আমার প্রিয় পোস্ট
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন স্কোয়াড - টেকনলজী
- মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর ও ফোর্স অধিনায়ক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে গৃহীত সরকার/ সিইনসি ওসমানীর তিনটি পদক্ষেপ ও আমার জিজ্ঞাসা - নুরুজ্জামান মানিক
- যে কারনে পিলখানা হত্যাকান্ড এবং সাম্প্রতিক ছাত্রলীগ কর্মী হত্যাকান্ড ভয়ঙ্করভাবে একই রকম - রাজিয়েল
- "তাহারা এবং তদ্ সংক্রান্ত সুপ্রবচন": ইহা একটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ছড়া, পঠন কালে নর্তন বাঞ্ছনীয় - মতিউর রহমান সাগর
- ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব ৩ - ত্রিশোনকু
- বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন যারা!!! - তাহের
- আবারো স্বদেশপ্রেমের পরিচয় দিল শিবির। - সানুনয়
- পল গোয়েবল বিগ লাই থিওরী,৩৫ বছর ধরে লালন করা কয়েকটি মিথ্যা । ইতিহাসের কাঠগড়ায় যখন সত্য । - আশমএরশাদ
- একজন হিন্দুর হিন্দু হয়ে ওঠা-১ - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- একটি বিজয় দিবসের গল্প। (প্রথম পর্ব) - হাসান শহীদ ফেরদৌস
- বাংলাদেশে দূতাবাসে ভারতীয় কম্যান্ডো? - দিগন্ত
- জামাত দিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার সংবর্ধনা : আসুন আলোচনা হোক - শিপন আবদুর রাজ্জাক
- দরদী হইও মাগো দরদী হইও, সময়ে সময়ে মাগো পাষানী হইও। - অধ্যায়
- কাঁকন বিবিঃ খাসিয়া মুক্তি বেটি - ইফতেখার.আমিন
- একসাথে একাধিক ইয়াহু মেসেন্জারে লগ ইন করুন!!

- ইসানুর
- দৈনিক রাজাকার - সবাক
- আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল! (আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি)
- নাফিস ইফতেখার
- অত:পর কোথায় পালাবে তুমি? - তাজা কলম
- লুকালরে আমি ভালা পাই যে কারণে - স্ট্যানলি কুবরিক
- কিভাবে সেপ থাকবেন , তাঁর লেটেস্ট গাইড - স্ট্যানলি কুবরিক
- সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখি - স্ট্যানলি কুবরিক
- চাঁদ, পাহাড় ও ফরাসী স্বপ্ন - লাল দরজা
- নিউজউইকে সেক্টর কমান্ডার নাজমুল হকের দুষ্প্রাপ্য সেই সাক্ষাৎকার - ফিউশন ফাইভ
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- তেল গ্যাস নিয়ে ব্লগার মেঘনাদ এর অপমানজনক উত্তরের জবাবে আমার মত - সায়েমুজজ্জামান
- সামহোয়্যারে যা ঘটলো, যা ঘটবে তার 'পেছনের কারণ' - Arild, you MUST read this - ধুসর গোধূলি
- ব্লগে বিরাজমান অস্থিরতা বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ !! - নোটিশবোর্ড
- বদরের যুদ্ধের প্রেক্ষাপট: ডাকাতি-লুট না অত্যাচারিতের অধিকার আদায়? - জ্বিনের বাদশা
- কবিতারা…….. - শওকত হোসেন মাসুম
- মহামান্য ঈশ্বরের ডিম সংকট [একটি নিরাপদ পোস্ট] - খেজুর কাঁটা
- অগভীর ভাবনা - বামান্দোলনের ব্যর্থতা - রাসেল ( ........)
- হুমায়ুন আজাদের কিছু নির্বাচিত প্রবচন - জানজাবিদ
- আমিই স্বাধীনতার ঘোষক
**একটি ঐতিহাসিক পোস্ট** - নাফিস ইফতেখার
- ভার্চুয়াল রা(ড়া)জাকার নিধন , বাস্তব প্রেক্ষিত ও আমার ব্যাক্তিগত মিশন - |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|
- আমার প্রেমিকারা - হুমায়রা পর্ব
- ~স্বপ্নজয়~
- ব্লগ বাসী আপনারা কেমন আছেন?- মাতলামি দেখতেছি, হাসতেছি - জমির মাতব্বর
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- সে দিন অপরাজেয় বাংলার দিকেও তাক করে রাখা ছিল একটা ট্যাংন্ক... - লাল দরজা
- আমায় ক্ষমা করে দিও, বঙ্গবন্ধু। - রন্টি চৌধুরী
- আমার স্মৃতিতে হুমায়ুন আজাদ: যেভাবে তাকে হাসপাতলে নিয়েছিলাম এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো... - হাসান শরিফ
- বাংলার তাজ- তাজউদ্দীন আহমদ - ইফতেখার.আমিন
- একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা(পুরো সামহোয়্যর ইন ব্লগের দৃষ্টি আকর্ষন করছি) - েমেহদী হাসান
- বিভিন্ন প্রকারের ব্লগার (একটি জেরী-আউলা-তানজু প্রযোজনা) - আউলা
- জেনারেল অরোরার কাছে পাকিদের আত্মসমর্পণ এবং সে অনুষ্ঠানে ওসমানীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গ - নুরুজ্জামান মানিক
- ঘূর্ণাবর্তনের রাজনীতি। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- ফরহাদ মজহারঃ নাস্তিক মোল্লা - মোস্তাফিজ রিপন
- আমি যে কারণে ল্যাম্পপোষ্টের আচরণ সমর্থন করছি না। - রাসেল ( ........)
- কার কার মনে আছে নাজিয়া হাসানকে? - ইমন জুবায়ের
- বানান ও লেখ্যরীতি : প্রথম আলোর একটি আদি স্টাইল শিট - ফিউশন ফাইভ
- জামাতে ইসলামকে ভুটাইলে যে ফায়দাগুলা পাইতাম - মাতাল মাহবুব
- দুঃখিত, আমি এই জাতীয় কীটদের আমাদের মাঝখানে দেখতে চাই না - হাসিব
- গল্পঃ বসন্ত শেষে - আকাশ_পাগলা
- টিপাইমুখ, টেকনিক্যাল দিকটা চিন্তা করুন, কার ক্ষতি কে করছে? - হমপগ্র
- রাজকন্যার কাছে বাবার কৈফিয়ত... - অমি রহমান পিয়াল
- একটি জিনিস বানাতে দীর্ঘ সময় নিলেন ঈশ্বর। কি সেই জিনিস!!....? - মাহবুবুল ইসলাম (সুমন)
- এখনই সময় পা ধরে মাফ চাওয়ার। - মাথামোটা
- নীতিতে অটল এবং প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, তাই হার মানব না। - মাথামোটা
- ত্রিভুজের কিছু প্রশ্নের উত্তর আমি যেমন জানি - জমির মাতব্বর
- অতপর ভুল স্বীকার করিলে তাহাকে হত্যা করা হইলো - ঝরা পাতা
- ছবি এডিটিং এর কিছু প্রয়োজনীয় সাইট - বোকা ছেলে
- মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী - লাইটহাউজ
- বিয়া ব্লগীং, থুক্কু বিবাহের ছবি - অন্যমনস্ক শরৎ
- সাপ্তাহিক ব্লগ সমাচার এই যে # ৯ই মে, ২০০৯
- নাফিস ইফতেখার
- একটা গোপন অথচ দরকারী পরামর্শ - লেখাজোকা শামীম
- কবি - শিমুল সালাহ্উদ্দিন
- ছাত্রশিবির কি রাজাকার? - নুসরাত জাহান যুথি
- Anatomy of জামাতে ইসলামী ও কিছু সোজা-সাপটা কথা - পাললিক মন
- টেকনো আর ইলেকট্রনিকা :: খারাপ না, চলে - শূন্য আরণ্যক
- ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যার সময় যেই যুদ্ধাপরাধীরা জেলে ছিলেন তাদের বিচার করা হোক আগে - লেখাজোকা শামীম
- ইতিমধ্যে দন্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের এখনও বিচারের আওতায় আনা সম্ভব - রেজওয়ান
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ - রেজওয়ান
- একাত্তরের গণহত্যার ভিডিও - রেজওয়ান
- ৩০ খান ছুপার হিট হা হা পো গে ফটুক: ১১-২০ - ফয়সাল আকরাম
- আত্মবিশ্লেষণ, বনাম-সাধারণ/অসাধারণ এবং একটি ঘৃণাস্তম্ভের প্রস্তাবনা - মেঘ
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে হবেন পেশাদার ব্লগীয় গুলবাজ/গুজবকারী/রটনাকারী (ওপেনসোর্স পোস্ট) + ২০০তম
- নাফিস ইফতেখার
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- অথ: সেরা পোস্ট এ্যান্ড/অর নির্বাচিত পোস্ট সমাচার - হাসিব
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- ডক্টর জাফর ইকবালের লেখা, মিরাজভাই, এ-টীম এবং নরাধমের কিছু কথা। - নরাধম
- জামাতে ইছলাম গ্রুপে যৌন হয়রানির ফাঁদ!!! - লোকালটক
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে নিজেকে মডুদের হাত থেকে রক্ষা করবেন
- নাফিস ইফতেখার
- গোলাম আজমের ভাষা সৈনিকগিরি আর তেলাপোকার জীবন বৃত্তান্ত - এস্কিমো
- স্মারক: রাষ্ট্রপতির সচিবালয়, গণভবন, ঢাকা, পত্র সংখ্যা-৩০/১২/৭৫-সাধারণ-৭২৯/৯(৪০০) তারিখ ১২ মার্চ ১৯৭৫। - মোহাম্মদ আরজু
- আজ মডুর বিয়ে - নাফিস ইফতেখার
- সাবাশ কম্বোডিয়া!! বাংলাদেশেও শুরু হোক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার - জ্বিনের বাদশা
- বাবার ডায়েরীতে ১৯৭১ (৫ম পর্ব) - লীনা দিলরূবা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই-১: একটা কমিশন গঠনের কাহিনী - শওকত হোসেন মাসুম
- একজন নতুন ভোটারের মনের কিছু কথা........ - নাফিস ইফতেখার
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- চেতনার সম্ভ্রম বনাম স্ববিরোধীতার আয়নায় মুখোশের আড়ালে মুখ ! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- আসেন আমরা সবাই মিল্যা নামাজ পইড়া যুদ্ধাপোরাধীগো বিচার চাই - সামী মিয়াদাদ
- সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুয়ায়ী রাজাকার, মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা জামায়াতে ইসলামীর নেতা থাকতে পারে কি?? - একরামুল হক শামীম
- আবে, কোন মামদির পো সামনে খাড়া? যা কিনার - লাল দরজা
- পাগলের রাজণৈতিক প্রলাপ : ( বিশেষ পর্ব) [স্বঘোষিত রাজাকারদের অপপ্রচারের প্রতিবাদ] - এ. এস. এম. রাহাত খান
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- সহীহ মুসলিম মতে গোলাম আজম, নিজামি, মুজাহিদ, সাইদী এবং অন্যান্য জামাতিদের ইমানের স্তর। - হ্যারি সেলডন
- সামহোয়ার ক্লাসিক : কার্টুন কেলেঙ্কারি ও ছাগুদের ম্যাতকার (ইতিহাসের পাতা থেকে) - স্ট্যানলি কুবরিক
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- ৮ই ফাল্গুন কি হারিয়ে যাবে? আসুন বাঁচানোর একটা চেষ্টা করি। - যীশূ
- ইতিহাস খুড়ে দেখা : মুজিবনগর সরকার, স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রের মুল দলিল এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক - মিরাজ
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন দৈনিক সংগ্রামে জাতীয় সংগীত সংক্রান্ত ফতোয়া - এস্কিমো
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( প্রথম পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( ২য় পর্ব ) ( যেকোন রাজাকার এবং রাজাকার সমর্থনকারীদের প্রতি ওপেন চ্যালেঞ্জ, পারলে যুক্তিগুলো খন্ডন করুন) - একরামুল হক শামীম
- আদর্শের জন্য নয়, জামাত পাকিস্তানপন্থী হয়েছিল টাকার জন্য। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে নিয়মিত অর্থ পেতো জামায়াত। - শওকত হোসেন মাসুম
- বাবা কেন যুদ্ধে গেল? - কালপুরুষ
- একটি জাতির জন্ম: জিয়াউর রহমানের নিজের লেখা পড়ুন (১) - আমি সাগর
- পাকিস্তানের জন্য গোলাম আযমের আক্ষেপ ফুরাবে না! - শওকত হোসেন মাসুম
- এ ছবি আপনাকে দেখতেই হবে! আপনি এদেশের মানুষ নন? - তীরন্দাজ
- ছবি ব্লগ : গর্বের এবং বীরত্বের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- ও আমার দেশের মাটি : একটা অসাধারণ ভিডিও । এটাই মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের চেতনা - মিরাজ
- ফাঁসি দেয়ার সঠিক পদ্ধতি
- ইকরাম
- অনেক অজানা অতীত : নতুন প্রজন্মের জন্য। স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ২ (ইংরেজী টেক্সট সহ) - মিরাজ
- ছহি রাজাকারনামা - জেনারেল
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জামাত-শিবির কেন সন্ত্রাসী সংগঠন - অমি রহমান পিয়াল
- ওয়ার্ডপ্রেস ডেটাবেজ ব্যাকআপ রাখুন - গুগুল
- লিংক: রাজাকারের তালিকা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার- সময়ের দাবি - অঃরঃপিঃ
- গোলামের আরো কথা - অঃরঃপিঃ
- থাকলে এমনেই থাকতে হইব, নাইলে ফুট্ - অঃরঃপিঃ
- রাজাকার নিয়া আরেকটু কথা (আড্ডাবাজরে) - অঃরঃপিঃ
- আমাদের গান / সুমন : কোনও এক চিন্ময়ীকে - অঃরঃপিঃ
- স্বীকারোক্তি : আমি একটি অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছি... - অঃরঃপিঃ
- বইয়ের বিজ্ঞাপন : বইমেলায় আমাদেরও বই... - অঃরঃপিঃ
- নতুন সংকলণ : তেকোণালজি - অঃরঃপিঃ
- তেকোণালজি এখন হার্ডকাভারেও - অঃরঃপিঃ
- টুকে লেখা, পড়ে লেখা, জেনে লেখা... (আলী, হাবিব মহাজন। ফাডাররাও পড়তে পারেন) - অঃরঃপিঃ
জন্মযুদ্ধ '৭১ : আমাদের স্বাধীনতার জন্য রক্ত দিয়েছিলো তিব্বতীরাও!
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭
প্রাককথন :
খবরটা খবর হয়েছিলো চমকপ্রদ কারণে । বেইজিং অলিম্পিয়াড উপলক্ষ্যে নয়াদিল্লীতে অলিম্পিক মশাল আসার পরের ঘটনা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সেনা অফিসার মিডিয়াকে জানালেন ভারতের অন্যতম সেরা এক কমান্ডো ফোর্সের সদস্যদের নজরবন্দী রাখা হয়েছে। এমনকি একজনের সঙ্গে অন্যজনের কথাবলাও নিষেধ। সর্বশেষ এমন ঘটেছিলো ইন্দিরা গান্ধীর আমলে- অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরে সেনা অভিযানের পর। ভারতীয় সেনাবাহিনীর শিখ সদস্যদের তখন চোখে চোখে রাখা হয়েছিলো। আর গতবছরের এই ঘটনায় আলোচ্য ইউনিটটির নাম স্পেশাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্স (এসএফএফ)। মূলত চীনা সেনাবাহিনীর নিপীড়নের শিকার হয়ে দেশপালানো উদ্বাস্তু তিব্বতীরাই এই বিশেষ বাহিনীর সদস্য। অলিম্পিক মশালের নিরাপত্তা দিতে একটি চীনা কমান্ডো ইউনিট ভারতে আসছে- এই খবরে তিব্বতীরা জাতীয়তাবোধে আক্রান্ত হয়ে কোনো দূর্ঘটনা ঘটিয়ে ফেলতে পারে এই আশঙ্কা থেকেই ওই নজরদারীর সিদ্ধান্ত।
এবং এটি ছিল এক অপমানজনক সিদ্ধান্ত। পাক-ভারতের সংঘাতের ইতিহাসে এখনও নতুন পাতা হয়েই আছে কারগিল যুদ্ধ। আর তাতে বীরত্বের সঙ্গেই লড়েছিলো পার্বত্য ও জঙ্গলের লড়াইয়ে বিশেষ ট্রেনিং পাওয়া এসএফএফ। লড়েছিল ১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধেও। কিন্তু ইতিহাসে তাদের সেই অবদান উপেক্ষিত হয়ে আছে কূটনৈতিক এক প্রটোকলের ফেরে। এই পোস্টটি সেসব বীর তিব্বতীদের অজানা কাহিনী নিয়ে, যা শেয়ার করে একজন বাঙালী হিসেবে আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
এসএফএফ নিয়ে কিছু কথা :
১৯৬২ সালের ১৪ নভেম্বর এই বিশেষ বাহিনীটির জন্ম। সে বছরই চীন ও ভারতের মধ্যে এক সীমান্তযুদ্ধ হয়। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র’ (রিসার্চ এন্ড এনালিসিস উইং) সেদেশে আশ্রয় নেওয়া তিব্বতীদের নিয়ে গঠন করে এই প্যারামিলিটারি ইউনিটটি। সিআইএর সরাসরি তত্বাবধানে ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে এসএফএফ চীনা সীমান্তে তাদের তৎপরতা চালাতে থাকে। দেরাদুনের অদূরে তিব্বতী উদ্বাস্তুদের শহর চাক্রাতায় গড়ে ওঠে এর সদর দপ্তর। সীমান্ত প্রহরার পাশাপাশি তিব্বত থেকে ‘বিশেষ লোকজন’ ভারতে নিরাপদে নিয়ে আসা, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং কম্যুনিস্ট চীনের বিরুদ্ধে অন্তর্ঘাত চালানোর মিশনগুলোতেও তারা ছিলো বেশ সফল। র’এর প্রধান আরএন কাও এবং মেজর জেনারেল সুজন সিং উবান ছিলেন এসএসএফের দায়িত্বে।
এই উবানই মুক্তিযুদ্ধে মুজিব বাহিনীর (স্বাধীনতার পর রক্ষীবাহিনীরও) সংগঠন ও প্রশিক্ষনের দায়িত্ব পালন করেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ কমান্ডের অধীনে নয় এসএফএফ, যার আরেকটি নাম হচ্ছে এস্টাবলিশমেন্ট টুয়েন্টিটু (উবানের সম্মানে, তিনি ব্রিটিশ ভারতে ২২ মাউন্টেন ব্রিগেডের কিংবদন্তী)। তাদের প্যারাট্রুপিং থেকে শুরু করে কঠোর কমান্ডো ট্রেনিং দেওয়া হয়। হিমালয়ের ওই উচ্চতায়, হিমাংকের নীচে তাপমাত্রায় এবং জঙ্গলের শিকড়পাতা খেয়ে লড়ার শিক্ষায় শিক্ষিত তারা। সুবাদেই গারুদ ও প্যারা কমান্ডোর মতো হাতে গোনা কয়েকটি স্পেশাল ফোর্সের মধ্যে কার্যকারিতা ও দক্ষতায় উপর দিকেই এদের অবস্থান। বিস্ময়ের ব্যাপার হচ্ছে ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এসএফএফ-এর অস্তিত্ব স্বীকার করে না! এর সদস্য নারী ও পুরুষরা অবসরের পর গোপন যাপনে চলে যান। প্রকাশ্যে থাকেন শুধুমাত্র দালাইলামার দেহরক্ষীর দায়িত্বে থাকারাই।
![]()
১৯৭১ সালে মেজর জেনারেল উবান যখন মুক্তিবাহিনী (পরে মুজিব বাহিনীর) বিশেষ প্রশিক্ষক হয়ে আসেন, তখন তার উপর একটি কঠিন দায়িত্ব বর্তায়। ‘অপারেশন ঈগল’ কোডনেমের এই মিশনটি ছিল পার্বত্য চট্টগ্রামকে শত্রুমুক্ত করা যাতে ভারতীয় বাহিনীর জন্য চট্টগ্রাম অভিমুখে যাত্রা সহজ হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামে তখন অবস্থান করছিল স্বতন্ত্র (ইন্ডিপেন্ডেন্ট) ৯৭ ব্রিগেড এবং পাকিস্তানী এলিট ফোর্স স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপের থার্ড কমান্ডো ইউনিট। আর তাদের সহযোগী হিসেবে ছিলো ইস্ট পাকিস্তান সিভিল আর্মড ফোর্সের (ইপক্যাফ) চাকমা সদস্যরা এবং একটি মিজো ব্রিগেড। নভেম্বরে লড়াইয়ে নামে এসএফএফ। শুরু হয় দূর্গম পার্বত্য চট্টগ্রাম মুক্তির লড়াই। অন্য নাম 'অপারেশন ঈগল'।
প্রসঙ্গ মিজো ব্রিগেড :
২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করার অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ব্রিগেডিয়ার (অবঃ) জহিরুল আলম খান। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে কুমিল্লায় অবস্থানরত টু এসএসজি কমান্ডো ইউনিটের নেতৃত্ব ছিলো তার হাতেই। এপ্রিলের শুরুতে কাপ্তাই ড্যামের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব নিয়ে রাঙামাটি যান তিনি। রাঙামাটি পৌছেই চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়ের আনুগত্য আদায় করেন জহির। একইসময় সীমান্তের ওপারের মিজোরাম থেকে লালডেঙ্গার অনুগত বিদ্রোহী মিজোরা যোগাযোগ করে তার সঙ্গে। ৩ হাজার সাধারণ মিজোর জন্য প্রতিদিন একটন এবং যোদ্ধাদের জন্য মাথা পিছু এক পাউন্ড চালের বিনিময়ে তাদের সঙ্গে সহায়তার চুক্তিতে আসেন জহির। ৬০০ সশস্ত্র যোদ্ধার তিনটি ব্যাটেলিয়ন যোগ দেয় পাকিস্তান বাহিনীর সঙ্গে। মহালছড়ি, মানিকছড়ি ও ফটিকছড়ি এলাকায় মুক্তিবাহিনীর তৎপরতা দমন এবং সীমান্তরক্ষার জন্য এসএসজি কমান্ডোদের সঙ্গে এসব মিজো ব্যাটেলিয়ানকে কাজে লাগান জহির।
শুরুতেই তাদের তোপে পড়তে হয়েছিল জিয়াউর রহমানের বাহিনীকে। ১১ এপ্রিল কালুরঘাটের নিয়ন্ত্রণ হারান তিনি। ২৭ এপ্রিল মহালছড়িতে আবার বাঙালী সেনাদের উপর হামলা করে পাকবাহিনী। আর তাদের সঙ্গী হয় দুটো মিজো ব্রিগেড। আক্রমনের ধরণটা ছিলো অমানবিক। এই অর্থে যে চীনা স্টাইলে মিজোদের মানব ঢেউ বানিয়ে একের পর এক আক্রমণে যেতে বাধ্য করা হয়। প্রতিবারই সেগুলো ব্যর্থ হয়। মুক্তিফৌজের গুলির সামনে টপাটপ ঝরতে থাকা মিজোদের পিছু হটার উপায় ছিলো না। কারণ পেছনে মেশিনগান তাক করে রাখা স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলো পেছন ফিরলেই গুলি করা হবে বলে। রামগড়েও ঘটে একই ঘটনা। গোলাবারুদ ফুরিয়ে যাওয়া একসময় মুক্তিফৌজ সীমান্তের ওপারে চলে যেতে বাধ্য হয়।
‘অপারেশন ঈগল’ :
এখানে একটি কথা জানিয়ে রাখা ভালো যে উচ্চতর প্রশিক্ষণ থাকলেও এসএফএফ সদস্যদের পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। উবান ব্যাপারটা জানতেন। জুনের শুরুতেই মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিংয়ে কাজে লাগানো হয় এসএফএফকে। এবং ট্রেনিং পাওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে তাদেরও বাংলাদেশে পাঠানো হয় ব্রিজ ওড়ানোসহ বড় অপারেশনগুলোয় সহযোগিতা করতে। প্রাসঙ্গিক কারণেই বলে রাখি যে এসএফএফের তৎপরতা সম্পর্কে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারতো বটেই, ভারতীয় বাহিনীর উচুমহলেও কোনো ধরণের জানাজানি ছিলো না।
তখন পর্যন্ত চীন-ভারত সীমান্তে টহলদারীতে এবং গোটা কয়েক গোপন মিশনের দায়িত্বে ছিল স্বাধীন তিব্বতের স্বপ্ন দেখা এই বিদ্রোহীরা। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ করে ‘অপারেশন ঈগল’-এ তাদের সম্পৃক্ত করার জন্য রীতিমতো আবেদন করে একটি চিঠি লিখেছিলেন তখনকার ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। তাতে বলা হয় : “We cannot compel you to fight a war for us,” Gandhi wrote, “but the fact is that General A A K Niazi [the Pakistan Army commander in East Pakistan] is treating the people of East Pakistan very badly. India has to do something about it. In a way, it is similar to the way the Chinese are treating the Tibetans in Tibet, we are facing a similar situation. It would be appreciated if you could help us fight the war for liberating the people of Bangladesh. (আমাদের হয়ে যুদ্ধ করার জন্য আমরা আপনাদের বাধ্য করতে পারি না। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের জনগনের ওপর জেনারেল নিয়াজী ভীষণ অত্যাচার চালাচ্ছেন। ভারতের জন্য এ ব্যাপারে কিছু করা জরুরী হয়ে পড়েছে। একদিক থেকে তিব্বতে তিব্বতীদের ওপর চীনাদের জুলুমের সঙ্গে ঘটনাটার মিল আছে, আমরা একই পরিস্থিতির মুখোমুখি। আমরা খুশী হবো বাংলাদেশের জনগণকে স্বাধীন করার এই লড়াইয়ে আপনাদের যদি পাশে পাই)।
বার্তাটার কূটনৈতিক গুরুত্ব ছিলো, কারণ পাকিস্তানের সঙ্গে তিব্বতের কোনো শত্রুতা ছিলো না। বরং বছর কয়েক আগেও সিআইএর সহায়তায় ঢাকার কুর্মিটোলা বিমানবন্দর ব্যবহার করেছে মুক্তিকামী তিব্বতীরা। তবে নিক্সন সরকার ক্ষমতায় আসার পর সিআইএ অর্থ সাহায্য বন্ধ করে দেওয়ায় তারা ভারতের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ইন্দিরা গান্ধীর ডাকে সাড়া দেওয়াকে বরং কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি উপায় মানে তারা।
যদিও প্রাথমিকভাবে এসএফএফকে ব্যবহার করে চট্টগ্রাম মুক্ত করার একটা তৎপরতা চালানোর পরিকল্পনা উবানের মাথায় এসেছিলো। কিন্তু সেটা কার্যকর করার মতো যথেষ্ট আর্টিলারি ও এয়ার সাপোর্ট দেয়ার ক্ষমতা তখন ছিলো না ভারতের। ৩রা ডিসেম্বর পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতকে আক্রমণ করার পর সেই ক্ষমতার প্রয়োগ ঘটায় তারা। তবে ততদিনে চট্টগ্রামের পাহাড়গুলোতে তিন সপ্তাহের ওপর হয়ে গেছে তিব্বতীদের। অক্টোবরের শেষদিকে মিজোরাম সীমান্তের ডিমাগিরিতে জড়ো করা হয় তিন হাজার এসএফএফ কমান্ডোকে। ১৯টি নৌকায় করে শুরু হয় বৈরী দেশে অনুপ্রবেশের এই অভিযান। দীপন (তিব্বতী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল) গিয়াতসু ধন্দুপের নেতৃত্বে ৬টি ব্যাটেলিয়ান তিনটি কলামে প্রবেশ করে পার্বত্য চট্টগ্রামে।
ভারতীয় সম্পৃক্ততার চিহ্ন ঢাকতে তারা ব্যবহার করে বুলগেরিয়ান একে ফর্টিসেভেন এসল্ট রাইফেল। আর ছুরি। সাফল্যের ধারা ধরে রাখতে পরে অবশ্য চারটি এমআই ফোর হেলিকপ্টার বরাদ্দ পায় তারা। দুর্গম জঙ্গল আর পাহাড়ে একের পর এক পাকিস্তানী চৌকি দখলে আনে তিব্বতীরা বুনো হুঙ্কারে। ক্লাসিক গেরিলা পদ্ধতিতে শত্রুর চোখে ধুলো দিয়ে তার পেছনে গিয়ে আক্রমণ করতো এসএফএফ। তবে শুরুটা তাদের শোকাহত ছিল। কমান্ডার দীপন ধন্দুপ যুদ্ধের শুরুতেই নিহত হন শত্রুর গুলিতে।
![]()
কাপ্তাই বাঁধ ধ্বংস, পার্বত্য চট্টগ্রামকে মিজোদের তৎপরতা থেকে মুক্ত এবং চট্টগ্রামের দিকে অগ্রসর হয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য অনুকুল পরিবেশ তৈরির সেই মিশন সফলভাবেই সারে এসএফএফ। ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানীরা যখন আত্মসমর্পণ করছে তখন চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিলো তিব্বতী এই পাহাড়ি যোদ্ধারা। এর আগে দোহাজারী ব্রিজ ধ্বংস ও দখল করে বার্মায় পাকিস্তানীদের পালানোর পথ বন্ধ করে দেয় তারা। শত্রুমুক্ত চট্টগ্রামে প্রটোকল ভেঙ্গেই কুচকাওয়াজ করে এসএফএফ। এরপর তাদের প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এর আগে ১৮ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রামে তারা বন্দী করে ১ হাজার মিজো সেনা।
![]()
ভারতীয় সেনা আর্কাইভে তো বটেই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসেও চেপে যাওয়া হয়েছে তিব্বতীদের এই বীরত্বপূর্ণ ঘটনা। কারণ, বলা হয়েছে আগেই- প্রটোকল। এমনকি উবান তার ‘ফ্যান্টমস অব চিটাগং’ বইয়েও তেমন করে উল্লেখ করেননি। অথচ এই অনুরোধের লড়াইয়ে জীবন দিয়েছেন ৫৬ জন তিব্বতী (এক সাক্ষাতকারে উবান বলেছেন ৪৯ জনের কথা), আহত হয়েছেন ১৯০ জন। গোপন সামরিক অপারেশনের দোহাই দিয়ে পদকবঞ্চিতও করা হয়েছে তাদের। পুরষ্কার বলতে কিছু নগদ টাকা দিয়ে কাজ সেরেছে ভারত সরকার। আর বাংলাদেশও প্রবল পরাক্রম চীনের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক লড়াইয়ের নিগঢ়ে আটকেছে এই ইস্যুতে। ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকায় এসএফএফ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক গোপন সাক্ষাতে বাঙালীর হয়ে কৃতজ্ঞতার দায়িত্ব সারেন।
শেষকথা :
আমাদের স্বাধীনতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা এই তিব্বতীরা এখন গোর্খাদের মতো ভাড়াটে যোদ্ধাই হয়ে আছে। অপারেশন ব্লু স্টার (অমৃতসরে স্বর্ণ মন্দির অভিযান), কারগিলে সফলভাবে যুদ্ধ করে তারা উদ্বাস্তু হওয়ার ঋণ শুধিয়ে যায় রক্তের বিনিময়ে। আর স্বপ্ন দেখে যায়- একদিন নিজেদের স্বাধীন দেশে ফেরার। স্বাধীন তিব্বতে।
তথ্যসূত্র ও ছবি কৃতজ্ঞতা :
The CIAs secret war in Tibet
উদ্বাস্তু তিব্বতীদের ফোরাম
ব্রিগেডিয়ার (অবঃ) জহিরুল আলম খানের সাক্ষাতকার
জন্মযুদ্ধ '৭১ পান্ডুলিপি থেকে
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
প্রচ্ছদ বলেছেন:
প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
আমুতেই পড়ছিলাম। রাগিব ভাইয়ের পোস্টটা কি দেখছেন?
লেখক বলেছেন: হ্যা দেখছি। জালাল ভাই কালকে দেশে আসতেছে, এরপর এটা নিয়া বসবো
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
স্যালুট, অনেক অজানা ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানলাম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
যেখান থেকে এসএসএফ এর জন্ম তখন থেকে আজ পর্যন্ত কোন কৃতিত্বের সন্মাননা কি তাদের দেয়া হয়েছে ?
লেখক বলেছেন: না, কারণ ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে এদের অস্তিত্ব স্বীকার করে না। তারা ভারতীয় সেনাবাহিনীর অধীনে নয়, র'য়ের তত্বাবধানে পরিচালিত।
লেখক বলেছেন: স্যালুট এবং অসীম কৃতজ্ঞতা
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
তিব্বতীদের শ্রদ্ধা।এখন তিব্বতের সাথে আমাদের কী সম্পর্ক ???
মিজোদের ব্যাপারে আরও জানতে চাই বস। এরা কারা ??
প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: পার্বত্য চট্টগ্রামের ওপাশে ভারতের সেভেন সিস্টার্সের অন্যতম একটি অঙ্গরাজ্য মিজোরাম। পু লালডেঙার নেতৃত্বে মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্টের গেরিলা বাহিনী ষাটের দশকের শুরুতে মিজোরামে স্বাধীনতার লড়াইয়ে নামে। চীন ও পাকিস্তানের গোয়েন্দাবাহিনীর সশস্ত্র প্রশিক্ষণ ও আনুকুল্য পাওয়া এই মিজো বিদ্রোহীরা মূলত উলফা ও নাগাদের মতোই অস্থিরতা সৃষ্টির জন্যই তৈরি। লালডেঙা একসময় পাকিস্তানে আশ্রয় নিলেও পরে মাসুদ রানা স্টাইলে সেখান থেকে পালিয়েছিল। গল্পটা বলবো একদিন
লেখক বলেছেন: তিব্বত তো এখন চীনের দখলে, আমাদের লগে কি সম্পর্ক কইতারি না
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য থ্যাংকস
ধূসর মানচিত্র বলেছেন:
তিব্বতীদের স্যালুট। আপনার লেখা পড়ে বরাবরের মত অনেক তথ্য পেলাম আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও
নীহাড়িকা বলেছেন:
Shesh katha pore kharap laglo tibbetan der jonno...Amon ekta bishoy tule anar jonno Plus apnake
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
ধন্যবাদ আপনাকে, কিন্তু শেষ কথাটা কল্পনা না, ভীষণরকম বাস্তব
সুমিন শাওন বলেছেন:
দারুন পোষ্ট, আপনি তো দেখছি অনেক ভালো ভালো লিখেন, এটি সেইভ করে রাখলাম, আগে এসব জানতাম না,লেখক বলেছেন: তাই নাকি! রাখেন সেইভ করে
জইন বলেছেন:
ব্লগ গুরু পিয়াল ভাইয়ের প্রতি আবারও কৃতজ্ঞতা।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
ধন্যবাদ
শিমন বলেছেন:
পোস্ট টি অতি গুরুত্বপূর্ণ, আপনাকে ধন্যবাদ। মুক্তিযুদ্ধের অনেক অজানা ইতিহাস আমাদের জানা বাকি আছে।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
পড়ার জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য
লেখক বলেছেন: ঈদ মোবারক
অসুস্থ ছিলাম এখন ভালো।
এই মহান বীরদের জন্য আমাদের শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আবারও
হুমায়রা হারুন বলেছেন:
খুব ভাল লাগলো পড়ে।
লেখক বলেছেন: বহুদিন পর আপনাকে পাঠক হিসেবে পেয়ে ভালো লাগল
জিসান শা ইকরাম বলেছেন:
প্রিয়তে
তৌফিক জোয়ার্দার বলেছেন:
তিব্বতের সাথে বাঙ্গালিদের সম্পর্কের ইতিহাস অনেক প্রাচীন। বাঙ্গালি পন্ডিত অতীশ দিপঙ্করের হাত ধরেই তিব্বতিরা বৌদ্ধ ধর্ম দীক্ষা নেয়। তিব্বতে সভ্যতার ছোঁয়া লাগে বাঙ্গালিদের মাধ্যমেই। হাজার বছর পরে বাঙ্গালির পুণরায় স্বাধীকার অর্জনের পথে তিব্বতিদের অবদান সেই প্রাচীণ আদান প্রদানকেই স্মরণ করিয়ে দেয়।
পিদিম বলেছেন:
স্যালুট তিব্বতিদের।অনেক অনেক অনেক অনেক অনেক অনেক ভাল পোস্ট।আপনার এ পোস্ট কি pdf করে দিবেন।খুশি হবো।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















