
গত ৩০-০৮-২০১১ তারিখে রাজধানীর ইস্কাটনে লেডিস ক্লাবে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর বেগম জিয়া সাংবাদিকদের বলেন, " ‘দেশের অবস্থা ভালো নয়। দেশের মানুষ ঈদ করছে। কিন্তু ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পরছে না। কারণ অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ। মানুষের কাজকর্ম নেই। মানুষ দুই বেলা পেট ভরে খেতেও পারছে না।" (প্রথম আলো,৩০-০৮-১১)
আর এর বিপরীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বলেন, "এবারের ঈদ উৎসবে প্রমাণ হয়েছে দেশের মানুষ অনেক ভালো আছে।"(বাংলাদেশ প্রতিদিন,১০ নভেম্বর ২০১১,)
আর শেখ হাসিনার কথা যে সত্য তা আজ দিবাগত রাত ১২ টায় প্রমান করে দিয়েছেন বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বেগম জিয়ার মন্তব্যের পরে আশা করি শেখ হাসিনা সরকার দেশের এতবড় উন্নয়ন করে ফেলেনি যে জনগণ মহাসুখে আছে। কিন্তু গতরাতে তারেক রহমানের ৪৭তম জন্মদিনে ৪৭ পাউন্ডের বিশাল ৪টি কেক কেটে যেভাবে হই হুল্লোড় আর কিছুদিন আগে জিয়াকে অবজ্ঞাকারী মওদুদ সাহেবকে নিয়ে কেক কেটে আনন্দ আনন্দ করলো আপনি এবং দল তাতে মনে হচ্ছে শেখ হাসিনার কথায় সত্য, দেশের মানুষ অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় ভাল আছে, আনন্দে আছে।
তারেক রহমানের জন্মদিন নিয়ে বিএনপির মাতামাতিটা বাড়াবা্ড়িই মনে হয়েছে। তারেক রহমান দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান।দলের আর কোনো নেতার জন্মদিন বিএনপি পালন করে বলে তো শুনিনি। তাহলে তারেক রহমানের কেন? খালেদা জিয়ার পুত্র বলে? আমাদের রাজনৈতিক দল, রাজনীতি,রাজনৈতিক নেতারা যে আদর্শিকভাবে কতোটা দেউলিয়া তারই বহি:প্রকাশ ঘটালো বিএনপি।(আমার ফেসবুকে বন্ধু তালিকায় থাকা কানাডা প্রবাসী সাংবাদিক সাগর ভাইয়ের কথা)
দেশ ও জাতির মহা সংকটকালে কেক কাটা রাজনীতি নয়। যুগ বদলেছে। এখন আর পুরোনো পথে কাজ হবেনা। নতুন করে ভাবতে হবে। মানুষের কাতারে নামতে হবে। তরুণরা অনেক বেশী সচেতন আগের যে কোন সময়ের তুলনায়। তারা এসব পছন্দ করেনা, যেমন পছন্দ করেনা ধর্ষক-সন্ত্রাসী আর দুর্নিতিবাজ মন্ত্রী-এম্পি পরিবেষ্টিত ডিজিটাল সরকারকে।
পরিবারতন্ত্র, ব্যক্তিপূজা আর তোষনের এই রাজনীতি থেকে দেশকে কে মুক্তি দেবে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


