somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মহান সংসদ যেন আবার শুয়োরের খোয়ারে পরিণত না হয় (স্যরি..)

২৫ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেক অপেক্ষার পর আজ সেই বহুল প্রতীক্ষীত সংসদ বসল। অনেক কথাবার্তাও হল। নিয়মমাফিক অনেক কাজকর্মও সারা হল। তবে কিছু লক্ষণ আবারও দেখা দিয়েছে যা অনেক দিনের ট্রেন্ডকেই ফলো করছে, যাতে মনে হচ্ছে না সংসদের কার্যক্রমে নতুনত্ব দেখা দেবে। যেমন:

১. বিদায়ী স্পীকার যখন তার বিদায়ী ভাষণ দিচ্ছিলেন তখন প্রধানমন্ত্রী তার পাশের জনের সাথে হাসিঠাট্টায় মত্ত ছিলেন, যার অর্থ তিনি ভাষণ শুনছিলেন না কিংবা এটার কোন গুরুত্বই তার কাছে নেই। এটি কিসের লক্ষণ আল্লাহই জানে।

২. স্পীকার (সাবেক) ভাষন দেয়ার সময় একজন সদস্য হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়ে কি যেন বলার চেষ্টা করছিলেন তার মাইকে সংযোগ না থাকা সত্ত্বেও। তিনি চেঁচাচ্ছিলেন বোন বিধিনিষেধের তোয়াক্কা না করেই। এই গোয়র্তুমির অর্থ কি?

৩. একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী অনেকবার অনুরোধ করেও কোন ফ্লোর না পেয়ে বাইরে চরে গেলেন(ওয়াক আউট!)। দেখানো হল নিয়ম নাই তাই কথা বলা যাবে না(হতেই পারে এরকম নিয়ম)। কিন্তু তার পরের পাঁচ মিনিট ধরে হাসি তামাশা চলল।

৪. রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগেই হঠাৎ করেই ওয়াক আউট করলেন বিএনপি সংসদ সদস্যরা। সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই। যে অভিযোগ তারা দেখালেন তা কতটুকু গ্রহণযোগ্য আপনারাই বিবেচনা করুন।

হট্টগোল তো আছেই।


আর বেশ কিছু বলার ছিল। কিন্তু এটুকুই কি যথেষ্ট নয়?

আপনারাই বিবেচনা করেন।

সংসদের সব নেতা-নেত্রীর প্রতি শুধু একটাই আহ্বান আপনারা যদি কোন কাজের কথা থাকে তাহলে সংসদে যান, না হলে দরকার নেই। খোশগল্প কিংবা ঝগড়া করার আরও অনেক জায়গা রয়েছে।

মনে রাখবেন আপনাদের এক মিনিট গল্প করা কিংবা ঝগড়া করাতে আমাদের ১৬ হাজার টাকা খরচ হয়। যা একজন কৃষক বা দিনমজুরের তিন থেকে চার মাসের আয়। আর তাদের ঘামঝরা টাকাতেই আপনাদের এই রাষ্ট্রীয় আয়োজন। বিগত দিনগুলোর মত আবারও যেন কাউকে বলতে না হয় যে আমাদের এই মহান সংসদ কতগুলো শুয়োরের ্আড্ডাখানা মাত্র।

১৪টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×