হাসান মশহুদের সঙ্গে মাহমুদুর রহমানের কোথায় যেন মিল আছে!!!
০৪ ঠা মে, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৮
ভেবে দেখলাম হাসান মশহুদ চৌধুরীকে আমার ভালোই লাগে। লোকটার কিছু কিছু কাজে আমি চমৎকৃত । যেমন তিনি নিয়ম করেছেন,জেলা পরিক্রমায় যেসব সাংবাদিককে তিনি সঙ্গে নিবেন তারা সেদিন গেঞ্জি পরতে পারবেন না। স্যু পরতে হবে। কোট-টাই হলে ভালো।সারা দিন কমিশনের অতিথি হয়ে সঙ্গে থাকলেও সাংবাদিকদের খাওয়ার দায়িত্ব যার যার নিজের। তিনি কমিশনের ভেতরে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ করে দিয়েছেন।ব্রিফিংএর নির্দিষ্ট দিনগুলোতে ব্রিফিং বাতিল করা হয়েছে মর্মে বাইরে নোটিশ টানিয়ে দেন। তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞা প্রকাশ করে কথা বলেন। রুই কাতলার সঙ্গে চুনোপুটিও ধরতে চান কারন বাজারে সব কিছুর দাম বেশি। ওহ ,হাসান মশহুদ সরকারি ছুটির দিনে কারো ফোন ধরেননা।বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন না। এসব তার স্টাইল!!!
তিনি সাংবাদিকদের দোষ দিয়েছেন, তারা তথ্য বিকৃত করে। আর সে সুযোগ দেয়া হবেনা বলেও জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু তার বক্তব্য এতো সুনির্দিষ্ট ও অল্প কথার থাকে যে তা নিয়ে নিশ্চয়ই ভুল বুঝাবুঝির সুযোগ কম থাকে।
আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা হাসান মশহুদের সঙ্গে সাংবাদিকদের সম্পর্ক অনেকের চেয়ে আন্তরিক। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে পছন্দ করেন বলেই মনে হয়েছে আমার কাছে। তিনি যখন তত্বাবধায়ক সরকারে ছিলেন বঙ্গভবনের গেটের বাইরে সাংবাদিকদের দিন রাত দাড়িয়ে থাকতে দেখে মনে কষ্ট পেয়ে একটা ঘর করে দিতে প্রস্তাব দিয়েছিলেন।তা বাস্তবায়ন হয়নি দেখে মনে আরো কষ্ট পেয়েছেন- এটা তিনি সাংবাদিকদের পরে জানিয়েছিলেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে পদত্যাগ করে আরো তিন জনের সঙ্গে জাতীয় বীরে পরিনত হয়েছেন তিনি। পদত্যাগের আগে ও পরে তাকে কমপক্ষে ১০ বার বলতে শুনেছি মিডিয়ার সাহায্য নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ তাদের কাজ তড়ান্বিত করতে চেয়েছে। মিডিয়া সহযোগিতা দিয়েছে বলেও বিভিন্ন সময় ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। তার মুখেই শুনেছি পরিবর্তনটায় ডিয়িার ভুমিকা উল্লেখ যোগ্য।
এহেন হাসান মশহুদ যখন সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কথা বলেন তখন কি যেন মিলতে চায়না!!!
আলভী বলেছেন:
ঠিক।
জলদস্যু বলেছেন:
ভালো কাজের প্রশংসা আমাদের ভালোই লাগে। কিন্তু নিজের সমালোচনা শুনতে আমাদের ইচ্ছা করে না। তাই হা. মা. চৌ. এর কথায় সাংবাদিকরা মনোকষ্টে পড়েন। প্রমানের দরকার নেই। একটা খবর ৩/৪ টা সংবাদপত্রে পড়লে সহজেই বুঝা যায় ঘাপলা একটা আছে। একেকজন একেক তথ্য উপস্হাপন করেন। তথ্য ছাপানোর আগে তার সত্যতা অবশ্যই নিরুপণ করা প্রয়োজন। আর বাক স্বাধীনতার আড়ালে থেকে মিথ্যা বা ভুল তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করা অবশ্যই অমার্জনীয় ব্যাপার। আমার মনে হয় এজন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা উচিত।
দি মাঙ্কি বলেছেন:
ফারহান দাউদ ঠিকই বলেছেন !
এহহামিদা বলেছেন:
হোহঝো।হাসান মশহুদ আর্মীতে ছিলেন।
উনি কিনা আর্মী নামানোর বিরোধীতা কইরাই পদত্যাগ করছিলেন।
উনি মনে হয় ভালো কইরাই জানতেন যে, একটা ক্যু হইতে যাইতাছে।
তাই আগে ভাগে পদত্যাগ করছিলেন যাতে একটা দীর্ঘ স্থায়ী পদ দখল করা যায়।
২০০৩ সালে সেনা প্রধান থাকা অবস্থায় অপারেশন ক্লিন হার্টের সময় সাংঘাতিক ভাইয়েরা হের কিছু বদনাম করছিল। তাই ঘর বানাইয়া দেয়ার কথা কইয়া সাংঘাতিক ভাইগো একটু তেলাইয়া নিছিল।
এইবার সুযোগ মত ঢুকাইয়া দিল।
হাহাহাহাহাহা।
এহহামিদা বলেছেন:
আমিও সাংঘাতিক ভাইদের জন্য একটা ঘর তুলে দেয়ার প্রস্তাব করছি। সেই সাথে কিছু ফেন্সিডিল সাপ্লাই দেয়ারও প্রস্তাব করছি।যাতে সাংঘাতিক ভাইয়েরা মন দিয়ে হাই হয়ে ঘঘঘঘঘঘঘষা-মাজা করতে পারেন।
তারেক বেচারা আগে জানলে সাংঘাতিক ভাইদের জন্য কিছু ব্যবস্থা করতে পারত।
তারেক বেচারা বাচতে পারব নাতো কি হইছে।
আমিতো বাইচা গেলাম।
জয় সাংঘাতিক ঘর! উপরি, জয় সাংঘাতিক ফেন্সিডিল!
এহহামিদা বলেছেন:
সাংহাতিক ভাইদের জণয় নতুন নতুন ঘরের ব্যবস্থা করতে হইব
তাসনিম খলিল বলেছেন:
জনগণের পয়সায় ব্যাংক আ্যকাউন্ট বানাইলে দূর্নীতি হয়। তবে জনগণের পয়সায় পালিত বাহিনী, জনগণের পয়সায় কেনা অস্ত্রে সজ্জিত হইয়া, বিনা বিচারে ৫৬-জন মানুষ হত্যা করলে, উক্ত বাহিনীর প্রধান কোন পাপে পাপী, এ প্রশ্ন রাখা জরুরী। সাংবাদিক ভাইরা হাসান মশহুদ চৌধুরীকে জিগাইতে পারেন।



















