আমার প্রিয় পোস্ট
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন স্কোয়াড - টেকনলজী
- মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর ও ফোর্স অধিনায়ক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে গৃহীত সরকার/ সিইনসি ওসমানীর তিনটি পদক্ষেপ ও আমার জিজ্ঞাসা - নুরুজ্জামান মানিক
- যে কারনে পিলখানা হত্যাকান্ড এবং সাম্প্রতিক ছাত্রলীগ কর্মী হত্যাকান্ড ভয়ঙ্করভাবে একই রকম - রাজিয়েল
- "তাহারা এবং তদ্ সংক্রান্ত সুপ্রবচন": ইহা একটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ছড়া, পঠন কালে নর্তন বাঞ্ছনীয় - মতিউর রহমান সাগর
- ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব ৩ - ত্রিশোনকু
- বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন যারা!!! - তাহের
- আবারো স্বদেশপ্রেমের পরিচয় দিল শিবির। - সানুনয়
- পল গোয়েবল বিগ লাই থিওরী,৩৫ বছর ধরে লালন করা কয়েকটি মিথ্যা । ইতিহাসের কাঠগড়ায় যখন সত্য । - আশমএরশাদ
- একজন হিন্দুর হিন্দু হয়ে ওঠা-১ - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- একটি বিজয় দিবসের গল্প। (প্রথম পর্ব) - হাসান শহীদ ফেরদৌস
- বাংলাদেশে দূতাবাসে ভারতীয় কম্যান্ডো? - দিগন্ত
- জামাত দিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার সংবর্ধনা : আসুন আলোচনা হোক - শিপন আবদুর রাজ্জাক
- দরদী হইও মাগো দরদী হইও, সময়ে সময়ে মাগো পাষানী হইও। - অধ্যায়
- কাঁকন বিবিঃ খাসিয়া মুক্তি বেটি - ইফতেখার.আমিন
- একসাথে একাধিক ইয়াহু মেসেন্জারে লগ ইন করুন!!

- ইসানুর
- দৈনিক রাজাকার - সবাক
- আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল! (আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপি)
- নাফিস ইফতেখার
- অত:পর কোথায় পালাবে তুমি? - তাজা কলম
- লুকালরে আমি ভালা পাই যে কারণে - স্ট্যানলি কুবরিক
- কিভাবে সেপ থাকবেন , তাঁর লেটেস্ট গাইড - স্ট্যানলি কুবরিক
- সেঞ্চুরির স্বপ্ন দেখি - স্ট্যানলি কুবরিক
- চাঁদ, পাহাড় ও ফরাসী স্বপ্ন - লাল দরজা
- নিউজউইকে সেক্টর কমান্ডার নাজমুল হকের দুষ্প্রাপ্য সেই সাক্ষাৎকার - ফিউশন ফাইভ
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- তেল গ্যাস নিয়ে ব্লগার মেঘনাদ এর অপমানজনক উত্তরের জবাবে আমার মত - সায়েমুজজ্জামান
- সামহোয়্যারে যা ঘটলো, যা ঘটবে তার 'পেছনের কারণ' - Arild, you MUST read this - ধুসর গোধূলি
- ব্লগে বিরাজমান অস্থিরতা বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ !! - নোটিশবোর্ড
- বদরের যুদ্ধের প্রেক্ষাপট: ডাকাতি-লুট না অত্যাচারিতের অধিকার আদায়? - জ্বিনের বাদশা
- কবিতারা…….. - শওকত হোসেন মাসুম
- মহামান্য ঈশ্বরের ডিম সংকট [একটি নিরাপদ পোস্ট] - খেজুর কাঁটা
- অগভীর ভাবনা - বামান্দোলনের ব্যর্থতা - রাসেল ( ........)
- হুমায়ুন আজাদের কিছু নির্বাচিত প্রবচন - জানজাবিদ
- আমিই স্বাধীনতার ঘোষক
**একটি ঐতিহাসিক পোস্ট** - নাফিস ইফতেখার
- ভার্চুয়াল রা(ড়া)জাকার নিধন , বাস্তব প্রেক্ষিত ও আমার ব্যাক্তিগত মিশন - |জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|
- আমার প্রেমিকারা - হুমায়রা পর্ব
- ~স্বপ্নজয়~
- ব্লগ বাসী আপনারা কেমন আছেন?- মাতলামি দেখতেছি, হাসতেছি - জমির মাতব্বর
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- সে দিন অপরাজেয় বাংলার দিকেও তাক করে রাখা ছিল একটা ট্যাংন্ক... - লাল দরজা
- আমায় ক্ষমা করে দিও, বঙ্গবন্ধু। - রন্টি চৌধুরী
- আমার স্মৃতিতে হুমায়ুন আজাদ: যেভাবে তাকে হাসপাতলে নিয়েছিলাম এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো... - হাসান শরিফ
- বাংলার তাজ- তাজউদ্দীন আহমদ - ইফতেখার.আমিন
- একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা(পুরো সামহোয়্যর ইন ব্লগের দৃষ্টি আকর্ষন করছি) - েমেহদী হাসান
- বিভিন্ন প্রকারের ব্লগার (একটি জেরী-আউলা-তানজু প্রযোজনা) - আউলা
- জেনারেল অরোরার কাছে পাকিদের আত্মসমর্পণ এবং সে অনুষ্ঠানে ওসমানীর অনুপস্থিতি প্রসঙ্গ - নুরুজ্জামান মানিক
- ঘূর্ণাবর্তনের রাজনীতি। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- ফরহাদ মজহারঃ নাস্তিক মোল্লা - মোস্তাফিজ রিপন
- আমি যে কারণে ল্যাম্পপোষ্টের আচরণ সমর্থন করছি না। - রাসেল ( ........)
- কার কার মনে আছে নাজিয়া হাসানকে? - ইমন জুবায়ের
- বানান ও লেখ্যরীতি : প্রথম আলোর একটি আদি স্টাইল শিট - ফিউশন ফাইভ
- জামাতে ইসলামকে ভুটাইলে যে ফায়দাগুলা পাইতাম - মাতাল মাহবুব
- দুঃখিত, আমি এই জাতীয় কীটদের আমাদের মাঝখানে দেখতে চাই না - হাসিব
- গল্পঃ বসন্ত শেষে - আকাশ_পাগলা
- টিপাইমুখ, টেকনিক্যাল দিকটা চিন্তা করুন, কার ক্ষতি কে করছে? - হমপগ্র
- রাজকন্যার কাছে বাবার কৈফিয়ত... - অমি রহমান পিয়াল
- একটি জিনিস বানাতে দীর্ঘ সময় নিলেন ঈশ্বর। কি সেই জিনিস!!....? - মাহবুবুল ইসলাম (সুমন)
- এখনই সময় পা ধরে মাফ চাওয়ার। - মাথামোটা
- নীতিতে অটল এবং প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, তাই হার মানব না। - মাথামোটা
- ত্রিভুজের কিছু প্রশ্নের উত্তর আমি যেমন জানি - জমির মাতব্বর
- অতপর ভুল স্বীকার করিলে তাহাকে হত্যা করা হইলো - ঝরা পাতা
- ছবি এডিটিং এর কিছু প্রয়োজনীয় সাইট - বোকা ছেলে
- মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী - লাইটহাউজ
- বিয়া ব্লগীং, থুক্কু বিবাহের ছবি - অন্যমনস্ক শরৎ
- সাপ্তাহিক ব্লগ সমাচার এই যে # ৯ই মে, ২০০৯
- নাফিস ইফতেখার
- একটা গোপন অথচ দরকারী পরামর্শ - লেখাজোকা শামীম
- কবি - শিমুল সালাহ্উদ্দিন
- ছাত্রশিবির কি রাজাকার? - নুসরাত জাহান যুথি
- Anatomy of জামাতে ইসলামী ও কিছু সোজা-সাপটা কথা - পাললিক মন
- টেকনো আর ইলেকট্রনিকা :: খারাপ না, চলে - শূন্য আরণ্যক
- ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর হত্যার সময় যেই যুদ্ধাপরাধীরা জেলে ছিলেন তাদের বিচার করা হোক আগে - লেখাজোকা শামীম
- ইতিমধ্যে দন্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের এখনও বিচারের আওতায় আনা সম্ভব - রেজওয়ান
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ - রেজওয়ান
- একাত্তরের গণহত্যার ভিডিও - রেজওয়ান
- ৩০ খান ছুপার হিট হা হা পো গে ফটুক: ১১-২০ - ফয়সাল আকরাম
- আত্মবিশ্লেষণ, বনাম-সাধারণ/অসাধারণ এবং একটি ঘৃণাস্তম্ভের প্রস্তাবনা - মেঘ
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে হবেন পেশাদার ব্লগীয় গুলবাজ/গুজবকারী/রটনাকারী (ওপেনসোর্স পোস্ট) + ২০০তম
- নাফিস ইফতেখার
- আমার প্রিয় লেখাগুলি নিয়ে ই-বুক - নাজিল আযামী
- অথ: সেরা পোস্ট এ্যান্ড/অর নির্বাচিত পোস্ট সমাচার - হাসিব
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- ডক্টর জাফর ইকবালের লেখা, মিরাজভাই, এ-টীম এবং নরাধমের কিছু কথা। - নরাধম
- জামাতে ইছলাম গ্রুপে যৌন হয়রানির ফাঁদ!!! - লোকালটক
- টিউটোরিয়াল - কিভাবে নিজেকে মডুদের হাত থেকে রক্ষা করবেন
- নাফিস ইফতেখার
- গোলাম আজমের ভাষা সৈনিকগিরি আর তেলাপোকার জীবন বৃত্তান্ত - এস্কিমো
- স্মারক: রাষ্ট্রপতির সচিবালয়, গণভবন, ঢাকা, পত্র সংখ্যা-৩০/১২/৭৫-সাধারণ-৭২৯/৯(৪০০) তারিখ ১২ মার্চ ১৯৭৫। - মোহাম্মদ আরজু
- আজ মডুর বিয়ে - নাফিস ইফতেখার
- সাবাশ কম্বোডিয়া!! বাংলাদেশেও শুরু হোক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার - জ্বিনের বাদশা
- বাবার ডায়েরীতে ১৯৭১ (৫ম পর্ব) - লীনা দিলরূবা
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই-১: একটা কমিশন গঠনের কাহিনী - শওকত হোসেন মাসুম
- একজন নতুন ভোটারের মনের কিছু কথা........ - নাফিস ইফতেখার
- জামায়াতে ইসলামী এর ইতিহাস ফিরে দেখি - ইরতেজা
- চেতনার সম্ভ্রম বনাম স্ববিরোধীতার আয়নায় মুখোশের আড়ালে মুখ ! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- আসেন আমরা সবাই মিল্যা নামাজ পইড়া যুদ্ধাপোরাধীগো বিচার চাই - সামী মিয়াদাদ
- সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুয়ায়ী রাজাকার, মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা জামায়াতে ইসলামীর নেতা থাকতে পারে কি?? - একরামুল হক শামীম
- আবে, কোন মামদির পো সামনে খাড়া? যা কিনার - লাল দরজা
- পাগলের রাজণৈতিক প্রলাপ : ( বিশেষ পর্ব) [স্বঘোষিত রাজাকারদের অপপ্রচারের প্রতিবাদ] - এ. এস. এম. রাহাত খান
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- সহীহ মুসলিম মতে গোলাম আজম, নিজামি, মুজাহিদ, সাইদী এবং অন্যান্য জামাতিদের ইমানের স্তর। - হ্যারি সেলডন
- সামহোয়ার ক্লাসিক : কার্টুন কেলেঙ্কারি ও ছাগুদের ম্যাতকার (ইতিহাসের পাতা থেকে) - স্ট্যানলি কুবরিক
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- ৮ই ফাল্গুন কি হারিয়ে যাবে? আসুন বাঁচানোর একটা চেষ্টা করি। - যীশূ
- ইতিহাস খুড়ে দেখা : মুজিবনগর সরকার, স্বাধীনতার ঘোষনাপত্রের মুল দলিল এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক - মিরাজ
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন দৈনিক সংগ্রামে জাতীয় সংগীত সংক্রান্ত ফতোয়া - এস্কিমো
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( প্রথম পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( ২য় পর্ব ) ( যেকোন রাজাকার এবং রাজাকার সমর্থনকারীদের প্রতি ওপেন চ্যালেঞ্জ, পারলে যুক্তিগুলো খন্ডন করুন) - একরামুল হক শামীম
- আদর্শের জন্য নয়, জামাত পাকিস্তানপন্থী হয়েছিল টাকার জন্য। পশ্চিম পাকিস্তান থেকে নিয়মিত অর্থ পেতো জামায়াত। - শওকত হোসেন মাসুম
- বাবা কেন যুদ্ধে গেল? - কালপুরুষ
- একটি জাতির জন্ম: জিয়াউর রহমানের নিজের লেখা পড়ুন (১) - আমি সাগর
- পাকিস্তানের জন্য গোলাম আযমের আক্ষেপ ফুরাবে না! - শওকত হোসেন মাসুম
- এ ছবি আপনাকে দেখতেই হবে! আপনি এদেশের মানুষ নন? - তীরন্দাজ
- ছবি ব্লগ : গর্বের এবং বীরত্বের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- ও আমার দেশের মাটি : একটা অসাধারণ ভিডিও । এটাই মুক্তিযুদ্ধের সত্যিকারের চেতনা - মিরাজ
- ফাঁসি দেয়ার সঠিক পদ্ধতি
- ইকরাম
- অনেক অজানা অতীত : নতুন প্রজন্মের জন্য। স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ২ (ইংরেজী টেক্সট সহ) - মিরাজ
- ছহি রাজাকারনামা - জেনারেল
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জামাত-শিবির কেন সন্ত্রাসী সংগঠন - অমি রহমান পিয়াল
- ওয়ার্ডপ্রেস ডেটাবেজ ব্যাকআপ রাখুন - গুগুল
- লিংক: রাজাকারের তালিকা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার- সময়ের দাবি - অঃরঃপিঃ
- গোলামের আরো কথা - অঃরঃপিঃ
- থাকলে এমনেই থাকতে হইব, নাইলে ফুট্ - অঃরঃপিঃ
- রাজাকার নিয়া আরেকটু কথা (আড্ডাবাজরে) - অঃরঃপিঃ
- আমাদের গান / সুমন : কোনও এক চিন্ময়ীকে - অঃরঃপিঃ
- স্বীকারোক্তি : আমি একটি অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছি... - অঃরঃপিঃ
- বইয়ের বিজ্ঞাপন : বইমেলায় আমাদেরও বই... - অঃরঃপিঃ
- নতুন সংকলণ : তেকোণালজি - অঃরঃপিঃ
- তেকোণালজি এখন হার্ডকাভারেও - অঃরঃপিঃ
- টুকে লেখা, পড়ে লেখা, জেনে লেখা... (আলী, হাবিব মহাজন। ফাডাররাও পড়তে পারেন) - অঃরঃপিঃ
ক্ষুদিরামের দল ও ইংরেজ বধ কাব্য
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৬
এটা সেই সময়ের কথন, যখন বাংলাদেশ, ভারত বা পাকিস্তান বলে আলাদা কিছু ছিলো না। অখন্ড ভারতই ছিলো মানচিত্রে, তবে ইংরেজ শাসিত। হিন্দু-মুসলমান, এই বাংলা ওই বাংলা মিলেই ছিলো বাঙালী। আর এই জাতিগত পরিচয়ে তারা সগর্বে উদ্বেলিত হয়েছিলো ১৯১১ সালের ২৯ জুলাই। এদিন ফুটবল মাঠে বুট পায়ের সাহেবদের লজ্জায় ডুবিয়ে ইন্ডিয়ান ফুটবল এসোসিয়েশন চ্যালেঞ্জ শিল্ড (সংক্ষেপে আইএফএ) জিতে নিয়েছিলো খালি পায়ের বাঙালীদের দল মোহন বাগান। এটি সেই ম্যাচ ও তার পূর্বাপরের গল্প।
সেই রোদেলা বিকেলে গোটা কলকাতার নজর ছিলো আকাশপানে। নির্দিষ্ট করে বললে ঘুড়ির দিকে। ময়দানের তরফে কি রঙা ঘুড়ি ওড়ে! হঠাৎ গগনবিদারী এক গর্জনে যারা চোখ তুললো, তাদের মুখে মেঘ ঘনালো। আকাশে কালো ঘুড়ি। গোল খেয়েছে মোহন বাগান! ঝপ করে গোটা শহরে যেন শোকের আঁধার নামলো। সেই অনুভূতি আজ এতদিন পর ধারণ করা মুশকিল, বর্ণনাও। রেডিওতে রিলে নেই, টিভি নেই, এসএমএস নেই- সম্বল ওই ঘুড়ি। ওই ঘুড়িতেই যেনো মিশে তাবৎ বাঙালীর গৌরব, মান-সম্মাণ, ইজ্জত। আর তা রক্ষার দায়িত্ব নিয়েছে মোহন বাগানের নাঙা পায়ের এগারো যুবক।
ফেরা যাক আরেকটু পেছনে। না হলে ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে না। মোহন বাগান ফুটবল খেলছে অনেকদিন। লালমুখো সাহেবদের হারিয়েছেও। কিছুদিন আগে ঘরে তুলেছে তারা ট্রেডার্স কাপসহ ঘরোয়া কিছু টুর্নামেন্টের শিরোপা। কিন্তু সেসব প্রতিযোগে প্রতিপক্ষ ইংরেজদের শক্তিমত্তা তুলনায় নগন্যই ছিলো। আইএফএ শীল্ড হচ্ছে কুলীন টুর্নামেন্ট। মর্যাদার বিচারে এখানে অংশ নেওয়া ক্লাবগুলোর ধরণই আলাদা। প্রস্তুতি এবং আনুষঙ্গিক সবকিছুই। কিন্তু ইংরেজদের পারষ্পরিক এই মানের লড়াইয়ে আচমকা নেটিভদের মোহন বাগান যে ভাগ বসাবে এটা হয়তো খোদ গডও আগে থেকে অঙ্ক কষে রাখেননি।
![]()
সেই জুলাইয়ের শুরু থেকেই কলকাতাদের বাবুদের ঠোটের কোণ দু’কান ছুঁচ্ছিলো। ট্রামে-বাসে একটু সশব্দে আর অফিসে শ্বেতাঙ্গ প্রভুদের আড়ালে, ইশারায় মুচকি মুচকি। তুমুল আলাপ পাড়ার রকে, বই পাড়ায়, কলেজে, স্কুলে। গঙ্গার ধার পেরিয়ে সে আনন্দের রেশ ছুঁয়ে গিয়েছিলো এই বাংলাকেও। এসব খবর বাতাসের আগেও যে ছোটে! ঢাকা-ময়মনসিং-চট্টগ্রাম-পাটনা-আসাম। ‘ওরে গোরাদের খবর করে দিচ্ছেরে বাঙালী!’ শিবদাস ভাদুড়ি যেন পাড়ারই শিবু, ঘরের ছেলে, আদরের ছোটো ভাই, দুষ্টু দেবর, দস্যি দাদা। অগম্য অন্দরেও পুজো চড়ে তার। ‘আরে অভিলাষ ঘোষরে চিনো না! ময়মনসিংয়ের পোলা তো! স্কটিশ চার্চে পড়তাছে। সাহেব গো যম।’ তবে এসব কথা ইংরেজদের সামনে উচ্চারণে ঝামেলা আছে। সেমিফাইনাল শেষে ট্রেনযাত্রী এক বোকা বাঙালী পাশের ইংরেজকে খেলার ফল জিজ্ঞেস করে চড় খেয়েছিলো। তবে যে খেয়েছে তার চেয়ে যে মেরেছে তার অপমানটাই বেশী বোঝা যাচ্ছিলো।
১০ জুলাই নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামলো মোহন বাগান। প্রতিপক্ষ সেন্ট জেভিয়ার্স ফেলনা টিম নয়। কিন্তু হেসে খেলে তাদের হারালো ৩-০ গোলে। দ্বিতীয় রাউন্ডে মুখোমুখি হলো রেঞ্জার্সের। এখানে বলে রাখা ভালো, দলে একমাত্র বুট পড়া খেলোয়াড় ছিলেন লেফট ব্যাক সুধীর কুমার চ্যাটার্জী। পদবীতে চ্যাটার্জী থাকলেও তিনি খৃষ্টধর্মে কনভার্টেড ছিলেন। খালি পায়ে খেলার সবচেয়ে বড় অসুবিধা টের পাওয়া যায় বৃষ্টিভেজা ম্যাচে, কাদা মাখা মাঠে। রেঞ্জার্স এই সুবিধাটাই পেলো ১৪ জুলাইয়ের সে খেলায়।তবুও বিরতির আগেই অধিনায়ক শিবদাসের দু গোলে লিড মোহন বাগানের। ওহ, টুর্নামেন্টের ম্যাচের দৈর্ঘ্য সম্পর্কে আগে বলাই হয়নি। ৫০ মিনিটের ম্যাচের মাঝে ৫ মিনিট ছিলো লেবু-পানি খাওয়ার ছুটি। বিরতির পর তুমুল বৃষ্টিতে সমস্যায় পড়লো মোহন বাগান। সিদ্ধান্ত নিলো ডিফেন্সিভ খেলার। আর তা আত্মঘাতি হতে যাচ্ছিলো আরেকটু হলেই। ইংরেজ রেফারি পক্ষপাতিত্বের নিদারুণ এক উদাহরণ রেখে টানা তিনটি পেনাল্টি দিলেন রেঞ্জারদের। দক্ষতার উত্তুঙ্গে উঠে অসাধারণ শৈলীতে প্রতিটিই ঠেকালেন গোলকিপার হীরালাল মুখার্জী। শেষ দিকে রেঞ্জার্স এক গোল শোধালো বটে, তাতে ফলাফল বদলালো না। কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেলো মোহন বাগান।
১৯ জুলাই রাইফেল ব্রিগেডের বিপক্ষে সে ম্যাচে একেবারে ম্যাড়ম্যাড়ে পারফরম্যান্স মেরুন-সবুজ জার্সিদের।তবুও জয় এনে দিলেন ভাদুড়ি ভাইদের ছোটজন- বিজয়দাস। গোলটির উৎস ছিলেন শিবদাস। মোহন বাগানের সত্যিকারের পরীক্ষা নিলো দমদমের ফার্স্ট মিডলসেক্স রেজিমেন্ট। ২৪ জুলাইয়ের সেমিফাইনালে ডালহৌসি মাঠ লোকারণ্য। শুধু কলকাতা নয়, বাঙালী ছুটে এসেছে সকল প্রান্ত থেকে। পরদিন ‘দ্য ইংলিশম্যান’ পত্রিকা লিখলো “ Calcutta has never seen such a crowd at a football match. The crowd was of such proportions that all existing arrangement were swept away and from as far behind as was possible, right up to the very touch lines, the spectators swarmed and actually fought for places.” মিডলসেক্স কিপার পিগটের নৈপূণ্যে ভাস্বর সে ম্যাচে প্রথমেই পিছিয়ে পড়লো মোহন বাগান। বিরতির পরপরই শিবদাসের গোলে সমতা। সেটা আর হেরফের হতে দিলেন না পিগট।
২৬ জুলাই ফিরতি ম্যাচ। দর্শক আগেরবারের মতোই। আর তাদের তোড়ে বারপোস্ট ভেঙ্গে খেলাই বন্ধ থাকলো কিছুক্ষণ। এদিন শুরুতেই পিগটকে বসিয়ে দিলেন অভিলাষ। প্রতিপক্ষের ডিফেন্সে ‘দ্য ব্ল্যাক জায়েন্ট’ নামে ত্রাস সঞ্চার করা এই ফরোয়ার্ডের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়ে মাঠ ছাড়লেন পিগট। সুবিধাটা পুরোপুরি নিলো মোহন বাগান। শিবদাসের পাসে হাবুল সরকার গোলের খাতা খুললেন। অধিনায়কের পা থেকে এলো দ্বিতীয় গোল। দারুণ এক ফ্রি কিকে মিডলসেক্সের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকলেন কানু রায়। গোটা ভারতকে নাড়া দিয়ে মোহন বাগান ফাইনালে! এর আগ পর্যন্ত তাদের গর্বের সবেধন নীলমনি হয়ে ছিলেন নোয়ানগড়ের মহারাজা রণজিৎসিংজী (রঞ্জি)। ইংল্যান্ডে ক্রিকেট খেলছেন,নেভিল কার্ডাস তার সম্পর্কে লেখেন- "the Midsummer night's dream of cricket" কিন্তু মোহন বাগান ভিন্ন জিনিস। বাংলার একদল দামাল খেলার মাঠে ছিড়েখুড়ে ফেলছে ইংলিশদের!এদের গায়ে রাজরক্ত নেই। এরা যে সাধারণ্যের প্রতিনিধি। অন্য জাতের বিপ্লবী।
![]()
২৯ জুলাই ময়দান নামেই খ্যাত ক্যালকাটা ফুটবল ক্লাব গ্রাউন্ড সয়লাব, যেদিক চোখ যায় শুধু মানুষ। ফাইনাল সামনে রেখে বিশেষ ট্রেনসার্ভিস চালু করেছে ইস্ট বেঙ্গল রেলওয়ে। রাজনগর ও বরানগর থেকে মানুষ আসছে বাড়তি স্টিমারে। শ্যামবাজার-চিতপুর থেকে ট্রাম বোঝাই হয়ে আসছে তারা। সকাল এগারোটার মধ্যেই পরিপূর্ণ চারধার। টিকেট কালোবাজারীদেরও বুঝি সোনালী একদিন ছিলো এটি। দুই রূপীর টিকেট দেদরসে চললো ১৫ রূপীতে। শুধু কি টিকেট। এক টুকরো আলুর দম বিকোলো এক পয়সায়। সে আমলে অনেক টাকা! দর্শক শুধু বাঙালী নয়, ইংরেজও। তাদের মধ্যে মহিলারাও আছেন। ময়দানের একপাশ ক্লাবের সদস্যদের জন্য বরাদ্দ, অন্যপাশ বুকিং করেছে বিএইচ স্মিথ কোম্পানি। বাকি দুপাশ ফাকা সাধারণের জন্য। আশেপাশের উচু কোনো স্থাপনা বাদ নেই যেখানে লোক নেই। চড়া দামে বিক্রি হ্চ্ছে বিশেষ কাঠের বাক্স- উপরে দাড়িয়ে খেলা দেখা যাবে। দর্শক সংখ্যা আনুমানিক ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ। তাদের অনেকেই মাঠের এত কাছাকাছি থেকেও আসলে কিছুই দেখছে না। অগত্যা ঘুড়িই ভরসা।
![]()
মোহনবাগানের সেই দুর্জয় এগারোতে ছিলেন : হীরালাল মুখার্জী (কিপার), ভুতি সুকুল (রাইট ব্যাক), সুধীর কুমার চ্যাটার্জী (লেফট ব্যাক), মনমোহন মুখার্জী (রাইট হাফ), রাজেন্দ্রনাথ সেন গুপ্ত (সেন্টার হাফ), নীলমাধব ভট্টাচার্য্য (লেফট হাফ), জ্যোতিন্দ্রনাথ রায় (কানু) (রাইট আউট), শ্রীশচন্দ সরকার (হাবুল) (রাইট ইন), অভিলাষ ঘোষ (সেন্টার ফরোয়ার্ড), বিজয়দাস ভাদুড়ি (লেফট আউট), শিবদাস ভাদুড়ি (লেফ্ট ইন)। প্রতিপক্ষ ইস্ট ইয়র্কশায়ার সম্পর্কেও কিছুটা জানানো দরকার। সেবারের টপ ফেবারিট ক্যালকাটা ক্লাবকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে এসেছিলো তারা। সার্জেন্ট জ্যাকসনের নেতৃত্বে এই ম্যাচে খেলেছেন : মার্টিন, হেয়উড, স্কেলি, চার্চ, ডিকসন, হেওয়ার্ড, ক্রেসি, ক্লুকাস, নীল এবং হুইটবি।
![]()
ঠিক সাড়ে পাঁচটায় ম্যাচ শুরুর বাশী বাজালেন রেফারী এইচজি পুলার। আক্রমন-পাল্টা আক্রমনে এগিয়ে চললো খেলা। কিন্তু গোল পেলো ইস্ট ইয়র্কশায়ার। বল ক্লিয়ার করতে লাফিয়ে উঠেছিলেন সেন্টার হাফ রাজেন, গিয়ে পড়লেন প্রতিপক্ষ অধিনায়ক জ্যাকসনের ঘাড়ে। ফাউল। আর ফ্রি কিক থেকে গোল করলেন জ্যাকসন নিজেই। কলকাতার খবর আগেই লিখেছি। মাঠের এক পাশে হুল্লোরে মেতেছে ইংরেজরা, আর অন্যপাশে একদম শ্মশানের নীরবতা। আকাশে কালো ঘুড়ি, ম্যাচে এক গোলে পিছিয়ে মোহন বাগান। বিরতির পর প্রতিপক্ষ দেয়ালে বারবার আছড়ে পড়লেন হাবুল, কানু আর ভাদুড়ি ভাইয়েরা। কিন্তু গোল আর আসে না। শুধু বাংলা নয়, গোটা ভারত তখন প্রার্থনায়। তিন বছর আগে হাসতে হাসতে ফাঁসিতে চড়া ক্ষুদিরামের দল কি হেরে যাবে!
মিনিট দশেক বাকি থাকতে হাসলেন ভাগ্যদেবী। কানুর বাড়ানো বল ধরে প্রচণ্ড শটে বল জালে জড়ালেন শিবদাস। সমতা এলো, আর পাল্টে গেলো মাঠের দৃশ্যপট। এবার উদ্দাম নাচছে নেটিভরা, অন্যপাশ গুম। আকাশে বিশাল সব লাল-সবুজ ঘুড়ি। নব উদ্যোমে এবার মাঠ মাতালো মোহন বাগান। প্রতিপক্ষকে তটস্থ করে একের পর এক হানা। শেষ বাশীর মিনিট দুয়েক আগে শিবদাসের আরেকটি ডিফেন্স চেরা পাস পায়ে পেলেন অভিলাষ। গোল! এ পর্যন্ত যদি পড়ে থাকেন, পরের দৃশ্য আর বলতে হবে না নিশ্চয়ই। নতুন যোগ যেটুকু- গোটা কলকাতা জুড়ে আতশবাজী ফুটছে। এটি শুধু ভারতীয়ই নয়, কোনো ইউরোপীয় দলকে হারিয়ে কোনো এশিয়ান দলের প্রথম কোনো ফুটবল টুর্নামেন্ট জয়। ম্যাচ শেষে ফিটনে চড়ে গোটা কলকাতা ঘুরলেন ওরা এগারোজন। ছেলেরা পারলে ঘোড়া হটিয়ে নিজেরা গাড়ি টানে। টিপু সুলতান মসজিদের সামনে মোড় ঘুরতেই মিছিলে সামিল মোহামেডান স্পোর্টিংয়ের ভক্তরা। এই জয় যে পরাধীনতার বিরুদ্ধে গোটা বাঙালীর জয়। পরদিন ‘দ্য মুসলমান’ পত্রিকা লিখলো-"The members of the Moslem Sporting Club were almost mad rolling on the ground on the victory of their Hindu brethren."
![]()
এই বিজয়ের খবর যে শুধু ভারতই জানলো তা নয়। খবর ছাপা হলো ইংল্যান্ডের পত্রপত্রিকায়ও। বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাদের পাঠানো ক্যাবলগ্রামে লেখা হলো : “ For the first time in the history of Indian football, an Indian team, the Mohun Bagan consisting purely of Bengalis, has won the Indian Football Association Shield crack teams of English Regiments.”
“ At the final today there was a scene of extraordinary enthusiasm and it is estimated that 80,000 Bengalees were gathered on the Calcutta maidan. The vast majority saw nothing of the game….They were informed of its progress by flying kites.” “ When it was known that the East Yorkshire Regiment had been beaten the scene beggared description. The Bengalis tearing off their shirts and waving them.” বুঝতেই পারছেন লর্ডসে ইংরেজদের ভব্যতায় আঘাত দিয়ে জামা খুলে পতাকা বানানো বাঙালী সৌরভই প্রথম নন। এ দৃশ্য তারা আগেও দেখেছে কলকাতায়। ৪ আগস্ট ম্যানচেস্টার গার্ডিয়ান লিখলো : “ A team of Bengalees won the Football Association Shield in India after defeating the crack teams of three British Regiments amidst the applause of 80,000 of their countrymen. There is no reason of course of being surprised. Victory of Association Football goes to the side with the greatest physical fitness, the quickest eye, and the keenest wit.”
একমাত্র চৌরঙ্গীর সাহেব পাড়া বাদে সে রাতে ঘুমোয়নি কলকাতা।এরপর সে বিজয় গাথা নিয়ে অনেক কিছুই হয়েছে। নাটক, গান, স্তুতি। সর্বশেষটি ১৯৮৯ সালে ভারত সরকারের প্রকাশিত একটি ডাক টিকেট। জন্ম নিয়েছে অনেক লোকগাথাও। এর মধ্য সবচেয়ে চমকপ্রদটি এরকম : জয়ের পর মোহন বাগানের তাবুতে এক সাধু কিসিমের লোক এলেন। ট্রফি বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে ফোর্ট উইলিয়ামের ওপর উড়তে থাকা ইউনিয়ন জ্যাকের দিকে আঙুল তুললেন। বললেন- ওটা নামবে কবে? কে একজন উত্তর দিলো- মোহন বাগান আবার যেদিন আইএফএ শিল্ড জিতবে।১৯৪৭ সালে তাদের দ্বিতীয় শিরোপাটি জিতেছিলো মোহন বাগান।
ছবি : মোহন বাগানের সেই দুর্জয় একাদশ, ফাইনালের দুইদল, দর্শকদের একাংশ, ট্রফি নিয়ে শিবদাস ও শৈলেন বোস, মোহন বাগানের শতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ডাকটিকেট।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনারে বাত্তি দিয়া টোকাইতেছি আমি
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
পড়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়লাম। সত্যিই। এই আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।
লেখক বলেছেন: আপনার প্রশংসা পেলে আমিও আবেগাক্রান্ত হই, সবাই কি আর এই ভাগ্য নিয়ে জন্মায়। অশেষ ধন্যবাদ
ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
খেলোয়াড়দের সকলেই যেহেতু হিন্দু এবং মোহনবাগানে ভারতীয় গন্ধ আছে, সুতরাং মন্তব্য একটু কম পেতে পারেন সম্ভবত!
লেখক বলেছেন: হাহাহা, দারুণ বলেছেন। তবে তাই হোক
মাইদেশ বলেছেন:
যদি তাই হয় তবে দশে দশ !
লেখক বলেছেন: এটা সত্য ইতিহাস, গল্প না
ধূসর মানচিত্র বলেছেন:
প্রিয়তে নিলাম, কাল কমেন্ট করব সম্পূর্ণ পড়ে।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা ঠিকাছে
স্বপ্নকথক বলেছেন:
অসাধারণ বর্ণনা!
লেখক বলেছেন: গতকালের পোস্টের শেষে বলছিলাম এইটার কথা, তাই লিখে ফেললাম
সম্ভব,অসম্ভব বলেছেন:
সুন্দর !!!!!
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ওহ ঠিকাছে তাইলে, যদি তাও আধঘণ্টার মতো ম্যানেজ করতে পারেন, জি টকে নক দিয়েন
মিহির আহমেদ বলেছেন:
আবেগাক্রান্তহৈলাম!ক্রিকেট ধারাভাষ্যে ভয়ানক ভাবে কোমল'দা রে মিস্করি!
.........ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেন উদ্যান থেকে বলছি...দিয়া শুরু কর্তো....
লেখক বলেছেন: হ, আমিও ![]()
াহো বলেছেন:
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আপনাকেও
লেখক বলেছেন: আজকেও জিপি আমারে খুব ভুগাইতেছে
লেখক বলেছেন: চেতনা যতটা না সামগ্রিক তারও বেশী আসলে ব্যক্তিগত ধারণের, এটাই আসল
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
একটানে পড়লাম, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ...
লেখক বলেছেন: ধৈর্য্য ধরে পড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা
লেখক বলেছেন: আপনার জন্যেও রইলো সেই একই উত্তর
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
অনেক দিন হয় এ তথ্য বিস্তারিত খুজছিলাম, আজ পেলাম। ধন্যবাদ। বড় উপকার করলেন। তরুনদের খেলার সঙ্গে দেশপ্রেমের সম্পর্ক বুঝাতে এই দৃষ্টান্ত খুব জরুরী। আবারও ধন্যবাদদদদদদ..........................................................................
লেখক বলেছেন: আপনাকেও
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। কিছু তো স্পোর্ট রিপোর্টার আর ফুটবল পাগল হিসেবে আগে থেকেই জানতাম। কিছু তথ্য আর ছবি জোগার করেছি নেট থেকে। আর পুরো লেখাটা আমার নিজের লেখা।
লেখক বলেছেন: করলাম
লেখক বলেছেন: দেশ পত্রিকায়, অনেক অনেক আগে, মতি নন্দীর সম্ভবত। সংখ্যাটা থাকলে উপকার হতো, অনেক কিছু মিস করে গেছি। নেট ঘেটে অল্প যা পেয়েছি আর যা জানতাম তার ওপর ভিত্তি করেই লিখলাম। ধন্যবাদ ফারহান পড়ার জন্য।
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
যতবার এই ইতিহাস পড়েছি ততবার আবেগ ছুয়ে গেছে। আমার প্রায়ই মনে হয় আমি কেন সেই সময়ে জন্ম নিলাম না। পরিচয় সংকটে ভুগি মাঝে মাঝে। নিজেকে যতটা না এই সময়ের মনে হয় তার থেকে বেশী ঐ সময়ের মনে হয়। বিপ্লবী আর বিপ্লব। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: দারুণ মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকেও
রশীদ বলেছেন:
আপাদ-মস্তক গোগ্রাসে গিললাম। গর্বে বুক ফুলে উঠলো। মনে হচ্ছিল সে আনন্দ মিছিলে আমিও ছিলাম।
ধন্যবাদ পিয়াল ভাই।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আমারও তাৎক্ষণিক অনুভূতিটা ছিলো হুবহু একইরকম! থ্যাঙ্কস এগেইন
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন:
খেলা নাকি শুধুই খেলা - একথা তারাই বলতে পারে, যারা এর আবেগটুকু ধরতে অসামর্থ।
লেখক বলেছেন: এইটা রীতিমতো বাণী হইয়া গেলো! দারুণ বলছেন
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
মিলটন বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো। একবারে পড়ে ফেললাম। সুন্দর লেখা। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
রোহান বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কস
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ
সুবিদ্ বলেছেন:
চোখে পানি এসে যায়, আনন্দে, গর্বে আর অজানা ভালবাসায়.......সেই মহান বীরদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও দারুণ মন্তব্যের জন্য
স্বপ্নরাজ বলেছেন:
লগানের মতো একটা সিনামা বানানো যায় দেখা যাচ্ছে। তবে লগানের ঘটনাটা সম্ভবত কাল্পনিক। কিছু জানা আছে নাকি আপনার ঐ ব্যপারে।
লেখক বলেছেন: লাগন একট কাল্পনিক ঘটনা, যদিও স্ক্রিপ্টে বলে এমন একটা ঘটনা সত্যিই ঘটছিলো, কিন্তু আই ডাউট ইট, বরঙ এই ঘটনারেই সম্ভবত তারা প্রেরণা মানছে। সিনেমা নিশ্চয়ই বানানো সম্ভব। বাংলাদেশের জাগো দেখেন
শেয়ারের জণ্য ধন্যবাদ।
মনে হচ্চিল শার্টের হাতায় চোখৈর কোন মোছার দলেই বুঝী মিশে আছি..
লেখক বলেছেন: সময় নিয়ে পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন:
হাহাহা, আমি যখন খুব বিখ্যাত হয়ে যাব ( লেখক বলেছেন: দোয়া করি আপনি খুব বিখ্যাত হয়ে যান, তাহলে আমার লেখাটাও রেফারেন্স হিসেবে বিখ্যাত হয়ে যাবে ![]()
শাহনাজ খান বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো পড়ে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন:
বিখ্যাত আপনি এম্নিতেই ঃ)
লেখক বলেছেন: হাহাহা, কইছে আপনারে
ধূসর মানচিত্র বলেছেন:
পিয়াল ভাই লেখা পড়ে পুরা আবেগাক্রান্ত হলাম। আমরা বাঙ্গালীরা ও পারি দরকার শুধু একতা, শুধু ক্রীড়াক্ষেত্রে না সবজায়গায় দরকার সর্বাগ্রে দেশপ্রেম।বাকরুদ্ধ হয়ে যাওয়ার মত একটি লেখা,আর কিছু বলার নেই।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: একদমই ঠিক। পড়ার জন্য ধন্যবাদ
হাসান মাহবুব বলেছেন:
আবেগাক্রান্ত হলাম প্রবলভাবে....
লেখক বলেছেন: প্রতিক্রিয়াটা এমন হওয়াই স্বাভাবিক
ভন্ডপি২ বলেছেন:
শোষিতরা জেগে উঠুক এভাবেই। ++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন:
আজকে আমার সুপারভাইজার মঞ্জুর মোরশেদ স্যারের সাথে কথা হচ্ছিল, উনি আমাদের ক্যাম্পাসের (এখানে বলে স্কুল) হেড। মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে কথা উঠতেই উনি ফিরে দেখা ৭১ এ আপনার লেখাগুলোর প্রসংসা করলেন!! ---
প্রসংগত জানিয়ে রাখি ফিরে দেখা ৭১ পুরো সংগ্রহটাই উনার ভাল লেগেছে। সমস্ত লেখকদের অভিনন্দন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে, ওইটা লোকালটকের সেরা কাজগুলার একটা। আরেকটা হইলো ইসলাম গ্রুপ হাপিস
মির্জা ইউক্লিড বলেছেন:
অনুভূতি ভাষায় প্রকাশের না।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ
টেকনলজী বলেছেন:
@লেখকআপনাকে গুরু মানি.।.।
ইদানিং ব্লগে ছাগুদের উৎপাত বড় বেশি
ছাগু তাড়াতে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি
cpg production house
আপনি শুধু আমাদের সাথে থাকবেন এই প্রত্যাশা করি
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ
প্রতিবিপ্লবী বলেছেন:
+
লেখোয়াড় বলেছেন:
ভাল লাগল।++++++++++++
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















