সোয়াইন ইনফ্লুয়েঞ্জা এ এইচ১এন১/০৯: যা কিছু জানা জরুরি (পর্ব ১)
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৬
![]()
সোয়াইন ইনফ্লুয়েঞ্জা বা সোয়াইন ফ্লু খবরের কাগজের এই শব্দগুলো টেনে নিচ্ছে আমাদের গভীরে যাবার জন্য। বিভিন্ন দেশে মৃত্যুর কিছু খবর পাওয়া যাচ্ছে, প্রতিদিন বাড়ছে সোয়াইন ইনফ্লুয়েঞ্জাতে আক্রান্তের সংখ্যা। পাল্লা দিয়ে কয়েকগুন বাড়ছে আতঙ্ক। কেউ বলছে অবস্থা সুবিধার না, কেউ বলছে রশ কম্পানির বানিজ্যিক প্রসারের একটা ধান্ধা এই আতঙ্ক। খবরগুলো আমরা পাচ্ছি খবরের কাগজ থেকে অথবা নিজেদের ধারণা নির্ভর আলোচনা থেকে। বিষয়টা Medical Microbiology বা আরো সুনির্দিষ্টভাবে বললে Virology সম্পর্কিত। হাওয়ায় ভেসে আসা নানা বিশেষজ্ঞের আলোচনা শুনে আতঙ্কিত হবার চাইতে, সব চাইতে ভাল হয়ত Medical Microbiology খানিকটা উল্টিয়ে পাল্টিয়ে দেখলে। আসুন দেখি বিজ্ঞান কি বলে।
ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস ঘটিত শ্বাসযন্ত্রের যে রোগ তাকে ফ্লু বলে। এই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের তিনটি ধরণ এ, বি ও সি। এদের মাঝে এ এবং বি মানুষের ফ্লু করে থাকে। বি শুধু মানুষের মাঝেই পাওয়া যায় অন্যদিকে ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাস মানুষ, পাখি, শূকর, কুকুর প্রভৃতি প্রানীতে থাকে। বিভিন্ন প্রানীতে পাওয়া ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাস একই নয়, বিভিন্ন রকম। যেমন মানুষের ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাস পাখিতে বাস করতে পারে না তেমনি পাখির ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাস মানুষে বাস করতে পারে না। প্রানীভেদে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের নামকরন করা যায়। যেমন Human influenza A, Avian Influenza A, Swine Influenza A প্রভৃতি। অর্থাৎ সবই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস কিন্তু পোষক হিসেবে প্রকৃতি ভিন্ন।
এবার আসুন ভাইরাসের একটু ভেতরে ঢুকি। সকল জীবের যেমন জেনেটিক মেটেরিয়াল বা নিউক্লিক এসিড (ডিএনএ বা আরএনএ) থাকে তেমনি ভাইরাসেরও থাকে। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের জেনেটিক মেটারিয়াল হল আর এন এ (RNA)। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসে মোট আট টুকরা আরএনএ থাকে। প্রতিটি হতে ভাইরাসের কনিকার বিভিন্ন অংশ এবং সংখ্যাবৃদ্ধির জন্য দরকারি প্রোটিন তৈরি হয়। ভাইরাস কনিকার পৃষ্ট একধরণের চর্বি জাতীয় পদার্থের আবরণে ঘেরা। এই আবরণ ভেদ করে হিমাগ্লুটিনিন এবং নিউরামিনিডেজ দুটি প্রোটিন বেরিয়ে এসেছে। আবরণে ঢাকা থাকায় আমাদের দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থা শুধু এই দুটি প্রোটিনকেই চিনতে পারে। ফলে, এই দুটোর বিরুদ্ধেই আমাদের দেহে প্রতিরোধকারি এন্টিবডি তৈরি হয়। বিভিন্ন প্রাণীর ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাসে মোট ১৫ টি হিমাগ্লুটিনিন (H1, H2, H3…….. H15 এভাবে প্রকাশ করা হয়) এবং ৯ টি নিউরামিনিডেজ (N1, N2, N3………. N9 এভাবে প্রকাশ করা হয়) চিহ্নিত করা হয়েছে। যদি কোন ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের হিমাগ্লুটিনিন হয় ১ এবং নিউরামিনিডেজ হয় ১ ধরণের তবে সেটাকে লেখা হয় Influenza A H1N1। মানুষের ইনফ্লুয়েঞ্জা যেমন Influenza A H1N1 হতে পারে তেমনি অন্য প্রানীর Influenza A ভাইরাসও Influenza A H1N1। তবে তারা এক ধরণের না। তাদের H1 বা N1 এর গঠনে পার্থক্য থাকে। অতএব, মানুষের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের H1 শূকরের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের H1 থেকে ভিন্ন হয়।
আগেই বলেছি, মানুষের Influenza A ভাইরাস পাখিতে বাস করতে পারে না তেমনি পাখির Influenza A ভাইরাস মানুষে বাস করতে পারে না। কিন্তু জীববিদ্যায় Absolute বলে কিছু নাই। শূকরের শ্বসনতন্ত্রে কিছু কোষ আছে যেখানে মানুষ ও পাখির Influenza A ভাইরাস ঢুকতে পারে। বলার অপেক্ষা রাখে না সেই সব কোষে শূকরের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস অবশ্যই ঢুকতে পারবে। এখন চিন্তা করুন, একটা বদ্ধ রুমে তিনজন ব্যক্তিকে পাঠানো হল নির্দিষ্ট জামা পড়তে। একজন, সাজবে রাজা, একজন রানী আর একজন জোকার। অন্যদিকে তিনজন ব্যক্তিতে তিনটি আলাদা রুমে পাঠানো হল রাজা, রানী ও জোকারের নির্দিষ্ট জামা পড়তে (এক এক রুমে এক এক রমন জামা রাখা আছে অন্যরকন নয়)। প্রথম ক্ষেত্রে, ভুলক্রমে রাজার জোকারের টুপি পড়বার বা জোকারের ভুলে রানীর জুতা পড়ে ফেলবার সম্ভবনা যতটুকু থাকবে, দ্বিতীয় ক্ষেত্রে সেটা থাকবে না। ইনফ্লুয়েঞ্জার ক্ষেত্রেও তাই, একই কোষে মানুষের, শূকরের, পাখির ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস বংশবৃদ্ধি করতে গেলে ভুল ক্রমে মানুষের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের ভেতর শূকরের বা পাখির জেনেটিক মেটারিয়ালের একটা টুকরা চলে আসার সম্ভবনা বেড়ে যায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সৃষ্টি হওয়া নতুন ভাইরাসটি বংশবৃদ্ধি করতে পারে না, কারন কম্বিনেশন ঠিক মত হয় না। তবে, যদি দৈবক্রমে কম্বিনেশন মিলে যায় তবে উদ্ভব হয় নতুন ভাইরাসের। ইদানিং আমরা একটা টার্ম নিশ্চয়ই শুনছি Antigenic shift, এই কম্বিনেশন মিলে গিয়ে নতুন ভাইরাসের উদ্ভব হওয়াই Antigenic shift।
এই পর্যন্ত আলোচনা হয়ত খুব কঠিন হয়ে গেছে। এখন একটু একটু করে সহজ করতে চেষ্টা করি। এককালে সিঁদেল চোর গায়ে তেল মেখে চুরি করতে আসত। আমরা ধিরে ধিরে তাদের পদ্ধতি ধরতে পারলাম এবং তেলতেলা চোর ধরার পন্থা বের করলাম। চুরি কমে আসল। হঠাৎ, একদিন এক চোর নতুন পদ্ধতি বার করল, যেহেতু এই পদ্ধতি আমাদের অজানা ছিল তাই আবার চুরি বেরে গেল। ইনফ্লুয়েঞ্জার ঘটনাও সেরকম। এই ভাইরাস আমাদের মাঝে সব সময়ই ছিল, আছে এবং থাকবে। মাঝে মাঝে আমরা জ্বর, সর্দিতে আক্রান্ত হই, গাঁ ব্যাথ্যা করে, ক্লান্ত লাগে। এগুলোই ফ্লুয়ের লক্ষণ। ভাইরাস জ্বরের প্রোকোপে পরি আমরা মাঝে মাঝে, অনেকেই আক্রান্ত হই। এগুলোকে কেউ একটা পাত্তা দেই নানা, কিন্তু বেশিরভাগই ভাইরাস ঘটিত বিশেষ করে ইনফ্লুয়েঞ্জা এ। যেহেতু এই ভাইরাসটি আমাদের মাঝেই সব সময় আছে, তাই আমাদের ইমিউন সিস্টেম ভাইরাসটিকে ভাল মত চেনে। ভাইরাস আসলেই ইমিউন সিস্টেম সক্রিয় হয়ে উঠে আমাদের রক্ষা করে। কিন্তু যদি ভাইরাসটি নতুন হয় যাকে আমাদের ইমিউন সিস্টেম (Immune system)চেনে না, তবে প্রতিরোধের অভাবে দেহ ভাইরাস দিয়ে আক্রান্ত হয়ে উঠতে পারে। এখন পরিস্থিতি কতটা খারাপ হবে তা নির্ভর করে ভাইরাসটি কতটা ক্ষতিকারক তার উপর।
১৯১৮, ১৯৫৭, ১৯৬৮ সালেই এরকমই নতুন ভাইরাসের উদ্ভব ঘটেছিল, এবং সেই ভাইরাসগুলো ছিল অত্যন্ত ক্ষতিকারক। বর্তমানে যে সোয়াইন ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাসের উদ্ভব ঘটেছে তা মানুষ, পাখি এবং শূকরের ভাইরাসের সংমিশ্রন। তবে আশার কথা এই ভাইরাসটি পূর্বের মত ক্ষতিকারক নয়। রোগ বিষয়ক আলোচনায় আমাদের একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, এমন কোন রোগ নেই যাতে মানুষ মারা যায় না (হয়ত ১০ কোটিতে একজন মারা যায়), আবার এমন কোন রোগ নেই যাতে সব মানুষ মরে যায় (হয়ত হাজারে একজন বেঁচে যায়)। সিজনাল ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের সংক্রমনে বিশ্বব্যাপি প্রতিবছর আড়াই থেকে পাঁচ লক্ষ মানুষ মারা যায়। নতুন সোয়াইন ইনফ্লুয়েঞ্জাও একই রকম। এটা নিয়ে ভয়ের কিছু নাই। খোদ আমেরিকাতেই যুগ যুগ ধরে প্রতিবছর ২০/২৫ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে।
কথা হচ্ছে তাহলে এই ফ্লু নিয়ে এত মাতামাতি কেন? কারন হল, এবারের সোয়াইন ইনফ্লুয়েঞ্জা A H1N1 খুব সম্প্রতি শূকর হতে মানুষে বংশবৃদ্ধির যোগ্য হয়েছে। অতএব, মানুষকে একই সাথে সোয়াইন ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং মানুষে বিরাজমান সিজনাল ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রমন করতে পারে। এই দুটি ভাইরাস যদি একই কোষকে আক্রমন করে তবে, উভয়ের সংমিশ্রনে নতুন একটি ভাইরাসের উদ্ভব হবার সম্ভবনা বেশী হয়। সেই নতুন উদ্ভব হওয়া ভাইরাসটি হতে পারে ১৯১৮ সালের মত ক্ষতিকর। আবার সেটি হতে পারে স্বাভাবিক ফ্লুয়ের মতই।
১৯১৮ সালের ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারির ধরনও এমনই ছিল। সেবার সেটার নাম দেওয়া হয়, স্প্যানিশ ফ্লু। প্রথমে নতুন ভাইরাস মানুষের মাঝে ছড়ায় আমেরিকাতে (কেউ কেউ বলেন চীনে)। সেটা খুব একটা ক্ষতিকারক ছিল না। কিন্তু কয়েকমাস পরে অর্থাৎ পরবর্তী সিজনে (এটাকে বলা হয় Second Wave) এই ভাইরাসই অত্যন্ত ভয়ঙ্কর রূপ ধারন করে। কারন আজও গবেষণাধীন। বিজ্ঞানীরা এই বিষয়টি নিয়েই চিন্তিত। যদি কপাল খারাপ থাকে হয়ত পরবর্তী সিজনে (আগামী নভেম্বরের দিকে) ভয়ঙ্কর রূপে ফ্লুর আবির্ভাব হতে পারে। যদি তেমন না হয়, তবে চিন্তার কিছু নাই। কারন ততদিনের মানব সম্প্রদায়ে এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি হয়ে যাবে।
যে কোন পদার্থেরই নির্দিষ্ট ধর্ম থাকে। ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাসের ধর্ম হল, এর নতুন কোন রূপ উদ্ভব হবার পরে প্রায় বছর খানেকের মাঝে এটা বিশ্বব্যাপি ছড়িয়ে যায়। একই নিয়মে, বর্তমানের সোয়াইন ইনফ্লুয়েঞ্জাও ছড়াচ্ছে। এটাকে আটকানো সম্ভব নয়। বিবর্তনবাদ বিশ্বাস করি আর না করি, যেই বিজ্ঞানের উপর নির্ভর করে আমরা ডাক্তারের কাছে যাই সেই বিজ্ঞানের মতেই, “ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের বাহক হিসেবেই আমরা বানর থেকে মানুষ হয়েছি”। আমরা যেমন বিবর্তিত হয়েছি, আমাদের সাথেই বিবর্তিত হচ্ছে ভাইরাসও।
খেয়াল করুন, আপাতত এই সোয়াইন ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং স্বাভাবিক ইনফ্লুয়েঞ্জার কোন পার্থক্যই নাই। শুধু ভাইরাসটি সনাক্তকরণের সহজ (কিন্তু ব্যয়বহুল) পদ্ধতি আছে বলেই বিশ্বব্যাপি এটাকে সনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। যদি সেটা না থাকত, তবে আমরা জানতামই না কখন সোয়াইন ফ্লু আসল, ছড়াল এবং আমাদের মাঝে স্বাভাবিক হয়ে রইল। আমরা সংবাদপত্রে পড়তাম, ভাইরাসজনিত জ্বরের প্রোকোপ বাড়ছে, বাচ্চারা স্কুল কামাই দিচ্ছে। ভাইরাস নিয়ে ভয়ের যতগুলো কারন আছে তার প্রত্যেকটির সাথেই “হয়ত” “সম্ভবত” জাতীয় শব্দ জড়িত। ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাস যে কতভাবে উদ্ভব হয়ে মানুষের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে তার কোন ধারণাই সাধারণ মানুষের নাই। আমরা কি জানতাম নতুন সোয়াইন ফ্লু শূকর হতে ২০০৯-এ উদ্ভব হতে পারে?
বর্তমানের সোয়াইন ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ে ভয়ের কিছু নাই। এটা স্বাভাবিক ফ্লুয়ের মতই ছড়িয়ে গেছে। আজ দুইশত, কাল হয়ত দুই হাজার হবে। এটা ফ্লুয়ের সময় তাই এমনটাই হবে। অহেতুক সরকারকে দোষ দেওয়া, হাসপাতালের আলাদা ওয়ার্ডের জন্য চিল্লাচিল্লি করার কোন মানে নাই। ভ্যাকসিন নেবার আগে মনে রাখতে হবে সিজনাল ইনফ্লুয়েঞ্জার ভ্যাকসিন নিয়ে লাভ নাই। সোয়াইন ইনফ্লুয়েঞ্জার বিরুদ্ধে কার্যকরি ভ্যাকসিন মনে হয় এখনও মার্কেটে নাই। সাবধানতা যা নেবেন, সেটা সিজনাল ইনফ্লুয়েঞ্জা হলেও নেওয়া উচিত। স্বাভাবিক ভাবেই অন্যের মুখের সামনে হাচি কাশি দেওয়া ঠিক না, রুমাল ব্যবহার করা উচিত। এটা ফ্লু হলেই বা কি আর না হলেই বা কি। হাত পরিস্কার রাখা উচিত, এই আর কি। আর শরীর খারাপ থাকলে একটু বেশি সাবধান হওয়াই ভাল, তাই না!! ১৫/১৬ কোটি মানুষের গরিব দেশে মাস্ক, টিস্যু জাতীয় উপদেশকে আমার কাছে একধরণের রসিকতাই মনে হয়।
এই পোস্টের মদ্দা কথা হল, “বর্তমান সোয়াইন ফ্লু নিয়ে ভয়ের কিছু নাই। ফ্লু ছিল, আছে, থাকবে। সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা যেন সামনের সিজনে (আসছে নভেম্বর) এটা ১৯১৮ সালের মত ভয়াবহ রূপ না নেয়। এটাই দেখবার বিষয়। এই ক্ষেত্রে মূল দায়িত্ব সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের”।
ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস সম্পর্কে জানতে বাংলা উইকির নিম্নোক্ত নিবন্ধগুলো দেখতে পারেন। সম্ভব হলে নিজেও তথ্য যোগ করতে পারেন।
# ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস
# সোয়াইন ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস
ছবি সূত্র: নেট থেকে পাওয়া। উৎস মনে নাই![]()
(সময় করে পরবর্তী পোস্ট দেব)
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সোয়াইন ইনফ্লুয়েঞ্জা, ভাইরাস, বাংলাদেশ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: তথ্য সংকলন বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন:
অনেক বড় পোষ্ট, কাল সকালে পড়বো।
লেখক বলেছেন: গুড নাইট
সায়েম মুন বলেছেন:
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: অনেক বড় পোষ্ট, কাল সকালে পড়বো।
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: গুড নাইট
অ্যামাটার বলেছেন:
পড়লাম, অনেক কিছুই অজানা ছিল।তার মানে নতুন উদ্ভত কোনও ভাইরাসের বিরুদ্ধে আমাদের রোগপ্রতিরোধ ব্যাবস্থা স্বয়ংক্রিয় ভাকে তৎপরতা শুরু করতে পারে না, যদি তার স্বরুপ অপরিচিত হয়?
লেখক বলেছেন: ঘটনাটা হল এরকম। নতুন কোন কিছু তা ভাইরাস হোক আর যাই হোক, যদি আমাদের দেহে প্রবেশ করে তবের তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শরীরের ১৫/২০ দিন সময় লাগে। প্রথমবার হয়ে যাবার পরে শরীর সেটাকে মনে রাখে। দ্বিতীয়বার যদি একই জিনিস শরীরে প্রবেশ করে শরীর তাকে তারাতারি চিনে ফেলে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেয়।
এখন নতুন ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস এলে সেটাকে শরীরের চিনতে এবং প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিতে ১৫/২০ তো লাগবেই। ১৫/২০ দিন ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগই টিকে না, সেরে যায়। হয়ত কেউ কেউ মারা যায়, বিশেষ করে বৃদ্ধরা।
এবার যদি আমার এই ইনফ্লুয়েঞ্জা হয় তবে শরীর এটাকে চিনে ফেলবে। পরবর্তি সিজনে আমার শরীরে একই ভাইরাস আক্রমন করলে শরীর দ্রুত প্রতিরোধ করবে।
রথে চেপে এলাম বলেছেন:
গেয়ানি পুস্ট।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা
অ্যামাটার বলেছেন:
হুমম, একটা সাপলিমেন্টারি প্রশ্নঃ বলা হয় যে, চিকেন পক্স কারো একবার হলে আর দ্বিতীয়বার হয় না, সেটা কি এই জন্যই?
লেখক বলেছেন: কিছু কিছু রোগের ক্ষেত্রে আমরা Life long Immunity লাভ করি। চিকেন পক্স তার মাঝে একটা । তবে রেয়ার কিছু এক্সাম্পল আছে।
লেখক বলেছেন: হা এজন্যই
সত্যান্বেষী বলেছেন:
বিশেষায়িত পোস্ট।
বিবর্তনের সেই অমোঘ যাত্রার কথাই বলে এইসব নতুন নতুন ভাইরাসের জেনেসিস।
লেখক বলেছেন: এই কথাটা পোস্টে লিখেছিলাম। কিছু লোক আলোচনা অন্যদিকে টার্ণ নিতে পারে তাই আর লিখি নাই।
ওয়ার হিরো বলেছেন:
ভাইরে ব্যাপক ডরে আসিলাম। বাচাইলেন।
লেখক বলেছেন: সোয়াইন ফ্লু নিয়ে সাধারন পাবলিক খুব ভয়ে আছে। আমি প্রায়ই এখন কিছু লোক দেখি যারা মুখে রাস্তার পাঁচটাকা দামের কাপড়ের মাস্ক গুলো পড়ে আছে, কিন্তু নাক ঢাকে নাই ![]()
"বিবর্তনবাদ বিশ্বাস করি আর না করি, যেই বিজ্ঞানের উপর নির্ভর করে আমরা ডাক্তারের কাছে যাই সেই বিজ্ঞানের মতেই, “ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের বাহক হিসেবেই আমরা বানর থেকে মানুষ হয়েছি”। আমরা যেমন বিবর্তিত হয়েছি, আমাদের সাথেই বিবর্তিত হচ্ছে ভাইরাসও।"
খুব দ্রুত ভ্যাকসিন বেরোবে, তখন ভ্যাকসিন নিয়ে নিলেই দুপেয়ে জানোয়াররা ভাইরাসকে পরাস্ত করতে পারবে। সারভাইভ্যাল অফ দ্য ফিটেস্ট।
লেখক বলেছেন: বাংলায় সহজ করে লেখা আসলেই কঠিন। সাধারণ লোকে এইসব বিষয়ে নুন্যতমও জ্ঞান রাখে না। অন্যান্য দেশে শিক্ষা ব্যবস্থা এমন যে সাধারণ লোক অন্তত নিজের জন্য দরকারি এমন কিছু বায়োলজি বোঝে। আমাদের দেশে শিক্ষা ব্যবস্থায় জেনারেল নলেজ বলতে এখনই সাত মহাদেশের নাম, রাজধানী, খেলোয়ারের নামই বোঝা হয়।
কিছুক্ষণ লিখবার পরে মনে হয় লোকে বুঝবে তো!!!
জানি না এই ক্ষেত্রে কতটুকু সফল হলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
ম্দু বলেছেন:
আচছা এটা নাকি শ্বাসনালীতে আক্রমন করতে পারে ??তখন নাকি প্রানঘাতী হিসাবে দেখা দেয় এবং তখন মৃতু্্য
অনিবার্য ?? এ সম্বন্ধে কি বিস্তারিত বলবেন ????
লেখক বলেছেন: এই ভাইরাস শ্বাসনালীর ভাইরাস। সবসময়ই শ্বাসনালীতেই সংখ্যাবৃদ্ধি করে। তাই আলাদা ভাবে বলার কিছু নেই। তবে একটি ভাইরাস প্রাণঘাতি কখন হবে তার কিছু কারন আছে,
১। যদি রোগীর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা খুব দূর্বল থাকে। যেমন এইডস হলে, বয়স্ক হলে, বা কোন কারনে প্রতিরোধ ব্যবস্থায় সমস্যা হলে। সেই কারন গুলো হতে পারে অপুষ্টি, জেনেটিক কারন ইত্যাদি।
২। যদি ভাইরাসটি খুব মারাত্বক হয়। এই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসটি এত মারাত্বক নয়। সিজনাল ইনফ্লুয়েঞ্জার মতই।
তবে ইনফ্লুয়েঞ্জা ঘটিত বেশিরভাগ মৃত্যুই ব্যক্টেরিয়া ঘটিত নিউমনিয়াতে হয়। ইনফ্লুয়েঞ্জা যদি হয় প্রাইমারি ইনফেকশন তবে ব্যাক্টেরিয়া ঘটিত নিউমোনিয়াটিকে বলা হয় সেকেন্ডারি ইনফেকশন।
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
লেখাটিকে স্টিকি করা হোক..
লেখক বলেছেন: কর্তৃপক্ষের ইচ্ছা।
ভিজামন বলেছেন:
চমৎকার পোষ্ট....দু'দিন আগে সর্দি জ্বর হয়েছিল বেশ ভয় পেয়েছিলাম..... বাঁচাইলেন।
লেখাটিকে স্টিকি করা হোক.
লেখক বলেছেন: হ্যা ভয়ের কিছু নেই। স্বাভাবিক সর্দি জ্বর আর কি।
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন:
আমিও আপাতত: এটা নিয়ে বেশী মাতা-মাতি না করার পক্ষে। ঘরে ঘরে বেশী মাতা-মাতি করলে মানসিক ভাবে দুর্বল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। গতকাল বাচ্চাদের মামা অনেক গুলো মাস্ক নিয়ে বাসায় এলো, তারপর ভয়াবহতার গল্পে খৈ ফুটাল। সর্বশেষ সব সময় মাস্ক লাগিয়ে রাখার পরামর্শ দিয় সে চলে যাওয়ার পর বাচ্চাদেরকে বললাম, মাস্কগুলি আলমিরায় রেখে দাও। এখন যদি তোমরা এসব লাগিয়ে হাঁটতে থাক লোকেরা তোমাদেরকে দেখে পালাবে। মনে করেবে ঐ রোগে তোমাদেরকে পেয়েছে। রোগ হওয়ার আগে রোগী হয়ে লাভ কী? বাচ্চারা কথা শুনল।
লেখক বলেছেন: ওরে বাবা!!! অহেতুক বাচ্চাগুলোকেও ভয় পাওয়ানো। ঠিক বলেছেন, এত মাতামাতির কিছু নেই।
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
+++++
লেখক বলেছেন: থ্যাংক্স
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
খুব ভালো লিখেছো............
অনেক কিছু জানতাম না.........
ভয় পেয়ে তো লাভ নেই...........প্রতিরোধ এর ব্যবস্হাগুলো মেনে চলাই উচিত।
ভালো থেকো।
শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু। কেন জানি মনে হচ্ছে, অনেকদিন পরে আমার ব্লগে এলে। ভাল লাগল।
ভাল থাকো।
শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
জেরী বলেছেন:
পড়লাম আর জানলাম
লেখক বলেছেন: ভাল থাকতে হলে জানতে হবে
সুমন রহমান বলেছেন:
স্টিকি করা হোক এই লেখা, এবং পরের পর্বটি।
লেখক বলেছেন: স্টিকি করলে হয়ত এক্সপোজার বাড়ত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
ক-খ-গ বলেছেন:
অনেক উপকার কর্লেন। আতংক কাইটা গেছে এই লেখাটা পইড়া। গ্রেট!
লেখক বলেছেন: থ্যাংক্স
সুপার গ্লু বলেছেন:
সময়োপযোগী পোষ্ট, জনসাধারণের ভয়/আতঙ্ক কাটার জন্য সবার এ বিষয়ে এভাবে (স্বচ্ছভাবে) জানা দরকার, তাই জনস্বার্থে এই পোষ্ট স্টিকি করার জন্য মডু মহোদয়কে জোর অনুরোধ করছি। সাথে বিবর্তনবাদীকে অনেক ধন্যবাদ, আশাকরি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আপডেট তিনি আমাদের অবহিত করবেন।**আমাদের দেশে সাধারণের কাচে যে মাস্ক তা আলমিরাতেই মানাই,
লেখক বলেছেন: **আমাদের দেশে সাধারণের কাচে যে মাস্ক তা আলমিরাতেই মানাই,
বুঝলাম না সুপার গ্লু ভাই।
অপ্সরা বলেছেন:
বাহ বাহ ! ভেরীগুড বন্ধু। খুবি একটা ভালো কাজ করেছো। সত্যি আমার কম ভয় লাগছে এখন নয়তো বাচ্চারা একটু কাশী দিলেও আমার আজকাল ভয় লাগতো।ভাবতাম এই বুঝি আমাকেই ধরলো সোয়াইন ফ্লু।
এত বড় পোস্টটা এক নিমিসে পড়লাম । থ্যাংকস দাও আমাকে।
লেখক বলেছেন: এই নাও তোমার থ্যাংকস
কে এম তানভীর আহম্মেদ বলেছেন:
ধন্যবাদ, এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে লেখবার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এই মন্তব্যের জন্য।
কে এম তানভীর আহম্মেদ বলেছেন:
লেখাটি স্টিকি করা হোক, তাতে অনেকেরই ভয় কেটে যাবে, আর সঠিক তথ্যও সবাই জানতে পারবে।
লেখক বলেছেন: কর্তৃপক্ষের মর্জি।
লেখক বলেছেন: থ্যাংক্স ছারপোকা আর্কাইভে না নেওয়ার জন্য ![]()
রিফাত হাসান বলেছেন:
ফ্লু ব্যাপারটা বুঝলাম। কষ্টসাধ্য লেখাটির জন্য আপনাকে সাধুবাদ না দেওয়াটা গুনাহ হবে।
লেখক বলেছেন: গুনাহ বলাটা বেশি হইয়া যায়। মাকরূহ বলতে পারেন![]()
নুশেরা বলেছেন:
দেশে অবস্থা কী? ফেইসবুকে নাকি একটা ছবি ঘুরছে, বিয়ের আসরে বরবউসহ সবার মুখে মাস্ক!
লেখক বলেছেন: দেশে মোটামুটি অনেক জায়গাতেই সোয়াইন ইনফ্লুয়েঞ্জা ছড়িয়ে পড়েছে। রাস্তায় কিছু লোক দেখা যাচ্ছে যারা নাক ঢাকে নাই, কিন্তু কাপড়ের মাস্ক দিয়ে মুখ ঢেকে চলছে। ![]()
আরিফ নাওগাঁ বলেছেন:
দারুন হইছে। ভাল লাগল। স্টিকি করা হউক।
লেখক বলেছেন: অনেকদ ধন্যবাদ
কাঙাল মামা বলেছেন:
আমি ভাবছিলাম আপনাকে একবার বলবো এটা নিয়ে একটা পোস্ট দিতে, তার আগেই দিয়ে দিলেন। ধন্যবাদ। অনেক কিছু জানলাম এখন লেখক বলেছেন: যাক সময় দেওয়া কাজে আসল হয়ত। থ্যাংক্স ব্রো
লেখক বলেছেন: আগামী কাল শুক্রবার। ছুটি আছে, লিখতে চেষ্টা করব।
অনেক ধন্যবাদ ফারহান
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
শুভ জন্মদিন।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ চাঁদ মামা
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
থ্যাংকু একটা চমৎকার পোস্ট দেওয়ার জন্য। সহজ কইরা ব্যাপারটা বুঝাইছেন। আতংক কাটাতে এরকম করে পত্রিকা, টিভি সহ মিডিয়ায় আলোচনা আসা উচিত। পরের পর্ব কি আইজকা আসব নিকি??
লেখক বলেছেন: আনতে তো চাইছিলাম। কিন্তু আজকে আবার একটা স্পেশ্যাল ঝামেলা বাধাইছি ২৬ বছর আগে। তাই ছাড়তে পারুম কিনা বলতেপার্তাছি না।
অদ্রোহ বলেছেন:
লেখাটা এক্কেবারে সময়ম দিয়েছেন ,আশা করি অনেকের অমূলক ভয় কেটে যাবে ।ও হ্যাঁ,জন্মদিনের ম্যালা শুভেচ্ছা
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা মালা দেওনের জন্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ওকে
লেখক বলেছেন: থ্যাংক্স বন্ধু
স্বাপ্নিক প্রতিদিন বলেছেন:
ভালো লিখেছেন। তবে বিভিন্ন প্রাণীর ইনফ্লুয়েঞ্জা এ ভাইরাসে মোট ১৫ টি হিমাগ্লুটিনিন (H1, H2, H3…….. H15 এভাবে প্রকাশ করা হয়)---- নাহ হিমাগ্লুটিনিন ১৫টি না, অন্ততঃ বছর দুই আগে H16 সনাক্ত করা হয়েছে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হ্যা ঠিক বলেছেন। আমরা অনার্সে ১৫ টাই পড়েছিলাম। ২০০৫ এর দিকেই এইচ১৬ সনাক্ত হয়।
অনেক ধন্যবাদ
সংগ্রামী অলস বলেছেন:
আপনার লেখা থেকে অনেক কিছু জানলাম। কষ্টসাধ্য এ সচেতনতামুলক লেখার জন্য ধন্যবাদ।তবে বিবর্তনবাদের সাথে ভাইরাসের যোগ সুত্র দেখিয়েছেন। যিনি বিবর্তনবাদের মতবাদ প্রচার করেছেন তিনি নিজেও এ ব্যপারে সন্দিহান ছিলেন(তার নিজের লেখা চিটি)। এবং এটা প্রমানিত সত্য নয়। বানর থেকে মানুষের আগমন এটাও। মনে করবেন না যে আমি দাম্ভিক মানুষ হিসাবে এটা বিশ্বাস করতে চাইছি না। আমি বিজ্ঞানের কথা বলতে চাই। বিজ্ঞন এটাকে এখোনো প্রমান করতে পারেনি। আমি আপনার মত বিজ্ঞ নই। কিন্তু তারপরও বলতে চাই কি ভাবে একটি মতবাদ বিজ্ঞান সত্য হিসাবে আপনার কাছে প্রাধান্য পায়।
লেখক বলেছেন: আসলে বিবর্তনবাদের প্রচারক কি বলেছিলেন তার উপর বিবর্তনবাদ এখন আর নির্ভর করে নাই। এইযে নতুন ভাইরাসের উদ্ভব, অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্ট ব্যাক্টেরিয়া, ইনসেক্টিসাইড রেজিস্টেন্স ইনসেক্ট এসবের উদ্ভবই বিবর্তনবাদের বড় প্রমান। আর মলিকুলার পর্যায়ে বিবর্তনবাদ আর মতবার পর্যায়ে নাই, এটা এখন বিভিন্ন অংকের মতই প্রমানিত একটি বিষয়।
একটি মতবাদের সপক্ষে যখন প্রকৃতিতে প্রচুর উদাহরণ মেলে তখন সেটাকে সত্য বলে মেনে নেওয়াকেই প্রাধান্য দিতে হয়। এভাবে অনেক হাইপোথিসিসই সূত্রে পরিনত হয়েছে।
লেখক বলেছেন: থ্যাংক্স
নিশাচর বলেছেন:
পিলাচ..............+
লেখক বলেছেন: হুম
অলস ছেলে বলেছেন:
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: স্বাগতম
লেখক বলেছেন: মাগনা তথ্য কেন নিবেন। তার চাইতে ১০০ টাকা দেন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















