আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও স্যান ডিয়েগো, মিশিগান ও প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ‘রিটার্ন ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং’ ব্যবহার করে ইভিএমকে দুর্ব্যবহার করার সক্ষমতা প্রমাণিত করেছেন। বিশেষজ্ঞ...দের সামনে তারা দেখিয়েছেন কিভাবে একটা ‘ভাইরাস’ ব্যবহারের মাধ্যমে ইভিএম মেশিনে হ্যাকাররা ভোটের ফলাফল সহজেই ‘ম্যানিপুলেট’ করতে পারে। একটি পত্রিকা [BLITZ] ইতোমধ্যেই তাদের ১২ জানুয়ারির সংখ্যায় প্রকাশ করেছে যে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ভারতের কিছু ‘নটোরিয়াস’ হ্যাকারদের সাথে যোগাযোগ করেছে যাতে তাদের নিয়োগ করে বাংলাদেশের নির্বাচনে ভোট গণনায় কারচুপি করা যায়। এই ভারতীয় হ্যাকারদের তাদের এই কর্ম সম্পাদনের জন্য ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেয়ার প্রস্তাবও নাকি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত করার পথে।
বিশেষজ্ঞরা আরো বলেন, ইভিএমের একটি ক্ষুদ্র অংশ যার নাম Detectable Memory Module (DMM)। তার মধ্যেই নির্বাচনের ফলাফল সংরক্ষিত থাকে এবং এই অংশটি ইভিএম থেকে খুলে নেয়া যায় এবং এভাবে অতি সহজেই নির্বাচনের ফলাফলকে পাল্টে দেয়া সম্ভব। আয়ারল্যান্ড ২০০৬ সাল থেকে ইভিএম পদ্ধতি ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। মার্চ ২০০৯ সাল থেকে জার্মানি ইভিএম-এর ব্যবহারকে অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করেছে। ফিনল্যান্ডের সর্বোচ্চ আদালত ২০০৯ সালে মিউনিসিপ্যাল নির্বাচনে ব্যবহৃত ইভিএম-এর ফলাফল ইনভ্যালিড ঘোষণা করেছে। এপ্রিল ২০০৪ সালে ক্যালিফোর্নিয়া ইভিএম-এর ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। আর আমাদের সরকার এই অগ্রহণযোগ্য মেশিন ক্রয়ের ও ব্যবহারের জন্য কেন এত উন্মুখ তা বুঝতে কারোরই অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।
-মোহাম্মদ আসাফ্ উদ্দৌলাহ্,
লেখক : সম্পাদক ও সাবেক সচিব
আমি কিছু কথা যোগকরি, দেখেন কুসিক,চসিক দিয়ে ইভিএম নিরপেক্ষ ঘোষণা যড়ষন্ত্রেই অংশ, এত প্সরতিকূলটা মধ্যে সরকার এত কনফিডেন্স হয় শুধু মাত্র ক্ষমতায় ফিরে আসার নিশ্চয়তা ভেবে । আর বিএনপি আমলেও সিসিক ও চসিক নির্বাচনে আ"লী জিতে ছিলো তাই বলে দলীয় সরকারের গ্রহণযোগ্যতা দুরের কথা তৎকালীন ত্বত্তাবধায়ক সরকারকে আ'লীগ মেনে নেয় নি । ট্রানজিট সহ নানা সুবিধা পেতে ভারত যেকোন মূল্য আ"লীগকে ক্ষমতায় দেখতে চায় ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

