আজ আমাদের মধ্যে সচেতনতা এসেছে। আমরা সীমান্তে হত্যা নিয়ে সোচ্চার। ভারতীয় পন্য বর্জনের মাধ্যমে নীরব প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমরা। এই প্রতিবাদের কৌশলকে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু, এমন প্রতিবাদে কি আমরা আমাদের সীমান্ত হতে লাশ বয়ে আনা কি বন্ধ করতে পারবো? আমাদের এই প্রতিবাদের ভাষা হতে হবে, আরো কঠোর। আমাদের এই প্রতিবাদে আমাদের রাষ্ট্রকে আমাদের সঙ্গ দিতে হবে। আমি চেয়েছিলাম, আন্দোলন শুধু ভারতীয় পন্য বর্জনে থেমে না যাক। আমাদের রাষ্ট্রের কাছ থেকে, আমাদের নিরাপত্তা আদায় করে নিতে হবে। সীমান্তে ফেলানীদের লাশ আমরা আর বয়ে বেড়াতে চাইনা। পন্য বর্জনের আন্দোলনের বিরোধিতা আমি করছিনা। আমি বিরোধিতা করি, সেইসব মানুষের যাদের আন্দোলন একদিনের পন্য বর্জনে সীমাবদ্ধ থাকবে। আমাদের আর সময় নেই। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। ক্রমাগত আন্দোলনে,আমাদের অধিকার আদায় করে নিতে হবে। রাষ্ট্র আমাদের নিরাপত্তা দেবে। ভারতীয় কুত্তারা নয়। আমাদের রাষ্ট্র ভারতের পা-চাটা বন্ধ করুক। ভারতের সাহস হবেনা, সীমান্তে লাশের স্তুপ বানানোর। ওরা জানে, এই আমরাই ৭১ এ নিজের অধিকার আদায় করে নিয়েছি।
কঠোর আন্দোলন চাই। সেটা যেনো শুধু ভারতীয় পন্য বর্জনে সীমাবদ্ধ না থাকে, থেমে না যায়। শুধু পন্য বর্জন করে, আন্দোলন চলবেনা। এটা ক্ষনিক অংশগ্রহন। এ ছাড়া আর কিছুই নয়।তাই-
বুক টান,বুক টান টান করে দাঁড়াও,
নয় দৃশ্যসকল, ভিতরেই মরে গেছো।
ঘাসগুলো খুব গোপনে ফোটায়
ছোট ছোট সাদাফুল
উকি দেয় ফুল,উকি দিয়ে ফুল
ঝরে যাবে তুমি কেনো?
আমার খুব প্রিয় গায়ক কফিলের একটা গানের কয়েকটি লাইন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


