আমার প্রিয় পোস্ট

অতীত খুড়ি, খুঁজে ফিরি স্বজাতির গুলিবিদ্ধ করোটি

জিয়া জানতেন, কতখানি জানতেন...

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:২৫

শেয়ারঃ
0 53 0

কিছু দিন আগে চেতনা'৭১ নামে একটি ফোরামে একটি ভিডিও ক্লিপ নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছিলো। বঙ্গবন্ধু হত্যার ওপর একটি টিভি চ্যানেলের এক প্রতিবেদন। তাতে ব্যবহার করা হয়েছিলো একটি বিশেষ ফুটেজ। অ্যান্থনী মাসকারেনহাসকে দেওয়া খুনীদের অন্যতম কর্ণেল ফারুক রহমানের সাক্ষাতকারের কিয়দাংশ, যাতে বলা হয়েছে ১৫ আগস্ট '৭৫ বঙ্গবন্ধু হত্যার পরিকল্পনা সম্পর্কে তখন সেনাবাহিনীর উপপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান জানতেন। যেখানে সে বছর মার্চেই জিয়ার সঙ্গে পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার উল্লেখ রয়েছে। আলোচ্য পোস্টটি এ ব্যাপারে কিছু সম্পূরক আলোচনা। জিয়া জানতেন, কতখানি জানতেন।

এক.

১৫ আগস্ট ১৯৭৫। ধানমন্ডী ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে ঘটে গেছে ভয়ঙ্কর এক নারকীয় হত্যাযজ্ঞ। সপরিবারে নিহত হয়েছেন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান। বেচে গেছেন শুধু জার্মানিতে অবস্থানরত দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। ঘটনার খানিক পর কর্ণেল রশীদের ফোন পান সেনানিবাসে অবস্থানরত ব্রিগেডিয়ার শাফায়াত জামিল। ঘটনায় হতভম্ব ও উদভ্রান্ত অবস্থায় তিনি ছুটে যান কাছেই উপ সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানের বাসায়। উত্তেজিত অবস্থায় দরজা ধাক্কাতে থাকেন তিনি, বেরিয়ে আসেন জিয়া। পরনে স্লিপিং ড্রেসের পায়জামা ও স্যান্ডো গেঞ্জি। এক গালে শেভিং ক্রিম লাগানো। শাফায়াত উদ্বিগ্ন কণ্ঠে বললেন, দ্য প্রেসিডেন্ট ইজ কিল্ড। শুনে জিয়া অবিচলিত। তার শান্ত প্রতিক্রিয়া- প্রেসিডেন্ট ইজ ডেড সো হোয়াট? ভাইস প্রেসিডেন্ট ইজ দেয়ার। গেট ইউর ট্রুপস রেডি। আপহোল্ড দ্য কনস্টিটিউশন। এই সংবিধান সমুন্নত রাখার নির্দেশনা মানে এই নয় যে খুনেদের গ্রেপ্তার, বরং তাদের সার্বিক সহায়তা- যার প্রমাণ মিলেছে পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহে।

খানিক পর চিফ অব জেনারেল স্টাফ খালেদ মোশাররফের পাশাপাশি জিয়া সেনাসদরে হাজির। ঘটনায় হতবিহ্বল সেনাপ্রধান শফিউল্লাহর জরুরী তলব পেয়ে তারা সেখানে। খালেদের পরনে রাতের পায়জামা, শার্ট, মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি। ব্যক্তিগত গাড়ি নিজেই চালিয়ে এসেছেন। জিয়া এসেছেন ড্রাইভার চালিত অফিসিয়াল গাড়িতে। ক্লিন শেভড এবং মেজর জেনারেলের পূর্ণাঙ্গ ইউনিফর্মে। এতে জিয়ার ডিসিপ্লিনের নির্দেশনা রয়েছে যা নিশ্চিতভাবেই সমালোচনাযোগ্য নয়। কিন্তু পুরো ঘটনায় অন্যদের বিপরীতে তার প্রশান্ত ও নিরুত্তেজ মনোভাব নিশ্চিতভাবেই ইঙ্গিত দেয় হত্যাকান্ডের পরিকল্পনা তার অগোচরে ছিলো না।

দুই.

ঘটনাটা কোনো রাজনৈতিক হত্যাকান্ড নয়, বরং কিছু উচ্ছৃঙ্খল সেনা কর্মকর্তার কারসাজি। মোটামুটি এভাবেই তা প্রচার পেয়েছে দুযুগেরও বেশী। ঘটনায় জড়িতরা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, তাই স্বাধীনতা বিরোধীরা এতে সংযুক্ত নয় মোটেই। প্রচারণায় এটি বেশ জোর দিয়েই ব্যবহৃত। তবে ঘটনা পরবর্তী প্রবাহ যে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির পুনর্বাসনে বড় ভূমিকা রেখেছে এতো প্রমাণিতই। এসপিওনাজ জগতে ‘মোল’ এবং ‘স্লিপার’ বলে দুটো জারগন আছে। ‘মোল’ বলতে বোঝায় প্রতিপক্ষের মধ্যে নিজের অনুগত কারো অবস্থান যাকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করা যায়। ‘স্লিপার’ হচ্ছে অনুগত কেউ যাকে বিশেষ পরিস্থিতিতে কাজে লাগানো হয়। এই ক্ষেত্রে কাউকে মোল বা স্লিপার না বানিয়ে বরং তাদের কর্মকাণ্ডের দিকেই খেয়াল ফেরানো যাক। ১৫ আগস্ট হত্যাকান্ডের দুই নেতা কর্ণেল ফারুক ও রশীদের মুক্তিযুদ্ধে যোগদান স্বাধীনতার অল্প আগে। ১৯৭১ সালে ফারুক রহমান আবুধাবীতে পাকিস্তানী এক আর্মড রেজিমেন্টের স্কোয়াড্রন কমান্ডার ছিলেন, ১২ ডিসেম্বর তিনি পক্ষ বদলে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। রশীদ যোগ দিয়েছেন তার এক মাস আগে। এর আগে পশ্চিম পাকিস্তানেই ছিলেন তিনি। যুদ্ধ যোগ দিয়েছেন পালিয়ে নয়, ছুটি নিয়ে!

দুজনের মধ্যে আত্মীয়তার বন্ধন রয়েছে। চট্টগ্রামের এক শিল্পপতির দু মেয়েকে বিয়ে করেছেন তারা। সম্পর্কে ভায়রা ভাই। দুজনের পরিচয় রিসালপুর মিলিটারি একাডেমিতে। সেখানে তাদের ইনস্ট্রাকটর ছিলেন জিয়াউর রহমান। জিয়া নিজে ছিলেন আইএসআইতে। এছাড়া পশ্চিম জার্মানিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে যাওয়ার পর এমজি তোয়াবের সঙ্গে তার সখ্যতা। ১৫ আগস্টের পর তখনও পাকিস্তানী বিমান বাহিনীর সদস্য তোরাব ঢাকা উড়ে এসে বিমান বাহিনী প্রধানের দায়িত্ব নেন। এর আগে শফিউল্লাহকে হটিয়ে জিয়া সেনাপ্রধান হয়েছেন। এই তোয়াবের সঙ্গে ফারুক-রশীদের সংশ্লিষ্ঠতার উল্লেখ মেলে জিয়ার বিরুদ্ধেই একটি অভ্যুত্থান প্রচেষ্টায়।



৩০ এপ্রিল ১৯৭৬ বগুড়া সেনানিবাসে ট্যাংক রেজিমেন্টের যে অভ্যুত্থানটি হয়েছিলো তাতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ফারুক। আগের বছর ৩ নভেম্বরে খালেদ মোশাররফের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীরা বিনাবিচারে দেশত্যাগের অনুমতি পান (তার আগে জেলখানায় খুন করে যান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দানকারী চার জাতীয় নেতাকে)। তারাই মধ্য এপ্রিলে ফিরে আসেন তোয়াবের সহযোগিতায়। অভ্যুত্থানের উদ্দেশ্য ছিলো ক্ষমতায় ভাগ পাওয়া, যা একাই ভোগ করছিলেন জিয়া। অভ্যুত্থান যথারীতি ব্যর্থ হয়, তবে ফারুক এবারও বিনাবিচারে পার পেয়ে যান। জিয়া বরং তাকে কূটনৈতিক দায়িত্ব দেন। যদিও তোয়াবকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয় উস্কানির দায়ে। একইভাবে হত্যাকারীদের প্রায় সবাই জিয়ার হাতে কূটনৈতিক দায়িত্ব পেয়ে পুনর্বাসিত হন, যাদের মধ্যে রয়েছেন মেজর শরিফুল ইসলাম ডালিমও। আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার সময় তিনি ছিলেন কেনিয়ার রাষ্ট্রদূত। এখন পলাতক।

এই ডালিম মুজিব হত্যার খবর ঘোষণা করেছিলেন বাংলাদেশ বেতারে। বলেছিলেন বাংলাদেশ এখন থেকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র। মুক্তিযুদ্ধের পিঠে ছুরি মারার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত খন্দকার মোশতাক আহমেদকে সামনে রেখে দেশকে আবার পাকিস্তানে ফিরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনাটা সফল হয়নি যদিও। কিন্তু অভুত্থানকারীদের মনোভাবই বলে দেয় তারা কোন কিসিমের মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। The plotters of assassination of Sheikh Mujib and the leader of the so-called Majors, Lt. Colonel Farooqur Rahman said several times that the killing of Sheikh Mujib was inevitable because he deviated Bangladesh from the Islamic path and placed it in the hands of India and the Soviet Union After the death of Sheikh Mujib, Bangladesh established diplomatic and trade relations with Pakistan and China. Sheikh Mujib, however, was also gradually approaching towards that direction. The economic policy adopted by the present government is quite different to that of Sheikh Mujib's socialistic policy. (BBC, 15 August 1976).

আর স্বাধীনতার অন্যতম সেক্টর কমান্ডার (একমাত্র যিনি কোনো সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেননি) জিয়ার মনোভাব তো স্পষ্টই গোলাম আযমসহ চিহ্নিত স্বাধীনতা বিরোধীদের পুনর্বাসনে। ফারুক-রশীদরা যা করেছেন তার পূর্ণ বেনিফিশিয়ারী ছিলেন জিয়া, আর তার পরবর্তী কর্মকাণ্ড কোনোক্রমেই স্বাধীনতার চেতনাকে সমুন্নত করে না। The conspiracy against Bangladesh began even before it was liberated, and some of those men who plotted against Sheikh Mujib were in the conspiracy. If the coup had been staged by-rather through-men who had openly opposed the liberation struggle, there would have been greater resistance immediately. The killers were a part of Pakistan‘s ‗Operation Phoenix‘, who participated in the liberation of Bangladesh did create confusion and was helpful to camouflage the real enemy. This anti- Bangladesh force came out later on . After assuming office as head of the state Major-General Ziaur Rahman, Chief Martial Law Administrator (CMLA), issued a proclamation order amending the Constitution of Bangladesh framed by elected people's representatives in 1972, to insert Bismillah-ir- Rahmanir Rahim (In the name of Allah, the Beneficent, the merciful) and other Islamic principles in the of the Constitution in place of secular ideals, which was subsequently ratified in the form of the Fifth Amendment of the Constitution in April 1979.Zia‘s amendment gave a clear signal about the regime‘s political ideology and support base. Through the amendment, Zia started a revisionist process on the identity question and the Liberation movement. These debates would dominate the political discourse of the country for the next two decades. (Rounaq Jahan, 2005, p-281)

এ বিষয়ে আরো চমকপ্রদ উল্লেখ রয়েছে লে.কর্ণেল (অব.) নুরুন্নবী বীরবিক্রমের এক সাক্ষাতকারে:


তিন.

মুজিব হত্যাকান্ড সম্পর্কে জিয়া আসলে কতখানি জানতেন তার একটি বিস্তারিত উল্লেখ পাওয়া যায় লরেন্স লিফশুলজের ‘এনাটমি অব আ ক্যু’ নামের প্রতিবেদনটিতে। সেখানেও উল্লেখ আছে ১৯৭৬ সালের আগস্টে সানডে টাইমসের সাংবাদিক মাসকারেনহাসের নেওয়া সাক্ষাতকারটির। আর এতে ফারুক ও রশীদ স্পষ্টই বলেছেন অভুত্থানের মাসছয়েক আগে থেকেই মোশতাক এবং জিয়ার সঙ্গে তাদের যোগাযোগ হচ্ছিল। শেখ মুজিবের সম্ভাব্য হত্যাকান্ড সম্পর্কে তাদের মধ্যে একাধিক বৈঠকও হয়েছে। লিফশুলজ জানাচ্ছেন ফারুকের বর্ণিত ২০ মার্চের অনেক আগেই জিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিলো ঘাতকদের। In 1997, this correspondent met an unquestionably authoritative source with intimate and direct knowledge of the planning of the coup. This individual, a retired Bangladeshi military officer, was the consummate "insider" to the events of August 1975, and the planning which preceded it. I had met this individual briefly in 1975 and had hoped to meet him again. However, twenty-two years would elapse before a meeting was ultimately arranged. After prolonged negotiations through intermediaries I flew from the United States and made contact with this individual in a European capital. Our meeting lasted five hours. Many new insights were gained and many old ones were confirmed. Among the many things that he talked about my source described how both Mustaque and General Ziaur Rahman had been in contact and discussions with the Majors for more than six months prior to the actual coup. This individual had personally attended numerous meetings that Major Rashid had held separately with Zia and Mustaque. In his television interview with Anthony Mascarenhas, Rashid described a meeting with General Zia on March 20, 1975, in which a coup was discussed in detail. This meeting took place five months before the coup. My source attended this meeting with General Zia but claimed it was not the first in which plans for a coup were discussed.

সে সময়টায় জিয়া নিজেও ক্ষুব্ধদের তালিকায়। তার বদলে শফিউল্লাহকে সেনাপ্রধান করা হয়েছে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে তাকে বদলীর সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরক্ত ছিলেন। ঘটনার কয়েকদিন আগে খুনীদের অন্যতম মেজর মহিউদ্দিন জিয়ার একটি চিঠি নিয়ে যান বঙ্গবন্ধুর কাছে, যাতে তার বদলি আরো কিছুদিন পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ ছিলো। শেখ মুজিব রেখেছিলেন সে অনুরোধ যার ফলে সেনাবাহিনীতে কমান্ডিং একটা অবস্থানে থাকতে পেরেছিলেন জিয়া যা অনেক উপকারে এসেছিলো ঘাতকদের।

জিয়া তাদের বলেছিলেন- ‘একজন সিনিয়র কর্মকর্তা হিসেবে এতে আমার যোগ দেওয়ার সম্ভব নয়, তবে তোমরা জুনিয়র অফিসাররা যদি কিছু করতে চাও, করো। আমি বাধা দেবো না।’ এই যে সবুজ সংকেত, এটাই ছিল ফারুক-রশীদদের জন্য আশীর্বাদ। লিফশুলজ তার সেই সোর্সের বরাতে এও জানিয়েছেন যে মোশতাক নয়, ফারুক রশীদদের ই্চ্ছে ছিলো অভ্যুত্থানের একটা পূর্ণাঙ্গ সামরিক রূপ দিতে। অর্থাৎ মুজিব হত্যার পর একটি মিলিটারি কাউন্সিল গঠন করে দেশ শাসন। আর এর নেতৃত্বে জিয়াই ছিলো তাদের একমাত্র এবং গ্রহনযোগ্য পছন্দ। General Zia, who was then Deputy Chief of the Army, expressed continuing interest in the proposed coup plan, but also expressed reluctance to take the lead in the required military action. The junior officers had already worked out a plan, Rashid told Zia, and they wanted his support and leadership. Zia temporised. According to the account given by Rashid to Mascarenhas and confirmed by my source, Zia told him that as a senior officer he could not be directly involved but if they junior officers were prepared, they should go ahead. According to my unusual source, the Majors hoped right up until the end that Zia would take the lead in the coup. Their view was that the best option would be not to bring in Mustaque with whom they were in constant, yet discreet, contact. The best option from the Majors perspective was to establish a Military Council as the commanding authority after the coup. In fact, it was largely Rashid who was in charge of defining the options for his group. It was their hope that Zia would lead such a council. While the junior officers might have preferred a senior officers' coup with Zia at the head, they secured the next best option. With General Zia's neutrality or even tacit support assured, the junior officers could move ahead without fear that Zia would throw his forces against them at the crucial moment.

এই বিষয়ে বলতে গিয়ে লিফশুলজ উল্লেখ করেছেন মার্কিন মনোভাব প্রসঙ্গে জিয়া এবং মোশতাক দুই তরফেই নিশ্চয়তা মিলেছিলো ফারুক-রশীদের। My unusual source made a rather interesting comment when he noted that he had been present during two different meetings: one with Zia and a separate one on a different day with Mustaque, in which Major Rashid independently raised a question concerning what the attitude of the United States would be to the planned coup. "Both Zia and Mustaque independently told us that they had checked with the Americans," said this military officer. "Their answers were the Americans. I then realized that Zia and Mustaque had their separate channels to the Americans. After that the subject didn't come up again."

তবে জিয়া কেনো মিলিটারি কাউন্সিলের দায়িত্ব নেওয়া থেকে পিছিয়ে গেলেন তার একটা ব্যাখ্যাও রয়েছে লিফশুলজের লেখায়। শুধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ড পর্যন্ত সমর্থন ছিলো জিয়ার, কিন্তু তার পরিবার সদস্যদের অর্থাৎ নারী ও শিশুদের রক্ত নিজের হাতে মাখাতে রাজী ছিলেন না তিনি: The Majors hoped until the last that Zia would take command of a new military Council that would be set up in the immediate aftermath of the coup. Even on August 15th they believed this was still a possibility. But, according to this source, Zia stepped back into the shadows once it emerged that a massacre had occurred at Mujib's house and the houses of other relatives in which women and children were mercilessly killed alongside their menfolk. According to this source, Rashid himself was shocked at the killings and believed in the years that followed that there had been a "hidden plan" submerged within the coup that he neither knew about nor controlled.

তবে চাইলেই কি রক্তের দাগ এড়ানো যায়! ইতিহাস তার তথ্য ও উপাত্তের আবরণে ঠিকই জায়গা নির্দিষ্ট করে দেয় সবার। ষড়যন্ত্র ও হত্যায় কার কি অবস্থান।

শেষ কথা :

জিয়া তার সত্যিকার অভ্যুত্থানটি ঘটিয়েছিলেন ২৩ নভেম্বর, ১৯৭৫। এদিন দৃশ্যপট থেকে সরে যান ক্ষমতার পথে তার সম্ভাব্য শেষ প্রতিপক্ষ কর্ণেল তাহের। গ্রেপ্তার হন তিনি। ফাসির মঞ্চে ওঠার আগে জিয়াকে বিশ্বাসঘাতক বলে প্রকাশ্যেই জবানবন্দী দিয়ে গেছেন তাহের। বঙ্গবন্ধু সে ঘোষণার সুযোগ পাননি। তবে আমরা এখন জানি, মৃত্যুর আগে জেনে গিয়েছিলেন তিনিও।




সূত্র :
১. ক্রাচের কর্ণেল (শাহাদুজ্জামান)
২. God willing: the politics of Islamism in Bangladesh ( By Ali Riaz)
৩. Anatomy of a Coup: A Journey of a Quarter Century (Lawrence Lifschultz)
৪. ভোরের হত্যাযজ্ঞ (ভোরের কাগজ: ১৫ আগস্ট, ২০০৫)

 

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৩
কানা-বাবা বলেছেন: ধন্যবাদ একটি তথ্যভিত্তিক পোস্ট দেবার জন্য।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সময় নিয়ে পড়ার জন্য

২. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৫
অন্ধকার বলেছেন: তথ্যবহুল...
চমকপ্রদ...
সবই জানা কথা, তবু আবারো পড়তে ভালো লাগল...
ধন্যবাদ পিয়াল।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৪৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

৩. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৭
কানা-বাবা বলেছেন: ধন্যবাদ একটি তথ্যভিত্তিক পোস্ট দেবার জন্য।
৪. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৮
অন্ধকার বলেছেন: তথ্যবহুল...
চমকপ্রদ...
সবই জানা কথা, তবু আবারো পড়তে ভালো লাগল...
ধন্যবাদ পিয়াল।
৫. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৪২
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সামুতে নতুন কি বাগ আসলো বুঝলাম না! আমার পোস্টটা দেখি দুইবার হইছিলো, ঠিক করে এসে দেখি মন্তব্যও দ্বিগুন হয়ে গেছে
৬. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৫১
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: এই পোষ্ট জীবনে আরো দিছেন, কি সৌভাগ্য আপনাদের জিয়ার বদনাম একবার করলেই অলৌকিক কারনে দ্বিগুন হয়ে যায়......!!!!

হাসিনাও জানতেন জিয়া খুন হবেন!

ভারতের প্রশিক্ষন প্রাপ্ত এরশাদের হাতে জিয়া খুন হন "র" এর মনোনীত হাসিনা দেশে আসার দুই সপ্তাহ না যেতেই|

জিয়া-মন্জুর হত্যা কান্ডের পর এরশাদ ক্ষমতা নিল, হাসিনা মুচকি হেসে বললো "আই অ্যাম নট আন হ্যাপি"| ৯ বছর এই এরশাদকে ক্ষমতায় রাখেছে হাসিনা ও আওয়ামীলীগ|

সুতরা; জিয়া হত্যায় এরশাদ-হাসিনা-ভারত জড়িত কতটুকু জড়িত...???


(+/- দিমু না, আপনের লগে একটু বাহাস করমু, অনেকদিন পরে পাইছি...... :):) )
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:০৫

লেখক বলেছেন: এই পোস্ট জীবনে আরো দিছি কথা সইত্য। আর একবারই দিছিলাম সেইটা আমার ব্লগে। এই পোস্টটা আসলে আপনার জন্য দেওয়া। রাগ ইমনের একটা পোস্টে দেখলাম আপনি ঠিক এই বিষয়টা নিয়া মনের মাধুরী মিশায়া প্রলাপ বকলেন, তখন ঠিক করলাম পোস্টটা দিমু।

এখন বস লাইনে আসেন। এই পোস্ট যতখানি জিয়ার বদনাম গাওয়ার জন্য, তার চেয়েও বেশী মুজিব হত্যায় তার ওয়াকিবহাল থাকার কাহিনি নিয়া। এই পোস্টের উৎস ফারুক-রশীদের সাক্ষাতকার। খুনীরা বলতেছেন জিয়ারে জানায়াই তারা যা করার করছে। এই তথ্যগুলা আরো অনেকগুলা সোর্সে সমর্থিত হইছে যা আমি আলোচনায় আনছি। আমার নিজস্ব ইন্টারপ্রেশন বইলা যেই ব্যাপারগুলা মনে হয়- যেমন জিয়ার স্বাধীনতাবিরোধী পুনর্বাসন, কিংবা খুনীদের আগলাইয়া রাখা- এই ব্যাপারগুলাও সূত্র সহকারেই উল্লেখিত।


এইবার আসেন বাহাস করি। তবে আমার ধারণা হাসিনা-মঞ্জুর-ভারত-এরশাদ এরা এই পোস্টে মোটেও রিলেভেন্ট না।

৭. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৪
ঋভু অনিকেত বলেছেন: ধন্যবাদ এরকম তথ্যবহুল একটা পোস্ট দেয়ার জন্য।
আপাতত প্রিয়তে রাখলাম, সময় নিয়ে পড়ে মন্তব্য করবো।
+++++++++++++
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:১০

লেখক বলেছেন: আচ্ছা

৮. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:০০
ইমতিয়াজ ১৩ বলেছেন: কাকে বিশ্বাস করবো। সবাই ক্ষমতার পাগল। দেশটাকে নিয়ে কেউ চিন্তা করে না।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:০৭

লেখক বলেছেন: কাউরে বিশ্বাস করার দরকার নাই। আত্মবিশ্বাসটাই থাকুক

৯. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:০৬
বিডি আইডল বলেছেন: পরে পড়বো...বেশি বড়....

কিন্তু বঙ্গবন্ধু হত্যাকালীন ক্লিন শেভড অবিচল জিয়া "জানলেও জানতে পারেন" এর সপক্ষে তথ্য প্রমাণের চেয়ে শাসক জিয়ার কর্মকান্ডের সাথে তাকে জড়ানোর আলোচনাই বেশী মনে হলো...

ডিটেইলস পড়ে কমেন্ট করবো পরে...
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:০৯

লেখক বলেছেন: ওইটা আসলে একটা ইনট্রো টাইপের। একটু ক্যাচি করা, কারণ দিস ইজ আ ব্লগ, নট আ নিউজ পেপার। তবে শাহাদুজ্জামান ভাই ওই অংশটা উদ্ধৃত করছেন জিয়ারই দোস্ত কর্ণেল হামিদের স্মৃতিকথা থেকে

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:১১

লেখক বলেছেন: বড় হওয়ার জন্য আসলে দুঃখিত। আমার ব্রুটাসের আইডিয়াটা পছন্দ হইছে। এইরকম দুই লাইনে লেইখা এই ধরণের পোস্টগুলারে ১০০ পর্বের সিরিজ বানামু ভাবতেছি :)

১০. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:১৫
নিউজকাস্টার বলেছেন: শফিউল্লাহ কতটুকু জানতেন ? মুজিবের জন্য তিনি কতটুকু ত্যাগ স্বীকার করেছেন ?
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:২৪

লেখক বলেছেন: সেইটা আপনি লিখেন, আমরা পড়ি

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:২৬

লেখক বলেছেন: আপনারেও

১২. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:২০
লুৎফুল কাদের বলেছেন: বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: এই পোষ্ট জীবনে আরো দিছেন, কি সৌভাগ্য আপনাদের জিয়ার বদনাম একবার করলেই অলৌকিক কারনে দ্বিগুন হয়ে যায়......!!!!

হাসিনাও জানতেন জিয়া খুন হবেন!

ভারতের প্রশিক্ষন প্রাপ্ত এরশাদের হাতে জিয়া খুন হন "র" এর মনোনীত হাসিনা দেশে আসার দুই সপ্তাহ না যেতেই|

জিয়া-মন্জুর হত্যা কান্ডের পর এরশাদ ক্ষমতা নিল, হাসিনা মুচকি হেসে বললো "আই অ্যাম নট আন হ্যাপি"| ৯ বছর এই এরশাদকে ক্ষমতায় রাখেছে হাসিনা ও আওয়ামীলীগ|

সুতরা; জিয়া হত্যায় এরশাদ-হাসিনা-ভারত জড়িত কতটুকু জড়িত...??

Killing of Muzib was sad like everyone else but it was necessary to free country from Muzibs dictatorship and Rakhi bahini.
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:২৫

লেখক বলেছেন: not at all, but to rehab the bastard razakars and their papa azam

১৩. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৩০
লীনা দিলরূবা বলেছেন: পিয়াল ভাই, অফলাইনে আপনার লেখাটা পড়ে, মন্তব্য রাখার জন্য, প্রিয়তে রাখার জন্য ঢুকলাম।

আপনি শিরোনামে বললেন, জিয়া জানতেন, কতখানি জানতেন, আমি বলতে চাই জিয়া জানতেন, অনেকখানি জানতেন। সরাসরি ষড়যন্ত্র'র অংশীদার হয়ত ছিলেননা কিন্তু নৈতিক সমর্থন তার ছিল।

এমন একটা তথ্যানুসন্ধানী লেখায় হাত দেবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য। আর এ লেখাটায় পরোক্ষ হলেও আপনার একটা বড়সড় অবদান যে রয়েই গেছে তা নিশ্চয়ই সূত্র দেখে বুঝে ফেলেছেন। সেজন্য আবারও কৃতজ্ঞতা

১৪. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৯
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: @কাদের:

আমি কোন হত্যাকান্ডকেই সমর্থন করি না| পক্ষে-বিপক্ষে অনেক কথা বলা যায়|

ভাসানী-মুজিব-জিয়া এই তিন নেতাকে ভালবাসি|
মুজিব-জিয়ার হাজার দোষ ত্রুটি থাকার পরও মনে হয়, এভাবে মৃত্যে তাদের প্রাপ্য ছিল না|

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩২

লেখক বলেছেন: এই কথার পর আর কথা থাকে না

১৫. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৪০
লুৎফুল কাদের বলেছেন: Mr. Pyal (hope I spelled it right) do not forget that those bastards were also Hasinas partner before coming to power in 1996. So, why you do not say Hasina was also involved in stablishing Jamat. Why Hasina did not take any step from 1996-2001 to element Jamat?
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৬

লেখক বলেছেন: u spelled it wrong, no y. i didnt forgot the dirty game of politics, but the thing is, this post is all about what zia knew about the killing of muzib. and Hasina didnt have enough sit to eliminate any of those son of the guns last time elected, hopefully this time she will coz the youth is with her

১৬. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৪৬
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: আপনিতো ভাই হাদীস-কুরআন বিশারদ, তিরমিজী শরীফের হাদীস দিয়ে সাজিয়ে রেখেছেন প্রোফাইল। সূতরাং ‘জীবন-মৃত্যুর একমাত্র মালীক মহান আল্লাহ’ তাওতো আপনার জানা থাকার কথা। জিয়ার পেছনে লাগছেন যে?

জিয়া দেশ ও জাতির অসাধারণ কল্যাণ করেছেন। যে কারণে এত কিছুর পরও মানুষের মন থেকে জিয়াকে মুছতে চাইলেও মুছা যাবে না। বৃথা যাবে সব অপচেষ্টা।

১ টাম মাইনাস দিলাম। রাগ কৈরেন না।

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯

লেখক বলেছেন: হযরত, এখন আমি যদি বলি আপনার খোমা দেইখা আমার মনে হয় আপনে নিজেও রাজাকার আপনার চৌদ্দগুষ্টি রাজাকার- সেইটা কি উচিত হবে বলেন? জিয়ার পিছনে লাগার রুচি-অভিরুচি পরের ব্যাপার কারণ সিরিয়ালে জামাতে ইসলামী আছে। পোস্ট না পইড়া পন্ডিতি চোদাইলেন বইলা নাখোশের পাশাপাশি খুশীও হইলাম, আপনার লেজটা দেখা যাইতেছিল না আগে

১৭. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৪৭
রুবেল শাহ বলেছেন:

ভাইয়া ওগো দেহি জ্বালাপোড়া শুরু হইয়া গেছে ...................

লাল স্যলুট

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪০

লেখক বলেছেন: আবার কয় ;)

১৮. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৪৯
কানা-বাবা বলেছেন: লুৎফুল কাদের বলেছেন: Killing of Muzib was sad like everyone else but it was necessary to free country from Muzibs dictatorship and Rakhi bahini.

~ পিউর ননসেন্স। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির হাত থেকে দেশকে রক্ষার মহৎ দায়িত্ব কতিপয় সেনা সদস্যকে কে দিয়েছিল? দরকার হলে গন বিদ্রোহ হত।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪১

লেখক বলেছেন: আপনি কি আদৌ বিশ্বাস করেন এই কিলিংটা দেশরক্ষার জন্য হইছে?

১৯. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৫০
রুবেল শাহ বলেছেন:
@ মোহাম্মদ লোমানে কি চমৎকার ওহি নাযিল করল
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: হ, ত্রাতার নামে এত বড় অপমান। জিয়া না থাকলে তো পাকিস্তানে বাঙালী কলোনিতে থাকতে হইত

২০. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৫৮
ফারুক চৌধু্রী বলেছেন: রুবেল শাহ বলেছেন:

ভাইয়া ওগো দেহি জ্বালাপোড়া শুরু হইয়া গেছে ...................

"ক্লিন শেভড এবং মেজর জেনারেলের পূর্ণাঙ্গ ইউনিফর্মে। এতে জিয়ার ডিসিপ্লিনের নির্দেশনা রয়েছে যা নিশ্চিতভাবেই সমালোচনাযোগ্য নয়">>>খাইসে আপনেও দেহি পাম দেওয়া শিখে গেছেন :P
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯

লেখক বলেছেন: হ, পামই ;)

২১. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:০১
লুৎফুল কাদের বলেছেন: পিউর ননসেন্স। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির হাত থেকে দেশকে রক্ষার মহৎ দায়িত্ব কতিপয় সেনা সদস্যকে কে দিয়েছিল? দরকার হলে গন বিদ্রোহ হত

I hope you know about Rakhi bahini. Mango people were busy to save their own life and opposition party, there was none. Mizib forced army to do that by creating Rakhi bahini.
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩

লেখক বলেছেন: ভাই একটা কথা কই, রাজনীতি ও ইতিহাস বিষয়ে আপনারে জ্ঞানে আমি মুগ্ধ হইতে পারলাম না। এই রক্ষী বাহিনীর কি হইছিলো? তাদের কি ১৫ আগস্টের পর মেরে ফেলা হইছে নাকি তাদেরও আর্মিতে ঢুকানো হইছে? আপনি কি জানেন তাহেরকে এরেস্ট করানোর পর জিয়া নিজেই স্পেশাল পুলিশ ফোর্স টাইপের একটা আধা মিলিশিয়া সংগঠন বানাইছিলেন, তিনি নিজেও আর্মিরে তখন বিশ্বাস করতে পারতেছিলেন না। এইবার আপনি বলেন বিএনপি কেনো জিয়া হত্যার বিচার করে না, নাকি তারা চায় না, নাকি জানেই না তার মৃত্যুর কারণ, জানলে সেইটা নিয়া উচ্চবাচ্য নাই কেনো? নাকি ভাবি ডাকলেই এরশাদের সাত খুন মাফ

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩

লেখক বলেছেন: স্যালুট

২৩. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:২২
সাদাকালোরঙিন বলেছেন: রুবেল শাহ বলেছেন:
@ মোহাম্মদ লোমানে কি চমৎকার ওহি নাযিল করল


বিএনপি-জামাতের সুবিধামত ওহী নাজিল হইতে জিবরাঈল কেও সব সময় রেডি থাকতে হয়না , মগবাজারী কেউ ডিউটিতে থাকলেই হয়।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৪

লেখক বলেছেন: যা কইছেন ;)

২৪. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৩১
কানা-বাবা বলেছেন: লুৎফুল কাদের বলেছেন: I hope you know about Rakhi bahini. Mango people were busy to save their own life and opposition party, there was none. Mizib forced army to do that by creating Rakhi bahini.


~ Rakhi bahini কি অজেয়? ৭৫ থেকে ৫ বছর আগে ৭১ কে আপনার ভাষায় Mango people কি পরাক্রমশালি পাক বাহিনীকে পরাজিত করেনি? কিনবা ধরুন আইয়ুবের মত ডিক্টেটরকে কে সরিয়েছিল? ক্যু নাকি জন বিপ্লব? পৃথীবিতে এমন কোন ডিক্টেটর নেই যাকে তার ডেহসের মানুষ সরাতে পারে না। কোন যুক্তিতেই সামরিক ক্যু কে যুক্তিযুক্ত করতে পারবেন না।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: ওয়েল সেড

২৫. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৩২
স্বপ্নরাজ বলেছেন: আপনার পোস্টগুলোতে মাইনাস দিতে ইচ্ছে করে না।

কিন্তু একপেশে আন্দাজের উপর ভিত্তি করে লেখা একজন সফল রাষ্ট্রনায়কের চরিত্র হননের নগ্ন চেস্টার জন্য অবশ্যই মাইনাস।
---------
আর স্বাধীনতার অন্যতম সেক্টর কমান্ডার (একমাত্র যিনি কোনো সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেননি) জিয়ার মনোভাব তো স্পষ্টই গোলাম আযমসহ চিহ্নিত স্বাধীনতা বিরোধীদের পুনর্বাসনে। ফারুক-রশীদরা যা করেছেন তার পূর্ণ বেনিফিশিয়ারী ছিলেন জিয়া, আর তার পরবর্তী কর্মকাণ্ড কোনোক্রমেই স্বাধীনতার চেতনাকে সমুন্নত করে না।

---------
পরিবারকে বিপদে রেখে চট্রগ্রাম থেকে সশস্র যুদ্ধের ডাক সেনাবাহিনী থেকে কে প্রথম দিয়েছিলেন? ২৭শে মার্চের ৫/৬ দিনের মধ্যে বংগবন্ধুর সাথে পাকিস্তান সরকার যদি সমঝোতা করে ফেলত (সেই সম্ভাবনা কি একটুও ছিল না তখন?) তাহলে জিয়ার অতি অবশ্যই কোর্ট মার্শালে ফায়ারিং স্কোয়াডের মুখমুখি হতে হত।
আর উনি মুখোমুখি যুদ্ধ করেন নি এই তথ্য আপনি কোথায় পেলেন ? প্রথম প্রতিরোধতো উনিই করেছেন , চট্রগ্রামের একদল পাকিস্তানী সেনাকে আটক করে(পড়েছেন নিশ্চয়ই উনার লেখা থেকে)স্বাধীনতা ঘোষনা কি যুদ্ধ হয়না?

গোলাম আযমকে কিভাবে উনি পুনর্বাসন করেছেন পরিস্কার না। বংগবন্ধুর সময় থেকে গোলাম আযম কোন সুযোগটা জিয়ার সময় বেশী পেয়েছেন?

পুনর্বাসন তো উনি করেছেন আওয়ামিলীগকে। হাসিনার কৃতজ্ঞ থাকা উচিৎ উনার কাছে।

সবশেষে বলি খুনী চক্র এর আগে কখনও জোর দিয়ে তথ্য প্রমান দিয়ে জিয়ার জড়িত থাকার কথা বলেনি।ইদানিং কোন জোড়াল প্রমান ছাড়াই জিয়া জানতেন বলা বা তাকে খুনের সাথে আকারে ইংগিতে জড়ানোর চেস্টা করা আমারতো মনে হয় আওয়ামিলীগকে পুনর্বাসন করে নিয়ে তাদের ক্ষোভেরই বহি: প্রকাশ।

খুনী চক্রের রাজনৈতিক পুনর্বাসন কিন্তু করেছিল আপনার আওয়ামিলীগের প্রিয় মিত্র এরশাদ। ও ভুলে গেছি আওয়ামিলীগের সাথে থাকলে তো সাত খুন মাফ হয়ে যায়।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০০

লেখক বলেছেন: পোস্ট পছন্দ না হইলে অবশ্যই মাইনাস দিবেন। আপনার মন্তব্যের পাল্টা মন্তব্যে নুরুজ্জামান মানিক কিছু কথা বলেছেন, তাই পুনরাবৃত্তিতে গেলাম না। তবে এই পোস্টটা আমি আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি হিসেবে লিখছি মনে হইলো কেনো? রাজনৈতিক মিত্রতার কথা যদি তুলেন একসময় বিএনপিও আম্লীগের সখাই ছিল রাজপথে

২৬. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৪৮
লুৎফুল কাদের বলেছেন: Rakhi bahini কি অজেয়? ৭৫ থেকে ৫ বছর আগে ৭১ কে আপনার ভাষায় Mango people কি পরাক্রমশালি পাক বাহিনীকে পরাজিত করেনি? কিনবা ধরুন আইয়ুবের মত ডিক্টেটরকে কে সরিয়েছিল? ক্যু নাকি জন বিপ্লব? পৃথীবিতে এমন কোন ডিক্টেটর নেই যাকে তার ডেহসের মানুষ সরাতে পারে না। কোন যুক্তিতেই সামরিক ক্যু কে যুক্তিযুক্ত করতে পারবেন না

If only mango people won the war in 1971, can you please tell me what Indian soldiers did on that time? I do not believe they were sucking their fingers. Let me give a recent example: Saddam Hussain. Iraqis tried for years to kick him out from power why they could not? Why the needed support from U.S.A?
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: বুজতারচি আপনার বিয়াপক গান।

২৭. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৫০
জাকির হোসেন বিডি বলেছেন: মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: আপনিতো ভাই হাদীস-কুরআন বিশারদ, তিরমিজী শরীফের হাদীস দিয়ে সাজিয়ে রেখেছেন প্রোফাইল। সূতরাং ‘জীবন-মৃত্যুর একমাত্র মালীক মহান আল্লাহ’ তাওতো আপনার জানা থাকার কথা। জিয়ার পেছনে লাগছেন যে?

নোমান ভাই আপনি হাদিস-কুরান সহ যেভাবে কটাক্ষ করলেন ! এতে প্রখাইলে আপনার দাড়ি ভর্তি সুন্দর মুখখানির বেইজ্জতি করলেন !


জিয়া দেশ ও জাতির অসাধারণ কল্যাণ করেছেন। যে কারণে এত কিছুর পরও মানুষের মন থেকে জিয়াকে মুছতে চাইলেও মুছা যাবে না। বৃথা যাবে সব অপচেষ্টা।

তার জন্যে আপনার পিরিতের যা দেখছি ! তাকে মেয়ে ভেবে বাথরুমে কল্পনা করেন না তো আবার !!

১ টাম মাইনাস দিলাম। রাগ কৈরেন না

কি আর বলব ! খারাপ ভাবে বলতে ইচ্ছা হয় না ! কিন্তু কিছু কথা শুনলে সেখানে মালিশ কাজ করে না, দোড়রা মারার দরকার পড়ে! এসব ক্যচাল আমাদের নিত্যদিনের নাস্তার অংশ।



২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০২

লেখক বলেছেন: কিছু ছাগু সময়ের তোড়ে পাঠু হয়ে যায়

২৮. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:১২
কানা-বাবা বলেছেন: লুৎফুল কাদের বলেছেন: If only mango people won the war in 1971, can you please tell me what Indian soldiers did on that time? I do not believe they were sucking their fingers. Let me give a recent example: Saddam Hussain. Iraqis tried for years to kick him out from power why they could not? Why the needed support from U.S.A?

~ কথা সাদ্দাম মামা কইলাম মিলিটারি ডিক্টেটর ছিলেন, মুজিব ছিলেন জন নির্বাচীত। মুজিবের ক্ষমতার উৎস মিলিটারি ছিল না ছিল মানুষ। আর সাদ্দামকে সরাতে না পারার অনেক কারন। যেমন: ইরাকি জনগন ইউনাইটেড ছিল না। কর্দিরা এবং শিয়ারা বিরোধিতা করলেও অনেক সুন্নিই তার পক্ষে ছিল। ফলে ইরাকে বিচ্ছিন্ন আন্দোলন হলেও সামগ্রিকভাবে হয়নি।

কোন যুক্তিতেই সামরিক ক্যু কে যুক্তিযুক্ত করতে পারবেন না। দুই ব্রিগেড সৈন্য গিয়ে গোটা ২০ মানুষ মেরে দেশকে উদ্ধার করে ফেলবে এই জাতীয় কথা কখনই গ্রহনযোগ্য নয়।

সামরিক বাহিনীর কাজ ব্যারাকে থাকা, রাজনীতিতে হস্তখেপ নয়।

ইন্ডিয়ান আর্মির কথা যেভাবে বললেন তাতে পরিষ্কারভাবেই বোঝা যায় আপনি নোংরা ইংগিত করছেন। আপনার সাথে আর কথা বলতে ইচ্ছা হচ্ছে না। বিদায়। ভাল থাকুন।





২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: শেষ বক্তব্যে সহমত

২৯. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:১৪
লালসালু বলেছেন:
১ টা মাইনাস দিলাম। রাগ কৈরেন না। আপনার অন্য দুইটা লেখায় প্লাস দিছিলাম। এখনো ব্যলেন্স আছে।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪

লেখক বলেছেন: হাহাহা, খুশী মনে খাস দিলে যদি দিয়া থাকেন তাইলে রাগ করি নাই

৩০. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:২০
অলস ছেলে বলেছেন: ভালো লিখেছেন। ইনট্রো নিয়া একটা কথা :)
শফিউল্লাহ অভিনেতা ভালো, আর জিয়া পেশাদার।
ঠিক আছে, জিয়া সবই জানতেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হবে জানতেন, তাই প্রথম ঝুঁকি নিয়েছিলেন, মুজিব মরবেন জানতেন, তাই শেভ করছিলেন, নিজে মরবেন জানতেন, তাই ভাঙ্গা সুটকেস নিয়ে চট্টগ্রাম গিয়েছিলেন। মুজিব মরার পর পুরো দেশের মানুষ কেন খুশী হয়েছিলো সেটা একটু আলোকপাত করবেন?
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১১

লেখক বলেছেন: পুরা দেশের মানুষ বলতে কি বুঝাইলেন। ইন ফ্যাক্ট ওই শেষ লাইনটাই আপনার অসাধারণ মন্তব্যটার সোগা মেরে দিলো

৩১. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৩০
লুৎফুল কাদের বলেছেন: কথা সাদ্দাম মামা কইলাম মিলিটারি ডিক্টেটর ছিলেন, মুজিব ছিলেন জন নির্বাচীত। মুজিবের ক্ষমতার উৎস মিলিটারি ছিল না ছিল মানুষ। আর সাদ্দামকে সরাতে না পারার অনেক কারন। যেমন: ইরাকি জনগন ইউনাইটেড ছিল না। কর্দিরা এবং শিয়ারা বিরোধিতা করলেও অনেক সুন্নিই তার পক্ষে ছিল। ফলে ইরাকে বিচ্ছিন্ন আন্দোলন হলেও সামগ্রিকভাবে হয়নি।

কোন যুক্তিতেই সামরিক ক্যু কে যুক্তিযুক্ত করতে পারবেন না। দুই ব্রিগেড সৈন্য গিয়ে গোটা ২০ মানুষ মেরে দেশকে উদ্ধার করে ফেলবে এই জাতীয় কথা কখনই গ্রহনযোগ্য নয়।

সামরিক বাহিনীর কাজ ব্যারাকে থাকা, রাজনীতিতে হস্তখেপ নয়।

ইন্ডিয়ান আর্মির কথা যেভাবে বললেন তাতে পরিষ্কারভাবেই বোঝা যায় আপনি নোংরা ইংগিত করছেন। আপনার সাথে আর কথা বলতে ইচ্ছা হচ্ছে না। বিদায়। ভাল থাকুন


If Muzibs power was from people why people were happy after his death? Muzibs power was not from people his power was Rakhi bahini. You say Iraqis were not united. Were Bangladeshi united? Forget about 75, we are not even united in 09.

Did I say anything bad about Indian army. I asked you a question. You said only mango people won in 71 and I said no we won in 71 with the help of Indian army.

দুই ব্রিগেড সৈন্য গিয়ে গোটা ২০ মানুষ মেরে দেশকে উদ্ধার করে ফেলবে এই জাতীয় কথা কখনই গ্রহনযোগ্য নয়।
What Muzib and his Rakhi bahini did to Jasod supporters was it acceptable?
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৪

লেখক বলেছেন: হাহাহা, মজাই তো। আপনার শেষ লাইনটা নিয়া আসেন কথা বলি। জিয়া জাসদ সদস্যদের খুব আদর করছেন তাই না? তাহেররে তো ঝুলাইলেনই, তারপর রেড এলার্ট জারি কইরা মারা হইছে তাদের। উছিলা? ভারতীয় রাষ্ট্রদুতে উপর হামলা

৩২. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৩১
মোহাম্মদ জাফর সাদেক বলেছেন: ভাইয়েরা যে লম্বা লেখা পছন্দ করেন না। এতো বড়ো সমস্যা !!!!!!!
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৫

লেখক বলেছেন: হ ছোটো সমস্যা না

৩৩. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৩২
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: ধন্যবাদ পিয়াল, ভাল একটি লেখার জন্য।
বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের জন্য এখনও কিন্তু কিছু উচ্ছৃঙ্খল সেনা কর্মকর্তার কাজ বলে উল্লেখ করা হয়। সেনাবাহিনী ছাড়াতো আওয়ামী লীগের লোকজন এতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত ছিল। আমার ব্যক্তিগত মত হলো বঙ্গবন্ধু তার জীবদ্দশায় কিছু ভূল করে গেছেন। তিনি জানতেন খোন্দকার মোশতাক কি। তারপরও তার বিরুদ্ধে তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি। মন্ত্রীসভায় রেখেছেন অথচ মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সফল সংগঠক তাজউদ্দিন আহমেদকে পাশে সরিয়ে দিয়েছেন। শেখ মনি আর গাজী গোলাম মোস্তফার মতো লোকদের প্রশ্রয় দিয়েছেন সব কিছু জানার পর।

একমাত্র ডালিম মনে হয় এখানে ব্যক্তিগত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন, বাকিরা কাজ করেছেন সুক্ষ ষড়যন্ত্র অনুযায়ী। জিয়া কর্ণেল তাহেরকে ফাঁসীতে ঝুলিয়েছেন বলে তাহের তাকে বিশ্বাসঘাতক বলার সূযোগ পাচ্ছেন। অথচ তাহের নিজে জিয়াকে রক্ষা করেছেন। খালেদ মোশাররফ যখন ক্যু করেছিলেন এবং ভারতীয় চরের তকমা গলায় পড়ে নিহত হন কোন তাহের কিন্তু তাকে রক্ষা করেনি। তাহের যে দর্শনে বিশ্বাসী হয়েছিলেন সেটাও তো ছিল একটা ভ্রান্ত দর্শন। তিনি সফল হলে কি হতো সেটা চিন্তা করতেও ভয় হয়। আপনি কি শফিউল্লাহকে ছাড় দেয়ার পক্ষপাতি ? আমি কিন্তু একেবারেই না। একটা অমেরুদন্ডী প্রাণীর হাতে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব ছিল এটা ভাবতেই তো কেমন লাগে। হত্যাকান্ডের পরবর্তী সময়ে তার যে ভূমিকা রাখার প্রয়োজন ছিল সেটা রাখতে তিনি চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছেন।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬

লেখক বলেছেন: স্যালুট বড় ভাই, গোটা পোস্টে এই একখান সঠিক মন্তব্য পাইলাম।

৩৪. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৩২
লুৎফুল কাদের বলেছেন: অলস ছেলে বলেছেন: ভালো লিখেছেন। ইনট্রো নিয়া একটা কথা :)
শফিউল্লাহ অভিনেতা ভালো, আর জিয়া পেশাদার।
ঠিক আছে, জিয়া সবই জানতেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হবে জানতেন, তাই প্রথম ঝুঁকি নিয়েছিলেন, মুজিব মরবেন জানতেন, তাই শেভ করছিলেন, নিজে মরবেন জানতেন, তাই ভাঙ্গা সুটকেস নিয়ে চট্টগ্রাম গিয়েছিলেন। মুজিব মরার পর পুরো দেশের মানুষ কেন খুশী হয়েছিলো সেটা একটু আলোকপাত করবেন?

Good job, Lazy boy.
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন: ধরেন আপনার লিগা আরেকটা লিখা আছে ওইখানে গিয়া আপনার ইংরেজী জ্ঞান .দান

৩৫. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৮
একলা একজন বলেছেন: সূত্র :
১. ক্রাচের কর্ণেল (শাহাদুজ্জামান---কে ইনি, পরিচয় দিলে ভালো হয়)
২. God willing: the politics of Islamism in Bangladesh ( By Ali Riaz---কে ইনি, পরিচয় দিলে ভালো হয়)
৩. Anatomy of a Coup: A Journey of a Quarter Century (Lawrence Lifschultz)
৪. ভোরের হত্যাযজ্ঞ (ভোরের কাগজ: ১৫ আগস্ট, ২০০৫; একটি চরম দলীয় পত্রিকার প্রকাশিত লেখা তথ্যসুত্র হিসাবে কোন যুক্তিতে বিবেচিত হয়? এই পত্রিকাতেই তা ফকির ইলিয়াসদের মত অন্ধ বুদ্বিজীবিরা লেখে)
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯

লেখক বলেছেন: হ, সবই অপরিচিত আর দালাল বুদ্ধিজীবিগো লেখা। এইসব সূত্র ব্যবহার করা উচিত হয় নাই

৩৬. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৯
মোহাম্মদ জাফর সাদেক বলেছেন: ভায়ারা যে লম্বা লিখা পছন্দ করেন না, কিন্তু চটি সাইজেতো সব লিখা শেষও করা যায় না। ব্লগ লিখকদের এতো বড়ো জ্বালা।।।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২০

লেখক বলেছেন: বড় জ্বালা

৩৭. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: একমত। জিয়া জানতেন। যতটুকু জানলে কিছু করা উচিৎ, তার চেয়ে বেশী জানতেন।

একটা কথা বুঝি নাই পিয়াল ভাই। "একমাত্র যিনি কোনো সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেননি" এ কথাটা কেন বললেন। জিয়া নিয়ে যুদ্ধের ময়দানে যেয়ে গোলাগুলি করেছেন কিনা জানি না, সম্ভবত কমান্ডারের কাজ সেটা নয়ও। কিন্তু তার কমান্ডে অনেকগুলো রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়েছে।

যতটুকু জানি, জিয়ার সাথে অন্যান্যদের রণকৌশল নিয়ে দ্বিমত ছিল। জিয়া প্রথাগত যুদ্ধের পক্ষে, বাকিরা গেরিলা কৌশলের পক্ষপাতি। কামালপুর যুদ্ধের পর এ নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছিল।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৫

লেখক বলেছেন: এই কথাটা ধার করা, তথ্যচিত্র নির্মাতা আনোয়ার কবিরের (সামরিক বাহিনীতে গনহত্যা খ্যাত), এই বিষয়ে ঘাটতে গিয়া দেখলাম আসলেই জিয়ার মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধ নাই, শুরুতে দুইটা রিট্রিট আছে। অথচ '৬৫ সালের যুদ্ধে খেমকারানে ইস্টবেঙলের যেই কোম্পানিটা (আলফা টু) বীরত্বের জন্য সম্মানিত হইছিল জিয়া তার কমান্ডে ছিলেন। কথিত আছে বাঙালী সোলজাররা বুকে মাইন বাইধা ভারতীয় ট্যাংকের অগ্রযাত্রা ঠেকাইছিল। সো দিজ জিয়া ডিফারড আ লট ফ্রম দ্যাট জিয়া। এটা ঠিক কমান্ডারের কাজ সেটা নয়, তবে অন্যদের ক্ষেত্রে ঘটনা অন্যরকম ছিল।

৩৮. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩
শ।মসীর বলেছেন: কে কি নিয়া কত বেশি জানত এই নিয়া অত ভাইবা কাম কি। যে যখন চান্স পাইছে জনগনের ই বারটা বাজাইছে। এই জাতির জন্মই হইছে শোষিত হবার লাইগা।

এক সময় করছে মুজিব -জিয়া, এখন করে তাগো বউ বেটিরা, কয় দিন পরে করব নাতি- নাতনিরা।

আর আবাল জনগন খুশিতে বাকুম বাকুম করব।

...................................................................................................

কেউ কি একটা ফিকশন লিখবেন, না একটায় হবেনা দুইটা লাগবে।

১। মুজিব যদি বেঁচে থাকতেন
২। জিয়া যদি বেঁচে থাকতেন

এই জাতির যত পারেন আফিম দেন।

ভারত থেকে পরে আসা বন্ধুর বন্ধু এক পোলা কয় মাঝে মাঝে নিজের প্রতি করুনা হয় এই দেশে জন্মাইছি বইলা, আফসোস দুনিয়াতে কি আর দেশ আছিলোনা। তখন তারে আমার জুতাইতে ইচ্ছা করে।

কিন্তু ঠান্ডা মাথায় ভাবলে আমিও আশার কিছু পাইনা।

এই জাতির কি কোন ভবিষ্যত আছে। কেউ কি জানেন ? একটু বলেন প্লিজ।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩০

লেখক বলেছেন: আপনে লেখেন। সঙ্গে আরেকটা লিখেন যখন আমাগো জাতীয়তাবোধ উথলাইয়া উঠে, যখন মনে হয় জাতি হিসেবে আমরা ব্যর্থ

৩৯. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০২
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: স্বপ্নরাজ বলেছেন "পরিবারকে বিপদে রেখে চট্রগ্রাম থেকে সশস্র যুদ্ধের ডাক সেনাবাহিনী থেকে কে প্রথম দিয়েছিলেন?"

- শুধূ এইটুকুই দেখলেন ? জিয়া যে পাকি শিপ থেকে অস্ত্র খালাস করছিলো সেসময় সেটা মনে আছে তো ? সে অস্ত্র দিয়েই কিন্তু বাঙ্গালী নিধন করা হয়েছিল। বাকি বাঙ্গালী অফিসাররা তাকে অনেকটা বাধ্য করেছিলেন সে সময় বিদ্রোহ করতে। পিয়াল যে মোল এন্ড স্লিপারদের কথা বলছে, প্রমাণ নেই এখন পর্যন্ত, সেটাই হয়তো একদিন প্রমাণিত হবে।

"গোলাম আযমকে কিভাবে উনি পুনর্বাসন করেছেন পরিস্কার না। বংগবন্ধুর সময় থেকে গোলাম আযম কোন সুযোগটা জিয়ার সময় বেশী পেয়েছেন?"

- এখানে গোলাম আযম আর জামাত শিবির বা স্বাধীনতাবিরোধী পক্ষ সমার্থক। তার করা আইনেই নিষিদ্ধ জামাত এবং অন্যান্য স্বাধীনতা বিরোধীরা এদেশে রাজনীতি করার সূযোগ পায়। তার সময়েই মায়ের অসূখের কথা বলে গোলাম আযম এই দেশে ফেরত আসে। আর কতো সুবিধা দেখতে চান ?

"খুনী চক্রের রাজনৈতিক পুনর্বাসন কিন্তু করেছিল আপনার আওয়ামিলীগের প্রিয় মিত্র এরশাদ। "

- সেটা ঠিক। ফ্রিডম পার্টির জন্ম এরশাদের আমলে। শফিউল্লাহ তার দায়িত্ব পালন করেননি সেনাপ্রধান হিসেবে। জিয়া যখন শফিউলালাহকে সরিয়ে সেনাপ্রধান হলেন তখন তিনি কি এই খূনীচক্রকে আইনের হাতে সোপর্দ করেছিলেন নাকি বিদেশে চলে যেতে এবং কুটনৈতিক চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেছিলেন ?
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: আবারও স্যালূট

৪০. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০৭
কক বলেছেন: খুব ভালো লিকেচেন....সম্ববত জিয়া সাহেব উনার নির্লপ্ত ভাব দেখানোর জন্যই শেভিং করার ভান করছিলেন আর উনি বাংলাদেশী মানুষ, লুংগী পরবেন, কিন্তু দেখা যায় উনি স্লিপিং ড্রেসের পায়জামা পরেছেন....এতেই প্রমানিত হয়, উনি দেশ প্রেমিক ছিলেন না। উনার পক্ষে সবই সম্ভব।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: তা যা বলেচেন দাদা

৪১. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০৯
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: মোটামুটি সবই জানা, আবারও জানলাম। ধন্যবাদ।

তথ্যভিত্তিক লেখা, যাযা বক্তব্য প্রদান করছেন, সবই ফ্যাক্ট দিয়া সাপোর্ট করছেন, তাই লেখার সমালোচনাগুলা সবই এইদিক ঐদিক দিয়া গেছে "বদনাম কেন করেন, আর বদনাম করলেনই যখন মুজিবেরও করেন" টাইপের :P
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনে দেখি দারুণ বিশ্লেষক! ধরছেন ঠিক। কাহিনী সেটাই ঘটতাছে :)

৪২. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:১৮
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: স্বপ্নরাজ বলেছেন: আপনার পোস্টগুলোতে মাইনাস দিতে ইচ্ছে করে না।

কিন্তু একপেশে আন্দাজের উপর ভিত্তি করে লেখা একজন সফল রাষ্ট্রনায়কের চরিত্র হননের নগ্ন চেস্টার জন্য অবশ্যই মাইনাস।
---------
আর স্বাধীনতার অন্যতম সেক্টর কমান্ডার (একমাত্র যিনি কোনো সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেননি) জিয়ার মনোভাব তো স্পষ্টই গোলাম আযমসহ চিহ্নিত স্বাধীনতা বিরোধীদের পুনর্বাসনে। ফারুক-রশীদরা যা করেছেন তার পূর্ণ বেনিফিশিয়ারী ছিলেন জিয়া, আর তার পরবর্তী কর্মকাণ্ড কোনোক্রমেই স্বাধীনতার চেতনাকে সমুন্নত করে না।

---------
পরিবারকে বিপদে রেখে চট্রগ্রাম থেকে সশস্র যুদ্ধের ডাক সেনাবাহিনী থেকে কে প্রথম দিয়েছিলেন? ২৭শে মার্চের ৫/৬ দিনের মধ্যে বংগবন্ধুর সাথে পাকিস্তান সরকার যদি সমঝোতা করে ফেলত (সেই সম্ভাবনা কি একটুও ছিল না তখন?) তাহলে জিয়ার অতি অবশ্যই কোর্ট মার্শালে ফায়ারিং স্কোয়াডের মুখমুখি হতে হত।
আর উনি মুখোমুখি যুদ্ধ করেন নি এই তথ্য আপনি কোথায় পেলেন ? প্রথম প্রতিরোধতো উনিই করেছেন , চট্রগ্রামের একদল পাকিস্তানী সেনাকে আটক করে(পড়েছেন নিশ্চয়ই উনার লেখা থেকে)স্বাধীনতা ঘোষনা কি যুদ্ধ হয়না?


আমাদের মুক্তিযুদ্ধের লড়াই ছিল তিন পর্বে বিভক্তঃ প্রথমে প্রতিরোধ পর্ব (মার্চ-জুন ) তারপর গেরিলা পর্ব (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সবশেষে সম্মুখযুদ্ধ (অক্টোবর-ডিসেম্বর)।এখানে পিয়াল ভাই জিয়ার সম্মুখযুদ্ধের কথা তুলেছেন । বিধায় , আপনার তথ্য সঠিক হলেও পিয়াল ভাইয়ের দাবি কে ভুল /মিথ্যা প্রমানে তা' ব্যর্থ । জিয়া যদি কো্নো সম্মুখযুদ্ধে অংশ নিয়ে থাকেন তবে তার রেফারেন্স দেন । আমরাও জানতে চাই । যদি দেন তার জন্য আগাম ধন্যবাদ দিয়ে রাখলাম । তবে পিয়াল ভাইয়ের "একমাত্র "শব্দ নিয়ে আমার আপত্তি আছে । আরো কয়েকজন সেক্টর অধিনায়কের কথা জেনেছি যারা কো্নো সম্মুখযুদ্ধে অংশ না নিয়েও বীরউত্তম হয়েছেন ।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫১

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে

৪৩. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২২
সবুজ সাথী বলেছেন: লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভাইসাহেব দেহি ভালোই কষ্ট করতেছেন। মনে হইতেছে মুজিবরে দেবতা বানাইবেন। খুৎবা পাঠের ঘুষনা তো দিছেন, আর কি কি করতে হইব একটু আগাম ধারনা দিয়েন। মনটারে একটু মানাইয়া রাখুম।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫২

লেখক বলেছেন: লীগ ক্ষমতায় আসার আগে কি ছিড়া আটি বাধতাম যদি একটু বলতেন

৪৪. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২৬
ইসানুর বলেছেন: আলোচনা চলুক........

জানার আছে অনেক কিছু।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩

লেখক বলেছেন: অংশ নেন

৪৫. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪০
রোহান বলেছেন: হা হা হা ভোরে দেওয়া পোষ্টে এতো তাড়াতাড়ি অনেকের পুরানা ঘা এ খুঁচা লাগছে মনে হয় :)

লোমান আংকেল, রনক্লান্ত, লুৎফুল কাদের -- কেউ পোষ্টের টপিকে কথা কইলেন না? খালি তেনা পেচাইলে হয়? কথা আছিলো এতোগুলা মানুষের হত্যাকান্ডে জিয়ার মত কিংবা সাপোর্ট আছিলো কিনা, ঘটনাটা উনি আগে থিকা জানতেন কিনা। তো সেইটা তে একমত হইলে কন হ্যা না হইলে লন এই লেখা ভুয়া। লোমান আংকেল আপনে তো মুক্তিযুদ্ধের অনেক গল্প লিখছেন, ৭৫ এর জিয়া কে নিয়া আপনার অবজারভেশন কি? রনক্লান্ত তেনা পেচায়া হাছিনাতে চইলা আসলো, জিয়ার আমলে আর্মিতে যে মাস কিলিং হইছিলো সেইটা নিয়া কিছু বলেন। স্বপ্নরাজ ভাই গোআ বাংলাদেশে কিভাবে পুনর্বাসিত হইছিলো বলেন তো? হাসিনা কি ৯৬ তে হেরে ফাকিস্তান থেকে আইনা কোলে কইরা পাসে বসাইছিলো নাকি? তাইলে হের পোলা ফাকিস্তানি বাপের পরিচয় নিয়া বাংলাদেশ আর্মির ব্রিগেডিয়ার হইলো কেমতে?

লুৎফুল কাদের, আপনি না কই বলছিলেন রক্ষী বাহিনীর হাতে চল্লিশ হাজার মুক্টিযোদ্ধা মারা গেছে? রেফারেন্স জানি কি আছিলো ওহ আপনার বাবা চাচার গল্প (!)... হে হে হে... আপনে কইলেন ৭৫ একটা পাবলিক ডিমান্ড আছিলো, মুজিব রে একা মারলে আপনার কথা কানে ঢুকানো যাইতো, বাকী ডেথ গুলান রে কি বলবেন? আমি দু:খিতো কিংবা ওটা কোলিটারেল ড্যামেজ, বড় ক্যু তে এমন থাকবেই -- এইসব কথা বলে দায় এড়াতে পারবেন? জিয়া নিজে কি এড়াতে পেরেছিলো?
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৫

লেখক বলেছেন: এক্কেরে জায়গামতো ঘাই দিছেন
কথা আছিলো এতোগুলা মানুষের হত্যাকান্ডে জিয়ার মত কিংবা সাপোর্ট আছিলো কিনা, ঘটনাটা উনি আগে থিকা জানতেন কিনা। তো সেইটা তে একমত হইলে কন হ্যা না হইলে লন এই লেখা ভুয়া।

সেই প্রসঙ্গে তারা কিছুই কইতারবেন বইলা মনে হয় না

৪৬. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০২
নির্বাসন বলেছেন: দেশের দুর্ভাগ্য যে শেখ মুজিব স্বাধীনতার পরে তাজউদ্দীনের মত নেতাকে পাশ কাটিয়ে কিছু আবালদের সাথে সখ্য গড়েছিলেন...এই পরিণতি হবার ই ছিলো তা জিয়া জানুক আর না জানুক...
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: :)

৪৭. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: "হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: একমত। জিয়া জানতেন। যতটুকু জানলে কিছু করা উচিৎ, তার চেয়ে বেশী জানতেন।

একটা কথা বুঝি নাই পিয়াল ভাই। "একমাত্র যিনি কোনো সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেননি" এ কথাটা কেন বললেন। জিয়া নিয়ে যুদ্ধের ময়দানে যেয়ে গোলাগুলি করেছেন কিনা জানি না, সম্ভবত কমান্ডারের কাজ সেটা নয়ও। কিন্তু তার কমান্ডে অনেকগুলো রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়েছে।

যতটুকু জানি, জিয়ার সাথে অন্যান্যদের রণকৌশল নিয়ে দ্বিমত ছিল। জিয়া প্রথাগত যুদ্ধের পক্ষে, বাকিরা গেরিলা কৌশলের পক্ষপাতি। কামালপুর যুদ্ধের পর এ নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছিল।"

কামালপুর অপারেশনে জিয়ার ভুমিকা কি ছিল ?
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: আমিও জানি না, হয়তো হাততালি দিছেন কামালপুর জয়ের খবরে

৪৮. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩
ম্যাক্স পেইন বলেছেন: জিয়ার পরিস্থিতিতে হয়তো সে চুপ থাইকা বুদ্ধিমানের কামই করসিল!!
লেখাটায় অনেক তথ্য পাইলাম
পিয়াল ভাইরে থ্যাংকু
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ভালোই বলছেন, তবে জিয়া কাউরে না বলতেন না, এইটা হয়তো তার বড় গুন

৪৯. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৯
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: ৪৮ নং মন্তব্যের জন্যঃ

স্মৃতি থেকে বলছি (রেফারেন্স হাতের কাছে নাই)

জেড ফোর্স সংগঠনের পরপরই জিয়াঊর রহমানের নির্দেশে কামালপুরের পাকিস্তানি অবস্থানে এক হামলা চালানো হয়। সংঘর্ষে আমাদের অনেক ক্ষয় ক্ষতি হয়। দুজন অফিসার সহ হতাহত হয় অনেকে (৬০ জন সম্ভবত)। এনিয়ে দ্বিমত ছিল যে এ ধরনের অভিযান আমাদের রন্পরিকল্পনার সাথে খাপ খায় কিনা। এটাকে উচ্চাভিলাসী অভিযান বলেছিল অনেকেই।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:০১

লেখক বলেছেন: কামালপুর ছিলো কর্ণেল তাহেরের সেক্টর, উনি পা হারাইছেন ওই যুদ্ধেই। জেড ফোর্স গঠনের পর তাহের বৃহত্তর কমান্ডের বিচারে জিয়ার আওতায় আসছেন হয়তো

৫০. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৭
নেক্সাস বলেছেন: মিথ্যা প্রলাপের জন্য মাইনাস।

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:০১

লেখক বলেছেন: বিলাপের জন্য ধন্যবাদ :)

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৩

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৪

লেখক বলেছেন: এতক্ষণে?

৫৩. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫
মনির হাসান বলেছেন: কালকে রাগ ইমন আর রাহাত খানের পোস্ট দুইটা দেখলাম । টোটাল সিনারীওটা চিন্তা করতেছি ।

একটা কম্পাইল্ড কিছু তৈরি করা প্রয়োজন পিয়াল ভাই।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৫

লেখক বলেছেন: কইরা ফেলো, তোমার মাথা পরিষ্কার, তুমি পারবা

৫৪. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৮
শয়তান বলেছেন: শফিউল্লার দায়ভার জিয়ার চেয়ে বেশী ।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৬

লেখক বলেছেন: দায় আর সম্মতি এক ব্যাপার না, তাইলে তো শফিউল্লাহ ক্ষমতায় আসতেন, জিয়া না

৫৫. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: জিয়া তাদের বলেছিলেন- ‘একজন সিনিয়র কর্মকর্তা হিসেবে এতে আমার যোগ দেওয়ার সম্ভব নয়, তবে তোমরা জুনিয়র অফিসাররা যদি কিছু করতে চাও, করো। আমি বাধা দেবো না।’

বছর দশ - বারো আগে কোন একটা বাংলা পত্রিকায় এ কথাটা পড়েছিলাম (নামটা মনে নাই এখন), আজকেও যখন এটা পড়া শুরু করেছিলাম বার বার ঘুরে ফিরে এ কথাটাই মনে পড়ছিল ... কারন এ একটা উক্তি যে কারো পুরো ব্যাপারটা বুঝার জন্য যথেষ্ট ।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:০৮

লেখক বলেছেন: এইটাই ছিলো সবুজ সংকেত। এই দেশটারে পিছায়া দেওয়ার জন্য ওই ঐতিহাসিক উক্তিটাই এক সময় হাইলাইটেড হবে

৫৬. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬
আল্লাহ রাখা বলেছেন: অসাধারণ........ আপনি বরাবরই অসাধারণ.....তবে মানিক ভাইয়ের কথাটাও মাথায় ঘুরছে,কি করবো বলেন.....ভাগ্যাহত এক জাতি আমরা।
আমাদের ইতিহাস জানতে দেয়া হয় না.... সত্যের মুখোমুখি হতে আমরা ভয় পাই,শিশু কাল থেকে এত এত মিথ্যা আর হটকারীদের নাম আর মুখ দেখে এসেছি যে ....আমরা ভুলেই গেছি আমাদের ইতিহাস,
ব্লগে এসে কিছু না পেলেও একজনকেই পাওয়া গেল....যে জানে...আর জানাতে জানে।
ভাল থাকবেন পিয়াল ভাই।সালাম।মাথা নত আপনার সামনে।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:১০

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে

৫৭. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২২
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: @হাসান শহীদ ফেরদৌস

১। ধন্যবাদ তবে তারিখ উল্লেখ করলে ভাল হতো । কামালপুরে জুন -সেপ্টেম্বরে কয়েকটি গেরিলা অপারেশন হয়েছিল । সম্মুখযুদ্ধ শুরু হয় ১৪ নভেম্বরে (যখন জিয়া ও তার জেড ফোর্স সিলেটে ) যেটিতে তাহের আহত হন ।

২। আপনি লিখেছেনঃ "একমাত্র যিনি কোনো সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেননি" এ কথাটা কেন বললেন। জিয়া নিয়ে যুদ্ধের ময়দানে যেয়ে গোলাগুলি করেছেন কিনা জানি না, সম্ভবত কমান্ডারের কাজ সেটা নয়ও। কিন্তু তার কমান্ডে অনেকগুলো রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়েছে।

এখানে তো জিয়ার কমান্ডেকমান্ডের কথা বলা হয়নি, অস্বীকারের প্রশ্নও আসে না । প্রশ্ন হলো-জিয়া কোনো সম্মুখ সমরে অংশ নিয়েছিলেন কিনা ?

সম্মুখ সমরে অংশ নেয়া সেক্টর অধিনায়কের কাজ নয় -এই কথার ভিত্তি কি ? ৮ নং সেক্টর অধিনায়ক মেজর মন্জুর তো দুই হাতে এসএলআর উঁচিয়ে গুলি গুলি করতে শিরোমনি অপারেশনে অংশ নিয়েছিলেন ।

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:১২

লেখক বলেছেন: ট্যাংক দখল! ওইটা কিন্তু সামরিকসূচীতে পাঠ্য

৫৮. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: "লেখক বলেছেন: এই কথাটা ধার করা, তথ্যচিত্র নির্মাতা আনোয়ার কবিরের (সামরিক বাহিনীতে গনহত্যা খ্যাত), এই বিষয়ে ঘাটতে গিয়া দেখলাম আসলেই জিয়ার মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধ নাই, শুরুতে দুইটা রিট্রিট আছে।"

আমিও প্রথমে ধাক্কা খেয়েছিলাম , পরে ঘাটাঘাটি করে দেখলাম আসলেই জিয়ার মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধ নাই । এখন আরেকটা প্রশ্ন মাথায় কিলবিল করছেঃ জিয়াকে বীরউত্তম দেয়া হয়েছে কোন্‌ অপারেশনে সরাসরি অংশ নিয়ে বরোত্বপুর্ন অবদানের জন্য যা পদকপ্রাপ্তির আবশ্যিক শর্ত ?
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৪

লেখক বলেছেন: সামরিক নেতৃত্বের কৃতিত্বে

৫৯. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৯
রুবেল শাহ বলেছেন:
@ মানিক ভাই

এই সব ওহি নাযিল যারা করছেন তারা তারিখ কেন শনেনযুলও দিযা দিবে তয় যা দেইখা শয়তানে খিল খিল কইরা হাসে।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৮

লেখক বলেছেন: :)

৬০. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৭
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: এডো পোস্ট প্রিয়তে...তয় পুরা ক্রেডিটে ভাগ বসাইছে খাউজানি কমেন্ট গুলা...তড়পানি দেখতে বরৈ মজা...;)
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৮

লেখক বলেছেন: সত্য, নাইলে পোস্টটা পূর্ণতা পাইতো না

৬১. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৩
নাঈম বলেছেন: একটা অফটপিক কমেন্ট করি পিয়াল ভাই, অ্যান্থনি মাসক্যারেনহাসের "লিগাসি অফ ব্লাড" বইটার বাংলা ভার্ষণ এর পিডিফটা কোথাও পাওয়া যাবে কিনা বলতে পারবেন?
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:০০

লেখক বলেছেন: আমার জানা নাই ভাই, মুক্তমনায় খোজ নিতে পারেন

৬২. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪
নকীবুল বারী বলেছেন: মুজিব-এর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস আর বন্ধুবেশি শত্রুদের অতিরিক্ত বিশ্বাস-১৫ই অগাষ্ট ঘঠনার অন্যতম কারণ।

তবে ১৫ই অগাষ্ট ও এর পরবর্তী ঘটনাক্রম একজন চতুর ও ট্যালেন্ট হিসেবে জিয়াকে প্রমান করে
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:২১

লেখক বলেছেন: রাইট ইউ আর। এইটা পড়েন। আগামীতে হয়তো লেখা হবে : খালেদা জিয়া জানতেন, কতখানি জানতেন...

৬৩. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:২০
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:
স্যালুট পিয়াল ভাই.........


তথ্যবহুল পোষ্ট। অনেকেরই গুয়া চুলকানি শুরু হৈচে দেখা যায়। মাওলানা লোমান ছাহেবান'রে কি নতুন চিনলেন? হের ল্যাঞ্জা বহুত আগেই বাহির হৈচে।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮

লেখক বলেছেন: আমি হের শুরুর কয়েকটা পোস্ট পইড়া আন্দাজ করছিলাম অবশ্য, সিউর হইতে একটু টাইম তো লাগেই

৬৪. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৭
রোহান বলেছেন: হে হে মাওলানা লুমান আংখেলের ল্যান্জা মনে হয় নুশেরাপু পরথম বাইর করছিলো ;)
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: মিস করছিলাম

৬৫. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: ৪৯ ও ৫৭ নং মন্তব্যেঃ

তারিখ উল্লেখ করতে পারছিনা, বিদেশে থাকার কারনে বই হাতে নেই। সম্ভবত আগস্ট মাসের ঘটনা। অনেক বইতেই এর উল্লেখ আছে।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৭

লেখক বলেছেন: আগের মন্তব্যে সংশোধনী। আগস্টে তাহের পালিয়ে আসার পর ১১ নম্বর সেক্টর গঠিত হয় এবং কামালপুর পড়ে তার আয়ত্বে। তার আগে জেডফোর্স সেখানেই ছিলো এবং সেনা সদরের নির্দেশে তারা পাড়ি জমায় সিলেটে। এখানে ৩১ জুলাই একটি রক্তক্ষয়ী লড়াই হয় যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন মমতাজ। ক্লোজ কমব্যাটের অসাধারণ এক দৃষ্টান্ত ছিলো সেটি। গুলি করতে করতে ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন একসময় পাকিস্তানি বাংকারে ঢুকে পড়েন, গুলি শেষ হওয়ায় লিপ্ত হন হাতাহাতি লড়াইয়ে। শেষ পর্যন্ত গুলিতে শহীদ হন। তার বীরত্ব যে কোনো বিচারেই বীর শ্রেষ্ঠর চেয়ে কম খেতাব পাওয়ার নয়। একই যুদ্ধে গুরুতর আহত হয়েছিলেন লে. আমিন আহমেদ চৌধুরী ও লে. মান্নান। কামালপুরেই পাকিস্তানী বাহিনীর প্রথম আত্মসমর্পনের ঘটনাটি ঘটেছিল। ৪ ডিসেম্বর শ'দেড়েক পাকিস্তানী (যাদের মধ্যে ছিল একজন ক্যাপ্টেনসহ ১০০ জন নিয়মিত সৈন্য, ৩০ জন রেঞ্জার এবং বাকিরা স্থানীয় রাজাকার) আত্মসমর্পন করে মিত্রবাহিনীর ভারতীয় ব্রিগেডিয়ার ক্লেরের নেতৃত্বাধীন ৯৫তম মাউন্টেন ডিভিশনের কাছে।

৬৬. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৮
মুরুববী বলেছেন: বেশ কিছু জিনিস জানা গেল। প্লাস।

"শাফায়াত উদ্বিগ্ন কণ্ঠে বললেন, দ্য প্রেসিডেন্ট ইজ কিল্ড। শুনে জিয়া অবিচলিত। তার শান্ত প্রতিক্রিয়া- প্রেসিডেন্ট ইজ ডেড সো হোয়াট? ভাইস প্রেসিডেন্ট ইজ দেয়ার। গেট ইউর ট্রুপস রেডি। আপহোল্ড দ্য কনস্টিটিউশন। " - একটা বেপার আগেও খেয়াল করছি, আমাদের দেশের আর্মি, বিডিআর নিয়া যত লেখা আছে, সবখানেই ওফিসার গুলা বেশিরভাগ কথা ইংলিশে বলে... কারন কিতা??

তবে একটা কথা ঠিক, মুজিব, জিয়া, এরশাদ, হাসিনা, খালেদা এইগুলার ভালদিক, খারাপদিক নিয়া কথা কইয়া ফায়দা নাই.... এইগুলান মুটামুটি একি গুয়ালের গরু।

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫১

লেখক বলেছেন: একটা সময় উর্দুতেও বলতো, সেটা স্বাধীনতার পরও।

৬৭. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৪
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: ব্যপারটা জানা ছিলো।তবে ডিটেইলস আপনি জানালেন।প্রিয়াইলাম।


.... আমার মনে হয়,মুজিব সরকারের কিছু ব্যর্থতা জাতি কে হতাশ করে ফেলেছিলো।তবুও মানুষ তার মৃত্যুকামনার পর্যায়ের হতাশ হয় নি তখনো।

মুজিবের সব চেয়ে বড় ভুল ছিলো,তাজউদ্দীনের মত একজন কুল মাইন্ডেড ডিসিশান মেকার কে দূরে সরিয়ে দেয়া,যদিও সেই ভূল টা বুঝানো হয়েছিলো মুজিব কে।



যাহোক,আপনার এখানে একটা জামাতিছাগুর (লুমান)দেখা পাইলাম।হেগো রে একত্র কৈরা পোস্টবন্দী করার খায়েস আছে।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: জিয়ার ভাষায় বলি : আমি সিনিয়র ব্লগার আমার এসবে থাকা সম্ভব না, তবে আপনারা জুনিয়ার ব্লগাররা যদি কিছু করতে চান, করুন, আমি বাধা দেব না :P

(অবশ্য আমি এইসব সিনিয়র-জুনিয়র কস্মিনকালেও মানি নাই)

৬৮. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০
দন্ডিত বলেছেন: অফ টপিকে কই রাইটিস্ট এক্সট্রিমিজম কেন পয়েন্টলেস ত্যানা প্যাচানো ছাড়া আর কিছুই না এই পোস্টের কমেন্ট তাই প্রমান করে। পিয়াল ভাই ল্যান্জাওয়ালা গুলার কমেন্টের ভিউ গুলা খুব খিয়াল কৈরা। এইসব পোস্টে একটা বাইপ্রোডক্ট লাভ হইতেছে যে ছুপা ল্যাজগুলা বাইর হইয়া যায়।

পোস্টে মাইনাস সংখ্যা দেইখা বুঝলাম মগবাজারী ভাতা বাড়ছে।:)
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২২

লেখক বলেছেন: হাহাহা, আপনার অবজারভেশন আর বিশ্লেষণের আমি পুরানা ফ্যান। :)

৬৯. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৩
তাজা কলম বলেছেন:
তথ্যপূর্ণ একটি পোষ্ট। প্রিয়তে রাখলাম। আমার মন্তব্য মুজিব হত্যার বিষয়ে জিয়া সরাসরি যুক্ত না থাকলেও পূর্বাহ্নেই জানতেন সবকিছু। নিবন্ধটি পড়ে পরে মন্তব্য করার ইচ্ছা রাখছি।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭

লেখক বলেছেন: নিশ্চয়ই, অপেক্ষায় থাকলাম

৭০. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১০
ব্যাপারনা বলেছেন: লেখক বলেছেন: এইটাই ছিলো সবুজ সংকেত। এই দেশটারে পিছায়া দেওয়ার জন্য ওই ঐতিহাসিক উক্তিটাই এক সময় হাইলাইটেড হবে

অ:ট: মুজিব বেঁচে থাকলে দেশ এখন ঠিক কতটুকু আগাত, ভাইজানের মতামত জানতে চাই।

২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: যেইটা প্রমাণিত সেইটা নিয়া কথা বলি ভাইজান, অনুমানে না যাই। তবে জামাত-শিবিরের পুলাপাইন যে এই ব্লগে কথা কইতে পারত না এইটা ঠিক

৭১. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৮
লীনা দিলরূবা বলেছেন: আমাদের দেশে যেসব রাজনৈতিক হত্যাকান্ড হয়েছে সেগুলোর সাথে কাদের কাদের সংশ্লিষ্টতা ছিল সেটির উন্মেষ হওয়া জরুরী, বিদেশে প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের হোতাদের চিহ্নিত করা হয় এবং এদের সবাই চিনে রাখে, আমাদের দূর্ভাগ্য আমরা নিজেদের যেকোন একটি দল বা গোষ্ঠীর আড়ালে রেখে এসব কাজে নিজের দায়িত্ব এড়িয়ে চলি।

মুজিব হত্যায় জিয়ার ভূমিকা
জিয়া হত্যায় এরশাদের ভূমিকা অবশ্যই মূল্যায়ণ হওয়া দরকার। প্রকৃত ইতিহাস আমাদের জানতে হবে।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: একমত। তবে প্রমাণাদি অনেক কম।

৭২. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩
লীনা দিলরূবা বলেছেন: মানছি প্রমাণাদি কম কিন্তু যারা কাছাকাছি ছিলেন তারা কিন্তু অনেকেই বেঁচে আছেন, মুজিব হত্যার সময়কার জেনারেল শফিউল্লাহ, এরশাদ সহ সামরিক কর্মকর্তারা, প্রায় সব রাজনৈতিক নের্তৃবৃন্দ.....জিয়ার সময়কার আমিন আহমদ চৌধুরী, মোহাম্মদ ইব্রাহিম সহ মেনন, ইনু সহ অসংখ্য রাজনৈতিক কিন্তু সত্যটা জানেন (ম্যাডাম খালেদার সবই জানবার কথা)। এখন এটিকে পুরনো ঘটণা বলে যদি কেউ তার দায়িত্ব এড়িয়ে যায় তাহলেই সমস্যা।

কোন অনুসন্ধানী সাংবাদিক এগিয়ে আসুক (অতীতেও এসেছেন কিন্তু আধাআধিতে আটকে গেছেন), আমরা ইতিহাসকে দায়মুক্ত করি।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪২

লেখক বলেছেন: আমি আশাবাদী, নিশ্চয়ই কেউ না কেউ এগিয়ে আসবেন কোনো না কোনো দিন

৭৩. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: পাকি-পাঞ্জাবীদের রক্ত থেকে ওদের মত গালি ছাড়া আর কিইবা আশা করা যায়?
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: কেনো খুব গালির উপর আছেন নাকি? পাকি-পাঞ্জাবি ছাড়েন, বাঙালী হোন। আমরা মহান জাতি, আন্তরিকভাবে মাফ চাইলে ক্ষমার কথা বিবেচনা করতে জানি।

৭৪. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:০৪
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: @লুমান সাব....পাকি-পাঞ্জাবীদের রক্ত রে খারাপ কৈয়েন্না।নিজের উৎস রে গাইল দেয়ন বালা না।;)


লেজা সাবধান।নড়ে ক্যান!!!
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: একটু বেশীই লড়তাছে লাগে :)

৭৫. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৯
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: বেশীর ভাগ তথ্যই জানা!
তবুও থ্যান্কস ভাইয়া আবার মনে করিয়ে দেবার জন্য:)

+++++
প্রিয়তে!
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

৭৬. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০০
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: জানা কাহিনী। অনেক মৃদুভাষায় বর্নিত।

জিয়া হত্যাকান্ডের বিষয়ে জানতেন, এটা আংশিক সত্য। পুরোটা হলো, তিনি জানতেন, এ সংক্রান্ত একাধিক বৈঠকে অংশ নিয়েছেন এবং হত্যাকারীদেরকে সমর্থন দিয়েছেন, সহযোগীতা করেছেন। এটা অন্য কোন কর্মকর্তা করলে সবাই স্পষ্ট ভাষায় উচ্চারণ করতো, কিন্তু ঘটনার নায়ক যেহেতু বিশাল এক রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা, তাই সবাই সব সত্য সবজায়গাতে বলেন না।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে সত্য কথাটা উচ্চারণের জন্য। একটা লক্ষ্যনীয় ব্যাপার হচ্ছে এই পোস্টটায় অনেক ব্লগারই এই বিষয়গুলো আগেই জানেন বলে জানিয়েছেন, আমি যতদূর জানি তাদের বেশীরভাগই অন্তত আওয়ামী লীগ ঘরানা বলে ট্যাগড নন আমার মতো (যা এই ব্লগে রেজিস্টার করার পর থেকেই আমি পেয়ে গেছি, লজ্জিতও নই)। এরা যা জানেন, বিরুদ্ধমতের যারা তারা কেনো জানেন না। এই পোস্টের উৎস আমি বলেছি ফারুক-রশীদের সাক্ষাতকারের ভিডিও ফুটেজ যা ১৯৭৬ সালে ধারণকৃত, জিয়া তখন প্রেসিডেন্ট না হলেও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক। সেসময় তাদের বলা কথাগুলো যে আরো অনেক জায়গায় উচ্চারিত, সেগুলো কম্পাইল করেছি। এখানে তাদের হাউকাউটা কিন্তু পোস্টের কোনো ঘটনাকে চ্যালেঞ্জ করে নয়। মজাই পেলাম

৭৭. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫১
আল্লাহ রাখা বলেছেন: আগে পারিবারিক ইতিহাসে পিতার মুখে শুনছি..... এখন সরাসরি প্রমান পেলাম.... আর জিয়া বিষয়ে একটা ধোয়াটে ভাব ছিল তা আজ সরে গেল।
আসলে জিয়া একটা জিনিস......হালায় বলছিল...."আই উইল মেইক দ্যা পলিটিক্স ডিফিকাল্ট ফর দ্যা পলিটিশিয়ান" আর ইতিহাস বিকৃত তে এখনও তেনার উত্তর সূরিদের জবাব নাই।

আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
জইন আপনাকে গুরু মানে ...... বুঝলাম খালি খালি না।

আপনি আসলেই একজন ....... আপনার নামের আগে দ্যা বসালাম
দ্যা গ্রেট পিয়াল ভাই
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: জইন একটা পাগল, বাট আই লাইক হিম

৭৮. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫১
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: যেহেতু ঐ আমলে জন্মই হয় নাই, সুতরাং নিজের মতামত অনেকটাই আন্দাজে ঠিক করে রাখছিলাম বলা চলে। নানা রিসোর্স পড়ে আমার বদ্ধ্বমূল ধারণা ছিল, জিয়া বঙ্গবন্ধুকে ক্যুএর মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করে গদি দখল করতে চেয়েছিল, কিন্তু ডালিম-রশিদরা পার্সোনাল ইস্যুতে ভায়োলেন্ট হয়ে ওঠায় জিয়া পিছু হটে ধৈর্য ধরার সিদ্ধান্ত নেয়। নিজে কালি থেকে বাঁচতে চাওয়া, যা আপনার পোস্টের শেষে উঠে এসেছে। তবে আমি এটাও বিশ্বাস করি, বঙ্গবন্ধু্ হত্যাকান্ডের পিছনে উনার নিজের দায়ও কম ছিল না। অনেক ভুল সিদ্ধান্তের মধ্যে একটা ছিল ডালিম-গাজীর ঘটনাটা প্রশ্রয় দেয়া। এইসব নানা কারণে জুনিয়র অফিসারদের ক্ষোভ আর তৎকালীন রক্ষীবাহিনী নিয়ে জনগনের ক্ষোভ পুঁজি করেই ক্যু এর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। রক্তপাতহীন ক্যু হলে জিয়াই তখন গদিতে বসতেন।
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৭

লেখক বলেছেন: হয়তো

৭৯. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫২
একরামুল হক শামীম বলেছেন: বিশ্লেষণধর্মী লেখাটা ভালো লাগলো পিয়াল ভাই।
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম

৮০. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১৬
লুৎফুল কাদের বলেছেন: রোহান বলেছেন: হা হা হা ভোরে দেওয়া পোষ্টে এতো তাড়াতাড়ি অনেকের পুরানা ঘা এ খুঁচা লাগছে মনে হয় :)

লোমান আংকেল, রনক্লান্ত, লুৎফুল কাদের -- কেউ পোষ্টের টপিকে কথা কইলেন না? খালি তেনা পেচাইলে হয়? কথা আছিলো এতোগুলা মানুষের হত্যাকান্ডে জিয়ার মত কিংবা সাপোর্ট আছিলো কিনা, ঘটনাটা উনি আগে থিকা জানতেন কিনা। তো সেইটা তে একমত হইলে কন হ্যা না হইলে লন এই লেখা ভুয়া। লোমান আংকেল আপনে তো মুক্তিযুদ্ধের অনেক গল্প লিখছেন, ৭৫ এর জিয়া কে নিয়া আপনার অবজারভেশন কি? রনক্লান্ত তেনা পেচায়া হাছিনাতে চইলা আসলো, জিয়ার আমলে আর্মিতে যে মাস কিলিং হইছিলো সেইটা নিয়া কিছু বলেন। স্বপ্নরাজ ভাই গোআ বাংলাদেশে কিভাবে পুনর্বাসিত হইছিলো বলেন তো? হাসিনা কি ৯৬ তে হেরে ফাকিস্তান থেকে আইনা কোলে কইরা পাসে বসাইছিলো নাকি? তাইলে হের পোলা ফাকিস্তানি বাপের পরিচয় নিয়া বাংলাদেশ আর্মির ব্রিগেডিয়ার হইলো কেমতে?

লুৎফুল কাদের, আপনি না কই বলছিলেন রক্ষী বাহিনীর হাতে চল্লিশ হাজার মুক্টিযোদ্ধা মারা গেছে? রেফারেন্স জানি কি আছিলো ওহ আপনার বাবা চাচার গল্প (!)... হে হে হে... আপনে কইলেন ৭৫ একটা পাবলিক ডিমান্ড আছিলো, মুজিব রে একা মারলে আপনার কথা কানে ঢুকানো যাইতো, বাকী ডেথ গুলান রে কি বলবেন? আমি দু:খিতো কিংবা ওটা কোলিটারেল ড্যামেজ, বড় ক্যু তে এমন থাকবেই -- এইসব কথা বলে দায় এড়াতে পারবেন? জিয়া নিজে কি এড়াতে পেরেছিলো

If you have time read the whole article. I will just copy and paste part of it.
Click This Link

It was Awami League of Sheikh Mujibur Rahman that mortgaged the national independence and state sovereignty signing the 25 years long-term unequal treaty with India. By creating Rakkhi Bahini, Lal Bahini, Sheccha Shebok Bahini and other private Bahinis AWAMI-BKSALISTS unleashed an unbearable reign of terror killing 40000 nationalists and patriotic people with out any trial.

"The period of AWAMI-BAKSAL rule was full of barbaric atrocities. The history of AWAMI-BAKSAL rule was basically history of murder, rape, loot, oppression, plunder, famine, capitulation to the foreign exploiters, white terror and above all betrayal to the spirit of the liberation war. People could never be able to forget those horrifying memories. In the name of socialism they plundered the national wealth, they kept the border open for the smuggling, for their mismanagement of the economy the country got recognized internationally as the 'bottomless basket'. There was no famine in Bangladesh during or just after the war but hundreds and thousands of people had to die out of the man made famine of'74 during the rule of AWAMI-BAKSAL.


Click This Link
"Sheik Mujib and his government presented the people fascism in the name of democracy, social injustice in the name of socialism, national disunity in the name of Bengali nationalism and communal disharmony in the name of secularism. In this way after subjugating the whole nation in a state of gasping suffocation all the opposition was crushed systematically through state terrorism with a view to close all the constitutional and democratic avenues to bring any change of government. The nation was thrown into an era of total darkness with no hope to breathe afresh.

"By creating Rakkhi Bahini, Lal Bahini, Sheccha Shebok Bahini and other private Bahinis AWAMI-BAKSALISTS unleashed an unbearable reign of terror killing 40,000 nationalists and patriotic people without any trial.

Mr. Rohan waiting for your answer. These references are not from my family members.
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩০

লেখক বলেছেন: বাহ ভালো একটা সোর্স দিছেন দেখা যায়, আমি তো ফিরোজ কামালরে আশা করছিলাম আপনাগো তাত্ত্বিক হিসাবে। রোহান নিশ্চয়ই আপনার প্রশ্নের উত্তর দিবে। আমি আরেকটা এনালিসিস দিলাম যেটার গ্রহনযোগ্যতা ওই জামাতি সাইটটা থেকে ভালো

Bangladesh President Sheikh Mujibur Rahman, along with all, but two daughters, of his family members, was killed by a group of young officers of the Army , said
BBC, on 15 AUGUST 1976 after just one year. Richard Open Haimer of the Eastern Division of the BBC reviewed the causes of his killing in the context of
development and present situation in Bangladesh. The Bangladeshis and the people abroad were equally shocked and terrified at the way Sheikh Mujib had
been killed.
Whatever criticism is labeled against his rule and corruption, there is no doubt that this great personality had helped much in the liberation struggle of Bangladesh four years ago. Still, Sheikh Mujib was killed at a time when he wanted to establish Democracy, Nationalism, Socialism and Secularism the four basic pillars of the Constitution. Doubts have been expressed about it and the economy of the country was almost collapsed at that time. Obviously, Sheikh Mujib was only partially responsible for the miserable economic condition of Bangladesh. There was no magic to fulfill the promises overnight which were made during the liberation for the economic freedom and to be free from the clutches of West Pakistan. Besides this, the hope for rapid economic revival and recovery after the liberation met with a severe blow following the world wide economic depression caused by the oil crisis in 1973 and 1974.” Richard Open Haimer continues and added: “But some new trends had appeared in the political and economic horizon of Bangladesh for which Sheikh Mujib was responsible. Some of these trends came to an end abruptly after his death and some are still going on in a changed form. But all these trends made him hostile.It was basically Sheikh Mujib who introduced parliamentary form of government. Again, Sheikh Mujib himself introduces one-party presidential system of government which he termed in January, 1975 as the Second Revolution.Sheikh Mujib’ s predecessor Khandakar Mushtaque Ahmed banned political parties as a condition for preparing a time schedule for the resumption of political activities and holding general elections in February, 1977.
The election time schedule remained unchanged despite coups after coups by the shipahis (soldiers). Now it is to be seen as to what extent the political parties can carry out their activities, how fairly the election is held and what role the Army play in any future government.It now appears that the twin policy of nationalism and secularism is the cause of Sheikh Mujib's death. The plotters of assassination of Sheikh Mujib and the leader of the so-called Majors, Lt. Colonel Farooqur Rahman said several times that the killing of Sheikh Mujib was inevitable because he deviated Bangladesh from the Islamic path and placed it in the hands of India and the Soviet Union After the death of Sheikh Mujib, Bangladesh established diplomatic and trade relations with Pakistan and China. Sheikh Mujib, however, was also gradually approaching towards that direction. The economic policy adopted by the present government is quite different to that of Sheikh Mujib's socialistic policy.
Following the adoption of some liberal policies in the field of industrial ownership, jute industry and foreign investment, it appears that the pattern of nationalization
is being changed. The powers which Sheikh Mujib handed over to his party workers from political point of view are now being practically given back to the professional bureaucrats and Martial Law Administrators. This is such a peculiar stability in the trend of events that has not been discontinued even after the assassination of Sheikh Mujibur Rahman or the military coup of November 1975." (BBC, 15 August 1976).

৮১. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৫
লুৎফুল কাদের বলেছেন: Using government forces and a militia of supporters called the Jatiyo Rakkhi Bahini, Mujib oversaw the arrest of opposition activists and strict control of political activities across the country.The militia and police were accused of torturing suspects and political killings. While retaining support from many segments of the population, Mujib evoked anger amongst veterans of the liberation war for what was seen as a betrayal of the causes of democracy and civil rights. The underground opposition to Mujib's political regime intensified under the clout of dissatisfaction and the government's inability to deal with national challenges and the dissatisfaction within the Bangladeshi army.

Source:http://en.wikipedia.org/wiki/Sheikh_Mujibur_Rahman
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:২৫

লেখক বলেছেন: আসেন এইবার জাসদের বিরুদ্ধে জিয়ার দমননীতি নিয়া আমরা একটু পড়াশোনা করি :

৭ই নভেম্বরের বিপ্লবের পরের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে লরেন্স লিফশুলজের 'আনফিনিশড রেভ্যুলুউশন' বইটিতে উল্লেখ হয় :
On the 24th of November paramilitary police surrounded Taher and arrested him.
Two days after Taher's arrest four sympathizers of the JSD including two of Taher's younger brothers attempted to take India's High Commissioner, Samar Sen, as a hostage. Sen was grabbed as he entered the embassy. While his abductors shouted - "Don't shoot; Hostage!" -the Ambassador's bodyguards opened fire with light machine guns, wounding the High Commissioner and killing two of the kidnappers instantly. One was Taher's brother. They never fired a shot. The two surviving members of the attempt confessed later to police that they had acted in the hope of holding Sen hostage in exchange for the release of Taher, Jalil, Rab, Inu, and other JSD leaders, They informed the police they had acted independently and without party authority, but had done so because they believed Zia had betrayed the revolution of November 7th.
A general crackdown began throughout the country against the JSD. In the districts the police dragnet pulled in a number of local student and trade union leaders. In Dacca a strict curfew was imposed and areas cordoned off as police made house to house searches for party members.
Severe trouble was reported from a number of cantonments following these arrests. In Dacca itself two dissident battalions were reported to have been disarmed with difficulty, while from Bogra, Comilla, and Rangpur reports of hundreds of soldiers being detained filtered into the capital. In early December a new mutiny broke out at the naval base in Chittagong, and again in March further disturbances developed in army units stationed with the Chittagong Brigade. Immediate measures were taken by the Martial Law authorities to build up a reliable internal security force outside the now highly politicized army. In early January the first public announcement was made regarding the founding of a police "Combat Battalion" under the direction of the new Home Secretary, Salauddin Ahmed, a rehabilitated official who had directed internal security functions in East Pakistan under Ayub Khan.

এই যে রক্ষী বাহিনী ধাচের সাড়ে ১২ হাজার সদস্যের পুলিশ বাহিনী, সে সম্পর্কে একই বইয়ে সিবিএস নিউজের পূর্বাঞ্চলীয় প্রতিনিধির এক প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে :
According to one western news report, filed by CBS News' Far East Correspondent, then visiting Dacca:
"In view of the question marks hanging over the loyalties of many personalities in the armed forces through their activities during November's mutiny, Zia is now engaged in a full-scale overhaul of Bangladesh's police and the formation of an elite 12,500-man 'special police force'. The concept of the force was made public shortly after senior police officials from throughout the country met in Dacca with Zia and other Government leaders to discuss how Bangladesh's police could be 'reorganized into an effective force to face the challenge of the time'. Although most details of the overhaul have remained secret, sources in Dacca believe Zia 'reorganized' the police in order to secure its full loyalty since the armed forces were considered unreliable. It is believed that this factor caused Zia to place the new special operations units, which would normally be part of the military, under police control.
The new 12,500-man force, which is divided into five 2,500-man 'armed battalions', is about the same size as the ill-fated Rakkhi Bahini. Many observers here suspect that the new formation may have the same function as the Rakkhi Bahini, although the Government says the force is designed 'to combat crimes of a special nature', particularly where 'sophisticated weapons' are involved. It will also carry out 'special drives, mopping-up operations and other activities requiring special training and techniques.' The battalions will have no permanent base, but will 'always be in combat readiness' and available for duty anywhere in Bangladesh.
The force appears to be just what the Government needs to carry through its rapidly accelerating campaign against the left-wing Jatyo Samajtantrik Dal (Socialist Nationalist Party). The crackdown, which assumed large-scale proportions in Dacca after the abortive attempt to kidnap the Indian High Commissioner, has now spread throughout Bangladesh. Reports reaching the capital indicate that gunfights, chases, and mass arrests are taking place regularly.
In December, the Dacca press reported the seizure of 'a huge number of unauthorized weapons' and the apprehension of over 1,000 'miscreants' (the Government's term for JSD members). Westerners engaged in relief work in eastern and northern Bangladesh claim police have threatened village headmen with arrest if they did not identify JSD cadres. These Westerners also say that detention and harassment of family and friends of suspected JSD members have been occurring with increasing frequency." (January 16, 1976),

এবার জানি ঘটনার পর জাসদের প্রকাশিত থিসিসে জিয়ার মূল্যায়ন :
A JSD document analyzing the events described Zia 's role in the following way:
"Knowing full well that Major-General Zia was an ambitious man and lacked a progressive personality, he was nevertheless put in power mainly because the prevailing situation called for the upholding of national unity. By placing at the top a seemingly non-political man like Zia, whom the people in general and the army would support, this could be achieved. In addition, the weak position he was in due to having been saved from certain death presented an opportunity to utilize him for the cause of working people's politics. He would be used, if possible, for the release of political prisoners, the staging of a free early election, the formation of an interim national government, liberating the country from the Indo-Soviet-US influence, and such other activities conducive to the revolutionary movement.
But shortly after having been put in such a powerful position, Zia realized that his personal class-based hopes and ambitions would not be materialized, if he remained under the influence of progressive forces... By 10-11 November 1975 he assumed a full reactionary role, Despite whatever correct statements he put forward at the outset, Zia right from the start moved towards the reactionary camp.

বটমলাইন, পড়লে জ্ঞান বাড়ে। আর যাদের রেফারেন্স দিয়া কান্নাকাটি করবেন তাদের তরফেও তো জানতে হবে কেমনে কি। নইলে তো জ্ঞান অসম্পূণ থাকে

৮২. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:১৫
লুৎফুল কাদের বলেছেন: বটমলাইন, পড়লে জ্ঞান বাড়ে। আর যাদের রেফারেন্স দিয়া কান্নাকাটি করবেন তাদের তরফেও তো জানতে হবে কেমনে কি। নইলে তো জ্ঞান অসম্পূণ থাকে
You are absolutely right and I just learned this about you.
Click This Link

So, I have doubt about the credibility of your reference.
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৬

লেখক বলেছেন: এই তো এতক্ষণে লাইনে আসছো মামা :) এন্ড প্রোডাক্ট কইলাম ওইটাই :)

৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে

৮৪. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮
সুবিদ্ বলেছেন: অনেক আগেই পড়েছিলাম........আজকে আবার নতুন প্রেক্ষাপটে পড়লাম.......এখন উচিত নেপথ্যের কুশলীদের খুঁজে বের করা.......
৮৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৩৪
সুপ্ত শিপন বলেছেন: লাল সালাম দাদা। প্রিয়তে নিলাম। +++
৮৭. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫৪
মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: ফারুকের সাক্ষাতকার থেকেই জানা যায়, জিয়াকে জানিয়েই তারা বংগবন্ধুকে হত্যা করেছে।
আবার বাপ-মায়ের কাছ থেকে যা শুনি, সেই সময় মুজিবের শাসন যেরকম বেসামাল হয়ে পড়েছিল, তাতে মুজিবের প্রস্থান ছাড়া কোন উপায় ছিল না। তাকে সরানোর একমাত্র রাস্তা এটাই ছিল, তখনকার প্রেক্ষাপটে। সুতরাং যা করছে ভালই করছে।
আমাদের দেশে রাজনীতি নোংরা জিনিস। মুজিব, জিয়া, এরশাদ সবাই রাজনীতিই করছে, যতটুকু নোংরাভাবে করা যায় ততটুকুই করছে।
৮৮. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০২
মাহবুব সুমন বলেছেন: এই পোস্ট অজি দেশের সাইটে দিয়ে আর কমেন্ট করে অনেকের দাওয়াতে ব্লাক লিস্টেড হইলাম :(
৮৯. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০৮
অভিমানী মেঘ বলেছেন: বেশি কিছু বলার নেই - লেখাটি প্রিয়তে নিয়ে গেলাম।


৯০. ২৮ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ৮:৫৫
রাজিয়েল বলেছেন: খুব মিস করি এই লেখাগুলা আর অনেক অজানা তথ্য। আর মিস করি এই মারামারি গুলাও
৯১. ১৭ ই জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২১
মোম বলেছেন: একদিনে এই বিষয়ে একাধিক লেখা পড়ে এখন মাথা ঘুরাচ্ছে। তাই আরও সময় নিয়ে আরও মনোযোগ দিয়ে আপনার লেখাগুলো পড়ব। আমরা, যারা আমাদের সম্পূর্ণ ও সঠিক ইতিহাস নিয়ে বিভ্রান্ত, আমরা সবার কথা শুনতে চাই। অনেক অজানা কথা জানলাম। আরও জানার চেষ্টা করব।
৯২. ১৭ ই জুলাই, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২২
মোম বলেছেন: পিয়াল ভাই, আপনাকে ধন্যবাদ দেয়া হয়নি।

অনেক ধন্যবাদ আপনার লেখার জন্য।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩২৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বন্ধুত্বে উদার, শত্রুতায় নির্মম : কিছু করার নাই, রাশির দোষ
........................
জামাতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে মহানবীর (দঃ) সতর্কবাণী :

শেষ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ