
বুয়েটের মাহদী, নোমান ও রাশেদ এক নতুন ধরনের ‘অ্যানটেনা ডিজাইন তত্ত্ব’ উদ্ভাবন করেছেন, যার মাধ্যমে একই সঙ্গে চারটি ফ্রিকোয়েন্সিতে যোগাযোগ করা সম্ভব। এ উদ্ভাবনের জন্য স্বীকৃতি মিলল ঘরে-বাইরে দুক্ষেত্রেই। বুয়েট থেকে তাঁরা পেলেন থিসিস গ্রুপের বেস্ট অ্যাওয়ার্ড আর এমআইটির জার্নালে প্রকাশিত হলো তাঁদের গবেষণা তত্ত্ব।
তারবিহীন ফ্রিকোয়েন্সিনির্ভর যেকোনো যোগাযোগের কাজটিই এবার অনেক সহজ হয়ে যাবে, তা সেলফোনের মাধ্যম হোক কিংবা এয়ারক্র্যাফট, রাডার, স্পেসক্র্যাফট বা নিরাপত্তা নজরদারির মতো বৃহত্তর পরিসরেই যোগাযোগ হোক না কেন। এখন তা সম্ভব হবে দ্রুতগতিতে, কম সময়ে এবং যুগপৎভাবে। বুয়েটের মাহদী-নোমান-রাশেদ উদ্ভাবিত ‘চার ফ্রিকোয়েন্সি বিশিষ্ট অ্যানটেনা ডিজাইন তত্ত্ব’ নতুন এ সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।
এই ‘চার’ শুধু একটি সংখ্যাই নয়, এটি চারদিক ছাড়িয়ে, চার ধাপ এগিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা। এখন পর্যন্ত যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের আবিষ্কার-উদ্ভাবন থেমে ছিল দুটি ফ্রিকোয়েন্সি পর্যন্তই। বুয়েটের এই তিন ধীমান দেখালেন নতুন পথ। উদ্ভাবন করলেন অ্যানটেনার এমন এক ডিজাইন তত্ত্ব, যার মাধ্যমে একই সঙ্গে চারটি ভিন্ন ক্ষেত্রে যোগাযোগ করা সম্ভব।
বিস্তারিত এখানে দেখুন
সূত্রঃ সুখবর

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

