আমার প্রিয় পোস্ট
- Search Engine Optimization – এ হাতেখড়ি (পর্ব ১) - হাসান
- শাবানা আজমির দুঃখ - আলফাজ আনাম - আহসান মোহাম্মদ ক
- উড়ে যায় পাখি,ফেলে যায় পালক তার, একটা সাদা এবং একটা কালো - সুলতানা শিরীন সাজি
- অনলাইনে টাকা কামানো সর্ম্পকিত ব্লগ - হাসান
- সামহোয়্যারের ব্লগার ও পোস্ট - কত প্রকার ও কি কি (সবিস্তারে বর্ননা - অবশ্যই দেখুন)
- নাফিস ইফতেখার
- সৌখিন আলোকচিত্রীদের জন্য সুখবর। - অরণ্য আনাম
- বাবা আলাউদ্দীন - ইমন জুবায়ের
- ভেবে দেখুনতো ইন্টানেটে নিজের ছবি দেয়াটা উচিৎ কি-না। - লুলুপাগলা
- ভালবাসাবাসি করেন
.... তয় In Ishtyle!!!!
(অনুবাদ পোস্ট) - এম্নিতেই
- পোস্টের সাথে সম্পর্কহীন আলোচনার জন্য। - বিবর্তনবাদী
- ইসরাইলের গর্বিত এক বাংলাদেশী বন্ধুকে দেখুন,চিনুন,জানুন। - চিলে কোঠার সেপাই
- আস্তিক-নাস্তিক-সংশয়ী এবং তাদের ঈশ্বর - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- পেনড্রাইভ থেকে পিসিতে ভাইরাস ঢোকবার পথটাই বন্ধ করে দিন - মোঃ রফিকুল আলম (পাভেল)
- The Jewel of Medina(Freedom of speach এবং artistic license নামে মিথ্যার বেসাতি) - আশিক হাসান
- শিউলী তোকে চিঠি - সুলতানা শিরীন সাজি
- বাংলাদেশে এক্টিভিস্ট হওয়া কি আদৌ সম্ভব (চার পর্ব একসঙ্গে) - ফাহমিদুল হক
- চির উন্নত শির(আজ আমাদের জাতীয় কবির ১০৯তম জন্মবার্ষিকী,বাংলা ১১ই জৈষ্ঠ হিসেবে আগামী কাল-ও){ছবি ব্লগ} . - অ্যামাটার
- আজ ১৯ আগষ্ট কমরেড সৈয়দ আমিরুজ্জামানের ৪৬ তম জন্মদিবস - কবি হেলাল রশিদ
- লুকোচুরি গল্প


- শিরোনামহীন
- মুঠোফোন-সফটওয়ার'জ - চিলে কোঠার সেপাই
- ১৮৯ জন ব্লগার এবং তাদের জন্মতারিখ - শাহবাজ
- আমার প্রিয় পোস্টগুলো - বিবর্তনবাদী
প্রসঙ্গ: পাবলিক বনাম প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়
৩০ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:৪১
![]()
গতকাল ব্লগার সাঈফ শেরিফ “মেধাহীন 'করপোরেট' মেরুকরণ, গড্ডালিকার নর্দমা, ডিজুস তারুণ্য” শিরোণামে একটি পোস্ট দিলেন। আজ পর্যন্ত সেই পোস্টে যত আলাপ আলোচনা হল তা মূলত প্রাইভেট বনাম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় দ্বন্দ কেন্দ্রিক। এই বিষয়ে অনেক আগেই ব্লগে কিছু লিখবার ইচ্ছা ছিল কিন্তু, নানা কারনে লিখতে বসা হচ্ছিল না। আজ লিখতে বসে গেলাম।
গত শতকের নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষা মূলত জনগনের জন্য সরকার প্রদত্ত একটি সার্ভিস বা সুবিধা হিসেবে গন্য হত। খুব সম্ভবত ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ সরকার এদেশে উচ্চ শিক্ষাকে বেসরকারিখাতের জন্য উম্মুক্ত করবার সিদ্ধান্ত নেন। যার ফলাফল প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়। এক বা একাধিক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কিছু শর্ত পূরণের পরে সরকার হতে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের অনুমতি লাভ করেন। এহেন সিদ্ধান্তের পেছনে সরকারের নীতিনির্ধারকগন হয়ত ভেবেছিলেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং জনগনের জন্য উচ্চ শিক্ষার পথ আরো সুগম হবে। কিন্তু আইন তৈরি করবার সময় তারা যে বিষয়টি মাথায় আনেননি তা হল স্কুল-কলেজ বা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের থেকে নতুন ধারার বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর পার্থক্য কোথায় হবে। এ সম্পর্কে ১৯৩৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে উপাচার্য ড. রমেশচন্দ্র মজুমদারের প্রদত্ত সমাবর্তন বক্তৃতা হতে কিছু অংশ উল্লেখ করতে চাই। অধ্যাপক মজুমদার তার ভাষণে স্কুল-কলেজ, পলিটেকনিক্যাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বতন্ত্র চরিত্র ও বৈশিষ্ট ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কিছু মূল্যবান কথা বলেছিলে। তিনি বলেন, “ A university, true to its ideals, should with courage and firmness, stand against the current, however strong it may be. It should boldly proclaim that a very different thing from a technical college or a place of vocational training. It has got some definite and specific objects to serve, and these may be defined as advancement of learning by dissemination of knowledge and exploration of new truths, and creation of personality and leadership, in other words, the highest possible development of intellect and character, Humanism is the watchword of the University; the pursuit of the highest standard of knowledge is its distinctive character, and a passionate search for truth is the sublime ideal” । আমার বিশ্বাস ৮০ বছর আগের এই বৈশিষ্ট গুলো আজও খন্ডানো সম্ভব নয়।
বাংলাদেশের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে প্রধানত পড়ানো হয় কম্পিউটার সাইন্স আন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং, বিবিএ-এমবিএ, ফার্মাসি, মাইক্রোবায়োলজি আরো টুকটাক কিছু বিষয়। একটু নজর দিলে দেখা যাবে এগুলো বর্তমান বাজারে বহুল প্রচলিত বিষয়। বুয়েট ও ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় যে সব ছাত্রছাত্রীরা অনেক সামনের দিকে থাকে তারাই এই সব বিষয় পড়তে পারেন। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে জ্ঞানের মৌলিক শাখা যেমন সাহিত্য, পদার্থ বিদ্যা, গণিত, রসায়ন, ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান ইত্যাদির কোন স্থান নেই। এখানকার ছাত্র-ছাত্রীদের মূল উদ্দেশ্য এসব ফলিত বিষয় (Applied subject)পড়া ও সংশ্লিষ্ট চাকরিতে যোগদান। শিক্ষকদের শিক্ষাদানের মূল উদ্দেশ্যও তাই। জ্ঞান বিজ্ঞানের উদ্ভাবন এখানকার আলোচনার বিষয় নয় একেবারেই। এখানকার ছাত্র ছাত্রীদের সংস্কৃতি প্রধানত ঐ চাকরি বা কর্পোরেট দুনিয়া কেন্দ্রিক। অর্থাৎ,প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়কে বলা যায় কর্পোরেট জগতের টেকনিক্যাল স্কুল/কলেজ।
আমি এটা বলব না যে এগুলোর প্রয়োজন নেই। ব্যবসা-বানিজ্য হতে শত-সহস্র ক্রোশ দূরে থাকা বাঙালি জাতির জন্য কর্পোরেট বিহেভিয়ার শিখবার প্রয়োজন আছে অবশ্যই। এই ব্যাপারে সৈয়দ মুজতবা আলি তার দেশে-বিদেশে গ্রন্থে একটা গল্প বলেছিলেন। গল্পটা অনেকটা এরকম, মুজতবা আলি জানতে পারলেন জনৈক বাঙালি কলকাতার বাজারে দোকান দিয়েছে। তিনি এতে বড়ই আগ্রহি হলেন, কারন কলকাতার বাজারে ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করত গুজরাটিরা। তো তিনি যখন বাজারে গেলেন, বিভিন্ন দোকান হতে দোকানদাররা তাকে ডাকতে শুরু করল কেনাকাটা করবার জন্য। কিন্তু তিনি অনেক খুঁজে গেলেন সেই বাঙালির দোকানে। সেখানে দেখতে পেলেন ঘুমের ঘোরে শুয়ে থাকা দোকানিকে। তিনি যে জিনিসের কথাই জিজ্ঞাসা করেন দোকানির ঘুমের ঘোরে একই উত্তর, “নাই নাই নাই”। যাইহোক, সেই বাঙালি আমরা আর থাকতে চাই না। আমাদের বানিজ্যিক ব্যবহার শিখতে হবে, হতে হবে ব্যবসা সফল। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, তার জন্য আস্ত বিশ্ববিদ্যালয় কেন???
সমস্যা এখানেই!! প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে বাংলাদেশে যা চলছে তা মূলত বিভিন্ন ইনস্টিটিউট বা টেকনিক্যাল কলেজ হবার যোগ্য। যদি হত Up Down Institute of Business Studies (উদাহরণ দেবার জন্য উত্তর দক্ষিণ, পূর্ব পশ্চিমে কিছুই ফ্রি পেলাম না)তবে কোন সমস্যা থাকত না। সেখানে ব্যবসা বানিজ্যে সফল হবার রাস্তা দেখানো হত। সমস্যা বাধে তখনই যখন Up-Down University নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু হয়। বাঙালির বিশ্ববিদ্যালয়ের মোহ হতেই এ বিড়ম্বনার সৃষ্টি। যেখানে California Institute of Technology, Karolinska Institute of Technology, Massachusetts Institute of Technology ইত্যদিতে বিশ্ববাসীর কোন সমস্যা হচ্ছে না, সেখানে University-এর ডিগ্রি না থাকলে বাঙালি শিক্ষিত হচ্ছে না।
এর সাথে সৃষ্টি হচ্ছে অন্যান্য সমস্যা। এসব তথাকথিত বিশ্ববিদ্যালয় হতে পাশ করা ছাত্রছাত্রীরা দেশের মূল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর (পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়) ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে সমমর্যাদা দাবি করছে। যেটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে একেবারেই সহ্য করা অসম্ভব। একটা উদাহরণ দেই, আমি ২০০১ সালে এইচএসসি দেই। আমরা কয়েকজন বন্ধু সানরাইজে বুয়েট ভর্তি কোচিং ও ইউসিসিতে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং করতাম। এইচএসসির রেজাল্ট বের হবার সাথে সাথে কয়েকজন কোচিং করা বন্ধ করে দেয়, কারন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিযুদ্ধে অবতীর্ণ হবার জন্য নুন্যতম যে নম্বরটুকু দরকার ছিল তা সেই বন্ধুদের আসেনি। প্রায় একমাসের মাঝেই তারা কয়েকজনই বিভিন্ন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে যায়। আমরা কয়েকজন বুয়েট, ঢাবি, ও মেডিকেলে চান্স পাই। সেই সব প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুরা যখন লেখাপড়া শেষে আমাদের সাথে সমমর্যাদা দাবি করবে (অবশ্যই বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে নয়, শুধু শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে) তখন আমরা তা কেন সহ্য করব??
অনেকেই বলবেন, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মান যদি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের সমমানের হয় তবে সমমর্যাদা দিতে সমস্যা কোথায়? হ্যাঁ, আমি বলি কোন সমস্যা নেই! কিন্তু তাদের মান কি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের সমমানের হচ্ছে? একেই আমাদের দেশে সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ইত্যাদির শিক্ষার মান নিয়ে অনেক অনেক প্রশ্ন আছে। অনেকেই বলেন এগুলোর শিক্ষা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নয়। সেখানে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার মান কেমন হবে তা বলাই বাহুল্য!
তাই বলি অহেতুক কথা বাড়িয়ে লাভ কি? সাঈফ শেরিফের সেই পোস্টের বিরুদ্ধে হয়ত অনেকেই অনেক যুক্তি দেবেন। আমি স্বীকার করি সাঈফ ভাইয়ের লেখার ভাষা অনেকটাই রুক্ষ ছিল (যদিও আমি ১০০% সহমত তার সাথে), কিন্তু তার কথা গুলো কি অস্বীকার করা যায়? আসলে দোষটা সাধারণ মানুষেরও না। সরকার ও তার নীতিনির্ধারকদের উচিত ছিল এ জাতির ঘাড় হতে বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রির ভূত সরানোর ব্যবস্থা করা। তা না করে সরকার ভূতের সাথে কিছু পেত্নিও আমাদের ঘাড়ে বসিয়ে দিয়েছেন!!
(আশা রাখি সবাই খোলা মনে আলোচনায় অংশ নেবেন)
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): পাবলিক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার কথা বিভাগে ।
লেখক বলেছেন: অপ্রয়োজনীয় কিন্তু বাস্তব হল বিতর্কটা চলছে। এখন সেটা কে এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নাকি তা সমাধানের পথ খোজা উচিত, আপনি বলুন?
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
ব্যাপারটা বনাম নয়, সহযোগিতার।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
সমস্যা বুঝলাম,সমাধান কি?আপনি কিভাবে এর সমাধান খুজেন?প্রাইভেট ভার্সিটিগুলারে প্রাইভেট ইন্সটিটিউট বানাইলেই কি সমাধান হবে?প্রাইভেটের পোলাপাইন নিজেদেরকে পাব্লিক ভার্সিটির সমান দেখতে চায়,এইটা কি তেমন বড় কোন সমস্যা? আমার তো মনে হয়না।
লেখক বলেছেন: হয়ত, আপনার কাছে এটা কোন সমস্যা বলে মনে হয় না। দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার!!! কথা হল কলেজের পোলাপান নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ভাবতে শুরু করলে যে বিপর্যয় এখানটাতেও একই ব্যাপার।
বিরাট বিরাট জ্ঞানের কথা আমরা কোন কিছু বাচ-বিচার না করেই দিতে পারি........অনেক ক্ষেত্রে হয়তো আমরা আসল ব্যাপারটা না বুঝেই নিজেদের জ্ঞানকে জাহির করার চেষ্টা করি......খারাপ কিছু কিংবা নতুন কিছু না অবশ্য.........আমরা বাঙালি মাত্রই ফালবাজ....যে কোন কিছু নিয়া ফাল মারতে আমাদের আবার দেরী হয় না।
ভালো থাকেন।
লেখক বলেছেন: মনোভাবের কোন কোন বিষয়ে পরিবর্তন আনা দরকার তা একটু খুলে বললে ভাল লাগত। আজাইরা ফাল পেরে লাভ কি?
Click This Link
Click This Link
Click This Link
লেখক বলেছেন: পড়লাম তিনটাই, লিংকের জন্য ধন্যবাদ।
দরদী নজরুল বলেছেন:
সাইফ শেরিফের লেখায় অনেকগুলো ভাল পয়েন্ট এসেছে, তবে মর্যাদার ব্যাপারে একমত না। সব প্রাইভেট খারাপনা, প্রাইভেটের অনেক ছাত্রই বাইরে ভাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে (আমার সাথেই একজন পি.এইচ.ডি করছে)...মান খারাপ হলে সম্ভব ছিলনা.....নর্থ-সাউথ ভাল বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবেই জানি...মর্যাদার ব্যাপার এখানে কিভাবে আসে বুঝলামনা, তাহলেতো বুয়েটের ছাত্র বলবে আমাদের মর্যাদা ঢাবি থেকে বেশী, ঢাবির ফিজিক্সের ছাত্র বলবে আমাদের মর্যাদা ইকোনোমিক্স থেকে বেশী....এখানে মর্যাদার ব্যাপার আসেনা..... সরকারের উচিত পিছিয়ে থাকা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান উন্নয়নের চেষ্টা করা আর বাণিজ্যিক প্রবণতা বন্ধ করা।
লেখক বলেছেন: সমস্যাটা তো এখানেই!!! দুই চারটা ব্যতিক্রমকে আপনারা উদাহরন হিসেবে টেনে আনেন।
আর সরকারের ব্যাপারটা তো আমি তুলে ধরতে চেষ্টা করেছি। মান উন্নয়নের ব্যাপারতো পরে, আগে ঠিক করতে হবে ওগুলো আদৌ বিশ্ববিদ্যালয় হবে কি না!! যদি বিশ্ববিদ্যালয় বানাতেই হয়, তবে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামোতেই করা উচিত। নামে বিশ্ববিদ্যালয় হলেই হয় না, বিশ্ববিদ্যালয় অনেক বড় ব্যাপার ভাইজান।
লেখক বলেছেন: আপনি অন্য খাতে কথা বলছেন, যা আমার আলোচনার বিষয় নয়। এখানে আলোচনার বিষয় হচ্ছে তথাকথিত ঐ সব বিশ্ববিদ্যালয় গুলো আদৌ বিশ্ববিদ্যালয় কিনা? যদি না হয়, তবে তাদের ছাত্র-ছাত্রীরা কি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রির সমমর্যাদা পাবে??
অ্যামাটার বলেছেন:
পোষ্টের সাথে সহমত;প্রাইভেট গুলোকে কোন টেকনিক্যাল ইন্সটিটি্উটই বলা চলে,
দেখুন,বিশ্ববিদ্যালয় তথা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হল একজন মানুষের মেধা,মনন,শিক্ষা-দীক্ষা,ব্যাক্তিত্ব...ইত্যাদি তে পরিপূর্নভাবে গড়ে তোলার ক্ষেত্র, তাই ড. রমেশচন্দ্র মজুমদারের সংজ্ঞানুসারে প্রাইভেট গুলোকে টেকনিক্যাল ট্রেনিংসেন্টারের বেশীকিছু বলাযায় না।
এগুলোর শিক্ষার্থীদের মানও খুব একটাভাল নয়,অবশ্য দু'একজন হয়ত পছন্দের বিষয়ে সুযোগ না পেয়ে এগুলোতে আসে,ব্যাতিক্রম।
তবে একটা ব্যাপারে আপনার সাথে একটু দ্বিমত আছে,
সেটা হল শিক্ষার মান। আপনার অবগতির জন্য জানা্ছিযে এখানে শিক্ষার্থিদের যে কি পরিমানে চাপে রাকঝা হয়,সেটা আপনাকে বলে বোঝাতে পারব না। বরং ঢাবি-রাবি-জাবি তে আমার কিছু ন্ধু বান্ধবের কাছে শুনি,পরাশুনার চাপ!! এটা আবার কি? দিনমান তো কাটে এটা-সেটা করে, ঐ ফাঁকে-ফাঁকে কোনসময় যেন পরীক্ষা-টরীক্ষা পার হয়ে যায়!!!
আর ত্রিভুজ ভাইয়ের মন্তব্যটা বুঝতে পারলাম না, আমার তো মনে হয় প্রাইভেটেরপোলাপাইন; সব কটাই খ্যাত!
লেখক বলেছেন: ভাইজান, এটা কি বললেন? ঠেলার উপর রাখলেই যদি শিক্ষার মান বেড়ে যেত তবে তো আর চিন্তা থাকত না।
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
পড়ালেখা কোথায় ভালো খারাপ সেইটা একটা পয়েন্ট ঠিকাছে । আবার ধরেন কে পাশ কৈরা কুথায় কাম পাইলো সেইটাও তর্কে আনা যায় । কিন্তুক আমার কথা হৈলো প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি থিকা চিন্তাশীল লুগ্জন বাইরাইতেছে না । এইটা একটা চিন্তার বিষয় । আর্টস ফ্যাকাল্টি না থাইকা শুধু বিজনেস ফ্যাকাল্টির ওপর এমফাসিস এইটার একটা কারন । বিজনেস ফ্যাকাল্টিগুলা থিকা ক্যানো জানি চিন্তাশীল লুগ্জন প্রডিউস হয় না । ঢাবিতে সেই ১৯৬৮সাল (যদ্দুর মনে পড়ে) থিকা এই জিনিস থাকলেও আমি এই মুহুর্তে একজনের নামও মনে করতে পারতেছি না যারে আমি বলতে পারি এই লোকটা একজন মানুষের মেন্টর । একজন মানুষের মেন্টর কারা এইটা জিগাইতে পারেন । আমি মানুষের মেন্টর বলতে তাদেরই বুঝাইতেছি যাগো দিকে পুরা দেশের মানুষ বিপদে আপদে তাকায়া থাকে । নাম নিতে গেলে কওন যায় প্রফেসর সিরাজুল ইসলাম চৌ, প্রফেসর আব্দুর রাজ্জাক, সরদার ফজলুল করিম, আনু মুহাম্মদ, আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ টাইপের লোকজন । এগো বিরুদ্ধেও হয়তো কেউ সমালোচনাসূচক মন্তব্য করতে পারবেন । কিন্তু মোটাদাগে এই মানের ব্যক্তিরা ঐখান থিকা বাইর হয় নাই । অদুর ভবিষ্যতে হবেও না । আমি নব্বুইয়ের প্রথম দিক থেকে এখন পর্যন্ত পুলাপান দেখছি । কারো মনে পড়লে নাম বলতে পারেন । আমি জানতে ইচ্ছুক ।
ব্লগেও আমার কাছে যাগোরে চিন্তাশীল ব্যক্তি অর্থাত কস্ট্রাকটিভলি যুক্তিসহ যারা কথাবার্তা গুছায় চিন্তা ও লিখতে পারেন তাগো সবগুলিই (সবগুলি কথাটা পৈড়া মাইন্ড কৈরেন না কেউ) পাবলিক ইউনির প্রডাক্ট । কবি সাহিত্যিকগো মধ্যেও এই পরিসংখ্যানটা সত্য ।
কেউ কি কৈতে পারবেন এইটার কারন কি ?
আমার মতে প্রাইভেট পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তর্ক উঠাইতে গেলে এই প্রডাকশনটা একটা গুরুত্বপূর্ন পয়েন্ট । অফিসের এক্সিকিউটিভ নামের যন্ত্র থেকে চিন্তাশীল মানুষ উতপাদন করাটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ন ।
আরো একটা পয়েন্ট আমার কাছে গুরুত্বপূর্ন । সেইটা অর্থনীতি বিষয়ক । আমি মনে করি একজন নাগরিকের বিকশিত হবার অধিকার তার বেসিক মানবাধিকারের মধ্যে পড়ে । রাষ্ট্রের উচিত এই শিক্ষার পুরো দায়িত্বটাই বহন করা । এই সূত্রে আমি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্তিত্ব লজ্জ্বাজনক মনে করি ।
লেখক বলেছেন: বেসরকারি খাতে বিশ্ববিদ্যালয় চললে আমি তেমন সমস্যা দেখি না। কিন্তু প্রশ্ন হল তা আদৌ বিশ্ববিদ্যালয়ের মত চলছে কিনা তা নিশ্চিতকরণে সরকারের হস্তক্ষেপ কাম্য। আমাদের দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় যে শর্তগুলো দেওয়া হয় তার বেশিরভাগই মূলত অবকাঠামোগত। শিক্ষার মান ও ধরণের উপর তেমন কোন নজর নেই। তার ফলাফল তথাকথিত বিশ্ববিদ্যালয়।
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
এ্যামাটারের কথা শুইনা হাসি পাইলো । পড়াশোনার চাপের সাথে মানের কি সম্পর্ক বোঝা গেলো না । আমি ঢাবিতে এমবিএ করার সময় প্রেসারে মাথার অর্ধেক চুল পড়ে গেছিলো । কিন্তুক আমি এইটাও জানি বুয়েটে গ্রেড উঠাইতে কত আলুতে কত ফ্রেঞ্চ ফ্রাই । আবার আমি এইটাও জানি আর্টস ফ্যাকাল্টির পুলাপান যে ফ্যা ফ্যা কৈরা ঘুইরা বেড়ায় এইটাও তাগো সমাজ শিক্ষার অংশ । সমাজ শিক্ষা বা দর্শন এতো সহজ কাম না ।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
সহমত@হাসিব।প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি পড়ুয়াদের সাথে তুলনাটা(কে স্মার্ট,কে খ্যাত,কে বেশি বুদ্ধিমান) অপ্রাসংগিক।প্রাইভেট ইউনি'র পরিবর্তে আমি বরং প্রাইভেট এডুকেশন আরো স্পষ্ট করে বললে কমার্শিয়াল এডুকেশন এই ধারণা নিয়ে কথা বলতে বেশি আগ্রহী।আমাদের মতো বিশাল জনসংখ্যা এবং সর্বোচ্চ পপুলেশন ডেনসিটি'র দেশে এই মুক্ত বাজারের বিশ্বে টিকে থাকার এক্টাই উপায় মান-সম্মত শিক্ষা,সর্বস্তরে এবং সবার জন্য।সেইটা হতে হবে অবৈতনিক।কমার্শিয়াল এডুকেশন দিয়ে হয়তোবা কিছু ছেলে-মেয়ের চাকরি হবে,বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রীর মনস্তাত্তিক আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে কিন্তু সামগ্রিক বিবেচনায় তা খুবই যৎসামান্য।
কিন্তু শিক্ষা কি শুধু বিশ্ববিদ্যালয় স্তরেই বাণিজ্যিকিকরণ হয়েছে?আমার তো মনে হয় প্রাথমিক,উচ্চমাধ্যমিক স্তরে আরো বেশি বাণিজ্যিকরণ হয়েছে।
অর্থনীতি'কে বাদ দিয়ে শুধু শিক্ষা নিয়ে ভাবনা অনেকটাই অসম্পূর্ণ।
আরিফ থেকে আনা বলেছেন:
হ । প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি খারাপ। পাবলিক ইউনির উপ্রে কিসু নাই। প্রাইভেট ইউনিতে শুধু টাকা পয়সা আর সার্টিফিকেটের খেলা। আর সরকারী মেধাবীদের কল্যানে আজকে বাংলাদেশী বিজ্ঞানীরা আন্তর্জাতিক ভাবে খ্যাতিপ্রাপ্ত। সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যানেই আজ আমেরিকায় বাংলাদেশী বিজ্ঞানী পানি দিয়ে তেল বানানোর ফর্মুলা বানায়া বুশের কাছ থেকে মেডেল নেয়। পাবলিক ইউনির কল্যানেই আজকে বাংলাদেশীরা ইন্টারনেট নামক বস্তুটার সান্নিধ্য আসতে পারে। প্রাইভেট ইউনির তো ল্যাবই নাই আবার ইন্টারনেট! বুয়েট, রুয়েট, কুয়েট, চুয়েট , নুয়েটে যারা পড়েন তারা সত্যিকারের মেধাবী। প্রাইভেটে যারা পড়েন তারা খ্যাত। কি খুশি তো?
লেখক বলেছেন: না খুশি হব কেন? আপনি আমার লেখা না পড়েই রাগের প্রকাশ শুরু করলেন। আমি এটা বললাম কোথায় প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি খারাপ?? আমি বলতে চাচ্ছি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি আসলে একধরণের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিন্তু কোনরকমেই ইউনিভার্সিটি না।
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
গঠনমূলক আলোচনা প্লিজ @ আরিফ থেকে আনা
আরিফ থেকে আনা বলেছেন:
যে দেশে মেট্রিকে ৫২০০০ ছাত্র সর্বোচ্চ পর্যায়ের গ্রেড পায়, সেই দেশেই পাবলিক ভার্সিটি মাত্র ২৬ টা। তারমধ্য উপরের লেভেলের ইউনিভার্সিটি বলতে Bangladesh University of Engineering and Technology (BUET)
Chittagong University
Chittagong University of Engineering and Technology (CUET)
Comilla University
Dhaka Universiyty
Jagannath University Dhaka University
Jahangirnagar University
Khulna University
Rajshahi University
Rajshahi University of Engineering and Technology (RUET)
Khulna University
Khulna University of Engineering and Technology (KUET)
এই ১২ টা সহ সর্বোচ্চ ১৫ টা ধরা যায় + ১০ টা সেরা মেডিক্যাল কলেজ=২৫ টা যেখানে পড়া রাষ্ট্রীয়ভাবে সর্বোচ্চ পর্যায়ের গ্রেড পাওয়া প্রতিটি ছাত্রের স্বপ্ন। অথচ ৫২০০০ ছাত্রের জন্য মাত্র ২৭ টা পাবলিক প্রতিষ্ঠান পর্যাপ্ত নাকি অপর্যাপ্ত সেটা আমাদের চিন্তায় বিবেচনায় নেই। যেখানে একটা ছাত্র সর্বোচ্চ পর্যায়ের স্কোর করেও নিশ্চিত নয় তার ভবিষ্যত কি । কারন এপ্লাস পেলেও পছন্দমত কলেজে ভর্তি হতে পারেনা স্রেফ বয়স কম সেজন্য। শুনছি সামনে থেকে পাবলিকগুলোতেও ভর্তি পরীক্ষার সিস্টেম বন্ধ হবে। থাকবে ঐ হাস্যকর গ্রেড অনুযায়ী ভর্তি যেখানে হয়ত আরো হাজার হাজার ছাত্রের জন্মই তাদের আজন্ম পাপের কারনে অর্থ্যাৎ বয়স কম হওয়ার কারনে পাবলিকে চান্স পাবেনা। বুক ফুলিয়ে বলতে পারবে না আমি বুয়েটে পড়ি। বলতে পারবেনা আমি দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের ছাত্র, বলতে পারবে না দেখ তোমরা আমার উপরেই দেশের ভবিষ্যত , বলতে পারবে না প্রাইভেটের সব ছাত্র খ্যাত। বলতে হবে আমিও প্রাইভেটে পড়ি কিন্তু আমারো স্বপ্ন ছিল সেরা প্রতিষ্ঠানে পড়ার, আমারো যোগ্যতা ছিল, সরকারী চোখে আমি মেট্রিক -ইন্টারে যোগ্য হয়েই উত্তীর্ন হয়েছি, আবার সেই সরকারের বিচারেই আমি এখন অযোগ্য।
একটা ছাত্র কি পরিমান কষ্ট নিয়ে প্রাইভেটে ভর্তি হয় সেটা কেউ দেখেনা, কেউ জানেনা সে পাবলিকে পড়ার যোগ্য নাকি অযোগ্য।
এরমধ্য একটা জিনিস দেখলাম আজ, ব্লগে যত পাবলিক - প্রাইভেট দ্বন্দ নিয়ে পোস্ট দেয়া হয়েছে তারমধ্য সব পোস্টই দিয়েছে বুয়েটিয়ানরা। কোনো প্রাইভেটের ভার্সিটির স্টুডেন্টকে দেখলাম না প্রাইভেট-পাবলিক চিৎকার চেচামেচি নিয়ে নিয়ে পোস্ট দিতে।
লেখক বলেছেন: না না আমি বুয়েটিয়ান না। আমি ঢাবির।
মানুষে চাওয়া পাওয়ার হিসাব বা স্বপ্ন ভঙ্গ নিয়ে আমরা আলোচনা করছি না। আলোচনা চলছে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মানকে আদৌ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের বলা যায় কি না?? দেশে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের চাইতে বেশি দরকার টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট। কিন্তু সেটাকে বিশ্ববিদ্যালয় মোড়ক দেবার কি খুব একটা দরকার ছিল।
অ্যামাটার বলেছেন:
আমি একবার একটা দিয়েছিলাম@আরিফ ২ আনা, ১৫-২০মিনিটেই প্রায় ঝগড়া লেগে গিয়েছিল, এরপর আরিফুর রহমানের অনুরোধে আধ ঘন্টার পূর্বেই পোষ্ট টা ড্রাফট করে ফেলি;সমস্য হল, এ ধরণের বিতর্কে দু'পক্ষই শুধু কেবল তাদের ইগো নিয়েই বেশী চিন্তা করে, সেইটাই বোঝা যায়,কিন্তু গঠনমূলক আলোচনা-সমালোচনা ,সমস্যা,সমাধানের পথ...ইত্যাদি তেমন একটা উঠে আসে না।
লেখক বলেছেন: সমাধান নিয়ে আমি একটা পোস্ট দেব বলে ভাবছি। আপনিও লিখুন। আমি আজাইরা বিতর্কে পড়তে রাজি না, তবে আলোচনা-সমালোচনাকে বিতর্কবলে এড়িয়ে যেতেও চাই না।
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
আবারো কনস্ট্রাকটিভ চিন্তার অনুরোধ আরিফ থেকে আনা কে । মাথা ঠান্ডা প্লিজ । আপনার দীর্ঘ মন্তব্য থেকে পরিস্কার যে যে পরিমান ছাত্র এইচএসসি পাশ করে বের হয় সেই পরিমান আসন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নেই । অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন পয়েন্ট । এই বিষয়ে আমার ধারনা সকলেই একমত হবেন যে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আরো বেশী করে সরকারি বিনিয়োগ দরকার । এখন এই সরকারি বিনিয়োগের অনিচ্ছা থেকে খরুচে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি দেশে যেভাবে গড়ে উঠেছে । এখানে এমনকি নিন্মমধ্যবিত্ত পরিবারের ছাত্ররাও জমিজমা বিক্রি করে ভর্তি হতে বাধ্য হচ্ছে । এই সংস্কৃতিটা একটা বাস্তবতা । এই বাস্তবতাটার বিপক্ষেই আমার অবস্থান । এখানে কোথায় কার কি দোষ এটা খুজতে যাওয়া অনর্থক ।
একজন নাগরিকের বিকশিত হবার রাস্তাটা এতোটা বন্ধুর কখনোই হওয়া উচিত নয় । রাষ্ট্রকেই এই বিকশিত হবার দায়িত্বটা নিতে হবে ।
লেখক বলেছেন: বাংলাদেশে যত ছাত্র এইচএসসির গন্ডি পেরিয়ে বের হয় তাদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমানে বিশ্ববিদ্যালয় নেই এটা ঠিক। কিন্তু এদেশের উন্নয়নের জন্য যতগুলো টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট দরকার তা কি আছে??
বাঙালির বিশ্ববিদ্যালয় ক্রেজ কমাতে হবে। প্রাইভেটের ছেলেমেয়েদের মূল লক্ষ্য কি? বাস্তব জগতে কাজে আসবে ও চাকরি মিলবে এমন ট্রেনিং, তাই না? সেটা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোড়কে দিতে গিয়ে অহেতুক বিশ্ববিদ্যালয় শব্দটাকেই ছোট করা হচ্ছে।
সেই সাথে সাধারণ মানুষের মাঝে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রেজ না কমে দিন দিন বাড়ছে!
আরিফ থেকে আনা বলেছেন:
সন্ত্রাসীর দোষ না খুজে গডফাদারদের মুলোৎপাটন করা যেমন দরকার তেমনি আপনি রাষ্ট্রের দোষ দিতে পারেন। তা না করে সোজা "প্রাইভেটে লেখাপড়া হয়না, প্রাইভেটের পোলাপান খ্যাত " এইরকম একটা যুক্তি আপনাদের মত মেধাবীদের মুখে মানায় না। রাষ্ট্র যখন পাবলিক ভার্সিটি না বাড়িয়ে গনহারে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির অনুমোদন দিচ্ছে, তখন যারা পাবলিকে চান্স পায়না তাদের কি করার আছে? প্রাইভেটে ভর্তি না হয়ে বসে থেকে প্রতীকী অনশন করা? নিশ্চয়ই একমত হবেন না। তাহলে প্রাইভেটেই ভর্তি হতে হচ্ছে। আবার প্রাইভেটে ভর্তি হয়ে যখন শোনা হয় যে প্রাইভেটে ছাত্ররা টাকা দিয়ে সার্টিফিকেট নেয় , যখন শুনতে হয়যে প্রাইভেটের ছাত্রদের মেধা বলতে বস্তুটা নেই , শুধু টাকার জোরই আছে তখন একসময় হয়ত নিজেই বিশ্বাস করতে শুরু করি যে আসলেই তো। স্বাধীন দেশে থাকার, সকালে চায়ের কাপ হাতে নেয়ার, বাসায় একটা আবদার করার কিইবা অধিকার আমার আছে? কোথাকার কোন লাট সাহেব আমি যার কোনো যোগ্যতাই নেই, যার কোনো মেধাই নেই।
লেখক বলেছেন: ভাইজান, একটু কষ্ট করে আমার লেখাটা পড়ুন। দোষ আমি রাষ্ট্রকেই দিচ্ছি। আর প্রাইভেটের পোলাপান খ্যাত এহেন উক্তি আমার পোস্টে কোথায় পেলেন।
মাথা ঠান্ডা করুন, গঠনমূলক সমালোচনায় অংশ নিন।
একাকী বালক বলেছেন:
একটা কথা বলি ভাই রাগ কইরেন না। বাংলাদেশে পাবলিকই হোক আর প্রাইভেটই হোক কোন বিশ্ববিদ্যালয়ই আসলে বিশ্ববিদ্যালয় কিনা আমার সন্দেহ আছে। যারা বাইরের ভাল ভাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে তারা আরও ভাল কইতে পারব। এই দেশ থেকে কয়টা বড় মানের গবেষণা বের হয় একটু হিসাব নিয়েন। প্রাথমিক স্কুলই ঠিক নাই আর আপনারা কন বিশ্ববিদ্যালয়।
লেখক বলেছেন: চিন্তার বিষয়!!!
অ্যামাটার বলেছেন:
@ডারউইন ভাই,পুষ্ট দিয়া ক্যাচাল লাগাইয়্যা আপ্নে কু্তাই ভাগ্লেন? পুষ্টের একমাত্র পিলাস্টা(এখন পর্যন্ত) আমিই দিসি ...
লেখক বলেছেন: প্লাস মাইনাস আমি তেমন পাত্তা দেই না। তবে চিকনমিয়া মাইনাস দিলে ভাল লাগে।
ঘুমে আর টিকতে পারতেছিলাম না। তাই ঘুমাইছিলাম।
নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী বলেছেন:
একশটা মেইল এখনই দেখাতে পারবো যেখানে তথাকথিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আমাকে বারবার বলছে একটু স্কলারশীপ পেতে সাহায্য করতে। এটা আমরা অর্জন করে নিয়েছি, কারো দান নয়। তাছাড়া আপনার জ্ঞানের গভীরতা তখনই জানা হয়ে গিয়েছে যখন দেখলাম আপনি এম.আই.টি, ক্যাল-টেককে বিশ্ববিদ্যালয় বলছেন না! এগুলো পূর্ন বিশ্ববিদ্যালয়। জ্ঞানটাকে একটু বাড়ান অনুগ্রহ করে।... যত্তসব ফালতু পোস্ট। কষে মাইনাস....!
লেখক বলেছেন: কনগ্রাটস!!!!
আমি এমআইটি, ক্যালটেককে বিশ্ববিদ্যালয় কই নাই কই পাইলেন? আমি বলতে চাচ্ছি, এগুলা বাংলাদেশে থাকলে এতদিনে এগুলার নাম পরিবর্তন করে ইনস্টিটিউটের জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয় লাগাবার আন্দোলন হত।
জ্ঞান বৃদ্ধি করবার চেষ্টার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। আর আপনার মাইনাসের ... ... ... পুড়ি।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
প্রাইভেট ভার্সিটির ছেলেমেয়েরা পাবলিক ভার্সিটির ছেলেমেয়েদের সম্পর্কে কোন বাজে মন্তব্য কখনও করে বলে শুনিনি। কিন্তু উল্টোটা অনেক শুনছি। প্রাইভেটের ছেলেমেয়েদের স্মার্টনেসে ইর্ষান্বিত হয়েই কি অনেকে এটি করেন কিনা বুঝি না। মনে হয় তাই। তা না হলে প্রাইভেটে লেখাপড়া হয় না এটি কোথা থেকে তারা পাচ্ছেন?পাবলিকের আর্টস ফ্যাকাল্টির সাবজেক্টগুলোর পড়াশোনার হাল কি কেউ দেখেছেন? প্রাইভেটে একটা স্ট্যান্ডার্ড থাকে লেখাপড়ার। তবে কেউ যদি এলেবেলে প্রাইভেট ইউনিকে সামনে রেখে কথা বলেন তাহলে আর কি বলব।
যেমন ধরেন ল ফ্যাকাল্টি। প্রাইভেটে কিছু কিছু ইউনি কিন্তু জটিল পড়া পড়ায়। এখান থেকে ছাত্ররা বের হয় বুলেট হয়ে। আবার দুয়েকটা প্রাইভেট ইউনি ফালতু ল ও পড়ায়। এখন আপনি কোনটাকে উদাহরন হিসেবে নেবেন সেটা আপনার বিষয়।
কর্মজগৎে স্কিল একটা বড় বিষয়। প্রাইভেট ইউনির অনেকগুলোই তাদের ছাত্রছাত্রীদের নির্দিষ্ট বিষয়ে স্কিলড করে দেয়। সেটা অস্বীকার করলে হবে না।
পাবলিকের ছেলেরা তো বেছে বেছে আসে। তাই তারা শুরু থেকেই পরীক্ষিত। কিন্তু তাজন্যে এদু প্রকার ভার্সিটিকে মুখোমুখি দাড় করানো কাজের কথা নয়। তাই প্রিয় ব্লগারের এ পোষ্ট ভাল লাগল না।
লেখক বলেছেন: দেখুন আমি যা বলতে চাচ্ছি তা মানুষের ইগো প্রোবলেমের চাপে ভেসে গেল।
আমার কথা হচ্ছে এদেশে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে যা চলছে তা আদৌ বিশ্ববিদ্যালয়ই নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মোড়কে টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট। ল' যারা ভাল পড়ান শুধু তাদের ভিত্তিতেই যদি কথা বলতে হয় তবে বলি সেটা ল'' কলেজ হলে ক্ষতি কোথায়। বিশ্ববিদ্যালয় অনেক অনেক বড় একটা ব্যাপার। দেশের প্রত্যেকের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হবার দরকার নেই।
এমনকি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক অনেক ছাত্ররই মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হবার যোগ্যতা নাই।
দরদী নজরুল বলেছেন:
বিশ্ববিদ্যালয় অনেক বড় ব্যাপার এই ধারনা আমার আছে ভাইজান, আমি নিজে অনেক বড় বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়েছি, বড় জায়গায় পড়লে মানুষের মন বড় হয় বলেই জানতাম....আপনারে দেখে ভুলটা ভাঙ্গল। আহসানুল্লা,এক-দুইটা ব্যাতিক্রম নিয়ে আমি কথা বলি নাই, আহসানুল্লা, নর্থ-সাউথ, ইষ্ট-ওয়েষ্ট, এআইইউবি, আইইউবির কমপক্ষে ১৫ জন ছেলেরে চিনি, যারা ইউরোপ-আমেরিকায় ভাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে....দেশে এলিট ক্লাসলোকের যন্ত্রনায় এমনি টিকা দায়, তার উপর আরো ভাগ সৃষ্টি করতে চান।
লেখক বলেছেন: ইউরোপ আমেরিকায় ভাল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লেই কি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে গেল????? কি কন এই সব???
দরদী নজরুল বলেছেন:
বিদেশে মাষ্টার্স করতে হইলে কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স পাশ করতে হয়...ঢাবিতে পড়েন আর এইটা জানেননা? আফসোস।
লেখক বলেছেন: সেইটাই তো হতাশা ব্যাঞ্জক ভাইজান। সরকারি সিল নিয়া এইদেশের মাদ্রাসা স্টান্ডার্ড শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয় বলে প্রচার করতে সক্ষম।
লেখক বলেছেন: কিন্তু এতে আর যাই হোক, দেশের শিক্ষার মান বাড়ে না।
দরদী নজরুল বলেছেন:
আর সেই মাদ্রাসার সিল বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও খায়? বিদেশে পড়তে টোফেল,জিআরই লাগে শুনসেন নিস্চই, অনেক জায়গায় প্রকাশনাও চায়, এগুলো মাদ্রাসা থেকে আসেনা।
লেখক বলেছেন: সেইটাই তো কথা, কিছু বাংলাসিনেমা যেমন অনেক পাবলিকেই খায়, তেমনি আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কেও একই পর্যায়ে নামি এনে শান্তি পাচ্ছি।
টোফেল, জিআরইএর সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক কিসের ভিত্তিতে আনছেন!!! আর প্রকাশনা????????? বাংলাদেশে প্রকাশনা কত প্রকার ও কি কি তা আমার ভাই অনেক আগেই জানা হয়েগেছে!!!
রেটিং বলেছেন:
পোস্টা ভাল লেগেছে, তার চেয়েও বেশী ভাল লেগেছে এখানকার কয়েকজনে বিশ্লেষন, আলোচনা। প্রাইভেট বনাম সরকারি, এটা কোন বিষয় নয়। আসল বিষয় হল হল শিক্ষা। এখন যদি কেও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চান্স না পেয়ে প্রাইভেটে যায়, বলতেই হয় সে হয়ত ঐ সময়ে যোগ্য ছিল না ভর্তি হবার। এবং ভর্তি হবার পর সে হয়তো পাবলিকের চেয়েও ভাল মানের হয়ে যেতে পারে। উদাহরনও অনেক আছে। তারপরেও, গড় বলে যে কথাটা থাকে, সেখানে দেখা যায় অনেক নীচুমানের চাত্ররা যায় প্রাইভেটে। এখানে আরিফ থেকে আনা যেভাবে বললেন, পাবলিক ভার্সিটি কম বলে অনেক ভাল ছেলেরা চান্স পায় না। তো এখানে আমার কথা হল, প্রাইভেট ইউনিগুলোতেও ভর্তি পরীক্ষা একই মানের করা হোক, যাতে আসল মেধা ঢুকতে পারে (তাতে হয়ত তআদএর ব্যবসা থাকবে না)। শুধু ভাল ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে মাধবীদের ঢুকিয়েত লাভ নাই। ওদেরকে ভাল মানষিক বিকাশের জন্য সুন্দর ইউনিভার্সিটি গ্রাউন্ড , ফ্যাকাল্টির যাবতীয় সুবিধা দিতে হবে পাব্লিকগুলোর মতই। ইউনি শুধু সার্টিফিকেটের জায়গা নয়, এখানে থেকে একটা চাত্র জানতে পারে কি করে নিজেকে আরো উন্নত করা যায়, কি করে আরো ভালভাবে চিন্ছা করা যায়, কি করে মানুষের পাশে এসে দাড়ানো যায়।রন্টি ভায়ের মন্তব্যের প্রথমটুকু পড়ে খুব হাসলাম। কারন, স্মার্টনেস দামী আর ফেশনেবল কাপড়ে আসে না, আসে না সে কিভাবে নিজেকে টোটাল্লি রিপ্রেজেন্ট করতে পারে। প্রাইভেট ইউনি বড়লোকের ছেলেমেয়েদের কাপড়ের বহরের সাথে আমাদের দরিদ্র পিতার দেয়া ছেড়া কাপড়ে মলিন লাগলেও , চ্যালেন্জ দিয়েও বলতে পারি আমি এখনও মাথা উচু করেই অনেকেই আছে যাদের স্মার্টনেস দেখার মত। আর আপনি যেই স্মার্টনেসের কথা বলছেন, তা কিভাবে এক্সিকিউট করতে হয় তা জানার ভাল জায়গা হল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিশাল কম্পাউন্ড।দামী কাপড়, বড় বড় ডায়ালগে স্মার্ট হওয়া কঠিন।
দেশে আমি পাবলিকেই পড়তাম। তারপর এমএস করি বাইরের আরেকটা পাবলিক ইউনিতে। তারপর যে ইউনিতে আমি জয়েন করি, তা একটা প্রাইভেট ইউনি। আমি প্রথমে জানতামও না যে এটা প্রাইভেট। আমার কাছে ধারনা ছিল প্রাইভেট ইউনি মানে হল খুব বেশী হলে একটা বড় বিল্ডিং আর সামনে কিছু জায়গা। এখানে জয়েন করার পর এদের ফ্যাসিলিটিয আর স্থাপনার বাহার দেখে মাঠা খারাপ হবার। লাইব্রেরী ২টা, একটা জেনারেল, আরেকটা স্পশাললি মেডিকেল স্টুটেন্ডদের জন্য। জেনারেলটাকে একটাস্টেডিয়াম বললে ভুল হবে না। ক্লাসরুমের প্রতিটা টেবিলে হাইস্পীড ইন্টারনেট কানেকশন। সে এটা প্রাইভেট ইউনি হলেও এরাও চান্স সরকারী কমন ফান্ডিংয়ের জন্য ফাইট করতে। এবং আমাদের প্রফেসরগুলো তা ভালই পারে। এখানকার বেশীরভাগ ল্যাব আমেরিকাকে নকল করে তাদের মানের করা হয়।
সো আমার বাংলাদেশের গুলাও প্রাইভেট ইউনি আর আমি এখন যেটাতে পড়ছি সেটাও প্রাইভেট ইউনি। মুল সমস্যা সিস্টেম। ছাত্রতে নয়। ছাত্ড়দেরকে যদি জন্মের পর থেকেই সেখানো হয় ফাইট করতে তাহলে তাদের মধ্যে টআ ঢুকবে। কিন্তু আমাদের ছেলেরা শিক্ষার জন্য ফাইট করতে পারে না, এটাই দু:খ। আর তার জন্য আমাদের সিস্টেম ও অনেক দায়ী।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আসল ব্যাপারটাই লোকে বুঝতে চায় না, যেটা হল শিক্ষা। শিক্ষা যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান সম্পন্ন হয় তবেই কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও তার ছাত্র-ছাত্রীরা সেই মর্যাদা লাভ করতে পারে। প্রাইভেটে বিশ্ববিদ্যালয় থাকলে তেমন ক্ষতি দেখি না, তবে তা অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয় হতে হবে, তাই না ? কাঁঠাল বাগান তখনই কাঁ

















একটু আগেই ঐ পোস্টটা আমার চোখে পড়ে গিয়েছে.. একটা মন্তব্য করেছিলাম ওখানে.. এখানেও তুলে দেই-
--------------------
চমৎকার লিখেছেন... মানে প্রকাশভঙ্গি মারাত্বক... আমি যদিও ডিজুস তারুন্যের পক্ষে নই.. তবুও বলবো আপনার বক্তব্যে খুব বেশী সরলীকরণ হয়ে গিয়েছে। এতটা না করলেও পারতেন....
"অপদার্থ গোবর গণেশদের বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি ধরিয়ে চাকুরি পাইয়ে দিতে 'ব্যবসা প্রশাসনের' জুড়ি মেলা ভার।"
.... কি অদ্ভুত সরলীকরণ!
আবেগী পোস্ট দেখে আবেগ প্রবন হওয়াই ভাল... হতে পারিনি তাই প্লাস মাইনাস কিছুই দিলাম না।
--------------------
আপনার পোস্টটা পড়া হয়নি... সময় করে পড়তে হবে... তবে প্রাইভেট বনাম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক দ্বন্দ একটা অপ্রয়োজনীয় বিষয়। দেশে আলোচনা করার মত আরো অনেক টপিক রয়েছে। আর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা মনে করে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা কিছুই জানে না এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা যেভাবে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের খ্যাত/আন-স্মার্ট বলে, আমি দু'দলেরই বিপক্ষে। এগুলো নিতান্তই অর্বাচনীয় প্রলাপ!