
ভারতের বরাক নদীর ওপর প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধ ণির্মাণের প্রতিবাদে রোববার সুইডেনে প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিভিন্ন দেশের সচেতন শিক্ষার্থীরা ভারতীয় দূতাবাসের সামনে মানববন্ধন এবং ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে। এছাড়া কর্মসূচিতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থী, গবেষক ও শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন। বেলা ১২টায় সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমের হতরিয়েতে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে শিক্ষার্থীরা প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান করেন। এ সময়ে তারা টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান সম্বেলিত প্ল্যাকার্ড গলায় ঝুলিয়ে রাখেন।
স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জাবেদ কায়সার বলেন, ‘ভারত বলে আসছে এই বাঁধ নির্মাণ করা হলে বাংলাদেশের কোনো ক্ষতি হবে না। কিন্তু অতীতে ফারাক্কা বাঁধের অভিজ্ঞতা থেকেই বোঝা যায়, ভারত নিজ দেশের স্বার্থের বিষয়ে বিশেষভাবে মনোযোগী। এই বাঁধ নির্মাণ করা হলে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং ভারতে
ত্রিপুরা অঙ্গরাজ্যের প্রতিবেশী। এই বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে আমাদের সকলের নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলা প্রয়োজন।’

নেদারল্যান্ডস থেকে স্টকহোমে গিয়ে মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি শিক্ষার্থী শাওন বলেন, “বাংলাদেশ সরকারের উচিত এ বিষয়ে ভারতের সঙ্গে সুস্পষ্টভাবে আলোচনা করা এবং এর ক্ষতিকর দিকগুলো বিশ্ব দরবারে তুলে ধরা।”
নেপালী শিক্ষার্থী সামীর অধিকারী বলেন, “ভারত দক্ষিণ এশিয়ার বড় রাষ্ট্র হয়ে ছোট রাষ্ট্রগুলোকে মূল্যায়ন করছে না। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া উপসালা ইউনিভার্সিটির পিএইচডি গবেষক ব্রিটিশ নাগরিক লুকাজ পিলারস্কি বলেন, “আমরা সবাই জানি এ ধরনের বাঁধ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। ভারত বড় রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে ক্ষমতার চর্চা করছে। কারণ আমি যতটুকু জানি এ ব্যারেজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বাংলাদেশের সঙ্গে তারা কোনো আলোচনা করেনি।”
বাংলাদেশে আন্দোলন ক্রমশ বেগবান--
>>টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে সারাদেশে একযোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।
>> টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে গতকালের মানববন্ধন এর সব ভিডিও।
*** আশা করি এখানেও কেউ ছাগু সংশ্লিষ্টতা খুজবেন না।
**মারুফ মল্লিক এবং জাভেদ কায়সারের লেখা থেকে নেয়া।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

