শেয়ার বাজার নিয়ে চাঞ্চল্যের শেষ নেই। কিছুদিন আগে কারসাজির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন এক প্রতাপশালী দরবেশ। পুঁজি হারিয়ে রাস্তায় বসেছে হাজার হাজার মফিজ। না, এবার আর কোন বিপর্যয় নয়। এবার একটি সুখবর। ভেঙে পড়া পুঁজি বাজারকে চাঙা করার জন্য এগিয়ে এসেছে দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দল মেসার্স জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ লিমিটেড।
দলের শুরা কমিটির বৈঠকে নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয় পুঁজিবাজারে ইসলাম ধর্মের শেয়ার বিক্রির। ধর্মের বিকেন্দ্রীকরণে এ এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছেন জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলী। তিনি বলেন, ‘বিশ্বে এই প্রথম কোন ধর্মকে পুঁজিবাজারের আওতায় আনা হয়েছে। ইসলাম সবসময় যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত নেয় বলেই সারাবিশ্বে মুসলমানদের উৎপাদন বেশি বেশি।’
একটি রাজনৈতিক দল কর্তৃক ধর্মের শেয়ার ছাড়ার ফলে দেশের অন্যান্য ইসলামীদলগুলোও খুশি। বিশেষ করে মুফতি আমিনী ইতোমধ্যে ৭০ টাকার ১০০ টি শেয়ার কিনে নিয়েছেন। আমিনী বলেন, ‘কুত্তার বাচ্চারা এতোদিন ইসলামের একক ঠিকাদারী করতো। এবার থেকে আমরাও কিছু ভাগ পাবো। আলহামদুলিল্লাহ, তাদের প্রতি হেদায়াত হয়েছে।’
শুরুতে পরীক্ষামূলকভাবে জামায়াত নেতাদের পুটকী বাবদ ১৮২ কোটি টাকার শেয়ার ছাড়া হয়েছে। এ জন্য মেসার্স জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশ লিমিটেড যুক্তরাষ্ট্রের কনসালট্যান্সি ফার্ম কেসিডি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের সঙ্গে এক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী এ লবিস্ট ফার্ম দেশের অর্থমন্ত্রী, কথিত দরবেশ এবং পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রন সংস্থার সাথে ভালো ভাব বজায় রাখবে।
বেক্সিমকো গ্রুপের কর্তাব্যক্তি সালমান এফ রহমান মেসার্স জামায়াতকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। দরবেশনিউজ২৪.কম এ এক বিবৃতিতে সালমান বলেন, ‘পণ্য হিসেবে ইসলাম খুব লাভজনক এবং নিরাপদ। ইসলামের সাথে সরাসরি আল্লাহর সাথে সম্পর্ক থাকে বলে বাণিজ্যে বরকত হয়।’ তিনি বলেন, ‘দেশের অর্থনীতিবিদদেরকে তাবলীগে পাঠানো উচিত। ইসলামকে আরো বুঝলে, আরো জানলে জিন্দিগীতেও শেয়ার বাজারের বিপর্যয় ঘটতো না।’
মেসার্স জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল খানকির পো পুঁজিবাজারের শুরুতে বিসমিল্লাহ প্রতিস্থাপন এবং এর নাম পরিবর্তন করে ইসলামী পুঁজিবাজার রাখার আহবান জানান। দেশের যুব সমাজকে শরীয়াহ মোতাবেক পরিচালিত ইসলামী শেয়ার ক্রয়ের পরামর্শ দেন মকবুল খানকির পো।
সূত্র

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

