আমার প্রিয় পোস্ট

আমার এ পথ চাওয়াতেই আনন্দ।

জ্ঞানীর দায়িত্ব, ল্যাংটা বাবা, গোয়েবলস ও বর্তমানের আস্তিক নাস্তিক প্রোপাগান্ডা

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:১১

শেয়ার করুন:                   Facebook



কিছুদিন আগে ন্যাটজিওতে একটা প্রোগ্রাম দেখলাম “The Indian Witch”, বাংলায় যা হবে ‘ভারতীয় ডাইনী’। সেই প্রোগ্রামে এক ল্যাংটা বাবাকে দেখিয়েছিল যে কিনা কাল যাদু (Black Magic) জানে। ঐ বাবার দাবী কালযাদুর জ্ঞান দিয়ে সে যেকোন মানুষকে মেরে ফেলতে পারে, অনেক দূর থেকেই। তবে সে বিনা প্রয়োজনে সেটা করে না কারন এতে তার জ্ঞানের মর্যাদাহানি ঘটে। যদিও ঐ প্রোগ্রামে দেখানো হয় লোকটা ভূয়া কিন্তু তার একটা কথা আমার ভাল লেগেছেলি। তা হল, ‘জ্ঞান হল মানুষের উপর একটা দায়িত্ব, এটাকে খুব যত্ন করে লালন করতে হয় এবং মানুষের উপকারে ব্যবহার করতে হয়’। উক্তিটি খুবই গুরুত্বপূর্ন বিশেষ করে বর্তমান পেক্ষাপটে। পৃথিবীতে সব মানুষ জ্ঞানি হয় না, কিছু লোক হয়। তাদের বাকিরা অনুসরণ করে। তারা যদি জ্ঞানের অপব্যবহার করেন, তার অনুসারীরা তাই করে। বিধায় প্রথম ব্যক্তির (যে কিনা জ্ঞানি) অপরাধ মানুষের উপর অনেকগুন বর্ধিত রুপে কাজ করে। এর উলটোটিও সত্য। যে কোন জ্ঞানী ব্যক্তির ভাল কাজ অনেক অনেক মানুষ অনুসরন করে বিধায় জ্ঞানীর জ্ঞানের প্রভাব বহুগুনে বৃদ্ধি পায়।


এমনি এক জ্ঞানী মানুষ হিটলারের তথ্য মন্ত্রী যোসেফ গোয়েবলস। ইহুদি নিয়ন্ত্রিত এই বিশ্বে হিটলার ও তার সাথিরা চরমভাবে ঘৃণ্য এবং সেই সাথে আলোচিত। তবে গোয়েবলসকে যে যাই বলুক, উনি যে অত্যন্ত জ্ঞানি ও মেধাবী ছিলেন সেটা উল্লেখ করতে কেউ ভোলে না। আমি এ পর্যন্ত নানান বইতে, ইন্টারনেটে যেখানেই গোয়েবলস্‌ সম্পর্কে কিছু পড়েছি তার শুরুতেই বলে নেওয়া হয় লোকটা অনেক মেধাবী ও জ্ঞানী ছিল। তারপর বলা হয় সে যা করেছে তা ঠিক করে নাই, সে খুব খারাপ ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই ধরে নিচ্ছি গোয়েবলস্‌ আসলেই খুব মেধাবী ও জ্ঞানীই ছিলেন।


এই ব্যক্তির বিশেষ অবদান হচ্ছে, মিথ্যাকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করবার অত্যন্ত ফলপ্রসু পদ্ধতি উদ্ভাবন। ১৯৪৫ সনে হিটলারের ব্যাংকারে সপরিবারে আত্মহত্যা করে পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও বর্তমান বিশ্বে সবচাইতে প্রভাবশালী দার্শনিক মূলত গোয়েবলস। পশ্চিমা বিশ্বে এরিস্টোটলের দুইহাজার বছর ধরে যে প্রভাব বিদ্যমান ছিল, আমাদের এই বিশ্বে গোয়েবলসের প্রভাব তার চাইতে কমতো নয়ই বরং অনেক অনেক বেশী। মিথ্যা প্রচারে গোয়েবলসের পদ্ধতি হল, প্রথমে একটা কনফিউশন সৃষ্টি কর, তারপর ব্যাপক প্রচার কর। একসময় মিথ্যাটাই সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। বার বার মানুষের কানের কাছে একটা রেকর্ড বাজাতে থাক কাজ হবেই হবে। যতই নিন্দা করি গোয়েবলসের সত্যিই এ এক নিঁখুত অস্ত্র।


গোয়েবলসীয় দর্শনের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ হল ‘আজকের দুনিয়ার মার্কেটিং’। যার মূল মন্ত্র , ‘স্যাব কুচ বিকতাহে, ব্যস এক বেচনে ওয়ালা চাহিয়ে’ (হিন্দি সিনেমার পপুলার ডায়লগ)। যেমন, রিমো নামে ভারতের এক মিউজিক ডিরেক্টর আছে যিনি আধুনিক ধুমধাড়াক্কা গান কম্পোজ করেন। তার একটা গান (কোনটা তা মনে নাই) এক সময় খুবই জনপ্রিয় হয়েছিল। আমার মা সেই গানটা কোথাও বাজতে শুনলেই বিরক্ত হয়ে কিছু অবশ্যই বলত। মা বলত, কোথায় সেই হেমন্ত, কিশোর, লতা, এসডি বর্মন, আশা আর কোথায় আজকের এই ফালতু রিমো। একদিন হঠাৎ খেয়াল করি আমার মা রান্নাঘরে তরকারি কুটছে আর গুন গুন করে রিমোর সেই ধুম ঢাড়াক্কা গানটাই গাচ্ছে। খুবই অবাক হলাম আমি সেদিন। অদ্ভুত! তবে সত্যি হল এই যে, বার বার টিভিতে, গানের দোকানে বাজাতে বাজাতে মানুষের মস্তিস্ককে ঐ গান ভাল লাগাতে বাধ্য করা হয়েছে। আমার এক বন্ধুর বাবা কোকাকোলা কম্পানিতে চাকরি করতেন মিডলইস্টের কোন দেশে। তখন কোকের দাম ছিল ১০টাকা। উনি নাকি বলেছিলেন, এই ১০ টাকার মধ্যে কিছু অংশ ট্যাক্স, ২ টাকার জিনিস বোতলের ভিতরে আর বাকিটা আমির খান, শাহরুক খান, কারিনারা বিজ্ঞাপন করে নিয়ে যায়। বার বার বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আমাদের তৃষ্ণার সময় পানি না কিনে কোক-পেপসি প্রভৃতি কিনতে বাধ্য করা হয়। কিছুদিন আগে History চ্যানেলের একটা প্রোগ্রামে দেখলাম আমেরিকা তার so called সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধে যে সব ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে গুয়ান্তেনামো জাতীয় কারাগারে বন্দি রাখে তাদের কানের কাছেও নাকি আমেরিকার জয়গান করা নানা ধরনের গান অবিরত বাজতে থাকে। উদ্দেশ্য একটাই বন্দিদের মনে আমেরিকার জন্য শ্রদ্ধা বা ভয় জাগ্রত করা আর পন্থা সেই গোয়েবলসীয়।


তবে গোয়েবলসের তত্ত্বের সব চাইতে নোংরা ব্যবহার ঘটে রাজনীতিতে। ডান, বাম, সাম্প্রদায়িক, অসাম্প্রদায়িক, ধার্মিক, ধর্ম নিরপেক্ষ, আস্তিক, নাস্তিক কেউ কারো চাইতে এখানে কম না। যেমন আমাদের দেশে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়নি এই প্রোপাগান্ডা যতটা শক্তিশালি ঠিক ততটাই শক্তিশালি পোপাগান্ডা হচ্ছে আওয়ামী লীগ ভারতের দালাল। যেখানে একটা গ্রুপ রবীন্দ্রনাথকে কবি সাহিত্যিক থেকে মহাপুরুষ পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছেন, ঠিক অন্যদিকে আর একটা গ্রুপ খুব পোক্ত ভাবেই অশিক্ষিত জনসাধারণের মাঝে এটা প্রতিষ্ঠিত করেছে যে রবীন্দ্রনাথই হিংসা করে নজরুলকে অসুস্থ করেছিলেন। অনেক ক্ষেত্রেই এই ব্যাপার গুলো হাস্যকর কিন্তু গোয়েবলসীয় প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে এইগুলোই বিশ্বাস করতে বাধ্য করা হয়েছে। স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছি, আমি নিজেও কলেজ পর্যন্ত এই জানতাম যে রবীন্দ্রনাথই নজরুলকে হিংসা করে অসুস্থ করেছিলেন। কে যেন একবার এক ব্লগে লিখেছিলেন, তার দারোয়ান বিশ্বাস করে কবি নজরুল ভাল লোকই ছিল, কিন্তু রবীন্দ্রনাথের মেয়েকে বিয়ে করেই বারোটা বাজিয়েছে। আমার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক বন্ধু বিশ্বাস করে হোসেইন মোহাম্মদ এরশাদ আর একবার বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হতে চায়, কারন সে নাকি তার সুইস ব্যাংকের একাউণ্টে সিগনেচার দিয়েছে “রাষ্ট্রপতি হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ” লিখে। তাই এরশাদ আর একবার রাষ্ট্রপতি হিসেবে সিগনেচার দিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে চায়। এই হচ্ছে শিক্ষিত মানুষের অবস্থা, অশিক্ষিতদের কথা বাদ। সাধারন মানুষ এরকমই বিধায় তারাই গোয়েবলসের অনুসারীদের টার্গেট।


গোয়েবলসীয় তত্ত্বকে সব চাইতে বেশি ব্যবহার করেছে তার বস হিটলারের সারা জীবনের শত্রু ইহুদীরা। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস! যে হিটলার, গোয়েবলস ইহুদীদের পৃথিবী হতে নিশ্চিহ্ন করতে উঠে পড়ে লেগেছিলেন, তাদের তত্ত্বই আজ ইহুদীদের বিশ্বে শক্তিশালি করতে ভূমিকা রাখছে। সামরিক ক্ষেত্রে শক্তিশালী আমেরিকাকে কুক্ষিগত করে ইহুদিরা এখন বিশ্বে খুবই শক্তিশালি। যুগের পর যুগ যেই খ্রিস্টানদের দ্বারা ইহুদিরা নির্মমভাবে নির্যাতিত হয়ে আসল তারাই এখন ইহুদিদের হাতের পুতুল। তাদের সব চাইত বড় শত্রু এখন ইসলাম। অথচ, বিগত ১৪ শত বছরে ইহুদিরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই স্বাধীনভাবে নিজেদের ধর্ম পালনের সুবিধা পেয়েছে মুসলমানদের থেকে।


মুসলমানদের সাথে যুদ্ধ করতে গিয়ে সব চাইতে বড় বাধা যেখান থেকে আসছে সেটা হল মুসলমানদের মধ্যে ধর্ম ভিত্তিক একতা। তাই ইহুদি মিডিয়ার সব চাইতে বড় টার্গেট স্বয়ং ইসলাম ধর্ম। তবে সেটা নাস্তিকতার মোড়কে ইসলামের বিরুদ্ধে চলে। গোয়েবলসের তত্ত্ব অনুসরণ করে ইহুদিদের মিডিয়া প্রথমে ধর্ম সম্পর্কে কিছু নেগেটিভ ব্যাপার ফুটিয়ে তোলে, যা মানুষকে যাচ্ছেতাই করতে বাধা দেয়, তারপর কিছু প্রশ্ন তোলে। এরপর শুরু হয় সেগুলোর ব্যাপক প্রচার টিভিতে, সিনেমায়, ইন্টারনেটে নানান ওয়েব সাইটে, সেই সাথে কিছু পেইড কালামিস্ট দিয়ে সংবাদপত্রে এবং হয়ত বা ব্লগেও। আবার এমন কিছু ইসলামী ওয়েব সাইট পাওয়া যায় যেগুলোতে খুব সুন্দর ভাষায় ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারণা প্রচার করা হচ্ছে, অথচ এই সবগুলোর উৎস একই। ব্যাপার গুলো এমনভাবে সাজানো হয় যে অমুসলিমরা দেখলে ভাববে সবই ইসলাম ধর্মের খুত, তাদের ধর্মেতো এমন নেই। অন্যদিকে সাধারণ মুসলমানেরা ভাববে এইগুলা ধর্মের খুত, চল সবাই নাস্তিক হই। এই সবই মহান গোয়েবলসের তত্ত্বের ফসল। এই সবের প্রমান পাওয়া যায় দুটি ব্যাপার লক্ষ্য করলে:

১ বেশির ভাগ নাস্তিকের প্রশ্ন ইসলাম কেন্দ্রীক। ভাবটা এমন যেন বিশ্বে অন্য কোন ধর্ম নেই।

২ নাস্তিকদের প্রশ্নে কোন বৈচিত্র নেই। গুগল, ইয়াহুতে atheist লিখে সার্চ দিলে খুব সহজেই নাস্তিকদের যেইসব প্রশ্ন গুলো পাবেন সেগুলোই দুনিয়াভরের নাস্তিকেরা কপচাতে থাকে নানান মিডিয়াতে।


আবার এই ক্ষেত্রে ধর্ম ব্যবসায়ীরাও কিন্তু পিছিয়ে নেই। তাদের অনেকেরই গুরু সেই মহান গোয়েবলস। নানান মিডিয়ায় (টিভি চ্যানেল, ইন্টারনেট, সংবাদপত্র এমন কি ব্লগ) এরাও সৃষ্টিকর্তার প্রমান, কোন ধর্ম ভাল, কোনটা খারাপ, বিজ্ঞানের কি কি নেওয়া যায়, কি কি বাদ দেওয়া যায় প্রভৃতি নিয়ে দোকান খুলে বসেছে। অনেকে আবার সিডি/ডিভিডি বা চটি বইয়ের ব্যবসাও করে থাকেন।


আমাদের ব্লগীয় কিছু এছলামী ব্লগার ও নাস্তিকতা নামক ধর্মে বিশ্বাসী ব্লগার উভয় গ্রুপই ঐ সব ওয়েবসাইট থেকেই ডাইরেক্ট কপিপেস্ট মারেন। ধর্ম সম্পর্কে যদি কারো প্রশ্ন থাকে তবে নিজেই তার উত্তর খোজ চেষ্টা করা উচিত। ওদের রেফারেন্স মত চলে বিভ্রান্ত হওয়া খুবই ক্ষতিকর। এটা আস্তিক ও নাস্তিক (যারা কোন সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করেন না তাদের কথা বলছি, নাস্তিকতা ধর্মে বিশ্বাসীদের কথা বলছি না) উভয়ের ক্ষেত্রেই সত্য। অহেতুক অর্ধ শিক্ষিত মোল্লা-মুন্সি বা প্রোপাগান্ডাকারি নাস্তিকতা ধর্মে বিশ্বাসীদের সাথে তর্ক করে সময় নষ্ট করার কোন মানে নাই। কারন তারা এসেছে ব্যবসা করতে।


গোয়েবলস সত্যিই জ্ঞানী ছিলেন, কিন্তু জ্ঞানের দায়িত্ব নেবার যোগ্যতা তার ছিল না। ফলশ্রুতিতে, তার জ্ঞানের খেসারত আমাদের আজো দিতে হচ্ছে। তিনি যদি একই তত্ত্ব সত্য প্রচারে ব্যবহার করতেন তবে হয়ত আজকের বিশ্ব অন্যরকম হতে পারত। তাই বলি লেখাপড়া শেখাবার সাথে সাথে এটা আমাদের উপর যে অতিরিক্ত দায়িত্ব অর্পণ করে তা বুঝানোও জরুরি, নইলে জ্ঞানের অপব্যবহার চলতেই থাকবে।


(আমার যা বলার তা বললাম, এখন যার যা ইচ্ছা বলতে থাকেন।)

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গোয়েবলসনাস্তিক; আস্তিক; যুক্তি; ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার কথা  বিভাগে ।

 

  • ৭৮ টি মন্তব্য
  • ৬৪৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৮ জনের ভাল লেগেছে, ১১ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:১৮
comment by: প্রণব আচার্য বলেছেন: পড়ে পড়বো.. ধীরেসুস্থে পড়তে হবে
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৩

লেখক বলেছেন: কি অবস্থা!!!

২. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:১৯
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: পেইড ব্লগার রা পেমেন্টের রেট বাড়াবার জন্য বহু নাটকই করবে..ঈদের ছুটিতে জমজমাট নাটক দেখলাম দুই ব্লগ মিলে। জীবনে কিছু এরা পাক বা না পাক..ব্লগে আলোচনা তো পাচ্ছে..
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৫২

লেখক বলেছেন: ...........সেটাই কথা..............

৩. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:২৪
comment by: রাজামশাই বলেছেন:

পড়লাম এবং প্লাসাইলাম
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: শুকরিয়া

৪. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:২৮
comment by: আউলা বলেছেন: বলছি ভালই বলেছো।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: হুম..............ধন্যবাদ।

৫. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:২৮
comment by: অচন্দ্রচেতন বলেছেন: অতিরিক্ত লম্বা লেখা (পড়তে পড়তে হাপায় গেলাম) আর একটু অতি-সরলীকরণ হয়ে গেছে মনে হচ্ছে।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৩২

লেখক বলেছেন: আমি জটিল লেখা লিখবার মত জ্ঞান রাখি না।

৬. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:২৯
comment by: সিহাব চৌধুরী বলেছেন:
আগুন পোস্ট ।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: :|

৭. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৪৯
comment by: ফিউশন ফাইভ বলেছেন: জ্ঞানীর ভেক নিয়ে বিস্তর বাক্যব্যয় করে শেষপর্যন্ত ওই একই কথা, ওই একই খুৎবা। মাইনাস।
০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৫১

লেখক বলেছেন: খুৎবাতো আরবী ভাষায় দেয় হুজুররা, আমি তো মাতৃভাষায় লিখলাম।

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৩২

লেখক বলেছেন: আচ্ছা মনে পড়েছে, আমি তো আপনারেই গোয়েবলসরে গুরু মাইনা হওয়া সাংবাদিক বলছিলাম, তাই না?

সরি আপনের গুরুরে দোষারোপ করার জন্য। তবে হ্যা তার প্রশংসাও কিন্তু করছি।

৮. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৯
comment by: নরকের পাপী বলেছেন: ফাটাফাটি!!! সরাসরি প্রিয়তে! মনের কথা। কপি পেস্ট নাস্তিকগুলা না বুইঝাই পপুলারিটি পাইতে চায়।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:১৮

লেখক বলেছেন: কোন কিছু বুঝা বড়ই কঠিন!!

৯. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২৯
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: নেট থেকে না বুঝে কপি পেস্ট করা বিপদ জনক... কোন সন্দেহ নাই। চমৎকার লেখা বিবর্তনবাদী.... অনেক ধন্যবাদ।

প্রিয় পোস্টে গেল.......
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২০

লেখক বলেছেন: হা হা হা ঠিক বলেছেন। ...........নেট থেকে না বুঝে কপি পেস্ট করা বিপদ জনক... কোন সন্দেহ নাই........... সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। :)

১০. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৩
comment by: সাইফুর বলেছেন: প্রিয়তে...

কিছু নাস্তিক কে দেখি ব্লগে শুধু মাত্র নাস্তিকতা প্রচারে থাকেন...
অন্য কোন পোষ্ট সহজে যেতে দেখিনা..ব্যাপার টা কেমন জানি লাগে
ব্লগে কি নাস্তিকতা প্রচারেও এসেছেন উনি?
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: তাহারা নাস্তিক ধর্মের প্রচার ছাড়া আর কিছুই বুঝেন না। এমনিতে ব্লগে দেখা যায় না। যেই কারো ধর্মীয় পোস্ট আসে তখনই খবর যায় এবং কপিপেস্টের ঝুড়ি হাতড়াইতে বসে।

এরা সত্যিকারের ব্লগার হইলে অন্য কিছুও লিখত। এরা নাস্তিক ধর্মে ধর্মান্ধ।

১১. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৮
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন... +++
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৪৮
comment by: মোঃ আমিন বলেছেন: আমার মনে হ্য় এতোদিনের আস্তিকতা নাস্তিকতা নিয়ে ব্লগ গরম করা আর পরিবেশ নষ্ট করা মনমানষিকতার উপসংহার হতে পারে আপনার লেখাটি। এক কথায় চমৎকার।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: ব্যবসায়ীকে আর যাই বলুন তার ব্যবসা ছাড়বে না কখনই। কারন তাতেই তার বাসায় চুলা জ্বলে।

১৩. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২২
comment by: ভাঙা চাঁদ বলেছেন: ঠিক আছে, আগুন।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: ওকে।

১৪. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪৯
comment by: নাজমুল। বলেছেন: অপনাকে অনেক ধন্যবাদ। সুন্দর পোস্ট। প্রিয়তে রাখলাম। +
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৫. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৩
comment by: শয়তান বলেছেন: গোয়েবলসের তত্ব ব্যবহার সবাই ই করে ।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: তবে কেন তাকে এত অপবাদ দেওয়া। তারে সবাই ফলো করব আবার তারেই নিন্দা করব এতো অন্যায়।

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: আবার এটা হয়ত তার জ্ঞানপাপি হবার শাস্তি। তার তত্ত্বের ব্যবহার হবে, কিন্তু সে নিন্দিতও হবে।

১৬. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩০
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: পড়ে উপলদ্ধি করলাম গোয়েবলস তত্ব কিভাবে ধর্ম আত্বস্থ করেছে। এই তত্বের জোরেই তো ১০০০ বছর ধরে যুক্তিহীন, অপ্রয়োজনীয় সংস্কার আজও ধারন কইরা আছে, এমনকি বিবর্তনবাদীরাও। তা না হলে তালিবান, জেএমবি, হুজি আর লাদেনদের এত অনুসারী ক্যামনে হইলো।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: ১০০০ বছর আগে বিশেষ কোন সংস্কার হয়েছিল কি, যখন গোয়েবলস ভূমিকা রেখেছিলেন!!


এর একটা কথা বলে রাখা ভাল। বিবর্তনবাদী দুই প্রকার। প্রথম প্রকার হচ্ছে আসল বিবর্তনবাদী তারা মূলত আগের যুগের প্রকৃতি (যেমন ডারউইন) বিজ্ঞানী বর্তমান যুগের আনবিক জীববিজ্ঞানি (মলিকুলার বায়োলজিস্ট)।



আর এক গ্রুপ হল অর্ধশিক্ষিত বিবর্তনবাদী। এরা বিবর্তনবাদকে বিজ্ঞানের বাইরে নিয়ে গোয়েবলসের তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যবসায়িক কাজে লাগায়। অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী প্রবাদটি দ্বিতীয় শ্রেনীর বিবর্তনবাদীর ক্ষেত্রে খুব খাটে। এরা শুধু বিবর্তনবাদীই নয়, এরা স্টিফেন হকিংস এর "ব্রিফ স্টোরি অফ টাইম" পড়ে নিজেদের মহাকাশ বিজ্ঞানীর চাইতে কোন অংশে কম ভাবে না।

আশা করি বুঝিয়াছেন কি বলিলাম।

১৭. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪৪
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

পোস্ট ভালোইছে খুব । থ্যাঙ্কু ।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫১

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু।

১৮. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪৮
comment by: শয়তান বলেছেন: তাইলে ভুল বলি নাই । তাই না ? :)
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন: আপাতত মনে হইতেছে ভুল কন নাই;)

১৯. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫৯
comment by: দিশাহারা ওমর সোলাইমান বলেছেন: ছাগু মুখদিছে বইলা কিছু কইলাম না।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০১

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে।

২০. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:০৭
comment by: নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: ১০০ তে ১১০।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:০৯

লেখক বলেছেন: হুম।

২১. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:১৬
comment by: নকীবুল বারী বলেছেন: চমেৎকার
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:১৯

লেখক বলেছেন: :)

২২. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:১৪
comment by: ধীবর বলেছেন: দ্বিমত করার মত কিছু পেলাম না। সাবলিলভাবে লেখাটি বেশ ভালো লাগলো। বিবর্তনবাদিকে অভিনন্দন। প্লাস।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৪১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও অভিনন্দন।

২৩. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৩৬
comment by: কোলাহল বলেছেন: প্লাস দিয়ে ফেললাম।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৪১

লেখক বলেছেন: ওকে।

২৪. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:১৯
comment by: নিরক্ষর বলেছেন: সরাসরি প্রিও তে ও প্লাসাইলাম।
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৮:৪২

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে। অনেক ধন্যবাদ।

২৫. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৯
comment by: নরকের পাপী বলেছেন: নাস্তিকতার মানে হওয়া উচিত ঈশ্বরের বিপক্ষে অবস্থান। কিন্তু ব্লগের কপি-পেস্ট নাস্তিকদের লাফালাফি দেখে মনে হয় নাস্তিকতের মানে ইসলামের বিপক্ষে অবস্থান। এর একটা কারণও থাকতে পারে। ইসলামের বিপক্ষে লেখা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সহজলভ্যতা, এতে পড়াশুনাটাও করা লাগে না আর ঈসমার্টও হওয়া যায় আর সাথে সাথে জুটে যায় কিছু ভোদাই টাইপের মোসাহেব। যারা স্বল্প চকমকিতে আভিভূত হয়ে পড়ে।

গোয়েবলসীয় দর্শনের ছাত্র, ব্লগের পেইড নাস্তিকদের এই পোস্টে মুখ দিতে দেখলাম না। আফসুস!!
০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:০৬

লেখক বলেছেন: সহমত।

২৬. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১০
comment by: তারানা_শব্দ বলেছেন: প্লাসে প্লাসে প্লাস
১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: ওকে

২৭. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩১
comment by: ঠাকুর বলেছেন: হ ! তোমারে কইছে

"অথচ, বিগত ১৪ শত বছরে ইহুদিরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই স্বাধীনভাবে নিজেদের ধর্ম পালনের সুবিধা পেয়েছে মুসলমানদের থেকে।"
১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: আমি তোমার মত এর ওর কথা কওয়া শুইনা লিখি না।

২৮. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৯
comment by: ঠাকুর বলেছেন: তা তুমি কই থাইকা লেখ ? ১৪০০ বছর ধইরা কি তুমি জীবিত ছিলা ?
নিজ চক্ষে দেখছ ?

সবাই কারো না কারোটা শুইনাই লেখে । তুমার সব বড় বড় কথার শেষ কথা, তুমি যারটা শুইনা লেখছ হেরটা ঠিক, আর আরেকজন যারটা শুইনা লেখছে হেরটা ভুল ।
১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: ঠাকুরদা, দুই লাইন ইতিহাস পর তারপর কথা কও। মন খুইলা কথা কও।

তবে একটা শুধু অনুরোধ আর যাই হও দুষ্টলোক হইয় না। ওকে।

২৯. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০২
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: @ ঠাকুরদা - ২৯ নম্বর কমেন্টের উত্তর এডিট করার উদ্দেশ্যে মুছতে গিয়া ভুলে কমেন্ট মুইছা গেছে। তাই দুঃখিত। অনুগ্রহ করে আবার কমেন্ট করুন।

নমস্কার।

তবে আপনি আমাকে ঐ কমেন্টে বলেছিলেন আমার লেখার মান জনৈক ওয়াজকারির চাইতে খারাপ। উত্তরে বলি কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ, ভবিষ্যতে উন্নত করার চেষ্টা করব।

আপনি বলেছিলেন, আমার মত কিছু যুক্তি বাদি পেয়ে আমি ফুলতাছি, তাই রয়ে সয়ে চলতে বললেন। একটা কথা বলে রাখি, আমার কি করে চলতে হবে তা অন্য যুক্তিবাদির উপস্থিতির উপর নির্ভর করে না। নিজের বলে চলার ক্ষমতা রাখি। বুঝলেন!!!

তাই কমেন্টো করবেন রয়ে সয়ে!! ওকে!
৩০. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৫
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: আর একটা কথা ঠাকুরদা। এই পোস্ট দেবার অনেক পরে এসে কমেন্ট করছেন আপনি। যেহেতু পছন্দ না, তাই মাইনাস দিলেন না কেন।

আগে যেই নিক দিয়ে মাইনাস দিয়ে গেছিলেন, তাতে কমেন্ট করার সাহস হইল না?
৩১. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:১৩
comment by: ঠাকুর বলেছেন: পিলাস মাইনাস নিয়া আমি পুন্দাপুন্দি করি না ।

আমার আগের নিক ছিল দুরের পাখি । ঐটা ব্যান খাইছে বহুত আগে । আর কুনো নিকে আমি এই পুস্টে আসি নাই । ঐ নিকটা ব্যান খাওয়ার পরে দুস্কে সামুতে আসা অনেক কমাইয়া দিছি । তাই দেখিনাই এই পুস্ট ।
১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: এখন তাইলে দুস্ক কমছে? স্বাগতম এগেইন।

৩২. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৩
comment by: ঠাকুর বলেছেন: (২৯ নাম্বার কমেন্ট পুরাটা তো মনে নাই । যাইহোক, যদ্দুর মনে আছে লিখি)



দুই লাইন ইতিহাস পইড়াই লেখা শুরু কর নাকি তুমি । আর তুমি যিডা লিখলা তা দেইখা মনে হইল তুমি নছিম হিজাজীর ইতিহাস পইড়া লেকতাছ । তাগোডা পইড়া লেকলে এরহম লেকাই হইব । সিভাবে লিকার ইচ্চা আমার নাই ।

আর তুমার লিকা তো মনে হইল হাবিবুর রহমান যুক্তিবাদীর ওয়াজের কপি-পেস্টের চাইতেও খারাপ । যুক্তিবাদী অন্তত মোহাম্মদের সময়ে যে ইহুদীরা দৌড়ের উপ্রে আছিল সেটা স্বীকার করে ।

পাইছও কয়েকটা যুক্তিবাদীর চ্যালা এই ব্লগে তাই ফুলতাছ ঠিকাচে কিন্তু রয়ে সয়ে, রয়ে সয়ে ।

ইহুদীরা যে ষড়যন্ত্র করতাছে এছলামের বিরুদ্ধে এটার কুনো পরমান আছে তুমার কাছে ? তাগো দুএকটা গুপন মিটিংএ কি তুমি ছিলা । নাইলে তুমি জানলা ক্যামনে, তারা এছলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কর্তাছে । পরমান না থাকলে চুপ কইর থাকন ই বালা ।

প্যালেস্টিন ইজরায়েলের সমস্যা বহুত জটিল । আমার-তোমার মত পাকনা ১০০০ জন সারা জেবন ভাইবাও কুনো কুলকিনার কর্তে পার্ব না । তাই হুট কইরা কুনো মন্তব্য না করনই বালা ।
১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: কিছু কথা উপরে কইছি। আর যা কইবার চাই তা হইল, ইহুদীরা যে এছলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতাছে সেইটা জানার জন্য উপাসনালয় হইতে বাইর হইয়া দুনিয়ার দিকে একটু নজর দিবার লাগে। সেইটা দেন, বুইঝা যাইবেন।

৩৩. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪৯
comment by: ঠাকুর বলেছেন: দুনিয়ার দিকে নজর দেয়ার অনেক কোনাকানা আছে, আপনি কোন কোনা থেকে দিবেন সেটার উপর আপনে কি বুঝবেন তা নির্ভর করবে । আমি যে কোনো থেকে দিব সেটার উপর আমার দেখা নির্ভর করবে ।

সেটা সমস্যা না আপনে যেটা দেখেন, বা যেটা বুঝেন । কিন্তু ঐটা বইলা বেড়াইতে গেলে কিছু ক্রেডিবিলিটি লাগে । সিটা ছাড়া কইলে পাগলের খ্যাচখ্যাচ আর আফনের কতার মইদ্যে কুনো পার্থক্য থাকবো না ।

আফনে কুনো রকম ডকুমেন্টেড উপাত্ত ছাড়া, ইহুদীদের বিরুদ্ধে কইলেন, আবার প্রোপাগান্ডার ও সমালোচনা কল্লেন ।

আফনেরডা কি তাইলে ?
১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: দুনিয়ায় কিছু ঘটনা আছে যেইগুলান ইউনিভার্সের ট্রুথ বলিয়া গন্য হইয়াছে। সূর্য পূর্বে উঠে এই কথা কওয়ার সময় ফিজিক্সের বুলি আউড়ান খুব জরুরী বিষয় নয়।

একাত্তরকে মুক্তিযুদ্ধ কইলে জামাতি যদি আইসা কয় ঐটা যে গৃহযুদ্ধ আছিল না সেইটা প্রমান না কইরা কেন মুক্তিযুদ্ধ কইলেন? তাইলে তারে উপাত্তের দিয়া বুঝান যাইব না, আপনে নিশ্চয়ই তা স্বীকার করবেন। নাকি?

৩৪. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১০:০৮
comment by: ঠাকুর বলেছেন: আপনি ও আপনার সমমনা কিছু লোক একটা ব্যাপারকে ট্রুথ বলে গন্য করেছে দেখেই সেটাকে ইউনিভার্সাল ট্রুথ বলে ধরে নেয়াটা একটা বালসুলভ মুর্খামি । ইহুদি-মোছলেম (বাদী-বিবাদী) এই দুই প্রজাতি ছাড়া আর সবার মধ্যে ১০০ ভাগ না হোক অন্তত ৯০ ভাগের উপর মানুষ যখন এছলাম সংক্রান্ত্ ষড়যন্ত্রের অভিযোগকে সঠিক বলে মনে না করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এটা কিভাবে ইউনিভার্সাল ট্রুথ হয়।

পশ্চিমা বিশ্বে বলে দেখুন, আপনার এই ইহুদিদের ষড়যন্ত্র তত্তের কথা । দেখেন কত জন আপনারে বাহবা দেয়, এখানকার মোছলেম কমিউনিটির মত ।

আর সূর্যের পূর্বদিকে উদিত হওয়ার উদাহরণটা আরেকটা আখাম্বা উদাহরণ । সূর্য গোপনে পূর্ব দিকে উঠে না সবাইকে দেখিয়েই উঠে ।
আর আপনি বলছেন ষড়যন্ত্রের কথা যেটা সংজ্ঞাগতভাবেই গোপন । গোপন জিনিস আপনে ক্যামনে জানেন সেটার জন্য প্রমান অবশ্যই দেখাতে হবে, কারন গোপন মানেই অন্যরা দেখতে পায়নি কিন্তু আপনি বা আপনারা কোনো না কোনোভাবে দেখে ফেলেছেন ।

গৃহযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধ ব্যাপারটা সংজ্ঞাগত ভুল-বুঝাবুঝির সমস্যা । এই আলোচনায় সম্পর্কবিহীন রেড হেরিং ।
১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:১০

লেখক বলেছেন: হা হা হা দাদা, এক কাজ করেন, আপনি বইসা বইসা ঈহুদীরা মুসলমানদের ক্লোজ ফ্রেন্ড এইটা প্রমান কইরা ফালান। তাইলেই প্রমান হইয়া যাবে, ইহুদীরা তাদের ফ্রেন্ডের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা করে না।

যাইহোক, আমেরিকা ইরাকে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে গেছে নাকি তেলসম্পদ দখল করতে গেছে সেটা জাতিসংঘের বড় বড় সব আদালতে প্রমান করতে গিয়া কোন লাভ নাই। তবে ইরাকি যদি আমেরিকার বারবার কপচানো সন্ত্রাসবিরোধী যুক্তির গান শুনতে থাকে আর প্রমান খুঁজতে থাকে যে আসলে তেল সম্পদ চুরির পায়তারা চলতেছে, ততক্ষণে তেলের ভান্ডার ফুরিয়ে যাবে।

গোপন সব ঘটনা উদ্ভঘাটনের ব্যাপারে আপনারই এক পোস্ট হতে কিছু কপি পেস্ট করতেছি, "যেকোনো প্রস্তাবনার প্রমানে শেষ পর্যন্ত যে ব্যাপারটি পুরো সিস্টেমের নির্ভরশীলতা রক্ষা করে তা হচ্ছে, প্রমানের ফলাফল সেট হতে হয় মানবিক ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য, এবং পুরো ব্যাপারটিকে হতে হয় পুনরাবৃত্তি-সম্ভবপর । পরমানুর ভেতরের গঠনের মডেলটিকে চোখে দেখা না গেলেও, সেটার সত্যতা প্রমানে ব্যবহৃত লাইম্যান বর্ণালী অবশ্যই ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য।" এখন কেউ যদি ইন্দ্রিয়কে বন্ধ রাখে এবং লাইম্যান বর্ণালী দেখতে না চায় তখন তার কাছে পরমানুর প্রস্তাবিত মডেল কল্পনা প্রসুতই মনে হবে। তাকে যতই কথাই বলা হোক না কেন, তার মনে হবে "কাল্পনিক প্রস্তাবনার প্রমানে আরেকটি কাল্পনিক ফলাফল সেটের প্রস্তাবনা" (আপনারই পোস্ট হতে নেওয়া)।

এহেন অন্ধ লোকের সাথে আলোচনা বৃথা। কারন সে নিজেই অন্ধ হওয়ায় অন্যকেউ অন্ধই ভাববে। তখন তার বিরক্তিকর কচকচানি শুনবার চাইতে, যেটা বলা সর্বোত্তম হবে তা হল, "আল্লাহহাফেজ" অথবা "নমস্কার দাদা, আপনি এখন প্রস্থান করুন" অথবা Get out from my blog। সেই সাথে তার পরবর্তী কচকচানিকে পাত্তা না দেওয়াটাই একমাত্র উত্তম পন্থা বলেই মনে হয়

৩৫. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৬
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: "লেখক বলেছেন: "আল্লাহহাফেজ" অথবা "নমস্কার দাদা, আপনি এখন প্রস্থান করুন" অথবা Get out from my blog। সেই সাথে তার পরবর্তী কচকচানিকে পাত্তা না দেওয়াটাই একমাত্র উত্তম পন্থা বলেই মনে হয়।"

হেঁ, হেঁ, ইস্টাইলটা তো হিটলারী হইয়া গেল।

"লেখক বলেছেন: তবে ইরাকি যদি আমেরিকার বারবার কপচানো সন্ত্রাসবিরোধী যুক্তির গান শুনতে থাকে আর প্রমান খুঁজতে থাকে যে আসলে তেল সম্পদ চুরির পায়তারা চলতেছে, ততক্ষণে তেলের ভান্ডার ফুরিয়ে যাবে। "

ইরাকী পাবলিক এই ভোন্দা ক্যা? বিবর্তনবাদীও বুঝে আর সংখ্যাগরিষ্ট ইরাকীরা বুঝে না! ;)

সারা দুনিয়া মুচলমানগো গোয়া মারে আর তাগো নেতারা আমেরিকা, ম্লেচ্ছদের এত ভাল পায় ক্যা? X(

মুসলমানগো শত্রু তারা নিজেরা, তাগো কুপমন্ডুক, বর্বর দর্শন।


১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:৩৫

লেখক বলেছেন: হা হা হা,

মজা পাচ্ছি। ঠাকুরদা আপনার কয়টা নিক। একে একে বলি ওকে।

ব্লগিয় নাস্তিকদের সাম্প্রতিক আচরণে আমি দেখলাম আরিফুর রহমান, ক্যাচাল ওরফে সুশীল সমাজের সাথে ফাও গ্যাজানোর কোন যুক্তি নাই। তাই ওদের ব্লক করলাম। নাস্তিকের ধর্মকথাকে কিন্ত ব্যান করি নাই, কারন সে যাই কপি পেস্ট করুক না কেন জানিনা তারে আমার ভালই লাগে।

তো আমি ঠাকুরের সাথে গ্যাজানোর আগ্রহ বোধ করলাম না। তাই তারে খুদাপেজ দিয়া ব্লক করলাম। তারপর ঠাকুরদা আসল দ্বিতীয়নাম নিকে। এখন তারেও ব্লক মারুম। দেখি এরপর কোন নিকটা অন করেন।




মুসলমানগো শত্রু তারা নিজেরা, তাগো কুপমন্ডুক, বর্বর দর্শন।

দাদা কিন্তু ধরা পইড়া গেলেন। তবে আপনেদের সবার একটা কমন দিক হইল আপনেরা সবাই নাস্তিক। আর নাস্তিকেরা যে ইহুদিগো ভালা পায় তা এইমাত্র প্রমান হইয়া গেল। সেই কথাটাই আমি বলতে চাইছিলাম। আপনে নিজে প্রমান খুজতে আইসা প্রমান রাইখা যাওনের জন্য ধন্যবাদ।

৩৬. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ২:২২
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: ক্যাচাল/সু-শীল সমাজ/ঠাকুর, দ্বিতীয়নাম ওরফে ব্লগ অশান্ত করে ব্যবসা করা দাদা আপনার পরবর্তি নিকের অপেক্ষায় রইলাম।
৩৭. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:০০
comment by: মাথাগরম বলেছেন: কষ্ট করে লিখাটা পড়লাম আর সব গুলা মন্তব্য পড়লাম। কিন্তু এটাও বুঝলাম এখণ কড়া কিছু এখানে লিখলে তুমি ভাববা আমিও ঠাকুর।তাই বলার যা ছিলো তা মনে মনে রেখে চলে গেলাম।কিন্তু তোমার এই ধারোনা ঠিক না।তোমার মতের সাথে মিলে এমন লোকের দল বড় আর ঠাকুরের মতের সাথে মিলে এমন লোক কম।বরং সবাই একজন (শুধু বিভিন্ন নিক) এটাও ঠিক না।আমি নাস্তিক না কিন্তু তোমার লেখার সাথে পুরো পুরি একমত না।আর রচনা লিখার অভ্যাস ছাড়....।ফালতু টাইম নষ্ট।
১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৮

লেখক বলেছেন: এখানে মতের মিলের কি আছে?? আর দল বড় ছোটরই বা প্রশ্ন আসে কোথা থেকে। ঠাকুরকে যা জবাব দেবার তা দিয়েছি।

আর আমার মতের সাথে কারো মত মিলুক বা না মিলুক তাতে আমার কিছু আসে যায় না। মত মিলবে তার লোকে বাহাবা দিবে এই উদ্দেশ্যে আমি ব্লগে ঢুকি না। বাস্তব জীবনে বাহবা দেবার অনেক লোক আছে।

রচনা লিখার অভ্যাসটা খুব খারাপ বলে মনে হয় না। সেই স্কুল জীবন থেকেই এই অভ্যাস গড়ে উঠেছে, বিধায় এর পিছনে টাইম নষ্ট না করাটা কষ্টকর।

ধন্যবাদ।

৩৮. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৮
comment by: মাথাগরম বলেছেন: আমারে ব্লক করেন নাইতো???
১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৫

লেখক বলেছেন: নইলে কমেন্টাতেন কেমনে? :)

দেখুন আগে আমি এক জাতের ব্লগারকে ব্লক করতাম, যারা গালাগালি করে। এর পেছনে নিশ্চয়ই কারন দর্শানোর দরকার নাই।

ইদানিং নতুন একটা গ্রুপ যোগ হয়েছে। যাদের উদ্দেশ্য ব্লগে অস্থিরতা সৃষ্টিকরে বানিজ্যিক স্বার্থ উদ্ধার। তাদের পেছনে সময় দিয়ে, তাদের স্বার্থ হাসিলে অবদান রাখতে আমি আগ্রহী নই। তাই সেই গ্রুপের ব্যক্তিদের নিকগুলোকেও ব্লক না করার তেমন কোন কারন পাচ্ছি না।

ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

৩৯. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৩৩
comment by: সাইফুর বলেছেন: দেখলাম..বুঝলাম...এরকমই...হয়....
আর কিছুই বললাম না....
১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:৪৯