রাজাকার নিয়া আরেকটু কথা (আড্ডাবাজরে)
০২ রা মে, ২০০৭ সকাল ১১:০৮
এন্টি মুক্তিযুদ্ধ কথাবার্তা বলে- শালায় রাজাকার! ব্লগে স্বাধীনতার বিপক্ষে কথা কয়- শালা রাজাকার। আত্্মসমর্থনে তেনারা বলেন আমরা ইসলাম নিয়া কথা কই, তাই রাজাকার। আমরা তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধ ব্যবসায়ী ও ভারত বিরোধী কথা কই- তাই আমগো কয় রাজাকার।
কালকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়া একটা গল্প (নাকি সত্যি ঘটনা) পইড়া একটু হালকা উচাটন হইল। টাইম ফ্রেমের কিছু ব্যাপার থাকে। সো গল্পে কিছু চরিত্রের সন্নিবেশ যখন ঘটে এবং তাতে সমকালীন ঐতিহাসিক একটা স্টেটমেন্ট জুইড়া দেয়া হয়, তখন জানবুঝ ওয়ালার ভড়কায়- চাপা মারতাছে দেইখা মনটা খারাপ লাগে। আর এইসব কারণেই বুঝি মুক্তিযুদ্ধ নিয়া কথা বললে সেটা ব্যবসা হইয়া যায়, কারণ মনগড়া ছবি আঁকাআকি।
যাক সেকথা। তুই রাজাকার দিয়া হুমায়ুন আহমেদ ব্যাপক জনপ্রিয় করছেন কথাটারে। একই লোক আবার তার এক উপন্যাসে ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধুর মুখে কাল্পনিক পাকিস্তান জিন্দাবাদ বা জয় পাকিস্তান বসাইয়া পাকপেয়ারিদের একটা উপলক্ষ্য দিছেন বাহাসের। যদিও আখেরে প্রমাণিত হইছে এই ভুয়া গিরি।
রাজাকার বাহিনী একটা সশস্ত্র বাহিনী। ৭১এর জুন মাসে এর জন্ম। যখন জন্মাইছে ততদিনে মুক্তিযোদ্ধারা মোটামুটি সংগঠিত। দেশে অপারেশন করতাছে। এপ্রিলেই ফোর্স ও সেক্টর নির্ধারণ করে ফেলছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। পাকিদের গেরিলা ঠ্যাকাইতে এদেশী সহচর দরকার ছিল। তাদের থ্রি নট থ্রি দিয়া, ট্রেনিঙ দিয়া, সরকারী ভাতা দিয়া, আনসার ক্যাটাগরির একটা বাহিনী বানানো হইছিল জামাতে ইসলামীর অধীনে।
রাজাকাররা সেই অর্থে নিয়মিত বাহিনী। কাজকাম ছিল পাকবাহিনীর অগ্রবর্তী দল হিসেবে কাজ করা। রোডঘাট পাহারা দেওয়া। এবং মুক্তি কোথায় পাওয়া যায়, খোজখবর, গ্রেপ্তার এবং স্বাধীনতাকামীদের নির্মমহত্যা। ডাকাতি, রাহাজানি, ধর্ষণ ছিল নিত্যকার কর্ম। স্বাধীনতার পর এদের কর্মফল অনুযায়ী কেউ মরছে, কেউবা সাধারণ ক্ষমার অধীনে ক্ষমা পাইছে। এদের গ্রেপ্তার করা হইছে রাজাকার বাহিনীর সদস্য হিসেবেই। পাকিস্তান সরকারের সহযোগী বাহিনী হিসেবে।
ভয়ঙ্কর যেই গ্রুপটা নিয়া আমরা উচ্চকিত ও শঙ্কিত, তারা দালাল। নট রাজাকার। আবার বলি, দালাল। স্বাধীনতাবিরোধী পুরাগ্রুপটাই দালাল। গোলাম আযম রাজাকার না, সে দালাল। মতিউর রহমান নিজামী, কামারুজ্জামান, মুজাহিদ এরা ঘাতক এবঙ দালাল। আলবদর এবঙ আল শামসকে রাজাকারি স্ট্যাটাস দেওয়া হয় নাই। এদের কর্মকাণ্ডের ভয়ঙ্করত্ব, পৈশাচ্য ও নির্মমতা ক্ষমার কোনো উপায় রাখে নাই। স্বাধীনতার পর রাজাকাররা ক্ষমা পাইছে। দালালরা না। দালাল আইন ছিল, এখনো আছে। শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে তাই আন্দোলনটা রাজাকার বিরোধী আন্দোলন না। ঘাতক-দালাল বিরোধী আন্দোলন। দালাল ও ঘাতকদের শাস্তি দেওয়ার আন্দোলন। প্রান্তিক একজন রাজকারের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই তাই গো আ, নিজামীদের কাজের সঙ্গে একপাল্লায় উঠে না।
আরেকবার ভাবা দরকার তাই, আমরা অতি সরলীকরণে গিয়া ওগোরে সাফাই গাওয়ার সুযোগ দিতাছি কী না। মানে রাজাকার কইলেই কয় মুজিব ক্ষমা করছে। ঘাতক-দালালদের করা হইছে কী? জ্বি না। হয় নাই। আমরা উচ্চকণ্ঠ এদেরই শাস্তির দাবিতে। রাজাকার বইলা তাদের অপরাধ আমরা কমাইয়া দিতারি না। কার দালাল? পাকিস্তানের? আবারো সরলীকরণ। তাইলে আমগোরে কইব রুশভারতের দালাল। তাইতো কইতাছে '৭৫এর পর থিক্যা। স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতক-দালাল। এইবার চলেন আবার সোচ্চার হই। মনে করাইতে হইব। প্রতিদিন কইতে হইব এদের শাস্তি চাই।
সঙ্গে পড়তে পারেন :
রাজাকারদের প্রতি মুক্তিযোদ্ধাদের লিফলেট
রাজাকার বাহিনী পরিচিতি
রাজাকারদের ক্ষমা, বঙ্গবন্ধুর কস্টলি ভুল
দালাল আইন, যা পরে বাতিল হয়েছিল
যে আইনে এখনো ঘাতক-দালালদের বিচার সম্ভব
হোসেইন বলেছেন:
ছুতারের ঠুকঠাক,কামারের এক ঘা।
হোসেইন বলেছেন:
তয়,সেই কবেকার কোন ৩৬ বছর আগের ইতিহাস টাইনা আমার পাড়ার ছোট ভাইরে আপনি রাজাকার কইলে আমি মানুম না,আপনার ফোকাসে প্রবলেম আছে,দাড়ান আমি সিঙ্গাপুর থাইকা একটা পোস্ট ঝাড়ুম নে। এর আগে তিরভুজরে কই,আমগো পোলাপান রেডি রাখতে,গুপনে রেটিং দিয়া টপলিস্টে তুইলা দিতে অইব।
অঃরঃপিঃ বলেছেন:
হাহাহা, আপনে মিয়া পারেনও
মুহম্মদ জুবায়ের বলেছেন:
বিষয়টা বিশদ বিশ্লেষণ করার জন্যে ধন্যবাদ। দরকারি ছিলো।
সুমন চৌধুরী বলেছেন:
পিয়াল ভাই অনেকদিন পর লাইনে আইছে। ডাঙ্কে...
কনফুসিয়াস বলেছেন:
ঠিকাছে। জরুরি পোষ্ট। এই ধরণের সরলীকরণ সবসময়েই নির্দিষ্ট কিছু স্বার্থসিদ্ধির জন্যেই করা হয়। যারা লাভবান হবে, তারাই নিজেদের মত করে সরলীকরণ করে নেয়।
যেই বিভাজনটা স্পষ্ট করে দিলেন, সেইটার দরকার ছিলো।
অঃরঃপিঃ বলেছেন:
এইটা ঠিক রাজাকার শব্দটা এখন মীরজাফর কথাটার মতো একটা বিশেষণে রূপ নিছে। উক্তিটা অনেক কিছু বইল্যা দ্যায়। আমার আর্গুমেন্ট সেই সুযোগটাই ওরা নেয়। আস্তমেয়ে কিঙবা বাকিরা যদি আইনের দোহাই দিয়া বলে প্রমাণ করেন কামারুজ্জামান কিংবা নিজামী কিংবা গো আ বিরুদ্ধে রাজাকারির অভিযোগে মামলা হইছে- প্রমাণ দিতারমুনা। বাট দালালীর অভিযোগে হইছে, সেই অভিযোগ আরো আছে এবং বিচার হইব সেই গ্রাউন্ডেই। রাজাকার ইস্যুতে না
কনফুসিয়াস বলেছেন:
হুম। পিয়াল ভাই হয়তো নিজেও বুঝেন নাই পুরা ব্যপারটা নিয়া নতুন করে ভাবার একটা চান্স করে দিয়েছেন এই পোষ্টটা করে।
রাজাকারদের সাধারণ ক্ষমা জাতীয় ব্যপার নিয়ে যেই সুযোগটা নিয়ে আসছে কতিপয় জ্ঞানী ব্লগার, সেটার ভ্যালিডিটি অনেক কমে গেলো আসলে এখন।
নজমুল আলবাব বলেছেন:
আমি অলটাইম চামচা!নতুন করে বলার কিছু নাই। এইভাবেই ভাবনা ও বোধ ছড়িয়ে পড়ে। ছড়িয়ে পড়ুক...
বিপ্লব রহমান বলেছেন:
একমত@অঃরঃপিঃ। তবে যুদ্ধাপরাধী বা রাজাকার এখন সমশব্দ। আপনাকে আবারো পাঁচ দিচ্ছি।
বিপ্লব রহমান বলেছেন:
অঃরঃপিঃ, ইতিহাসের হারিয়ে দাোয়া দলিল তুলে ধরার জন্য আবারো পাঁচ।...ক্যারি অন...
অঃরঃপিঃ বলেছেন:
কনফু ঠিক বলছ। ব্যাপারটারে আসলে বাস্তব ভিতের বিবেচনায় নিয়ে আসা দরকার। আমরা ঠিক কি চাই, চাইলে আমাদের অস্ত্র কি, রসদ কি, উপাত্ত কি। সেই সঙ্গে আইনী যেই ঢালটা আমাদের হাতে আছে, সেইটারে সাইড লাইনে চইলা যাইতে দেওয়া যাবে না। আমাদের আন্দোলন হোক একাত্তরের বিরোধীতাকারী দালাল ও ঘাতকদের বিপক্ষে। বন্দুক হাতে মানুষ মারছে রাজাকাররা অবশ্যই ঘাতক তালিকায় ঢুকে যাবে।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
দরকারী পোস্ট।৫।
অঃরঃপিঃ বলেছেন:
আরিফ ভাই মাইন্ড খাইলাম। ৫টা দরকারি কিছু না, আপনে এই ব্যাপারে কি ভাবেন বা আমার কথায় কোনো ফাক আছে কিনা সেটা জানাইলে খুশী হইতাম।
তীরন্দাজ বলেছেন:
অতি জরুরী ও দরকারী বিশ্লেষন। আপোষহীন। একটা বিষয়ে মতদ্বৈধতা আছে। তবে তা আপাত: দৃষ্টিতে অর্থহীন।ধন্যবাদ...অমি পিয়াল।
সাবাশ!
ঠুকেমারি বলেছেন:
৫ দেন সবাই। টপপোস্ট।
ঠুকেমারি বলেছেন:
দালালের পোনাগুলি কি এই পোস্ট পড়ে না।
ফারহান দাউদ বলেছেন:
অরপি,কয়েকটা স্পেসিফিক ইনফরমেশন দরকার,দিতে পারলে ভালো হয়। ১।প্রান্তিক রাজাকার বা শুধুই পাকবাহিনীর সহযোগী তবে গণহত্যায় অংশ নেয় নাই,এরা বিচারের আওতায় আসে কিনা,বা আসাটা উচিত কিনা।
২।৭১ এর আগে জামাতের ভূমিকাটা ঠিক কি ছিল সেটা অনেকের কাছেই ধোঁয়াটে,এ বিষয়ে তারা দাবী করে যে তারা লীগের সাথে মিলে পাকবিরোধী আন্দোলনে ছিল এবং শেষ পর্যন্ত ইয়াহিয়ার বিরোধী ছিল,এই যুক্তির বিরুদ্ধে স্পেসিফিক্যালি দেয়া যায় এমন কোন তথ্যসূত্র পাওয়া সম্ভব কিনা।
জিনিসগুলি একটু জানা দরকার,একটু সাহায্য করলে ভালো হয়।
অঃরঃপিঃ বলেছেন:
ফারহান,১.দালালি আইনটা ভাই কষ্ট কইরা একবার পড়েন (লিংক এই পোস্টেই আছে)
২. জামাত যুদ্ধের আগে ছিল জাস্ট আরেকটা রাজনৈতিক দল। মুসলিম লিগ আর নেজামী ইসলামীর চেয়ে তারা যুদ্ধকালে হার্ডকোর অবস্থান নেয় পাকিস্তানের অখন্ডতার পক্ষে। সুবাদে তাদের রাজনৈতিক অব্স্থান দৃঢ় করার একটা সুযোগ তারা নিতে চাইছিল, একই সঙ্গে ক্ষমতার ভাগ
অঃরঃপিঃ বলেছেন:
ঠিকাছে, কালকা পোস্ট দিমু
ফারহান দাউদ বলেছেন:
হুম,পড়তাসি,আর পোস্টের অপেক্ষায় আসি। তর্ক লাগাইতে গেলে স্পেসিফিক কিসু জিনিস জানা লাগে,এইজন্যই খুঁজতাসি,নিজে নিশ্চিত না হয়া অন্যরে বুঝানো যায়না।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
একমত,দালাল আইন বাতিল করা হয়েছে যা আপনি বলেছেন তবে (৬ নং প্যারায় )লেখায় বলেছেন সেটা আছে, কথাটা সংশোধন করা যাবে?
মম বলেছেন:
রাজাকার শবদ টা কোন দেশী? এর অরথ কি?কি কাজ করলে মানুষ রাজাকার হৈয়া যায়, বা যাইবে?
৭১'এ স্বাধিনতার বিপকখে কাজ কৈরা "রাজাকার" হৈলে..১৯৭২ থিককা ২০০৭ পৈরজনতো যিনি বা যাহারা দ্যাশ এর উননতির পুটকি মারছে, অহন ো মারতাছে হেগো কি নামে ডাকবেন ভাইডি ??
আড্ডাবাজ বলেছেন:
অ:র:পি:একেবারে নাংগা কইরা লেখছেন। কোন রাখ ঢাক নাই। যাক, সমুদ্র সৈকত থেকে ঢাকা শহরে ফিরলেন। এবার কীবোর্ডে চলুক...।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
জয় বাংলা
হযবরল বলেছেন:
রুটি রুজিতে আছিলাম। আবার একই কান্ড শুরু হইছে তাইলে।
এস্কিমো বলেছেন:
ধন্যবাদ অঃরঃপিঃ, আমরা আমাদের বচনের সুবিধার্থে রাজাকার-ঘাতক-দালালদের এক করে ফেলি। তবে লক্ষ্য থাকবে আইনী দিকটাতেও।
অঃরঃপিঃ বলেছেন:
মাহবুব সুমন, দালাল আইন শুরুতে যেইটা ছিল তাতে ফাঁকফোঁকড় ছিলো অনেক, সেইটা বাতিল কইরা পরে স্পেশাল ট্রাইবুনাল অ্যাক্ট হইছে কোলাবরেটর আর যুদ্ধাপরাধীদের জন্য। এই আইনে সব দালালগো বিচার সম্ভব। সেজন্য দরকার সরকারী সদিচ্ছা যা একমাত্র প্রবল জনমতই বাধ্য করতে পারে। সেই জনমতই আমরা তৈরি করতাছি
অঃরঃপিঃ বলেছেন:
করেন প্রশ্ন। জবাব এখুনি দিব সেই গ্যারান্টি নাই, একটু বিজি, বাট দিব।
১. এই আইনে এখনও পর্যন্ত কাউকে কনভিক্ট করা হয়েছে?
২. "An Act to provide for the detention, prosecution and punishment of persons for genocide, crimes against humanity, war crimes and other crimes under international law."
বিস্তারিত পড়ে যা বুঝলাম, এই আইনে কারও বিচার করতে হলে, তাকে ওয়ার ক্রাইম, ক্রাইমস এগেইন্সড হিউম্যানিটি, জেনোসাইডের সাথে যুক্ত থাকতে হবে। তার মানে মুক্তিযুদ্ধের সময় সেই যুদ্ধের বিরোধিতা করা ইন ইটসেল্ফ কোন ক্রাইম বলে গণ্য হবে না, এই আইনে কেবল তাদের বিচার হবে যারা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ওই সব অপরাধে যুক্ত ছিল। ঠিক? তার মানে কি ওই সব অপরাধে যুক্ত থাকার প্রমান দেখাতে হবে? আমি আইনী প্রয়োজনীয়তা জানতে চাইছি। নাকি এক্ষেত্রে গিল্টি আন্টিল প্রোভেন ইনোসেন্ট, অর্থ্যাৎ ওই পক্ষে যারাই ছিল, তারাই পটেনশিয়াল কনভিক্ট। নিজেদের এই আইনের্ আওতার বাইরে রাখতে তাদের নিজেদের এই সব অপরাধে সংযুক্ত না থাকার প্রমান আনতে হবে?
৩. প্রশ্নটা নাজুক, কিন্তু জানতে চাইছি। মুক্তিযুদ্ধের পর পর সাধারন মানুষের আক্রোশ নেমে এসেছিল বিহারীদের উপর। সেই সময়ে যাদের হত্যা করা হয়েছে, সেই হত্যার নায়কদেরও কি এই আইনে বিচার করা সম্ভব নয়? কারণ সেগুলোও তো সিভিলিয়ানদের উপরই অত্যাচার।
৪. জনমত তো যথেষ্ট আছে। আইনটা ৭৩ সালে হয়েছিল। ঘাদক দালাল নির্মূল কমিটি এই আইন অনুযায়ী কেন মামলা করে নি ৯২ এর দিকে?
অঃরঃপিঃ জবাব পরে আগে ও যে রাজাকার না প্রমান করুকআস্তমেয়ে আগে, আজ আম্মার জন্মদিন -হাসান মোরশেদের পোস্টারে পাচ দেন ওপেন চ্যালেন্জ টু আস্তমেয়ে, জেনুইন জানতে চাইলে আগে পাচ
অঃরঃপিঃ বলেছেন:
আইন পুরাটাই আছে। সিরিজ পোস্ট যেহেতু, পরেরটায় ধারাবাহিক। জবাব রবিবার।
আড্ডাবাজ বলেছেন:
রবিবারের কথা বলে আবার চিটাগাং লৌড় দিয়েন না...
ডাক্তাড়' বলেছেন:
৫


















