আমার প্রিয় পোস্ট
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন স্কোয়াড - টেকনলজী
- মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর ও ফোর্স অধিনায়ক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে গৃহীত সরকার/ সিইনসি ওসমানীর তিনটি পদক্ষেপ ও আমার জিজ্ঞাসা - নুরুজ্জামান মানিক
- যে কারনে পিলখানা হত্যাকান্ড এবং সাম্প্রতিক ছাত্রলীগ কর্মী হত্যাকান্ড ভয়ঙ্করভাবে একই রকম - রাজিয়েল
- "তাহারা এবং তদ্ সংক্রান্ত সুপ্রবচন": ইহা একটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ছড়া, পঠন কালে নর্তন বাঞ্ছনীয় - মতিউর রহমান সাগর
- ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব ৩ - ত্রিশোনকু
- বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন যারা!!! - তাহের
- আবারো স্বদেশপ্রেমের পরিচয় দিল শিবির। - সানুনয়
- পল গোয়েবল বিগ লাই থিওরী,৩৫ বছর ধরে লালন করা কয়েকটি মিথ্যা । ইতিহাসের কাঠগড়ায় যখন সত্য । - আশমএরশাদ
- একজন হিন্দুর হিন্দু হয়ে ওঠা-১ - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- একটি বিজয় দিবসের গল্প। (প্রথম পর্ব) - হাসান শহীদ ফেরদৌস
- বাংলাদেশে দূতাবাসে ভারতীয় কম্যান্ডো? - দিগন্ত
- জামাত দিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার সংবর্ধনা : আসুন আলোচনা হোক - শিপন আবদুর রাজ্জাক
- দরদী হইও মাগো দরদী হইও, সময়ে সময়ে মাগো পাষানী হইও। - অধ্যায়
- কাঁকন বিবিঃ খাসিয়া মুক্তি বেটি - ইফতেখার.আমিন
- একসাথে একাধিক ইয়াহু মেসেন্জারে লগ ইন করুন!!

- ইসানুর
- দৈনিক রাজাকার - সবাক
- আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল! (আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি)
- নাফিস ইফতেখার
- অত:পর কোথায় পালাবে তুমি? - তাজা কলম
- লুকালরে আমি ভালা পাই যে কারণে - স্ট্যানলি কুবরিক
- কিভাবে সেপ থাকবেন , তাঁর লেটেস্ট গাইড - স্ট্যানলি কুবরিক
- সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখি - স্ট্যানলি কুবরিক
- চাঁদ, পাহাড় ও ফরাসী স্বপ্ন - লাল দরজা
- নিউজউইকে সেক্টর কমান্ডার নাজমুল হকের দুষ্প্রাপ্য সেই সাক্ষাৎকার - ফিউশন ফাইভ
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- তেল গ্যাস নিয়ে ব্লগার মেঘনাদ এর অপমানজনক উত্তরের জবাবে আমার মত - সায়েমুজজ্জামান
- সামহোয়্যারে যা ঘটলো, যা ঘটবে তার 'পেছনের কারণ' - Arild, you MUST read this - ধুসর গোধূলি
- ব্লগে বিরাজমান অস্থিরতা বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ !! - নোটিশবোর্ড
- বদরের যুদ্ধের প্রেক্ষাপট: ডাকাতি-লুট না অত্যাচারিতের অধিকার আদায়? - জ্বিনের বাদশা
- কবিতারা…….. - শওকত হোসেন মাসুম
- মহামান্য ঈশ্বরের ডিম সংকট [একটি নিরাপদ পোস্ট] - খেজুর কাঁটা
- অগভীর ভাবনা - বামান্দোলনের ব্যর্থতা - রাসেল ( ........)
- হুমায়ুন আজাদের কিছু নির্বাচিত প্রবচন - জানজাবিদ
- আমিই স্বাধীনতার ঘোষক
**একটি ঐতিহাসিক পোস্ট** - নাফিস ইফতেখার
- ভার্চুয়াল রা(ড়া)জাকার নিধন , বাস্তব প্রেক্ষিত ও আমার ব্যাক্তিগত মিশন - |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|
- আমার প্রেমিকারা - হুমায়রা পর্ব
- ~স্বপ্নজয়~
- ব্লগ বাসী আপনারা কেমন আছেন?- মাতলামি দেখতেছি, হাসতেছি - জমির মাতব্বর
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- সে দিন অপরাজেয় বাংলার দিকেও তাক করে রাখা ছিল একটা ট্যাংন্ক... - লাল দরজা
- আমায় ক্ষমা করে দিও, বঙ্গবন্ধু। - রন্টি চৌধুরী
- আমার স্মৃতিতে হুমায়ুন আজাদ: যেভাবে তাকে হাসপাতলে নিয়েছিলাম এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো... - হাসান শরিফ
- বাংলার তাজ- তাজউদ্দীন আহমদ - ইফতেখার.আমিন
- একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা(পুরো সামহোয়্যর ইন ব্লগের দৃষ্টি আকর্ষন করছি) - েমেহদী হাসান
- বিভিন্ন প্রকারের ব্লগার (একটি জেরী-আউলা-তানজু প্রযোজনা) - আউলা
- জেনারেল অরোরার কাছে পাকিদের আত্মসমর্পণ এবং সে অনুষ্ঠানে ওসমানীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গ - নুরুজ্জামান মানিক
- ঘূর্ণাবর্তনের রাজনীতি। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- ফরহাদ মজহারঃ নাস্তিক মোল্লা - মোস্তাফিজ রিপন
- আমি যে কারণে ল্যাম্পপোষ্টের আচরণ সমর্থন করছি না। - রাসেল ( ........)
- কার কার মনে আছে নাজিয়া হাসানকে? - ইমন জুবায়ের
- বানান ও লেখ্যরীতি : প্রথম আলোর একটি আদি স্টাইল শিট - ফিউশন ফাইভ
- জামাতে ইসলামকে ভুটাইলে যে ফায়দাগুলা পাইতাম - মাতাল মাহবুব
- দুঃখিত, আমি এই জাতীয় কীটদের আমাদের মাঝখানে দেখতে চাই না - হাসিব
- গল্পঃ বসন্ত শেষে - আকাশ_পাগলা
- টিপাইমুখ, টেকনিক্যাল দিকটা চিন্তা করুন, কার ক্ষতি কে করছে? - হমপগ্র
- রাজকন্যার কাছে বাবার কৈফিয়ত... - অমি রহমান পিয়াল
- একটি জিনিস বানাতে দীর্ঘ সময় নিলেন ঈশ্বর। কি সেই জিনিস!!....? - মাহবুবুল ইসলাম (সুমন)
- এখনই সময় পা ধরে মাফ চাওয়ার। - মাথামোটা
- নীতিতে অটল এবং প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, তাই হার মানব না। - মাথামোটা
- ত্রিভুজের কিছু প্রশ্নের উত্তর আমি যেমন জানি - জমির মাতব্বর
- অতপর ভুল স্বীকার করিলে তাহাকে হত্যা করা হইলো - ঝরা পাতা
- ছবি এডিটিং এর কিছু প্রয়োজনীয় সাইট - বোকা ছেলে
- মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী - লাইটহাউজ
- বিয়া ব্লগীং, থুক্কু বিবাহের ছবি - অন্যমনস্ক শরৎ
- সাপ্তাহিক ব্লগ সমাচার এই যে # ৯ই মে, ২০০৯
- নাফিস ইফতেখার
- একটা গোপন অথচ দরকারী পরামর্শ - লেখাজোকা শামীম
- কবি - শিমুল সালাহ্উদ্দিন
- ছাত্রশিবির কি রাজাকার? - নুসরাত জাহান যুথি
- Anatomy of জামাতে ইসলামী ও কিছু সোজা-সাপটা কথা - পাললিক মন
- টেকনো আর ইলেকট্রনিকা :: খারাপ না, চলে - শূন্য আরণ্যক
- ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যার সময় যেই যুদ্ধাপরাধীরা জেলে ছিলেন তাদের বিচার করা হোক আগে - লেখাজোকা শামীম
- ইতিমধ্যে দন্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের এখনও বিচারের আওতায় আনা সম্ভব - রেজওয়ান
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ - রেজওয়ান
- একাত্তরের গণহত্যার ভিডিও - রেজওয়ান
- ৩০ খান ছুপার হিট হা হা পো গে ফটুক: ১১-২০ - ফয়সাল আকরাম
- আত্মবিশ্লেষণ, বনাম-সাধারণ/অসাধারণ এবং একটি ঘৃণাস্তম্ভের প্রস্তাবনা - মেঘ
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে হবেন পেশাদার ব্লগীয় গুলবাজ/গুজবকারী/রটনাকারী (ওপেনসোর্স পোস্ট) + ২০০তম
- নাফিস ইফতেখার
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- অথ: সেরা পোস্ট এ্যান্ড/অর নির্বাচিত পোস্ট সমাচার - হাসিব
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- ডক্টর জাফর ইকবালের লেখা, মিরাজভাই, এ-টীম এবং নরাধমের কিছু কথা। - নরাধম
- জামাতে ইছলাম গ্রুপে যৌন হয়রানির ফাঁদ!!! - লোকালটক
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে নিজেকে মডুদের হাত থেকে রক্ষা করবেন
- নাফিস ইফতেখার
- গোলাম আজমের ভাষা সৈনিকগিরি আর তেলাপোকার জীবন বৃত্তান্ত - এস্কিমো
- স্মারক: রাষ্ট্রপতির সচিবালয়, গণভবন, ঢাকা, পত্র সংখ্যা-৩০/১২/৭৫-সাধারণ-৭২৯/৯(৪০০) তারিখ ১২ মার্চ ১৯৭৫। - মোহাম্মদ আরজু
- আজ মডুর বিয়ে - নাফিস ইফতেখার
- সাবাশ কম্বোডিয়া!! বাংলাদেশেও শুরু হোক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার - জ্বিনের বাদশা
- বাবার ডায়েরীতে ১৯৭১ (৫ম পর্ব) - লীনা দিলরূবা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই-১: একটা কমিশন গঠনের কাহিনী - শওকত হোসেন মাসুম
- একজন নতুন ভোটারের মনের কিছু কথা........ - নাফিস ইফতেখার
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- চেতনার সম্ভ্রম বনাম স্ববিরোধীতার আয়নায় মুখোশের আড়ালে মুখ ! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- আসেন আমরা সবাই মিল্যা নামাজ পইড়া যুদ্ধাপোরাধীগো বিচার চাই - সামী মিয়াদাদ
- সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুয়ায়ী রাজাকার, মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা জামায়াতে ইসলামীর নেতা থাকতে পারে কি?? - একরামুল হক শামীম
- আবে, কোন মামদির পো সামনে খাড়া? যা কিনার - লাল দরজা
- পাগলের রাজণৈতিক প্রলাপ : ( বিশেষ পর্ব) [স্বঘোষিত রাজাকারদের অপপ্রচারের প্রতিবাদ] - এ. এস. এম. রাহাত খান
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- সহীহ মুসলিম মতে গোলাম আজম, নিজামি, মুজাহিদ, সাইদী এবং অন্যান্য জামাতিদের ইমানের স্তর। - হ্যারি সেলডন
- সামহোয়ার ক্লাসিক : কার্টুন কেলেঙ্কারি ও ছাগুদের ম্যাতকার (ইতিহাসের পাতা থেকে) - স্ট্যানলি কুবরিক
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- ৮ই ফাল্গুন কি হারিয়ে যাবে? আসুন বাঁচানোর একটা চেষ্টা করি। - যীশূ
- ইতিহাস খুড়ে দেখা : মুজিবনগর সরকার, স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রের মুল দলিল এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক - মিরাজ
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন দৈনিক সংগ্রামে জাতীয় সংগীত সংক্রান্ত ফতোয়া - এস্কিমো
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( প্রথম পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( ২য় পর্ব ) ( যেকোন রাজাকার এবং রাজাকার সমর্থনকারীদের প্রতি ওপেন চ্যালেঞ্জ, পারলে যুক্তিগুলো খন্ডন করুন) - একরামুল হক শামীম
- আদর্শের জন্য নয়, জামাত পাকিস্তানপন্থী হয়েছিল টাকার জন্য। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে নিয়মিত অর্থ পেতো জামায়াত। - শওকত হোসেন মাসুম
- বাবা কেন যুদ্ধে গেল? - কালপুরুষ
- একটি জাতির জন্ম: জিয়াউর রহমানের নিজের লেখা পড়ুন (১) - আমি সাগর
- পাকিস্তানের জন্য গোলাম আযমের আক্ষেপ ফুরাবে না! - শওকত হোসেন মাসুম
- এ ছবি আপনাকে দেখতেই হবে! আপনি এদেশের মানুষ নন? - তীরন্দাজ
- ছবি ব্লগ : গর্বের এবং বীরত্বের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- ও আমার দেশের মাটি : একটা অসাধারণ ভিডিও । এটাই মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের চেতনা - মিরাজ
- ফাঁসি দেয়ার সঠিক পদ্ধতি
- ইকরাম
- অনেক অজানা অতীত : নতুন প্রজন্মের জন্য। স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ২ (ইংরেজী টেক্সট সহ) - মিরাজ
- ছহি রাজাকারনামা - জেনারেল
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জামাত-শিবির কেন সন্ত্রাসী সংগঠন - অমি রহমান পিয়াল
- ওয়ার্ডপ্রেস ডেটাবেজ ব্যাকআপ রাখুন - গুগুল
- লিংক: রাজাকারের তালিকা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার- সময়ের দাবি - অঃরঃপিঃ
- গোলামের আরো কথা - অঃরঃপিঃ
- থাকলে এমনেই থাকতে হইব, নাইলে ফুট্ - অঃরঃপিঃ
- রাজাকার নিয়া আরেকটু কথা (আড্ডাবাজরে) - অঃরঃপিঃ
- আমাদের গান / সুমন : কোনও এক চিন্ময়ীকে - অঃরঃপিঃ
- স্বীকারোক্তি : আমি একটি অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছি... - অঃরঃপিঃ
- বইয়ের বিজ্ঞাপন : বইমেলায় আমাদেরও বই... - অঃরঃপিঃ
- নতুন সংকলণ : তেকোণালজি - অঃরঃপিঃ
- তেকোণালজি এখন হার্ডকাভারেও - অঃরঃপিঃ
- টুকে লেখা, পড়ে লেখা, জেনে লেখা... (আলী, হাবিব মহাজন। ফাডাররাও পড়তে পারেন) - অঃরঃপিঃ
ওই ছোটোলোকের পোলাটা কিন্তু বীরপ্রতীক ছিল
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪১
এ বছরের ২৫ মে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বারান্দায় মৃত্যু যন্ত্রনায় ছটফট করছিলেন শহীদুল ইসলাম। দুটো কিডনিই অকেজো, পানি এসে গেছে গোটা শরীরে। আশে পাশে মুমূর্য রোগী এমন শ’খানেক প্রতিদিনই ছটফট করে। ডাক্তার-নার্স-ওয়ার্ডবয়দের চোখ সওয়া। নতুন করে টানে না। ছটফটানি একসময় থামে। স্বজনদের আহাজারি বলে দেয় শহীদুল ইসলাম আর নেই। কুকুরের মতো জীবন যাপন করে, কুকুরের মতো মৃত্যুবরণ করা শহীদুল ইসলামের দাফনটা আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের হাতে হয়নি। বরং রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় কবরে শুয়েছেন। ঢাকা মেডিকেলের ডাক্তার-নার্স-ওয়ার্ড বয়রা হয়তো খবরের কাগজ পড়ে জেনেছেন সেটা। জেনে আশ্চর্য হয়েছেন। কারণ ওই যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বারান্দায় ছটফট করা, আর্তনাদ করা লোকটা নাকি নামকরা মুক্তিযোদ্ধা ছিলো। শহীদুল ইসলাম ওরফে লালু। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সর্বকনিষ্ঠ বীরপ্রতীক ছিলেন।
পরদিন দেশের সর্বোচ্চ প্রচার হওয়া দুটো বাংলা ও ইংরেজী দৈনিকে পুরো পাতা জুড়ে মুক্তিযুদ্ধের চিঠি সংকলনের বিজ্ঞাপন ছিলো। বাংলা কাগজে শহীদুল ইসলাম লালুর জায়গা হয়েছিলো একদম ভিতরের দিকে ১৯-এর পাতায় এক কলাম কয়েক ইঞ্চির একটা খবরে। ইংরেজী পত্রিকাটির হয়ে সংবাদটি যোগান দিয়েছেন তাদের বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা। তারপরও মিডিয়াকে সার্বিকভাবে দুষবার জো নেই। এ বছর ২৭ মার্চ প্রেস ক্লাবে শহীদুল ইসলাম লালুকে চিকিৎসা বাবদ থোক টাকা দিয়েছিলেন সাংবাদিকরা। শেরে বাংলা নগর কিডনী হাসপাতালে তাকে ভর্তি ও চিকিৎসা খরচ চালিয়েছেন দুই টিভি সাংবাদিক খন্দকার ইসমাইল ও হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। কিন্তু ব্যয়বহুল এই চিকিৎসা কতদিন আর ব্যক্তি উদ্যোগে সম্ভব। ঢাকা মেডিকেলে ট্রান্সফার করা হয় তাকে। সেখান থেকে ফিরে যান বাড়িতে। বাড়ি বলতে মীরপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে ময়লার ঢিবির ওপর কোনোমতে চালা টাঙ্গিয়ে চার ছেলেমেয়ে নিয়ে থাকা। সেটাও কর্তৃপক্ষের দয়ার দান। লালু আদায় করে নিতে পারেননি তার বীরপ্রতীক সনদের জোরে। খুব ক্লেশভরেই বলেছিলেন- আমার থিকা অল্প বয়সী লোকজন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা তুলে। কিভাবে তুলে! আমি ১২ বছর বয়সে যুদ্ধ করছি, তারা কত বছর বয়সে করছে? রাজনীতির কারণে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় কত ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা ঢুইকা গেছে, তারা ভাতাও তোলে। আর আমার পোলাপাইন না খাইয়া থাকে। কি করুম, আমি মূর্খ মানুষ। ছোটো লোকের পোলা।
লালুর কণ্ঠে বিস্ময় নয়, মেনে নেওয়া ছিলো। তিনি নিজেই কি জানতেন তার কৃতিত্বের কথা! ‘৯৮ সালের দিকে ছাপড়া হোটেলের কড়াইয়ে হাতা নাড়তে নাড়তে টিভির দিকে নজর যায়, শোনেন যুদ্ধে বীরত্বের জন্য খেতাব পাওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সরকার ভাতা বরাদ্দ করেছে। ক্যাশে বসা মালিকের ছেলের কাছে জানতে চান বিস্তারিত। বাবুর্চির সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের কি সম্পর্ক থাকতে পারে তা হয়তো হোটেল কর্তার মাথায় ঢোকে না। সে হুড়ো দেয়। কাজে যেতে বলে। টিভিতেই চোখে পড়ে কাদের সিদ্দিকী। তার একসময়কার কমান্ডার। একাত্তরে এই বাঘা সিদ্দিকীর কাদেরিয়া বাহিনীর তান্ডবেই গোটা টাঙ্গাইল আর মধুপুর অঞ্চল জুড়ে তটস্থ থাকতো পাকিস্তান সেনাবাহিনী। লালু গোছগাছ সারেন, কমান্ডারের সঙ্গে দেখা করতে হবে।
দীর্ঘদিন পর লালুকে দেখে অবাক হন কাদের। তার সঙ্গে দেখা করিয়ে দেন তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। লালু জানতে পারেন তার বীর প্রতীক খেতাবের কথা। তাৎক্ষণিক কিছু পদক এবং অর্থ জোটে। জোটে পরের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার তরফেও। কিন্তু খেতাব আর পদক ধুয়ে তো পেট চলে না। সংসার চলে না। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সরকার ঘোষিত ভাতার একটি পয়সার মুখও তার দেখা হয়নি। তার জোটেনি। ‘আমি ভাই স্বীকৃতির জন্য কিংবা ভাতা পামু বইলা যুদ্ধ করি নাই। দেশরে ভালোবাইসাই করছি। আমার চাওয়া বলতে আমার সন্তানগুলান যেন মাথা উচু কইরা এই সমাজে চলতে পারে।’ সেই সম্ভাবনা ক্ষীন। মৃত্যুর কয়েকমাস আগে থেকেই বেতন দিতে না পারায় স্কুল থেকে নাম কাটা গেছে লালুর ছেলের। সে হয়তো বাবার মতোই বাসন ধোয়, গ্লাস মাজে। দিন শেষে কিছু খাবার এনে মা আর তিন ভাইবোনের সঙ্গে ভাগ করে খায়। শহীদুল ইসলাম লালু বীরপ্রতীকের সন্তান।
লালু নিজেও এর ভেতর দিয়ে গেছেন। পড়াশোনা জানেন না। যুদ্ধের পর ওয়ার্ডবয়ের চাকুরী নিলেন টাঙ্গাইল হাসপাতালে। ‘৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সব এলোমেলো হয়ে গেলো। কাদেরিয়া বাহিনীর সদস্যদের তখন খোঁজা হচ্ছে। কাদের সিদ্দিকী ফেরার। কমান্ডারের নির্দেশনা পাওয়ার কোনো উপায় নেই। লালুও পালালেন। নরসিংদি-চট্টগ্রাম-ময়মনসিং-নারায়নগঞ্জ-ঢাকা। কখনও রেলস্টেশনের কুলি। কখনও ৩০ টাকা মাসকাবারিতে গ্লাসবয়ের কাজ, কখনও রাধুনি। এই দারিদ্রতার মাঝেই মুন্সীগঞ্জের মালা বেগমকে ঘরে আনেন। একে একে জন্ম নেয় চার সন্তান-দুই ছেলে, দুই মেয়ে।
পাকিস্তানী কয়েদ থেকে দেশে ফেরার পর বঙ্গবন্ধুর কোলে ওঠার সৌভাগ্য হয়েছিলো একজন মুক্তিযোদ্ধারই। শহীদুল ইসলাম লালু। কি তার বীরত্ব? একটু পেছন থেকেই বলা যাক। যুদ্ধের সময় ভেঙ্গুল কেরমাজানি বাজারে লালুর চোখে পড়ে মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন পাহাড়ির দল। ‘আমারে আপনাগো লগে লন’-আব্দার তার। এত ছোটো ছেলে যুদ্ধ করবে কি। লালুর তাতে কিছু যায় আসে না, সে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে ফাইফরমাশ খাটা শুরু করে দেয়, অস্ত্রশস্ত্র পরম যত্নে পরিষ্কার করে। পাহাড়ি এরপর সদলে সীমান্ত পাড়ি দেন। মেঘালয়ের তুরাতে ট্রেনিঙ নেন। লালুও জুটে যান। তার কাজ ছিলো ভোরে উঠে হুইসেল বাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের প্যারেডের জন্য ডাকা। এরপর জাতীয় পতাকা টাঙ্গানো আর জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া। তার সঙ্গী ছিলো সমবয়সী আরেক কিশোর বুলু। দুজনকেই বিচ্ছু বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ট্রেনাররা তাদের শেখান কিভাবে হামাগুড়ি দিয়ে চলতে হয়, অস্ত্র চালাতে হয়, গ্রেনেড ছুঁড়তে হয়, শত্রুর গতিবিধির খবর নিতে হয়। আসার পথেই মাইনকার চরে কাদের সিদ্দিকীকে প্রথম দেখেন লালু। ২৫ দিনের ট্রেনিং শেষ করে তার দলে ভিড়ে যান।
অপারেশন গোপালপুর থানা নামে মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বের ঘটনাটি একান্তই শহীদুল ইসলাম লালুময়। যুদ্ধের উত্তুঙ্গ দিনগুলোতে গ্রুপ কমান্ডার পাহাড়ি তাকে নির্দেশ দেন গোপালপুর থানার হালহকিকত জেনে আসতে, মুক্তিযোদ্ধারা কিভাবে তা দখল করতে পারে। লালু গিয়ে সেখানে তার এক দূর সম্পর্কের তুতো ভাই সিরাজের দেখা পান। সিরাজ পাকিস্তানী সেনাদের দালালী করে, তাকেও একই কাজ করার প্রস্তাব দেয়। লালু রাজী হয়ে যান। পরের দফা তিনটি গ্রেনেড নিয়ে থানায় হাজিরা দেন তিনি। অল্পবয়স বলে তাকে চেক করা হয় না। মুক্তিযোদ্ধাদের আগেই জানান দিয়ে রেখেছিলেন তার অভিপ্রায়। পুরো পুলিশ স্টেশন একবার চক্কর মেরে এসে, এক বাংকারে প্রথম গ্রেনেড চার্জ করলেন লালু। ভীত ও হতভম্ব পাকিস্তানীরা আন্দাজে গুলি ছুড়তে শুরু করে লক্ষহীন। শুয়ে লালু দ্বিতীয় গ্রেনেডটি ছোড়েন, কিন্তু এটা ফাটে না। এখান থেকে আর বেরুনো হবে না- এই ভয় পেয়ে বসে তাকে। তারপরও তৃতীয় গ্রেনেডটি সশব্দে ফাটে আরেকটি বাংকারে। এদিকে মুক্তিযোদ্ধারাও এগিয়ে এসেছেন। গোলাগুলির এই পর্যায়ে সিরাজ এসে লালুকে একটি অস্ত্র ধরিয়ে দেয়, জিজ্ঞেস করে চালাতে পারে কিনা। লালু তাকে পয়েন্ট ব্ল্যান্ক রেঞ্জে গুলি করেন। এই ঘটনায় কিছু পাকিস্তানী পালায়, কিছু ধরা পড়ে, মারা যায় অনেক। হতাহতের মধ্যে দিয়েও মুক্তিযোদ্ধারা দখল করে নেন গোপালপুর থানা। বলতে গেলে শহীদুল ইসলাম লালুর একক কৃতিত্বে।
এইভাবে একদিন দেশ স্বাধীন হয়। মুক্তিযোদ্ধারা অস্ত্র জমা দেয়। জাতির জনককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। স্বাধীনতা বিরোধীরা ঠাটে ফেরে। আর লালুদের ঠাই হয় আস্তাকুড়ে। সেখানেই একদিন তারা ধুকে ধুকে মরে যায়। যে পতাকার জন্য জীবনবাজি, মরণের পর সেটা কফিনে মোড়ক হয়। এই বাংলাদেশে একজন মুক্তিযোদ্ধার এটাই রাষ্ট্রীয় সম্মাণ। মরোণত্তর যদিও।
কৃতজ্ঞতা : নজরুল ইসলাম
ছবি : বঙ্গবন্ধুর কোলে শহীদুল ইসলাম লালু (আফতাব আহমেদ)
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সৌম্য বলেছেন:
জাতি হিসাবে এই লজ্বা কোথায় রাখবো আমরা?
লেখক বলেছেন: লজ্জার আর কি! প্রচারের বাইরে যারা তাদের জন্য কিছু করেন, ঋণ শোধান
লেখক বলেছেন: আর্তিটা পরিষ্কার
অচেনা সৈকত বলেছেন:
অকৃতজ্ঞতার বোঝা দিন দিন শুধুই ভারী হয়ে ওঠে এ জাতির কাঁধে....
লেখক বলেছেন: এদেশের সত্যিকার মানুষেরা স্বাধীনতার পর থেকেই তো টিকে থাকার লড়াইয়ে আছেন, সংগ্রাম তাদের থামে না। শুধু আপোষকামী নাগরিকদের চেকনাই বেড়েছে, কারণ স্বাধীনতাবিরোধীরাই আজ প্রতিষ্ঠিত শক্তি। লালু-ভুলুরা শুধু ক্যালেন্ডারে ১৬ই ডিসেম্বর।
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
লালু যখন বলে:‘আমি ভাই স্বীকৃতির জন্য কিংবা ভাতা পামু বইলা যুদ্ধ করি নাই। দেশরে ভালোবাইসাই করছি। আমার চাওয়া বলতে আমার সন্তানগুলান যেন মাথা উচু কইরা এই সমাজে চলতে পারে।’
নিজেকে তখন তুচ্ছ মনে হয়, মনে হয় দেশের জন্য আমরা কি করেছি...??
সরকার সব মুক্তি যোদ্বাদের না পারুক অন্তত এসব বীর ও অর্থাভাবে থাকা মুক্তিযোদ্বা পরিবারদেরকে ভাল ভাবে থাকা-খাওয়া-লেখা-পড়া করার সুযোগ করে দিতে পারে|
জন প্রতি ১ টাকা কর বেশী দিলেই বছরের বাজেট হয়ে যাবার কথা| মুক্তিযোদ্বা মন্ত্রনালয় ও সেই পদে মন্ত্রী ও তার পাইক পেয়াদার ভরন পোষনের মাজেজাটা কী বুজি না|
(++++)
লেখক বলেছেন: ভাই আপনি কি জানেন এই দেশে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ বইলা একটা ক্লাব আছে যা মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়ের এখতিয়ারে? এই ক্লাব শুধু ফুটবল খেলে না, এই ক্লাবে প্রতি সপ্তাহে কোটি কোটি টাকার হাউজি, ওয়ানটেনসহ নানা প্রকার জুয়া খেলা হয়? এই টাকার হিসাবটা কি কইতে পারেন আমারে?
সাইফ হাসনাত বলেছেন:
এমন আরো কতো শহিদুল ইসলাম হারিয়ে আছে সমাজের কুৎসিত চেহারার আড়ালে! তার খবর কি আর আমাদের কাছে আছে?জাতি হিসেবে আমরা কেবল লজ্জার পাল্লাটাই ভাড়ী করে যাচ্ছি... খুব দু:খ হয়, ঘৃণাও হয়...
লেখক বলেছেন: নতুন প্রজন্মে জাতীয় খাসলতগুলা বদলের সংগ্রাম করেন। পূর্বপুরুষের অকৃতজ্ঞা উত্তরাধিকার সূত্রে বয়ে বেড়াবেন কেনো? বদলে দিন
ও.জামান বলেছেন:
এ লজ্জা সবার গায়ে লাগুক।এ যন্ত্রণা সবাই অনুভব করুক।
মুক্তিযুদ্ধের সরকার ক্ষমতায়!!!
আর মুক্তিযোদ্ধার এমন মৃত্যু হয়!
স্টিকি করা হোক।
স্টিকি করা হোক।
স্টিকি করা হোক।
স্টিকি করা হোক।
স্টিকি করা হোক।
লেখক বলেছেন: কোনো সরকারের আমলেই মুক্তিযোদ্ধাদের কপাল বদলায় না, তারা লেনদেনের হিসাবে লাইনের অনেক পেছনে তো, কিন্তু সিরিয়ালটা কখনোই আসে না
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
এটা আমাদের লজ্জা যে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা তাকে মর্যাদা দিলেন না। আবার এটাও ঠিক যে সাধারণ মানুষরাই তার স্মৃতি ধরে রেখে তাকে সম্মান দিতে কুন্ঠিত হয় না। একদিন তার বীরত্বপূর্ণ অবদান দেশের অনেক অনেক মানুষ শ্রদ্ধা ভরে মনে রাখবে। কিন্তু বাঙালি তার বীরদের দাম দেয় মৃত্যুর পরে সেই অপবাদটা ঘুচবে না।
লেখক বলেছেন: সাধারণ মানুষের জন্যেই তো লড়েছেন তারা, সাধারণ মানুষের মনে থাকলেই হলো
ওসমানজি২ বলেছেন:
ধিক নিজেকে! বাঙ্গালী হিসেবে জন্ম নিয়েছি বলে। চোঁখের পানিতে ঝাপসা হয়েছে বলে কয়েকবারের চেষ্টায় পড়লাম। প্রিয়তে।+++
লেখক বলেছেন: তবুও পড়ার জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। স্টিকি পোস্টের অভিজ্ঞতা প্রচুর আছে আমার, নতুন করে টানে না। তবে এটা ঠিক যে একসময় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পোস্ট কর্তৃপক্ষের প্রায়োরিটি পেত। এখন সেটাই বিশেষ লেখকগোষ্ঠীর বাইরের কেউ লিখে সম্ভব না। তারা যে কোনো বিষয়ে লিখলেই পোস্ট স্টিকি হবে। আমি সেই বিশেষ গোষ্ঠীর বাইরে আছি অনেক আগে থেকেই।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
ছিহ ছিহ ছিহতাকে হাসপাতালের বারান্দায় পড়ে থেকে মরতে হল
একেক সময় মনে হয় আমাদের সুযোগ পেলেই গালভড়া দেশীয় বুলি সব অসহ্য মিথ্যাচার, আমরা সবাই আসলে ছাগলেরও অধম। যে দেশে শহীদুল ইসলামদের এমন পরিনতি হয়, সে দেশের নাগরিক হিসেবে নিজেকে ছাগল বলতে আমার দ্বিধা হচ্ছে না। শেইম শেইম। আমি একজন বাংলাদেশী হিসেবে এইমুহুর্তে ভীষন লজ্জিত এবং ব্যাথিত।
লেখক বলেছেন: রন্টি, এইসব একটা এলার্ট। শহীদুল নেই, তিনি ফিরবেন না। পারলে আপনারা যারা স্বচ্ছল তারা তার ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার দায়িত্বটা ভাগাভাগি করে নেন। ১০ জন দায়িত্ব নিলে আপনাদের মাথা পিছু ১০ ডলারও পড়বে না। ৪-৫ হাজার টাকার মামলা হয়তো। এমন অবহেলিত আরো অনেক মুক্তিযোদ্ধা আছে, তাদের জন্য দেখেন কিছু করা যায় কিনা
নাঈম বলেছেন:
খুব কষ্ট হচ্ছে পিয়াল ভাই লেখাটি পড়ে। আমাদের দেশে এমন নাম না জানা কত হাজার হাজার লালু যে এভাবে ধুঁকে ধুঁকে মরছে তার কোন হিসাব নেই। কোন সরকারেরই এইদিকে কোন ভ্রুক্ষেপ নেই, সবাই আছে যুদ্ধাপরাধী কুলাঙ্গারদেরকে বুকে টেনে নেয়ার কাজে, আর এইসব ছোটলোকের পোলা লালুরা থেকে যান অচ্ছ্যুৎ হিসেবে। এটাই দেশের সবচেয়ে বাস্তব অবস্থা এখন, এখন এসব দেখলে আর কেমন যেন ঘৃণা হয়না, এসব এখন নিত্য-নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে গেছে, কেমন যেন গা-সওয়া।আপনাকে শ্রদ্ধা জানাই এই লেখাটির জন্য।
লেখক বলেছেন: ঠিক, গা সওয়া হয়ে গেছে। লালু চাইতেন তার ছেলেমেয়েদের জন্য তার মতো অবস্থা না হয়। দেখেন না সেই কথাটা বাস্তবায়ন করা যায় কিনা
নাঈম বলেছেন:
ফেসবুকে লেখাটি শেয়ার করলাম।
লেখক বলেছেন: আবারও ধন্যবাদ
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
এই ছোটোলোকের পোলারা এভাবেই ধুঁকে-ধুঁকে মারা যাবে, আমরা সাময়িক আহা-উহু করবো।
আর ওদিকে সাকা,নিজামীর মত বেজন্মা কুকুর গুলো দেশের পতাকা লাগানো গাড়িতে ঘুরে বেড়াবে।
নিজের উপর ঘেণ্ণা হয়...
নিজের অক্ষমতার উপর ঘেণ্ণা হয়...
নিজের নির্লিপ্তির উপর ঘেণ্ণা হয়...
লেখক বলেছেন: এই অনুভূতিটা সবার মাঝে হয়, এমন কি আমার মাঝেও। আমি তাও লিখে চেষ্টা করি স্বান্তনা পেতে
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
সকালবেলাতেই নিজের প্রতি ঘেন্না ধরাইয়া দিলেন ? আমরা, আমাদের রাষ্ট্রক্ষমতার নেতা-নেতৃ সবার প্রতি ঘেন্না !!! আপনাকে লাল সালাম, কমরেড !
লেখক বলেছেন: এই যে নিজেরে গালি পাইড়া পিছাইয়া যাওয়া, এইটা বদলান কমরেড। বরং গা ঝাইড়া আগাইয়া আসেন। দেখেন এদের জন্য কিছু করতে পারেন কিনা
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
মোহাম্মদ জাফর সাদেক বলেছেন:
অমি ভাই, আপনার এই পোষ্টটি কি আমাদের একটি ইয়াহু গ্রুপে রিপোষ্ট করতে পারি ? অবশ্যই আপনার নাম স্বীকার করা হবে। বাংলাদেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্বের উপর আপনার কাজের জন্য আপনি প্রণম্য।
লেখক বলেছেন: সানন্দে
মনজু মজুমদার বলেছেন:
সকাল সকাল চোখটারে ভিজায়া দিলেন অমি ভাই..
লেখক বলেছেন: এইসব লেখা আমি তো ভিজা চোখেই লিখি
রাহি বলেছেন:
যারা মুক্তিযু্দ্ধ আর মুক্তিযু্দ্ধা'দের নিয়ে বানিজ্য করেন (রাজনিতিবিদ) তাদের লজ্জা থাকা উচিত!!!
লেখক বলেছেন: লজ্জা থাকলে বেনিয়া হওয়া যায় না।
ধীবর বলেছেন:
মরুক, এভাবেই রোগে ভুগে, হাসপাতালের দুয়ারেও নয় রাস্তায় পড়ে মরে থাকুক স্বাধীন বাংলাদেশের অতন্দ্র প্রহরীরা। যাতে এই নপুংশক আমরা, অন্তত বিবেকের দংশনে না পুড়ি। ধিক ধিক ধিক ! স্বাধীনতার পর ছড়ি ঘুরিয়েছে একদল লুটেরা, স্বাধীনতা সংগ্রামে যারা সুরা সাকি নিয়ে মত্ত ছিল। যারা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছে, যুদ্ধে যাদের সর্বস্ব গেছে, তারা পেয়েছে লবডংকা।
আর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সম্পত্তির পরিমান কত, শুনলেও অবাক হবে। সেখানে বসে রাজত্ব করে চোর আহাদ আর জাল ডলারের ব্যাবসা করা খুনের আসামী শাহ আলম। এদের কাছ থেকে কি আশা করেন? আমরা তো এই জন্যই নপুংসক, কেননা, আমাদের নাকের ডগায় অমুক্তিযোদ্ধা চোর বাটপার সন্ত্রাসি খুনিরা মুক্তিযুদ্ধের সব অর্জন কেড়ে নিয়ে যাচ্ছে। আর আসল মুক্তিযোদ্ধারা, কখনো রাস্তায় কখনও হাস্পাতালের আঙ্গিনায় অযত্নে অবহেলায় মারা যাচ্ছে।
লেখক বলেছেন: এই মন্তব্যের পর আর কথা থাকে না
নাঈম বলেছেন:
পোস্টটা স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: কি তামশা!
মোজাম্মেল প্রধান বলেছেন:
খুব কষ্ট লাগে যখন দেখি আমারই আত্নীয়দের অনেকে মুক্তিযুদ্ধ না করেই মুক্তিযুদ্ধা ভাতা নিচ্ছে।সারাদেশে নানারকম ভেজাল বিরুধী অভিযানের মত `ভেজাল মুক্তিযুদ্ধা বিরুধী অভিযান' করা যায় না ?
লেখক বলেছেন: ভাইরে প্রতি সরকারেই মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাও রদবদল হয়, ভুয়ারা ঠিকই থেকে যায়, বাদ পড়ে সত্যিকার যোদ্ধারা
পারভেজ বলেছেন:
প্রচার শেষ হলে শহীদুলদের সংবাদমূল্য কমে যায়। সাধারন, আট দশটা নিম্নবিত্ত বাঙালী হিসাবে তার আর কী ই বা মুল্য ছিল মিডিয়ার কাছে কিংবা রাজনীতির খাতায়। অসফল মানুষ হিসাবে তাই শহীদুলও ঝরে পড়েছে মেডিক্যালের নাম্বারভুক্ত রোগীর খাতা থেকে।আমরাও এক শহীদুলের গল্প থেকে চোখ সরিয়ে ফের অন্য কোন শহীদুলের গল্প শুনে চোখ আর্দ্র করবো!
এইতো হয়ে আসছে।
লেখক বলেছেন: আমরাও এক শহীদুলের গল্প থেকে চোখ সরিয়ে ফের অন্য কোন শহীদুলের গল্প শুনে চোখ আর্দ্র করবো!
এই রীতি বদলানো দরকার
সেতূ বলেছেন:
এই কুলেশিত অন্ধের রাজনীতি কে ঘৃণা করা উচিত, এই অন্ধের রাজনীতি আমাদের দেশ-প্রেমের বড় বাধা হয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে ....
এই সকল শকুণে-দল (আওয়ামি লীগ, বিএনপি, জামাত ও জাতিয় পাটি .....)
পার-গাছার মত দেশ কে কুরে-কুরে খাচ্ছে আর দেশ ও দেশের জনগনের সাথে যুগ যুগ ধরে বেইমানি করে আসছে.
লেখক বলেছেন: রাজনীতিকদের কাজই তো দেশটারে নতুন নতুন খদ্দেরের কাছে বেচা। আমরা ফাও হিসেবে দেশের সঙ্গে বিক্রি হই। কিন্তু এটা শুধু রাজনীতি না, এটা সচেতন অবহেলা
নতুন রাজা বলেছেন:
বীর এ যোদ্ধার প্রতি লাল সালাম...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
জাকির হোসেন বিডি বলেছেন:
ওসমানজি২ বলেছেন: ধিক নিজেকে! বাঙ্গালী হিসেবে জন্ম নিয়েছি বলে। চোঁখের পানিতে ঝাপসা হয়েছে বলে কয়েকবারের চেষ্টায় পড়লাম!দেখে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই বলবার নাই! চোর, দালাল, বাটপার দের কাছে এখন আমরা অনেক টাই অসহায় হয়ে পড়েছি !
লেখক বলেছেন: সেটাই
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
পোস্টটির জন্য লেখক ও স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।কিছু বলার নেই। কিছু করতে পারিনা বলেই কিছু বলতে চাইনা।
লেখক বলেছেন: যাহোক, পড়েছেন সেজন্য ধন্যবাদ আপনাকেও
রনি রাজশাহী বলেছেন:
খুব খারাপ লাগছে
লেখক বলেছেন: লালুর আত্মা শান্তি পাবে এই ভেবে তার জন্যও কারো আক্ষেপ হয়
মাহিরাহি বলেছেন:
সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানানোর ব্যর্থতাই জাতির দুর্দশার অন্যতম প্রধান কারন বলে আমি মনে করি। মুক্তিযোদ্ধার অপমান = রাজাকারের সম্মান।লেখক বলেছেন: এটাই সতসিদ্ধ এই দেশে
নাঈম বলেছেন:
আসলেই তামশা..
লেখক বলেছেন: বাদ দেন। এমনটাই দস্তুর
রোহান বলেছেন:
পোষ্টে কিছু বলার নেই পিয়াল ভাই, প্রতিদিন আপনার ব্লগে আসি আর আদ্র চোখে ফেরত যাই...স্টিকি করার জন্য মডারেটর দের ধন্যবাদ। আশা করি এই ধারা সামনের দিনগুলোতেও বজায় থাকবে...
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
পাকন বলেছেন:
পিয়াল ভাই যখন এই বীর সেনারা বেচে থাকেন তখন তাদের জন্য কিছু করা যায়না? এতো মিডিয়া বাংলাদেশে-তারাতো মুক্তিযুদ্ধের কথা বলতে বলতে মুখে ফেনা তুলে ফেলেন। অথচ একজন বীর মুক্তিযুদ্ধা সুচিকিৎসার অভাবে মারা যায়। কষ্ট হয় যখন এই খবর শুনি। কান্না পায়।লেখক বলেছেন: এইটাই যখন নিয়ম তখন আর অনিয়মের কথা বলেন ক্যানো?
সাগর ঢাকা বলেছেন:
দিলেন তো বস সকাল বেলা ..মন তা খারাপ করায়ে একটা জিনিস দেখলাম , সবাই নিজেরে ছি, ছি করতাসে ...কিন্তু আপনি যে , মুক্তিযোদ্ধা দের , তাদের ছেলে দের সাহায্যর জন্য কিছু , কইলেন , তাতে কেও কিছু . কয় না ....আচ্ছা এমন কোনো বাঙ্ক একাউন্ট আছে বা , উপায় আছে , যেখানে আমি সামান্য কিছু করতে পারি ?
ভালো থাকবেন ...
লেখক বলেছেন: দেখেন দশজনে মিল্যা কিছু করতে পারেন কিনা। নিশ্চয়ই কেউ না কেউ সঙ্গী হবেন আপনার। এতগুলা মানুষের মধ্যে সত্যিকার দরদী আসলে কম নাই। আমি নিশ্চিত জানি।
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন:
এই পোষ্ট পড়ার পর আমার একটি প্রস্তাবনা আছে পিয়াল ভাই। এই ব্লগেই ব্লগারদের মাধ্যমে একটি মুক্তিযোদ্ধা ফান্ড তৈরী করা হোক। এবং দ্ররিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরী করে তাদের নাম, ঠিকানা প্রকাশ করবার একটি ব্যবস্থা করা হোক। আর ঐ ফান্ড থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে দাড়ানোর সুযোগ তৈরী করা হোক। না আল্টিমেটলি এই ধরনের আরেকটি গল্প আমাদের পড়তে হবে। যা হবে লজ্জাকর।
একটি প্রজন্ম আমাদের দেশ দিয়ে গেছে। আর সেই প্রজন্মকে আমরা কি দিলাম? আর পরবর্তী প্রজন্মই বা আমাদের প্রজন্মের কাছ থেকে কি শিক্ষা নিলো?
আমার অনুরোধ পিয়াল ভাই। একটা কিছু তো করা উচিত।
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই করতে পারেন। এই পোস্টের সারবেত্তা এটাই। পূর্বসূরীদের অবহেলা কিংবা চোখ বুজে থাকার দায় কেনো উত্তর প্রজন্ম বইবে। সবাই মিলে কিছু একটা করুন। আমার পোস্ট দেওয়াটা সার্থক হবে
মন মানে না বলেছেন:
পরদিন দেশের সর্বোচ্চ প্রচার হওয়া দুটো বাংলা ও ইংরেজী দৈনিকে{{{পুরো পাতা জুড়ে মুক্তিযুদ্ধের চিঠি সংকলনের বিজ্ঞাপন ছিলো }}
বাংলা কাগজে শহীদুল ইসলাম লালুর জায়গা হয়েছিলো একদম ভিতরের দিকে ৫-এর পাতায়
{{এক কলাম কয়েক ইঞ্চির একটা খবরে}}}...............
আমরা আসলে এমনই হযে গেছি । মুক্তিযুদ্ধের চিঠি সংকলন যে দেদারসে বিক্রি হবে । সেখাণে যে আমার ব্যবসায়িক স্বার্থ আছে ।
ছোটলোকের বাচ্চাদের খবর এতো গুরুত্বের সাথে ছাপানোর কি আছে ??!!
সত্যিই সেলুকাস ! বিচিত্র এই দেশ !
আর বিচিত্র আমরা !!
লেখক বলেছেন: দিন বদলের গান গান
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
স্টিকি করার জন্য মডারেটর দের ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: চলেন এইটা নিয়া আরেকটা পোস্ট দেই
খেক খেক বলেছেন:
চোখের পানি আটকাতে পারলাম না ভাই
লেখক বলেছেন: লেখার সময় আমারও কষ্ট হইছে
কাজ করে খাই বলেছেন:
বিচিত্র দেশ এই বাংলাদেশ ! কোথায় যাবো? কার কাছে যাবো?স্টিকি করার জন্য মডারেটর দের ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: দেশটারে নতুন কইরা গড়েন
রিয়াজুল ইস্লাম বলেছেন:
খুব ভালো করে ঘটনাটি তুলে ধরেছেন, ভালো লাগলো। সাথে ছোট একটা ঘটনা মনে পড়লো:ইয়াকুব আলী চুয়াডান্গা জেলার নামকরা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, তার কাছে ছোটবেলায় যুদ্ধের অনেক গল্প শুনেছি। কিভাবে তারা পাকিস্থানী বাহিনীকে বোকা বানিয়ে একের পর এক দখল করেছেন বিভিন্ন সেতু, স্থাপনা, ক্যাম্প, বা গুরুত্বপুর্ণ অবস্থান গুলো। কিভাবে শকুনের গায়ে ইলেকট্রিক বাল্ব সেট করে লম্বা তার দিয়ে সেই শকুন উড়িয়ে পাক-বাহিনীকে বিভ্রান্ত করে সুযোগ নিতেন।
১৯৯৬ সালে আ:লী সরকার গঠন করার পর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াকুব আলী বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সাথে অনেক কষ্টে দেখা করেন। না, কোন সুবিধা আদায়ের উদ্দেশ্যে নয়, এতদিন পর তার প্রিয় দল, শেখ সাহেবের দল ক্ষমতায় এসেছে তাই আবেগের বশভুর্তি হয়ে কাজটি করা তার। ইয়াকুব আলী মন্ত্রীকে বলেন "...........আমি, আপনি একই সাথে শেখ সাহেবের স্টেজে কথা বলেছি........."।
এর জবাবে মন্ত্রী বলেছিলেন "জনাব সেটা ছিল ১৯৭১ আর এটা হলো ১৯৯৬, খামাখা সময় নষ্ট করবেন না, চলে যান"।
লেখক বলেছেন: হুমম
লেখক বলেছেন: আশা করতে দোষ কি?
লিপিকার বলেছেন:
এই পোস্ট দেখে লগইন না করে থাকতে পারলামনা। বীরপ্রতীক শহীদুল ইসলাম লালুর জন্য হাহাকার ছাড়া কিছুই করার নেই। তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।না জানি আরও কত মুক্তিযোদ্ধাকে এভাবে অবহেলিত হয়ে মরতে দেখব.........এদেশের মাটি কিভাবে তা সহ্য করবে!
লেখক বলেছেন: এদেশের মাটির সহ্য হয়া গেছে, সে এখন ঘাতক দালাল রাজাকারদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের অপেক্ষায়
অসি বলেছেন:
দুইসিলেন্ট
লেখক বলেছেন: আচ্ছা
ইশতিয়াক অাহমেদ বলেছেন:
বস ধন্যবাদ...পোষ্টের জন্য...এবং প্রকৃত ছোটলোক হিসেবে নিজেদের আরেকবার চিনিয়ে দেবার জন্য...
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য এবং উপলব্ধির জন্য
ফাহিম আহমদ বলেছেন:
পোস্টটির জন্য লেখক ও স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।কিছু বলার নেই। কিছু করতে পারিনা বলেই কিছু বলতে চাইনা।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
ফয়েজ ০৮ বলেছেন:
কেমন যেন কষ্ট অনুভব করছি.....
লেখক বলেছেন: কারণ আপনি বিবেকবান
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
আমি বরং আপনাকে একটা দায়িত্ব দিতে চাই। আসেন, একটা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সাহায্য করার ব্যবস্থা করি। খুব বেশি কিছু না, আমরা প্রত্যেকে একটা পরিবারের একজন বাচ্চার দায়িত্ব নেব। তার পড়াশোনার খরচ বহন করব। আপনি কেবল প্রচারণাটা চালান এবং সবাইকে জানান কারা এই সুবিধা পেতে পারে। সাহায্য করার ব্যাপারটা হতে পারে এই রকম।
যে সাহায্য একটি জীবন বদলে দিতে পারে
লেখক বলেছেন: ওই প্রচারণার দায়িত্বটা আমি বরাবরই পালন করে আসতেছি। ধন্যবাদ আপনার উদ্যোগের জন্য। সত্যি প্রশংসনীয়
আতিকুল হক বলেছেন:
ধন্যবাদ।আমাদের দূর্ভাগ্য যে শ্রদ্ধা কেবল মৃতদের জন্যই তোলা। তার সন্তানদের জন্য কিছু করে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে পারি আমরা। এমনি মরার পরে শ্রদ্ধা দেখানোটা একটু হেয়ালি হয়ে যায়।
লেখক বলেছেন: কথা সেটাই
এস. এম. রায়হান বলেছেন:
ছোটোলোকের --> ছোটলোকের।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ঠিক করে দেব
সায়েমুজজ্জামান বলেছেন:
আসুন তার কবরে গিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানিয়ে আসি!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: তার কবরটা কোথায়? জানেন?
এস. এম. রায়হান বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: আবারও ধন্যবাদ, তবে ছোটোলোক কথাটা কথ্যভাষায় লিখিত, চলতি না
সপ্নরাজ বলেছেন:
নিজেকে জুতা পেটা কোরতে ইচ্ছা কোরছে। কেনো এসব দেখে এসব পড়ে অবলিলায় চোখের পানি ফেলি, অজান্তে ঢুকরে উঠি, মন খারাপ করি ? কেনো পড়ি এসব ছাই পাস, কেনোইবা দেখতে হোচ্ছে বর্তমান বাংলাদেশের ..... ......?আমি একটা ফালতু লোক তাই এসব পড়ি, এসবকে পশ্রয় দেই। মিথ্যাকে আঁকড়ে ধরি নিজের আখের গোছানোর জন্য, সত্যকে ঠেলে ফেলে দেই নিজেকে আড়াল করার জন্য। কেনো কাঁদি ? এছাড়া কি কিছুই করার নেই আমার ? আমি ফালতু তাই ফালতু কাজটাই করি। ফালত কাজ মানে কষ্ট পাওয়া।
দেশের আপামর লোক যেখানে ফালতু কাজকে পশ্রয় দেয় আমার দিতে দোষ কোথায় ???????
পিয়াল ভাই সশ্রদ্দ সালাম সাথে বীরপ্রতীক শহীদুল ইসলাম লালুকেও।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সৎভাবে অকৃত্রিম অনুভূতি শেয়ার করার জন্য।
ষ্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ। অনেকেই এখন পড়বে এবং জানবে।
আপনাকে স্যালুট।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন:
জাতি হিসেবে সত্যিই আমরা কত মহান..!!!!! যাদের জন্য দেশ পেয়েছি তাদেরই এমন প্রতিদান দিয়ে যাচ্ছি..লেখক বলেছেন: একদিন ঠিকই বদলে যাব আমরা
শারফুদ্দীন হোছাইন বলেছেন:
নাম না জানা এমন হাজারো মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি রইলো শ্রদ্ধা আর বুকভরা ভালোবাসা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
নাফিস ইমতিয়াজ বলেছেন:
Khub valo laglo poira.
লেখক বলেছেন: thikase
ড়ৎশড় বলেছেন:
পিয়াল ভাই,আপনার মত একজন মানুষের জন্য অনেকের কাছে ইতিহাস পরিষ্কার হয়ে আসে,গৌরবময় মানুষগুলো আলো মেলে ধরা দেয়(এবং আমাদের অকৃতজ্ঞতার ইতিহাসে আমরা বারবার নির্লজ্জ জাতি হয়ে উঠি),এই জন্য আপনাকে অন্তর থেকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।আপনি যেমন জানেন,আমিও হয়তো জানি ফেসবুকে শেয়ার করে বা আপনার ব্লগে এসে দুটো ছি ছি করলে কিছুই হবেনা।আত্নলজ্জা তখনই কাজে দেয় যখন তা শুধু মনে আঘাত না দিয়ে মাথা খাটায় কিছু করার জন্য তাগিদ দেয়।এখন ভাবা দরকার,যেই কয়জন যোদ্ধা বেঁচে আছেন তাদের জন্য কি করতে পারি আমরা এই ব্লগ থেকে।
লেখক বলেছেন: অনেকেই আপনার মতো একই ভাবনা ভাবছেন, সেটা জানিয়েছেনও মন্তব্যে। দেখেন মিলে মিশে কিছু করতে পারেন কিনা। এ বিষয়ে মনজুরুল হক ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। উনিও একজন কিশোর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, এসব সাংগঠনিক ব্যাপারে দুর্দান্ত করিৎকর্মা
লেখক বলেছেন: আপনার প্রার্থনা সত্যি হোক
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে
রঙধনু বলেছেন:
বাল চাল কথা না পাইড়া আসেন কামের কিছু করি।.............................
অমি ভাই পেপাল বা অ্যালারটপের আইডি দেন ।দেখি আমি ছোট লোকের বাচ্চা কিছু করতে পারি কিনা।
...........................
ছোট লোকের বাচ্চা আর যদি কেউ থাকেন তাইলে আগাইয়া আসেন।
লেখক বলেছেন: যা করেন ঠান্ডা মাথায় করেন। কয়েকজন মিলামিশ্যাই করেন। আমার দরকার নাই। আপনারাই পারবেন
রাহুল বলেছেন:
বুকের ভীতর একটা চিন চিনে ব্যাথা অনুভব করলাম।প্রচন্ড ভালো লাগলো ঘটনাটা শুনে যদিও আমিও এ লজ্জার একজন অংশিদার।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
আর ২০-৩০ বছর পরে হয়তো দেশে কোন মুক্তিযোদ্ধা থাকবে না। ঋণ শোধের জায়গাটাও থাকবে না।আচ্ছা, তখন আমরা কি নিয়ে রাজনীতি করবো?
লেখক বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধ নিয়া রাজনীতি আজীবনই করতে পারবেন চাইলে
আর যারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নয় তারা সবকিছু পেয়েই যাচ্ছে, পেয়েই যাচ্ছে।
লেখক বলেছেন: নিয়মটা একদিন হয়তো বদলাবে, ঠিক বদলাবে
আই আনাম বলেছেন:
অমি রহমান পিয়াল ভাই আপনারে স্যালুট। লেখাটা পইড়া এখনও শরীরটা কাঁপতেসে। চোখ ছলছল করতেসে। আমি লজ্জ্বিত। সত্যিই খউব লজ্জ্বিত।
প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ব্লগ ৪১৬ বলেছেন:
সবাই মিলে শহীদুল ইসলামের পরিবারের জন্য কিছু করলে কেমন হয়। আমরা যে যেভাবে পারি সহায়তা করলাম।
লেখক বলেছেন: আপনার মতো অনেকেই আগ্রহী। পরিকল্পনা করে একটা কিছু করেন। বাচ্চাদের পড়ার খরচটা, তার স্ত্রীকে একটা দোকান করে দেওয়া- এরকম কিছু
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
স্যালুট আপনাকে। আই আনামের মতো অবস্থা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও
লেখক বলেছেন: কোনো বীরত্ব নাই
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
লেখাটা পড়ে বুকের ভিতর কেমন করে উঠলো। আমরা জাতি হিসাবে এখনও কোথায় পড়ে আছি, সঠিক লোকদের মর্যাদা দিতে জানি না। লেখাটা শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য
আপনারে আর কতো স্যালুট দিমু...
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
লালু বলছেন কিছু পাবার জন্য যুদ্ধ করেন নাই, হয়ত ব্যক্তি লেভেলে কথাটা ঠিকই বলছেন, 'একজন একজন করে কতজনকে কে সাহায্য করা যায়?' এধরনের সামষ্টিক চিন্তা যে জীবনের ভয়াবহ দুঃসময়েও তিনি করতে পারছেন সেখানে তাঁর স্পিরিটটা টের পাওয়া যায়
কিন্তু একটা কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের দাবী তারপরও বকেয়া থেকে যায় (যেটা হইলে "দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধা"র কষ্টের খবরগুলা হয়ত আমাদের শোনা লাগতোনা) ... লালুর মৃত্যুতে সেই অনুভূতিটুকু সবার হোক
আপনাকে বরাবরের মতোই স্যালুট পিয়াল ভাই
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
কৌশিক বলেছেন:
স্যালুট পিয়াল ভাই আমাদের অস্তিত্বকে অনবরত স্মরণ করিয়ে দেবার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
তৌফিক বলেছেন:
পিয়াল ভাই আমাদের গ্রুপে পোস্টটা আবার দেয়ার জন্য অনুরোধ করছি। গ্রুপে স্টিকি করতে গিয়ে ভুলক্রমে মুছে গেছে।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা দিলাম আবার
লেখক বলেছেন: আমারও
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
আরে ছোটলোকের বাচ্চা না!!! হোক না দেশের কামে লাগছে , ফরমাইশ কাটাই তো তার কাম। বারান্দায়তেই মরব!!!!!!!!!
_____________________________
ছোটলোক শব্দটা/ তার অস্তিত্ব তাড়ানির আন্দোলনতো এখনও হল না এই উপমহাদেশে।
লেখক বলেছেন: লাজওয়াব
মাসুদুল হক বলেছেন:
এ লজ্জার আর ঘৃণার অনুভূতি কাটিয়ে উঠা বোধহয় আমাদের আর হয়ে উঠল না !এ দেশের সব ভাগ্যবিধাতাদের প্রতি ঘৃণা .... ভালোমানুষীর নামে, দেশপ্রেমের নামে, ধর্মের নামে মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি নিরন্তর ঘৃণা আর ঘৃণা....
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে, বাকিদের জন্য ভালোবাসা
রুবেল শাহ বলেছেন:
এই লেখাটা পড়ে হয়তো অনেকের চোখে জল ঝরবে, হৃদয়টা মোচড় দিয়ে উঠবে কিন্তু ক দিন ...... ?
সাধারণ মানুষের জীবনমানের উন্নয়নের কথা সব সময় শুনে আসছি রাষ্ট প্রধানদের মুখে।
সাধারণ মানুষের কথা বাদ দিলাম রাষ্ট কি কোন হিসাব দিতে পারবে এই বীরেরা কে কোথায় আছে ?
এই সব বীরদের খোঁজ খবর রাখার দায়িত্ব রাষ্টের, সাধারণ মানুষের।
লালু বুলুরা সাইন বোর্ড ওদের নাম বেচে খায় খালেদা হাসিনারা ........
রাষ্টে লাখ লাখ টাকা খরচ করে দুইটাকার ইয়েছ উদ্দিনরা চিকিৎসা পায়। আর বিনা চিকিৎসায় মারা যায় দেশের শ্রেষ্ট সন্তানরা।
কবরে ফুল চাইনা, মরার পরে লাশের উপর পতাকা চাইনা, চাইনা রাষ্টের টাকা খরচ করে শোকবাণী ছাপা হউক।
জানি লালুই শেষ নয় এরকম আরো অনেক বীরের ভাগ্যে এমনটাই হবে হয়তো। তারা সুচিকিৎসা পাক বা না পাক। তাদের সন্তানদের যেনো ভিক্ষা করতে না হয় , কারো করুনা নিয়ে বেঁচে থাকার স্বপ্ন যেনো দেখতে না হয়।
চাই রাষ্টিয় ভাবে এদের মানুষ করার দায়িত্ব নেয়া হউক।
======
পিয়াল ভাই : স্যালুট আপনাকে।
লেখক বলেছেন: রাষ্ট্র কিঙবা নাগরিক- কেউতো এগিয়ে আসুক
ফ্রুলিংক্স বলেছেন:
আবেগ দেখানো পর্যন্তই সীমাবদ্ধ।উনার ছেলেমেয়েদের জন্য কিছু করা ইচ্ছে রাখি। দূর থেকে অনেককিছুই সম্ভব নয়। যদি কেউ উদ্যেগ নিয়ে থাকেন তাহলে জানানো অনুরোধ।
আপনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে ছোট করতে চাই না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। অনেকের মধ্যে আগ্রহ দেখা গেছে, এখন কেউ দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসলেই হয়। আমি এই একটা ব্যাপারে আবার দূর্বল কিসিমের
লেখক বলেছেন: ভালোই বলছেন
লেখক বলেছেন: এই আক্ষেপ ক্ষোভে রূপান্তরিত হোক
স্বাধীনতা৭১ বলেছেন:
"যে পতাকার জন্য জীবনবাজি, মরণের পর সেটা কফিনে মোড়ক হয়।"হে বীর সন্তান লালু এই নির্লজ্জ জাতিকে তুমি ক্ষমা করো.....
লেখক বলেছেন: ক্ষমা না কইরা উপায় কি
ধূসর মানচিত্র বলেছেন:
প্রচন্ড মন খারাপ হয়ে গেল লেখাটি পড়ে। শুয়োরের বাচ্চা নিজামি-সাকা গংদের গাড়িতে পতাকা উড়ে, কিছু মুক্তি্যোদ্দা নিজেদের স্বার্থে প্রতিনিয়ত দেশকে ধর্ষন করচ্ছে আর লালুদের মত নির্লোভি সত্যিকারের মুক্তিযোদ্দারা এভাবে মারা যায়। আমরা অকৃতজ্ব জাতি দিতে পারি না সেই মুক্তি্যোদ্দা ছেলেমেয়েদের সাধারণ অধিকার পড়া-শুনার অধিকার। রাজনীতি মঞ্চে আমরা গাল ভরে উচ্চারণ করি দেশ ব্যর্থ রাস্ট করার চক্রান্ত চলছে। দেশতো অনেক আগেই বিক্রি হয়ে গিয়েছে অথবা ব্যর্থ রাস্ট্র হয়ে গিয়েছে নিজামিদের হাতে এবং বেইমান মুক্তিযোদ্দাদের কাছে। আর আমরা মধ্যবিত্ত শিক্ষিত বাঙ্গালিরা বসে আঙ্গুল চুষবো আর স্বপ্ন দেখবো একদিন আমার হাতে আমার মা, আমার মাতৃভমি লুন্ঠিত হবে এবং সেই লুন্ঠনের টাকায় গড়ে উঠবে আমাদের অট্রালিকা প্রাসাদ। লালুদের মত মুক্তিযোদ্দা অথবা আমাদের অন্নদাতা শ্রমদাতা কৃষক-শ্রমিকদের কথা অথবা তাদের ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া অথবা ভাতের কথা চিন্তা করার সময় কোথায় আমাদের এই মিডলেয়ারের।বরাবরের মত অনেক ধন্যবাদ। পোস্টখান ফেসবুকে শেয়ার করছি এবং মেসেঞ্জারে আজকের জন্য লিংক হিসেবে দিচ্ছি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
কী করা যায় বলেন তো?
লেখক বলেছেন: লালুর তো একটাই স্বপ্ন ছিলো- ছেলেমেয়েগুলা শিক্ষিত হোক। অনেকে আগ্রহ দেখাইছেন, কেউ একজন দায়িত্বটা নিলে একটা কিছু নিশ্চয়ই করা যায়।
চন্দন বলেছেন:
‘আমি ভাই স্বীকৃতির জন্য কিংবা ভাতা পামু বইলা যুদ্ধ করি নাই। দেশরে ভালোবাইসাই করছি। আমার চাওয়া বলতে আমার সন্তানগুলান যেন মাথা উচু কইরা এই সমাজে চলতে পারে।’কিন্তু বেতনের অভাবে স্কুল থেকে লালুর ছেলের নাম কাটা গেল।
হায়রে দেশ....
হায়রে জাতি এখনও আমরা আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রাপ্য অধিকার টুকুই দিতে পারিনি।
লেখক বলেছেন: পারিনি যদি উপলব্ধিসূচক হয়, পারাটা কি কর্তব্য নয়?
লেখক বলেছেন: স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
ফুরােমান বলেছেন:
ধন্যবাদ। মুক্তিযোদ্ধা শব্দটা শুনলেই একটা শিহরণ অনুভব হয়। আমি মুক্তি যুদ্ধ দেখি নাই, তবে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তিবাহিনীর সাথে আনসার-ভিডিপিদের লড়াই দেখেছি। যুদ্ধের মাঠে জীবন-মরন খেলা কতটা ভয়ংকর তার কিছু দৃশ্য সবময় আমার চোখে ভাসে। তাই যুদ্ধ, যোদ্ধা এবং বীরত্ব এই শব্দগুলোর গুরুত্ব সম্পর্কে আমার কিছুটা ধারণা আছে।লালু ভাইকে আমার লাল সালাম। সালাম লেখকের জন্যও।
লালু ভাইয়ের পরিবারের জন্য কেউ কোন উদ্যোগ নিলে আওয়াজ দিয়েন।
লেখক বলেছেন: বললাম তো কাউকে একটা পোস্ট দিয়ে আওয়াজ দিতে। তাতে আগ্রহীরা হয়তো তাদের সহযোগিতার কথা জানাতো
জিলাপীর প্যাঁচ বলেছেন:
+++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: হইলে কানতেন, এই যা, আর মরলে পাবলিক চুক চুক করতো, সরকার গালি খাইতো, আর আমি পোস্ট লিখতাম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনারে, বলাটা আসলেই সহজ, আমি কিন্তু ভাই বড়লোক হইতে চাই।
লেখক বলেছেন: পারিনি এটা রাষ্ট্রীয় তরফে চাপিয়ে দিচ্ছে সবাই, ব্যক্তি উদ্যোগে অনেকে কিছু করতে আগ্রহী
মাত্র কালই একটা শিরোণাম দেখলাম, " রাষ্ট্রীয় সন্মানে দাফন নয়, চিকিৎসা চাই"।
এভাবে চলতেই থাকবে, এক্সময় আর কোন মুক্তিযোদ্ধা বঁচে থাকবেন না। তখনি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবে কতৃপক্ষ।
লেখক বলেছেন: হুমম, বোঝা যত কমে তত ভালো
জন্ম থেকে জ্বলছি বলেছেন:
++ কিন্তুু বিবেকের তাড়নায় ভুগি
লেখক বলেছেন: কিছু বলার নাই
শাহাব আহমেদ মামুন বলেছেন:
ছি ছি ছিধিক্কার বাঙ্গালী ধিক্কার বাঙ্গালী
সারা জীবন মুক্তিযোদ্দার সাইনবোর্ড পিঠে ঝুলিয়ে কি করলেন আমার দেশের সোনার রাজনীতিবীদরা ??? আর আওয়ামীলীগ সরকারতো খুব বড় বড় কথা বলে ক্ষমতায় থাকার পরও এই অবস্থা??
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে, এইবার বাংলাদেশী হিসেবে আপনি আপনার দায়িত্ব পালন করেন
ফেরারী পাখি বলেছেন:
মনটা ভীষন ভীষন খারাপ হয়ে গেল। কি দুঃসহ জীবন যাপন করে মারা গেলেন তিনি, চিন্তাই করা যায় না!এঁদের আত্মত্যাগেই আজকের আমরা একটা স্বাধীন দেশে দাঁড়িয়ে আছি অথচ কখনও কোনভাবেই এঁদের কোন উপকারে লাগলাম না।
কেবল এঁরা নিউজ হলেই খবর পাই------------কি লজ্জা!
লেখক বলেছেন: সেটাই, দেখেন তারপরও উপকারে লাগা যায় কিনা
মাছুম পলাশ বলেছেন:
এক নিঃশ্বাসে পুরোটা পড়লাম। কেমন যে লাগছে বলে বুঝানো যাবে না। এটাই বাংলাদেশের দৃশ্য। তবে আমাদেরই উদ্যোগ নেওয়া দরকার। +++++ প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: উদ্যোগ নিন
এম এস জুলহাস বলেছেন:
অন্য কোনটা না হলেও অনুগ্রহ পূর্বক " ভেঙ্গুল " শব্দটা " ভেঙ্গুলা " নামে পরিবর্তন করে দে'য়ার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি।
লেখক বলেছেন: দুঃখিত ঠিক করে দিচ্ছি
হাসান বায়েজীদ বলেছেন:
লালু আদায় করে নিতে পারেননি তার বীরপ্রতীক সনদের জোরে। খুব ক্লেশভরেই বলেছিলেন- আমার থিকা অল্প বয়সী লোকজন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা তুলে। কিভাবে তুলে! আমি ১২ বছর বয়সে যুদ্ধ করছি, তারা কত বছর বয়সে করছে?...সামান্য ভাতা তোলার জন্যে একজন বীরপ্রতিকের আক্ষেপ থেকেই বোঝা যায় আমরা কি পদের জাত! প্রচারের আড়ালে এইভাবে শেষ হয়ে যাবার আগে তাদের কথা জানতে চাই বস। সম্ভব হলে কিছু করতেও চাই। শেষ হয়ে গেলে খালি খালি দু:খ প্রকাশ/শোক সন্তাপ জানানোর কালচার আর ভাল্লাগেনা। জন্মের পর থিকাই দেখতাছি।
লেখক বলেছেন: একটা পোস্ট দেন, স্পেসিফিকালি কি করতেন চান জানাইয়া। আরো অনেকে আপনার সঙ্গে থাকবে
লেখক বলেছেন: প্রশ্নটাও সহজ আর উত্তরও তো জানা।
জোবাইর বলেছেন:
আশা করি এই তথ্যসমৃদ্ধ পোস্টটি পড়ে আমরা সত্যিকারের ছোটোলোকের পোলাদের বোধোদয় হবে। পোস্টের জন্য শুধু গদবাধাঁ ধন্যবাদ আর স্যালুট দিলেই হবে না। একটা উদ্যোগ নিন যাতে এই বীরপ্রতীকের এতিম সন্তানদের জন্য আমরা ছোটোলোকের পোলারা কিছু করতে পারি। সম্ভাব্য সহযোগিতা করব।
লেখক বলেছেন: কেউ একজন দায়িত্ব নেন। এই পোস্টে অনেকেই আগ্রহ দেখাইছেন। একটা ভিন্ন পোস্ট দিয়া এই ব্যাপারে বাকিদের একত্র করেন। তারপর নিশ্চয়ই কিছু হবে
স. ম. হাসান বলেছেন:
এদেশে ক্ষমতাবানরা কিছু করার কথা বলে দায়িত্ব নেয় এবং দায়িত্ব পেয়ে কেবল শুয়োরের মত ঘুমায়। কেবল যদি ঘুমিয়ে থাকতো তবুও স্বস্তি ছিল, ওই শুয়োরগুলো আবার মাঝে মাঝে যে অনাসৃষ্টি তৈরি করে তা সাফ করতে জাতির লেগে যায় অনেক সময়। হায়রে -----
লেখক বলেছেন: আপনার ক্ষমতায় কতটুকু পারেন?
আমাদের ছোটবেলায় শিখানো হইছে "ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগি মারা গেলো।"
সবাই+সরকার এটাই ভালো করে শিখছে।
খারাপ লাগে,লজ্জা লাগে।
লেখক বলেছেন: নো কমেন্ট
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কি করে আমাদের মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রালয়? এটা চালায় কারা? প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের মরোনত্তর মুল্যায়ন(!) করার যে সংস্কৃতি আমরা লালন করে আসছি তার লজ্জা কি একটুও এদের গায়ে লাগেনা?
লেখক বলেছেন: লাগলে তো কথাই ছিলো না, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়ের কাজ হইলো মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জুয়ার টাকার ভাগ বাটোয়ারা
লেখক বলেছেন: লেখাটা পড়ছেন? যদি পড়েন তাইলে প্রশ্নটা করতেন না। এতগুলা মানুষ পড়লো কারো মনে যেইটা আসলো না সেইটা আপনার মধ্যে আসলো কেনো! আপনে এতই চালাক?
বিপ্লব রহমান বলেছেন:
হায় রে পোড়া দেশ!!...
লেখক বলেছেন: হুমম
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
অন্য ব্লগে গত রাতেই পড়েছি লেখাটা। স্বীকার করছি, আমার মতো নির্মম লোককেও আবেগে পেয়ে বসেছিল গত রাতে।অফটপিক :
অস্ট্রেলিয়ান হেঁশেলজীবী বৈজ্ঞানিক ছাগীরে দেখতেছি খুব খেয়াল কৈরা, দিনভর ন্যাকামি কর্তেছে নানান পুস্টে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক পোস্টগুলাতে তারে দেখা যায় না। মনে হয় মুক্তিযুদ্ধ ছাগীরে বেশ পুড়ায়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। হাহাহা, না আমি তারে ট্র্যাক করি না, তাই গতিবিধি জানা নাই।
লেখক বলেছেন: গ্রেট। এইতো এইভাবেই হয়ে যায়। স্যালুট কমরেডস
খোমেনী ইহসান বলেছেন:
এই পোস্টটা পড়ে কার কী লাভ হবে জানি না তবে পোস্টের মন্তব্যের ঘরে অনেক অশ্রু বর্ষিত হবে যাকে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি ঋণ শোধ মনে করে অনেকেই পুলক বোধ করবেনকিন্তু আমার ভেতরে প্রচন্ড ঝড় বয়ে যাচ্ছে
হায় এ কোন দেশে আছি? এ দেশে যা কিছু হয় সব রাজাকারদের কেন্দ্র করেই। তাদের বিচারের জন্য দেশে মন্ডপ তৈরি হয়, মিনার তৈরি হয় অনশন হয় খানাপিনা হয় তাদের বিচার করার জন্য যেমন চাপ থাকে তেমনি বিচার না করার চাপ থাকে
তাদের দেখভাল করার দায়িত্ব শুধু বাংলাদেশই নেয় না বাইরের রাষ্ট্রও নয় তাই তারা খারাপ থাকতে পারেন না মনে হয় বাংলাদেশে তারাই প্রথম শ্রেণীর নাগরিকই নন শুধু তারা আন্তর্জাতিকও তাদের দেখার জন্য রাষ্ট্রের অভাব নাই
কিন্তু যারা বাংলাদেশটা বানাইলো, এর জন্য রক্ত দিলো, শ্রম দিলো তাদের দেখার জন্য কেউ নেই তাদের পরনের লুঙ্গি নাই, ভাতের থালায় ভাত নাই এইটা দেখার কেউ নাই বাংলাদেশ রাষ্ট্রও তাদের দেখতে চায় না দেখতে বাধ্য করার জন্য এই দেশকে কেউ চাপও দেয় না সৌদি, পাকিস্তান, ভারত, আমেরিকা, চীন, রাশিয়া কেউই আমাদের মন্ত্রীদের বলে না যে তোমাদের মুক্তিযোদ্ধরা না খাইয়া, না পিন্দা আছে তাদের কেন দেখো না তাদের না দেখলে আমরা তোমাদের চাপ দিমু সাহায্য বন্ধ করে দিমু
কিন্তু রাজাকারদের জন্য তারা মন্ত্রীদের গোয়ায় ছাপ্পর মাইরা নির্দেশ নামা ঝুলায়া দেয় তারপর মন্ত্রীরা প্রতি দিন গোয়ার দিকে তাকায় আর রাজাকারদের কোন সমস্যা করা যাবে না এইটা ইয়াদ করে
কী আর করা!
এমতাবস্থায় এই ব্লগে যারা রাজাকারদের বিচার চাওয়ার যুদ্ধ করে বীর শ্রেষ্ঠ, বীর প্রতিক ও বীর উত্তম ইত্যাদি খেতাব অর্জন করেছেন তাদের প্রস্তাব করিতে চাই আপনারা দয়া করে রাজাকারদের বাল ছেড়াছেড়ি বন্ধ করেন গতরে যদি একটু শক্তি থাকে তারে মুক্তিযোদ্ধাদের বাচায়া রাখার কাজে লাগান
শুইনে রাইখেন যে দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের ভালো রাখারই উদ্যোগ থাকে না সেই দেশে রাজাকারদের বিচার দাবি ফালতু কথা, একট ব্যাবসা ও বেশ্যামি কারণ মুক্তিযুদ্ধ নিয়া যদি আমাদের প্রথম কোন কর্তব্য স্থির হয় সেইটা হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধাদের বেচে থাকার অধিকার ও সুযোগ নিশ্চিত করা এইটা কোন প্রমাণ না রেখে নিজামীর বাল ধরে টানাটানি খুব বেমানান
তাই এই ব্লগে একটা প্রস্তাব রাখছি আপনারা যদি পারেন মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কিছু করেন, আমি দুয়েক জায়গায় উদ্যোগ নিয়ে দেখেছি আপনারা রাজাকারদের কাপড় টেনে তাদের গোয়া দেখতে যতো না আগ্রহী তার চেয়ে অনেক বেশী অনাগ্রহী একজন গরিব মুক্তিযোদ্ধার পেটপুরে ভাত খাওয়া দেখতে
লেখক বলেছেন: যা কইছেন তার জবাব দেখি অন্যরাই দিয়া দিছে, আমার আর নতুন কিছু বলার নাই।
শাওন৩৫০৪ বলেছেন:
আমিও দলভুক্তই থাইকা গেলাম...মাঝে মাঝে একটু আধটু মেজাজ খারাপ হৈয়া উঠা..
আপনারে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনারেও
ত্রিশোনকু বলেছেন:
আমরা অকৃতজ্ঞ, কৃতঘ্ন একটি জাতি আবার তা প্রমানিত হ'ল। যে জাতি নিজ বীরদের সম্মান করতে জানেনা সে জাতির ভিক্ষুকের প্রাপ্য সম্মানের চেয়ে বেশী কিছু কোনদিনিই অজর্ন করতে পারবে না।___________________________________________
অসাধারন লেখা। + এবং প্রিয়তে।
___________________________________________
আমার সাথে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করছি। এই পোস্টের ব্যাপারেই।
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে
সবাক বলেছেন:
আমার মনে হয় শহীদুল ইসলাম লালু কে নিয়া অত বেশি ব্যাবসার চান্স ছিলো না। নইলে অন্তত একটা রাস্তার নামকরণ হলেও তার জন্য হইতো।
নোয়াখালীতে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের নামে রাস্তা হইছে, চৌরাস্তায় ট্রাফিক পয়েন্টে একটা মিনার হইছে। কিন্তু তার পরিবার খুবই টানাপোড়নের মধ্যে আছে।
শুনছি মাসে মাসে সরকারের কাছ থেকে কিছু টাকা পায়। কিন্তু এটা কোন ধরনের পুনর্বাসন! সে পুনর্বাসন তাকে পরোমুখাপেখী করে রাখবে!
অবহেলিত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারগুলোর স্থায়ী পুনর্বাসন দরকার। যাতে করে অন্তত কারো কাছে হাত পাততে না হয় এবং এ ধরনের নির্লজ্জ নাগরিক ভূমিকার সম্মুক্ষীণ হতে না হয়।
লেখক বলেছেন: ভালো বলছেন। এই দায়িত্বটা আসলে স্বাধীনতা পরবর্তী মুজিব সরকারের ছিলো, সঙ্গতকারণেই তারা ব্যর্থ। এরপর তো শুরু হইলো স্বাধীনতাবিরোধী পুনর্বাসন। আর মুক্তিযোদ্ধাদের টিকে থাকার লড়াই, সেটাও পেটেভাতে টিকে তাকা
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:
খুব বেশি কিছু না, শুধু বলতে চাই এখনই সময়। আসেন ব্যক্তি উদ্যেগে কিছু করি। সরকারী উদ্যেগের আশায় বসে থাকলে পরকালেও এই অবহেলিত জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের এই ঋন শোধ করতে পারব না। আপনাদের মধ্যে থেকে যারা অভিজ্ঞ বিশেষ করে মঞ্জুরুল হক ভাই বা আপনি একটা পদক্ষেপ নেন। কিভাবে কি করা যায়। ইনশাল্লাহ কথা দিচ্ছি এই ঋন শোধের কাজে বা সমাজ বদলের যে কোন পদক্ষেপের সাথে ছিলাম , আছি এবং থাকবো।
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই, মঞ্জুরুল হক ভাই আমারও পছন্দ
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
ছাগখোমেনী @
"রাজাকারদের বাল ছেড়াছেড়ি বন্ধ করেন" মানে কী? "....সেই দেশে রাজাকারদের বিচার দাবি ফালতু কথা, একট ব্যাবসা ও বেশ্যামি"- এই কথার অর্থ কী?
সবাক বলেছেন:
@খোমেনী
আপনি মনে হয় কৌতুক করতে এই পোস্টে আইছেন।
কতো সোন্দর আপনার ইস্যু! বাংলাদেশীদের গতরে শক্তির অভাব নাই। সেইটা আপনার মইত্যা গোলামরা একাত্তরে টের পাইচে। মুক্তিযোদ্ধাগো শারিরীক বেঁচে থাকার জন্য পুনর্বাসন দরকার। আবার মানসিক প্রশান্তিতে বাঁচার জন্য রাজাকারগো পুটকিতে আগুন জ্বালানোর দর্কার আছে।
বাইম মাছের মতো পিছলাইয় পিছলাইয়া পুঁথি পইড়া কোন লাভ হবে না।
নীরো ইমাম বলেছেন:
লেখাটা মর্মস্পর্শী। কিন্তু আমাদের দরকার সত্যিকার উদ্যোগ যাতে অবহেলিত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কিছু করা যায়। উদ্যোগের অপেক্ষায় রইলাম।
লেখক বলেছেন: কেউ কেউ আগ্রহী
লেখক বলেছেন: হুমম
লেখক বলেছেন: যাই নাই, আছি
তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন:
কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রঙা,বন্দিশালার ঐ শিকলভাঙা
তারা কি ফিরিবে আর সুপ্রভাতে?
যত তরুণ অরুণ গেছে অস্তাচলে।।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যে প্লাস
খোমেনী ইহসান বলেছেন:
@ ফিউশন ফাইভএই কথার অর্থ হচ্ছে প্রথম কাজ আমাদের প্রচেষ্টার অভিমুখটা রাজাকার কেন্দ্র থেকে সরিয়ে মুক্তিযুদ্ধ কেন্দ্রে স্থির করুন।
দেখেন সবাই ভোট দিয়া একটা সরকার আনলো রাজাকারদের বিচার করার জন্য, সেই সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজাকারদের বিচার আজ কোথায় গেছে
অথচ তাদের ক্ষমতা গ্রহণের ৫ম মাসেই বীর প্রতীক লালু অবহেলায় মারা গেল
যদি ইস্যু মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে থাকতো তাহলে এমন হতো না
আপনাদের কাউকে আহত করতে চাই না, শুধু মিনতি এই-রাজাকারের বিচার করতে হলে তো মুক্তিযুদ্ধকে ভিত্তি ধরেই করতে হবে। সেখানে মুক্তিযোদ্ধারা বেঘোরে প্রাণ হারালে ভিত্তিটা কী নড়বড়ে হয় না??
কুতুব্ বলেছেন:
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: এই পোষ্ট পড়ার পর আমার একটি প্রস্তাবনা আছে পিয়াল ভাই।এই ব্লগেই ব্লগারদের মাধ্যমে একটি মুক্তিযোদ্ধা ফান্ড তৈরী করা হোক। এবং দ্ররিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরী করে তাদের নাম, ঠিকানা প্রকাশ করবার একটি ব্যবস্থা করা হোক। আর ঐ ফান্ড থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে দাড়ানোর সুযোগ তৈরী করা হোক। না আল্টিমেটলি এই ধরনের আরেকটি গল্প আমাদের পড়তে হবে। যা হবে লজ্জাকর।
একটি প্রজন্ম আমাদের দেশ দিয়ে গেছে। আর সেই প্রজন্মকে আমরা কি দিলাম? আর পরবর্তী প্রজন্মই বা আমাদের প্রজন্মের কাছ থেকে কি শিক্ষা নিলো?
আমার অনুরোধ পিয়াল ভাই। একটা কিছু তো করা উচিত। .............
আমিও তাই বলি। আসুন করি কিছু একটা, মুক্তিযোদ্ধাদের বেশীরভাগই এখন বয়স হয়ে গেছে, আমাদের এই কিছু করার সুযোগটাও দিনে দিনে শেষ হয়ে আসছে। আগ্রহীরা কোনো ছুটির দিনে একসাথে কোথাও দেখা করা যায়, করনীয় নিয়ে আমরা কথা বলতে পারি, আমরা তো সবকিছুকেই শেশ পর্যন্ত বিতকিত করে ফেলি। কথা বলে এই প্রক্রীয়াটাকে কি করে বিতর্কের বাইরে আর কার্যকর ভাবে করা যায় সেটা নিয়ে আসুন আলোচোনা করি। সরকার কিছু করে না বা করে নি, এসব সমালোচোনা তো অনেক হোলো, লাভ কি, আসুন, আমরা নিজেদের চেস্টায়, ছোটো করে হলেও কিছু করি, অন্তত নিজের বিবেকের কাছে আর ছোটো না হই।
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই উদ্যোগ নিন, প্রত্যক্ষভাবে না থাকি পরোক্ষ সমর্থন থাকবেই
লেখক বলেছেন: তাও কিছুতো বলছেন
খোমেনী ইহসান বলেছেন:
@ সবাকমুক্তিযোদ্ধাগো শারিরীক বেঁচে থাকার জন্য পুনর্বাসন দরকার। আবার মানসিক প্রশান্তিতে বাঁচার জন্য রাজাকারগো পুটকিতে আগুন জ্বালানোর দর্কার আছে।
আপনার এই বক্তব্য সমর্থন করি কিন্তু ভাই যান পুটকি নিয়া যতো না ব্যস্ত মুক্তিযোদ্ধাদের অসুস্থ্য শরীর নিয়া তো আপনারা ততোই নিরস্ত্র
ফাজলামোর একটা জায়গা থাকা উচিত! স্বাধীনতার ৩৮ বছর পরে এক জন বীর প্রতীক এভাবে মারা যাবে আর পুটকিদহন ব্যবসা করে যাবেন:?
একে খন্দকার সেক্টর কমান্ডারর্স ফোরাম করে পরিকল্পনা মন্ত্রী হলেন তিনি কোন বালের পরিকল্পনা করলেন? ক্ষমতা নেয়ার ৫ মাসের মধ্যে একজন বীর প্রতীককে চিকিৎসা সুবিধার মধ্যে আনা গেলো না
পষ্ট করে বলি এদেশে মুক্তিযুদ্ধ কিছু মানুষের ক্ষমতা নেয়ার উছিলা
আর ইসলামও কিছু মানুষের ক্ষমতা নেয়ার উছিলা দু্ইটার সমস্যা এক জায়গার মুক্তিযুদ্ধপন্থীরা ও ইসলামপন্থীরা ক্ষমতার ভাগ শুধু পেয়েই যায় কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের গতরের ছিন্ন কাপড় যেমন চ্যাঞ্জ হয় না তেমনি ইসলামেরও কল্কে খুজে পাওয়া যায় না।
লেখক বলেছেন: আপনি পরে আসেন, আমরা অন্য ব্যাপারে বিজি আছি
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
বেঁচে থাকার মৌলিক চাহিদা পূরণ না হলে সে জীবন আর মানুষের কেনো!
আমাদের জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে অনেক বড় কিছু করা সম্ভব........
কত কিছু শুনছি,দেখছি...........
সবকিছু শধু কাগজের নিয়ম হয়ে সীমাবদ্ধ থেকে যায়।
বীরপ্রতিক শহীদুল ইসলাম তো চলে গিয়ে বাঁচলেন........তার মত অনেকেরই রেখে যাওয়া গ্লানি নিয়ে জীবন কাটাতে আমরা অভ্যস্ত হয়ে গেছি।
ক্ষমতা হস্তান্তর হচ্ছে সময়ে সময়ে........
সাধারন মানুষের জীবনে কই কিছু কি বদলাচ্ছে?
আমাদের যুদ্ধ কি কোনদিনও শেষ হবেনা?
ধন্যবাদ আপনাকে চোখ খুলবার প্রচেষ্টা করাবার জন্য।
ভালো থাকবেন।
আপনাদের উপর অনেক দায়......
সাথে আছি যে কোন সুন্দর উদ্যোগে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। কেউ নিশ্চয়ই উদ্যোগি হতে যাচ্ছে। সাথে থাকার প্রতিশ্রুতির জন্য কৃতজ্ঞতা
শয়তান বলেছেন:
বাড়ি বলতে মীরপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে ময়লার ঢিবির ওপর কোনোমতে চালা টাঙ্গিয়ে চার ছেলেমেয়ে নিয়ে থাকা। সেটাও কর্তৃপক্ষের দয়ার দান। লালু আদায় করে নিতে পারেননি তার বীরপ্রতীক সনদের জোরে।
---------------
এই ধরনের কথা আমি আগেও বলেছিলাম । কিন্তু বিশ্বাস করেন নি আপনারা কেউই
০৩ রা আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০১
comment by: শয়তান বলেছেন: অল্প কিছু সুবিধাভোগী [ যারা সব সমাজেই থাকে ] এবং প্রধানত সিস্টেমের ত্রুটির কারনে এত জলদি কোন প্রকার উপসংহারে অথবা বটমলাইনে পৌছাটা ভাল লাগলো না ।
একটা দৃশ্য সময় পাইলে দেখে আইসেন । মুক্তিযোদ্ধা কল্যান ট্রাস্টের সবচেয়ে লাভজনক প্রতিষ্ঠান কোকাকোলা কারখানার উল্টো পাশেই একটা ক্যাম্প আছে । দেখে আসেন কি হাল এ বাস করছে ওখানকার লোকজন । বাত্তির নীচেই অন্ধকার ।
০৩ রা আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:১২
লেখক বলেছেন: এইটা সিস্টেমের ত্রুটি হিসেবে দেখাটা মনে হয় না ঠিক হবে।
সব সমাজেই সুবিধভোগী আছে এবং সেটাকে নিয়ন্ত্রন করতে পারাটাই প্রশাসনের সাফল্য বিবেচিত হয়। যারা মাঠে ময়দানে যুদ্ধ করছে তাদের অধিকাংশই ছাত্র এবং শ্রমিক, তাদের অধিকাংশই কিন্তু এইটার লাভের ভাগ উঠাতে পারে নাই,
যাদের ঘটে বুদ্ধি ছিলো, সুবিধাবাদীতা ছিলো, তারাই এই পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আখের গুছিয়েছে , এবং একই সাথে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী এবং তাদের সমর্থকেরাও এই একই কাজে লিপ্ত ছিলো। স্বাধীনতাপূর্ববর্তী সময়ে যত লুণ্ঠন হয়েছে কিংবা অর্পিত সম্পত্তি দখল হয়েছে ততটা পাকিস্তানের ২৪ বছরে হয় নি। এটাও একটা বাস্তবতা। সেসব কাজে নেতৃত্ব দিয়েছে মুক্তিযোদ্ধাগণই। তাদের সহায়তা করেছেও মুক্তিযোদ্ধারা, প্রতিরোধ করতে এসেছে কেউ?
সম্ভবত এমন সংবাদ দৈনিকে আসে নি।
-----------------
না রে ভাই আমি আবেগ টাবেগ সব গুটায়া ফেলসি । লাভ নাই এসবে আজকাল । সব কিছুকেই কেমন যেন ধন্ধ ধন্ধ মনে হয় ।
লেখক বলেছেন: ভালোই কইছেন। এটাই সিস্টেম
শাওন৭৯ বলেছেন:
গোটা জাতির মাঝে আমরা কজন লজ্জিত মানুষ এই পরিবারের কিছু করতে পারি না?দায়বোধটা যে আমাদেরই।
অরপি ভাইকে আবারো ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: দেখা যাক, করা হোক, করা যায় জাতীয় আওয়াজ তো উঠছেই। করা হবে নিশ্চয়ই
মুরুববী বলেছেন:
নাহ...স্টিকি ফিকি কইরা কি হইব? জিবিত থাকা কালিন কিছুই করতে পারলাম না আমরা....আজব এক জাতি আমরা....আফসুস।
লেখক বলেছেন: সেটাই
চিরসবুজ-মানব বলেছেন:
চির সুখী জন, ভ্রমে কি কখন ব্যাথিত বেদন বুঝিতে পারে? পিয়াল সাহেব আশা করি খারাপ অর্থে নিবেন না, আমাদের কে সমগ্র জাতির বা জনগণের স্বাস্থ্য সেবা স্বল্প মূল্যে করার ব্যাবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে স্বাস্থ্য বীমা চালু করা যেতে পারে। স্রেফ যাদের সামর্থ্য নাই তাদের সংখ্যার হিসাব রেখে সবার জন্য মাসিক ৫০ টাকা হারে বীমা করা যেতে পারে। অসামর্থ্যদের টা সরকার রাষ্ট্রীয় কোষাগার হতে দিবে। আর সবারই কিডনী বা লিভার সমস্যা সহজে হয় না। সে হিসেবে বিপুল পরিমাণ অর্থ তথা ১৫ কোটি লোকের মাসে ৭৫০ কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় ভান্ডারে জমা হবে। যদি আমরা জাতির বৃহত্তর স্বার্থে চিন্তা করি তো তাদের পাশাপাশি দরিদ্র ও অস্বচ্ছল মূক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের স্বাস্থ্য সেবাও নিশ্চিত হবে। আমরা যতই স্বার্থপর এবং লোভী হই না কেন এ রকম রাষ্ট্রীয় ব্যাবস্থা নিশ্চিত করা গেলে আমরা সহজে কেউ ফাকি দিতে পারব না। নতুবা শুধুমাত্র লেখনী ও মন্তব্য দ্বারাই আজীবন চলতে থাকবে। সরকার তো দিনবদলের কথা বলে ক্ষমতায় এসেছে। সরকারের কি এমন কেউ নেই যে জনগণের জন্য সূলভে এবং সহজে স্বাস্থ্য বীমার ব্যাবস্থা চালু করতে পারে? ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: কোন কোম্পানিতে এই বীমার পলিসিটা খুললে ভালো হয়?
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
এইজন্যই আমি কখনোই কারো জন্য রাস্তার পাশে দাড়িয়ে টাকা তোলার কোনো যুক্তি দেখি না। যদি কপাল ভালো থাকে তাহলে এমন অনেকেই মিডিয়া কভারেজের কারনে চিকিৎসার টাকা পায় আর যদি কপাল খারাপ থাকে কোনো লিংক না থাকে তাহলে সুশীল সমাজের লোকজন ফিরেও তাকায় না!আমাদের আসলে কিছুই নাই, আছে বুক ভরা আবেগ, কোনো দুঃখ বা হতাহসা জনক ব্যাপার দেখলে জাস্ট বুক ফেটে নিঃশব্দে অশ্র ঝরাই নিজের কপালকে দুষাই!
এর চেয়ে আর কীইবা বেশী করতে পারি! সেখানে আজ কত মুক্তিযোদ্ধা না খেয়ে থাকে দিনের পর দন, অপেক্ষা করে মৃত্যুর যেটা হয়তো পাকিস্তানী শত্রুরা দিতে পারেনি, সেটা সে পাবে সেই জাতীর জন্য যার জন্য সে নিজের জীবন বাজী রেখেছিলো!
জানি না এটা আমাদের জাতীয় ভাগ্য কিনা, তবে এখনো অবাক হই এত লান্ঞ্চনা পেয়েও তবুও এরা দেশেক ভালোবাসে, হাতে তুলে নেয় না সেই জং ধরা বেয়নেট অথবা রাইফেল, ধ্বংস করে দেয় না ভঙ্গুর সমাজ ব্যাবস্হা!
আমরা আসলেই সৌভাগ্যবান এমন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক আমাদের মাঝে পেয়েছি এবং আরো সৌভাগ্যবান যে এতটা স্বার্থপর, নিমক হারামি করে কি সুন্দর ছাড় পেয়ে যাচ্ছি দিনের পর দিন!
লজ্জা: কে যেনো বলেছিলো সেতো নারীর ভূষন হা হা হা হা হা...............
লেখক বলেছেন: টিপিকাল উদাসী মন্তব্য ![]()
নাহিদ মাহমুদ বলেছেন:
চালাক ভাবা-ভাবির কিছু তো নাই এখানে। আপনি যে হেডিংটা দিছেন "ওই ছোটোলোকের পোলাটা কিন্তু বীরপ্রতীক ছিল"---------- এই "ছোটলোকের পোলাটা" তো লেখায় দেখলাম না। উনারে এই গালিটা যে কেউ দিছে তা তো আপনে লেখেন নাই। আমারে ব্যাপারটা বুঝান। কে কি বুঝতো তাতে আমার কিছু আসে যায় না। আপনি আমারে এই ব্যাপারটা ক্লিয়ার করেন।লেখক বলেছেন: না আপনে পোস্ট পড়েন নাই ভালো কইরা। আবার পড়েন।
তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন:
মাইনাস দিলো কে?
লেখক বলেছেন: এইটা কি খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু?
নিশাচর বাদুড় বলেছেন:
মাইনাস মাইনাস এবং মাইনাসএই মাইনাস লেখকের পোস্টের প্রতি নয়। এই মাইনাস আমার নিজের, এই সমাজের, রাষ্ট্রের এবং আমাদের সকলের প্রতি।
রাষ্ট্রের এই সূর্য সন্তানেরা কেন আজও এইভাবে নিগৃহিত হবে??? আমাদের কি কোন দায়দায়িত্ব নেই??? নেই নুন্যতম কৃতঙ্গতাবোধ???
রাষ্ট্র না হয় তার কর্তব্য পালন করেনি তাই বলে আমরা কি করেছি???
এই মহান ব্যাক্তির অসামান্য কৃতিত্বের কথা যে গুটিকয়েক লোক জানতো কেন তারা তা পাদপ্রদিপের আলোতে আনেনি।
এ ব্যর্থতা ব্যাক্তিগত ভাবে আমার নিজের, আপনার , আমাদের সকলের। তাই আজ মাইনাস আমাদের সকলের প্রতি। এ মাইনাস ঘৃণা ও লজ্জার বহি:প্রকাশ। জাতি হিসাবে এ কলঙ্ক আমরা কোনদিন ও ঘোচাতে পারবোনা।
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে, কইষা মাইনাস
মো মুজাহিদ আলম বলেছেন:
কয়েকদিন ধরে নেটে ছিলামনা আজকে নেটে ঢেকে এই ষ্টিকি পোষ্টটি পড়ে এটাই চিন্তা করছি, যদি আজও নেটে না আসতাম আর এটা ষ্টিকি থেকে চলে যেত তাহলে কি অসাধারণ একটা পোষ্ট আমি মিস করতাম ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আমিও অপেক্ষায় আছি
জোবাইর বলেছেন:
@ নাহিদ মাহমুদ,পোস্টের ২৮-২৯ নম্বর লাইন দেখুন, নীচের লেখাটি পাবেন। এরপর বাকীটুকু বুঝতে চেষ্টা করুন।
"রাজনীতির কারণে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় কত ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা ঢুইকা গেছে, তারা ভাতাও তোলে। আর আমার পোলাপাইন না খাইয়া থাকে। কি করুম, আমি মূর্খ মানুষ। ছোটো লোকের পোলা।"
লেখক বলেছেন: হুদাই পার্ট, বুঝেন না
পল্লী বাউল বলেছেন:
সকালে পোস্টটি দেখে কাকে যেন বলছিলাম এটি স্টিকি করে না কেন?পোস্টটা স্টিকি করায় সামু কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।
অসাধারণ একটি পোস্ট দেয়ার জন্য পিয়াল ভাইকে কৃতজ্ঞতা।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
স্যালুট ।আপনি ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার কথা বলেছেন। তারা কোন ক্লাসে পড়ে? উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। জানাবেন আশা করছি।
লেখক বলেছেন: খোজ নিতে হবে
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন:
ভূয়ারাই এখন প্রকৃত! মুক্তি যোদ্ধা সেজে আছে। প্রকৃত মুক্তি যোদ্ধাদের কপালে এই পরিনতি কেন? এর কি কোন প্রতিকার হবে না?
লেখক বলেছেন: কারণ ভুয়াদের টাকার জোর আছে, সেইটা দিয়া তারা তাদের পাপের সদকা কিনে
হাসান বায়েজীদ বলেছেন:
যাই কিছু বলি আর করার কথাই ভাবিনা কেন, তাতে মন ভরেনা। মুক্তিযোদ্ধাদের ঋণশোধ করা এই অধমের কাম না। তবুও যেকোনো চ্যারিটির মধ্যে নিজেরে রাখতে পারলে ধন্য মনে করবো। ৭৫ নিয়ে আছে গভীর সন্তাপ, পরিতাপ। কিছুতেই মেনে নেয়া যায়না এটা বিষয়, "৭১ থেকে ৭৫ খুব বেশি দুরের ব্যাপারনা, অথচ, যেই বীর যোদ্ধারা শত্রুর প্রবল আক্রমন বুক পেতে ঠেকিয়েছে বঙ্গবন্ধুর ডাকে, ৭৫ এর ঘটনা কিভাবে মঞ্চায়িত হতে দিতে পারলো (না বলতাছিনা যে এইবারও দায়িত্ত্বটা তাদের ছিলো) তারা! কথাটা বরং এভাবে বললে হয় যে, তাদের এক যোগে দীর্ঘ নীরবতার মর্ম কি! যুদ্ধটা তো শুধু দেশকে শত্রুর দাসত্বমুক্ত করা না, এর চেয়েও বেশি একটা স্বপ্নও। বঙ্গবন্ধু বাঁইচা থাকলে একজন মুক্তিযোদ্ধারও এমন কৈরা মরতে হৈতোনা বইলা মনে করি।মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সবাই তো শহীদুল ইসলামের মতো "ছোটলোক" ছিলোনা! কেতা, এবং শিক্ষিত-দীক্ষিতরাও তো ছিলেন। তারা কেন গর্জে উঠেন্নাই! নিজেদের স্বার্থে তারা যুদ্ধ করেন নাই ঠিক, কিন্তু নিজেদের ভাগ্যে কি বিপর্যয় নেমে আসছে সেইটা তো অনুমান করতে পারতেন তারা না-কী?"৭৫"..ঐ একটা জায়গায় সব শেষ..এখন শালার দান-দক্ষিণা জোগার করতে হয় একদিন যারা দেশটারে আইনা দিছিলো! পুরা কপাল এরেই কয়, জাতির না, শুধু মুক্তিযোদ্ধাগর
লেখক বলেছেন: খারাপ কন নাই
চিরসবুজ-মানব বলেছেন:
অবশ্যই রাষ্ট্রায়াত্ব বীমা প্রতিষ্ঠান। সাধারণ বীমা, জীবন বীমা থাকলে বিশেষ ভাবে রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য বীমা কি অসম্ভব?
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে।
লেখক বলেছেন: আপনারেও ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: লজ্জা কাটান
অদ্ভুতুড়ে বলেছেন:
লজ্জা কোথায় রাখব
লেখক বলেছেন: আমি জানি না
তুষার ০০৭ বলেছেন:
শহিদুল ইসলাম লালুকে নিয়া গুগলে সার্চ দিয়া ইন্টারেস্টিং একটা লেখা পাইলাম শেয়ার করলাম লিংক: Click This Linkইচ্ছা করতাছে পত্রিকাওয়ালা গো গিয়া দুইটা জুতা মাইরা আসি।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস শুভ, পোস্টটা মিস করছিলাম আসলে
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
বস কিছু কমু না। নিজের উপর আর নিজেগো উপর ঘেন্না আইসা যায়।
@শামীম ভাই,একটু এই ব্যাপারটা মাথায় রাখেন, পরে কথা হইবো ।
লেখক বলেছেন: গ্রেট, কিছু একটা করেন
আবু শরীফ মাহমুদ খান বলেছেন:
কথা দিলাম যা করার দরকার সেটাই শুরু করেছি। তার পর লিখছি। দেখা যাক কয়টা মাথা এক করা যায়। শহিদুল ইসলাম লালুর পরিবারের জন্য কিছু একটা করা। দোওয়া করেন যেন বিফল না হই।
লেখক বলেছেন: ভাই অন্তর থিকা দোয়া রইলো। আমার কোনো স্বার্থ নাই এতে, শুধুই ভালো লাগা
লেখক বলেছেন: লাস্ট আপডেটটা জানাইতে পারেন? ইউএস থিকা কয়েকজন টাকা পাঠাইতে চায়, কারে পাঠাইবো কোথায় সেটাই তারা শিউর না। প্রথম আলোর আনিসুল হক ভাই খোজ নিতেছেন কয়দিন পরপর, আপনি দায়িত্ব নেয়ায় আমি আর আগাইনাই
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কালপুরুষ দা
সাধারণমানুষ বলেছেন:
পড়ে খুব খারাপ লাগল ............ অসাধারণ একটি পোস্ট দেয়ার জন্য পিয়াল ভাইকে কৃতজ্ঞতা।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
মনির হাসান বলেছেন:
দুপুরে যখন অফ লাইনে পড়ছিলাম ... গলা ধরে আসছিল ।আমরা এরকমই ... আর কিছু বলার নেই ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
দ্রোহি বলেছেন:
কিছু বলার নেই...
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
লেখার বিষয়ে কিছু বলার নেই। এটাই সত্য। মরণের পরে সব সম্মান এখানে, মরলেই মানুষ মহান হয় আমাদের কাছে।
লেখক বলেছেন: আসলে আমি এত ব্যস্ত কিছু ব্যক্তিগত ঝামেলায় যে ব্যাপারটায় এই মুহূর্তে জড়াতে পারছি না, তবে কেউ না কেউ ঠিকই এগিয়ে আসবে
তাহ্লীল আহেমদ চৌধুরী বলেছেন:
মারা গেলে এরা বীর সবার মনে পড়ে যায়। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় কবরে শুয়ানো হয়। আর এই রাষ্ট্রীয় মর্যাদার জন্য তারাত যুদ্ধ করেননি। তারা করেছিলেন সুন্দর এক বাংলাদেশের জন্য যেখানে আমরা তাদের বংশধররা মাথা উচু করে সুস্থ জীবন যাপন করতে পারব।কিন্তু এখন কি হচ্ছে। এই ভন্ডামীর মানে কি।এই রাষ্ট্রীয় মর্যাদা তার অবদানের কি প্রতিদান দিয়েছে??
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
নাহিদ মাহমুদ বলেছেন:
হুমমম। ক্লিয়ার। হুদাই পার্ট না। খারাপ লাগলে বলাটাই অভ্যাস। হেডিংটা পছন্দ হয় নাই বইলা জিগাইছি। আর ওইটা জিগাইছি উনার প্রতি সম্মান বোধ করি বইলাই। কনফিউশন আইতেই পারে মনে। আর কোন কনফিউশন আসলে মনগড়া একটা ব্যাখ্যা না শুনে/তৈরী করে, আসলটা সরাসরি জানতে চাওয়া/বুঝতে চাওয়াটা পুরানা দিনের অভ্যাস। সেইটা আপনার পছন্দ হোক বা না হোক।
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে, বুঝছি, নো হার্ড ফিলিংস
তারেক.মাহমুদ বলেছেন:
অকৃতজ্ঞতার বোঝা দিন দিন শুধুই ভারী হয়ে ওঠে এ জাতির কাঁধে....বিনম্র শ্রদ্ধা এই বীর সন্তানের প্রতি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
আহমদ ময়েজ বলেছেন:
এক বীরের কুলে আরেক বীর। এমন গৌরবোজ্জল জীবন্ত সার্টিফিকেট কয়জনের ভাগ্যে জুটে। তবু শহীধুল ইসলাম লালুর কাছে বাঙালি জাতিকে হেট হয়ে থাকতে হয়, হবে।
যেখানে রাষ্ট্রই একটা অকেজো প্রতিষ্ঠান সেখানে কোনো কিছু আশা করা যায় না।
আমরা লজ্জা নিয়ে আরো কিছুকাল খোড়াবো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সেলিনা শিরীন শিকদার বলেছেন:
আপনাকে অভিবাদন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
নতুন বলেছেন:
জাতির সূয` সন্তানদের মারা যেতে হয়.... বিনা চিকিৎসায়.... মারা যাবার পরে জাতীয় ম`যাদা...
আমাদের এই ভন্ডামী কবে শেষ হবে....
লেখক বলেছেন: বদলাবে নিশ্চয়ই
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
স্যালুট এই বীর সন্তানকে। যেদেশে এত সংসদের হুইপরা শখানেক লোকের খাবার প্রতিদিন নিজের নামে বরাদ্দ করেন সে দেশে এই দুধর্ষ মুক্তিযোদ্ধা অভেলায় মারা গেলেন। এই লজ্জা কই রাখি
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
করেন সবাই মিল্লা আফসুসই করেন...চুঃ চুঃ চুঃ
আর একজন আরেকজনের পাছা মারামারি কর্তে ভুইলেন্না কইলাম।।।
লেখক বলেছেন: হাহাহাহা, চরম কইছেন
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
"পরদিন দেশের সর্বোচ্চ প্রচার হওয়া দুটো বাংলা ও ইংরেজী দৈনিকে পুরো পাতা জুড়ে মুক্তিযুদ্ধের চিঠি সংকলনের বিজ্ঞাপন ছিলো। বাংলা কাগজে শহীদুল ইসলাম লালুর জায়গা হয়েছিলো একদম ভিতরের দিকে ৫-এর পাতায় এক কলাম কয়েক ইঞ্চির একটা খবরে। ইংরেজী পত্রিকাটির হয়ে সংবাদটি যোগান দিয়েছেন তাদের বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা।"
এই লাইনগুলোতে আমি সেই অমি পিয়ালকে পাই, যে অমি পিয়ালকে না দেখেও চিনি বলে বিশ্বাস করি ।
চোখ ভিজে গেল কেন, বলতে পারেন ?
আর কিছু বলার নাই ।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
মানুষ বলেছেন:
আমি খালি তাগো দোষাই। স্বাধীনতার পর তারা দেশটারে নষ্ট হইতে দিছে। আমি খালি তাদের দোষাই, রাজাকারের বিচার করে নাই, সীমাহিন অনিশ্চয়তায় আমাগো ঠেইলা দিছে।
আমি তাগো দিক হইতে আমার মুখ ফিরায় নিছি। একবারও ভাবি নাই যেই মাটিতে দাড়াইয়া আমার এত আস্ফালন সেখানে তাদের রক্ত আর ঘাম মিশ্যা আছে। ভাবি নাই, এরপর দেশটার হাল ধরার দায়িত্বটা আমার ছিল। আমার অবহেলায় তারা রাজাকারের লাথি খায়, বিনা চিকিৎসায়, না খাইয়া মইরা যায়।
ক্ষমা চাওয়ার ধৃষ্টতা নাই। যে পাপ আমি করছি তার শাস্তি আমার পাওনা। তার শাস্তি আমারে পাইতেই হইব।
লেখক বলেছেন: ভালোই কইছেন
স্বপ্নরাজ বলেছেন:
দারুন লেখা। অনেকগুলো প্লাস। কিন্তু এই পোস্টেও ২টা মাইনাস দিল কেডা? হায়রে বাংগালী!
লেখক বলেছেন: এসব নিয়ে ভাবাটা কি খুব জরুরি?
ওসমানজি২ বলেছেন:
@ স্বপ্নরাজ, মাইনাস কারা দিতে পারে বুঝতে পারছেন না ? মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশকে যারা স্বীকার করে না বা করতে কষ্ট হয় ঐ মাদার --দ রাই মাইনাস দেয়।
লেখক বলেছেন: ![]()
শাফ্ক্বাত বলেছেন:
লালুর ছেলে কোন ক্লাসে পড়তো?কোথায় থাকে?
ওর পড়ার খরচ দিতে হলে কার সাথে যোগাযোগ করতে হবে?
লেখক বলেছেন: সম্ভবত ব্যবস্থা হয়ে গেছে
মেহেদী ইকবাল রমি বলেছেন:
পিয়াল, আপনার লেখা পড়ে মনের ভেতরে কেমন একটা টনটন কষ্ট আর অপরাধবোধ হচ্ছে। আমরা আমাদের অগ্নিশিক্ষা ধরে রাখতে পারিনি, যথাযথ মূল্যায়ন করতে পারিনি। এ ব্যার্থতা, এ লজ্জা আমাদের সবার। লেখাটির জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
জুল ভার্ন বলেছেন:
স্যালুট এই বীর সন্তানকে। যেদেশে এত সংসদের হুইপরা শখানেক লোকের খাবার প্রতিদিন নিজের নামে বরাদ্দ করেন সে দেশে এই দুধর্ষ মুক্তিযোদ্ধা অবহেলায় মারা গেলেন। এই লজ্জা কোথায় রাখি আমরা, আমাদের রাষ্ট্রক্ষমতার নেতা-নেতৃ সবার প্রতি ঘেন্না !!! এই লেখার জন্য স্যালুট আপনাকে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
সুবিদ্ বলেছেন:
শাহাদত চৌধুরী নাকি যুদ্ধের সময় মাঝে মাঝে কাঁদতেন এই বলে যে দেশ স্বাধীন হলে উনি আবার নিশ্চয়ই সাংবাদিকতা বা এরকম কিছুতে ফিরে যাবেন আর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করা গরিব/অসহায় মানুষগুলো সেই একই রকম অসহায়ই রয়ে যাবে......হায়রে আমার সোনার দেশ.....
লেখক বলেছেন: হুমম
ক্ষত্রিয় বলেছেন:
আমার শুধু ছবিটা দেখেই চোখে পানি এসে গেছে। কোটি টাকাতেও এমন ছবি হবে না মাথা খুটে মরলেও। আমি আশাবাদী। এই জাতির দ্বারা হবে। একদিন আমরা প্রায়শ্চিত্ত করব। যন্ত্রণায় এই বীরের মৃত্যু হয়েছে। এই পাপের দায় আমি নিলাম। আমি এই দায় শোধ করব।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যটা খুব ভাল্লাগলো
জ্বীন বলেছেন:
@ ব্লগ ৪১৬, আরো অনেকে যা ভাবছেন । একটা উদ্দোগ কি নেয়া যায় না? এই বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের জন্য কিছু কি আমরা করতে পারি না ?
লেখক বলেছেন: একটু আগে খবর পেলাম ডেসটিনি গ্রুপ সম্ভবত দায়িত্বটা নিতে যাচ্ছে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
রোবোট বলেছেন:
আপনার পোস্টে প্লাস। কিছু কিছু পোস্টে কমেন্ট করতে ভাবতে হয়। এটা তেমনই। সেজন্য কমেন্ট করলাম না। ইদানিং পোস্ট লেখায় আপনি খুব ভালো লাইন লেংথে আছেন (বুঝছেন নিশ্চয়ই কি বলছি)- এটা খুব ভালো লাগে। অধমের এই কথাটা মনে রাখবেন।
লেখক বলেছেন: হাহাহা, মনে আছে। ধন্যবাদ আবার স্মরণ করানোর জন্য
রাজর্ষী বলেছেন:
পড়েছিলাম আগেই কিন্তু মন্তব্য করলাম দেরীতে। আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন হলো নিচের বাক্য কয়টি। কারন আমি সবসময় সমস্যার গোড়ায় হিট করতে চাই।"‘৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সব এলোমেলো হয়ে গেলো। কাদেরিয়া বাহিনীর সদস্যদের তখন খোঁজা হচ্ছে। কাদের সিদ্দিকী ফেরার। কমান্ডারের নির্দেশনা পাওয়ার কোনো উপায় নেই। লালুও পালালেন।"
একটা দেশের মুক্তিযোদ্ধারা বিনাচিকিৎসায় মারা যায় এই ব্যাপারটা একদিনে হয় নাই। আর এটা এক লালুর ক্ষেত্রেই ঘটে নাই আরো অনেকের ক্ষেত্রে ঘটছে। কিন্তু ব্যাপারটা কেমনে শুরু হইসে এটা বুঝার চেস্টা করা উচিৎ না? বংগবন্ধু না হয় পাপ করছিলো তাই তাকে মারছে কিন্তু লালুরা কেন তারপর দৌড়ের উপর ছিলো? এভাবে মুক্তিযুদ্ধ বা সেই সোনার বাংলার সপ্নকে
তিরিশ বছর ধরে দাবড়িয়ে এনে ফেলা হইসে কোন হাসপাতালের বারান্দায়। আসলে পুরো দেশটার ও তো এই হাল। মুক্তিযোদ্ধারা তো নিজেদের চিকিৎসা বা ভালোর জন্যই জন্যই শুধু যুদ্ধ করেনাই, করেছিলো এই দেশের রাজনৈতিক আর অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য।
লেখক বলেছেন: ঘটনাটা এরকম যে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর কাদের সিদ্দিকী তার কাদেরিয়া বাহিনী নিয়া বিদ্রোহের ঘোষণা দেন। এরপর আর্মি পাঠানো হয় তারে সদলে শেষ করতে। ওই সময়টায় কাদের ভারত চলে যান। আর অনেকেই আত্মগোপন করেন। প্রসঙ্গত কবি রফিক আজাদও কাদেরিয়া বাহিনীর হয়ে যুদ্ধ করেছেন
কেননা, মন্তব্য করার ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। এখনো পাচ্ছি না।
লেখক বলেছেন: পড়েছেন, একটু দীর্ঘশ্বাস ফেলেছেন এতেই খুশী
নকীবুল বারী বলেছেন:
বেদনায় আপ্লুত হলাম।
লেখক বলেছেন: সমবেদনা রইল
সরোয়ার হোসেন বলেছেন:
লালু তো মাত্র একটা প্রতীক! এই একটিমাত্র ঘটনা আরো একবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের নায়কদের কি করুণ অবস্থা! যে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমরা গর্ব করি সেই মুক্তিযুদ্ধ শুধু ক্ষমতার পালাবদলের হাতিয়ার হিসেবে ভূমিকা পালন করছে। শুধু আফসোস করে বসে থাকলে চলবে না। যারা মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ব্যবসা করে বা করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠা ঘৃণার আগুনকে ছড়িয়ে দিতে হবে সর্বত্র। প্রতিশোধ নিতে হবে এই অপমানের। তা না হলে জাতির লজ্জা দূরে থাক নিজের লজ্জা আড়াল করার কোন সুযোগ থাকবে না।
লেখক বলেছেন: ভালোই বলছেন
তাজা কলম বলেছেন:
মনটা বিষন্ন হয়ে গেল। স্বাধীনতার প্রথম লগ্ন থেকেই মুত্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করেছি আমরা।যুদ্ধের পর মুক্তিযোদ্ধাদের পুর্নবাসন করা ছিল জাতির নৈতিক দায়িত্ব। তা কি আমরা পূরণ করতে পেরেছি?
লেখক বলেছেন: পারি নাই তো
যীশূ বলেছেন:
এই মানুষটা মারা গেছে আমি নিজেও জানতাম না। শুধু দীর্ঘশ্বাসই বেড়িয়ে আসে।
লেখক বলেছেন: যাই হোক, ভাল্লাগতেছে পোস্টটা কাজে আসলো বলে
তৎসম বাঙালি বলেছেন:
আমি ঠাশকি খাইয়া যাই এই ভাইব্বা যে, এই লেখাও একাধিক (২) জনের ভালো না লাগতি পারে!! যা বাব্বা, বাঙ্গালী, যা দ্যাখাইলা গুরু!
লেখক বলেছেন: না পড়লেই বরং অবাক হইতাম, তবে দুইজনই সম্ভবত পোস্ট লেখকের প্রতি ব্যক্তিগত অপছন্দ জানাইছেন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, মনটা খুব ভালো করে দিলেনরে ভাই। আমি এত্ত ঝামেলার মধ্যে আছি যে কোনো কিছুতে সংশ্লিষ্ঠ হওয়ার সাধ্য নাই।
লেখক বলেছেন: মন ভালো হওয়ার খবর আছে
সৈয়দ দেলগীর বলেছেন:
এই পোস্টে মন্তব্য করবো বলেই এসেছিলাম। কিন্তু কিছুই আসলে বলার নাই
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
রুহু্ননবী বলেছেন:
এই পোস্ট এ মাইনাস দিলো কে????!!!!!!!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: না জানলেও চলবো
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
এই তো আমরা তাকে নিয়ে গর্ব করছি..এটাও কমনা ....বেসিক্যালি আমরা তো বাইনচোত জাতি....এই জাতির কাছে এখনো আশা করা মানে বোকামী
মানুষটার জন্য মনে একটু হালকা ব্যথা অনুভব করলাম
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: এইটা বলার জন্য ধন্যবাদ
জ্বীন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: একটু আগে খবর পেলাম ডেসটিনি গ্রুপ সম্ভবত দায়িত্বটা নিতে যাচ্ছে । জেনে ভালো লাগলো ।
ব্লগারদের একটা ফান্ড তৈরী করা যায় না (ব্যাংক একাউন্টসহ)?
দরকার হলে কাজে লাগানো গেলো ।
লেখক বলেছেন: দেখেন, অভাবী মুক্তিযোদ্ধার তো অভাব নাই। তাছাড়া আগে থেকে একটা ফান্ড থাকলে
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন:
হায়রে বাঙালি, এমন পোস্টেও মাইনাস দেয়ার রুচি হয়!
লেখক বলেছেন: এইটা রুচির ব্যাপার না, এইটা অপছন্দের ব্যাপার।
পথে-প্রান্তরে বলেছেন:
অকৃতজ্ঞতা জাতি হিসেবে দিন দিন আমাদের মান কমিয়ে দিচ্ছে ।
লেখক বলেছেন: ব্যক্তিপর্যায়ে অনুশীলনটাও জরুরী
সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন বলেছেন:
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গর্ব করি, দিবস পালনের নামে কোটি টাকায় প্রতিবছর লাল-নীল বাতিতে সেজে ওঠে মন্ত্রীপাড়া, অফিস-আদালত। মোবাইল কোম্পানীগুলো মুক্তিযুদ্ধের মায়া কান্নায় মাতম। কোটি টাকার বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন খেলা। হাসিমুখ হাসিমুখ মন্ত্রী আর নেতানেত্রীর কনসার্টে অংশ গ্রহণ। আর একজন মুক্তিযোদ্ধা লালু হাসপাতালের বারান্দায় মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা। প্রতিবছর এই আসবে আমরা কপোরেট কালচারের বলি হয়ে দিবস পালনে ব্যস্ত হব। আর লালুরা নিঃশেষ হবে বিনা চিকিৎসায়। এই লজ্জা দায়িত্ব এড়িয়ে যাবার প্রচেষ্টায় লিপ্ত......... আমাদের সকলের।
লেখক বলেছেন: সংক্ষেপে বললে মুক্তিযুদ্ধ মানে ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বর। এই দুইদিন ছুটি থাকে।
লেখক বলেছেন: জানি আমার লিগা তোমার দরদটা বরাবরই বেশী, জেনেটিকস আসলেই বেশ রহস্যময় বিদ্যা ভাগিনা, তোমার আম্মা ভালো?
গল্পসল্প বলেছেন:
আমি কি লেখবো তা বুঝতে পারছি না। পোষ্ট টি পড়ে স্তব্ধ হয়ে গেছি। ভাবছি আমার ও তো একটা দায়িত্ব ছিল তবে আমি কি করতে পেরেছি। ভগবান যেন বীরপ্রতীক লালু কে স্বর্গ বাসী করেন।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
নষ্ট গিটার বলেছেন:
আজ যদি শহীদুল ইসলামের ছেলে-মেয়ে আমাদের মুখে থুথু ফেলে সেটাও মাথা নিচু করে আমাদের মেনে নিতে হবে কারণ আমরা পারিনি আমাদের দ্বায়ীত্ব পালন করতে। আমরা বাংলাদেশের থেকে নিতেই আছি। আর শহীদুল ইসলামরা দিয়েই গেল আমাদের মত অকৃতঙ্গদের।
লেখক বলেছেন: কষ্ট পাওয়ার কিছু নাই, আমরা আমাদের সীমাবদ্ধতাটুকু জানি, এও জানি সাধ্যে কুলোলে সব অনাচার শুধরে দিতাম
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
সপ্ন বলেছেন:
আর লালুদের ঠাই হয় আস্তাকুড়ে। সেখানেই একদিন তারা ধুকে ধুকে মরে যায়। যে পতাকার জন্য জীবনবাজি, মরণের পর সেটা কফিনে মোড়ক হয়। এই বাংলাদেশে একজন মুক্তিযোদ্ধার এটাই রাষ্ট্রীয় সম্মাণ। মরণোত্তর যদিও। আমরা এরকমই ... আর কিছু বলার নেই ।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
সপ্ন বলেছেন:
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
রায়হান আবির বলেছেন:
এই মানুষগুলো জন্য যখন কিছু একটা করার সামর্থ হবে তখন হয়তো তারা কেউই থাকবেন না ... কষ্ট হয় ভীষণ ...
লেখক বলেছেন: ঠিক, সাধ্যগুলো (ক্ষমতা অর্থে) ভুল লোকের হাতেই থাকে বরাবর
গিট্টু মিয়া বলেছেন:
আমরা দেশের জন্য কি করেছি??? আপনি কি এর জবাব দিতে পারবেন?????
লেখক বলেছেন: না, পারবো না
অয়ন আহমেদ বলেছেন:
অপূর্ব লেখা। দীর্ঘশ্বাস তো অনেক ফেলা হলো, এসব দেখে আমরা সবাই ক্ষণিকের জন্যে উদ্বেলিত হচ্ছি, উত্তেজিত হচ্ছে, কোন এক সময় দেশপ্রেম উগড়ে পড়ছে । সবাই ভাবছি, এটা করা উচিত ওটা করা উচিত। বাস্তবে কোনটাই হচ্ছে না। আমরা সবাই কিছু না কিছু করতে উদ্গ্রিব। কিন্তু আমরা আরম্ভের শিকড়টাই খুঁজে পাচ্ছি না। রাজনীতিবিদদের অতিরন্জিত কর্মকান্ডে আমাদের ইতিহাসের অবস্থান মুর্মূষু রোগীতে পরিণত হয়েছে। সবার মতন আমি অপেক্ষাতে আছি, মুক্তিযোদ্ধার মুখে পরিতৃপ্তির হাসি রেখার।
লেখক বলেছেন: সেদিন আসবে নিশ্চয়ই, পরিতৃপ্তির সেই হাসিটা স্বর্গীয় হলেই বা কম কি
নতুন রাজা বলেছেন:
একজন মুক্তিযোদ্ধার কথা জানি, একটু সময় হবে আপনার পড়বার? হয়তো খুবই ব্যাক্তিগত হয়ে যাবে, তবুও আপনার লেখাটা পড়ে মনে হলো কথাগুলো বলা উচিত...জীবন বাজি রেখে যুদ্ধাঙ্গনে লড়াই করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনা সেই যোদ্ধা আজ হয়তো জীবনের শেষ দিনগুলো গুনছেন। প্রথমবার যখন উনি এন.আই.সি.ভি.ডি-র বেডে অচেতন হয়ে শুয়ে ছিলেন তখন তার একমাত্র ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের ছাত্র। অর্থের অভাবে হার্টে ব্লক থাকা স্বর্ত্বেও অপারেশন না করে চলে এসেছিলেন বাসায়। ডাক্তার প্রবল আপত্তি করেছিলেন কিন্তু অর্থাভাব সেই আপত্তিকে আমলে নেয়নি। যখন তিনি সন্তানের কোলে মাথা রেখে দ্বিতীয়বার হার্ট এট্যাকের মুখোমুখি হয়েছিলেন, তখন কিন্তু সন্তানের মনে একটাই চিন্তা ছিলো বাবাকে বাচাঁনোর টাকার চিন্তা। সংসারে একমাত্র উর্পাজনের সহায় বিক্রি করে সেদিন তাকে বাচাঁনোর মূল্য দিতে হয়েছিলো সন্তানকে পরবর্তীতে। সে সন্তান আজো যখন নিজের মাস্টার্স-এর সার্টিফিকেটটা দেখে তখন মনের অজান্তেই চোখ ভিজে আসে। মনে পরে যায় সেই হাসপাতালে বাবার বেডের পাশে একচিলতে মেঝেতে আধো আলো আধো অন্ধকারে বসে লিখা থিসিস পেপারের কথা, যেটাতে সে এ+ পেয়েছিলো। সকল সম্পত্তির বিনিময়ে বাবার জীবন ফিরিয়ে পেলেও সে সন্তানকে দিতে হয়েছিলো অনেক মূল্য পরবর্তী জীবনে। আজো যার দ্বায়ভার বহন করছে ছেলেটি। তৃতীয়বার যখন তিনি হার্ট এট্যাকের মুখোমুখি, তখন সন্তান জীবিকার তাগিদে পারেনি অসুস্থ বাবার মুখটি একবারের জন্য দেখতে। আজো সেই যোদ্ধা যুদ্ধ করে যাচ্ছেন জীবনের তাগিদে। আজো সেই সন্তান লুকিয়ে কাঁদে, শুধু একবার বাবাকে জড়িয়ে ধরতে না পারার কষ্টে...
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ অভিজ্ঞতাটুকু শেয়ার করার জন্য। মুক্তিযোদ্ধার সেই সন্তানকে আমার সশ্রদ্ধ সালাম যিনি বাবার মতই লড়াকু মনোভাব নিয়ে জীবন সংগ্রামে লড়ে গেছেন। তারপরও তাকে ভাগ্যবানই বলবো, নিজের চেষ্টায় অনেকদূর যেতে পারার জন্য। আমার এর চেয়ে করুণতর আরো কয়েকশো অভিজ্ঞতা আছে। ভাবুন সেইসব শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের কথা
নতুন রাজা বলেছেন:
ও আরেকটি কথা বলতে ভুলে গিয়েছিলাম সেই মুক্তিযোদ্ধা ও তার ছেলে সর্ম্পকে...সেই মুক্তিযোদ্ধার ছেলেটি অনার্স এবং মাষ্টার্স-এ সর্বোচ্চ ভালো (যথাক্রমে, প্রথম শ্রেণীতে ৫ম এবং প্রথম শ্রেণীতে ১ম) রেজাল্ট করা সত্বেও লেজুড় রাজনীতি না করার কারণে এবং মোটা অংকের ঘুষ দিতে না পারার কারণে চাকুরী পায়নি। আর সন্তানের এই পরাজয়টা না মানতে পেরেই হয়তো তার কিছুদিন পরেই উনাকে আবারো হাসপাতালের মুখ দেখতে হয়েছিলো। আজো সেই মুক্তিযোদ্ধার আক্ষেপ - এজন্য কি অস্ত্র হাতে নিয়েছিলাম?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
মুসা ইব্রাহীম বলেছেন:
এ জাতি বড়ই অকৃতজ্ঞ এবং স্বার্থপর...
লেখক বলেছেন: আমরা ঠিকই বদলে যাব
জীবনযোদ্বা বলেছেন:
এ লজ্যা আমার, আপনার, আমাদের সমস্ত বাংলাদেশির। এ কথা এমন কিছু নতুন নয়। গত প্রায় চল্লিশ বছর এর কোনো ব্যতিঞম হয়নি। স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি ধীড়ে ধীড়ে শক্তিশালি হয়েছে। আর যাদের জীবনের বিনিময়ে এ দেশ স্বাধীন হয়েছে তারা হয়েছে হীন থেকে হীনতর। যে দেশে আজও স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস লেখা হয়নি, যে দেশে স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে এখনও তুলকলাম কান্ড হয়, সে দেশেইতো সম্ভব শহিদুলদের মত বীর সেনানীদের অবহেলিত মৃত্য। ধিক তাদের যারা আমাদের দেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবি, রাজনীতিবিদ, আমলা - যাদের ভাষনে এবং পদচাড়নায় সৌরভ হয় স্বাধীনতা দ্বিবস।
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
সৈয়দা আরুফা ইয়াসমিন নিপা বলেছেন:
আমার লিখার- বলার কিছু নেই। করার অনেক ইচ্ছা আছে।
লেখক বলেছেন: এই ইচ্ছেটুকু ধারণ করুন। আপনার মঙ্গল হোক আপু
সৈয়দ মোহাম্মদ আলী কিবর বলেছেন:
পাকিস্তানী কয়েদ থেকে দেশে ফেরার পর বঙ্গবন্ধুর কোলে ওঠার সৌভাগ্য হয়েছিলো একজন মুক্তিযোদ্ধারই। শহীদুল ইসলাম লালু। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বারান্দায় ছটফট করা, আর্তনাদ করা লোকটা নাকি নামকরা মুক্তিযোদ্ধা ছিলো। শহীদুল ইসলাম ওরফে লালু। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সর্বকনিষ্ঠ বীরপ্রতীক ছিলেন।
যে পতাকার জন্য জীবনবাজি, মরণের পর সেটা কফিনে মোড়ক হয়। এই বাংলাদেশে একজন মুক্তিযোদ্ধার এটাই রাষ্ট্রীয় সম্মাণ। মরণোত্তর যদিও।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
নাজনীন খলিল বলেছেন:
এই হতভাগ্য বাচ্চাগুলোর জন্য কেউ কিছু করলে সাথেই থাকবো।
আর কিছু বলার নেই।
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই আপা, ধন্যবাদ আপনাকে
তবুও তুমি আমার বলেছেন:
" ঐসব মুক্তি যোদ্ধা-টোদ্ধা টাল বাহানা এখন ছাড়েন। নিজের জীবনটা নিজেই পরিচালনা করতে চেষ্টা করেন। সরকার কয় মুক্তিযোদ্ধারে বসায়ে বসায়ে পালবো ? ভিক্ষা করে, মাগনা মাগনা আর কয়দিন চলবেন ? বয়সতো শেষ, এখন এই ক’টা দিন আল্লা-বিল্লা করে কাটায়া দেন। সেদিন ৫০০ টাকা পান নাই ? রতন আপনাকে টাকা দেন নাই ?
বৃদ্ধ বললেন জ্বী দিছে। আপনি আবার আজ আসতে বলছেন। বউকে নিয়ে এসেছি। আজ হাসপাতালে ভর্তি করাব. . .
আত্মীয় স্বজন, গুনাগুষ্ঠিকে চিকিৎসা করাবেন সেই খরচতো সরকার দিবেনা। মুক্তিযোদ্ধা হইছেন বলেই কি সরকার সব ফ্রী করে দিবে ? ব্যক্তিগত ভাবে আপনার জন্য ২০০০ টাকার কথা বলেছি। ৪ তারিখে এসে চেক নিয়ে যাবেন। রতন, উনাকে আজ দু’শ টাকা দিয়ে দিন। "
From>
Click This Link
লেখক বলেছেন: মন খারাপ করা অভিজ্ঞতা, আরো করুণ ঘটনা জানি
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
এই পোস্ট ও অপছন্দ করে মানুষ ????
লেখক বলেছেন: সোর্স মারফত জেনে স্তম্ভিত! ৭টা মাইনাসের মধ্যে ৫ জনই স্বাধীনতাবিরোধী ব্লগার নন। তাদের ঈর্ষা কিংবা অপছন্দের কারণটা বুঝলাম না, বোঝার ইচ্ছেও নেই অবশ্য
সায়েম মুন বলেছেন:
বড়ই অকৃতজ্ঞ জাতি আমরা!
লেখক বলেছেন: ক্ষমতাবানরা এইসব ভাবেন না
লেখক বলেছেন: কোনো জাতির সত্যিকার ইতিহাস লেখা হয় ঘটনার ৫০ কিংবা ১০০ বছর পর।
পোড়া মরিচ বলেছেন:
আবারও একটা মন খারাপ করা পোস্ট। কিন্তু আয়াতুল্লাহ খোমেনী এইটা কি বললেন? কিভাবে বললেন? আপনে মুক্তিযোদ্ধা লাথি মারার ছবিওয়ালা পিয়াল ভাইর ওই পোস্টটা পড়েন নাই? দাড়ান পোস্ট দিতেছি
লেখক বলেছেন: ধুর বাদ দেন, পন্ডিত মানুষ
তারচে -- যে উদ্দেশ্য পোষ্টটা দেয়া -যদি কোন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরে হেল্প করতে পারি --সে চেষ্টা করবো ।
থ্যাংকস পিয়াল ভাই ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
ইরফান রিজভী বলেছেন:
পোস্ট টা পড়ে আমার চোখ এ পানি চলে এসচে।...অমি ভাইয়া আমি আপনার এই পোস্ট টি আমার পরিচিত সব জাইগায় পোস্ট করতে চাই। আমি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে পড়াশুনা করতে চাই...আমার বাবাও একজন মুক্তিযোদ্ধা, তাঁর কাছ থেকেও আমি মুক্তিযুদ্ধের কথা শুনেছি অনেক।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অভিনন্দন
আমি পৃথিবী রচে যায় বলেছেন:
অনেক ভুঁয়া মুক্তিযোদ্ধা ভুঁয়া সার্টিফিকেট দেখিয়ে কত সুবিধা ভোগ করছে আর আসল মুক্তিযোদ্ধাদের এই করুণ অবস্থা! অদ্ভুত।
লেখক বলেছেন: একদিন ঠিক হয়ে যাবে সব
আই আনাম বলেছেন:
সামহোয়ার ইন ব্লগে কি তাইলে পাঁচটা ছাগু এখনও অবশিষ্ট আছে?
লেখক বলেছেন: সাতজনের পাচজনই কিন্তু প্রচলিত অর্থে ছাগু না।
নির্ঝরিনী বলেছেন:
কতকিছুই অজানা থেকে যায়...এই পোস্টের জন্য তাও জানা হলো, দেশের এক বীর সন্তানের কথা...বেদনায় আপ্লুত হলাম...
স্যালুট, এই বীর সন্তানকে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে
ওরাকল বলেছেন:
এভাবেই এক এক করে সব হরিয়ে ফেলব আমরা।
লেখক বলেছেন: ইতিহাসে তারা যেন সম্মানিতই থাকেন
প্যানুয়েল প্রিন্স বলেছেন:
বৃত্তবন্দী বলেছেন: এই ছোটোলোকের পোলারা এভাবেই ধুঁকে-ধুঁকে মারা যাবে, আমরা সাময়িক আহা-উহু করবো।
আর ওদিকে সাকা,নিজামীর মত বেজন্মা কুকুর গুলো দেশের পতাকা লাগানো গাড়িতে ঘুরে বেড়াবে।
লেখক বলেছেন: দিন বদলাবে
রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র বলেছেন:
স্বাধীনতার ৩৮ বছর পরও এ রকম অজস্র মুক্তিযোদ্ধা আজ উপেক্ষিত। আসুন তাঁদের খুঁজে বের করি এবং নিজেদের সাধ্যমতো সাহায্য করি। শুধু সরকার না, আমাদেরও দায়িত্ব আছে। কারো আশায় বসে থেকে লাভ নেই!
লেখক বলেছেন: ভালো বলছেন
দুরণ্ত সাহস বলেছেন:
জানি আমার বলা না বলায় কি যায় আসে? তবু আমি সেই আধম কুলাংগার বেজন্মা অকৃতগ্য বান্গালী। আহ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন:
আমরা আমাদের ইতিহাসের মর্যাদা দিতে শিখলামনা এখনো চারপাশে তাকালেই দেখি মুক্তিযোদ্ধারা অবহেলিত আর রাজাকাররা মাথা উঁচু করে ঘুরতেছে। এ লজ্জা আমরা কই রাখবো????
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
রুদ্র নীল বলেছেন:
এই ছোটোলোকের পোলারা এভাবেই ধুঁকে-ধুঁকে মারা যাবে, আমরা সাময়িক আহা-উহু করবো।আর ওদিকে সাকা,নিজামীর মত বেজন্মা কুকুর গুলো দেশের পতাকা লাগানো গাড়িতে ঘুরে বেড়াবে।
নিজের উপর ঘেণ্ণা হয়...
নিজের অক্ষমতার উপর ঘেণ্ণা হয়...
নিজের নির্লিপ্তির উপর ঘেণ্ণা হয়...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
রুদ্র নীল বলেছেন:
৭ জনের ভাল লাগেনি????!!!!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: ১৫৫ জনের ভালো লেগেছে ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
সাদা মনের মানুষ বলেছেন:
ব্যাপারটা আপনি উপস্থাপন না করলে হয়তো এমন একটা খবর আমার অজানাই থেকে যেত, অবশ্য এমন দুঃখজনক ঘটনা না জানলেই হয়তো ভালো হতো, এখন তো করার আর কিছুই নেই !খবরটা উপস্থাপন করায় আপনাকে স্যালুট, আর ধিক্কার দিচ্ছি নিজেকে, এমন এক জাতি আমরা যারা মাতৃভূমীর স্বাধীনতার জন্য যে যোদ্ধা জীবনের পরোয়া করেনি তাকে আমরা নূন্যতম চিকিৎসা সেবা না দিয়ে ধুকে ধুকে মরে যেতে দিয়েছি ।
আপনার অনুমতি পেলে আমি অন্য একটা ব্লগে আপনার এই পোষ্ট হুবহু তুলে দিতে চাই, অবশ্য আপনারই নামে । আমি যতো সম্ভব আরো বেশী লোককে ব্যাপারটা জানাতে চাই ।
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই, আপত্তি নেই কোনো। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
বুমবুম বলেছেন:
মাইনাস প্রদানকারী বিশিষ্ট ব্লগারগন কি উদ্দেশ্যে এই পোস্টে মাইনাস দিলেন???শুধুই কি পিয়াল সাহেবের পোস্ট বলে নাকি সোনার বাংলাদেশের প্রতি তীব্র ঘৃনা থেকে???
লেখক বলেছেন: বাদ দেন ভাই, এইসব গায়ে মাখলে ব্লগিং করা যায় না। একটা মাইনাস দিয়া যদি জ্বলুনি কমে তাইলে তাই সই
নিরীহ মানুষ বলেছেন:
রাজাকারেরা কেনো এম্নে মরে না?????????????হায়রে আমার বাংলাদেশ।
বুমবুম বলেছেন: মাইনাস প্রদানকারী বিশিষ্ট ব্লগারগন কি উদ্দেশ্যে এই পোস্টে মাইনাস দিলেন???শুধুই কি পিয়াল সাহেবের পোস্ট বলে নাকি সোনার বাংলাদেশের প্রতি তীব্র ঘৃনা থেকে?????????????????????????????????????????
+++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
জার্জীস আহমেদ বলেছেন:
দুঃখজনক। জনগনের সত্যিকারের একটা পার্টি না থাকলে এসব ঘটনা ঘটতেই থাকবে।
লেখক বলেছেন: যেখানেই রাজনীতি ঢুকবে সেখানেই মানুষের সত্যিকার মনুষত্বের বিনাশ ঘটবে
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
লেখক বলেছেন: বলেন কি? ক্যাঙ্গারুর জায়গায় ছাগ?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মনোভাবকে
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
এখন পর্যন্ত নয় জন শূয়াড় দেখা যাচ্ছে।
লেখক বলেছেন: তালিকার অর্ধেক নাম প্রকাশিত হইলে ব্যাপক টাশকি খাইবেন, ঈমানসে ![]()
মহলদার বলেছেন:
অনেক কিছু জানা হল বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম বীরপ্রতীক সম্পর্কে। আমি আশ্চর্য হলাম রেটিং দিতে লগ ইন করে দেখি আমি নাকি একবার রেটিং দিয়েছি। আগেও এ রকম কয়েকবার হয়েছে। আমার পাসওয়ার্ড কেউ হাতিয়ে নিল নাকি বুঝতে পারছি না।দেশের এতবড় একজন যোদ্ধার এই করুন মৃত্যুর কাহিনী পড়ে মনটা খুব ভারাক্রান্ত হয়ে গেল। নিজেকে অনেক সময় বড়ই দূর্ভাগা মনে হয় যেটা আবার মনে পড়ে গেল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। সম্ভবত গ্রামীন ফোন নেট ব্যবহার করেন
মাঠশালা বলেছেন:
এই পোস্টেও মাইনাস !!!
লেখক বলেছেন: অবাক হওয়ার কিছু নেই
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ফিুউশন কার কথা বলছেন ? এবার কার পেছনে ?
লেখক বলেছেন: ?
হাসানুজ্জামান তালুকদার শিমুল বলেছেন:
অসাধারন লেখা! কান্না আসেত চায় েয। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
মাহবুব সুমন @
টেনশন লয়েন না বস। মন্তব্যে জেন্ডারটা খিয়াল কৈরেন। তারে "বৈজ্ঞানিক ছাগী" উপাধিটা হাসিবের দেওয়া।
লেখক বলেছেন: ![]()
কাঙাল মামা বলেছেন:
নিজেকেই ছোটলোক মনে হইতেছে। চেয়ারে বসা কারো কাছ থেকেই কোনো কিছু আশা করি না, এভাবেই চলবে, এভাবেই চলুক.....কার কি আসে যায়?১০টা মাইনাস দেখে মনটা আরো খারাপ হইলো, মরার পরেও প্রাপ্য সম্মানটা দিতে গায়ে লাগে!! বেজন্মার দল!
লেখক বলেছেন: কিছু বলার নাই
সচেতন বলেছেন:
জানিনা ৭১এর সময় বাস্তব পরিস্থিতি কি আছিল। তয় আমাগো মুক্তিযোদ্ধারা হয়তো খুব ক্লান্ত আছিল, নয় খুব বেশি আশাবাদি আশাবাদি আছিল। আর একটু সময় নিয়া রাজাকারগুলারে কেন শেষ কইরা দিলনা। আর তিন টা মাস, কিংবা দুইটা মাস কিংবা একটা মাসেও কি রাজাকারগুলারে শেষ করন যাইতো না?! মুক্তিযোদ্ধারা, তোমরা কেন এই বোকামিটা করলা, তাইলে হয়তো আজ এই মুহুর্তে এই লেখাডা পইড়া আমারে কান্দন লাগতোনা। ঠিক আছে মানলাম যা হইছে হইছে। তয় যুদ্ধের পর আমাগো কেন মুক্তিযুদ্ধো শিখাইলানা? আমরা কেন কী-বোর্ড টিপি? কেন আমরা পারিনা রাজারাকগো আর কু-নেতাগো গলা টিইপ্পা মাইলা ফালাইতে? তয়কি যুদ্ধ এখনও শেষ হয় নাই? আমি কি পারুম মুক্তিযোদ্ধা হইতে?
যদি মুক্তিযোদ্ধা হইয়া যাই, তহন কি তোমাগো ল্যাহান আমারেও মরতে হইবো কাতরাইতে কাতরাইতে হাসপাতালের বারান্দায়...?
লেখক বলেছেন: ব্যাপক, থাম্বস আপ
মাহবুব সুমন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ফি ফা রহমান ![]()
এই কাজ করতে গিয়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অনেক কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছি,তাই আমার ইচ্ছা আছে তাদের কষ্টের কথা নিয়ে একটা সিরিজ লেখার।সময় পেলেই লেখা শুরু করব।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার এগিয়ে আসায়, এইভাবে ব্যক্তিউদ্যোগের প্রচারটাই ছড়িয়ে যাক, তাহলে হয়তো সংখ্যাটাও বাড়বে। আমি ব্যক্তিগতভাবে একটা ব্যাপারে বিশ্বাস করি, সাহায্যের মুখোপেক্ষি না রেখে কিছু একটা করতে পারায় সাহায্য করাটা অনেক বেশী কার্যকরী।
ফালতু মিয়া বলেছেন:
thanks lot for this post
লেখক বলেছেন: আপনাকেও
রোবোট বলেছেন:
মাহবুব সুমনের মত প্রশ্ন (কমেন্ট ২৩৭) আমারও। অস্ট্রেলিয়ান মহিলা ব্লগার কোনজন রাজাকার। এখানে নুশেরা/কাঁকনের কমেন্ট দেখি নাই। ফিফা যদি নুশেরা বা কাঁকনের কথা বলে তাইলে সিরিয়াসলি ফিফারে পাবনা পাঠানোর জন্য ফান্ড খুলবো।
লেখক বলেছেন: আরে নাহ ওদের কথা বলে নাই। যাহোক, এইসব মন্তব্য আসলেই পোস্টে প্রাসঙ্গিক না, ফিফা দুষ্টামী করছে
এমদাদ হোসেন জাবেদ বলেছেন:
সত্যিই সুন্দর লিখলেন,,, এমন অনেক ঘটনাই আমাদের চোখের আড়ালে থেকে যাচ্ছে। আমরা আজ স্বাধীন জাতি বলে যদিও দাবী করি বাস্তবতায় কতটা সেটা পরের ব্যাপার কারণ এদেশে মুক্তিযুদ্ধারা এভাবে ধুকে ধুকে মরলেও সেদিন এর রাজাকাররা আজ বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়ে গাড়ী নিয়ে গুরে বেড়ায়। হায় রে জাতি,,,,, হায় রে সমাজ ব্যবস্থা........ আমরা কবে যে দায়িত্ববান হবো তা একমাত্র্ আল্লাহই জানেন। যাইহোক শহীদুল এর আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
পিয়াল ভাই বরাবরই আপনার লেখাগুলো সুনদর ....অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
ভালো থাকবেন -
লেখক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: হাসতেই পারে
রোবোট বলেছেন:
ফিউশন ফাইভধন্যবাদ পরে দিয়েন। আগে বলেন আপনি কি সত্যি নুশেরা/কাঁকনের কাউকে বুঝিয়েছেন কিনা?
উত্তর হ্যাঁ বা না হবে
রোবোট বলেছেন:
ফিউশন ফাইভধন্যবাদ পরে দিয়েন। আগে বলেন আপনি কি সত্যি নুশেরা/কাঁকনের কাউকে বুঝিয়েছেন কিনা?
উত্তর হ্যাঁ বা না হবে
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
রোবোট@
একটা প্রশ্ন করি, অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী কোন্ বৈজ্ঞানিক ছাগুকে সন্দেহজনক গতিবিধির কারণে হাসিব তার ব্লগে ব্লক করে রেখেছিল? উত্তরটা খোঁজেন একটু কষ্ট করে।
আবারও ধন্যবাদ ও অন্তহীন কৃতজ্ঞতা।
রোবোট বলেছেন:
ফিফাআপনার প্রশ্নের উততর জানিনা।
তবে সরাসরি আপনার কাছ থেকে শুনতে পারলে ভালো হত। ও হ্যাঁ, হাসিবের অন্যায্য ব্যানের বিরোধিতা করেছিলাম (এখনও করি) মানে এ নয় যে হাসিবের সব কাজ ঠিক ছিলো।
কাঁকন ও নুশেরা দুজনকেই আমি অমি পিয়ালের ৭১ বিষয়ক পোস্টে দেখেছি । তবে সেগুলো স্টিকি পোস্ট ছিলো না।
এনিওয়ে, অফটপিক কমেন্ট বেশী হয়ে যাচ্ছে।
পিয়াল
আপনি চাইলে আমার কমেন্ট মুছতে পারেন।
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
রোবোট @
আমার বরং উল্টো। কিছু সমস্যা তার ছিল বটে, তবে হাসিবের পর্যবেক্ষণ ছিল অসাধারণ। তার বেশিরভাগ ভবিষ্যদ্বাণীই পরে সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে। এনিওয়ে, দুজন গৃহিণীর নাম আপনি বারবার উল্লেখ করছেন কেন ঠিক বুঝলাম না।
মরি-নাই বলেছেন:
ধন্যবাদের লাইগা মন্তব্য করি নাই পিয়ালদা। আমার নিজে কিছু শুরু করার ক্ষমতা নাই। আপনারা কিছু করেন, পারলে লগে থাকুম না পারলে দূরে থাকুম মাগার আহাউহু করুম না। সরীসৃপ লাহান চরিএ হইয়া যাইতাছে আমাগো।
লেখক বলেছেন: ভালোই বলছেন। কিছু একটা হইতেছে শিগগিরি। আমি হাতের ঝামেলাটা শেষ কইরা গা ঝাড়া দিতেছি কমরেড
মরি-নাই বলেছেন:
@ফি:ফা: পান্তা ভাতে গাওয়া ঘি দিয়া ই তাইলে চলে। হাসিব রে ধুইয়া পানি খাইতে খাইতে হাসিবের তো শুকাইয়া যাইবার পালা।
মরি-নাই বলেছেন:
@ ফি:ফা: ''দুজন গৃহিণীর নাম আপনি বারবার উল্লেখ করছেন কেন ঠিক বুঝলাম না।'' এইহানে কি গৃহিণী কইয়া গন্ডি চিনিয়ে দেওয়া হইলোই নাকি বুজলাম না!যাউগ্গা আপনারা হেভীওয়েট ব্লগার হ্য়তো। তাই হ্য়তো বুজবার পারি না কিয়ার ভিতর কি দিয়া কি খিচুরী খাইবার চান।
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
কমেন্ট করা হয়নাই আগে । আজ দেখলাম , এই পোস্টে কমেন্ট না করা মানেই নাকি রাজাকার -(ব্লগীয় ভাষায় ছাগু ) । তাই ভয় পেয়ে কমেন্ট করে ফেললাম । পোস্টের জন্য ধন্যবাদ । ১৬৭ নাম্বার প্লাস টা আমার ।
লেখক বলেছেন: ছিছি, ওইভাবে কি কেউ বলছে?
ইমির বলেছেন:
কি বলব বুঝে পাচ্ছি না
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
রোবোট বলেছেন:
২৪১এ আপনার উততর সত্যি হলেই খুশী হব। অফটপিক কমেন্ট মুছে দিতে পারেন। আপনার স্টিকি পোস্টের গ্লু তো আবার ছুটে গেলো? প্রতিদিন একবার করে গ্লু ছুটে কেন? মনে হয় ব্লগের সি-টিমের (বলেনতো সি-টিম কি?) লানত পড়সে
লেখক বলেছেন: হাহাহা, সি-টিম আবার কি? আসলে ভাই এ-টিম নন অপারেশনাল বইলা অনেক ক্ষেত্রে ধাক্কাটা আমারে একাই সামাল দিতে হইতেছে, আবার এখন নতুন একটা গ্রুপ লাগছে আমার পিছে, প্রথাগত ছাগুগো থাইকা আরেকটু উচ্চ বুদ্ধিবৃত্তির, কিন্তু এদিকে আমি পুরাই একা। যাই হোক, নির্ধারিত সময়ের থিকা বেশীই থাকছে পোস্টটা, প্রায় ৭ হাজার হিট। আমার অন্যতম সেরা কাজ কার্টুনিস্ট আরিফের সাক্ষাতকার, সেইটাও এত হিট পায় নাই।
রোবোট বলেছেন:
লেখক বলেছেন: হাহাহা, সি-টিম আবার কি?সারারাত রামায়ণ পড়ে সীতা কার বাপ। ব্লগের জামাতিদের কি বলে একটু ভেবে দেখেন। নামটা ইংলিশে লিখলে ১ম লেটারটা কি হবে? তারপর বুঝেন কি বলেছি।
রাজাকার তাড়ানোর জন্য কোন টিম লাগে না, লাগে ম্যাংগো ব্লগার। (আমি জানি আপনি এটিমের একজন) সেখানে কাক-ভূষুন্ডির মত নাসতিক আছে, নরাধমের মত তাবলীগ আছে। আছে নাফিস-অরণ্যচারীর মত বাচ্চা ছেলে। আবার আমি বা আমার মত বুড়োরাও আছে। আর তথ্য-দলিলের জন্য আপনি আছেন।
মজনু পাটোয়ারীর ব্যান হবার সময় দেখেছি আমার মত লো প্রোফাইল ব্লগারের পোস্টেও সবাই সমর্থন দিয়েছিলো। সেটাই দরকার।
পিয়াল ভাই
আমার মতে, আপনার নাজমুল হকের পোস্ট টা আপনার সেরা কাজ। ৭১ নিয়ে বেশ খানিকটা জানলেও ওনার ব্যাপারে কিছুই জানতাম না। ঐ লেখাটা আপনার বইতে রাখবেন।
লেখক বলেছেন: টিম বিতন্ডায় আর না যাই, আমরা জানি আমরা কিসের ভিতর দিয়া গেছি, কিরকম সেক্রিফাইস আর কম্প্রোমাইজ করতে হইছে (যাপন অর্থে, পেশাগত ক্ষেত্রে, সময় ও সাংসারিক ক্ষেত্রে) আর সাধারণ ব্লগাররা না থাকলে এইসব আসলেই অর্থহীন হইতো।
আপনি ঠিক ধরছেন, নাজমুল হক আমার পরিশ্রমের কাজ। এটা বইতে নিশ্চয়ই থাকবে। এবং এই লেখাটা লেখার সময় সত্যি আমি খুব কান্নায় ভাসছি
মিতামারিয়া বলেছেন:
আপনার পোষ্ট দেখলেই কেন জানি মাইনাস দিতে ইচ্ছা করে। তবে এটা দিলাম না । কারন খুব ভাল লেগেছে।
লেখক বলেছেন: সবচেয়ে শোভন হবে আমার পোস্টে না ঢোকা
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
আগামী বইমেলায় সব চাই আপনার বই তে----------
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
ভাইয়া আমরা রাশিয়ার সেইন্ট পিটার্সবুর্গের ছাত্ররা সামনের বিজয় দিবস উপলক্ষে একটা ছোটখাট পত্রিকার মত কিছু একটা বের করব। আপনার এই লেখাটা ঐখানে ছাপাতে চাই যদি অনুমতি দেন।
লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই
সিরাজ বলেছেন:
+ নং ১৭৯
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
রাজিববাবা বলেছেন:
কোন কোন বেজন্মা মাইনাস দিছে।জাতি জানতে চায়।
জিসান শা ইকরাম বলেছেন:
" আল্লাহ্ অকৃতজ্ঞকে পছন্দ করেন না "আমরা বড়ই অকৃতজ্ঞ জাতী।আমাদের অধপতন কেউ রোধ করতে পারবেনা।
অনেক অনেক ধন্যবাদ , এই পোষ্টটি দেবার জন্য।+++++++++++++
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: মাইনাসটা ফ্যাক্টর না। আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমি খুশী
লেখক বলেছেন: eikhane nicotar kono udahoron toiri hoynai, dekhen lokjon kintu somobethi hoise sobai, help o korse
রাজসোহান বলেছেন:
আমি বোঝাতে চেয়েছি যে মুক্তিযোদ্ধাকে আমরা সামান্য ব্যাক্তিগত সাহায্য করতে পারিকিন্তু সরকার তো আরো বেশি পারে তাই না?তাহলে তো মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের স্কুল ছাড়তে হয় না......মুক্তিযোদ্ধা সংসদ
ক্লাবে জুয়া খেলা হয় না......
সেটাই বোঝাতে চেয়েছি
স্তব্ধতা' বলেছেন:
অরপি, অসম্ভব নাড়া দেয়া একটি লেখা ।আপনারা তবুও লিখার মাধ্যমে আমাদের ইতর সদৃশ জীবনের ভীতটা নাড়িয়ে দিতে পারছেন।হয়তো এই নাড়া খেয়ে কেউ শুধুই চোখের পানি ফেলবে, কেউ এগিয়ে আসবে।কোনটার মূল্যই কম নয়।আজকে যার সাধ্য নেই হয়তো আগামীতে তার সাধ্য হবে, কিন্তু তার সাধটা জাগিয়ে দেয়ার জন্য আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা রইলো।নিজেকে ভীষণ ইতর গোত্রীয় নীচু শ্রেীণর কীট মনে হচ্ছে।ধন্যবাদ ত্রিশোন্কুকেও।ওঁর দেয়া লিঙ্কটা না পেলে হয়তো লেখাটা অগোচরেই থেকে যেতো।শুভ কামনা, ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে
সাজিদ বলেছেন:
আপনার পোস্টে প্লাস মাইনাস দেই নাই আগে। দিলেও মাইনাসই পড়তো অনেক পোস্টে। যাই হোক অসাধারন একটা লেখা।"আমি ভাই স্বীকৃতির জন্য কিংবা ভাতা পামু বইলা যুদ্ধ করি নাই। দেশরে ভালোবাইসাই করছি। আমার চাওয়া বলতে আমার সন্তানগুলান যেন মাথা উচু কইরা এই সমাজে চলতে পারে"
আমি মনে করি এটাই হচ্ছে বেশিরভাগ প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার মনের কথা। কিন্তু তাই বলে দেশ কোনোভাবে তার দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না। কোনোভাবেই না। যেসব মানুষ নিজের পরিবার ফেলে জীবনের ঝুকি নিয়ে দেশ স্বাধিন করেছে তাদের জন্য একটা নিয়মিত চাকরি অঠবা ভাতার ব্যবস্হা করা সরকারের দায়িত্ব। দেশপ্রেমিক বিত্ববানদের দায়িত্ব। আমাদের দেশের পথচলার মাঝে এরকম অনেক নিরব যোদ্ধার দির্ঘশ্বাস আর অভিমান লুকিয়ে আছে বলেই হয়ত আমাদের প্রতি বিধাতারও অভিশাপ আছে।
সাজিদ বলেছেন:
দেশতো স্বাধিনতার পর ৪০ বছর হতে চললো। মুক্তিযোদ্ধারা বেশীর ভাগইতো এখন প্রৌড়। তাদের মধ্যে কতজন অসচ্ছল আছেন। এই হিসাব করাটা এই যুগে কি খুবই কঠিন একটা কাজ? একটু সদিচ্ছা থাকলে এটা একমাসের একটা কাজ। তাহলে কেন করা হয় না? নাকি এরকম মৃত্যুর পরই শুধু তারা সম্মান পেতে থাকবে। আর মৃতয়ুবরন করবে ঢাকা মেডিকেলের বারান্দায় বিনা চিকিতসায়।
লেখক বলেছেন: এমন কোনো জরীপ হইছে বইলা জানি না
সোহেল_সিএসই_ঢাবি বলেছেন:
ধিক
রেনেসা বলেছেন:
চোখে পানি এসে গেল! নিজের ভিতরও একটা স্বপ্ন লালন করি। দেশের জন্য কিছু একটা করবো। শুধু স্বপ্নই দেখি। শহিদুলের মত সাহস নিয়ে কিছু করতে পারবো কি কোন দিন?
দু-পেয়ে গাধ বলেছেন:
কি করা যেতে পারেঃ-সত্যিকারের মুক্তি্যোদ্ধাদের নামের তালিকা দরকার। (যতজন হয়)
তাঁদের / তাঁদের পরিবারের বর্তমান আর্থিক অবস্থা কি?
তাঁদের আর কোনো সমস্যা আছে কিনা।
এগুলি জানার পরে যেটা দরকার তা হল এইসব মানুষদের নিয়ে একটা সোসাইটি /অর্গানাইজেসন টাইপের কিছু তৈরী করা। আমরা তাঁদের একাউন্টে যা দেবার দেব, কিন্তু তাঁরা নিজেরাই নিজেদের সমস্যা মিলেমিশে মেটাবেন।
অবশ্যই কেউ ব্যাক্তিগতভাবেও সাহায্য করতে পারেন।
**********************************
প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসাবে ৫০ জন মুক্তি্যোদ্ধার একটি সংগঠন চাই। আমার মনে হয় তাঁরাই এই কাজের জন্য সেরা লোক। মুক্তি্যোদ্ধারা আজ ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েছেন, তাঁদের আবার জোটবদ্ধ হতে হবে।
তাঁরা যদি কাজটা শুরু করেন, আশা করি সাহায্যের অভাব হবেনা।
লেখককে প্লাস।
আর সরকারের কথা যদি বলেন, স্বাধীনতার উপাসকদের কখনো শোষকের দালালরা সম্মান করতেই পারে না।
নাজমুল নয়ন বলেছেন:
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে পড়া এটা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ ঘটনা, নিজেকে ধরে রাখতে পারলামনা।লালু'দেরকে বিনিত নম্রে সালাম
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
মাথা পাগলা ⎝⏠⏝⏠⎠ বলেছেন:
এইভাবে একদিন দেশ স্বাধীন হয়। মুক্তিযোদ্ধারা অস্ত্র জমা দেয়। জাতির জনককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। স্বাধীনতা বিরোধীরা ঠাটে ফেরে। আর লালুদের ঠাই হয় আস্তাকুড়ে। সেখানেই একদিন তারা ধুকে ধুকে মরে যায়। যে পতাকার জন্য জীবনবাজি, মরণের পর সেটা কফিনে মোড়ক হয়। এই বাংলাদেশে একজন মুক্তিযোদ্ধার এটাই রাষ্ট্রীয় সম্মাণ। মরোণত্তর যদিও।
মেঘবন্ধু বলেছেন:
মানুষ কি এমন হতে পারে!!! এ রকম একটি পোস্টেও মাইনাস!! মন চাইতাছে.......।
কাঊসার রুশো বলেছেন:
এইভাবে একদিন দেশ স্বাধীন হয়। মুক্তিযোদ্ধারা অস্ত্র জমা দেয়। জাতির জনককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। স্বাধীনতা বিরোধীরা ঠাটে ফেরে। আর লালুদের ঠাই হয় আস্তাকুড়ে। সেখানেই একদিন তারা ধুকে ধুকে মরে যায়। যে পতাকার জন্য জীবনবাজি, মরণের পর সেটা কফিনে মোড়ক হয়। এই বাংলাদেশে একজন মুক্তিযোদ্ধার এটাই রাষ্ট্রীয় সম্মাণ। মরোণত্তর যদিও।
দুষ্ট বাপ্পি বলেছেন:
আমরা অকৃতজ্ঞ জাতি আমাদের কাছ থেকে এর থেকে ভাল কিছু আশা করা বোকামি ।
আধাঁরি অপ্সরা বলেছেন:
লজ্জা!!!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















.jpg)















.jpg)




