আমার প্রিয় পোস্ট

আমার এ পথ চাওয়াতেই আনন্দ।

প্রসঙ্গ: মেডিটেশনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি

১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫৬

শেয়ার করুন:                   Facebook




মেডিটেশন বহুল প্রচলিত একটি শব্দ। আমাদের দেশে তেমন একটা জনপ্রিয় না হলেও পশ্চাত্যের দেশগুলোতে এর ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। মেডিটেশনের উৎপত্তি আমাদের প্রাচ্যের দেশগুলোতে। আরব-চীন, জাপান, ভারতের সুফি-লামা-সাধু-মুণি-ঋষিরা কয়েক হাজার বছর আগে থেকেই এই ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করেছেন। মুসলমানদের নামাজও একধরনের মেডিটেশনই বটে। আমরা সাধারণ লোকজন মেডিটেশনকে মনের প্রশান্তির জন্য বা অস্থিরতা দূর করবার একধরনের চর্চা বলে মনে করি। এরযে নানা ব্যবহারিক দিক থাকতে পারে তার অনেকেই ভেবে কুলাতে পারি না। আমাদের বোঝা উচিত, হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ যে ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে তার ব্যবহারিক দিক না থেকে পারে না। আর যার ব্যবহারিক প্রয়োগ সম্ভব তার অবশ্যই বৈজ্ঞানিক ভিত্তি থাকবে।


সহজ ভাষায় মেডিটেশন কি? মেডিটেশন হল নিজের মনকে নিয়ন্ত্রনের রাখবার একধরণের চর্চা। মন দিয়েই জীবন চালিত হয় অতএব, মেডিটেশনের আসলে নিজের জীবনকে নিয়ন্ত্রনের একটা উপায়। অস্থিরতা, রাগ, শোক, উচ্ছাস বা অন্যান্য মানবীয় ব্যাপার মন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। মনের যেমন পার্থিব অস্তিত্ব নেই (যতদূর জানি) তেমনি রাগ, শোক, অস্থিরতা, উচ্ছাস আনন্দ ইত্যাদিও অপার্থিব। একটি অপার্থিব সত্ত্বা অন্যান্য অপার্থিব গুনাবলীকে নিয়ন্ত্রন করবে তা ভাবতে আমাদের কষ্ট হয় না। কিন্তু যখনই দেখি অপার্থিব সত্ত্বা পার্থিব জগতের উপাদানকে নিয়ন্ত্রন করছে তখন আমরা কেউ এটাকে বলি আলৌকিক এবং অন্যরা বলি কাকতলীয়। উভয় পক্ষই এক্ষেত্রে বিজ্ঞানের খুব একটা ধার ধারি না অথবা, নিজেরা কিছু কিছু যুক্তি বানিয়ে নেই।


বাস্তব হল, অপার্থিব মন দিয়ে আমরা প্রতিনিয়ত পার্থিব জগতের উপাদান গুলোকে নিয়ন্ত্রন করছি। এর কারন আমাদের মানবিক গুনাবলী এই রক্ত-মাংসের শরীরের অদ্ভুতসব জৈব অণুর জটিলসব পারস্পরিক সম্পর্কের ফসল। দেহের জৈব রাসায়নিক গঠন যদি মনের উপর প্রভাব ফেলতে পারে তবে মনের পক্ষেও উল্টোটা করা সম্ভব। মন ও শরীরের এই আন্তঃসম্পর্ক সব চাইতে সহজে বোঝানো যায় মানুষের যৌন প্রবৃত্তির দ্বারা। যেমন যে কোন সুস্থ সাধারণ পুরুষ শুধু চিন্তার মাধ্যমে তার sexual system কে উত্তেজিত করতে পারে। sexual organ তো আর এমনি এমনি উত্তেজিত হ্য় না এর জন্য অনেক biochemical signaling pathway আছে, অনেক gene eর expression এর সাথে জড়িত। এটা একটা বড় উদাহরণ যে আমরা আমাদের চিন্তার দ্বারা দেহের জৈব-রাসায়নিক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রন করতে সক্ষম। আবার অনেক ড্রাগ আছে যা আমাদের মানসিক অবস্থায়র উপর প্রভাব ফেলতে সক্ষম। যেমন antidepressant ড্রাগ। আবার দেখুন সিগারেটের নিকোটিন আমাদের এর অভাবে অস্থির করে ফেলে। সিগারেট ছেড়ে দেবার অনেক দিন পরেও সিগারেট দেখা বা এর গন্ধ পাওয়া মাত্র মন চঞ্চল হয়ে উঠে। এগুলো মনের উপর chemicals এর প্রভাবের উদাহরন। আবার প্রেমের ক্ষেত্রেই দেখা যাক। পুরুষ মাত্রই প্রেমে পড়লে ভাবুক হয়, ঠিক যেন পাগলা ঘোড়া শান্ত হবার মত। অন্য দিকে শান্ত লাজুক মেয়েটি প্রেমে পড়ে লাজুকতার আবরণ ছেড়ে চঞ্চল হয়ে উঠে। বাবা-মায়ের কাছে এসব সন্দেহজনক আচরণই ধরা খাইয়ে দেয়। দেখা গেছে প্রেমে পড়া পুরুষের দেহে নারীর হরমোন প্রোজেস্টেরনের মাত্রা বেড়ে যায়, যা তার আচরণে কোমলতা আনে। অন্য দিকে নারী দেহে পুরুষ হরমোন টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়ে যা তার মাঝে চঞ্চলতার সৃষ্টি করে।


মানুষ মনের শক্তির সাহায্যে তার জৈব পদার্থে নির্মিত শরীরকে দিয়ে এমন সব কাজ করে দেখিয়েছে যা আমাদের জানা পদার্থবিজ্ঞানের জ্ঞানকে অনেক সময় প্রশ্ন বিদ্ধ করে। যেমন একবার এক ব্যক্তি অনেক্ষ বরফে ডুবে থাকবার বিশ্বরেকর্ড করেছিল। সে যতক্ষণ বরফে ডুবে ছিল তা তাপগতিবিদ্যার সূত্র মতে অসম্ভব, কিন্ত বহু বৎসরের সাধনা বা মেডিটেশন তাকে ঐ অসাধ্য সাধনে সমর্থ করে। বেশির ভাগ মানুষের ক্ষেত্রেই কাচা মাছ মাংস খাওয়া সম্ভব নয়। সেই একই মানুষকে সমুদ্রে নৌকাতে করে ছেড়ে দিন খাবার ছাড়া এক সময় সে ঠিকই কাচা মাছ খেয়ে বেচে রইবে। পার্থক্য কি দুইটি পরিস্থিতিতে? প্রথমটিতে ব্যক্তি বাধ্য নয়, দ্বিতীয় ক্ষেত্রে সে বাধ্য। কিন্তু সেই বাধ্য হবার ক্ষেত্রে তার কিছু জৈবরাসায়নিক বিক্রিয়া কাজ করে। মেডিটেশনের মাধ্যমে চরম খাদ্য সংকটের মত অবস্থা না এলেও মানুষের পক্ষে তার দেহে একই জৈবরাসায়নিক ঘটনা ঘটানো সম্ভব যা তাকে কোন প্রকার চাপ ছাড়াই কাচা মাংস মাছ খেতে সাহায্য করবে। এর ফলশ্রুতিতেই আমরা অনেক মানুষকে এহেন বিশ্রী সব কাজ করতে দেখি।


এবার রোগ প্রতিরোধের ব্যাপারে আসি। আমরা যদি শুধু চিন্তার মাধ্যমে দেহের তাপমাত্রা সহ্য ক্ষমতা, হরমোনের নিঃসরণের মাত্রা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রন করতে পারি তবে কেন ইমিউনো কেমিক্যাল যেমন cytokines, ILs, IFN ইত্যাদির মাত্রা নিয়ন্ত্রন করতে পারব না? আপাত দৃষ্টিতে এসব কথা খুব জটিল বা অবান্তর মনে হতে পারে। যারা cell biology সম্বন্ধে জানেন তারাদের কাছে এগুলো খুব একটা জটিল নয়। কারন তারা জানেন যে দেহের সব ক্রিয়াই মূলত কিছু সাধারণ নিয়মের ভিত্তিতে চলে। এসব উদাহরণের মাধ্যমে বোঝা যায় শুধু মনকে নিয়ন্ত্রন করতে পারলে শরীরের অনেক কিছুই শুধু মনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রন করা যায়। শুধু গভীর ভাবে জানতে হবে শরীর মনকে কি করে নিয়ন্ত্রন করে। অর্থাৎ মেডিটেশনের ব্যবহারিক প্রয়োগ সম্ভব। নিউরোলজির উন্নয়নের সাথে সাথে হয়ত meditation একদিন medication এর বিকল্প হতে পারবে। আধুনিক যুগে জীব মস্তিস্কের জটিল গঠনের যতই সমাধান হচ্ছে আমরা বুঝতে পারছি মস্তিস্ক দিয়ে শুধুমাত্র নতুন নতুন উদ্ভাবন নয়, সরাসরিই এটাকে কাজে লাগানো সম্ভব। নিউরোলজির জ্ঞান যতই সমৃদ্ধ হবে ততই এর প্যাচ আরো খুলবে।


মেডিটেশনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি রয়েছে। তবে মেডিটেশন শিখতে হয়, ঠিক যেমন মার্শাল আর্ট। মার্শাল আর্ট আসলে Human anatomy এর জ্ঞান ভিত্তিক একটি প্রতিরক্ষা পদ্ধতি। আর মেডিটেশন Neurology এর জ্ঞানের উপর প্রতিষ্ঠিত। অন্য সব ব্যবহারিক শিক্ষার মতই মেডিটেশন শিখবার জন্য ট্রেইনার প্রয়োজন। এর চাইতে বেশি কিছু না।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মেডিটেশনধ্যানসুফিজম ;
প্রকাশ করা হয়েছে: তথ্য সংকলন  বিভাগে ।

 

  • ৬৩ টি মন্তব্য
  • ৪৫৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০১
comment by: লাল পিপড়া বলেছেন: জটিল হইছে ।




২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৪
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: সুন্দর ব্যাখ্যা
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

৩. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৬
comment by: অরণ্যচারী বলেছেন: শোকেসে রাখলাম।
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: থাংকু

৪. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৬
comment by: রুবেল শাহ বলেছেন: ভাল পোষ্ট...........

শুভেচ্ছা রইল........... +
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও শুভেচ্ছা।

৫. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৬
comment by: রাজামশাই বলেছেন: মারহাবা মারহাবা

আমি মুগ্ধ


ম্যাসেঞ্জারে এড কইরা নে

২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: জ্বী হুজুর।

৬. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৭
comment by: আহমেদ হেলাল ছোটন বলেছেন: ভালো লিখেছেন।
মেডিটেশন একধরণের বায়োফিডব্যাক মেকানিজমের উপর ভিত্তি করে চিকিৎসা পদ্ধতি।
তবে ইদানিং কিছু অবৈজ্ঞানিক ভন্ডের কবলে পড়ে পৃথিবীব্যাপি এর অপব্যবহার ও ব্যাবসায়ী ব্যবহার শুরু হইছে।
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: হুম .. .. .. ভন্ড চারিদিকে।

৭. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৬
comment by: রহস্য বলেছেন: ভালো লেখা।+
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: + এর জন্য আপানারেও +

৮. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১৯
comment by: রাতমজুর বলেছেন: ৫+
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: থাংক্স

৯. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২১
comment by: রণদীপম বসু বলেছেন: চমৎকার শিক্ষণীয় একটি পোস্ট। এই মেডিটেশন বিষয়ে মহাজাতকের একটি বই আছে। তিনি এর চর্চাও করান, সম্মানীর বিনিময়ে। এক সময়ে তা বেশ সাড়া ফেলেছিল। অনেকেই নাকি উপকৃত হয়েছেন। সত্য মিথ্যা জানি না। তবে মনের উপর এর প্রভাব যে রয়েছে তা হয়তো ঠিক। সেই ছাত্রজীবনে যখন মার্শাল আর্ট শেখার চেষ্টা করেছি, দেখেছি এ বিষয়টাতে খুব গুরুত্ব দেয়া হতো। মারামারি করার জন্য নয়, গোটা জীবন শরীর ও মনের উপর নিয়ন্ত্রণ কায়েম করতে যথেষ্ট সহায়তা করে এই মার্শাল আর্ট, বস্তুত যদি কেউ সত্যি সত্যি আগ্রহী হয়।

ধন্যবাদ আপনাকে। ‌
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: থাংক্স!!

১০. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:২৬
comment by: আউলা বলেছেন: ইহা করার মত ধৈর্য আমার যে কবে হবে। আচ্ছা নানু ১ হাতে ইট আছে আর অন্য হাত খালি এইটা করলে কি হবে?
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩২

লেখক বলেছেন: ইতা কিতা কয়??

১১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩০
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: ভাল লিখেছেন।
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। অনেকদিন পর আমার ব্লগে এলেন। কেমন আছেন? সেই দিন আপনাকে রাজউক ভবনের সামনে দেখলাম। বাসে ছিলাম নইলে নিশ্চয়ই কথা হত।

১২. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৬
comment by: জানা বলেছেন:
খুব ভাল লাগলো পড়ে। চমৎকার ব্যাখ্যা।
ধন্যবাদ আপনাকে।
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৩. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪২
comment by: আউলা বলেছেন: ক্যানো এত বড় লেখা দিলা আর এক সাথে ইট কল্পনা করবো আরেক হাত ফাকা কল্পনা করে মেডিটেশনের একটা নিয়ম আছে না?
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: বুঝচ্ছি, বুঝচ্ছি বুঝচ্ছি !!! সিস্টেমে জানান দিতেছ তুমি মেডিটেশনের উপরে বিশেষভাবে অজ্ঞ।

আমাদের কিছু ফ্রি ট্রেইনিং দাও।

১৪. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৩
comment by: রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: ঘটনা কী তোমার পোস্টের বায়োকেমিক্যাল ব্যাপারস্যাপার সবতে বুইঝা গ্যালো কেমনে? এইগুলি তো খালি আমগো দুইজনেরই বুঝার কথা! ;) বুঝছি হজ্ঞলেই গবেষক :)
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: হায় হায়!! এখন আমরা খামু কি?

১৫. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৮
comment by: আরিফ থেকে আনা বলেছেন: ভাল লিখেছেন বিবর্তনবাদী :)
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: থাংকু

১৬. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৭
comment by: আউলা বলেছেন: এইটা আমাদের ক্লাসে একদিন এজাজ স্যার করায়ছিলো তার আদরের অতিপ্রিয় এবং তার প্রতিচ্ছবি সাব্বিরকে দিয়ে। আমি তাই কইছি :|
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৭

লেখক বলেছেন: তারপর তারপর তারপর কি হইল?

১৭. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৮
comment by: আহমেদ হেলাল ছোটন বলেছেন: মেডিটেশনের মতই আরেকটি বায়োফিডব্যাক মেকানিজম হচ্ছে রিলাক্সেশন। এটি আমরা সাইকিয়াট্রিতে ব্যবহার করি। বিশেষত আ্যংজাইটি আর প্যানিক ডিজঅর্ডার আর মৃদু ডিপ্রেশনে।
এটারও অপব্যবহার হচ্ছে।
বিজ্ঞানসম্মতভাবে একে ব্যবহার করুন।
এবিষয়ে ব্লগে বিস্তারিত দিলাম।
লিংক দেখুন।
Click This Link
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৮. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৫
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: অনেক কিছূ জানতে পালাম।
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: মেডিটেশন কর!! বিয়ের পর মাথা ঠান্ডা রাখতে হেল্প করবে। বিয়ের বয়স কিন্তু হয়ে গেছে। ম্যানহোলে পড়বার বেশি দেরি নাই।

১৯. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৬
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: আপনার পোস্টটা পড়ার পর মনে হলো আমার পোস্টটা পুনঃপ্রকাশ করি। তাই অনেক আগের লেখাটা নতুন করে পোস্ট দিলাম।
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: পড়লাম। শোকেসেও রাখলাম। ধন্যবাদ।

২০. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪০
comment by: আউলা বলেছেন: তারপর সাব্বির মনে করলো তার এক হাতে ইট আর একহাতে তুলা তারপর চোখ বন্ধকরে মনযোগ দিল। কিছুক্ষণ পর আমরা বলে দিলাম ওর কোন হাতে ইট ছিল আর কোন হাতে তুলা!!:D:D:D
২১. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২৪
comment by: দস্যু বনহুর বলেছেন: ঠিকাসে মাগার মনোচিকিৎসাবিজ্ঞানের এই বিষয়কে পুঁজি করে এবং ক্ষেত্রবিশেষে নিতান্তই কাল্পনিক ও বানোয়াট ব্যাখ্যা দিয়ে যারা লোকঠকানো ব্যবসা করে যাচ্ছে তাদের সম্বন্ধে দুই একটা লাইন লিখলে পারতেন। আরেকটা বিষয় হলো, ইমিউনো কেমিক্যাল যেমন cytokines, ILs, IFN ইত্যাদির মাত্রা নিয়ন্ত্রনের বিষয়টি বিভ্রান্তিকর কারণ এটি একটি ধারনা যা কোন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা দ্বারা এখনো প্রমাণিত নয়।


পোষ্টে পিলাচ।
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১০

লেখক বলেছেন: ভন্ডামি নিয়ে সরাসরি লিখলাম না। তবে পোস্টের শেষ প্যারাতে উল্লেখ করেছি মেডিটেশন ট্রেইনিং এর ব্যাপারে। মন্তব্যেই উঠে এসেছে ভন্ডামির ব্যাপারটা। আর হ্যা, বৈজ্ঞানিক পরিক্ষার দ্বারা প্রমানিত নয়। তবে যেহেতু প্রমানিত নয় তাই যারা ক্লেইম করে যে সম্ভব তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

আপনাকে ধন্যবাদ।

২২. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৬
comment by: মইন বলেছেন: "মেডিটেশনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি রয়েছে। তবে মেডিটেশন শিখতে হয়, ঠিক যেমন মার্শাল আর্ট। মার্শাল আর্ট আসলে Human anatomy এর জ্ঞান ভিত্তিক একটি প্রতিরক্ষা পদ্ধতি। আর মেডিটেশন Neurology এর জ্ঞানের উপর প্রতিষ্ঠিত। অন্য সব ব্যবহারিক শিক্ষার মতই মেডিটেশন শিখবার জন্য ট্রেইনার প্রয়োজন। এর চাইতে বেশি কিছু না।"

ভালো লাগলো।
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৩. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৫০
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: ঠিকাছে!
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:১৪

লেখক বলেছেন: টিকাচে

২৪. ২০ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২৭
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: হুমম আমার অনেক আগে কিছু পড়াশোন ছিল এ সময়ে..মেডিটেশন করতে যেয়ে ঘুমাইয়া পড়তাম
২৫. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:০৮
comment by: একজন ব্লগার বলেছেন: গবেষনাধর্মী লেখা। +++। আপাততঃ প্রিয়তে রাখলাম। পরে সময় নিয়ে পড়বখন।


আপনার "প্রিয় পোস্টে"র পোস্টে দেখলাম কোন কমেন্ট নিচ্ছেন না। আপনি যেহেতু আপনার অন্য পোস্টে কমেন্ট করতে বলেছেন, তাই এখানে দিলাম।

আপনার এই পোস্ট পড়লে যে কেউ বুঝবে যে আপনি ঘুরে ফিরে নির্দিষ্ট গুতিকতক ব্লগারের লেখাই বেশী পড়েন। যেমন: রাশেদ, আউলা, সাজিপু, নিরাবাধা, নিবেদিতা এবং কালপুরুষ। আপনার এই লিস্ট পড়ে বোঝা গেল এদের লিখা আপনি নিয়মিত পড়েন। কারন তাদের বিভিন্ন পোস্টই এখানে বেশী দেখা যাচ্ছে। আমি বলছি না যে তাদের লেখা প্রিয়তে রাখার মত নয়। বলছি যে একই ব্লগারের সবগুলো ভাল লেখা থেকে একটি; বড়জোড় দুটি ভাল লেখাকে নির্বাচন করতে পারেন। তাতে অন্য পাঠকের কাছে বিষয়টি একঘেয়ে মনে হবে না। সেটাই বলছিলাম আরকি। সবাই ভাল লিখলেও বিভিন্ন ভালো ব্লগারের বিভিন্ন ভালো লেখা দিয়ে পোস্ট সাজালে সেটা অন্যান্য ব্লগারের কাছে আরও গ্রহনযোগ্যতা পেতে পারে। আপনি প্রতিটি শিরোনামের পাশে লেখকের নামও দিয়েছেন। পোস্ট পড়ার আগে সেটাও সবাই দেখে। তখন আপনার এই মনোভাবটির চে আমার কথাটিই ভাবা স্বাভাবিক। তাছাড়া, এমন তো অনেকেই আছেন যার প্রায় প্রতিটি পোস্টই দারুন! তাই বলে সব তো আর প্রিয় পোস্টে রাখা যায় না। সে ধারনা থেকেই কিন্তু "প্রিয় লিংকসের" উৎপত্তি। কিন্তু যদি এমন হয় যে কোন একজনের সব লেখাই আপনার ভাল লাগে, তাহলে তার সবগুলো পোস্ট না উল্লেখ করে তার গোটা ব্লগের লিংকই দিয়ে দিতে পারেন।

অনেক ব্লগারের শোকেসেই অনেক ভাল ভাল লেখা পাবেন। আমি একটা অভ্যাস হলো কোন ব্লগারের ব্লগে গেলেই আমি আগে তার শোকেস দেখি। সেটা দেখে ঐ ব্লগার সমন্ধে অনেককিছু অনুমান করা যায়। আপনি তো ব্লগে আমার অনেক সিনিয়র। আপনার এসব আমার চেয়ে ভাল বোঝার কথা।

আমার শোকেসের অনেক লেখাই আমার নিজেরও প্রিয় নয়। ঐগুলো রেখেছি পরে সময় করে পড়ার জন্য। পড়া শেষ হলে মুছে ফেলি। আমার কতবত নিকের শোকেসে আপনার একটা পোস্ট আছে। পড়া হয়েগিয়েছিলো, কিন্তু ভাল লেগেছিলো বলে আর মুছিনি।

আর স্বাতন্ত্র ব্লগার বলতে আমি এক একজন আলাদা আলাদা ব্লগারের কথা বলেছি। সে যদি বিভিন্ন নিকে বিভিন্ন রকম পোস্ট দেয়, তবু ব্লগের দৃষ্টিকোন থেকে সে একজন স্বাতন্ত্র ব্লগার। আশাকরি ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছেন।

আর আমি অনেক অসাধারন পোস্টে "খুবই ভাল লেগেছে" বলে আপনাকে কমেন্ট করতে দেখেছি। অথচ সেগুলো এখানে দেখছি না। সুতরাং, সেসব আপনার চোখে পড়েনি বা আপনার ভাল লাগেনি বলে যে কথাটা বল্লেন, সেটা মেনে নেবার মত নয়।

যাইহোক, আপনার প্রিয় পোস্ট কি হবে না হবে সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। আপনাকেও ধন্যবাদ বিবতর্নবাদী ভাই। শুভরাত্রি।
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২৯

লেখক বলেছেন: যাইহোক, আপনার প্রিয় পোস্ট কি হবে না হবে সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার।

বুঝবার জন্য ধন্যবাদ। শুভরাত্রি।

২৬. ২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:২৭
comment by: আউলা বলেছেন: বুড়া তোমার না বাকরখানি বা খনি নিয়ে পোস্ট দেবার কথা ছিল?
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: ও হ্যা। ভুইলা গেছিলাম। দিমুনে টাইম কইরা।

২৭. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:১১
comment by: মামুনুর রশিদ বলেছেন: খুব ভাল লিখেছেন। প্রিয়তে রাখলাম। +
এই বিষয়ে আমার ব্যবহারিক কোন ধারণা নেই। কীভাবে এর চর্চা শুরু করতে পারি, এ সম্পর্কিত একটা ধারণা দেন।
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: আমি সাহায্য করতে পারলাম না। আপনি ইন্টারনেটে ঘাটাঘাটি করতে পারেন।

২৮. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৯
comment by: কৃষক বলেছেন: প্রথমত লেখক কে সাধুবাদ,

মেডিটেশন নিয়মিত চর্চা করতে হয়। অনেকে কিছুদিন করে আর করেন না তারপর বলেন মেডিটেশন ভুয়া।

দ্বিতীয়টি মামুনুর রশিদ ভাই কে: শান্তিনগর এ কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন থেকে মেডিটেশন শিখতে পারেন। প্রতি মংগল বার ফ্রি সেশন হয়।
২৯. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:১৪
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: ধন্যবাদ চাষা ভাই!!! ১৩ এর পরবর্তি পোস্টের জন্য অপেক্ষা করছি।
৩০. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২৬
comment by: পারভীন রহমান বলেছেন: শান্তিনগর এ কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন থেকে মেডিটেশন শিখতে ভি পারেন। প্রতি মংগল বার ফ্রি সেশন হয়।


আমি শুনেছি শুক্র বারে হয়
এলাকা ভিত্তিক হয় নাকি?
আমি ও যেতে চাই..।........................।।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১৩

লেখক বলেছেন: ঠিক জানি না। মহাজাতকের মেডিটেশন সেন্টার আমার কাছে ভূয়া মনে হয়।

৩১. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ২:৫৩
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: পড়েছিলাম অনেক আগে... দেরীতে হলেও মন্তব্য করলাম.. চমৎকার পোস্ট বিবর্তনবাদী... প্রিয় লিষ্টে রাখলাম।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩২. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৩
comment by: মাহবুবুল আলম লীংকন বলেছেন: খুব ভাল লাগলো পড়ে। চমৎকার ব্যাখ্যা করেছেন। সুন্দর।
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৭

লেখক বলেছেন: ভাল থাকুন।

৩৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৩৯
comment by: নরকের পাপী বলেছেন: খুবই খুবই ভালো!! চমৎকার উপস্থাপনা!
২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৭

লেখক বলেছেন: :)

 



 


আপাততঃ আমি একজন কনফিউজড মানুষ। জীবনে বিবর্তনের অপেক্ষায় রয়েছি। দেখি, বিবর্তনের পর কিসে পরিনত হই... ...


nisshongo_dhakabashi@yahoo.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৬৮৮০৮