
৮ ও ৯ জানুয়ারি চট্টগ্রাম অভিমুখে বেগম খালেদা জিয়ার রোডমার্চ এবং পলোগ্রাউন্ডে চারদলীয় জোটের মহাসমাবেশের চট্টগ্রাম সমন্বয়ক, বিএনপি চেয়াপার্সনের উপদেষ্টা, মহানগর বিএনপি সভাপতি, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী স্থাপন করেছেন বিরল এক দৃষ্টান্ত। চট্টগ্রামে রোডমার্চ এবং মহাসমাবেশ সফল করতে শহরে লাগানো হাজার হাজার বিশালাকার বিলবোর্ড, তোরণ এবং প্ল্যাকার্ড-পোস্টারে যেখানে চট্টগ্রামের সব কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় নেতারা নিজেদের ছবি ছাপিয়ে প্রচারণা চালিয়েছেন, সেখানে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ছিলেন ব্যতিক্রম।
চট্টগ্রাম নগরীর কোথাও দেখা যায়নি তার ছবি সম্বলিত কোনো পোস্টার এবং বিলবোর্ড। অন্যদিকে শহরের দু-তিনটি জায়গায় স্থানীয় নেতাদের উদ্যেগে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ছবি দিয়ে বিলবোর্ড লাগানো হলেও দ্রুত তা নামিয়ে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র উদ্যোগে স্থাপিত বিলবোর্ড, ব্যানার-প্ল্যাকার্ডে ছিল বেগম জিয়া, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়া এবং বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি তারেক রহমানের ছবি।
বাংলাদেশের সুস্থ ধারার রাজনৈতিক নেতাদের তালিকা করলে অবশ্যেই আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নাম প্রথম কাতারে থাকবে। তাঁর বিচক্ষণ নেতৃত্ব এবং পরিশ্রমের কারণেই সোমবার চট্টগ্রামের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল এবং বিশাল মহাসমাবেশ কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে। নগর বিএনপি’র সভাপতি হবার পর তিনি চট্টগ্রামের বিএনপির যে দীর্ঘদিনের ভ্যন্তরীণ সমস্যা ছিল সেটিও প্রায় মিটিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়েছেন।
যার ফলশ্রুতিতে রোডমার্চ এবং মহাসমাবেশ সফল করতে চট্টগ্রাম বিএনপি’র সকল নেতা একযোগে কাজ করেছেন। এছাড়া বিগত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের মেয়র এবং শক্তিমান নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরীকে ধরাশায়ী করেন মহিউদ্দিনের বিপরীতে অনেকটা অখ্যাত মনজুর আলমের মাধ্যমে।
এতোসব সাফল্য তিনি এনেছেন বুদ্ধিভিত্তিক রাজনীতি এবং কৌশলের মাধ্যমে। পেশীশক্তির রাজনীতিকে ঘৃণাকারী বনেদী পরিবারের এ রাজনীতিবিদ যে ভবিষ্যতে দেশ ও জাতিকে আরো অনেক কিছু দিতে পারবেন, সেটা এখনই বলে দেওয়া যায়।
লেখাটি দুপুরে banglanews24.com এ প্রকাশিত- চট্টগ্রাম রোডমার্চঃ বিরল দৃষ্টান্ত আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



