somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সংবিধান সংশোধনঃ আল্লাহর ওপর বিশ্বাস ও ধর্মীয় রাজনীতির সুযোগ থাকছে না

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সংবিধানের প্রস্তাবনা (প্রিয়াম্বল) থেকে ‘সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পুর্ণ আস্হা ও বিশ্বাস’ উঠে যাচ্ছে। সেইসঙ্গে মুল সংবিধান থেকে ধর্ম বিশ্বাসের ভিত্তিতে সভা, সংঘ, সমিতি ও রাজনীতি করার অধিকার এবং ইসলাম ধর্মকে রাষ্ট্রধর্মের মর্যাদা প্রদান সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ দুটিও তুলে দেয়া হচ্ছে। সংশোধনের মাধ্যমে সংবিধান থেকে এ বিষয়গুলো বাদ দিয়ে তদস্হলে সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদসহ মুল সংবিধানের ৪টি মুলনীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

ধর্মনিরপেক্ষ দেশ আমাদের জন্য ভালো কোন শিক্ষা দেয়না। ভারত ধর্মনিরপেক্ষতার নামে মুসলমানদের সকল সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে আসছে, সরকারি চাকুরী থেকে শুরু করে সব জায়গাতে মুসলমানরা উপেক্ষিত। সাম্প্রদায়িক দাংগায় বিগত বছর গুলুতে তারা প্রৃথিবীর ইতিহাসে মানবতা ভুলুন্ঠিত করেছে। তাদের অন্ধঅনুকরন করতে যেয়ে ক্ষমতাসীন দল মুসলমানদের মাঝে বিভেদ ছড়াছছে।প্রতিবাদকারীদের জামায়াত সংশ্লিষ্ঠতার তোকমা পড়িয়ে দেয়া হছ্ছে।
জে.এম.বি, হুজির মত দল রাতারাতি গড়ে উঠে নাই। তাদের মদদ দানকারীরা আমাদের জাতীয় শত্রু,উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়। বি.এন.পি কে দোষারোপ করা হয় এদের মদদ দান কারী হিসেবে অথচ এদের কাছ হতে উধ্বার কৃত সকল সরন্জাম বিশেষ করে “ওয়াটার জেল”ভারতের তৈরী! পাঠক মাত্রই অনূধাবন করতে পারবেন ভারতের প্রিয় দল কোনটি? শায়খ আঃরহমানের সাথে বৈবাহিক সম্পর্কে সম্পর্কিত নেতার দলও একটি,তাদের মদদে এরা সংগঠিত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে গ্রেফতারকৃত জেএমবি সদস্যের স্বীকারোক্তিতে বিষয়টা আরও সহজ হলো যে খালেদা জিয়াকে তার চান্দিনা নির্বাচনী সভায় হত্যার পরিকল্পনা কারি তারাই।অথচ নির্বাচনের সময় এটা বিএনপির কারসাজি বলে ভালো ফায়দা লুটেছেন।শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ এই জন্যযে এবার তিনি মিডিয়ার কারসাজি বলে শোরগোল করেননি। “একটি দল ভারতের বিলাসী স্বপ্ন পূরনে নিজের দেশকে বিশ্বের দরবারে আতংকবাদী,সনত্রাশীতে পরিপূর্ন কথাটি প্রমানে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ এবং ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত অনেক আনত্রযাতিক প্রপাগান্ডা চালিয়েছে আর তাদের জন্যই টিফা চুক্তি কিম্বা ভারতের সাথে সামরিক চুক্তি সম্পাদনের জন্য বহুমুখি চাপ আসছে।
আওয়ামী লীগ মুলত ধর্মনিরপেক্ষতার সমর্থক।কিন্তু ইসলাম(বা অন্য কোন ধর্ম)ধর্মনিরপেক্ষতাবাদকে সমর্থন করে না।ইসলাম বাংলাদেশে এসেছে ১২ শতকে, আর(নাস্তিকতা বা মুনাফেকের আড়ালে)ধর্মনিরপেক্ষ শব্দটি ১৮৫০ সালের দিকে আবিস্কৃত।ইসলামের কিছু মৌলিক বিষয় রয়েছে, তা না মানলে ঈমান থাকে না। ১২শতকের পর থেকেই বাংলাদেশের মুসলিমেরা ইসলামের ঐ সব মৌলিক বিষয় মেনেই বাংগালী কালচার যুগ যুগ ধরে পালন করে আসছে |
পৃথিবীর বিভিন্ন মুসলিম জাতিও ইসলামের ঐ সব মৌলিক বিষয় মেনে নিয়ে স্বজাতীয় কালচার যুগ যুগ ধরে পালন করে আসছে ...|যেমন, বাংলাদেশের মুসলিমেরা রোজার পর যেভাবে ইফতার করে, অন্য দেশের মুসলিমেরা তাদের দেশের প্রচিলিত ধারা অনুযায়ী ইফতার করে থাকে(কমন হলো হালাল খাদ্য)|ঈদ পালন করে থাকে,
কিন্তু বাংলাদেশে নাস্তিকেরা এবং ইসলাম বিদ্বেষীরা ইসলামি মুল্যবোধ বা মুসলিম বলতে আরব, পাকিদের সংস্কৃতি ইত্যাদির সমার্থক বানিয়ে সাধারন মুসলিমদের হেয় করতে থাকে,(১৯৭১ সালের পর, রাজাকার, যুদ্ধাপরাধী বা জামাত এর সমার্থক বানিয়ে হেয় করে চলছে)...কাজেই ইসলামের নাম শুনলেই এই নাস্তিকেরা বা ধর্ম নিরপেক্ষবাদীরা সব কিছুতেই জামাত খুজে পেতে চায়, না পেলেও তাকে জামাতী করে ছাড়ে ...এই চর্চা আওয়ামী লীগ করছে এখন ...তাই এদের কাজে এখন হিংসাপরায়ন ছাড়া আর কিছুই পাবেন না| আওয়ামীলিগ মানেই কুরুচি পুর্ন আর অসভ্য লোকের মহামিলন|
সমস্যা হচ্ছে যে আকবরের দীন ই ইলাহীর মতই আরেকটা নতুন ধর্ম জন্ম নিয়েছে আমাদের দেশে “BAL”(pubic hair) ধর্ম নামে। আমি অনেক ভেবে দেখেছি যে এই “BAL” ধর্মের সাথে অন্য কোন ধর্মের কোন রকমের মিল নাই।এরা না হয়েছে হিন্দু না হয়েছে বৌদ্ধ না হয়েছে ক্রিস্টান আর মুসলমানের কথা নাই বা বললাম।কারন এই “BAL” ধর্মের লোকেরা যখন কোন মানুষের মাথায় টুপি আর থোতায় দাড়ি দেখলেই এদের মাথা আর ঠিক থাকেনা। পৃথিবীর আর সকল ধর্মের লোকেরাই কম বেশী অন্য ধর্মে বিশ্বাসী হয়ে পুর্বের ধর্ম পরিবর্তন করতে দেখা যায় কিন্ত এই “BAL” ধর্মের লোকেরা জন্ম নেয় “BAL” হয়ে আর মৃত্যুর আগ মুহুর্ত পর্যন্ত “BAL” থাকে।
এখন আমার প্রশ্ন হল মরার পর তাদেরকে (“BAL”), কি মুসলমানের কবরস্হানে কবর দেওয়া হবে নাকি হিন্দু চিতায় পুড়ানো হবে? কারন তারা ধর্ম নিরপেক্ষ। বৌদ্ধ, খৃষ্টান ধর্মের সিমিটারিতেও তাদের জায়গা হবে না,কারন তারা ধর্ম নিরপেক্ষ।মুসলমানের কবরস্হানে তাদের ঠাই নাই, হিন্দু চিতায় পুড়ানো যাবে না, কোথায় যাবে তোদের লাশ? সবাইকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। মৃত্যুর পর মানুষকে কবরে রেখে আসার পর মানুষ যখন ফিরে আসতে থাকবে তখন দুইজন ফেরেশতা এসে তাকে উঠায়ে বসাবে এবং তিনটি প্রশ্ন করবে । প্রশ্ন গুলো হলঃ
১. তোমার প্রভু কে?
২. তোমার দ্বীন কি?
৩. এবং রাসূল (সঃ) এর প্রতিকৃতি বের করে জিজ্ঞাসা করবে “এই ব্যক্তি কে”?
যারা এই তিনটি প্রশ্নের সঠিক উওর দিতে পারবে তাদের কবর থেকে জান্নাত পর্যন্ত-একটা রাস্তা তৈরী করে দেওয়া হবে এবং জান্নাত হতে বাতাস ও সুগন্ধ আসতে থাকবে। সে জান্নাতের শীতল বাতাসে ঘুমিয়ে থাকবে এবং ইস্রাফিল (আঃ) এর দ্বিতীয় শিঙ্গায় ফুকের মাধ্যমে জাগ্রত হবে। আর যারা তিনটি প্রশ্নের উওর দিতে না পারবে তাদের জন্য কবরে আযাব শুরু হয়ে যাবে।
এখন দেখা যাক হাসিনা আর তার অনুসারীরা কি জবাব দিবে ফেরেশ্তাদের নিকট?
প্রথম প্রশ্নের জবাবঃ ভারত, যুক্ত্ররাষ্ট্র, ইসরাইল সরকার|
দ্বিতীয় প্রশ্নের জবাবঃ ধর্ম নিরপেক্ষ|
তৃতীয় প্রশ্নের জবাবঃ শেখ মুজিবুর রহমান|(নাউযুবিল্লাহ)|
"যারা অগ্গতার বশে আওয়ামীলীগ করে তাদের কথা আলাদা, কিন্তু কেউ যদি জেনে-বুঝে শেখ মুজিবকে মুসলিম এবং আওয়ামীলীগকে মুসলমানদের দল মনে করে তবে তার মৃত্যূ হবে অবশ্যই একজন কাফেরের মৃত্যূর সমতুল্য।"
কেউ এখন আর তাদের মানুষ মনে করে না এমনকি মুসলমানও মনে করেনা।কারন মুসলমানের কাজ সুরু হয় বিসমিল্লাহ বলে আর শেষ করে আল্লাহ হাফেজ বলে।কিন্তু লিগাররা কাজ সুরু ও শেষ করে জয়বাংলা বলে যেমন হিন্দুরা জয় দূর্গা, জয় কালি বলে।জয়ের সাথে মুসলমানের সম্পর্ক নেই।
আমাদের নেতা পরিবারের জয়, ববি,হাসিনা,রেহানাসহ সবাই খ্রীষ্ঠান-ইহুদীদের দালাল ওরা এই গরীব বাংলাদেশীদের কেউ নয়।ওরা খ্রীষ্ঠান-ইহুদীদের জামাতা,বেয়াইন মুসলমানদের কেউ নয়।তাই ওরা রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেবে মুসলমানদের বাংলাদেশ থেকে তাড়াবে|
আওয়ামিলিগ সবসময় ভোট ব্যবসা করে এসেছে,এখনও তাই করছে,তাই ওরা:
১.আওয়ামী লীগ নিজেদেরকে সেকুলার বললেও নির্বাচণী পোষ্টারে আল্লাহু আকবর লিখে ?
২.আওয়ামী লীগ নিজেদেরকে সেকুলার বলেই ওরা কুকুরের মাথায় টুপি পড়িয়েছিলো?
আওয়ামী রাজপুত্র রাজকন্যারা যে ভাবে ইসলামের বিরুদ্ধে পর্দার বিরুদ্ধে লেগেছে এবং ইহুদী নাছারা ও মুষরিকদের সাথে মাখা মাখি করছে তাতে আল্লাহর গজব অবধারীত।আপনাদের প্রতি করুনা হয়।আল্লাহ আপনাদের আমাদের সকলকে লীগের বিপদ থকে রক্ষা করুন আমিন!

আওয়ামী ভাইরা খামাকা এই পাপিষ্ঠদের পা চেটে কেনো পাপের ভাগিদার হচ্ছেন ?
২৫টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×