই কাজটা তারা আগেই করতে পারতো যদি তোয়াব তাদের আশাপূরণে সফল হতেন। কি সেই আশা? সে এক ভয়ানক ষড়যন্ত্রের গল্প।



খবরের ফলো-আপ : পরের মাসে অর্থাৎ ১৯৭৬ সালের ৩০ এপ্রিল বগুড়া সেনানিবাসে একটি অভ্যুত্থান ঘটে। ফার্স্ট বেঙ্গল ক্যাভালেরি ও ফার্স্ট বেঙ্গল ল্যান্সারসের এই বিদ্রোহের নায়ক হয়ে আবির্ভূত হন কর্ণেল ফারুক রহমান! আগের বছর ৩ নভেম্বর জেল হত্যা ঘটিয়ে বিশেষ একটি বিমানে দেশ ছেড়েছিলেন ‘বিদ্রোহী ৬ মেজরের’ অন্যতম ফারুক (যদিও তার পদবী ছিলো কর্ণেল, কিন্তু মিডিয়ায় তিনি অবনমিত), চুক্তি হয়েছিলো তারা আর দেশে ফিরবেন না। অভিযোগ ওঠে তোয়াব গোপনে ফারুকসহ চারজনকে দেশে ফিরিয়ে আনেন। আর তারাই নেতৃত্ব দেন এই সেনা বিদ্রোহের। বিদ্রোহীদের দাবী ছিলো বাংলাদেশকে একটি ইসলামী রাষ্ট্র ঘোষণা এবং ক্ষমতায় তাদেরও অন্তর্ভূক্তি।




সেনা প্রধান জিয়া কঠোরহাতেই এই বিদ্রোহ দমন করেন। যদিও ফারুককে মানাতে তার বাবা-মা ও বোন দেনদরবার করেন। তাদের মধ্যস্থতায় ঠিক হয় তার বিচার না করে তাকে দেশত্যাগ করতে দেওয়া হবে। যদিও পরে ফারুককে জিয়া কূটনৈতিক দায়িত্ব দিয়েছেন, এরশাদ দিয়েছেন ফ্রিডম পার্টির ব্যানারে রাজনীতি করার অধিকার। এই ঘটনায় তোয়াবের ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়ে যায়। তাকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়। ভেস্তে যায় একটি (জামাতে) ইসলামী বিপ্লবের ভয়াবহ নীলনকশা। ১৯৯৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি মিউনিখে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই নষ্ট বিপ্লবের জনক।

সূত্র : দৈনিক ইত্তেফাক ৮ মার্চ ১৯৭৬
বাংলাদেশ, বাঙালি ও বাংলাদেশী, নির্বাচিত প্রবন্ধ (ডঃ আনিসুজ্জামান, পৃ. ১৪৯-১৫০)
ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন
God willing: the politics of Islamism in Bangladesh ( By Ali Riaz)

 

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩৯
নাঈম বলেছেন: অনেক অজানা তথ্য জানলাম, ধন্যবাদ পিয়াল ভাই। প্রিয়তে রাখলাম।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪০
অ্যামাটার বলেছেন: ভাল পোষ্ট। '৭৫-এর পনেরই আগষ্ট থেকে '৮১-র জিয়াউর রহমান হত্যাকান্ড এবং তৎপরবর্তী জেনারেল মঞ্জুর হত্যা পর্যন্ত ঘটনাগুলো সম্ভভলে সামনে আনেন ব্লগের মাধ্যমে। মাঝের এই সময়টার ইতিহাস সম্বন্ধে অনেকেই ধোঁয়াশা, এখনও অনেককিছু জানার আছে।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: আনোয়ার কবিরের তথ্যচিত্রটা দেখতে পারো, অনেক কিছুই জানতে পারবা

৩. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪১
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:

আপনি সব তথ্য এক এক করে ফাঁস করে দিচ্ছেন, হায় হায়। আপানাকে কইষা মাইনাস।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: আইচ্ছা

৪. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪২
স্বপ্নরাজ বলেছেন: জামাতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে... দেশের জন্মবিরোধীরা কিভাবে রাজনিতী করে এইটাই আমার মাথায় ঢোকেনা।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৮

লেখক বলেছেন: এরকম তথ্যগুলি সামনে আসা দরকার

৫. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৭
নাঈম বলেছেন: মাইনাসটা কে দিলো জানতে ইচ্ছা করছে.........
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: আল্লাহর পথের মুজাহিদ নামে একজনের পোস্টটা পছন্দ হয় নাই মনে হয়

৬. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১১
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: কায়েস মাহমুদ বলেছেন:

আপনি সব তথ্য এক এক করে ফাঁস করে দিচ্ছেন, হায় হায়। আপানাকে কইষা মাইনাস



:)

-- আরো দ্যান। ব্লগে কাটানো সময়গুলো অর্থময় করি।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: আইচ্ছা :)

৭. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩০
দণ্ডিত পুরুষ বলেছেন: অনেক তথ্যপূর্ণ লেখা। গোআ গংদের এ নষ্টামি জানানোর জন্য ধন্যবাদ।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনারেও পড়ার জন্য

৮. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৩
জাতি জানতে চায় বলেছেন: নিচের প্রশ্ন গুলার উত্তর পাওয়া গেলে আরও পরিস্কার হওয়া যেত,

১. "তোয়াব ভাই, তোয়াব ভাই, চাঁন-তারা পতাকা চাই" এর ঐসময়কার কোন পত্রিকার কাটিং কি আছে?

২. বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর ডালিমের দেয়া রেডিও ঘোষনার কি কোন অডিও রেকর্ড আছে বা ঐসময়ের কোন পেপার কাটিং?

৩. গোআযমের কথাতেই ২৪ ঘন্টা পার না হতেই সৌদিআরব স্বীকৃতি দেয়ার পেছনে কোন রেকর্ড আছে? গোআযমের সাথে সৌদিআরবের ভাল সম্পর্ক যেমন আছে তেমনি বঙ্গবন্ধুর সাথেও মুসলিম বিশ্বের ভাল সম্পর্ক ছিলো, এমনকি যতদূর শুনেছি বঙ্গবন্ধুকে মুসলিম বিশ্বের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা হিসেবে দেখত।

৪. ধর্মীয় দল গুলার সাথে তোয়াব ও ফারুকদের সরাসরি সম্পর্কের কোন রেকর্ড আছে কি?

৫. ষড়যন্ত্রের কাটিং গুলাতে কোন ধর্মীয় রাজনৈতিক দলের সম্পর্কের কথা উল্লেখ নাই, তারপরও আপনার এরকম অভিমতের পছনে যুক্তি বা রেকর্ড আছে? এরশাদ কিন্তু রাষ্ট্র ধর্ম হিসেবে ইসলামকে সংবিধানে যুক্ত করে, তাহলে জাতীয় পার্টিকে কি ধর্মীয় রাজনৈতিক দল বলা চলে?
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৪০

লেখক বলেছেন: ১. ইত্তেফাক ৮ মার্চ, ১৯৭৬ কাটিং আছে
২. অডিও রেকর্ড নাই, পেপার কাটিং আছে ১৬ আগস্ট ও ১৭ আগস্টের, অনেক বই পত্রেও উল্লেখ আছে।
৩. এইটারও রেকর্ড আছে, নানা বইপত্রে উল্লেখিত। বঙ্গবন্ধুরে কি চোখে দেখতো এই নিয়া একটা পোস্ট আসবে সামনে।
৪. তাদের বক্তৃতা বিবৃতিই রেকর্ড
৫. ষড়যন্ত্রের কাটিংগুলা ভালো মতো পড়েন। ইংরেজি না বুঝলে বুঝে এমন কাউরে দিয়া অনুবাদ করাইয়া পড়েন। দেখেন জামাতে ইসলামীর কথা আছে কিনা, অভ্যুথানটারে ইসলামী টেকওভার বলা হইছে কিনা।

সর্বশেষ কথা : পুরা লেখাটার সূত্রের উল্লেখ আছে একদম নীচে। একবার দেইখা নেন প্লিজ।

৯. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:০৮
দেশী পোলা বলেছেন: ফারুক আর রশীদ ভায়রা ভাই, এদের সাথে আর কোন কোন মিলিটারির আত্মীয়তা আছে, সেটার একটা লিস্টি দিলেই ক্লিয়ার হয়ে যাবে কে কোন পক্ষের লোক


ভাল কথা, রিসালদার মোসলেহউদ্দিন কি আসলেই ভারতে পলাতক?
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:২৮

লেখক বলেছেন: আমার জানা নাই ভাই ব্যাপারটা

১০. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৪২
নাজমুল হক রাসেল বলেছেন: রিসালদার মোসলেহউদ্দিন কথিত আসে উনি জে: জিয়ার আমলে শুলে চরেছিলেন (যদি বংবন্ধুকে হত্যাকারি রিসালদার মোসলেহউদ্দিন হয়। আরো একজন আছে এই নামের)
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: বিস্তারিত জানা নাই, খুইলা কন তো

১১. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:০৩
লুকার বলেছেন:

আপনার লেখা বই আশা করছি সামনের একুশে বইমেলায়।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৫৩

লেখক বলেছেন: আচ্ছা দেখা যাক

১২. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:১০
মরি-নাই বলেছেন: এহনো পুরা পরি নাই।

তয় যতদুর পড়ছি পুরা পাংখা।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: পুরাটা পড়েন

১৩. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪
লীনা দিলরূবা বলেছেন: দারুন লিখেছেন (যে রকম লিখেন আরকি)। নষ্ট বিপ্লবের জনককে সামনে আনার জন্য অনেক থ্যাঙ্কস।

বাই দ্য ওয়ে, খন্দকার মোশতাকের বংশধরদের বর্তমান অবস্থা জানতে চাই। এই পরিবারটাকে কী জাতীয় বেইমান বা মিরজাফর ফ্যামিলি হিসেবে চিহ্নিত করা যায়?
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০৭

লেখক বলেছেন: পুরা পরিবাররে মীর জাফর কইতে আমার আপত্তি আছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে ষড়যন্ত্র মোশতাক একাই করছে, তার বউ-বাচ্চারা না। কিংবা রাজাকারগো মতো বাপের পাপ জায়েজ করার প্রচারণায়ও তাদের দেখা যায় নাই। আর ফ্যামিলির আপডেট আমার জানা নাই, একজন কমেন্টে বলছিলেন তার মেয়ে লন্ডনে থাকে। আর বর্তমানে জামাতের অন্যতম প্রিয় মুখপাত্র আমার দেশের মাহমুদুর রহমান তার ভাইগ্না।

আপনারে বইটার জন্য আবারও ধন্যবাদ।

১৪. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:২৩
দস্যু বনহুর বলেছেন: বিষয়গুলো সবার সামনে আনা জরুরী ছিল। পোস্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:২৯

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ

১৫. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯
লীনা দিলরূবা বলেছেন: টাসকি খেলাম। মাহমুদুর রহমান, মানে মুন্নু সাহেবের মেয়ের জামাই? দেখা যাচ্ছে ইতিহাসের খল চরিত্র আর বাস্তবের কাহানী সব একই পথে বয়ে যায়!

ধন্যবাদ দেবার জন্য ধন্যবাদ।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: তেমনই তো পড়লাম মোশতাক সিরিজে একজনের মন্তব্যে

১৬. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২১
নীহাড়িকা বলেছেন: আচ্ছা একসময় ফ্রিডম পার্টি তথা কুড়াল প্রতীকেরও সেরাম দিন ছিলো....;)। এই পার্টির গ্রোয়িংটাও বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডরে জায়েজ করার মিশনরে পুজি করা।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৫২

লেখক বলেছেন: লিবিয়া থেকে সশস্ত্র প্রশিক্ষণ নিয়ে আসা ঢাকা শহরের প্রায় শখানেক ক্যাডারের উপস্থিতিতে ইনজিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে বজলুল হুদা একটা শোডাউন করেছিলেন। বিভিন্ন মহল্লার ভাই-বেরাদরও দাওয়াত ছিলো সেখানে। নির্দিষ্ট রাজনৈতিক আনুগত্য ছিলো না বলে আমিও উপস্থিত ছিলাম সেখানে। ছাদখোলা পাজেরোয় শটগানধারী দেহরক্ষী (পত্রিকায় ছবি বেরিয়েছিলো) নিয়ে রমনা পার্ক প্রদক্ষিন করেছিলো ফ্রিডম পার্টির মিছিল। সেদিন আবার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ট্রাক মিছিল বেরিয়েছিল ছাত্র ইউনিয়ন কর্মী আসলাম হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে। বছর তিনেক পর ক্যাম্পাসে এই ফ্রিডম পার্টির পত্রিকা প্রকাশ্যে পুড়িয়েছিলাম বলে আমার সংগঠনের সঙ্গে ছাত্র শিবির মুখোমুখি হয়েছিলো, শেষ পর্যন্ত অবশ্য ক্যাচাল আর হয়নি

১৭. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৩
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: তোয়াব সাহেব বেঁচে থাকলে আল কায়েদার ডাক পাইতেন সন্দো নাই.;)
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: হ, হোয়াইট হাউজে প্লেন ঠিকই গিয়া পড়তো

১৮. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৩
মেঘ বলেছেন: পিয়াল ভাই, কি বলে আপনাকে ধন্যবাদ দেব জানা নেই।
প্রিয়তে রাখলাম।
এ ব্যাপারগুলো জানা ছিল না।
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:১১

লেখক বলেছেন: এই তো পড়তে গিয়ে পেলাম, কনফার্ম হলাম, তারপর শেয়ার করলাম আপনাদের সঙ্গে। কৃতজ্ঞতা আপনাকেও

১৯. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:১১
ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন: আপনার লেখাগুলোও আসলে ঘন্টার পর ঘন্টা ব্লগে বসে থাকাকে হালাল করে দেয় ...ধন্যবাদ...


এই বিষয়টা অবশ্য আগেই স্বীকার করেছি...

Click This Link
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:১৪

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যটা পড়ার পর ঘণ্টার পর ঘন্টা খাইটা এইসব গাধার মতো শ্রমটারে আনন্দময় মনে হইলো, সার্থক মনে হইলো। থ্যাঙ্কস

২০. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:০৫
আশাবাদী মানুষ বলেছেন: পড়লাম। জেনে ভালো লেগেছে।
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:২৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ

২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:১৯

লেখক বলেছেন: এইতো, আপনার কি খবর?

২২. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৩২
ঘোর বলেছেন: দারুণ ইনফরমেশন। ভালো লাগলো।
২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, অনেকদিন পর আপনারে দেখলাম। ভালো লাগলো।

২৩. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩
জইন বলেছেন: পিয়াল ভাই--অসাধারণ লাগলো, এত কম ইতিহাস জানি, যদি বিয়ে করি আর যদি ছেলে-মেয়ে হয় তো আল্লাহর নামে শপথ,তাদেরকে আপনার সব পোস্ট পড়াবো, আপনার সবগুলা পোস্ট সংরক্ষণ করবো।

ভাল থাকবেন, নতুন প্রজন্ম খুব ভাগ্যাহত পিয়াল ভাই, তারা জানে না তাদের জাতির পিতার নাম, বিকৃতভাবে উচ্চারণ করে ওনার নাম,তখন খুব খারাপ লাগে।

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১৮

লেখক বলেছেন: কঠিন শপথ নিছেন দেখি। আমরা কেউ ভবিষ্যত জানি না। দোয়া কইরেন জানি পথভ্রষ্ট না হই

২৪. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৫
রোবোট বলেছেন: খুবই অফটপিক

গোলাম আজমের ৬০এর দশকে (নাকি ৭১এ) ঘোষণা দেয়া যে ভাষা আন্দোলন করা ভূল ছিলো- এটা কি আপনার পোস্ট ছিলো? দন্ডিত পুরুষের ব্লগে রেফারেন্স দিতে পারলাম না।

একটা সাজেশন
মোশতাকের ঘটনাগুলো দিয়ে একটা বই লেখেন "মোশতাইক্যার নিমকহারামী সমগ্র"
২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১৯

লেখক বলেছেন: ওইটা ৭১-এ সংগ্রামের পেপার কাটিং। আমার ব্লগেও আছে, জন্মযুদ্ধ গ্রুপে পাবেন। মোশতাকের ঘটনাবলী আমার বইয়ে থাকবে, জন্মযুদ্ধ নামে যেটি লেখি লেখি করে এখনও শেষ করতে পারলাম না

২৫. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২৫
নকীবুল বারী বলেছেন: আপনার ব্লগ থেকে অনেক রসদ পাই..................যে গুলান কাজে লাগে........
২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, জেনে ভালো লাগলো যে ব্লগ লেখাটা একেবারেই বৃথা যাচ্ছে না, কারো কারো কাজে লাগতেছে। কৃতজ্ঞতা সে জন্য

২৬. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২৯
রোবোট বলেছেন: Click This Link

ঐখানে গিয়ে আপনার পোস্টের লিংক দিলে খুশী হৈতাম। আমি মূলত অলস প্রকৃতির লোক।
২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮

লেখক বলেছেন: খুইজা পাইলাম নারে ভাই। দেখি আছে কোথাও দিয়ে দিবো পরে

২৭. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২৯
তারেক.মাহমুদ বলেছেন: অনেক অজানা তথ্য জানলাম, ধন্যবাদ প্রিয়তে রাখলাম।
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

২৮. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৩৪
স্পাইডার বলেছেন: এই বেডা তোয়াব এখন কই?
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: কব্বরে। ১৯৯৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি মিউনিখে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই নষ্ট বিপ্লবের জনক।

২৯. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২২
রাজর্ষী বলেছেন: ধন্যবাদ ইতিহাস তুলে ধরার জন্য। হের পরেও আযমের পোলা আর চামচারারা চিল্লায়..বরখাস্ত করার জন্য।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: ইতিহাসের ট্রাজেডি এইটাই। বঙ্গবন্ধু ভাবছিলো কয়েকটারে ক্ষমা কইরা দেখি ভালো হয় কিনা। কিন্তু জাউরারা তো জাউরাই হয়

৩০. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১৮
ত্রিশোনকু বলেছেন: সুনডর ,তঠ্যভুল পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

প্রিয়তে।

_____________________________________________
শেষ ইংরেজী লেখাটাতে একটা তথ্যগত ভুল আছে:

২২ বেংগলের ক্যু হ্য় ২৮শে সেপ্টেম্বর , ১৯৭৭এ। অধিনায়ক ছিলেন লে: কর্নেল আবদুল গাফফার হাওলাদার, বীর উত্তম। ২২ বেংগলের বেশীর ভাগ সৈনিকই ছিল প্রাক্তন রক্ষীবাহিনীর। জিয়া অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে তা দমন করেন। ব্যাটালিয়নের প্রায় সমস্ত সৈনিকের গনহারে ফাঁসী হয়ে যাওয়ায় ব্যাটালিয়নটাকে ডিসব্যান্ড করতে হ্য়।


আবদুল গাফফার হাওলাদার, বীর উত্তম পরে জিয়া মন্ত্রীসভার সদস্য হন (সম্ভবত:)

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৩

লেখক বলেছেন: সংযুক্তির জন্য ধন্যবাদ

৩১. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৮
তানজীব আহমেদ বলেছেন: যদি প্রিয়তে না দেই বিবেকের কাছে কি জবাব দিমু ..........+++++++++
কঠিন লিখছেন। 8-|
৩২. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৯
রোহান বলেছেন: http://www.firozmahboobkamal.com/home.html

পিয়াল ভাই জামাতীগো এই প্রচারনাটা দেখছেন? পইড়া মাথামুথা গরম হইয়া আছে... X(
৩৩. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৪
হেমায়েতপুরী বলেছেন: জানার আছে অনেক কিছু।
৩৪. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:০৮
তরু বলেছেন: দারুণ।++++

পিয়াল ভাই, কবি শামসুর রাহমানকে নিয়ে একটা কথা বলে শিবির যে তাদের প্রথম দিকের একটা বড় অনুষ্ঠানে কবি উপস্থিত হয়েছিলেন; এই বিষয়টা নিয়ে একটু লিখলে ভালো হয়।
৩৫. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৩
নজরুল মিন্টো বলেছেন: কতটুকু ধন্যবাদ দেবো বুঝে উঠতে পারছি না। তবে আপনার পাওনা অনেক। তথ্যগুলো দিয়ে কৃতজ্ঞতার জালে বন্দি করেছেন।আমি ব্লগে নতুন তাই আপনার পুরনো লেখা পড়া হয়নি। সবগুলো পড়ার চেষ্টা করবো।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৪

লেখক বলেছেন: স্বাগতম, ধন্যবাদের কিছুই নাই, আমাদের গর্বের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছড়িয়ে যাক সবখানে

০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

 

মোট সময় লেগেছে ২.৮৩৬১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বন্ধুত্বে উদার, শত্রুতায় নির্মম : কিছু করার নাই, রাশির দোষ
........................
জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :

শেষ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ