টিপাই মুখে বাঁধ: কালের কাছে এক বাঙালির স্বীকারোক্তি
২৬ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:২৯
টিপাইমুখ গড়িয়ে অনেক পানি সুরমা কুশিয়ারা হয়ে মেঘনায় গড়াল। তবে এই বোধ হয় ইতি। প্রথমে স্রোতে পড়বে টান, তারপর পানির পরিমানে তারপর শুধু ধুঁ ধুঁ বালুচর। একেবারেই হারিয়ে যাবে অনিন্দ সুন্দর প্রকৃতি, নদী কেন্দ্রিক বাংলা হয়ে যাবে স্মৃতি। ভাবতে কষ্ট হয়, নদী বিহীন এই বিশ্বের বুকে কোন বাংলার অস্তিত্ব!
আজপর্যন্ত যা বুঝলাম, তার সারমর্ম হল টিপাই মুখে একটি বাঁধ বা কারো কারো ভাষায় ড্যাম হতে চলছে। এটা হবেই, আমরা যাই বলি না কেন। আমাদের জাতির মহান নেতা শেখ মুজিব। তিনি ভারতের ফারাক্কা বাঁধ নির্মানে সম্মতি দিয়েছিলেন। বাংলাদেশের প্রতি শেখ মুজিবের দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন তোলার ক্ষমতা আমার নেই, তাই ধরে নিচ্ছি ভারতের প্রতি সরল বিশ্বাসেই তিনি ফারাক্কায় বাধ নির্মানে সম্মত হন। এই সম্মতির ফলাফল যে ভয়ংকর হবে তা সেদিন মাওলানা ভাসানী বুঝতে পেরেছিলেন বলেই হয়েছিল তার ঐতিহাসিক লংমার্চ। তিনিও এ জাতির এক মহান নেতা। শেখ মুজিবের ভুল বিশ্বাস, মাওলানা ভাসানীর ব্যর্থ প্রচেষ্টা সর্বোপরি আমাদের অসাড়তার ফলাফল আজ গড়াই নদী ইতিহাসের পাতায়, পদ্মার বুকে বালুচর।
সেদিন শেখ মুজিবের সামনে বাঁধের ভয়াবহতার এবং ভারতের চুক্তিভঙ্গের কোন উদাহরণ ছিল না। অথচ, আজ সংসদের তিন চতুর্থাংশ আসন জয় করে ক্ষমতায় অসীন বঙ্গবন্ধু কন্যার কাছে পিতার আমলের ভুল সিদ্ধান্তের উদাহরণ আছে। অথচ, তিনি, তার দেশপ্রেমিক মন্ত্রী, এমপি (কেউ কেউ বীর মুক্তিযোদ্ধা) তারা কেউই ফারাক্কা বাঁধের ভয়াবহতাকে আমলে নিচ্ছেন না। চোখের সামনে মরা পদ্মা রেখে যারা আজ টিপাই মুখ সমর্থন করে গলাবাজি করছেন তাদের উদ্দেশ্য সৎ বলে ধরে নিতে ব্যর্থ হলাম। সরকারই যখন দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিতে বদ্ধপরকর তখন আম জনতা আর কি করতে পারে। হায়! এখন ভাসানীর ন্যায় কেউ আর নেই। বিএনপি প্রতিবাদ করছে, কিন্তু সেটাতো নাকি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে! মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হওয়া এই বঙ্গদেশে আমরা দেশপ্রেমিক জনগন বিএনপির ফাঁদে পা দিয়ে টিপাই মুখের বিরোধিতা করে তো আর রাজাকার সীল লাগাতে পারি না! টিপাই মুখে বাঁধ হবে বা হয়ে যাচ্ছে। বাঁধের নয়নাভিরাম দৃশ্য উপভোগ করতে যাচ্ছেন দেশপ্রেমিক (!) আওয়ামী প্রতিনিধি দল। ফিরে তারা বলবেন, “চিন্তার কিছু নেই, সুন্দর বাঁধ হচ্ছে। দেশ এগিয়ে যাবে”। “দেশ” বলতে কোন দেশ বোঝাবেন তা ইতিহাস সাক্ষীদেবে।
আন্তর্জার্তিক আইন, পানি বন্টন, নদীর পানির ইউনিট কিউসেক, বাঁধ বা ড্যামের পার্থক্য এত কিছু আমি বুঝি না। শুধু বুঝি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা পড়লে, দু’তীরে হাজার হাজার বছর ধরে গড়ে উঠা প্রাকৃতিক সম্পদ, জনজীবন সব বিনষ্ট হবে। বরাক নদী হতে বাংলাদেশে সৃষ্টি হয়েছে সুরমা আর কুশিয়ারা, এ দুটো মিলে মেঘনা নদী। মানুষের লিখিত ইতিহাসে বাংলাকে প্রথম পরিচিত করে মেঘনা নদী। টলেমি লিখে গেছেন, সম্রাট আলেকজান্ডার সেই মেসিডোনিয়া হতে ভারত পর্যন্ত জয় করে এসে বাধা পেয়েছিলেন তৎকালীন ভারতের গঙ্গাঋধি রাজ্যে, যা বর্তমান বাংলা। সামরিক বিশেষজ্ঞরা আলেকজান্ডারকে বর্ণনা দিয়েছিলেন গঙ্গাঋধির বিশাল হস্তিবাহিনীর। মেগাস্থেনাসের ইন্ডিকাতে বর্ণনা আছে, গঙ্গাঋধির বিশাল মাঘোন (আমাদের মেঘনা) নদীর কথা। যার এক তীর হতে অন্য তীর দেখা যায় না। দু পাশে প্রচুর ধান উৎপন্ন হয়, সেই ধান হতে তৈরি মদ খাওয়ানো হয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হাতিদের। এই হাতির ভয়ে আলেকজান্ডারের সৈন্যরা এগিয়ে যেতে অস্বীকার করলে, আলেকজান্ডার মেসিডোনিয়ার দিয়ে ফিরতি যাত্রা শুরু করেন। এসব ইতিহাসের সাক্ষি মেঘনা এবার হয়ত নিজেই ইতিহাস হবে।
পদ্মা, মেঘনা এই নদী গুলোই সব নয়। আছে এদের শাখা প্রশাখা। জালের মত বিস্তৃত এই বাংলার মানুষের সংস্কৃতি, সাহিত্য, আচার আচরণ সব কিছুরই ভিত্তি নদী। বাঙ্গালিকে নাকি শাসন করা খুব কঠিন। এরা নিজেই নিজের রাজা। ইতিহাসে কেউই বাংলাকে শান্তিতে শাসন করতে পারে নি। জালের মত এই অঞ্চলের ভুখন্ডগুলোকে নদী আলাদা করে রেখেছে। নদীর ভাঙ্গনে ভৌগলিক সীমারেখা কখনই স্থির হয়নি। বিধায় দৃঢ় কোন সামাজিক সংগঠনও আমাদের এই অঞ্চলে তেমন দেখা যায় না। শাসিত হতে আমাদের বড় ভয়। কেউ জোড় করতে এলেই আমরা বিগড়ে যাই। এবার মনে হচ্ছে বাঙ্গালি নামের পাগলা ঘোড়াকে বেঁধে ফেলা গেল। হাজার হোক ভারত বর্ষের এই জাতিটিই স্বাধীন দেশের অধিকারি।
আজ যারা ভারতের কাছে স্বেচ্ছায় মাথা নত করে টিপাই মুখ মেনে নিল তারা শুধু আগামী পাঁচ বছরের জন্যই অপরাধ করল না। তারা অপরাধ করল এই নদীর দ্বারা পুষ্ট হাজার হাজার বছর অতীতের এবং আগত ভবিষত্যের কাছে। আজ হতে হাজার বছর পর জন্ম নেওয়া বাঙ্গালিটি যখন নিঃশেষ হয়ে যাওয়া মেঘনার উপহার থেকে বঞ্চিত হবে, তার কাছে অপরাধী হবে এই বিশ্বাসঘাতকরা।
একাত্তরের রাজাকারেরা একাত্তরের অপরাধী। তাদের তৎকালীন যুদ্ধাপরাধের জন্য আমরা তাদের বিচার করার জন্য আইনের আশ্রয় নিতে পারি। কিন্তু যাদের অপরাধ কাল নিরপেক্ষ কোন আইনে তাদের বিচার করব? রাজাকারদের রাজাকার বলি কারন তারা স্বেচ্ছায় জন্মভূমির স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে বিশ্বাস ঘাতকতা করেছিল। আজকের এই বিশ্বাসঘাতকেরা কি স্বেচ্ছায় বিশ্বাস ঘাতকতা করছে না? তবে রাজাকার গালি এদের কেন দেব না?
দীর্ঘশ্বাস ফেলে, হতাশাভরে লিখতে হচ্ছে, নিকট ভবিষ্যতে সুরমা, কুশিয়ারা, মেঘনা আর এভাবে প্রবাহিত হবে না। তার বুকে রইবে ধুঁ ধুঁ বালুচর। তবে সময়ের কাছে সাক্ষি দিয়ে যেতে চাই, “আমি এই বিশ্বাসঘাতকদের সাথি ছিলাম না। মুক্তিযুদ্ধের বিশ্বাস ঘাতকদের যেমন আমি রাজাকার বলে ঘৃণা করেছি, তেমনি বাংলার বর্তমান বিশ্বাসঘাতকরাও রাজকার ভিন্ন আমার কাছে আর কিছুই না”।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): টিপাই মুখ বাঁধ, মেঘনা, সুরমা, কুশিয়ারা, আওয়ামী লীগ, রাজাকার ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার কথা, কারেন্ট ইভেন্টস বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
+। ভাই মহাজোট সরকার ভারতের আশীর্বাদে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছে। যে দীপু মণি ভারতীয় ২ টাকার সাংবাদিক যখন বাংলাদেশ কে বাফার ষ্টেট বলার পরও কোন প্রতিবাদ করে না, তখন মহাজোট থেকে ভারতের অন্যায়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ আশা করাটাই বোকামী। তাই চাই জাতীয় ঐক্য এবং তীব্র গণ-আন্দোলন। এ ছাড়া অন্যকোন পথ আমি দেখছি না। সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: জাতীয় ঐক্য কি করে আসবে??? জাতির একটা অংশতো বাধের উপকারিতা কত প্রকার ও কি কি তা প্রচারে ব্যস্ত।
বাঙ্গালীই বলেছেন:
ছিঃ ছিঃ ছিঃ, একথা বলতে নাই, দাদাবাবুরা রাগ করবেন তো!!!বড়ই আশ্চর্যজনক, আমাদের মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী কত সুন্দর করে মিথ্যা বলেন যে, গঙ্গাচুক্তি অনুযায়ী আমরা ঠিকমতই পানি পাচ্ছি!!!
পদ্মা শুকিয়ে এখন শুধু ধু ধু বালুচর। এটা যেন কর্তা ব্যক্তিদের চোখেই পড়ে না। মন্ত্রীরা কেমন করে পরিমিত পানি দেখেন!!! দেশের উত্তরাঞ্চল আজ মরুভূমি হতে চলেছে।
শুধু তাই নয়, সরকারে মন্ত্রীরা ভারতীয় সাফাই গান, "গঙ্গায় পানিই না থাকলে ভারত দিবে কোথা থেকে"। আশ্চর্য লাগে এরা কী স্বাধীন বাংলাদেশের মন্ত্রী, নাকি তারা মনে করেন যে দেশটা ভারতের কাছ থেকে লিজ নেয়া।
ভারত গঙ্গার পানি প্রবাহ ঘুরিয়ে দিয়ে গঙ্গার গতিপথ পরিবর্তন করে দিয়েছে। তারপর যখন অতিবৃষ্টিতে পশ্চিমবঙ্গ পানিতে ডুবতে বসে, তখন ফারাক্কার সবকটি গেট খুলে দিয়ে আমাদের উত্তরাঞ্চলকে ডুবিয়ে দেয়া হয়।
লেখক বলেছেন: আপাততঃ তারা লিজ নিয়ে ক্ষমতায় আছেন এটাই হয়ত মনে করছেন।
আমজনতার বেশ বড় অংশ কিন্তু এখনো আওয়ামী সিদ্ধান্তের পক্ষে গলাবাজি চালায়া যাচ্ছে। আমাদের দুর্ভাগ্য, ভারতের পা চাটি অথচ তাদের কাছ থেকে দেশপ্রেমের শিক্ষাটা কখনোই নিতে পারি না।
লেখক বলেছেন: সহমত
শুভ৭৭ বলেছেন:
দলাদলি বুঝিনা।বাংলাদেশের আরেক মরণফাঁদ টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণে বর্তমান শাসকগোষ্ঠীকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। এই ঐতিহাসিক ক্রান্তিকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সাহসের সাথে তার প্রতি অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্যে আমরা অনুরোধ জানাব।
ভারতকে টিপাইমূখ বাঁধ নির্মাণ বন্ধ করতে বাধ্য করে বঙ্গবন্ধু কন্যা বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে নিজের নাম লিখতে সমর্থ হবেন। বাংলাদেশের জনগণ শেখ হাসিনার দেশপ্রেমিক, নির্ভিক, সাহসী ভূমিকা দেখতে চায়। বঙ্গবন্ধু কন্যা এই ধরণের ভুমিকা রাখার যথেষ্ট যোগ্যতা রাখেন।
লেখক বলেছেন: স্বপ্নের জগতটা ঘুমের মাঝেই আনন্দ দেয়। ঘুম থেকে জেগে উঠুন। বাস্তব স্বপনের মত চলছে না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: চ্যাপেল বলেছেন, বাংলাদেশ এমনিতেও নাকি মেরুদন্ডহীন দল। তার জবাবে আমরা কিছু বলতে পারি নি।
এরপর দাদাবাবুরা বলবেন, বাংলাদেশ এমনিতেও একটা বিশ্বাসঘাতকদের জাতি। তখনও আমরা নিশ্চুপ রইব
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
Click This Link
এখানে একটা দারুন বিতর্ক চলছে। আপনাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: দেখছি
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
আমাদের দেশে সর্বজন শ্রদ্ধেয় লোভের উর্ধ্বে কোনো নেতা নাই। ভাসানী গেল, কেউ আসলো না। টিপাইমুখ নিয়া বুদ্ধিজীবীরা চুপ, কেউ কথাও বলে না। নেতারা যার যার পলিটিকাল ক্যারিয়ার নিয়া ব্যস্ত! এদেশে জন্মই আমাদের আজন্ম পাপ...
লেখক বলেছেন: ![]()
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
"পদ্মা, মেঘনা এই নদী গুলোই সব নয়। আছে এদের শাখা প্রশাখা। জালের মত বিস্তৃত এই বাংলার মানুষের সংস্কৃতি, সাহিত্য, আচার আচরণ সব কিছুরই ভিত্তি নদী"।তবে ফারাক্কা বাধের নির্মানকাজ সম্ভবত আইয়ুব খানের আমলেই প্রথম শুরু হয়েছিলো ৬৮ সালে; সিন্ধু নদীতে পাকিস্তানের বাঁধ দেওয়ার প্রতিবাদ।শেখ মুজিব সম্মতি সরলবিশ্বাসে দিয়েছিলেন নাকি কিছু করার নেই এইটা ভেবে দিয়েছিলেন, সেটা একটা প্রশ্ন বটে।
সরকারের বিরুদ্ধে আমার প্রধান অভিযোগ তার ভুমিকায় অসততা নিয়ে।তারা টিপাইমুখীর প্রভাব বোঝেনা; এইটা কোন পাগলকে বললেও হাসে।তারা বুঝেও না বোঝার ভান করছে এবং হুদাকামে পাব্লিকরে বেকুব বানানোর চেষ্টা করছে।
তারা হয় স্বীকার করে নিক আমরা এই বাঁধের বিপক্ষে কিন্তু শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে কথা বলতে আমরা ভয় পাচ্ছি।তার পরিবর্তে টিপাইমুখী নিয়ে ছলছাতুরী তাদের হাস্যকর করে তুলছে এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে এই ইস্যু তুলে টিপাইমুখী প্রতিরোধের যে ক্ষীণ সম্ভাবনা সেটাও নষ্ট করছে।
খুব বেশি তো না; আগামী নির্বাচনে হারই হয়তোবা এইটার সর্বোচ্চ প্রতিক্রিয়া।তার পরেরবার তো ঠিকই আসবো;তাই এই টিপাইমুখি যে বাংলাদেশিদের গলায় চিরদিনের ফাস হয়ে গেলো তা তাদের মাথায় আসে নি,আসে না, আসবে না।
লেখক বলেছেন: সেই আইয়ুব খানও ফারাক্কা বাঁধ নির্মান না করবার জন্য ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছিল। আর এখন জননেত্রী দেশরত্নের সাঙ্গোপাঙ্গরা কি করছেন??
আপনি বলতে চান আমাদের মহান নেতা, "কিছু করার নাই আল্লাহ ভরসা" এই চিন্তা করে ফারাক্কার সম্মতি দিয়েছিলেন???
"এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম" - "তোমাদের যা কিছু আছে তা নিয়ে তৈরি থাক" - "রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দেব" -----------
এই সব বানি যার মুখ হতে বেরিয়েছিল তাকে এরকম ঢাল তলোয়ার বিহীন নিধিরাম সর্দার ভাবতে বলবেন না আশা রাখি। অংক মেলানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: এককালে কত লোকের ফিলিংন্স উপচাইতে দেখলাম। কত কিছু না করতে পাইরা তাগো বুক ফাইটা যাইত। এখন তারা নিশ্চুপ এই জন্য না যে দাদাবাবুরা রাগ করবেন। তারা নিশ্চুপ কারন তাদের কাছে এইটা এখন আর ইস্যু না।
কাঙাল মামা বলেছেন:
অনেক কিছু জানলাম। হতাশায় মনটা ছেয়ে গেছে। নতুন প্রজন্ম কেনো দেশ শাসন করে না সেটাই মাঝে মাঝে ভাবি, তারা এটলিস্ট এইসকল বুড়াদের মত গর্দভ না !!! লেখক বলেছেন: এটা মনে করার কোন কারন নাই তারা পুরানো দিনের তাই বাধের গুরুত্ব বুঝতে পারছে না। তারা বিশ্বাসঘাতক, তবে গর্দভ নয় একেবারেই। গর্দভ হচ্ছি আমরা।
বল বীর বলেছেন:
অনেক ভালো লিখেছেন।
আমি একটা পোষ্ট দিয়ে ছিলাম। মাওলানা ভাসানী এবং টিপাইমুখ নিয়ে। কিন্তু পোষ্ট টি প্রথম পাতায় বেশী ক্ষণ ছিলো না! কারন....
মাথা নষ্ট নামের ব্লগারের ড.জাফর ইকবাল ম্যানিয়া এবং পোষ্টের বন্যায় ....
Click This Link
লেখক বলেছেন: দেখলাম।
বল বীর বলেছেন:
ফারাক্কা বাঁধের কারনে টিপাইমুখ নিয়ে কম বেশী প্রতিবাদ হচ্ছে যাই হোক তবে এশিয়ান হাইওয়ের নামে করিডোর নিয়ে দেশের মানুষ এমন কি সচেতন বুদ্ধিজীবিরা পর্যন্ত নিশ্চুপ!!
প্রস্তাবিত এশিয়ান হাইওয়ের রুট দিয়ে দেশের কোন উন্নতি হবে না।
বর্তমান সরকারের এশিয়ান হাইওয়ে নিয়ে ব্যস্ততা সত্যই রহস্যময়।
অথচ এখন ও ৮/১০ টি দেশ চুক্তিতে সাক্ষর করে নি! তবে আমাদের যোগাযোগ মন্ত্রীর অতি উৎসাহের কারন কিন্তু অজানা নয়। এক দিন এই এশিয়ান হাইওয়ের রুট ১,২ নিয়ে দেশের মানুষ ঠিকই কথা বলবে
হতাশা প্রকাশ করবে কিন্তু তখন কিছুই করার থাকবে না। রুট ৩ কোন ভাবে এশিয়ান হাইওয়ে নয়! যেটার শুরু এবং শেষ এই দেশে সেইটা কিভাবে এশিয়ান হাইওয়ে হয়?
আশাকরি আপনি এই বিষয়ে একটা পোষ্ট দিবেন।
লেখক বলেছেন: এশিয়ান হাইওয়েতো একটা রাস্তা। এতে উন্নতি না হোক, ক্ষতি আর কতটুকু হবে ভাই। নদী গেলে বড়জোড় খাল কাটতে পারবেন, নদী আনতে তো আর পারবেন না।
বল বীর বলেছেন:
আপনি আমাকে ভুল বুঝবেন না।
আমি অবশ্যই টিপাইমুখের বিরুদ্ধী তবে এশিয়ান হাইওয়ের নামে করিডোরের ও বিরুদ্ধে। জাতির সাথে প্রতারনা করে যাচ্ছে আমাদের মন্ত্রীরা।
ভারতীয় স্বার্থপন্হি অনেক গুলো ইস্যু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার সাথে সাথে আধা জল খেয়ে নেমে পড়েছে যা কোন ভাবে স্বাভাবিক নয় পুর্ব পরিকল্পনা ছাড়া।
১. দশট্রাক অস্ত্র মামলা।
২. টিপাইমুখ বাঁধ
৩. এশিয়া হাইওয়ের নামে করিডোর।
দশট্রাক অস্ত্র মামলা নিয়ে বর্তমান সরকার যত না সিরিয়াস ঠিক ততটুকু নিরব বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে! এমন কি মূল অপরাধীদের
চিন্হিত করার চেষ্টা ও নাই!! টিপাইমুখ বাঁধ বিরুদ্ধীদের নিয়ে মন্ত্রী এমপিদের বিদ্বেষ অনেকটা পিনাক রন্জনের মতো! আবার এশিয়ান হাইওয়ে নিয়ে তাড়াহুড়া রহস্যময়। চীন, থাইল্যান্ড, বার্মা গত সরকারের প্রস্তাবিত নেপাল/ভারত/বাংলাদেশ/বার্মা/থাইল্যান্ড রুট নিয়ে আগ্রহ দেখানোর পরে ও আমাদের সরকার নিরব!! অথচ ৪দলীয় জোট সরকার এবং ফখরউদ্দিন সরকার এই রুটের প্রতি চীন/বার্মা/থাইল্যান্ডের সমর্থনের জন্য অনেক চেষ্টা করে।
লেখক বলেছেন: আমি আপনাকে ভুল বুঝি নাই। আপনি যা বলতে চাচ্ছেন স্পষ্ট করেই তুলে ধরেছেন।
ধন্যবাদ।
জনৈক আরাফাত বলেছেন:
কিন্তু যাদের অপরাধ কাল নিরপেক্ষ কোন আইনে তাদের বিচার করব?
লেখক বলেছেন: এটাই তো প্রশ্ন বুদ্ধি বিক্রি করে যারা জীবিকা নির্বাহ করেন তাদের প্রতি
তানহা তাবাসসুম বলেছেন:
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: হ্যালো!!
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
বিবর্তনবাদী ভাই। অন্ধ আলীগ সমর্থক যারা আলীগের ক্ষুদ্রাংশ তারা বাদে সবাই টিপাই মুখী বাধের বিরোধী। তাই আমি মনে করি জাতীয় ঐক্য সম্ভব। তাই আশা হারালে চলবে না। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ভাই আমরা তো বিরোধীতা করতে এক্সপার্ট। কথা হল, আমাদের নেতৃত্ব দেবে কে?
লেখক বলেছেন: ওকে
লেখক বলেছেন: ওহ আচ্ছা
নরাধম বলেছেন:
এখানে আরেকটা জিনিস বলা দরকার, টিপাইমুখ বাঁধের কাজ কিন্তু বিএনপি-জামাত আমলে শুরু হয়েছে এবং আমরা তখন সরকারের পক্ষ থেকে কোন ইনিশিয়াটিভ দেখিনি, তখন তারেকগং দেশের সম্পদ লুটপাট করাতেই ব্যস্ত ছিল।
লেখক বলেছেন: প্রশ্ন তো সেখানেই।
ধরে নেই, বিএনপি জামাত নিজেদের শাসনামন ঝামেলা মুক্ত থাকতে ইনিশিয়াটিভ নেয় নাই। তারা এখন ইস্যু খুজতে অর্থাৎ নিজেদের স্বার্থে এর বিরুদ্ধে বলছে।
আওয়ামী লীগ তখন বিরোধী দল হিসেবে বাঁধ বিষয়ে কিছু বলে নাই। এখন সরকার পক্ষ হিসেবে বাঁধের পক্ষে ভারতের হয়ে সাফাই গাচ্ছে। তবে আওয়ামী লীগ কার স্বার্থ দেখে?
আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সব ক্রেডিটের দাবি করা আওয়ামী লীগ কি তবে,ভারতের দালালি করছে না?
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
@ নরাধম:
"টিপাই মুখ" বাঁধের পরিকল্পনা ১৯৭২ সালে|
তরেক গল্পের অবতারনা এখানে কোন কারনে...??
শয়নে স্বপনে জাগরনে শুধু তারেক দেখলে হবে....???
দেশ শাসন করতেছে বেহুলা সুন্দরী, তার দিকে মন দেন|
লেখক বলেছেন: নরাধমের কমেন্টের পরে একটা প্রশ্ন মনে জাগল। উত্তর খুজছি, জানা থাকলে বলে যাবেন প্লিজ।
ধরে নেই, বিএনপি জামাত নিজেদের শাসনামন ঝামেলা মুক্ত থাকতে ইনিশিয়াটিভ নেয় নাই। তারা এখন ইস্যু খুজতে অর্থাৎ নিজেদের স্বার্থে এর বিরুদ্ধে বলছে।
আওয়ামী লীগ তখন বিরোধী দল হিসেবে বাঁধ বিষয়ে কিছু বলে নাই। এখন সরকার পক্ষ হিসেবে বাঁধের পক্ষে ভারতের হয়ে সাফাই গাচ্ছে। তবে আওয়ামী লীগ কার স্বার্থ দেখে?
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
পোষ্টে প্লাস|উপায় নাই!
টিপাই মুখ|
করিডোর|
সী-পোর্ট|
বি.ডি.আর|
সেনা বাহিনী|
এই পাঁচের বিনিময়েই ২৭০ আসন| বা;লাদেশীরা বুজে বড় দেরিতে|
লেখক বলেছেন: এই দেশের নাগরিক হিসেবে অন্ধ বধির হব, সেটাই সবাই আশা রাখে।
যে কোন এক পক্ষকে সাপোর্ট দিয়ে, আমরা সবাই অন্ধ বধির হয়ে যাই।
সোনার বাংলা বলেছেন:
নরাধম@ দা তখন বিএনপি প্রতিবাদ করে নি সত্য তবে আ.লীগ বর্তমানের মতো তখন ও চুপ ছিলো।
বাংলাদেশের যে দলই সরকারের থাকে তারা ভারতের অন্যায়ের প্রতিবাদ করে না! আমার এখনো মনে আছে বাংলাদেশের মানবাধিকার সংস্হা অধিকার তথ্যমতে গত বিএনপি জামানয় ৫৭৫ জন বাংলাদেশী কে হত্যা করেছে বিএসএফ।
বর্তমান সরকারের গত ৫/৬ মাসে প্রায় ১৫০ জনের মতো হত্যা করেছে। কিন্তু দেশের যে সব বুদ্ধিজীবি মন্ত্রী এমপি টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে পিনাকের সাথে বিভিন্ন সেমিনারে বক্তিতা দিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে এ. কে আজাদ চৌধুরীরা অথচ তাদের কে যদি বলি আমাদের সীমান্তে কেন বিএসএফ এভাবে মানুষ মারে পিনাক কে একটু জিগ্গাস করেন...... তখন কিন্তু এই সব দেশপ্রেমিক বুদ্ধিজীবি পিচলাইবো ৭১রের রাজাকারদের মতো...... এ হইচে ঐ হইচে... এরাই আজকের দেশ প্রেমিক।
অনেক ভালো লিখেছেন বিবর্তনবাদী ভাই ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আওয়ামী লীগ কি এখন চুপ??? আমি তো তাদের ভারতের পক্ষে সাফাই গাইতে দেখছি।
সব শালারাই রাজাকার। দেশে শত্রুর স্বেচ্ছাসেবক। আমাদের জাতীয় সম্পদগুলো বাপ দাদার সম্পদ মনে করে। এরপর যখন জাতীয় অর্জনগুলোর ক্রেডিট নিতে চাইবে, তখন তাদের চাপায় জুতা মারতে হবে।
মামুনুর রহমান খাঁন বলেছেন:
বাংলাদেশ হিসাবমত পানি পাচ্ছে এই কথা হয়ত স্ট্যাটিসটিক্যালি ঠিক, কারন যে পানি প্রবাহ সারা বছর ধরে পাওয়ার কথা তা এক মৌসুমে অর্থাৎ বর্ষাকালে দেয়া হচ্ছে, বরং এই সময়ে পরিমানের চেয়ে বেশি পানি দেয়া হচ্ছে, যা মানুষকে ডুবিয়ে মারছে। কিন্তু তাতে এই দেশপ্রেমিক সরকারের কিছুই যায় আসেনা। সারাবছর আটকে রাখে বলে বর্ষাকালে পানি আটকে রেখে ভারত কি নিজে ডুবে মরবে নাকি? আপনাদেরও না কোন কান্ডজ্ঞান নেই, শুধু শুধু ভারতকে দোষারোপ করেন!!!আমাদের বাসা ছিল সুরমা নদীর পাড়ে। সুরমার পাড়ে আমার শৈশব, কৈশোর কেটেছে। বর্ষাকালে সুরমা প্রচন্ড স্রোতের একটা নদী। পানির গতি আর স্রোত একটা ভয়ঙ্কর জিনিষ। অথচ শীত কালে সুরমার পানি একদম থাকে না। আমরা হাটুপানি মাড়িয়ে নদীর ওপারে যেতাম ক্ষিরা ক্ষেত থেকে ক্ষিরা চুরি করার জন্য। কিন্তু টিপাইমুখ বাধ হয়ে গেলে সেই নদীর কি অবস্থা হবে ভাবতেই আমার গা শিওরে উঠছে। শীতকালে তখন এক ফোটা পানিও পাওয়া যাবে না। শুধু থাকবে ধূ ধূ বালি আর বালি। আবার বর্ষাকালে পানির ঢল সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে যাবে।
সরকারের কর্মকান্ড কিছুই ভাল ঠেকছেনা। কেউ টিপাইমুখ নিয়ে কথা বললেই হয়ে যায় জামাত।
আমরা পাকিস্তানের কাছ থেকে স্বাধীন হয়েছি কি ভারতের গোলাম হওয়ার জন্য?
লেখক বলেছেন: প্রশ্নটা এমন হলে কেমন হয়, "আসলেই কি আমরা স্বাধীন?"
নরাধম বলেছেন:
লেখক বলেছেন: প্রশ্ন তো সেখানেই।
ধরে নেই, বিএনপি জামাত নিজেদের শাসনামন ঝামেলা মুক্ত থাকতে ইনিশিয়াটিভ নেয় নাই। তারা এখন ইস্যু খুজতে অর্থাৎ নিজেদের স্বার্থে এর বিরুদ্ধে বলছে।
আওয়ামী লীগ তখন বিরোধী দল হিসেবে বাঁধ বিষয়ে কিছু বলে নাই। এখন সরকার পক্ষ হিসেবে বাঁধের পক্ষে ভারতের হয়ে সাফাই গাচ্ছে। তবে আওয়ামী লীগ কার স্বার্থ দেখে?
আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সব ক্রেডিটের দাবি করা আওয়ামী লীগ কি তবে,ভারতের দালালি করছে না?
আসলে এখানে বিএনপি-জামাত এবং আ'লীগের মধ্যে পার্থক্য নেই সেটাই আমি বুঝাতে চেয়েছি। বিএনপি এবং আ'লীগ সমানভাবে ভারতের পদলেহন করে, যদিও বিএনপি তাদের ভোটারদের কাছে সবসময় ভারতবিরোধী দেখাতে চাই, কিন্তু বাস্তবে তারা আ'লীগ থেকে ভারতের পদলেহন কম করেনা,বরং তাদের আমলে ব্যালান্স অব ট্রেড দেখলে বুঝা যায় তারা আরো এগিয়ে।
ভারতের সাথে এই ইস্যুতে আ'লীগ বা বিএনপি এদের কোনটার উপরই ভরসা করা যাবেনা। শুধু তাই না, আ'লীগ-বিএনপি না ভেবে এটাকে জাতীয় ইস্যু হিসেবে সবাইকেই সমানভাবে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থায় সরকার প্রায়ই বিভিন্নরকম ছাড় দেয় যা জনগনের স্বার্থের পরিপন্থী, আর আমাদের মত দুর্বল দেশ হলে তো কথাই নেই। এখন আমাদের নিজেদেরকেই সবাইকে এক হয়ে এবং ভারতের যেইঅংগরাজ্যগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হবে তাদেরকেও সংগে নিয়েই এগুতে হবে।
লেখক বলেছেন: এই ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকাই প্রধান, সাথে বিরোধী দল থাকলে আন্তর্জার্তিক পরিমন্ডলে দাবী শক্ত হবে। তখন কিছু আশার আলো থাকে।
আপাতত সরকার ভারতের সাফাই গাচ্ছে, যেই উদ্দেশ্যেই হোক বিরোধীদল প্রতিবাদ করছে। এমন অবস্থায় কি ঐক্য সম্ভব, আমি জানি না।
মগ্নতা বলেছেন:
ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
ক্ষমতার মোহে অন্ধ সবাই............।
লেখক বলেছেন: সবাই বিবেক বিসর্জন দিয়ে বসে আছে, সাথে আছে তাদের প্রতি আমাদের নির্লজ্জ সমর্থন
লেখক বলেছেন: ![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















