বন্ধুদের নিয়ে বাঁচি

যারা সংস্কৃতির উপর আগ্রাসন রুখতে ঐক্যবদ্ধ ।বনাম পুলিশের পক্ষপাত ও কেঠোদের উন্মাদনা

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭

শেয়ার করুন:                   Facebook

ভাল লাগছে, ভাস্কর্য ভাঙ্গার প্রতিবাদ সমাবেশগুলোতে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের ঢল দেখে। তাদের সবার মুখের রেখায় প্রতিবাদের প্রত্যয়। নিশ্চয় মানুষ আসবে। জড়ো হবে। আমি ,আপনি আমরা পরষ্পরকে খুঁজে পাব এই ভীড়ে। যারা যুগ যুগ ঐক্যবদ্ধ থেকে নিজেদের ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক ধারা অক্ষুণ্ণ রেখেছে। মৌলবাদের রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে।

পুলিশ পক্ষপাত করছে। স্পষ্ট। লালন ফকিরের ভাস্কর্যের যায়গায় হজ্জ্ব মিনার বানানোর জন্য তারা ফায়দাবাদে মিছিল-সমাবেশ করেছে। পুলিশ তাদের সামনে পিছে বাধ্য ছেলের মতো অনুসরণ করেছে। উল্টো দিকে কয়েকটি সাংস্কৃতিক সংগঠন ভাস্কর্য ভাঙ্গার প্রতিবাদে প্রেস কাবের সামনে মানব বন্দন করতে দাঁড়ালে পুলিশ তা পন্ড করে দেয়। তারা সাংস্কৃতিক কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে এবং ধস্তাধস্তি করে ব্যনার ছিনিয়ে নেয়।

লালনের ভাস্কর্যের যায়গার ইট-সিমেন্ট-সুরকি এমনকি অবগুন্ঠনও সরিয়ে নিয়েছে সিভিল এভিয়েশন কতৃপক্ষ। যেন তারা মোল্লাদের দেখাতে চায় দেখো আমরা কতো ভাল। ভাস্কর্য বানাচ্ছি না।

আজ মসজিদে উস্কানিমূলক বক্তব্যদিয়ে বাদ জুমা কয়েকশ মুসুল্লী নিয়ে রাস্তায় মিছিল করে অঘটনঘটনপটিয়সি মাওলানা নূর হোসের নূরানী।

এদিকে, ফজলুল হক আমিনীও আজ সরকারকে হুমকি দিয়ে সকল অনৈসলামিক কাছ ছেড়ে ভাল হয়ে যেতে বলেছেন। শিখা অনির্বাণ নিভিয়ে ফেলার দাসব ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেলার দাবী করেন তিনি।

ভাস্কর্য ভাঙ্গার প্রতিবাদে কয়েকটি সাংস্কৃতিক সংগঠন আজ শহীদ মিনারসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় মানব বন্দন কর্মসূচি পালন করেছে।


 

সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪০

 

  • ৫৮ টি মন্তব্য
  • ৯৪৪ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৮ জনের ভাল লেগেছে, ৫ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪০
comment by: লাল দরজা বলেছেন: ধন্যবাদ।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

২. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪১
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: আছি সাথে
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: সাথে আছি

৩. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪১
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: ফায়দাবাদ টা কুন জায়গায় ?
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫০

লেখক বলেছেন: ঊত্তরার ওদিকে।

৪. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪২
comment by: দুঃখবিলাস বলেছেন: অসাধারণ। দেশের জনগণ জেগে উঠুক, শুভকামনায়।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫১

লেখক বলেছেন: খুব ভাল লাগছে।

মৌলবাদীরা দৌড়ের উপর ছিল ,আছে, থাকবে।:)

৫. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৩
comment by: লাল দরজা বলেছেন: যেখানে গেলে দোজাহানের অশেষ ফায়দা হাসিল হয়, তাহাকেই ফায়দাবাদ বলে। :)
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৩

লেখক বলেছেন: :) এলাকার নামই বলে দিচ্ছে ওরা যুত করতে পারবে না:)

৬. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪
comment by: মৃত হাসানের প্রেতাত্মা বলেছেন: সাংস্কৃতির সংঙ্গাটা আসলে কি? আচ্ছা সাংস্কৃতি কাকে বলে ঠিক বুঝলাম না।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৯

লেখক বলেছেন: হাসান সাহেব জানতেন। তাকে জিগান।:)

মরার আগে পর্যন্ত হাসান সাহেব যে সূত্রে জীবন যাপন করেছেন সেখানে সংস্কৃতির সংজ্ঞা পাবেন।

৭. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪
comment by: জেনারেল বলেছেন: দেশের জনগণ জেগে উঠুক,
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনি আছেন?:) জেনারেল এই সময় একটা কিছু করা দরকার।:)

৮. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: মানুষেরা প্রতিরোধে দাড়ায় ।
দূ:খের বিষয় আমাদের বিপরীতে নেতৃত্ব দিতে এগিয়ে আসে নূরানি ইরানিরা , কিন্তু আমাদের সম্মুখে কোন নেতা থাকে না ।

১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯

লেখক বলেছেন:
ঠিক বলেছেন । মানুষ প্রানের টানে জড়ো হলে নেতা ঠিক হয়ে যাবে না?

৯. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫০
comment by: শফিউল আলম ইমন বলেছেন: দেশে যে হারে হুজুর বাড়তেছে বাংলাদেশ আফগানিস্থান হতে দশবছর ও লাগবে না। এসব মৌলবাদ এখুনি রুখতে হবে।
সাথে আছি।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:০০

লেখক বলেছেন:
অবশ্যই।সাথে আছি:)

১০. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫২
comment by: দুঃখবিলাস বলেছেন: পোস্টটি স্টিকি করা হোক
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:০৩

লেখক বলেছেন: বরং,ভাস্কর্যটার একটা ছবি ব্লগে স্টিকি করলে ব্লগে যে কেঠোরা আছেন তাদের পিত্তি জ্বালানো যেতো:)

১১. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫২
comment by: জিনাত বলেছেন: ভাস্কর্য আমাদের সংস্কৃতির অংশ কি???একটু বুঝিয়ে বলেন
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪

লেখক বলেছেন:
নূরানী হুজুর ভাল বুজাতে পারবেন। তিনি পীর সাহেব মুন্সিগঞ্জ:)

১২. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪
comment by: কুমারী শ্রীধন্যা গোস্বামী বলেছেন: নিজের দেশের সংস্কৃতি ও ভাষাকে যারা অপমান করে তারা এককথায় বিশ্বাসঘাতক।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:১৩

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ,নিজের মায়ের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা !

১৩. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪
comment by: অরণ্যচারী বলেছেন: সাথে আছি সবসময়। পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫৯

লেখক বলেছেন: অরণ্যচারী অনেক ধন্যবাদ পড়ে মন্তব্যের জন্য।


১৪. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৬
comment by: রাঙা মীয়া বলেছেন: বীর বাঙালী গর্জে উঠো ...........
১৫. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:০১
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: যারা রাস্তায় নেমে গেছে .. তাদের জন্য বুক ভরা সমর্থন রইলো ।
১৬. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:০১
comment by: বেতাল বলেছেন: শান্তির ধর্ম ইসলামের অবগুন্ঠিতরূপ যে কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তারই বহিঃপ্রকাশে লালনের ভাস্কর্য আজ লু্ন্ঠিত।

মৌলবাদ নিপাক যাক।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:০৯

লেখক বলেছেন: মুফতি নুরানীর নাম্বার: ০১৭১১১৫৯৬৭৫।:)

১৭. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:০২
comment by: আমার জন্য লেখা বলেছেন: "তাদের সবার মুখের রেখায় প্রতিবাদের প্রত্যয়। নিশ্চয় মানুষ আসবে। জড়ো হবে। "

আমরা শুধু ব্লগেই ফালাফালি করব। রাস্তায় নামনের সাহস খুব কম লোকের আছে। সুশীলদের আসলে রাস্তায় মানায় না, রাস্তায় নামলে পায়ে ধুলা লাগে। তারচে কম্পুর সামনে বইয়া ব্লগান আনেক নিরাপদ।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:০৬

লেখক বলেছেন: না মনে হয়। তাহলে যারা পাশাপাশি দাড়িয়ে প্রতিবাদ করে তারা কারা?

১৮. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:০৬
comment by: আমার জন্য লেখা বলেছেন: @বেতাল ইসলামে কই ভাস্কর্য ভাঙ্গার কথা আছে? সবারে এক পাল্লায় ফালায়া দিলেন?
১৯. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:১০
comment by: ফজল বলেছেন: ঠেঁটোদের রুখে দিতে কেঠোদের বিকল্প নেই :)
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:২৯

লেখক বলেছেন: আপনি কি মহান ফজলে এলাহী?:)

২০. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:১৩
comment by: মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন: একমাত্র এভাবেই ধর্মান্ধদের রুখে দেয়া সম্ভব।:) :)
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:২৯

লেখক বলেছেন: আপনার কবিতা কই মুয়ীয?

২১. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:১৮
comment by: আমার জন্য লেখা বলেছেন: আপনার পোষ্টানো ছবিতে দেখেন মিছিলে কাঠ মোল্লা কয়ডা আর পাশাপাশি দাড়িয়ে প্রতিবাদ করে তারা কয়ডা। মানুষ তামাশা দেখতে পছন্দ করে।

টিভির খবরে একটু আগে দেখলাম এক মোল্লা কইল ইসলামী শক্তি ক্ষমতায় গেলে ভার্সিটির সামনে সকল মূর্তী ভাইঙ্গা ফালাব। কি কমু কন?
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:০০

লেখক বলেছেন: কি বলবো ভেবে বের করতে হবে :)

২২. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:২০
comment by: আমার জন্য লেখা বলেছেন: ফজল কাঠাল পাতা চিবা। তোরা ত নিজমীরে পূজা করস। আবার ধর্ম মারাস কেন?
২৩. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:২৬
comment by: মাঠশালা বলেছেন: খুব ভালো একটা পোস্ট দিয়েছেন। ধন্যবাদ। ছবি ও ক্যপশান মিলিয়ে এক আলাদা ভিজ্যুয়াল তৈরী করেছেন। যাক প্রসঙ্গে আসি:

ঘটনা যা ঘটার তাতো ঘটলোই। এইটা শুরু। সামনে....

প্রথম যখন ভাস্কর্য ভাঙার আবেদন মিছিল ও ওদের পুরানা জঙ্গীপনা(যা রাস্ট্র কখনোই বাধা দেয় না)য় আতঙ্ক এবং ক্ষোভ নিয়ে কয়েকটা বন্ধুর সাথে কথা বললাম। সবারই এক অবস্থা। তাইলে তো ভাস্কর্যটা রক্ষা করতে নামতে হয়! কিন্তু এইবেলা সবাই এমন কি আমার ভেতরও একটা খচখচানি শুরু হইলো। কারন আর কিছুনা মৃণাল হক সয়ং। এই লোক সারা ঢাকায় বিভিন্ন জায়গায় দৃস্টি নন্দনের নামে যে পরিমান দূষন তৈরী করছেন যোগাযোগ ও নানান ফিকিরে তা গত সংখ্যার আর্টবিট পত্রিকায় বিস্তারিত আছে। এ হেন লোকের তো ভাস্কর্য তো দূরের কথা মূর্তি নির্মানেরই যোগ্যতা নাই। অথচ দিনের পর দিন এই একটা লোকই সারা ঢাকায় একটার পর একটা .......

কথা বললে ওনেক কথা চলে আসে। আমার মনে হয় আমাদের শিল্পী সমাজের একটা ধারাবাহিক নিস্কৃয়তায় এইসব উজবুক রাস্ট্রের কাছে নিজেরে িশল্পী ভাস্কর বানায়া শেষ পর্যন্ত যার ক্ষতি করে তা হইলো শিল্পর। আরো আগে থেকে যদি এরে চিহ্নিত করা যাইত তাইলে বর্তমান ঢাকায় ভাস্কর্যর নামে যা ায স্থাপনা আছে তার এতটা দূরাবসবথা হইতো না আর আমরাও আমাদের সেরা ভাস্করদের কাজগুলার প্রকৃত পোষকতা করতে পারতাম। যাউগগা এবার কইতে চাই আরেকটা কথা, কোন একটা পয়েন্টে একটা ভাস্কর্য হবে এইটা কে কিভাবে প্রয়োজন মনে করলেন এবং পরে করা কারা সেইটা কর্যকর করলেন অর্থ্যাৎ প্লানিং কমিশন বা ঐ জাতিয় কিছু যারা এইসব করে থাকে তারা মনে হয় না শিল্পসংশ্লিস্ট কেউ বা ওদের মধ্যে অন্তত কেউ একজন আছেন যার যথার্থ শিল্পবোধ রয়েছে। মৃনাল যা বানাইছে তার ছবি দেখছি তো সেইটারে ভাস্কর্যতো দূরের কথা নেহায়েৎ দূর্বল মূর্তি (কেউযদি মূর্তি বানাইতে চান তাতে আমার আপত্তি নাই, মূর্তি তৈরীর প্রচীন ঐতিয্যে আমি বরাবরই গুনাগ্রাহী) বইলাও মাইনা নিতে হয়। এখন একে ভাস্কর্য কইয়া যারা সৌন্দর্য তৈয়ার করতে চান তাগো তো......

এখন যে ঘটনা ঘটল তার প্রভাবতো অনেক দুর পর্যন্ত বিস্তৃত।

কারে কমু আর কিকরুম এহন।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনার বক্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

আর্টবিট পত্রিকার গত সংখ্যাটা দেখেছি।কিন্তু বিষয়টা আর মৃণাল হকের নেই বলেই মনে হয়। লালনর যে ভাস্কর্য ভাঙ্গা হলো ওটা অনেক বোধের প্রতিক।

মৌলবাদীদের এই উন্মাদনা ও অপতৎপরতার প্রতিবাদে নিশ্চয়ই একাট্টা মানুষের ভীড় প্রতিদিন বাড়বে!

২৪. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৩০
comment by: বেতাল বলেছেন: @আমার জন্য লেখা, আমার কথায় মাফ করবেন। আপাতত দৃষ্টিতে সকলকে নিয়ে বলেছি মনে হলেও উদ্দেশ্য সেটি ছিল না।

লক্ষ্য করে দেখবেন হয়ত, ইসলামের বাড়াবাড়ি অন্য ধর্মের তুলনায় ভরাবহ রকম বেশি। স্বাভাবিকভাবেই, কমনলি ব্যাপারটা সবার আগেই মাথায় আসে।

বর্তমান পৃথিবীর এখন যেই জায়গাতে যুদ্ধ, হানাহানি বা মারামারি হয়, তার একপক্ষ কেন যে মুসলিম হয়, সেটা কখনো ভেবে দেখেছেন কি?
২৫. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৩১
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: মাঠশালার মন্তব্য পড়ে বিমোহিত হলাম ।

মৃনাল হককে প্রতিপক্ষ হিসেবে দাড় করানির এই প্রয়াসটা মূর্তি আন্দোলনের লেটেস্ট ডাইমেনশন ।

কথা হচ্ছে , মোল্লারা কি মৃনালহকের মূর্তি নিয়ে আপত্তি জানাচ্ছে ? তারা কি বলছে , ভাষ্কর্যটা সুন্দর নয় , মৃনাল হক ভাষ্কর্য বানাতে পারে না , তাই এটাকে চাই না ?



মোল্লারা ভাষ্কর্যের বিরুদ্ধে দাড়িয়েছে , ভাষ্করের বিরুদ্ধে নয় ।
২৬. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৪৩
comment by: অণৃণ্য বলেছেন:
আরিফ ভাইয়ের সাথে সহমত। মাঠশালা, আপনি যা বললেন ওটা ভিন্ন বিতর্ক।মৃণাল হকের ভাস্কর্যের শৈল্পিক সৌন্দর্য নিয়ে কিন্তু কেঠোদের অবস্থান নয়:) আরিফ ভাই যেটা বললেন ওরা ভাস্কর্যই ধর্মের মুখোমুখি করেছে!
২৭. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫১
comment by: চাক্ষিক বলেছেন:
অসাধারণ পোস্ট।

আবার মাঠশালার কথাও ঠিক :
"কারণ আর কিছু না মৃণাল হক স্বয়ং। এই লোক সারা ঢাকায় বিভিন্ন জায়গায় দৃস্টি নন্দনের নামে যে পরিমান দূষনণ তৈরী করছেন যোগাযোগ ও নানান ফিকিরে তা গত সংখ্যার আর্টবিট পত্রিকায় বিস্তারিত আছে।"

লেখকের যুক্তিও দারুণ :
"কিন্তু বিষয়টা আর মৃণাল হকের নেই বলেই মনে হয়। লালনে যে ভাস্কর্য ভাঙ্গা হলো ওটা অনেক বোধের প্রতীক।"




২৮. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:০৮
comment by: মৃত হাসানের প্রেতাত্মা বলেছেন: লেখক বলেছেন: হাসান সাহেব জানতেন। তাকে জিগান।


কোন হাসান? চিনলাম না।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:২০

লেখক বলেছেন: আপনি যার প্রেতাত্মা:)

২৯. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:১২
comment by: নাভদ বলেছেন:
সালাম যারা প্রতিবাদ করছেন তাদের সবাইকে।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:২১

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
প্রতিবাদকারীদের প্রতি সমর্থন জানাই।

৩০. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:১৫
comment by: তারার হাসি বলেছেন: বীর বাঙ্গালী বারবার গজে উঠেছে, এবারও এর অন্যথায় হবে না।
৩১. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:১৬
comment by: তারার হাসি বলেছেন: র্বীর বাঙ্গালী বারবার গর্জে উঠেছে, এবারও এর অন্যথায় হবে না।
সমর্থন রইল।
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: সমর্থন রইলো।সাথে আছি।

৩২. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫১
comment by: বিগব্যাং বলেছেন: http://www.youtube.com/watch?v=yFm-5KHjW8M

ধর্মান্ধ নুর...লালন ভাস্কর্য ভাঙ্গার মূল উদ্যোক্তা...
৩৩. ১৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৫৯
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন:

মাঠশ্যালকের মন্তব্যে আমি মুগ্ধ । মৃনাল যে ভালো ভাস্কর্য বানায় না সেইটা ঠিক । এই কথা অনেকের ক্ষেত্রেই খাটে । খোদ চারুকলায় শিল্পাচার্যের মুর্তিটার পা পুরো দেহের তুলনায় খাটো । উদয়নের সামনের ভাস্কর্য পার্কের ভাস্কর্য দেইখা আমার প্রতিবার বমি আসে ।

কিন্তু

এইখানে এখন পয়েন্ট কোনটা ? মৃনালের আনাড়ি ভাস্কর্য নাকি ধর্মের নামে মুর্তি ভাঙা হৈছে সেইটা ? সেই বিষয়ে উনি আরেকটু বললে ভাল্লাগতো ।
৩৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৪৫
comment by: লুকার বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট।
এইবার দেখা যাক মোল্লার দৌড় কতদূর।

মাঠশালার কি ব্যক্তিগত আক্রোশ আছে মৃণালের প্রতি?
ফজলের আর মাঠশালার দাড়ি একইরকম দেখতাছি!
৩৫. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৫৩
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন: শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। মানুষ দাড়াবেই এই ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর আস্ফালনের বিরুদ্ধে, বিজয় মানুষের মননেরই হবে।

+
৩৬. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৪
comment by: মাঠশালা বলেছেন: @ আরিফ জেবতিক।

আপনি বললেন:
"মৃনাল হককে প্রতিপক্ষ হিসেবে দাড় করানির এই প্রয়াসটা মূর্তি আন্দোলনের লেটেস্ট ডাইমেনশন ।"

আপনি একটু খোজ নিলেই বুঝবেন যে এটা কোন নতুন ডাইমেনশান না। সাপম্প্রতিক সময়ে শীল্পী সমাজের মধ্য থেকেই বিষয়টা নিয়ে একটা কথা চলছিল।এ হেন পরিস্থিতিতে মৌলবাদী আক্রমন প্রতিহত যেমন জরুরী তেমনি মৃণাল হকের মত কৃমিনালদেরও ভাস্কর হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে যাবার একটা সম্ভাবনা থেকে আমি তার প্রসঙ্গ টেনেছি।

আবার আপনি বললেন,
"কথা হচ্ছে , মোল্লারা কি মৃনালহকের মূর্তি নিয়ে আপত্তি জানাচ্ছে ? তারা কি বলছে , ভাষ্কর্যটা সুন্দর নয় , মৃনাল হক ভাষ্কর্য বানাতে পারে না , তাই এটাকে চাই না ?"

পুতুল, মূর্তী, প্রতিকৃতি, ভাস্কর্য এসবের মধ্যে পার্থক্যতো আপনকে বুঝিয়ে বলার প্রয়োজন দেখিনা। কিন্তু ওরা সব কিছুকেই মুর্তির দাড়িপাল্লায় ফেলে অন্যায্য ও মধ্যযুগীয় মূল্যবোধ দিয়ে আমাদের নন্দনতত্বের বিরোধীতা করছে। সেটা অনেক ব্যপক, সরাসরি আর প্রাচীন ফাইট। ওদের সাথে আমাদের। যারা শিল্পের নানান ফ্রন্টে সক্রিয় আছি।
তাই আপনার এই কথার সাথে একমত যে-

"মোল্লারা ভাষ্কর্যের বিরুদ্ধে দাড়িয়েছে , ভাষ্করের বিরুদ্ধে নয় ।"

আর রাস্ট্রের ভূমিকা নিয়েও আমি কিছু কথা বলার ব্যার্থ্য চেস্টা করেছিলাম আমার প্রথম মন্তব্যটিতে। তাছাড়া এই মুহূর্তে মাথায় আরেকটা ব্যাপার ঘুরপাক খাচ্ছে- ধরেন লীগ/বিএনপির শাসনামলে মুজিব/জিয়ার প্রতিকৃতি স্থাপন করা হলে যে গোস্ঠিটি এখন বিরোধীতা করছৈ"মুর্তি" স্থাপনার তারা তখন কি করত বা রাস্ট্রের ভুমিকাইবা কিহত তখন। কিন্তু এখন ওরা কেই ক্ষমতায় নেই আর প্রতিকৃতি হয়েছে লালনের। এই লালনের সাথেতো ধর্মান্ধদের বাহাসের প্রাচীন ইতিহাস আপনি জানেনই। পরে হয়ত বিস্তারিত বলার কোশেষ রাখি।

ভালো থাকবেন।
ধর্র্মান্ধতা আর রাস্ট্রীয় পশ্চাদপদতা এক সাথে অগ্রসর হচ্ছে নানান রকম চেহারায় সর্তর্ক ও সক্রীয়তার আলাদা ফ্রন্ট দরকার, পুরানা ছাউনিগুলাতে আর আস্থা নাই।
ধন্যবাদ মন্তব্যের প্রতিকৃিয়া জানানোর জন্য

 

 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ