হাহাকার
২৬ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:১৮
মাটির সঙ্গে কৃষকের যে সম্পর্কসূত্র তার ভেতর লাঙলের ফলার অনিবার্যতা
কতটা গভীর এ নিয়ে ভাবতেই একটা হামিংবার্ডের ডানা নাড়বার চঞ্চলতার
চেয়েও কম সময়ে আমার ভাবনারা অন্যত্র বসতি গড়ল,আর সেই মুহূর্তটাকে
ধরতে তেড়ে আসছে অসংখ্য ক্লিকনির্ভর ডিজিটাল বাটন!
অন্নপ্রাসনের দুপুরে কৃষকের সাথে মাঠের দূরত্ব বিষয়ে শিশুটি বক্তৃতা করে সমাগত
অতিথিবৃন্দের উদ্দেশ্যে।এই শিশুটি যেদিন বড় হয়ে ধবল ত্বকের বিদেশীনি সাথে করে বিলুপ্ত পেশাজীবি নিয়ে গবেষণা করতে আসবে ফিরে গ্রামে ,তখন তো লোকজ যন্ত্র হিসেবে
লাঙল আর সম্প্রদায় বলতে কৃষককেই বেছে নেবে ! তাঁর অভিসন্দর্ভের শিরোনাম
হাহাকার ছাড়া আর কিই বা হতে পারে !
মৃদুল মাহবুব বলেছেন:
ভালো।
লেখক বলেছেন: থ্যাংস, মৃদুল।
মুজিব মেহদী বলেছেন:
আপনার কল্পনা অনেকদূর পথ হেঁটে (লাফিয়ে না) শেষে মোক্ষম আশংকাটিতেই এসে পৌঁছাল মনে হচ্ছে। এখানে এসে হাহাকারটি সহসাই হাহাকার হয়ে উঠল। শিকড়ে টান লাগল, ব্যথার টান।চমৎকার অভিজিৎ।
লেখক বলেছেন: ব্যথার টানে যে ব্যাথাতুর গান বেজে উঠে তার সুরও কেমন অস্ফুট গুমোট! ধন্যবাদ মুজিব ভাই।
ফয়সল নোই বলেছেন:
অভিজিৎ,ভাল লেগেছে পড়ে।অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ফয়সল ভাই
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন:
তোর এ কবিতা পড়ে মনে হলো তোর এ কবিতাটি পড়ে হাহাকারই করলে ভালো লাগবে।হাহাকার,হাহাকার,হাহাকার,
হাহাকার,হাহাকার,হাহাকার,
হাহাকার,হাহাকার,হাহাকার,
হাহাকার,হাহাকার,হাহাকার,হাহাকার,হাহাকার,হাহাকার,
হাহাকার,হাহাকার,হাহাকার,
আর এই দৃশ্য দেখে হাহাহাহাহাহাহা করে কে যেন হাসছে,এই দৃশ্য দেখেও কেবল হাহাকার করতে ইচ্ছা করছে!
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
ভালো লেখা। আর কি খবর?


















