ভেবে দেখলাম হাসান মশহুদ চৌধুরীকে আমার ভালোই লাগে। লোকটার কিছু কিছু কাজে আমি চমৎকৃত । যেমন তিনি নিয়ম করেছেন,জেলা পরিক্রমায় যেসব সাংবাদিককে তিনি সঙ্গে নিবেন তারা সেদিন গেঞ্জি পরতে পারবেন না। স্যু পরতে হবে। কোট-টাই হলে ভালো।সারা দিন কমিশনের অতিথি হয়ে সঙ্গে থাকলেও সাংবাদিকদের খাওয়ার দায়িত্ব যার যার নিজের। তিনি কমিশনের ভেতরে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ করে দিয়েছেন।ব্রিফিংএর নির্দিষ্ট দিনগুলোতে ব্রিফিং বাতিল করা হয়েছে মর্মে বাইরে নোটিশ টানিয়ে দেন। তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞা প্রকাশ করে কথা বলেন। রুই কাতলার সঙ্গে চুনোপুটিও ধরতে চান কারন বাজারে সব কিছুর দাম বেশি। ওহ ,হাসান মশহুদ সরকারি ছুটির দিনে কারো ফোন ধরেননা।বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন না। এসব তার স্টাইল!!!
তিনি সাংবাদিকদের দোষ দিয়েছেন, তারা তথ্য বিকৃত করে। আর সে সুযোগ দেয়া হবেনা বলেও জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু তার বক্তব্য এতো সুনির্দিষ্ট ও অল্প কথার থাকে যে তা নিয়ে নিশ্চয়ই ভুল বুঝাবুঝির সুযোগ কম থাকে।
আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা হাসান মশহুদের সঙ্গে সাংবাদিকদের সম্পর্ক অনেকের চেয়ে আন্তরিক। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে পছন্দ করেন বলেই মনে হয়েছে আমার কাছে। তিনি যখন তত্বাবধায়ক সরকারে ছিলেন বঙ্গভবনের গেটের বাইরে সাংবাদিকদের দিন রাত দাড়িয়ে থাকতে দেখে মনে কষ্ট পেয়ে একটা ঘর করে দিতে প্রস্তাব দিয়েছিলেন।তা বাস্তবায়ন হয়নি দেখে মনে আরো কষ্ট পেয়েছেন- এটা তিনি সাংবাদিকদের পরে জানিয়েছিলেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে পদত্যাগ করে আরো তিন জনের সঙ্গে জাতীয় বীরে পরিনত হয়েছেন তিনি। পদত্যাগের আগে ও পরে তাকে কমপক্ষে ১০ বার বলতে শুনেছি মিডিয়ার সাহায্য নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ তাদের কাজ তড়ান্বিত করতে চেয়েছে। মিডিয়া সহযোগিতা দিয়েছে বলেও বিভিন্ন সময় ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। তার মুখেই শুনেছি পরিবর্তনটায় ডিয়িার ভুমিকা উল্লেখ যোগ্য।
এহেন হাসান মশহুদ যখন সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কথা বলেন তখন কি যেন মিলতে চায়না!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


