জীবনটা কেমন নিরস হয়ে যাচ্ছে। কোথাও কোন আনন্দ নেই না আছে উৎসাহ। জীবনের নদীতে নৌকায় যাত্রা করছি, অথচ যেন বৈঠা ছেড়ে নদীটাকে দায়িত্ব দিয়ে বসে আছি আমাকে টেনে নিয়ে যাবার। যেদিকে নিয়ে যায় যাক। কিন্তু সেটাও কপালে সইছে না। লোকে নিজ লোভের আশায় বাঁধ দিইয়ে নদীকেই মেরে ফেলছে। আমার জীবন নৌকা স্রোতহীন নদীতে আটকে আছে। কিন্তু, আমি নৌকার মাঝি সে নৌকা টেনে নেবার কোন কারনও পাচ্ছি না। যা হবার হবে।
মাঝে মাঝে মনে হয়, আমি গন্তব্য পৌছে সুখবর পাঠাব এই আশা বুকে নিয়ে বাবা মা নামক দুই আশ্চর্য নরনারী অপেক্ষায় দিন গুনছে। তাদের জন্যও নৌকা টেনে নেবার কোন তাড়া আসছে না ভিতর থেকে। কত স্বার্থপর হয়ে উঠছি আমি। মনের মাঝে জমে আছে কতগুলো প্রশ্ন। সে গুলো কি তাও আমার অজানা তাই উত্তর জানারও কোন উপায় নাই। সবকিছু কেমন যেন উলটা পালটা হয়ে
যাচ্ছে।
ভেতর থেকে প্রশ্ন আসে আসলে নৌকা বইবার ক্ষমতাও হয়তো আমার নাই। এ জীবন টেনে নিতে আমি অক্ষম কি? প্রশ্নটির হ্যাঁ বোধক উত্তর মন মানতে চায় না। আমি তো অক্ষম ছিলাম না। কত সম্ভাবনাই না ছিল আমার। নিজেকে নিয়ে গর্ব করতাম আমার সফলতা নিয়ে অন্যের হিংসা আমাকে পুলকিত করত। ওদের হিংসাকে বিবেচনা করতাম, “অক্ষমের আর্তনাদ হিসেবে”।
আজ আমায় কেউ হিংসাও করে না, ভালও বাসে না। আজ আমি বড় একা। একাকীত্ব ঘোচাতে মন চায় তা জানি। কিন্তু, কাউকে কাছে টানবার কোন আগ্রহ আর পাই না। শুধু বসে থাকি,আর মনে মনে গুন গুন করি,
আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ
খেলে যায় রৌদ্র ছায়া বর্ষা আসে আনন্দ।।
কারা এই সম্মুখ দিয়ে
আসে যায় খবর নিয়ে।।
খুশির ঐ আপন মনে বাতাস বহে সুমন্দ
আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ।।
সারাদিন আঁখি মেলে, দুয়ারে রব একা
শুভক্ষণ হঠাৎ এলে তখনি পাব দেখা।।
ততক্ষন ক্ষনে ক্ষনে, হাসি গাই আপন মনে
ততক্ষন রহি রহি ভেসে আসে সুগন্ধ।।
আমারে এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ,

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

