আমার প্রিয় পোস্ট

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

মেজর নাজমুল হক : অকৃতজ্ঞ জাতির এক অচ্ছ্যুৎ সেক্টর কমান্ডার

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:২০

শেয়ারঃ
0 28 0

ওভাবে মরাটা উচিত হয়নি মেজর নাজমুল হকের। নির্ঘুম কয়েক রাত শেষে বৃষ্টি ভেজা পাহাড়ি রাস্তায় জিপ চালাচ্ছিলেন। চশমার কাচটা বুঝি ঝাপসা হয়ে এসেছিলো। গাড়ি উল্টে খাদে পড়ে মৃত্যুবরণ করেছিলেন তিনি। কিন্তু ওভাবে নয়, তার চেয়ে বরং কোনো পাকিস্তানী ব্যাটেলিয়ানের দিকে দু হাতে মেশিনগানের গুলি ছুড়তে ছুড়তে মরলে সেটা একটা কাজের কাজ হতো। বীরশ্রেষ্ঠ না হোক, একটা বীর প্রতীক কিংবা বীর বিক্রম জুটেই যেত। যুদ্ধে বীরত্ব বলতে ramboর চেয়ে কম কিছু আমাদের আসে না। অভাগা নাজমুল হক, মরলেন কিনা যুদ্ধের দ্বিতীয় শ্রেনীর মরণ! তাও ভালো যে শরণার্থী শিবিরের বৃদ্ধ এবং শিশুদের মতো কলেরা কিংবা ডায়েরিয়ায় মরেননি। সেটা হতো তৃতীয় শ্রেনীর মরণ। এসব মৃত্যুর কোনো স্বীকৃতি নেই। তাই স্বীকৃতি জোটেনি নাজমুল হকেরও। মেজর নাজমুল হক (কোন পদবী নেই মরহুম ছাড়া), সে সময় অন ডিউটি ছিলেন। মেজর নাজমুল হক মুক্তিযুদ্ধের ৭ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। সোনাদীঘি মসজিদে তারই সেকেন্ড ইন কমান্ড বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের পাশেই শুয়ে আছেন তিনি। তার বদলী অবসর ভেঙ্গে যুদ্ধে যোগ দেওয়া লে. কর্ণেল কাজী নুরুজ্জামানও একজন বীর উত্তম। প্রত্যেক সেক্টর কমান্ডারই তাই। মেজর নাজমুল হক কোনো গ্যালান্টারি এওয়ার্ড পাননি, তার নামের ব্র্যাকেটে মরহুম লিখতে হয়- এটাই তার খেতাব।



আর বীরত্বের খেতাব! তিনি একজন সেক্টর কমান্ডার ছিলেন- এটাই প্রতিষ্ঠা করতে তার পরিবারের লেগেছে ৩০টি বছর। ছোট্ট দুটো দুধের শিশুকে নিয়ে তার স্ত্রী কিভাবে দিনপাত করেছেন খোজ নেননি কোনো সরকার। কেনো? কোন ব্যাপারটা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অচ্ছ্যুৎ রেখেছে নাজমুল হককে? গাড়ী দূর্ঘটনায় মৃত্যু? বিভ্রান্তির এখানেই শেষ নয়। আপনি ভালো ভালো অনেক ওয়েবসাইটে দেখবেন ৭ নম্বর সেক্টরের খতিয়ান। নাজমুল হকের দায়িত্ব সীমা লেখা আছে ১৪ আগস্ট ১৯৭১ পর্যন্ত! তার মানে দাঁড়ায় কি? হি লস্ট হিজ কমান্ড! যেই এএসএম সামসুল আরেফীনের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্যক্তির অবস্থান বইটিকে নথিপত্রের বিচারে সবচেয়ে অথেনটিক হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়, সেখানেও নাজমুল হকের নামের শেষে শহীদ আগস্ট ‘৭১ লেখা। অথচ উনি মৃত্যুবরণ করেছেন ২৭ সেপ্টেম্বর। মুনতাসীর মামুন সম্পাদিত মুক্তিযুদ্ধ কোষে আরো করুণ দশা। ক্যাপ্টেন আনোয়ার আর সুবেদার রব নাকি সেখানে সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেছেন, পরে মুজিব নগর সরকার তাকে দায়িত্ব দেয়, আর মুজিব নগর থেকে ফেরার পথে তিনি গাড়ী দূর্ঘটনায় মারা যান! একজন সেক্টর কমান্ডার! যুদ্ধের শুরুর উদ্যোক্তাদের একজন, লড়িয়েদের একজন!! হি ইজ নট জাস্ট এনিবডি গড ড্যামইট!!!



‘৬২তে কমিশন পাওয়া নাজমুল হক, আইএসআইতে ছিলেন। পাকিস্তান আর্মি ইন্টেলিজেন্সে। হো.মো এরশাদের প্রভুভক্তি তার থাকলে ডেপুটেশনে তাকে নওগা পাঠানো হতো না, তাও ইপিআরের উইং কমান্ডার করে। ১৮ থেকে ২৩ মার্চ তাকে ঘুরিয়েছেন মেজর আকরাম কমান্ড হস্তান্তরে গরিমসি করে। দায়িত্ব হাতে পেয়েই বিন্যস্ত করেছেন তার অধীনস্ত কোম্পানিগুলোকে। ২৫ মার্চ রাতের গণহত্যার পর সেনাবাহিনীর বিদ্রোহের খবর তার কানে আসেনি। তিনি বিদ্রোহ করেছেন তার ইপিআর নিয়ে। পিলখানার নারকীয় হত্যার খবর ততক্ষণে পৌছে গেছে তার কাছে। ১২ জুলাই ১৯৭১ আনুষ্ঠানিকভাবে ৭ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব সঁপা হয় নাজমুল হককে। তরঙ্গপুরকে সদরদপ্তর বানিয়ে তার ওপর ভার পড়ে রাজশাহী-পাবনা-বগুড়া ও দিনাজপুরের দক্ষিনাঞ্চল শত্রুমুক্ত করার। এর আগে সেক্টর কমান্ডারদের অধিবেশনে নাজমুল নজর কাড়েন দুটো বিশেষ সিদ্ধান্তের উপর জোর দিয়ে : মুক্তিযোদ্ধাদের পর্যাপ্ত চিকিৎসা এবং সেনা-ইপিআর-পুলিশ নির্বিশেষে অস্ত্রের একত্রিকরণ।



একজন সেক্টর কমান্ডার হিসেবে নয়, যোদ্ধা হিসেবে নাজমুল হক কোনো খেতাব পেতে পারেন কি? রাজশাহী পুলিশ লাইন যেখানে রাজাকারদের ট্রেনিং হতো- স্বয়ং আক্রমণ করেছেন নাজমুল তার বাহিনী নিয়ে। ২৯ মে হারিতকাডাঙায় এক যুদ্ধে নিজে আক্রমনে লিড দিয়েছেন, ১১ জন মুক্তিযোদ্ধার বিনিময়ে প্রাণ নিয়েছেন ১৮ জন পাকিস্তানীর। দখল করেছেন দুটো ভারী ও চারটি মাঝারি মেশিনগানসহ প্রচুর অস্ত্র। ১৮ জুন দিনাজপুরের কাঞ্চন ব্রিজে মাত্র এক কোম্পানি সৈন্য নিয়ে এই একইরকম বীরত্ব দেখিয়েছেন নাজমুল। এসব আমার মুখের কথা না, সামরিক বাহিনীর নথিতেই লিপিবদ্ধ আছে। রেকর্ড আছে। আমরা মেজর নাজমুল হককে, সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেওয়া বিরল সেই সেক্টর কমান্ডারদের একজনকে মরহুমের বেশী কোনো সামরিক খেতাব দিই না।

যে রাতে তার মৃত্যু হয় সেদিন ফিরে ১হাজার ৮০০ জনের গেরিলা দলকে ব্রিফিং দেওয়ার কথা ছিলো তার। একজন মুক্তিযোদ্ধা সেই স্মৃতি জাগিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা যাদুঘরে আয়োজিত স্মরণসভায়। না সেখানে কোনো সেক্টর কমান্ডার পায়ের ধুলি রাখেন নি, এসেছিলেন সাধারণ মুক্তিযোদ্ধারাই। স্ত্রী কন্যাদের দূরে ফেলে এই সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গেই যে খেতেন ঘুমাতেন তাদের প্রিয় নাজমুল স্যার। মালদহ গিয়েছিলেন ভারতীয় সেনা সদরের জরুরী তলবে। সেখানে তার ম্যাপ রিডিংয়ে মুগ্ধ (নাজমুল আর্টিলারীর অফিসার ছিলেন) ভারতীয় জেনারেল মোহনলাল বলেছিলেন- নাজমুল গো এহেড, আ’ম উইথ ইউ। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ আর হয়নি নাজমুলের।

যে দেশের মুক্তির জন্য নাওয়া খাওয়া ছেড়ে, স্বজন-সন্তান ছেড়ে অস্ত্র হাতে নিয়েছিলেন, নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তারই মতো একদল লড়াকু মুক্তিপাগলের, সেই দেশে, সেই স্বাধীন বাংলাদেশে আজ বড়ই ব্রাত্য নাজমুল। মেজর নাজমুল হক। গুলশান-২ এর একটি সড়ক নামকরণের মধ্যে দিয়ে যার সেক্টর কমান্ডার পরিচয়ের জানান পাই আমরা। মেজর নাজমুল হক। মুক্তিযুদ্ধে দ্বিতীয় শ্রেনীর মৃত্যুবরণকারীদের একজন। মেজর নাজমুল হক। খেতাবহীন, সম্মাননাহীন একজন সেক্টর কমান্ডার।
বাট, আই স্যালুট ইউ স্যার।

আরো পড়তে পারেন : ১০ মে, ১৯৭১ নিউজউইকে প্রকাশিত নাজমুল হকের সাক্ষাতকার


(২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭১, এই বীর সেক্টর কমান্ডারের মৃত্যু দিবস। তাকে শ্রদ্ধা জানাই)



শেষ কথা : আমার কাছে তার কোনো ছবি নেই। তাই মুক্তিযুদ্ধে ইপিআর বাহিনীর দুটো যুদ্ধছবি তুলে দিলাম। ভিডিওফুটেজটিতে সম্ভবত নাজমুল হক কথা বলেছেন, আমি নিশ্চিত নই।

ছবি কৃতজ্ঞতা : অণৃণ্য

 

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩০
বেছু মেম্বার বলেছেন:

আই স্যালুট ইউ স্যার।



আপনাকে ও স্যালুট অজানা তথ্য জানানোর জন্য।


প্রিয়তে....
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩১
অচেনা সৈকত বলেছেন: স্যালুট টু শহীদ মেজর নাজমুল হক। এ দেশে সর্বদাই সত্যিকারের বীরদের অবমাননা করা হয়েছে, আর পতাকা উড়িয়ে দাপিয়ে বেড়িয়েছে ইতিহাসের খলনায়করা, কাজেই এটা নতুন কিছু না।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৪১

লেখক বলেছেন: এটাই সত্যি

৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৪
বেছু মেম্বার বলেছেন:

ওনার পরিবারের কি অবস্হা এখন? জানেন কিছু?
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৮

লেখক বলেছেন: ওনার দুমেয়ে, দুজনেরই বিয়ে হয়েছে সচ্ছল পরিবারেই। ছোটজনের স্বামী সম্ভবত মেজর। তারা শুধু বাবার স্বীকৃতিটার জন্যই লড়ছেন

৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৬
ফারহান দাউদ বলেছেন: আমরা অকৃতজ্ঞ জাতি, পদে পদেই এই নজির রেখে যাই।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৪২

লেখক বলেছেন: সেটাই

৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৭
মারূফ মনিরুজ্জামান বলেছেন: তাঁকে খেতাব দেয়া হোক বা না হোক তাঁর কিছু এসে যায় না- কিন্তু যোগ্য সম্মান না দিয়ে আমারা নিজেদের ছোট করি-

ধন্যবাদ
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: তারপরও তূলনামূলক বিচারে তিনি অবশ্যই বঞ্চিত

৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৮
সাদাকালোরঙিন বলেছেন: খ্যাতির জন্য, স্বীকৃতির জন্য মেজর নাজমুল হকের মত লোকেরা যুদ্ধ করে না । করে মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য । আমারাই অভাগা, তাদের প্রাপ্য সম্মান টুকুও আমরা দিতে পারিনি।

আই স্যালুট ইউ স্যার।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৪৪

লেখক বলেছেন: একদম মনের কথা, ধন্যবাদ আপনাকে

৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৪৯
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন: আসলেই। যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে যে তোষামুদির রাজনীতি হয়েছে তা আমাদের এই বীরদের অবমাননাই শুধু করেনি অপমান করেছে। এক মুজিবুর রহমানের কথা পড়েছিলাম। "সেক্টর কমান্ডাররা বলেছেন মুক্তিযুদ্ধের কথা" নামক বইটাতে। উনার সেক্টর কমান্ডার উনার জন্য বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবের প্রস্তাব করেছিলেন। সিভিল আর্মি জটিলতায় উনি বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পাননি। কিন্তু দুঃখজনক হল উনাকে কোন খেতাবই দেওয়া হয়নি। যখন বইটা পড়ি আমি তখন ক্লাস নাইনে। আমি উনার বীরত্ত্বের কথা পড়ছিলাম আর গায়ের লোম দাঁড়িয়ে যাচ্ছিল। আমার কিশোর বুক গর্বে ফুলে উঠছিল। একসময় চোখে পানি এসে যায়। উনারা স্বীকৃতি না দিলেও মেজর নাজমুল হকদের জন্য আমাদের ভালবাসার চোখের পানি চিরদিন থাকবে।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৫

লেখক বলেছেন: ভাইরে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের বঞ্চনার কথা আর তুইলেনই না, কান্দন আসে। মুক্তিফৌজের ভাতা ছিল কতো জানেন? কমান্ডার ৫০০ রুপি আর সর্বনিম্ন সৈনিক ৭০ রূপী। আর এফএফ-এর জন্য বরাদ্দ অপারেশন ব্যাসিস দিনে ২ টাকা। মরলে তো টাকাটা বাচলোই।

৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:১১
নুশেরা বলেছেন: মেজর নাজমুল হকসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাকে স্যালুট। সত্যিই আমরা বড় অকৃতজ্ঞ।

অসামান্য একটা পোস্টের জন্য পিয়াল ভাইকে ধন্যবাদ।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও

৯. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:১৭
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: স্যালুট ওনাকে, ওনার বীরত্বকে। আমরা আসলেই অকৃতজ্ঞ জাতি। অজানা ইতিহাস তুলে ধরার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১০. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:২২
হোদল রাজা বলেছেন: বীররা এমনই! পদকের জন্য না।মানুষের জন্য

অনেক ধন্যবাদ আপনাকে!!
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০০

লেখক বলেছেন: অথচ মানুষেরা পদকজয়ীদেরই মনে রাখে

১১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:২৫
নাজমুল হক রাসেল বলেছেন: উনার সমন্ধে অনেক খুজেছিম বস্তুত কিছুই পাইনি। খুব সত্য বললে উনি যে যুদ্ধকালিন সময়ে শহীদ হয়েছিলেন তাই জানতাম না। শুধু বিভিন্ন জায়গায় পড়িম সেক্টর ৭- কমান্ডার মেজর নাজমুল হক। অসংখ্য ধন্যবাদ। ছবির আসা না করাই ভাল। কর্নেল হায়দারের ছবির জন্য গলদঘর্ম হতে হয় আর উনি তো আরও ৪ বসর আগেই শহীদ।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০২

লেখক বলেছেন: তিনটা রেফারেন্স বই খুললে মাথা খারাপ হয়ে যাবে। মনে হবে ইতিহাস নিয়া আমাদের এই দীনতা কেন! ক্যাপ্টেন হায়দারের কথা ঠিকই বলছেন, আমার কাছে একটা ছবি আছে ফ্রন্ট শট- ওই আত্মসমর্পন প‌্যারেডেরই

১২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৪৯
ফেরারী পাখি বলেছেন: আই স্যালুট ইউ স্যার। মুক্তিযুদ্ধের সকল বীরদেরও স্যালুট। জাতি হিসেবে সত্যি আমরা বড় অকৃতজ্ঞ।

আপনাকেও স্যালুট এই কঠিন কাজ গুলোকে এত সহজ ভাবে করার জন্য। এইসব অজানা তথ্যগুলো যখন গল্পের মত বলেন, তখন পড়তে অনেক আরাম হয়।

কিন্তু এর পেছনের শ্রমটুকুর কথা ভাবলে আপনাকে শ্রদ্ধা না করে পারা যায় না।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৩

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য কৃত্জ্ঞতা, ধন্যবাদ

১৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১১
নতুন রাজা বলেছেন: আমাদের করার ক্ষমতা খুবই কম... শুধু রয়েছে বুকের গভীর থেকে উঠে আসা শ্রদ্ধা। সেই শ্রদ্ধাটুকুকে ভর করেই বীর এই মুক্তিযোদ্ধার জন্য লাল সালাম...
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১২
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: আই স্যালুট ইউ স্যার।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৫

লেখক বলেছেন: ইকো

১৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:০৩
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: সব টুকু শ্রদ্বা এই বীরের জন্য|

নিজের জীবনের মায়া ভুলে, স্ত্রী-কন্যা, মা-বাবা'র কথা ভুলে যারা দেশের জন্য যুদ্ব করেছে, নত মস্তকে সালাম হাজার বার|

তাকে যথাযথ সন্মান ও তার পরিবারকে সাহায্য করলে সরকারকে ধন্যবাদ জানাতাম|

আপনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে ছোট করবো না|


(+++++++)
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:১৪
নাজনীন১ বলেছেন: কত কাহিনী, কত ঘটনা আড়ালে রয়ে যায়!!!

বাংলাদেশে একেকটি পরিবারের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যদি লেখা যেত, সেটা এক একটি সাতকাহন হতো। যারা সেনাবাহিনীতে ছিলেন, তাঁরা স্বীকৃতি না পেলেও তাঁদের কাহিনী কোথাও না কোথাও লিপিবদ্ধ আছে।

কিন্তু অনেক সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা আছে, অনেক বীরাঙ্গনা আছে, যাদের কথা কোথাও লিপিবদ্ধও নাই, শুধু কাছের মানুষদের স্মৃতিতে বেঁচে আছেন তাঁরা।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৭

লেখক বলেছেন: সেই স্মৃতিও একসময় ঝাপসা হয়, ঝাপসা হতে হতে মুছে যায় ইতিহাস থেকে

১৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:২০
সপ্ন বলেছেন: আমরা আসলেই অকৃতজ্ঞ জাতি।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৮

লেখক বলেছেন: নতুন প্রজন্মে আইসা খাসলতটা বদলানো উচিত

১৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৬
নাঈম বলেছেন: আই স্যালু্ট ইউ, স্যার। ইউ আর এ ট্রু প্যাট্রিয়ট অফ দা কান্ট্রি।


কি বলব পিয়াল ভাই, খুব কষ্ট হয় এসব দেখলে। পরিবার পরিজনের তোয়াক্কা না করে মেজর নাজমুল শুধুমাত্র দেশের খাতিরে লড়ে গেলেন আমৃত্যু, কোন সন্মানের প্রত্যাশায় নয়। অথচ আমরা তাঁকে কি দিলাম? আদতে কিছুই দেই নি, তাঁর অসামান্য বীরত্বের সামান্য মৌখিক স্বীকৃতিটুকু পর্যন্তও না। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি চরম অবহেলার কারণেই কি বাংলাদেশের আজ এই করুণ পরিণতি নয়?


অনেক অনেক ধন্যবাদ পিয়াল ভাই এই পোষ্টের জন্য।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১০

লেখক বলেছেন: একবার খালি ভাবেন একজন সেক্টর কমান্ডার অন ডিউটিতে মারা গেছেন, না হয় গাড়ি উল্টাইয়াই। কিন্তু তারপর থিকা তারে অস্বীকার করা, তার অস্তিত্বরেই অস্বীকার করার যে প্রবণতা, এমনকি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসবেত্তাদেরও তাতে মাথা গরম হয় কিনা

১৯. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০০
ইসানুর বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ পিয়াল ভাই এই পোষ্টের জন্য।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১০

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ

২০. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৫
বৃত্তবন্দী বলেছেন: আসলেই আমরা অকৃতজ্ঞ জাতি...
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১২

লেখক বলেছেন: ম্যান আমি যখন পোস্টটা লিখি, আমার চোখ দিয়া টপটপ কইরা পানি পড়ছে। শহীদেরা অমর হন, তাদের আত্মার ঘোরাফিরা আমাদের আশেপাশেই। এই যে অল্প কজন মানুষ আমরা শ্রদ্ধা জানাইলাম, এইটাও কম কি কৃতজ্ঞতা।

২১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৫
নাঈম বলেছেন: আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসবেত্তারাই তো এক একটা হিপোক্রেট, দেশের সাথে, দেশের মানুষের সাথে, ইতিহাসের সাথে তারা সেই স্বাধীনতার পর থেকেই হিপোক্রেসী করে আসছে। তারা নিজেদের সুবিধামত মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লেখে, আর প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা, যারা দেশের স্বাধীনতার জন্য নিজের জীবনের প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করে যুদ্ধের ময়দানে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন, তাঁরা চিরজীবনই থেকে যান জনসমক্ষের আড়ালে।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৫

লেখক বলেছেন: ইদানিং কয়েকজনের সঙ্গে বাতচিত হওয়ার পর আপনার বক্তব্যের অনেক মিল পাইছি

২২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৯
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: স্যালুট সেক্টর কমান্ডার নাজমুল হক । পোষ্ট সরাসরি প্রিয়তে । ২৭ তারিখে আমি লিখতাম , আপনি লিখলেন তাই আমি আর লিখব না বস ।

"তার বদলী অবসর ভেঙ্গে যুদ্ধে যোগ দেওয়া মেজর কাজী নুরুজ্জামানও একজন বীর উত্তম।"

এনার পদবি ছিল লেঃ কর্নেল (অবঃ) । ইনি বিনাযুদ্ধে স্রেফ পদাধিকার বলে বীরউত্তম খেতাব পেয়েছেন ।

"মেজর নাজমুল হককে, সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেওয়া বিরল সেই সেক্টর কমান্ডারদের একজনকে মরহুমের বেশী কোনো সামরিক খেতাব দিই না।"



সিলেট সেক্টরে প্রথম প্রতিরোধকারী, সেক্টরের সংগঠক , ৬৭ সালে লেঃকঃ মোয়াজ্জেমের নেতৃত্বে স্বাধীনতার অন্যতম উদ্যোক্তা তথা আগরতলা মামলার ২৫ নং আসামী মেজর মোতালেব কোন পদক পাননি । পদক পাননি ৯ নং সেক্টরের কমান্ডার মেজর জলিলও। নিচের ছবিতে মৃত্যুর পুর্বে হাসপাতালের বেডে মেজর মোতালেবের পাশে মেজর জলিল । খেতাব বঞ্চিত মুক্তিযুদ্ধের দুই কিংবদন্তি । দুর্লভ এই ছবি তুলেছেন শ্রদ্ধেয় হাসান মোরশেদ ।



বস্তুত,খেতাব প্রদানে চরম অনিয়ম করা হয়েছিল । মূ্ল শর্তই (অপারেশনে বিরোত্মপূর্ণ ভূ্মিকা ) পালন করা হয়নি । অনেক অপারেশনে বিরোত্বপুর্ন ভুমিকা রেখেও যেমন অনেকেই (সামরিক /গণবাহিনীর ) পদক পাননি তেমনি আবার কোনো যুদ্ধ না করেই অনেকেই পদক পেয়েছেন যেমন, মেজর নুরকে ( ১৫ আগষ্ট’৭৫ এ বঙ্গবন্ধুকে ১৮টি গুলি করে হত্যা করেন ) বীরবিক্রম খেতাব দেয়া হয় যিনি পুরো যুদ্ধেই কোলকাতায় কাটিয়েছেন ওসমানির এডিসি হিসেবে ।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৪

লেখক বলেছেন: পদকের বাটোয়ারার অনিয়ম নিয়া অনেক আগে একটা পোস্ট দিছিলেন একজন ব্লগার, সরকারের প্রথম গ্যাজেট নোটিফিকেশন সহ যেখানে বীর শ্রেষ্ঠ ছিলেন মাত্র একজন। এইসবই নিয়ম কিংবা অনিয়ম যার দায় সিএনসি ওসমানী এড়াইতে পারবেন না। আর প্লিজ ২৭ সেপ্টেম্বর আপনি অবশ্যই লিখবেন। আমার লেখাটা অত্যন্ত আবেগের জায়গা থিকা লেখা। আপনি কেনো সেজন্য দায়িত্ব এড়াবেন

২৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৩
চাচামিঞা বলেছেন: স্যালুট টু শহীদ মেজর নাজমুল হক।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৬

লেখক বলেছেন: স্যালুট

২৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৩
লীনা দিলরূবা বলেছেন: মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার মেজর নাজমুল হক হয়তো কোন খেতাব পাননি কিন্তু দেশমাতৃকার জন্য তাঁর ত্যাগ যেন আমরা না ভুলি। তাহলে জাতি হিসেবে আমরা হেরে যাবো।

পিয়াল ভাই এভাবে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের নায়কদের অজানা কাহিনি সবার সামনে তুলে ধরার যে অসামান্য নিষ্ঠা আপনার মধ্যে দেখি তারে আমি স্যালুট জানাই..........আই স্যালুট ইউ স্যার।


২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৭

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা

২৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৪
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: স্যরি পিয়ালভাই ভুলে মাইনাসের উপর চাপ পরে গিয়েছে ,এরকম একটা পোস্টে একটা মাইনাস থাকবে এতে আমি খুবই দু:খিত। আপনার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।


আর সেক্টর কমান্ডারের জন্য শ্রদ্ধা। আপরা যেন তার উপযুক্ত সম্মান দিতে পারি।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৮

লেখক বলেছেন: আরে ধুর, আপনি তো বইলাই দিছেন। আমিও আমার অপছন্দের পাবলিকের অনেক ভালো ভালো পোস্টে গিয়া আগে মাইনাস দিই, তারপর পড়ি, তখন অনেক সময় আমারও খারাপ লাগে। ব্যাপারস না

২৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৩
লীনা দিলরূবা বলেছেন: পিয়াল ভাই বিভিন্ন বইপড়ে যতদূর বুঝেছি মুক্তিযুদ্ধের সময়ে এবং এর পরে ওসমানী অনেকসময় খল নায়কের ভূমিকায় দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কিছুক্ষেত্রে তার নীরব ভূমিকা, ম্যাগালোম্যানিয়াক দাম্ভিকতা প্রকট ছিল। ওসমানীর সমস্যা কী? এটা নিয়ে কোন বই এর রেফারেন্স দিতে পারেন? ব্লগে কিছু আছে?
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫১

লেখক বলেছেন: ওসমানীর নানারকম সমস্যা। ম্যাগালোম্যানিয়া আবার একইসঙ্গে নানা ধরণের কমপ্লেক্স। যেমন ধরেন উনি মেজর জলিলরে দেখতে পারতেন না কারণ জলিল গেরিলা ওয়ারফেয়ার এবং ইনডাকশনের উপর জোর দিতেন। তার এরেস্টের ব্যাপারেও তার হাত ছিল। সর্বোপরি ওসমানী যখন মুক্তিযুদ্ধে সামরিক নেতৃত্ব দেন তখনও তিনি কিন্তু একজন রাজনৈতিক নেতাই, আওয়ামী লীগ সাংসদ। মুজিব নগর সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে বিমান হামলার ভয়ে তার তটস্থ থাকা, এক পর্যায়ে মঞ্চের সিড়িতে হোচট খেয়ে পড়ে যাওয়া শুধু হাস্যরসের জন্ম দেয়নি, ছোটো করেছে আমাদের প্রধান সেনাপতির পদটাকে, একই ঘটনা ঘটেছে তেলিয়াপাড়া সম্মেলনেও যখন খালেদ মোশাররফ-জিয়ারা বলাবলি করেছেন- এই লোক আমাদের লিড দেবে কিভাবে! মেজর (পরে জেনারেল) আয়েনউদ্দিন একান্তে আমাকে আরো ব্যক্তিগত কিছু তথ্য দিয়েছেন সেসব শেয়ার না করাই ভালো। মনে রাখবেন যুদ্ধোত্তর ওসমানীও একজন রাজনীতিবিদই ছিলেন।

২৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪১
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: আপনেরে অপছন্দ করি এইটা ভাবলেন কোথা থাইকা:)


আমার কাজকর্ম না থাকলেই আপনার ব্লগ ঘাটি। ভার্সিটিতে ৭১ নিয়া কোন ঝগড়া লাগলে তথ্য সংগ্রহ করার সবচেয়ে সহজ উপায় আপনার ব্লগ/জন্মযুদ্ধ। আপনার অধ্যাবস্যায় আর আবেগ দুই ই আমাকে বারবার মুগ্ধ করেছে।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: আরে না আমারে পছন্দ অপছন্দ নিয়া বলি নাই, আমি বলছি মাইনাসের সিস্টেমটা, আমি কিভাবে দিই

২৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬
রোহান বলেছেন: পিয়াল ভাই অনেক ধন্যবাদ অজানা ইতিহাসগুলো তুলে ধরার জন্য।

পোষ্ট পড়ে চোখে পানি এসেছে.... জাতি হিসেবে আমরা কেনো যে এতো অকৃতজ্ঞ...
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনারেও। আমি লিখতে গিয়া কানছি, কেনো জানি না, জাস্ট কান্না আসছে, আমি চাইপা রাখি নাই

২৯. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫১
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: "এইসবই নিয়ম কিংবা অনিয়ম যার দায় সিএনসি ওসমানী এড়াইতে পারবেন না।"

একমত । ওসমানির স্ট্রং পছন্দ -অপছন্দ ছিল । মুক্তিযুদ্ধের সময় এবং পরে তার অনেক সিদ্ধান্তই তার ব্যক্তিগত পছন্দ -অপছন্দ দ্বারা পরিচালিত হয়েছে ।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: একমত আমিও

৩০. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২৮
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: "ওসমানীর নানারকম সমস্যা। ম্যাগালোম্যানিয়া আবার একইসঙ্গে নানা ধরণের কমপ্লেক্স। যেমন ধরেন উনি মেজর জলিলরে দেখতে পারতেন না কারণ জলিল গেরিলা ওয়ারফেয়ার এবং ইনডাকশনের উপর জোর দিতেন। তার এরেস্টের ব্যাপারেও তার হাত ছিল। সর্বোপরি ওসমানী যখন মুক্তিযুদ্ধে সামরিক নেতৃত্ব দেন তখনও তিনি কিন্তু একজন রাজনৈতিক নেতাই, আওয়ামী লীগ সাংসদ। মুজিব নগর সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে বিমান হামলার ভয়ে তার তটস্থ থাকা, এক পর্যায়ে মঞ্চের সিড়িতে হোচট খেয়ে পড়ে যাওয়া শুধু হাস্যরসের জন্ম দেয়নি, ছোটো করেছে আমাদের প্রধান সেনাপতির পদটাকে, একই ঘটনা ঘটেছে তেলিয়াপাড়া সম্মেলনেও যখন খালেদ মোশাররফ-জিয়ারা বলাবলি করেছেন- এই লোক আমাদের লিড দেবে কিভাবে! মেজর (পরে জেনারেল) আয়েনউদ্দিন একান্তে আমাকে আরো ব্যক্তিগত কিছু তথ্য দিয়েছেন সেসব শেয়ার না করাই ভালো। মনে রাখবেন যুদ্ধোত্তর ওসমানীও একজন রাজনীতিবিদই ছিলেন।"

একমত । আমিও অনেক তথ্য জানি, যা আপনার মতো শেয়ার না করা ভাল বিবেচনায় চেপে রেখেছি ।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: সেটাই। তাছাড়া এই পোস্ট ওসমানীকে নিয়ে না। তাছাড়া যত দোষই থাক তিনি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি, সেই সম্মানের জায়গাটায় কোনো ছাড় নাই, হতে পারে না। আর কাউকে ছোট করে কাউকে বড় করার এই রীতিটাও আমাদের উচিত না বজায় রাখা।

৩১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: "যত দোষই থাক তিনি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি, সেই সম্মানের জায়গাটায় কোনো ছাড় নাই, হতে পারে না। আর কাউকে ছোট করে কাউকে বড় করার এই রীতিটাও আমাদের উচিত না বজায় রাখা।"

একমত ।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০০

লেখক বলেছেন: :)

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: সেলাম

৩৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৪
পোড়া মরিচ বলেছেন: মৃত্যুর পর আমার অরবিচুয়ারিটা আপনে লেইখেন। সেই লেখা পইরা এমন ভাবে যেন মানুষ কান্দে, আমি যেমন কানলাম
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৬

লেখক বলেছেন: কি যে কন না

৩৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৫
এহসান জুয়েল বলেছেন: ধন্যবাদ , আরো জানতে চাই

মেজর জলিল-তাহের এর সম্পর্ক নিয়া কোর রেফারেন্স দিতে পারেন।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: যুদ্ধের ময়দানে দুইজনের দেখা সাক্ষাত নিয়া কোনো রেফারেন্স আমার নাই।

৩৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১০
পল্লী বাউল বলেছেন: উই স্যালুট ইউ স্যার (মেজর নাজমুল হক)।

থ্যান্কু পিয়াল ভাই।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনারেও থ্যাঙ্কস

৩৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯
বাকেরভাই বলেছেন: সালাম বীর সেনানীকে । জাতি কনো দিন তার কথা ভুলবে না ।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। পোস্টে সংযুক্ত করলাম

৩৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৬
নাঈম বলেছেন: পিয়াল ভাই, আমার শেষ পোষ্টটা একটু পড়বেন সময় করে।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৮

লেখক বলেছেন: পড়লাম, কমেন্টও দিছি

৩৯. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১১
সাগর ঢাকা বলেছেন: পিয়াল ভাই ...একটা অনুরোধ ...আপনি আপনার সব লেখা নিয়া বই বের করেন ....আপনার ব্লগ তো সবাই পরেনা ...এই লেখা গুলো যেনো ..সবাই পড়তে পারে..
আজ কের এই হতাশা , সময় যেনো আমরা , পরবর্তী প্রজন্মরা , এই বীরদের কথা ভেবে প্রেরণা পায় ....

আপনারে কি বলবো ... এই অধম এর সালুট রইলো... প্রিয় তে...আপনার অনুমতি ছাড়াই , ফেসবুক এ শেয়ার করলাম ...ভালো থাকবেন..
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫

লেখক বলেছেন: চেষ্টা তো আছেই দেখা যাক কি হয়। অনুমতির কিছু নাই, আমার মুক্তিযুদ্ধের যে কোনো পোস্ট ওপেন ফর অল

৪০. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২১
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: যে দেশের মুক্তির জন্য নাওয়া খাওয়া ছেড়ে, স্বজন-সন্তান ছেড়ে অস্ত্র হাতে নিয়েছিলেন, নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তারই মতো একদল লড়াকু মুক্তিপাগলের, সেই দেশে, সেই স্বাধীন বাংলাদেশে আজ বড়ই ব্রাত্য নাজমুল। মেজর নাজমুল হক। গুলশান-২ এর একটি সড়ক নামকরণের মধ্যে দিয়ে যার সেক্টর কমান্ডার পরিচয়ের জানান পাই আমরা। মেজর নাজমুল হক। মুক্তিযুদ্ধে দ্বিতীয় শ্রেনীর মৃত্যুবরণকারীদের একজন। মেজর নাজমুল হক। খেতাবহীন, সম্মাননাহীন একজন সেক্টর কমান্ডার।

বাট, আই স্যালুট ইউ স্যার।
বাট, আই স্যালুট ইউ স্যার।
বাট, আই স্যালুট ইউ স্যার।




কষ্ট করে কত অজনা বিষয় আমাদের সামনে তুলে ধরার জন্য পিয়াল ভাইকেও সালাম
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা

৪১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৬
বিপ্লব রহমান বলেছেন: বাংলা মায়ের এইসব শ্রেষ্ঠ সন্তানদের জন্য বুক ভরা ভালোবাসা, শ্রদ্ধা।...
--
পিয়াল ভাইকে অনেক ধন্যবাদ।
--
জয় বাংলা!!
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও, জয়বাংলা

৪২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৯
পারভেজ বলেছেন: ধন্যবাদ জানানোর জন্য।
এভাবে যে যতটুকু পারেন সবার সামনে বিষয়গুলো যেন তুলে ধরেন। তাহলে হয়তো একসময় সঠিক মূল্যায়নের প্রসঙ্গ উঠবে।
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৮

লেখক বলেছেন: আপনারেও ধন্যবাদ

৪৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬
হাসান বায়েজীদ বলেছেন: কিছু বলার ভাষা নেই। স্যালুট মেজর নাজমুলকে..
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৪৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৪
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: কোন পদক কাকে কাকে দেয়া হবে ব্যাপারটা আসলে কে ঠিক করছিল? কোনো ডকুমেন্টেশন আছে?
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: যতদূর জানি বীরত্বের পদকের জন্য মনোনয়ন আসে অধিনায়কদের তরফে। কোম্পানি কমান্ডার থেকে সেটা যায় সেক্টর কমান্ডার এবং ফোর্স কমান্ডার এবং শেষমেষ সেনাধিনায়ক পর্যন্ত। যেমন আমি আমার কোম্পানির একজনকে মনোনয়ন দিলাম, সেটা শেষতক যাবে ওসমানীর টেবিলে। অনেক আগে একজন ব্লগার (সম্ভবত ঘোর) আমাকে একটি ডকুমেন্ট পাঠিয়েছিলেন এপ্রিল ১৯৭২ সালের। যদিও তাতে কারো সাক্ষর বা কিছু ছিলো না কিন্তু চমকপ্রদ হচ্ছে এতে বীরশ্রেষ্ঠ হিসেবে শুধু মুন্সী আব্দুর রবকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল, দুজন মরোণত্তরসহ তিনজনকে বীরবিক্রম। কয়েকজন অসামরিক মুক্তিযোদ্ধা এবং সংগঠকও মনোনীত ছিলেন :

৪৫. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪
রোবোট বলেছেন: আপনার ৭১এর লেখাগুলো নিয়ে বই বের করছেন তো? নাকি অলরেডি করেছেন? করলে নাম কি? (দেশে গেলে কিনবো) না করলে আপনার বই অন্তত এক কপি কিনবো।


বীরত্বের পদক দেয়ার পদ্ধতি নিয়ে অনেক অভিযোগ আছে। ৭১ নিয়ে ১টা বয়সে অনেক পড়েছি, কিন্তু নাজমুল হকের মৃত্যু ছাড়া আর তেমন কিছু জানতাম না। ধন্যবাদ এক বীরের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে।

শিরোনামটা এর চেয়ে আর ভালো হতে পারতো না। আপনার এই পোস্টকে হলুদ কার্ড দেখানো হলো। :)


ও হ্যা আপনাকে ১টা হুমকি দিয়ে যাই। কারো ফাঁদে পড়ে যদি আপনি ব্যান (ব্যান মানে তো পুরান লেখা সব গায়েব) খান তাহলে আপনার খবর আছে। আপনার ৭১নিয়ে লেখাগুলো এখন শুধু আপনার লেখা না, এটা মনে রাখবেন। আপনার চেয়ে আমাদের (ম্যাংগো পাঠকদের) অধিকার বেশী।




২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩২

লেখক বলেছেন: ইচ্ছে আছে বের করার, ১৬ ডিসেম্বর একটা ট্রাই নেব, গোছাচ্ছি লেখা।
হুমকিটা মাথা পেতে নিলাম, না এখন আর উস্কানিতে গা লাগাই না, তাই ব্যান খাওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে লেখা ঠিকই থাকবে এখানে না হোক আমার ব্লগে

৪৬. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৮
রোবোট বলেছেন: Click This Link


ফিফার পোস্টের লিংক আপনার পোস্টে দিয়ে দিন। (জানি আপনার প্রিয়তে আছে)
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫

লেখক বলেছেন: ব্যাপারটা মাথায় ছিলো, তাগাদার জন্য ধন্যবাদ, এড করা হলো

৪৭. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪
রোহান বলেছেন: আজকের প্রথম আলোতে উনাকে নিয়ে লেখা দেখলাম

Click This Link
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: পড়লাম, ভালই লিখছে

৪৮. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫২
রোহান বলেছেন:

বস কালকের প্রথম আলোতে দেওয়া মেজর নাজমুলের ছবিটা দিয়ে দিলাম।
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনারে।

৪৯. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:২২
আশিক হাসান বলেছেন: বরাবরের মত আপনার এই লেখাটাও প্রিয়তে রেখে দিলাম ।

শহীদ মেজর নাজমুল স্যারের নামটা আমি জীবনে প্রথম দেখি আর্টিলারী সেন্টার স্কুলে প্যারেড স্কোয়ারে নামফলকে সেখানে অবশ্য তাকে শহীদ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে । পরবর্তীতে বেশ কয়েকবছর পর যখন আমি সেখানে স্থায়ীভাবে বদলী হই তখন নবীন সৈনিকদের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের মহড়া চলাকালে পূর্বের অনুষ্ঠানে বিতরণকৃত স্মরনিকায় লক্ষ্য করলাম আর্টিলারী সেন্টার স্কুলের বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করা হলেও এই প্যারেড স্কোয়ারের সম্পর্কে বিশেষ করে যার নামে নামকরন করা তার সম্পর্কে কিছুই উল্লেখ্য করা হয়নি।বিষয়টা আমি আমার আরেক জেষ্ঠ্য সহকর্মীর জানালাম এবং তাকে আমি আমার অভিপ্রায় জানালাম যে আমি শহীদ মেজর নাজমুল স্যারকে নিয়ে কিছু লেখতে চাই স্মরনিকার পাতায় শুনে তিনিও সানন্দে রাজী হলেন । এরপর আমি অনেককে জিজ্ঞাসা করে এই প্যারেড স্কোয়ারের সাথে যার নাম জড়িত তার সম্পর্কে সামান্য তথ্য ছাড়া আর কিছু জানতে পারলামনা । মনটা ভীষন ছোট হয়ে আসলো নিজে থেকে , মাথা নুয়ে আসতে চাইলো আত্মগ্লানিতে যেই বীরের নামে নামান্কিত প্যারেড স্কোয়ারে প্রতিদিন প্রশিক্ষন করাচ্ছি অথচ সেই বীরকে কতটুকু জানার চেষ্টা করেছি আমরা । বরং ভুলতে বসেছি তার সম্পর্কে ।

অবশেষে এই আত্মগ্লানির তাড়না আমাকে সাহায্য করলো খুঁজে পেতে তার সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য । অবশেষে আমি এবং আমার সেইজেষ্ঠ্য সহকর্মীর একান্ত চেষ্টায় সেবার নবীন সৈনিকদের প্রশিক্ষন সমাপনী কুচকাওয়াজ প্রথমবারের মত স্মরনিকায় একপাতা জুড়ে তার সম্পর্কে,যুদ্ধে তার অবদানকে জানালাম ।এখন ও মনে পড়ে সেদিনের সেই অনুষ্ঠানের শেষে অনেকে আমাদের এই প্রচেষ্টাকে অন্তর থেকে সাধুবাদ জানিয়েছিলো।আর আমি -কিছুটা হলেও আত্মগ্লানির বোধকে থেকে মুক্তি পেয়েছিলাম ।

আমাদের সেই প্রচেষ্টার কারনে আজও স্মরনিকায় প্রতিবছর শহীদ মেজর নাজমুল স্যারকে নিয়ে লেখাটা থাকে ।নতুন সৈনিকদের অন্তরে স্থান করে নেয় এই অজানা বীরের নামটি সেই সাথে অনুস্ঠানে আগত অতিথিরা একবার হলেও হয়ত সেই স্মরনিকায় এই অজানা বীরের নামটি জেনে যায় । মনে মনে সান্তনা পাই এই ভেবে যে সেই প্রচেষ্টার কারনে কিছুটা হলেও অনেকে জানতে পারছে সেই অখ্যাত বীরের সম্পর্কে।

আজ অনেক দিন পর আপনার লেখাটা পড়ে মনে পড়লো সেই পুরোনো দিনের কথাগুলো । আর সবশেষে আজও যারা অজানা রয়ে গেল সেইসব বীরদের প্রতি রইলো আমার মাথা নোয়ানো অকৃতিম শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা ।
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪

লেখক বলেছেন: সেই লেখাটি শেয়ার করুন প্লিজ। পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ

৫০. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৪৯
কঁাকন বলেছেন: কেমন আছেন?
বেশ কয়দিন দেখলাম না আপনাকে।
আগে হাসিব ভাইকে দেখতাম সবচেয়ে ওপরে লগিন অবস্থায়, মন্তব্য করুক না করুক তারপর দেখি আপনাকে না দেখলে মনে হয় কি যেন মিসিং
ভালো থাকুন
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০১

লেখক বলেছেন: ঝামেলাই আছিরে ভাই, ভালো নাই। এই কয়দিন আসলেই আসা হয় নাই নানান হ্যাপায়। নেটে ঢুকলে তো থাকিই। কোনো সুহৃদ মিস করে শুনলে খুবই ভালো লাগে, আপনিও ভালো থাকবেন।

৫১. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১১
কঁাকন বলেছেন: অভিনন্দন পিয়াল ভাই
৫২. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৭
আরিফ সিদ্দিকি বলেছেন: মেজর নাজমুল হকের ঘটনাই প্রমান করে আমরা জাতি হিসেবে কৃতজ্ঞ হতে পারিনি্
৫৩. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৯
নীরজন বলেছেন: জাতি হিসেবে আমরা এতটাই অকৃতজ্ঞ যে এখন আর সহজে এই সব ইতিহাস জানলে লজ্জাও পাই না.........অদ্ভুত............অদ্ভুত..........
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৭

লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন

৫৪. ২০ শে মে, ২০১০ রাত ১২:৪৬
ডলুপূত্র বলেছেন: এ ব্রাত্য মেজর! টির জন্ম চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায়।

আমি গর্ব বোধ করছি। আমার জন্মও লোহাগাড়ায়।

কি বলার আছে?

মেজর নাজমুল যুগ যুগ জিয়ো।
৫৬. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:০২
কাক ফ্রাই বলেছেন: থ্যান্কু পিয়াল ভাই।
৫৭. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:০৮
র হাসান বলেছেন: ভালো পোষ্ট! প্লাস++++++

Bangladesh travel information
৫৮. ০৯ ই অক্টোবর, ২০১১ সকাল ৭:২৭
ঘটলা বলেছেন: স্যালুট টু মেজর নাজমুল।

পোস্টে প্লাস।
৫৯. ০৯ ই অক্টোবর, ২০১১ সকাল ৭:২৭
ঘটলা বলেছেন: স্যালুট টু মেজর নাজমুল।

পোস্টে প্লাস।
৬০. ০৯ ই অক্টোবর, ২০১১ সকাল ৭:২৮
ঘটলা বলেছেন: স্যালুট টু মেজর নাজমুল।

পোস্টে প্লাস।
৬১. ০৯ ই অক্টোবর, ২০১১ সকাল ৭:২৮
ঘটলা বলেছেন: স্যালুট টু মেজর নাজমুল।

পোস্টে প্লাস।
৬২. ০৯ ই অক্টোবর, ২০১১ সকাল ৭:২৮
ঘটলা বলেছেন: স্যালুট টু মেজর নাজমুল।

পোস্টে প্লাস।
৬৩. ০৯ ই অক্টোবর, ২০১১ সকাল ৭:২৮
ঘটলা বলেছেন: স্যালুট টু মেজর নাজমুল।

পোস্টে প্লাস।
৬৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০১১ সকাল ৭:২৮
ঘটলা বলেছেন: স্যালুট টু মেজর নাজমুল।

পোস্টে প্লাস।
৬৫. ০৯ ই অক্টোবর, ২০১১ সকাল ৭:৩০
ঘটলা বলেছেন: দুঃখিত। অতিরিক্ত কমেন্টগুলো মুছে দিয়েন।
৬৬. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৩৬
রেজা হামিদ বলেছেন: ৭ নং সেক্টর/ রাজশাহী আন্ঞ্চলিক মুক্তিযুদ্ধের কোন বই কি আপনার জানা আছে? খুব দরকার

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৪২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বন্ধুত্বে উদার, শত্রুতায় নির্মম : কিছু করার নাই, রাশির দোষ
........................
জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :

শেষ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ