বাদশাসকল দিল্লী থাকতেন। বঙাল মুল্লুকে নবাবী শাসন। তাহারা বড়ই স্বেচ্ছাচারী ছিলেন। চরম আলুর দোষে দুষ্ট। ইনারা নারী দেখিবামাত্র সামাল দিতে ব্যর্থ ছিলেন। ফলাফল হাটেমাঠে ঘাটে অজস্র নবাবজাদার জন্ম হইছে। জেনেটিকালি সেই ধারা অব্যহত আছে। সকালে যারা অফিসে যান, তারা ভালোই টের পান।
এই নবাবজাদাদের অবশ্যই অবস্থানগত ভেদ আছে। গাড়ি দিয়া বিচার করতে হয়। চার চাকার ট্যাক্সি চালকরা একধরণের নবাবজাদা। এরা গাড়ি চালায়, যাত্রী তাদের খুব বেশী দরকার পড়ে না। মানে বাধ্যবাধকতা নাই তেমন। তয়, 20টাকা বাড়াইয়া দিমু কইলেই হার্ড ব্রেক কইরা লুঙ্গী তুইল্যা দিব। তিনচাক্কার সিএনজি ড্রাইভাররা একই জাতের। তয় তাগো গুয়াইতে খরচ 10টাকা বেশী। (গুয়ামারাটা নিশ্চিত কিন্তু আপনেই খাইতাছেন)।
আর ম্যানুয়েল যান্ত্রিকযানের চালক আমাদের রিকশা3য়ালা ভাইয়েরা। তাহারা সবচেয়ে বড় নবাবজাদা। পা তুলিয়া যখন বিড়ি ফুঁকিবে। ভুলে3 শুধাইবেন না। তোর বউরে লাগাইয়া পয়সা দিমু-- কইলে3 কইব যে না। যামু না।
নবাবজাদা আরো আছে। ছোটরাস্তায় মাঝখান দিয়া হাটবে। বড় রাস্তায় হঠাত গাড়ির সামনে ঝাপ দিয়া পইড়া ডান হাত তুইল্যা দিব। ড্রাইভার ব্রেক না কইরা যাইব কই!
সব সমস্যার সমাধান একজন নারী সহযাত্রী খুজে বের করা। তাদের লেলিয়ে দিন। নবাবজাদারা ছুটে আসবে। ইনফ্যাক্ট তারা বসেই থাকে তাদের প্যাসেঞ্জার সিট নারীধন্য হবে এই আশায়। জেনেটিকাল আলুর দোষ। চিকিতসা নাই
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই এপ্রিল, ২০০৭ বিকাল ৩:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



