আমার প্রিয় পোস্ট

যদি কখনও সুযোগ পাই, সাত বাজারের চুড়ি এনে দেব, যত্ন করো!

আমরা সভ্য হয়ে উঠছি কি?

১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৩৫

শেয়ারঃ
0 0 0

১. দুনিয়াটা বড়ই আজব। অনেক আজব আজব জিনিস দেখা যায়। তার চেয়েও আজব/ইনটারেস্টিং দুনিয়ার মানুষ। বুদ্ধিমততা বা চাতুর্য, আবেগ, প্রেম ভালোবাসা, জ্ঞান অন্বেষের সুতীব্র আকাংখা, চিন্তা চেতনা বা মতবাদ প্রকাশ ও এর প্রচারনা বা বিরুদ্ধচারনা এসব মানুষই করে থাকে বা করতে পারে। যুক্তি দিয়ে ধারনার প্রকাশ বা ঐ ধারনার ব্যবচ্ছেদ করে, ভালোবাসা দিয়ে কাছে টানে, আবার ঘৃণা ভরে প্রত্যাখানও করে। চিনিনা জানিনা এরকম কত জনের সাথে বন্ধুত্ব হয় আবার অনেক পুরোনো পরিচিতের সাথে শত্রুতাও হয়। আবার এর উল্টোটাও হয়......।

সবচেয়ে বড় আজব হচ্ছে মানুষের মন। প্র্যাকটিকেলি এটা নাই কিন্তু কনসেপচুয়ালি এর উপস্থিতি রয়েছে বলে আমরা মনে করি। অত্যন্ত সেনসিটিভ এই জিনিসটারে কেউ আগলায় রাখে আর সেই আগলিয়ে রাখা জিনিসটাকে অনেকে আক্রমন করে, খোচায়..... এ নিয়ে শুরু হয় দ্বন্দ সংঘাত, রেশারেশি... প্রতি আক্রমন.... জ্বালাও-পোড়াও... ইত্যাদি।

২. আমরা সভ্য হওয়ার চর্চা করছি। কি রকম সভ্য হওয়ার? আমরা কারও মনকে আঘাত করবো না.. অনুভুতিকে আক্রমন করব না। নিজের চিন্তা-চেতনা অন্যের উপর চাপিয়ে দিব না....
.... ...... ইত্যাদি ইত্যাদি..... .....। কিন্তু চর্চা কতদূর করছি? বলছি আমরা আরও বেশী সভ্য হচ্ছি, আরও বেশী মানবতাবাদী হচ্চি কিন্তু একবারও আত্মসমালোচনা করে দেখার প্রয়াস পায়নি... আদৌ আমাদের এই বলা আর করা এক কিনা? এই কথা আমরা বেশী করে বলি যখন কেউ আমার উপর আক্রমন চালায়.... অনুভুতিকে আঘাত করে...আর আমি যখন সেই একই কাজ করি তখন বেমালুম ভুলে যাই..... ইচ্ছা করেই ভুলে যাই.... ভুলে গিয়ে অন্যকে আঘাত করি, যেটা সবসময় আমরা তাকে করতে মানা করি... এরপর সে যখন আমার কথা আমারে শুনায় তখন তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি, সান্তনা প্রদান করি। ....... এরপর আত্মতৃপ্তির সাথে অনুভুতির প্রকাশ ঘটায় এই বলে যে আমরা সভ্য হয়ে গিয়েছি... ইচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে 'সভ্যতার' দাবীদার আজ আমরা!!

৩. যখন সবক দিই তখন মনে থাকে না যে আমিও একই ভুল করতে পারি.... উগ্রবাদের বিরোধীতা করি সবসময় কিন্তু নিজেই উগ্রবাদী আচরণ করি। পরে কেউ চোখে আঙুল দিয়ে দেখালে ক্ষমা ভিক্ষা করি... আবারও করি.... আবারও ক্ষমা চাই... বিচিত্র এক খেলার নেশায় পরে যাই... শুধু আমার সাথে কেউ খেলতে আসলেই বিপদ! তখন সে অসভ্য, বর্বর, মানবতা বিরোধী, প্রগতির অন্তরায়, সুচিন্তা হরণকারী... ইত্যাদি... হা হা হা সত্যি সেলুকাস, বড্ড বিচিত্র এই আমরা!

৪. অনেকেই আমাকে ধৈর্য ধরতে উপদেশ দেয়, আমার মন ভেঙে টুকরা টুকরা করে ফেলে, হৃদয়ের সূক্ষ অনুভুতিকে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করে আর আমি যদি রেগে যায়, ক্ষোভ প্রকাশ করি তাহলে বিপদ! আমাকে ধৈর্য্য ধরে মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকতে হবে। ধৈর্য্য ধরতে হবে। কারন মুখ খুললেই আমি সভ্য সমাজে বসবাসের অনুপযুক্ত হয়ে যাব। তারা ফতোয়া জারি করবে, আমি চরমপন্থি.... বিপথগামী।

৫. প্রমাণ ছাড়া যখন ইরাক আর আফগানে লাখো মানুষ হত্যা করা হয় তখনও আমি নিশ্চুপ... বিরোধিতা করলে যে আক্রান্ত হব। ফিলিস্তিনে তাদের জায়গা দখল করে তাদের শিশুদের হত্যা করা হয়... আমরা ধৈর্য্য ধরে বসে থাকি। বসনিয়ায় ৬-৬০ বছরের নারী ধর্ষিত হয়...আমরা না জানার ভান করি। ফিলিপাইন, থাইল্যান্ডে গনহত্যা চলে ... আমরা চোখ বন্ধ রাখি। সর্বোপরি যখন আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুসটাকে, যাকে প্রানের চেয়েও বেশী ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি, যাকে সবসময় হৃদয়ে স্থান দিয়ে রাখি, তাঁকে বিদ্রুপ করা হয়... সূক্ষভাবে/স্থূলভাবে... ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়... তখনও আমাকে চুপ থাকতে হবে.... সভ্য হবার জন্য.... সভ্যতা শেখার জন্য,
অন্তরেও ঘৃণা রাখা যাবে না.... কারণ ঘৃণা রাখলেও 'আধুনিক পাপ' হবে। মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকতে হবে। কারন আমরা মুখে কুলুপ এঁটে রাখলে নাকি গনতন্ত্র বিকশিত হবে।

"দেশ কাল আর শান্তির কথা ভেবে রয়েচি আমরা নিরব,
যখন নিরবতা ওরা দুর্বলতা ভাবে তখন রক্ত করে টগবগ।"

আমাদের রক্ত টগবগ করতে করতে একসময় ঠান্ডা হয়ে যাবে, তারপরও শান্তির কথা ভেবে হয়ত নিশ্চুপ থাকতে হবে।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৩৭
অন্যরকম বলেছেন: কাউকে আঘাত করে এই পোস্ট দেয়া হয়নি।
কারও সাথে মিলে গেলে কাকতাল মাত্র, অনভিপ্রেত।

আশাকরি ক্ষমা করবেন।
২. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৫১
জোনাকি বলেছেন: ওরে বাবা! এতো নিতি মানতে গেলে তো আমি মারাই যাব!
দারুন লিখেছেন!
কিন্তু কথা হইলোগিয়ে আমার তো রাগ যখন উঠে তখন তো কিছুই মনে থেকে না। আর রাগ যখন মাথার থেকে মাথার চুলে উঠে যায় তখন নিজেরেই নিজে ধইরা মাইর শুরু করি। তাইলে কথা হচ্ছে যে আমিকি সভ্য?
৩. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৯
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: মাইন্ড আছে বইলাই মাইন্ড করমু আর টখনই হইবো রাগ, আর জ্বালাও পোড়াও হইলো তার বহিঃপ্রকাশ!

তবে হঠাত এই নীতিবাক্য পড়িয়া আমিও প্রচন্ড রাগে ডিমের মতো ফাইটা যাইতাছি। কারন জিনিসটা আমার বেলায়ও সত্য।৫ দিলাম একটা শ্বাশত সত্য তুলে ধরার জন্য!
৪. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৮
অন্যরকম বলেছেন: বস, পুরাটা না পইড়া কমেন্ট দিছেন মনে হয়? @উঃদা।

কেউ কেউ আমাদের অনুভুতিকে আঘাত করে ছবি আঁকবে, ক্যারিক্যাচার প্রকাশ করবে, আর আমরা মুসলমানরা প্রতিবাদ করলেই দোষী হয়ে যাবো!!!
সেই দুঃখবোধ থেকেই লিখেছি।

মন্তব্যের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ
৫. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫১
জোনাকি বলেছেন: নহ! অনু আপনারে দিয়ে কাইছালা করা হইব না।
আপনি খুবই শান্তি প্রিয় মানুষ!
৬. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৫
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ভাল শব্দ বলেছেন 'আধুনিক পাপ' ... যারা হৈচৈ হট্টগোল করে তাদের দোষ আছে, কিন্তু যারা এরকম সূক্ষভাবে/স্থূলভাবে দেয়া খোঁচাকে উসকে দেয় তাদেরও আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে একবার ভালমতো নিজের মুখোমুখি হওয়া উচিত ...
বলি, নামের আগে মুহাম্মদ না লাগালে কি বাংলাদেশের জি.ডি.পি বেড়ে যাবে নাকি দ্রব্যমূল্য কমবে?
যেকোন জাতি বা ধর্মের একটা কালচারকে আঘাত করাকে আমি বার্মিয়ানের সেই মূর্তিকে আঘাত করার মতই দেখি ...
আমাদের এই অঞ্চলে নবীর প্রতি শ্রদ্ধা রেখে অনেক মানুষ সন্তানের নামের আগে মুহাম্মাদ যোগ করে ... এটা কোন ধর্মীয় বিধিনিষেধ না ... হলেও এতে কারও লাভ বা ক্ষতি কিছুই হয়না ... এই সংস্কৃতিকে কটাক্ষ করাটা আমার কাছে সেই বার্মিয়ানের সাংস্কৃতিক হেরিটেজে আঘাত করারই প্রতিশব্দ হয়ে দেখা দেয়
৭. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:০৯
অন্যরকম বলেছেন: ধন্যবাদ জ্বীনের বাদশাহ।
কার্টুনটি আমি দেখি নাই, দেখার রুচিও নাই। শুধু ঘৃনা করছি, প্রতিবাদ করছি এ ধরনের মানসিকতার। অপরের মানসিকতাকে যারা আঘাত করে, সহ্য করতে পারেনা তাদের প্রতি কোন মমত্ববোধ করিনা।

আপনার মন্তব্য ভাল লেগেছে...প্রচন্ড। ধন্যবাদ।
৮. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:২১
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: হুমম ... ব্রাদার, এসব হলো হালফ্যাশন ...

আপনাকে একটা খুব সহজ উদাহরন দিই ...

বাংলাদেশ মুসলিমপ্রধান দেশ বলে এখানে
মাঝেমাঝেই লেখকরা ইসলাম/মুসলিমদের কটাক্ষ করে লিখে লাইমলাইটে আসেন .. তারপর তারা রাজনিতিক আশ্রয় বা যেভাবেই হোক অন্য দেশে বিশেষ করে ইউরোপের সেক্যুলার দেশগুলোতে চলে যান ...
কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এসব লেখকেরা সেখানে গিয়ে তাঁদের মিশন মানে 'ধর্মের অসারতা' সম্পর্কে ভুলে যান ... তখন তারা সেই দেশগুলোর সাধারন মানুষেরা যে ধর্ম পালন করে সেই ধর্মগুলোর সমালোচনা করার মতো গাটস আর রাখেননা ... কারণ জানিনা ... একটা হতে পারে যার নুন খাই, তার গুন গাই ... এখন আপনি এদেরকে কিভাবে ইভ্যালুয়েইট করবেন ...
আমি শূন্যই দেব

আমাদের দেশের একজন স্বনামধন্য সাহিত্যিক যখন বলেন, 'সংখ্যাগরিষ্ঠরা আমার পক্ষে আছে, আমি ভয় করিনা', এবং এই সংখ্যাগরিষ্ঠ দিয়ে তিনি ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে নির্দেশ করেন, তখন যে তার সাথে এদেশের একজন সাম্প্রদায়িক জঙ্গির কোন মূলগত পার্থক্য থাকেনা সেটা বোঝার ঘিলু আবার অনেকের নাই

৯. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩৩
অন্যরকম বলেছেন: ১টা দায়িত্বশীল পত্রিকা, যারা 'যা কিছু ভাল তার সাথেই থাকে', প্রচারে সর্বোচ্চ, মেধাবী জনশক্তিতে ঠাঁসা...... তারা এত বড় 'ভূল' করছে আর কিছু লোকজন তাদের সাফাই গাইছে..... এদের সম্বন্ধে কি কমু বুঝতাছি না।
যারা কাগজ পুরায় তাদের সম্বন্ধে কিছু বলার নাই, কারণ এটা ছাড়া তাদের আর কিছুই করার নাই।

সচেতনরা যখন অচেতন হয়ে যায় (ইচ্ছা করে কিনা জানিনা), তখনই বেশী অবাক হই।
১০. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২১
অন্যরকম বলেছেন: জী. বা. এর ২য় মন্তব্যে বিপ্লব।
১১. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৪
যীনাত বলেছেন: প্রকৃত সত্যের অসাধারণ প্রকাশ।৫
১২. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৯
তীরন্দাজ বলেছেন: অন্যরকম, কার্টুন সম্পর্কিত প্রশ্নে আপনার মতামতের সাথে একমত না হলেও প্রতিবাদের ধরণ এ ভাষা ভাল লেগেছে। আমার মনে হয়, এ ধরণের প্রতিবাদই বেশী শক্তিশালী।
১৩. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২৯
তাহসিন সাঈদা মুন বলেছেন: অন্যরকম এবং জ্বীনের বাদশা উভয়কেই ধন্যবাদ জানিয়ে ৫ দিলাম। সত্যিকার কিছু প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ন কথা উঠে এসেছে এই পোস্টে ।

অন্যরকম ও জ্বীনের বাদশা দুজনকেই শ্রদ্ধাভরে ৫। চিন্তাভাবনার প্রশস্থতার পরিচয় পেয়ে।

একমত।
১৪. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫১
অন্যরকম বলেছেন: যীনাত, তীরন্দাজ, মুন..... সবাইকে ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
@ তীরন্দাজ, এক একজনের প্রতিবাদের ভাষা একরকম। তবে দেখতে হবে এই প্রতিবাদে অন্য কারও ক্ষতি হচ্ছে কিনা। পতাকা পুড়ানো বা পত্রিকা পুড়ানো অনেক পুরোনো প্রতিবাদ, অনেক গনতান্ত্রিক দেশেই এটা প্রচলিত। কাজেই এই প্রতিবাদ নিয়ে ক্যাচালের কিছু নেই। শুরুটা করছে কে সেটাই দেখার বিষয়।
তবে তদন্ত করে নির্দোষ প্রমানিত হলে হ্যারাসমেন্ট না করাই উচিত! (আটক কার্টুনিস্টকে)
১৬. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:০৬
অন্যরকম বলেছেন: ধন্যবাদ নিশাত।
১৭. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৩৫
কণা বলেছেন: ভাল লিখেছেন.... একমত.... ৫
১৮. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২১
অন্যরকম বলেছেন: ধন্যবাদ কণা..... পড়ে সহমতের জন্য।
১৯. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:২৬
আবূসামীহা বলেছেন: সুন্দর ভাবে সত্য কথাগুলো তুলে ধরেছেন।
ধন্যবাদের সাথে ৫।
২০. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:০২
মানবী বলেছেন: সুন্দর চিন্তা ভাবনা। ভালো পোস্টের জন্য ধন্যবাদ অন্যরকম।

২১. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:১৪
অন্যরকম বলেছেন: আবুসামীহা এবং মানবী... অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনাদের উত্সাহ আমাকে আরও পোস্টাইতে উদবুদ্ধ করবে।
২২. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৩১
সোনার বাংলা বলেছেন: "দেশ কাল আর শান্তির কথা ভেবে রয়েচি আমরা নিরব,যখন নিরবতা ওরা দুর্বলতা ভাবে তখন রক্ত করে টগবগ।"

অনেক সুন্দর লিখেছেন।
২৩. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:২৬
অন্যরকম বলেছেন: ধন্যবাদ সোনার বাংলা।

অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য মুছে দেয়া হল।
২৪. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২৬
অজানা অচেনা বলেছেন: সত্যিই অন্যরকম। সামহোয়্যারে আমার প্রথম দিনেই আপনার ব্লগ পড়লাম, আর মনে হল, সত্যিই অন্যরকম।
২৫. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২৪
অন্যরকম বলেছেন: ব্লগে স্বাগতম অজানা
আশা করি আর থাকবেনা অচেনা!
২৬. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৫
কালপুরুষ বলেছেন: গঠনমূলক লেখা। নির্মল ভাবনা আর চিন্তার প্রকাশ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৬১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মতৈক্য ও মতানৈক্যের মাঝেই আমাদের বসবাস.....
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ