ইমার্জেন্সির ১শ২০দিনে ৮৯ ব্যাক্তি নিহত, গ্রেফতার পৌনে ২ লাখ
১৩ ই মে, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১৬
মানবাধিকার সংগঠন অধিকার এক রিপোর্টে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে গত ১২ জানুয়ারি থেকে ১১ মে পর্যন্ত জরুরী অবস্থার ১২০ দিনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে ৮৯ জন নিহত হয়েছেন।এবং এক লাখ ৭৫ হাজার ৪শ ৩৫ ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছেন।যাদের মধ্যে মানবাধিকার জনিত গ্রেফতার ছাড়াও আইন ভঙ্গ করার কারণে গ্রেফতার রয়েছে।উল্লেখিত নিহত ৮৯ জনের মধ্যে র্যাবের হাতে ৪৯ জন,পুলিশের হাতে ২৩ জন,যৌথ বাহিনীর হাতে ৭ জন, সেনা বাহিনীর হাতে ৬ জন,নৌ বাহিনীর হাতে ৩ জন,এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের হাতে প্রান হারিয়েছেন।
অধিকারের রিপোর্ট অনুযায়ি,উল্লেখিত ৮৯ জন নিহত ব্যক্তির মধ্যে বিএনপির ৮জন,আওয়ামীলীগের ৪ জন,জনযুদ্ধের ৬জন,পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির ৪ জন,লাল পতাকার ৩ জন,বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির ১জন,গণমুক্তি ফৌজের ২,জাতীয়২জন,জাতীয়সমাজ তান্ত্রিকদলের ১জন,শ্রমজীবী মুক্তি আন্দোলনের ৩জন,সর্বহারা পার্টির ৪জন এবং ১ জন মুক্তিযোদ্ধা, ১জন আধিবাসি নেতা ও একজন কথিত চরম পন্থি রয়েছেন।তাছাড়া অন্য গুপের সদস্যদের মধ্যে ৩ জন গাংচিল বাহিনীর,একজন মাছিম বাহিনীর একজন ,১জন হাজী বাহিনীর ও ১ জন সালাম বাহিনীর সদস্য।এছাড়া কথিত ৩ জন ছিনতাই কারি,১ জন জুয়ারি,২ জন মাদক ব্যবসায়ি,১০ জন ডাকাত এবং ১৭ জন কথিত অপরাধি রয়েছেন।
তিমুর বলেছেন:
খুব খারাপ!
দীক্ষক দ্রাবিড় বলেছেন:
নিহত ৮৯ জনের মধ্যে ধর্মব্যবসায়ী, মৌলবাদী দল, বোমাবাজ জেএমবি'র কেউ ছিল না।
তাসনিম নুসরাত বলেছেন:
লিস্টে আগাম ১ যোগ করেন। ব্লগে প্রকাশের অপরাধে আপনাকে ধরা হইতে পারে। সিএনএন এর ব্যাকআপ না পাইলে তখন পরকালে পাঠানোও কোন সমস্যা না।
তাসনিম নুসরাত বলেছেন:
@ দীক্ষক দ্রাবিড়, পাইলাম তাইলে আপনারে। ধর্ম নিয়ে নতুন কিছু লেখা নাইলে লিংক দেন না ভাই, রিকোয়েস্ট।
তিমুর বলেছেন:
১৭ জন কথিত অপরাধি রয়েছেন
বকলম বলেছেন:
হালার এ চু....নী মানবাধীকার সংগঠনের মায়রে বাপ.. । হালাগোর বাপের দেশ ইরাকে আর আফগানিস্থানে কারে কারে মারলো আর গ্রেফতার করলো সেই পরিসংখ্যান তাগো বাপ বুশরে দেখাইতে পারে না!!
মাহবুব সুমন বলেছেন:
হ
মিসকল বলেছেন:
দাদা ৫ দিলাম।
বিপ্লব রহমান বলেছেন:
জলপাই মহাশয়ের অশেষ কৃপায় আমরা এখনো বেঁচে আছি; হেফাজতে নিহত হইনি।...কতই রঙ্গ দেখি দুনিয়ায়!


















