(লেখাটি পত্রিকা থেকে নেয়া, সামহোয়্যারবাসীর পড়া দরকার)
আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক পরাশক্তির আর্থিক এবং নৈতিক সহায়তাক্রমে সুশীল(?) সমাজ নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য নিয়ে প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করে। রাজনীতি এবং অর্থনীতি উভয় ক্ষেত্রেই এই আগ্রাসন পরিচালিত হয়। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পাশ্চাত্যের নব্য রক্ষণশীল সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ইসলামি বিশ্বকে তাদের আগ্রাসনের পরবর্তী লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করে। এই যুদ্ধকে প্রকাশ্যে শুধু ইসলামি মৌলবাদ ও সন্ত্রাসবিরোধী নামে অভিহিত করা হলেও একবিংশ শতাব্দীর সাম্রাজ্যবাদী শক্তির অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য যে সমগ্র মুসলিম বিশ্বকে সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করা এ নিয়ে সন্দেহ পোষণকারীর সংখ্যা সুবিধাভোগী শ্রেণীর বাইরে নিশ্চিতভাবেই কমে আসছে। যেকোনো যুদ্ধে যেহেতু প্রথম কাজই হচ্ছে শত্রুকে সঠিকভাবে চিহিßত করা, কাজেই দেশের জনগোষ্ঠীর বৃহৎ অংশ যে আজ শত্রু-মিত্র নির্ধারণ করতে পেরেছে এটি নিঃসন্দেহে শুভ সংবাদ। মুসলিম বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য নির্ধারণ করার পর পরবর্তী প্রশ্ন অনিবার্যভাবেই চলে আসে যেকোনো পন্থায় সেই নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে। এই কাজটি দু’ভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব। প্রথমটি অবশ্যই সরাসরি সামরিক আগ্রাসন এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে দেশে দেশে পুতুল সরকার প্রতিষ্ঠা। সরাসরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সামরিক প্রক্রিয়া অধিকতর ব্যয়বহুল, ঝুঁকিপূর্ণ, আন্তর্জাতিক আইনবহির্ভূত এবং বিতর্কিত। ইরাক এবং আফগানিস্তানের উদাহরণ আমাদের চোখের সামনেই রয়েছে। এত প্রাণহানি, এত অর্থব্যয়, এত ধ্বংসযজ্ঞ তার পরও কি আক্রমণকারীরা এখন পর্যন্ত ওই দু’টি দেশে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করতে পেরেছে? উভয় স্থানেই মুক্তির সংগ্রাম আজো চলমান এবং পরিশেষে বিদেশী দখলদারদের যে পরাজিত হতেই হবে এটিই ইতিহাসের শিক্ষা। কাজেই ধূর্ত নব্য সাম্রাজ্যবাদীরা যে এখন অধিকহারে দ্বিতীয় সমাধানের দিকেই ঝুঁকে পড়বে সেটাই প্রত্যাশিত। বাংলাদেশে আমরা এখন সেই দ্বিতীয় সমাধানেরই বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া দেখতে পাচ্ছি। আমাদের মাতৃভূমিকে একটি পরীক্ষাগার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে এবং এখানে উদ্দেশ্য সফল হলে ভবিষ্যতে দেশে দেশে দ্বিতীয় বিকল্পই আদরণীয় হয়ে উঠবে। বাংলাদেশে বিগত এক দশক ধরে রাজনীতির মূলস্রোতকে পরিকল্পিতভাবে বিতর্কিত করে তোলা হয়েছে। বিতর্কিতকরণ প্রকল্পে প্রধান ভূমিকা রেখেছে সুশীল(?) সমাজভুক্ত টিআইবি, সিপিডি, যোগ্য প্রার্থী আন্দোলনসহ তাদের সমমনা প্রতিষ্ঠানগুলো। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে আমাদের প্রধান উপদেষ্টার রাজনীতিবিদদের কঠোর সমালোচনা করে একাধিক বক্তৃতা প্রদান গুরুত্বের সাথে বিবেচনার দাবি রাখে। বাংলাদেশের মূলস্রোতের রাজনীতি প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত। সরকারের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এক ভাগের প্রতি বর্তমান শাসকশ্রেণীর বিস্ময়কর চরম বিদ্বেষ ইতোমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। অন্য ভাগ অর্থাৎ ধর্মনিরপেক্ষ, তথাকথিত প্রগতিশীল, বাঙালি জাতীয়তাবাদ গোষ্ঠীর সঙ্গে সুশীল(?) সমাজ এবং সরকারের মধ্যে একপ্রকার সমঝোতামূলক বোঝাপড়ার সম্ভাবনা অবশ্য এখনো প্রবল। আমার ব্যক্তিগত বিবেচনায় বিশ্ব এবং আঞ্চলিক মোড়লদের কাছে শেষ পর্যন্ত এ জাতীয় সমঝোতাই অধিকতর পছন্দসই বিবেচিত হবে। পাকিস্তানের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে আমার এই বিশ্বাস আরো দৃঢ় হয়েছে। সেখানেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপেই মোশাররফ এবং বেনজিরের এই নতুন সখ্য। রাজনীতিবিষয়ক আলোচনায় বিরতি দিয়ে এবার সুশীল(?) সমাজের দেশের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়াটি বিশ্লেষণের চেষ্টা করা যাক। নিবন্ধের শেষাংশে পুনর্বার রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তন করা যাবে। আমাদের উপলব্ধি করা প্রয়োজন যে অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তা এবং সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়েই দেশের একটি ক্ষুদ্র এবং তথাকথিত এলিট শ্রেণী এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সুশীল(?) সমাজের নেতৃত্ব প্রদানকারী ডজনখানেক আমাদের অতি চেনা ব্যক্তির মালিকানাধীন অথবা নিয়ন্ত্রণাধীন মাত্র পাঁচটি এনজিও প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কর্মকাণ্ড এবং ট্রাস্টিবৃন্দের পরিচয়ের প্রতি দৃষ্টিপাত করলেই বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণের আন্তর্জাতিক যে খেলাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে তার স্বরূপটি জনগণের কাছে পরিষ্কার হয়ে উঠবে। বিদেশী অর্থে প্রতিপালিত এই পাঁচ শক্তিধর প্রতিষ্ঠান হচ্ছে যথাক্রমে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (Manusher Jonno Foundation) সংক্ষেপে মানুষের জন্য, বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন (Bangladesh Freedom Foundation) সংক্ষেপে বিএফএফ, বাংলাদেশ রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট কমিটি (Bangladesh Rural Advancement Committee) সংক্ষেপে ব্র্যাক, সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (Centre for Policy Dialogue) সংক্ষেপে সিপিডি এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (Transparency International Bangladesh) সংক্ষেপে টিআইবি। এদের কারো কারো সম্পর্কে আমি এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের আট তারিখে ‘বাংলাদেশের সুশীল সমাজের ইতিবৃত্ত’ শিরোনামে ইতোমধ্যেই লিখেছি। এই নিবন্ধটি ‘জাতির পিতা নার্সিসাস সিনড্রোম এবং অন্যান্য’ নামক আমার প্রকাশিত গ্রন্থেও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আজকের লেখায় প্রাসঙ্গিকতার তাগিদেই অনিবার্যভাবে ওই লেখা থেকে কিছু তথ্যের পুনরাবৃত্তি হবে তার জন্য আগেই পাঠকদের কাছে মার্জনা ভিক্ষা করে রাখছি।
সুশীল(?) সমাজভুক্ত পাঁচটি এনজিও’র পাত্রপাত্রীদের পরিচয় যথেষ্ট মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য পাঠকদের কাছে সনির্বন্ধ আবেদন রাখছি যাতে করে বাংলাদেশের সম্ভাব্য বিপদের মাত্রাটি তাদের অনুধাবন করতে সুবিধা হয়। বাংলাদেশের জনমানুষের জন্যই যেহেতু আমার এই লিখে চলা তাই ‘মানুষের জন্য’ নামক এনজিও দিয়েই শুরু হোক আজকের কথকতা। ‘মানুষের জন্য’ নামক এনজিও’র নয় সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা হলেন জনাব মঞ্জুর এলাহী (চেয়ারপারসন), মিজ জওশন এ রহমান (সদস্য), ড. শাহনাজ হুদা (সদস্য), মিজ রোকেয়া এ রহমান (কোষাধ্যক্ষ), ড. জরিনা রহমান খান (সদস্য, নির্বাহী কমিটি), ড. ওয়াহিদুদ্দিন মাহমুদ (সদস্য), জনাব ইফতেখারুজ্জামান (সদস্য, নির্বাহী কমিটি), ব্যারিস্টার মনজুর হাসান (সদস্য নির্বাহী কমিটি) এবং মিসেস শাহীন আনাম (পদাধিকারবলে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য)। এই প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে প্রদত্ত তথ্য অনুসারে পরিচালনা পর্ষদে চেয়ারপারসন এবং কোষাধ্যক্ষ ব্যতীত তিন শ্রেণীর সদস্য রয়েছেন। সদস্যদের মধ্যে তিনজন সাধারণ সদস্য, তিনজন নির্বাহী সদস্য এবং একজন ‘পদাধিকার’ বলে সদস্য। এই ‘পদাধিকার’ বলে সদস্য হচ্ছেন সম্প্রতি ধর্মপ্রাণ মুসলমান জনগোষ্ঠীকে অবমাননাকরী পত্রিকা ‘প্রথম আলো’ এবং সাময়িকী ‘সাপ্তাহিক ২০০০’ পত্রিকার প্রকাশক ও ‘ডেইলি স্টার’ পত্রিকার সম্পাদক মাহফুজ আনামের স্ত্রী। পাশ্চাত্য সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠীর বিপুল অঙ্কের অর্থ বাংলাদেশে দেখভাল করার দায়িত্ব এই বিশেষ প্রতিষ্ঠানটির। এরা যুক্তরাজ্যের ডিএফআইডি জাতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত অর্থ বাংলাদেশের ক্ষুদ্র এনজিওদের মধ্যে প্রদান করে থাকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে বিশ্বব্যাপী ইসলামের বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ চলছে তাতে অস্ত্র, অর্থ এবং প্রচারণা সমভাবে ব্যবহূত হচ্ছে। বাংলাদেশে আগ্রাসী শক্তিগুলো বিভিন্ন বেসরকারি খাতের মাধ্যমে যে অর্থ ব্যয় করছে তা বর্তমান বৈরী পরিস্থিতিতে শুধু দয়া-দাক্ষিণ্য ভাবার কোনো কারণ দেখি না। আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা, পূর্ব ইউরোপ এবং মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, এই অর্থ কোনো প্রকার মানবকল্যাণের জন্য ব্যয়িত হয় না। আগ্রাসন তৈরির পটভূমি এবং দেশে দেশে ইরাকের আহমেদ ছালাবি জাতীয় দেশীয় দালাল শ্রেণী তৈরির জন্যই প্রধানত এই সম্পদ ব্যয়িত হয়ে থাকে। জনাব মাহফুজ আনামের কার্যকলাপ এবং বিদেশী শক্তির সাথে তার সখ্য সম্পর্কে দেশবাসী ইতোমধ্যেই কম-বেশি জেনে গেছেন। জনশ্রুতি রয়েছে ‘মানুষের জন্য’ নামক প্রতিষ্ঠানে ট্রাস্টি নয়জন হলেও এই এনজিও’র মূল চালিকাশক্তিই হচ্ছেন বহুল আলোচিত জনাব মাহফুজ আনামের স্ত্রী শাহিনা আনাম। বিষয়টি শুধু কাকতালীয় কিনা সেটি বিবেচনার ভার বাংলাদেশের রাজনীতিমনস্ক সাধারণ জনগণের ওপরই ছেড়ে দেয়া যেতে পারে।
বাংলাদেশে ফ্রিডম ফাউন্ডেশনের সাধারণ ট্রাস্টির সংখ্যা ১৫ জন এবং একজন রয়েছেন ইমেরিটাস ট্রাস্টি অর্থাৎ এই প্রতিষ্ঠানের ট্রাস্টিবোর্ড মোট ১৬ সদস্যবিশিষ্ট। এই ১৬ জনের মধ্যে তাৎপর্যপূর্ণ নামগুলো হচ্ছে জনাব সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী (চেয়ারপারসন), প্রথম আলো ও সাপ্তাহিক ২০০০ খ্যাত জনাব মাহফুজ আনাম, স্কয়ার গ্রুপের স্যামসন এইচ চৌধুরী (বর্তমান জ্বালানি উপদেষ্টা তপন চৌধুরী পিতা), অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল (এবারকার প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা), প্রফেসর রেহমান সোবহান, ড. ইফতেখারুজ্জামান (টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক) এবং ইমেরিটাস ট্রাস্টি হলেন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। এই রহস্যজনক প্রতিষ্ঠানটির জন্ম সম্পর্কে তাদেরই ওয়েবসাইটে প্রদত্ত তথ্য থেকে এখানে উদ্ধৃত করছি।
The emergence of the Bangladesh Freedom Foundation is an expression of intent at reviving the tradition of philanthropy as an instrument and catalyst for national development. The idea was first mooted in the course of informal consultations between a group of eminent citizens and the Ford Foundation, which had decided to close its Bangladesh operations in 1997 as part of its global restructuring. At that stage, the Ford Foundation made an informal commitment to providing support for the establishment of a national philanthropic foundation. Upon further consultations, the out-going representative of the Ford Foundation formally requested Mr. Mahfuz Anam, Editor, The Daily Star to serve as the Chairperson of an Advisory Committee to oversee the establishment of this foundation with initial financial, logistical and technical assistance from Ford.
(বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশনের উত্থান হয়েছে আমাদের লোকহিতৈষণার ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবনের উদ্দেশ্যে যা জাতীয় উন্নয়নে একাধারে মাধ্যম এবং অনুঘটক হিসেবে ব্যবহূত হতে পারে। এই ধারণাটি ১৯৯৭ সালে দেশের ‘বিশিষ্ট নাগরিক’ এবং ফোর্ড ফাউন্ডেশনের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময়ের প্রাথমিক পর্যায়ে উত্থাপিত হয়। ফোর্ড ফাউন্ডেশন আন্তর্জাতিক পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে তখন বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল। বাংলাদেশে জাতীয় লোকহিতৈষণামূলক কোনো প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হলে ফোর্ড ফাউন্ডেশন এই পর্যায়ে সেখানে সহায়তা প্রদান করার অনানুষ্ঠানিক প্রতিশ্রুতি দেয়। আরো আলাপ-আলোচনা শেষে ফোর্ড ফাউন্ডেশনের বাংলাদেশস্থ বিদায়ী প্রতিনিধি ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনামকে ফোর্ড ফাউন্ডেশনের অর্থ ও কারিগরি সহায়তা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত এই ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারপারসনের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানায়)।
মাহফুজ আনামের স্ত্রী শাহিনা আনাম পরিচালিত এনজিও ‘মানুষের জন্য’ যেমন পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের অর্থ বিভিন্ন ক্ষুদ্র এনজিও প্রদান করে থাকে ঠিক একইভাবে বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশনও তাদের সমমনা এনজিওগুলোর মধ্যে অর্থ বিলি করে থাকে। পার্থক্য হচ্ছে স্বামী যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থপুষ্ট সেখানে স্ত্রীর অর্থ সরবরাহকারী হচ্ছে প্রধানত যুক্তরাজ্য। দু’টি প্রতিষ্ঠানেরই বর্তমান চেয়ারপারসন আবার একই ব্যক্তি অর্থাৎ সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী। এই নিবন্ধটি লেখার জন্য প্রাসঙ্গিক তথ্য নিয়ে যথেষ্ট ঘাঁটাঘাঁটি করতে হয়েছে। এনজিও পরিবারের ভেতরে যতই ঢুকেছি ততই বিস্মিত, চমৎকৃত এবং আতঙ্কিত হয়েছি। আন্তর্জাতিক পরাশক্তির এত শক্তিশালী স্থানীয় দোসরদের বিরুদ্ধে পাঁচটি বছর ধরে একাকী লড়াই করেছি ভাবতেই হূৎকম্পন শুরু হওয়ার কথা। (আরেকটু আছে )
মাহমুদুর রহমানকে চিনি না, তবে লেখাটার জন্য সংখ্যাতীত ধন্যবাদ। মাহমুদুর রহমানের ইমেইল: [email protected]
এত্ত কষ্ট করার পরও যদি না ভাল্লাগে তো লিংকে ক্লিক করে দৌড় লাগান।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

