
দেশের শান্তি-শৃঙ্খলাবাহিনী আমাদের গর্ব। পৃথিবীর নানাপ্রান্তে, শান্তিরক্ষায় তাদের সুনাম আছে। আমাদের শান্তিবাহিনীর বন্ধুসুলভ আচরনে মুগ্ধ হয়ে, গৃহ-যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশের মানুষ আমাদের ভাষাকে তাদের দ্বিতীয় মাতৃভাষা হিসেবে ঘোষনা দেয়। সেখানে আমাদের পুলিশবাহিনী আমাদের আতঙ্কের কারন। ঢাকা মেট্রপলিটন সিটি হওয়া সত্বেও আমরা রাতে আমাদের নগরীর বুকে পা রাখতে পারিনা। পুলিশী হয়রানির শিকার হতে হয়,আমাদের। ওরা বলে, আপনাদের নিরাপত্তার জন্যই আমাদের এই বাড়তি সাবধানতা! অথছ আমি জানি, রাতের নিস্তব্দ নগরীর রুপ উপভোগ করতে নামার বেলায়, ছিনতাইকারীদের ভয় পাইনা। বরং পুলিশের পোষাকধারী কিছু ছিনতাইকারীর শিকারের ভয়ে থাকি। অন্য ছিনতাইকারী ধরলে, সাহায্যের জন্য আকুতি জানাতে পারি। কিন্তু পুলিশের পোষাকধারী ছিনতাইকারী ধরলে কার কাছে সাহায্য চাইবো?
এই পুলিশের উপস্থিতিতেই কিছু নির্বোধ গ্রামবাসী আমাদের কিছু মেধাকে পিটিয়ে লাশ বানালো! ওরা রক্ষক!
আমদের পুলিশবাহিনী এখন রাজনৈতিক বাহিনী। রাজনৈতিক নিয়োগে ওরা রাজনৈতিক দলের একজন সক্রিয় কর্মী হয়। ওদের দোষ কেনো দেবো? কার কাছে, ওদের নামে বিচার দেবো? আমাদের দেশের শাসক শ্রেনীর কাছে? আসুন বিচার দেই.............
প্রিয় নেত্রীরা,
ওদের রাজনীতির চাকায় বেধে, মানুষের সেবক হবার কর্তব্য থেকে বঞ্ছিত করা সরকার প্রধানদের বলছি, আমাদের নিরাপত্তাটুকু কেড়ে নেবার পরও, আমরা সামনের নির্বাচনে আপনাদের দুই-নেত্রীর একজনকে দুঃশাসকের গদিতে বসাবোই বসাবো।
কারন, আজ আর আমাদের নিরাপত্তা নেই। আমাদের আর কোন অধিকার নেই। অধিকারের কথা জানাতে গেলেই, আমরা নির্যাতিত হব। আমাদের দিকে পুলিশবাহিনী লেলিয়ে দিবেন। আমাদের মুখ বন্ধ করে দেবেন চিরতরে। আমাদের ফাসিয়ে দিবেন ডাকাতি অথবা খুনের মামলায়। আসল খুনিরা পার পেয়ে যাবে, চিরকাল।
আমাদের কিছু বলার নেই। বরং আমরা আপনাদের কর্মকান্ড দেখে হাততালি দেয়।হাততালি দিতে দিতে আমাদের ভাগ্যরেখা ক্ষয়ে গেছে। এ হাতেই আমরা আমাদের অশ্রুকনা মুছি!
প্রিয় নেত্রীরা, নির্বাচনের আগে যে বোকা মানুষগুলো আপনাদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতিতে আপনাদের অতীত ভুলে যায়, তাদের একটু করুনা করুন।

সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুলাই, ২০১১ বিকাল ৪:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


